

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় নিরাপদ পানি সরবরাহে ওয়াসা গঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে কুমিল্লা সার্কিট হাউজে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আমিরুজ্জামান ভুঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বপন, বিএনপি নেতা মোজাহিদ চৌধুরী, মাহবুবুল আলম চপল, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসেন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
মতবিনিময় সভায় ওয়াসা গঠনের গুরুত্ব নিয়ে আলোকপাত করা হয়। ওয়াসা গঠনে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের সিদ্ধান্ত হয়। সভায় ওয়াসার পরিধি, জনবলের বিষয়ে আলোচনা হয়। সিটি করপোরেশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য জেলা প্রশাসক মন্ত্রণালয়ে রেজুলেশন আকারে প্রেরণ করবেন।
এছাড়াও সিটি করপোরেশনের সীমানা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে মনিরুল হক চৌধুরী এমপির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য ছয় সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রস্তাবিত নতুন সীমানা পর্যবেক্ষণ করে রিপোর্ট প্রদান করবেন
মন্তব্য করুন


ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ডিসেম্বর মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২১৫ টাকা থেকে ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৫৫টাকা ৫৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) নতুন দর ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। যা সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে গত নভেম্বর মাসে এলপি গ্যাসের দাম সমন্বয় করেছিল বিইআরসি। তখন ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৬ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম ভোক্তাপর্যায়ে ১ টাকা ১৯ পয়সা কমিয়ে ৫৫ টাকা ৫৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সহায়তা করার জন্য আজ বুধবার (০৩ ডিসেম্বর ) সকালে
যুক্তরাজ্যের এক চিকিৎসক ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
ডা.
রিচার্ড বিলি নামে ওই চিকিৎসক সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সকাল ১০টা
৩৫ মিনিটে তিনি হাসপাতালের চতুর্থ তলায় করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) প্রবেশ করেন,
যেখানে খালেদা জিয়া চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে, পরিদর্শনকারী
চিকিৎসক তার সর্বশেষ মেডিকেল রিপোর্ট পরীক্ষা করবেন এবং তার চিকিৎসার পরবর্তী পদক্ষেপ
সম্পর্কে তাদের মূল্যায়ন দেওয়ার আগে মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।
সকাল
সাড়ে ১০টার দিকে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা
রহমান সিথিও হাসপাতালে পৌঁছে সরাসরি সিসিইউতে যান।
হাসপাতালের
কর্মকর্তারা জানান, চীন থেকে একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল আজ সন্ধ্যার পরে পৌঁছাবে বলে
আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত রিপাবলিক অব কসোভোর রাষ্ট্রদূত মি. লুলজিম প্লানা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
আজ সোমবার সকাল ৯টায় রাজধানীর বসুন্ধরাস্থ আমিরে জামায়াতের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রদূত বৈঠকের শুরুতেই আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং তার পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে বিরাজমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশ ও কসোভোর দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে তারা খোলামেলা আলোচনা করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতি কসোভোর দৃঢ় সমর্থন থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
মন্তব্য করুন


১৯৮০
সালে মুক্তি পাওয়া শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘ছুটির ঘণ্টা’র কথা মনে আছে নিশ্চয়ই। সাড়া জাগানো
বাংলা সিনেমাটির গল্পে স্কুলের বাথরুমে আটকে পড়া এক শিশুর হৃদয়বিদারক পরিণতি কাঁদিয়েছে
অনেককেই। ঈদের ছুটি ঘোষণার দিন স্কুলের বাথরুমে তালাবন্ধ হয়ে আটকে পড়ে ১২ বছরের শিশু।
সিনেমায় দীর্ঘ ১১ দিনের ছুটি শেষ হওয়ার পর শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে মেহেরপুরের
ঘটনাটি শেষ পর্যন্ত কোনো বেদনার কারণ হয়নি। বাথরুমে আটকা তৃতীয় শ্রেণির শিশুটিকে কয়েক
ঘণ্টা পর পরিবার ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয়।
বুধবার
(১৫ এপ্রিল) বিকেলে ঘটনাটি ঘটে মেহেরপুর শহরের বিএম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
জানা
গেছে, বিকেল ৪টায় স্কুল ছুটি হলে শিক্ষকরা যথারীতি বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। তখন তৃতীয়
শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া বাথরুমে আটকে পড়ে। পরে শিশুটি ভয়ে কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু
করে। তার সেই চিৎকার পথচারীরা শুনতে পেয়ে এগিয়ে আসেন। এদিকে শিশুটির বাবা মনিরুল ইসলাম
খোঁজ নিতে স্কুলে আসেন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের মূল ফটক খুলে ভেতরে প্রবেশ
করা হয়। কিন্তু বিদ্যালয় ভবনের কলাপসিবল দরজা ভেঙে শিশুটিকে বের করা সম্ভব না
হওয়ায় স্থানীয়রা এক পর্যায়ে স্কুলের এক শিক্ষিকাকে ডেকে আনেন। ওই শিক্ষিকার উপস্থিতিতে
অবশেষে সাদিয়াকে উদ্ধার করা হয়।
দায়িত্বপ্রাপ্ত
শিক্ষকরা স্কুল ভবন ও মূল ফটকে তালা দিয়ে চলে যাওয়ার ফলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফোন ধরেনি।
রাত
১২টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খায়রুল
ইসলাম। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার প্রাথমিক তথ্য নেন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান
শিক্ষককের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া পাননি।
ইউএনও
বলেন, মেয়েটি সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে, এটাই স্বস্তির বিষয়। তবে ঘটনাটি গুরুত্ব
সহকারে দেখা হবে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হবে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে সূয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ইমাদ পরিবহনের একটি বাস চাপায় প্রাণ গেল শাহিদা আক্তার নামের এক কলেজছাত্রীর।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সূয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ১ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।
নিহত কলেজছাত্রী শাহিদা আক্তার সূয়াদী গ্রামের সৌদি প্রবাসী শাহাদাৎ শেখের মেয়ে। তিনি ভাঙ্গা মহিলা ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাহিদা পাঁচ বোনের মধ্য সবার বড়। সকালে তিনি কোচিংয়ে যেতে ভাঙ্গার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে সড়কে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ঢাকা থেকে খুলনাগামী ইমাদ পরিবহনের একটি বাস তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই শাহিদা মারা যায়।
আরও জানা গেছে, দুর্ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে প্রায় ১ ঘণ্টা মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ভাঙ্গা থানার ওসি মো. আশরাফ হোসেন বলেন, বাসের চাপায় পথচারী কলেজছাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় আইনিপ্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৬ সংসদীয়
আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার
ইশরাক হোসেন। তিনি গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা
বিভাগীয় কমিশনার শফর উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।
ঢাকা-৬ আসনে
মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।
তিনি জানান,
সব আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা কাগজপত্র যাচাই
করে নিজেই তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন।
মনোনয়নপত্র
জমা দেয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় ইশরাক হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ অত্যন্ত
ভালো রয়েছে। এর আগেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা থাকায় তিনি পরিস্থিতি সম্পর্কে
আত্মবিশ্বাসী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত
হবে এবং সব রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচনে অংশ নেবে।
তিনি বলেন,
প্রত্যেক নাগরিক যেন নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে ও বিনা বাধায় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের
প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।
নির্বাচনের
চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হওয়া, দলের ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যানের দেশে ফেরা এবং দলীয় কর্মকাণ্ড চাঙা হলেও কিছু চ্যালেঞ্জ এখনো রয়েছে।
তবে ঢাকা-৬ আসন নিয়ে তিনি অত্যন্ত আশাবাদী বলে জানান। তিনি বলেন, এই আসনের সব থানা
ও ওয়ার্ডের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ তার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন।
ঢাকা-৬ আসনের
ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি স্মরণ করেন, ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার
বাবা মরহুম সাদেক হোসেন খোকা তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে ৩০০ ভোটের
ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন।
নির্বাচন বানচালের
আশঙ্কা প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, শেষ দিন পর্যন্ত এ ধরনের আশঙ্কা থেকেই যায়। তবে
তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে যেভাবে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল,
সেই ঐক্যের সামনে সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে।
তরুণ ভোটারদের
উদ্দেশ্যে বিশেষ আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গত তিনটি নির্বাচনে তরুণরা প্রকৃত অর্থে
ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। এ কারণে বিএনপি তরুণদের প্রস্তুত করতে বিভিন্ন কর্মশালা
ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। ছাত্রদল ও যুবদলসহ অঙ্গসংগঠনগুলো এ কাজে সক্রিয়ভাবে
যুক্ত রয়েছে।
ইশরাক হোসেন
বলেন, তরুণদের প্রতি আমার আহ্বান আপনারা অবশ্যই ভোটকেন্দ্রে যাবেন। কোনোভাবেই আপনার
মূল্যবান ভোটটি মিস করবেন না। যাকে ভোট দেবেন, সেটি নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
আমরা চাই জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটুক।
তিনি আরও বলেন,
ভবিষ্যৎ নির্বাচনগুলোতে আইনের মাধ্যমে এবং ব্যালটের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়া
জরুরি। আমি যদি কোনো অন্যায় করি, আমাকেও যেন জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়। সে জন্য
তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্তব্য করুন


জনগণের
চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান।
আজ
বুধবার (০৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী,
উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্তি প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালু করার
কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে স্বাস্থ্য
সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হবে। এই ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার কথা
বলেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারি
বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনসমূহ চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও
পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে স্বাস্থ্য কেন্দ্র করার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা
হয়েছে।
অতিরিক্ত
প্রেস সচিব জানান, শুধু এলজিইডি’র পরিত্যক্ত ভবন বা বিল্ডিং রয়েছে ১৭০টি।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি ও তার অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার এরকম যেসব পরিত্যক্ত
ভবন বা বিল্ডিং রয়েছে, সেগুলো ক্লিনিক ও স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
এই ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
দেশের
জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতিবছর ৩৪
লাখ নবজাতক জন্ম গ্রহণ করে।
আতিকুর
রহমান রুমন জানান, প্রতিবছর নবজাতক জন্মের যে পরিসংখ্যান, সেটি নিয়ে বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ
করা হয়। এ প্রেক্ষিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়কে তৎপর হতে বলা হয়েছে।
বিএনপির
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী, যার মধ্যে নারী ৮০ শতাংশ এবং
পুরুষ ২০ শতাংশ, নিয়োগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী
নিয়োগের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে।
দুর্গম
এলাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসকদের যাওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী
তাগাদা দিয়েছেন বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
বৈঠকে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রেমের
টানে সুদূর চীন থেকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় ছুটে এসেছেন চীনা নাগরিক ইয়ং
ডিলি (২৮)। রোববার (১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে তিনি উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের রসুলপুর
গ্রামে সাহারা আক্তারের (২০) বাড়িতে আসেন। দিনভর দুই পরিবারের আলোচনা ও প্রস্তুতির
পর সন্ধ্যার পরে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘উইচ্যাট’ এর মাধ্যমে প্রায় এক বছর আগে ইয়ং ডিলি
ও সাহারার পরিচয় হয়। শুরুতে বন্ধুত্ব, পরে তা প্রেমে রূপ নেয়। দীর্ঘদিন অনলাইনে যোগাযোগের
পর এক মাসের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে আসেন ইয়ং ডিলি।
রোববার
সকালে রসুলপুর গ্রামে পৌঁছালে এলাকায় কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। বিদেশি নাগরিককে একনজর দেখতে
আশপাশের মানুষ সাহারাদের বাড়িতে ভিড় করেন। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে সন্ধ্যায় কাজীর
মাধ্যমে মুসলিম রীতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।
সাহারার
পরিবার জানায়, শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ, ভিডিও
কল এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে তারা আশ্বস্ত হন। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, ইয়ং
ডিলি ইসলাম ধর্ম ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়
এক ইউপি সদস্য বলেন, বিদেশি নাগরিক বিয়ে করতে আসায় এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়েছে। তবে বিয়ের
ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
জানা
গেছে, ইয়ং ডিলি বর্তমানে এক মাসের ভিসায় বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। বিয়ের পর কিছুদিন
তিনি স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকবেন। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন
করে দম্পতি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন।
মন্তব্য করুন


দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব
পড়েছে ঠাকুরগাঁওয়েও। জেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে মিলছে না তেল। দৈনিক একটি পাম্পে
সীমিত পরিমাণে পাওয়া গেলেও সড়কজুড়ে লম্বা লাইন।
দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটের প্রভাব পড়েছে উত্তরাঞ্চলের
জেলাগুলোতেও। ঠাকুরগাঁওয়ে অনেক ফিলিং স্টেশনে তেল না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ
মানুষ। কোথাও কোথাও সীমিত পরিমাণে জ্বালানি মিললেও দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে
ভোক্তাদের।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই জেলার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা গেল ভিন্নরকম
এক উপহার। সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের রাজাপুকুরে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে বরকে উপহার
হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৫ লিটার অকটেন। যা উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে সৃষ্টি করে হাস্যরস ও
কৌতূহল। অনেকেই এটিকে সময়োপযোগী ও বাস্তবধর্মী উপহার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হাসান রায়হান নামে এক অতিথি বলেন, এখনকার সময়ে
জ্বালানি তেলই সবচেয়ে দামি ও প্রয়োজনীয় জিনিস। তাই এমন উপহার সত্যিই ব্যতিক্রমী। জামাল
নামে আরেকজন বলেন, এটা যেমন মজার, তেমনি বর্তমান পরিস্থিতির একটি প্রতিফলনও বটে।
এই ঘটনা শুধু হাসির খোরাক নয়, বরং চলমান জ্বালানি সংকটের চিত্রও
তুলে ধরে। যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি এখন মানুষের কাছে প্রায় ‘সোনার হরিণে’ পরিণত
হয়েছে।
অকটেন উপহার দেওয়া ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম বলেন, পেট্রোল-অকটেন পেতে
ভোগান্তি চরমে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি তেল মিলছে না। মানুষ দৈনন্দিন
কাজগুলো করতে পারছেন না। এমন সময়ে বর-কনে যাতে স্বস্তি আর স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে
পারেন সেজন্য অকটেন উপহার দেওয়া হয়েছে। এটি সংকটের প্রতীকও বটে।
বর রাতুল হাসান সাফি বলেন, বিয়েতে এটি খুবই ব্যতিক্রমী উপহার। অকটেন
হলেও এটি সংকটময় মুহূর্তে কাজে লাগবে। যারা দিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
জ্বালানি তেলের এমন সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব পড়বে পরিবহন,
কৃষি ও নিত্যপণ্যের বাজারে। ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এই বিয়ের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যেই আলোচনার জন্ম
দিয়েছে। ব্যতিক্রমী এই উপহার যেমন আনন্দের খোরাক জুগিয়েছে, তেমনি বর্তমান বাস্তবতার
একটি স্পষ্ট বার্তাও পৌঁছে দিয়েছে সবার মাঝে।
মন্তব্য করুন


সুদানের
আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী
শাহাদাতবরণ করেন। এ ঘটনায় মোট
৯ জন শান্তিরক্ষী আহত
হন বলে সর্বশেষ তথ্যে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সন্ত্রাসী হামলায় শাহাদাতবরণকারী ৬ জন শান্তিরক্ষীদের
মরদেহ আগামী ২০ ডিসেম্বর ঢাকায়
প্রত্যাবর্তনের কথা রয়েছে।
বুধবার
(১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর
জানায়, গত ১৩ ডিসেম্বর
সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সংঘটিত বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ৮ জন বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষী আহত হন। পরে, প্রাপ্ত হালনাগাদ তথ্যে আরও একজন শান্তিরক্ষী আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ জন। আহত
সব শান্তিরক্ষীর দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে
আহত শান্তিরক্ষীরা কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে (লেভেল–৩ হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন
রয়েছেন এবং তাদের একজন এরইমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
উল্লেখ্য,
গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের
আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইস-এ বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী
পরিচালিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় দায়িত্ব পালনরত ৬ জন বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষী শাহাদাতবরণ করেন এবং মোট ৯ জন আহত
হন।
মন্তব্য করুন