

কুমিল্লায়
১৫ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১
অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকায় মাদক বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে আসামী
মোঃ রিহান নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৫ কেজি
গাঁজা এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ রিহান (১৯) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার রাজাপাড়া গ্রামের আল আমিন এর ছেলে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটর সাইকেল ব্যবহার কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ মাদক কারবারিকে
আটক করা হয়েছে ।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম এর নির্দেশনা
মোতাবেক শুক্রবার (১৪ ই জুন) বিকাল আনুমানিক ৪টায় কুমিল্লা
সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের মিরপুর হাইওয়ে থানাধীন ব্রাহ্মণপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৩৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করা
হয়।
আটককৃতরা হলো রোজিনা বেগম (২৮) এবং আলা
আমিন মিয়া (৪২) ।
কুমিল্লা সিলেট আঞ্চলিক মহাসডকের মিরপুর
হাইওয়ে থানাধীন ব্রাহ্মণপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় কুমিল্লা গামী
নিউ সুগন্ধা যাত্রীবাহী একটি বাসে করে ২ জন
মাদক কারবারি ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে যাচ্ছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুর হাইওয়ে থানার এসআই বোরহান উদ্দিন তার ফোর্স সহ
উক্ত বাসটি থামিয়ে সে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের তল্লাশীর চেষ্টাকালে
তারা ২জন দ্রুত গাড়ি হতে নেমে পালানোর চেষ্টা
করলে এসআই বোরহান উদ্দিন ফোর্স সহ তাদের ২ জনকে আটক করে স্থানীয় মহিলা সাক্ষী দ্বারা
আসামি রোজিনা বেগমকে তল্লাশি করলে রোজিনা বেগম তার পরিহিত কালো বোরকার নিচে থাকা পরিহিত
পায়জামার কোঁছা হতে মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় উপস্থিত সাক্ষীদের উপস্তিতিতে উক্ত মাদক গননা করে মিনিটে ৩৫০ পিস ইয়াবা
ট্যাবলেট পাওয়া যায় যা বিকাল অনুমান ৩টা ৫০ এসআই বোরহান উদ্দিন জব্দ তালিকা মুলে জব্দ
করেন।
রোজিনা বেগমের সাথে থাকা অপর ব্যাক্তি আলা আমিন হচ্ছে তার স্বামী।
তারা স্বামী ও স্ত্রী ২জন পরষ্পর যোগসাজসে
উদ্ধারকৃত মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট সমুহ সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ক্রয় করে অধিক লাভে বিক্রয়ের
জন্য কুমিল্লাগামী বাস যোগে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছিলো।
উক্ত বিষয়ে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১টি
মামলা দায়ের করে আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) পৃথক
অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে আনা ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার শাড়ি ও মোবাইল ডিসপ্লে
জব্দ করেছে। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ১৫
লাখ টাকা।
রোববার
(২ আগস্ট) বিজিবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
জানানো হয়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ
দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ভোর ৪টা ৩০ মিনিট ও
৫টা ৩০ মিনিটে কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শিবেরবাজার বিওপি এবং ফেনী সদর উপজেলার গীতাবাড়ি বিওপির বিশেষ টহলদল পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে
সীমান্ত থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের
অভ্যন্তরে চৌয়ারা বাজার এবং প্রায় ৩০০ গজ অভ্যন্তরে উত্তর
বেতীয়ারা এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি ও মোবাইল ডিসপ্লে
জব্দ করা হয়।
বিজিবি
জানায়, জব্দকৃত এসব পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১৫
লাখ টাকা। বিধি মোতাবেক জব্দকৃত মালামাল কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) জানিয়েছে,
সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ
দমনে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
১৪ উপজেলাতেই লেগেছে বন্যার ছোবল। স্মরণকালের ভয়াবহতার শিকার হয়েছেন কুমিল্লাবাসী।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বুড়িচং, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা অন্তত
আড়াই শ’ গ্রাম।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলাজুড়ে ৭২৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৭০ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
এদিকে গোমতী, সালদা ও ঘুংঘুর নদীর ভাঙনের মাঝে পড়ে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষ এখন পানির তলায়। ডুবছে দেবিদ্বারও। লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, তিতাস উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। বন্যায় বাড়ছে প্রাণহানি, ভাঙনের তোড়ে ভেসে গেছে বাড়িঘর খেত খামার, মাছের প্রজেক্ট।
সরকারি হিসেবে, বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ২ শিশুসহ ৪ জন। বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত জনসংখ্যা সাড়ে ৯ লাখ, আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয়গ্রহণকারীর সংখ্যা ৬৭ হাজার। বেসরকারি হিসেবে, এসব সংখ্যা ছাড়িয়েছে বহু গুণ।
বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হওয়ায় খোঁজও নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না দুর্গত এলাকাগুলোর।
এ দিকে কৃষি বিভাগের তথ্য, ৬০ হেক্টর কৃষি জমি আক্রান্ত হয়েছে বন্যায়। পনিতে তলিয়ে যাওয়া সবজির আবাদ সবই বিনষ্ট হয়েছে।
বন্যাকবলিত এলাকায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি, স্বেচ্ছাসবী সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন উপজেলায়। তবে নৌকা ও স্পিডবোট কম থাকার কারণে সেসব ত্রাণও সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে উদ্ধার কাজও ব্যাহত হচ্ছে প্রকটভাবে।
পানি
উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, বিপৎসীমার
১ সেন্টিমিটার ওপরের পানিও ঝুঁকির। বর্তমানে গোমতীর পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার
ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘণ্টায় দেড় থেকে ২ সেন্টিমিটার পানি কমছে।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় সীমান্তে পাচারের সময় ৪৪০ কেজি
ইলিশ মাছ জব্দ করেছে বিজিবি।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন ৬০ বিজিবির অধিনায়ক এ এম জাবের বিন জব্বার।
তিনি বলেন, প্রথম প্রহরে কুমিল্লা জেলার
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী মনোরা নামক স্থানে পাওয়া যায় এসব ইলিশ।
তিনি জানান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্ত
পিলার ২০৫৭২-এস হতে ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনোরা নামক স্থানে এসব ইলিশ পাওয়া
যায়৷ এসময় কাউকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিজিবি আসার খবরে এসব ইলিশ ফেলে পালিয়ে
যায় চোরাকারবারিরা।
৪৪০ কেজি ইলিশ মাছের মূল্য ৯ লাখ ৬৮
হাজার টাকা। ইলিশগুলো বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বুড়িচংয়ের আনন্দপুর
সীমান্তে সাড়ে ৬০০ কেজি ইলিশ জব্দ করেছিলো বিজিবি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সপ্তাহব্যাপী সমরাস্ত্র প্রদর্শনী শুরু হতে যাচ্ছে।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুমিল্লা অঞ্চলের উদ্যোগে ২৪ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত কুমিল্লা বিমানবন্দর এলাকায় সমরাস্ত্র প্রদর্শনী শুরু হতে যাচ্ছে।
আগামী ২৪ মার্চ বেলা ১১ টায় সপ্তাহব্যাপি এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এবং এরিয়া কমান্ডার বিএ-৪৩২৩ মেজর জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি।
উক্ত প্রদর্শনী সর্বসাধারণের জন্য আগামী ২৫ ও ২৬ মার্চ দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত এবং ২৭ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ ২০২৪ তারিখ সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রদর্শনীতে বিভিন্ন অত্যাধুনিক স্টল স্থাপন করা হবে।
এ স্টলগুলোতে সাঁজোয়া যান, কামানসহ সেনাবাহিনীর বিবিধ অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র প্রদর্শন করা হবে।
পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সেনাবাহিনীর অবদান, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও দেশ গঠনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও সেনাবাহিনীর নানাবিধ কার্যক্রম বিষয়ক স্টলও রাখা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আল আমিন ও তার সহযোগীকে পিস্তলসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
২২ নভেম্বর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন সংরাইশ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আল আমিন এবং ২। আবুল
কাশেম নামের দুইজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেন। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১ টি পিস্তল,
১টি ম্যাগাজিন ও ৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো: ১। মোঃ আল আমিন (৩৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সংরাইশ মধ্যপাড়া গ্রামের
মৃত ইদ্রিস মিয়া এর ছেলে এবং ২। আবুল কাশেম (৩৪) একই গ্রামের বাবুল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার উপ-পরিচালক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন এর বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিরীহ ছাত্রদের উপর গুলিবর্ষণেরও তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২১ মার্চ রাতেকুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আজগর আলী (৩০), ২। মোঃ নাঈম হোসেন হৃদয় (২৬) এবং ৩। শেখ মোঃ মেহতাব দ্বীন (৪৮) নামক ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ আজগর আলী (৩০) গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর থানার জানবাগ গ্রামের আব্দুল গফুর মোল্লা এর ছেলে, ২। মোঃ নাঈম হোসেন @ হৃদয় (২৬) একই জেলার কাশিয়ানী থানার পদ্মবিলা গ্রামের মোঃ আতর আলী এর ছেলে এবং ৩। শেখ মোঃ মেহতাব দ্বীন (৪৮) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী জেলার কুমারখালী গ্রামের শেখ মোঃ নাছির উদ্দিন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী মোঃ আজগর আলী এর বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন থানায় ৮ টি মাদক মামলা সহ মোট ৯ টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
সরাইল রিজিয়নে ময়মনসিংহ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ১২০০ কিলোমিটারে গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি পুশইন চেষ্টা ঠেকিয়েছে বিজিবি। সর্বশেষ কুমিল্লার সালদা নদী সীমান্তে অনুপ্রবেশ চেষ্টাকারী চারজনকেও ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ভারত থেকে এই পুশইন ঠেকাতে সাধারণ মানুষ ও অন্যান্য বাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানান বিজিবির উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের (সরাইল) রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।
মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লার ১০ ব্যাটালিয়ন বিজিবির ব্যবস্থাপনায় তিন বছরে কুমিল্লা ১০ ব্যাটালিয়ন ও ৬০ ব্যাটালিয়নের মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্যে জানান, গত তিন বছরে এ দুই ব্যাটালিয়ন ২০ হাজার ২০০ অপারেশন চালিয়ে প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য আটক ও জব্দ করেছে। এ সময় ৫২৬ জনকে মাদকসহ হাতেনাতে ধরা হয়েছে এবং পলাতক রয়েছে আড়াইশরও বেশি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রকিবুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক রোজি আক্তার, ৬০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, ১০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ, র ্যাব অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ক সার্কেল পরিদর্শক নজরুল ইসলামসহ অন্যরা।
বিজিবি জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু করে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কুমিল্লা ১০ ব্যাটালিয়ন বিজিবি এবং ২০২২ সালের জুলাই মাস থেকে শুরু করে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সুলতানপুর ৬০ ব্যাটালিয়ন বিজিবি ৫১ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২৫ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও জব্দ করে। এর মধ্যে ভারতীয় ফেনসিডিল ৩৪ হাজার ২৩৫ বোতল, ভারতীয় স্কাফ সিরাপ ৩৪ হাজার ১৭২ বোতল, ভারতীয় বিয়ার ১৮ হাজার ৪৯ বোতল, ভারতীয় হুইস্কি ৮৪ হাজার ৯৫৮ বোতল, ভারতীয় গাজা ২৩ হাজার ৯৮১ কেজি, ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট ৩ লাখ ১০৫৯৮ পিস, খোলা মদ ২৪.৫ লিটার।
এছাড়া আইপি ইনজেকশন ১৩ হাজার ৩৩৮ পিস, সেনেগরা ট্যাবলেট ১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭২ পিস্, টার্গেট ট্যাবলেট ২৮হাজার ৮২০ পিস, নিমোসলাইড ট্যাবলেট ৬ লাখ ৭০ হাজার ৪০ পিস, সিপরোহিপটাডিল ট্যাবলেট ৮ লাখ ৬২ হাজার ৩৫০ পিস্, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ৪ লাখ ৪২ হাজার ১০২১ পিস্, হার্বেচ রেট ২৩৮ বোতল, ডেক্সোন ট্যাবলেট ১৯ হাজার ২১০ পিস্, সিনিক জেড ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ পিস্, ল্যাব জিনসেন ২ হাজার ২৮০ পিস সহ বিপুল পরিমাণ সিগারেট, জর্দা ও বিড়ি।
মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে কুমিল্লা ১০ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, কুমিল্লার ১০ ব্যাটালিয়নের অধীনে ৯৬.১০ কিলোমিটার ও সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধীন ৭৯.১০ কিলোমিটার সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক জব্দ করা হয়েছে। বিজিবি একক অভিযান এবং বিভিন্ন টাস্কফোর্স এর মাধ্যমে আটক এসব মাদকদ্রব্য গত তিন বছরে জব্দ করা হয়। জনস্বার্থে এসব মাদকদ্রব্য প্রকাশ্যে ধ্বংস করে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরা হচ্ছে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার বলেন, সীমান্তরক্ষার পাশাপাশি বিজিবি মাদক উদ্ধারে সফলতা দেখাচ্ছে। আমরা আশা করব সব বাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতায় কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে মাদকের চোরাচালান সম্পূর্ণ বন্ধ হবে। আমরা সবাইকে সতর্ক ও সচেতন করতে চাই। যত
বিজিবি সরাইল রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, মূলত এই ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠান একটি প্রতীকী অনুষ্ঠান। পুরো রিজিয়নে এই মাদক উদ্ধারের পরিমান আরো বেশি। আমরা চাই সাধারণ জনগণের সহযোগিতায় মাদকের এই সরবরাহ চেইন ধ্বংস করতে। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসা মাদকের আগ্রাসনে আমাদের যুব সমাজ ধ্বংস হোক- সেটা আমরা চাই না।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ‘আশা’র প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট প্রয়াত মো. সফিকুল হক চৌধুরীর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে উদ্যোগে পৃথক পৃথক স্থানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে বিভিন্ন বয়সের তিন শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল নগরীর রেইসকোর্স ও শহরতলীর আড়াইওরা এলাকায় চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. রেজা মো. সারোয়ার আকবর।
আশা আড়াইওড়া সমন্বিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ইব্রাহিম ইবনুল আবিদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ডা. এ কে এম আবদুস সেলিম, আশার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক সেলিম উদ্দিন, জেলা ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম, শাখা ব্যবস্থাপক গোবিন্দ সাহাসহ আরো অনেকে।
পরে দুইটি ক্যাম্পে বিনামূল্যে এক শতাধিক রোগীর ডায়াবেটিকসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ২শ রোগীকে ফিজিওথেরাপী দেওয়াসহ চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। দিনব্যাপী আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়ার পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি, ব্লাড সুগার পরীক্ষাসহ কিছু রোগীকে ব্লাড প্রেসার নিরুপণের মেশিন প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘আশা’র প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট প্রয়াত মো. সফিকুল হক চৌধুরীর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং সফিকুল হক চৌধুরীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


শিক্ষার্থীদের সৎ ও ভাল মানুষ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেছেন, দুর্নীতি এবং অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতনতা এখন থেকেই তৈরি করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লার দেবিদ্বার সরকারি রেয়াজউদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন,গত ১৬ বছরে আমাদের দেশে এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে দুর্নীতি ঘটেনি। অফিস-আদালতে ঘুষ আর দুর্নীতি একটি প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মন্ত্রী ও এমপিরা দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। যারা এসব করছে, তারা একসময় তোমাদের মতোই ছিল। কিন্তু তারা সঠিক শিক্ষা পাননি। কোনো শিক্ষক তার ছাত্রদের অন্যায় শিক্ষা দেয় না। তোমরা যারা এখানে আছো, তোমাদের নিজেদের আগে দুর্নীতিমুক্ত এবং সৎ মানুষ হতে হবে। যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক, তবে আগে তোমাদের ভালো মানুষ হতে হবে। আমাদের দেশে যারা দুর্নীতিবাজ, তারা বেশিরভাগই শিক্ষিত এবং ভালো ফল অর্জনকারী। তারা ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছে। কিন্তু তারা সঠিক শিক্ষা না পাওয়ায় দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে। একজন রিক্সাওয়ালা পদ্মাসেতুতে দুর্নীতি করতে পারে না, কারণ তার কাছে সেই সুযোগ নেই। সুযোগ না থাকার কারণে দুর্নীতি না করা এবং সুযোগ পেয়েও দুর্নীতি না করা এক নয়। যারা সুযোগ পেয়েও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকে, তারা আসল সমাজ সেবক। দুর্নীতি ও অপরাধ না করার চর্চাগুলো এখন থেকেই তোমাদের শুরু করতে হবে।
মন্তব্য করুন