

কুমিল্লায় ১৯ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ বৃহস্পতিবার (১২
ডিসেম্বর) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন তৈলকুপি দক্ষিণ বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান
পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আসামী মোঃ রাহাদ নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ রাহাদ (১৯) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মনিপুর গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার
বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে
আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে আদর্শ সদর উপজেলার সদর হাসপাতাল রোড এলাকায় রবিবার (১ জুন) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একটি অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে “পদ্মা মেডিকেল সার্ভিসেস” নামক একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মূল্য তালিকার চেয়ে অধিকমূল্যে রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন টেস্টের ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে “তাইফ মেডিকেল সার্ভিসেস”-এ সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রিএজেন্ট সংরক্ষণ না করা এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মানসম্মত সেবা প্রদান না করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
সবমিলিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ২৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে সেবার মান বজায় রাখতে ও ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া।
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি সহযোগী দল।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫২ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ। গতকাল (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রাম থানায়
কর্মরত এসআই মোঃ মেহেদী হাসান, এএসআই মোঃ হারুন
অর রশিদ, এএসআই মোঃ এমরান ভুইয়া, এএসআই মোঃ
নাজমুল হাসান ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ৬ নং ঘোলপাশা
ইউনিয়নের আমানগন্ডা সাকিনে আমানগন্ডা তাকিয়া আমগাছ কবরস্থানের সামনে ঢাকা চট্টগ্রাম
মহাসড়ক সংলগ্নে ১ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেল সহ গাড়ীর জন্য অপেক্ষা করতেছে এবং অপর ২ জন
ব্যক্তি আমানগন্ডা তাকিয়া আমগাছ কবরস্থানের পাশে গাঁজার বস্তাসহ লুকিয়ে আছে। অতঃপর
পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে মোটরসাইকেলে থাকা ব্যক্তি মোটরসাইকেল চালিয়ে পালানোর সময়
মোটরসাইকেল সহ আসামী মোঃ বিজয় কে আটক করেন। অপর ২ জন ব্যক্তি কবরস্থানের পাশে ৩টি
বস্তা ফেলে দৌড়ে পালানোর সময় আসামী মোঃ ছালাউদ্দিন ও মোঃ সাদেক মিয়া কে আটক করেন।
এ সময় ৫২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো:
১।
মোঃ বিজয় (১৮), পিতা- সালেক মিয়া, মাতা- সাহেদা আক্তার, সাং- কাশিপুর, ইউপি- রতনপুর,
থানা- হবিগঞ্জ, জেলা- হবিগঞ্জ, বর্তমান সাং- বালিনা, ইউপি- দুলালপুর, থানা- ব্রাহ্মনপাড়া,
জেলা- কুমিল্লা।
২।
মোঃ ছালাউদ্দিন (২৪), পিতা- আব্দুল মতিন, মাতা- রিজিয়া বেগম, সাং- বালিনা, ইউপি দুলালপুর,
থানা- ব্রাহ্মনপাড়া, জেলা- কুমিল্লা।
৩।
মোঃ সাদেক মিয়া (২০), পিতা- মোঃ মজিদ আলী, মাতা- মোছাঃ রহিমা বেগম, সাং- কাশিপুর,
ইউপি রতনপুর, থানা- হবিগঞ্জ, জেলা- হবিগঞ্জ, বর্তমান সাং- বালিনা, ইউপি দুলালপুর, থানা-
ব্রাহ্মনপাড়া, জেলা- কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা রুজু করা হয়।
উল্লেখ্য
যে, গ্রেফতারকৃত ২নং আসামী মোঃ ছালাউদ্দিন (২৪) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ৩ টি মাদক মামলা
ও ৩নং আসামী মোঃ সাদেক মিয়া (২০) এর বিরুদ্ধে ২ টি মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন
রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য তদারকি ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা।
আজ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১১টায় অভিযানকালে ভোক্তা অধিকারের
কর্মকর্তারা শাক-সবজি, মুদিসামগ্রী ও ফার্মেসি পরিদর্শন করেন। তাতে দেখা যায়, কিছু
কাঁচামাল বিক্রেতা পাকা ভাউচার সংরক্ষণ করছেন না এবং মূল্য তালিকা প্রদর্শন থেকে বিরত
রয়েছেন। এছাড়াও একটি ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অভিযোগ পাওয়া যায়। ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্ট তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬ হাজার
টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান
অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ।
গতকাল (৮ মে) বিকালে কোতয়ালী মডেল থানার এসআই শেখ মফিজুর রহমান
ও সঙ্গীয় ফোর্স বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবী ইউনিয়নের
পাঁচথুবী পশ্চিমপাড়া রমিজ মিয়ার বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপরে ৩০ কেজি গাঁজাসহ মাদক
ব্যবসায়ী রাসেল ও জামাল কে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: কুমিল্লা
জেলার ইটাল্লা (পূর্ব পাড়া) এলাকার মৃত শাহ আলম এর ছেলে রাসেল(২২) এবং একই এলাকার আব্দুর
রহমান এর ছেলে জামাল(৪০)।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সদর উপজেলার বিষ্ণপুর সীমান্তে হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচারকালে নগদ ২৮ লক্ষ টাকা সহ
একজন পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি’র কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০
বিজিবি) এর অধীন বিবিরবাজার বিওপি’র
আওতাধীন কটকবাজার পোস্টের একটি বিশেষ টহল দল গতকাল শুক্রবার (১৩ জুন ২০২৫) সন্ধ্যা
৬টা নাগাদ সীমান্ত এলাকার বিষ্ণপুর নামক স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটককৃত
ব্যক্তির হলেন- কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন তেতাভূমি গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে ফোরকান উদ্দিন (৩৫)
বিজিবি
সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত শূন্য রেখা থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সন্দেহজনকভাবে
ঘোরাফেরা করার সময় ফোরকানকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে
উদ্ধার করা হয় ২৮ লক্ষ নগদ টাকা এবং দুটি মোবাইল ফোন।
বিজিবি
জানায়, আটক ব্যক্তি এ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচারের চেষ্টা করছিল। জব্দকৃত অর্থ
ও মালামালের মোট মূল্য ২৮ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা।
আটক
ফোরকান উদ্দিনকে নগদ টাকা ও জব্দকৃত আলামতসহ কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা
হয়েছে।
বিজিবি
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব
রক্ষা ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
চোরাচালান ও হুন্ডি প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অটো মিশুক চালক সৈকত হত্যার ঘটনা জড়িত অন্যতম আসামি তুহিন মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২ সদস্যরা।
গ্রেফতার হওয়া তুহিন মজুমদার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের বাবুল মজুমদারের ছেলে। ৭ আগস্ট রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গত ৩ জুলাই রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে সৈকত (১৯) নামে এক অটোমিশুক চালক নৃশংসভাবে খুন হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ভিকটিম তাফরুল ইসলাম সৈকত (১৯) অটো মিশুক চালানোর উদ্দেশ্যে গত ০২ জুলাই বিকাল ৫ টায় বাড়ী থেকে বের হয়। রাত ১১ টা অতিবাহিত হওয়ার পরও সৈকত বাড়ীতে না ফেরায় তার পরিবার তাকে বিভিন্ন স্থানে খোজ করতে থাকে। পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৫ টায় চৌদ্দগ্রামের মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে ভিকটিম সৈকত (১৯) এর লাশ পাওয়া যায়।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-০৭। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা নজরদারী ও ছায়াতদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদার (৩২) এর অবস্থান চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ০৭ আগষ্ট রাতে র্যাবের অভিযানে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বসন্তপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদারকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী সহ অন্যান্য আসামীদের সাথে ভিকটিমের সু-সম্পর্ক ছিল। সে সূত্র ধরে গত ০১ জুলাই রাতে গ্রেফতারকৃত আসামী সহ তার অন্যান্য সহযোগী আসামীরা একত্রে মিলিত হয়ে ভিকটিমকে হত্যা করে তার অটো মিশুকটি ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ০২ জুলাই রাত ১১ টায় আসামীরা অটো মিশুকসহ ভিকটিমকে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল এলাকায় গিয়ে সবাই মিলে বসে গল্প করে। এক পর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত আসামীর নির্দেশে ঘটনাস্থলের পাশে লুকিয়ে রাখা চাপাতি দিয়ে অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে কুপিয়ে হত্য করে ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে ভিকটিমের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল এবং অটো মিশুকটি নিয়ে লাশ খালে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।
গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১১, সিপিসি ২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ঋণজনিত পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে মা ও মেয়ের আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৮ জুলাই) রাতে উপজেলার রামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন- জাহেদা আক্তার (৩৫) এবং তার কন্যা মিশু আক্তার (১৪)। তারা বুড়িচং উপজেলার রামপুর গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তারা ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার জয়নগর গ্রামের রাজমিস্ত্রী মীর হোসেনের স্ত্রী ও মেয়ে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল হক জানান, ‘বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নেয়ার পর তা পরিশোধে অক্ষম হয়ে মীর হোসেন পরিবারসহ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে যান। পরে বুড়িচংয়ের রামপুর গ্রামে আবুল খায়েরের বাড়িতে ভাড়া বসবাস শুরু করেন। চলমান আর্থিক সংকট ও দাম্পত্য কলহের জেরে সোমবার রাতে স্ত্রী ও কন্যা বিষপান করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, ‘ঘটনার পরপরই মীর হোসেন পালিয়ে যান। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।’
ওসি বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। একইসঙ্গে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে কি না, সেটিও আমরা তদন্ত করে দেখছি।’
বাড়ির মালিক আবুল খায়ের জানান, গত ১২ জুলাই রাজমিস্ত্রি মীর হোসেন বাসা ভাড়া নেয়। আজ ভোরে হঠাৎ সে বাসা থেকে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘরে গিয়ে দেখা যায় মা ও মেয়ের মরদেহ পড়ে আছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
সদর উপজেলার মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়া নামে এক প্রবাসীর বাড়ি থেকে ২০০ কেজি
গাঁজা জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় মোতালেব মিয়ার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৭) এবং মেয়ে
ইসরাত জাহানকে (১৯) আটক করা হয়েছে। তাসলিমা ও ইসরাত সম্পর্কে মা ও মেয়ে।
আটকের
বিষয়ে কোতয়ালি থানা পুলিশ জানায়, বুধবার ভোর রাতে মির্জানগরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
অভিযান পরিচালনা করা হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী মোতালেব মিয়ার বাড়িতে। এ সময় তার বাড়ি
থেকে পাঁচ মন গাঁজা জব্দ করে পুলিশ। আটক করা হয় ইসরাত জাহান ও তাসলিমা বেগমকে। এই
সময় ওমর ফারুক, হান্নান ও আমজাদ নামে তিন মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়।
তারা
সবাই মিলে মাদক পাচার ও ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানিয়েছে কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মাহিনুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত
ইসরাত জাহান কোতোয়ালি থানাধীন মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়ার মেয়ে ও তাসলিমা আক্তার
মোতালেব মিয়ার স্ত্রী।
কোতয়ালি
থানা ওসি মাহিনুল ইসলাম জানান, তাসলিমা বেগমের বিরুদ্ধে আগেরও একটি মাদকের মামলা রয়েছে।
এবার মা-মেয়ে দুজনই আটক হলেন। অভিযানে মোতালেবের ঘরে লুকানো অবস্থায় ১০ টি বড় ধরনের
বস্তায় ভর্তি ৫ মন গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওমর ফারুক,
হান্নান ও আমজাদ পালিয়ে যায়। তারা তিনজন ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের
এই সিন্ডিকেট টি ওই বাড়িতে রেখে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো।
এই ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত মা-মেয়েকে
আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী
রফিকুল আবরার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক
ড. মোঃ হায়দার আলী। আজ ১৬ মার্চ সকাল ১০.৩০টায় শিক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার
সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক
ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের
পরিচালক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এবং প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস. এম. শহিদুল
হাসান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ২৪ ইঞ্জিনিয়ার
কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রধান প্রকল্প সমন্বয়ক এএফডব্লিউসি, পিএসসি কর্ণেল আরিফুল ইসলাম
খান এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পিএসসি
লেফটেন্যান্ট কর্ণেল জাহিদুল ইসলাম।
সৌজন্য সাক্ষাতে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের
সার্বিক বিষয় ও অগ্রগতি নিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার সাথে কথা বলেন। শিক্ষা উপদেষ্টা উপাচার্যকে
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নসহ পরামর্শ প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় রেললাইনের পাশে দুলাল হোসেন নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড় নেয়। এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে র্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। একই সঙ্গে লাশ গুমে ব্যবহৃত একটি নোহা গাড়িও উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।
র্যাব জানায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে মাথায় জখম ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নসহ অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ। পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত হয়—তিনি কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ভল্লবপুর গ্রামের জব্বর মালের ছেলে দুলাল হোসেন (৩৫)।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এরপর র্যাব-১১ এর একটি চৌকস দল ১৫ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার, লাকসাম এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে দুলাল হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িত সাতজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, মোঃ ফারুক (৪৫), মোঃ মফিজুল ইসলাম (৪৫), তাজুল ইসলাম (৪২), রুবেল আহাম্মেদ (৩৯), আবুল হাসেম (৩৪), মরিয়ম (৩৭) এবং ফাতেমা আক্তার সিনথিয়া (১৯)।
র্যাব জানায়, প্রায় ছয় মাস আগে দুলালের সঙ্গে ফাতেমা আক্তার সিনথিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দুলাল স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত। এ সময় সিনথিয়ার সঙ্গে ইমুতে পরিচয় হয় দুবাইপ্রবাসী আবুল হাসেমের, যা পরবর্তীতে পরকীয়ায় রূপ নেয়।
দুলালের সঙ্গে ডিভোর্সের পর সিনথিয়া হাসেমকে বিয়ে করে। কিন্তু দুলাল তা মেনে নেয়নি; হাসেমের অনুপস্থিতিতে প্রায়ই সিনথিয়ার বাসায় গিয়ে ভীতি প্রদর্শন করত।
এ পরিস্থিতিতে সিনথিয়া, তার বর্তমান স্বামী হাসেম ও পরিবারের অন্য সদস্যরা মিলে দুলালকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
ঘটনার দিন সিনথিয়া স্বামী হাসেমের পরামর্শে দুলালকে ঘুমের ওষুধ মেশানো জুস খাওয়ায়। দুলাল অচেতন হয়ে পড়লে গ্রেফতারকৃত আসামিরা মিলে তাকে আঘাত করে এবং শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ গুম করার জন্য ড্রাইভার রুবেল নোহা গাড়িতে করে লাশ লালমাই রেললাইনের পাশে ফেলে আসে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তাদের থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন