

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪০ লাখ ৪৮ হাজার টাকার মূল্যের অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার বাজি এবং গাঁজা উদ্ধার করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
শনিবার (৪ অক্টোবর) ভোর ৫টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষ্ণীপুর ও সদর উপজেলার কটকবাজারসংলগ্ন স্থান থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়।
দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
বিজিবি জানায়, ভোর ৫টার দিকে যশপুর বিওপি’র অধীনস্থ লক্ষীপুর পোস্টের একটি বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সীমান্তের ৭ কিলোমিটার অভ্যন্তরে মান্দারী কবরস্থান ও পালপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৪ হাজার ৫৬০ পিস বাজি এবং ৪৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায় বলে জানানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত বাজি ও গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪০ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তারা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪৭ ক্যান বিয়ারসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৯ অক্টোবর বিকালে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
চৌদ্দগ্রাম থানাধীন দোলবাড়ী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী মোঃ সাইফুল নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে
৪৭ ক্যান বিয়ার এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক (মিশুক) উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ সাইফুল (৩০) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ছুপুয়া মিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত সেলিম
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ইজিবাইক (মিশুক) ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য বিয়ার সংগ্রহ পূর্বক কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


৭ই
নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লায়
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি।
আজ
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা টাউন হলে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির
উদ্যোগে এই কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ - ড্যাব কুমিল্লার সদস্যবৃন্দ। সকাল থেকেই চিকিৎসা
সেবার বুথ থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে আসেন শত শত মানুষ। পাশাপাশি তাদের বিনামূল্যে
ঔষধ প্রদান করা হয়। কুমিল্লা মহানগর বিএনপির
সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু ও বিএনপি নেতা নিজামুদ্দিন কায়সার অনুষ্ঠানের সূচনা
করেন।
ফ্রি
মেডিকেল ক্যাম্পে সাধারণ মানুষ ডায়বেটিস, চর্ম, নাক, কান, গলাসহ শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায়
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারছেন। সকাল থেকে কুমিল্লা টাউন হলে বিভিন্ন শ্রেণী
পেশার ও নানান বয়সের মানুষ ভিড় করে চিকিৎসা সেবা নেন।
মহানগর
বিএনপির সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন,
বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লায় ফ্রি
মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। চাহিদা সম্পন্নরা কুমিল্লা টাউন হল মাঠের চিকিৎসা
সেবা বুথ থেকে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে বিনামূল্যে সেবা পেতে পারবেন। এই কর্মসূচিতে ড্যাব কুমিল্লা শাখার চিকিৎসকরা ছাড়াও
অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ অংশ নিচ্ছেন।
বিএনপি
নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন, আমরা চেষ্টা
করছি সাধারণ মানুষকে সেবা দিতে। যে কারণে কেন্দ্রীয়
কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লাতেও চালু হয়েছে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও মহানগর
বিএনপির উদ্যোগে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
জানা
গেছে, কেন্দ্রীয় বিএনপি'র ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা
বিএনপির আহবায়ক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এই কার্যক্রমের সম্পূর্ণ তত্ত্বাবধান করছেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে অর্ধকোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করল কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন ১০ বিজিবির অধিনায়ক কর্নেল মীর আলী এজাজ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে। আজ ১২ জানুয়ারি ভোর ৫টায় কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার আওতাধীন শিবের বাজার বিওপির টহল দল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে বাংলাদেশ সীমান্তের ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বদরপুর নামক স্থানে বিজিবি টহল দল মালিকবিহীন অবস্থায় ০১টি অটোরিকশসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি জব্দ করে, যার সর্বমোট দাম ৪৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন ১০ বিজিবির অধিনায়ক কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হবে। চোরাচালান বন্ধে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
নাঙ্গলকোট উপজেলায় গরু ছুটে গিয়ে গাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের
সংঘর্ষে ৪ জন গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন।
আজ
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ আলিয়ারা গ্রামে এ ঘটনা
ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা
হলেন- রোকন আলীর স্ত্রী শরিফা বেগম (৬০),বশির আহম্মেদের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৫৫),
জাকির হোসেনের ছেলে ওসমান (১৬), জাকির হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫০)।
তাদের
প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো
হয়েছে।
দায়িত্বরত
ডাক্তার শিমা মজুমদার জানান, দুপুর ১ টার পর তিন নারী ও এক কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে
চিকিৎসা নেন। তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
গুলিবিদ্ধ
হোসনেয়ারা বেগম বলেন, বেলা ১১টার দিকে দোতলা মসজিদের সামনে শেখ ফরিদের লোকজন এসে আমাদের
গুলি করে। এতে আমিসহ অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়।
এ
বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ওসি একে ফজলুল হক জানান, দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির খবর পেয়ে
ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীসহ পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর
পাইনি। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মামুনকে গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী।
সোমবার (১৪ এপ্রিল) রাতে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মামুন ময়নামতি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ময়নামতি ইউনিয়নের আকাবপুর গ্রামের মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ আজিজুল হক জানান, মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেফতার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভাঙচুর ও কেন্দ্র দখল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হামলা, মাদক, বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ অন্তত ৮ মামলা রয়েছে। ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় ৩০ লাখ টাকার কাপড়সহ একটি
কাভার্ডভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে ‘নিরাপদ ট্রান্সপোর্ট’
কোম্পানির মালবাহী কাভার্ডভ্যানটি দাউদকান্দির বানিয়াপাড়ায় পৌঁছালে ছিনতাইকারীদের কবলে
পড়ে। ছিনতাইকারীরা গাড়িচালককে জিম্মি করে গাড়ি ও মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায়
দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী
ব্যবসায়ীদের অধিকাংশই কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা। জানা গেছে, ওই দিন তারা
নরসিংদীর বাবুরহাট বাজার থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার কাপড় ক্রয় করেন এবং তা ‘নিরাপদ ট্রান্সপোর্ট’-এর
কাভার্ডভ্যানে করে চান্দিনায় পাঠানো হচ্ছিল।
চান্দিনার
ব্যবসায়ী তাপস মজুমদার জানান, আমরা ১৮ জন একসঙ্গে কাপড় কিনে কাভার্ডভ্যানে পাঠিয়েছিলাম।
বানিয়াপাড়ায় পৌঁছালে একটি পিকআপ এসে কাভার্ডভ্যানের গতি রোধ করে এবং ছিনতাইকারীরা চালককে
সরিয়ে দিয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।
অপর
ব্যবসায়ী রাজীব নন্দী বলেন, আমি প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার কাপড় কিনেছিলাম। হঠাৎ রাতে
খবর পাই গাড়ি ছিনতাই হয়েছে। এতে আমরা সবাই দারুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
নিরাপদ
ট্রান্সপোর্টের চান্দিনা ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সনত কুমার নন্দী জানান, ছিনতাইকারীরা চালককে
মারধর করে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং তার মোবাইল থেকে বিকাশ অ্যাকাউন্টের পিন নম্বর জেনে
৫ হাজার টাকা তুলে নেয়। পরে চালক ভোরে তাদের বিষয়টি জানান। ঘটনার পরপরই দাউদকান্দি
থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
দাউদকান্দি
মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জুনায়েদ চৌধুরী জানান, ঘটনার পর থেকে পুলিশ মালামাল
ও কাভার্ডভ্যান উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে। এরইমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে রিপন মিয়া
(২৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত
রিপন ভোলা জেলার শশীভূষণ উপজেলার হাজিরগঞ্জ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। মামলার তদন্ত
কর্মকর্তা এসআই রবিউল ইসলাম জানান, রিপনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কুমিল্লা বিচারিক আদালতে
৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
এ
ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দ্রুত মালামাল উদ্ধার এবং ছিনতাইকারীদের
গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার প্রাথমিক ও ব্যবহারিক জ্ঞানের উপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন কুমিল্লার সুপরিচিত ডায়াবেটিস, হরমোন ও মেডিসিন রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাক্তার অজিত কুমার পাল।
তিনি কুমিল্লা ময়নামতি মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি কুমিল্লা ডায়াবেটিক হসপিটালের সিনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।
অধ্যাপক অজিত কুমার পাল ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বারডেম একাডেমি থেকে এন্ডোক্রিনোলজিতে এমডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ২০১৪ সালে এমআরসিপিএস (গ্লাসগো) এবং ২০২০ সালে এফআরসিপি (গ্লাসগো) এবং এফআরসিপি (এডিন) লাভ করেন।
তিনি আমেরিকান কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস (এফএসিপি) এবং ২০১৫ সালে আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজি (এফএসিই) থেকে ফেলোশিপ অর্জন করেছিলেন। ২০২৪ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে অধ্যাপক ডাঃ আব্দুস সালেক মোল্লা এবং ড. মো. আব্দুল মালেকের তত্বাবধানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি, বাংলাদেশের ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের একজন আজীবন সদস্য।
তিনি অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজিস্ট অ্যান্ড ডায়াবেটোলজিস্ট বাংলাদেশ (এসিইডিবি) এর সহ-সভাপতি। তিনি ৮৪টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং ডায়াবেটিস ও এন্ডোক্রিনোলজি সম্পর্কিত ৫০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক মৌখিক এবং পোস্টার উপস্থাপন করেছেন। রোগীদের আন্তরিক ও যাদুকরী চিকিৎসা সেবা দিয়ে বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসক কুমিল্লা সহ বৃহত্তর কুমিল্লার নানা শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
ডা. অজিত কুমার পাল বলেন, সুগার স্বল্পতা ডায়াবেটিস রোগীদের সাধারণ একটি সমস্যা। ডায়াবেটিস নীল বা সুগার স্বপ্লতা হলে অনেক জটিলতা দেখা দিতে পারে। রোগীরা যদি সচেতন থাকেন এবং এ বিষয়ে আগে থেকে ধারনা রাখে তাহলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে জটিলতা এড়ানো সম্ভব। তিনি পিএইচডি ডিগ্রী সম্পন্ন করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পাশাপাশি কুমিল্লাবাসী সহ অগনিত রোগীদের কাছে দোয়া প্রার্তনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপপরিদর্শক তমাল মজুমদার এর নেতৃত্বে ৭ ফেব্রুয়ারি বুড়িচং থানাধীন নিমসার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে হোমনাগামী একতা বাস তল্লাশি করে ১৬ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামি মো: হোসেন মিয়া (২৯) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার শুভপুর গ্রামের নাছির মিয়ার ছেলে। অপর আসামী শারমিন আক্তার(২০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার আড়াইওড়া গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী।
আটককৃত আসামীরা প্রথমে ভুল তথ্য দিয়ে ডিএনসি টীমকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করে। এরপর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কথিত স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে মাদক পাচার করছিলো। একপর্যায়ে প্রকৃত স্বামীকে মুখোমুখি করলে ঘটনার মূল রহস্য বেরিয়ে আসে। আটকৃত আসামি শারমিন তার স্বামীর অগোচরে মোবাইলের মাধ্যমে আসামি হোসেন মিয়ার সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে তোলে। কথিত স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তার কৌশল হিসেবে লোকাল বাসে কুমিল্লা হতে গাঁজা নিয়ে প্রথমে দাউদকান্দি যাচ্ছিল। তারপর অন্যবাসে করে ঢাকা নিয়ে যেতো।
আসামীদের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক তমাল মজুমদার বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ৫২০ বোতল ফেন্সিডিল এবং ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ গোলাবাড়ী পোষ্ট এর টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮১/৪-এস হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেরানীনগর বড়বাড়ী নামক স্থান হতে ৫২০ বোতল ফেন্সিডিল এবং ১০ কেজি গাঁজা আটক করে। আটককৃত মাদকদ্রব্যের সর্বমোট মূল্য ২,৪৩,০০০/- (দুই লক্ষ তেতাল্লিশ হাজার) টাকা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
২০১৫ সালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রোল বোমা হামলা ও কাভার্ডভ্যানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হত্যাসহ তিনটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া তৎকালীন সরকারের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক মামলা বিবেচনায় প্রত্যাহারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বাকি আসামিদের মামলাও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৭ জুলাই) বিকেলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. কাইমুল হক রিংকু।
তিনি জানান, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুরে একটি বাসে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনায় আট যাত্রী নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা করে পুলিশ। মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ মামলায় বাদী ছিলেন চৌদ্দগ্রাম থানার তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা নুরুজ্জামান হাওলাদার। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দুই মামলার শুনানিতে বেগম খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততা প্রমাণ না হওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক সফিকুল ইসলাম তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। কারণ সে সময় বেগম খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় বালুর ট্রাক দ্বারা অবরুদ্ধ ছিলেন।
অপরদিকে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রামের হায়দারপুর এলাকায় কাভার্ডভ্যান পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নাশকতার মামলায়ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৩২ জনকে আসামি করা হয়। পরে এ মামলায় আরও ১০ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। এ মামলারও বাদী চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান হাওলাদার। এ মামলাতেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততা না পাওয়া যাওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আফরোজা শিউলি তাকে অব্যাহতি দেন।
কাইমুল হক রিংকু আরও জানান, মামলা তিনটি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা বিবেচনায় প্রত্যাহারের জন্য আইন মন্ত্রণালয় আবেদন করা হয়। মন্ত্রণালয় সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলা তিনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এখন থেকে খালেদা জিয়া ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় কোনো মামলা নেই।
মন্তব্য করুন