

কুমিল্লায়
৮০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৮ মার্চ ভোরে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া
থানাধীন তেঁতুলতলা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১। মোঃ আব্দুল
মালেক (৩৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৮০ কেজি
গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ১ টি পিকআপ এবং ১ টি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। তবে
চালক সহ ২ জন কৌশলে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ আব্দুল মালেক (৩৮) পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মোস্তফাপুর গ্রামের মৃত আব্দুস
সাত্তার এর ছেলে। আসামী বর্তমানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন থানাধীন বিজয়পুর গ্রামে
বসবাস করে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা,
মুন্সিগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত
অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান
অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের আরপি চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনরত এক মহিলারক্ষীর সতর্কতা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এক নারী দর্শনার্থীর দেহ তল্লাশি করে গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার সন্দেহভাজন ওই নারী কারাগারে বন্দির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন বলে জানা গেছে।
দেহ তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার হওয়ার পর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত অভিযুক্ত নারীকে ১৫ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
কারাগার সূত্র জানায়, কারাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সর্বদা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। একই সঙ্গে অবৈধ দ্রব্য পাচার বা বহনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
কারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শৃঙ্খলা রক্ষা ও আইন প্রয়োগে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং ভবিষ্যতেও কারাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
কারা কর্তৃপক্ষ সাধারণ জনগণকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিরাপদ সমাজ গড়তে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
মন্তব্য করুন


শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টা ৪৫ মিনিটে কুমিল্লা
পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় চট্টগ্রামমুখী আন্তঃনগর মহানগর এক্সপ্রেস এর ট্রেনটিতে
কাটা পড়ে একজন নারী মৃত্যুবরণ করেছে।
রেলওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনে লাশটি রেখেছেন
সনাক্ত করার জন্য।
নিহত নারীর পরিচয়: নাম: খোদেজা বেগম, পিতা: আবদুল
করিম, মাতা: মনোয়ারা বেগম, দক্ষিণ পিয়ারা
পুর, মহেশগঞ্জ,নোয়াখালী, ৭নং ওয়ার্ড নিবাসী।
এ বিষয়ে কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনের আইসি সোহেল মোল্লা
জানান, ইতিমধ্যে সিআইডির সহায়তায় পরিচয় সনাক্ত করা গিয়েছে। লাশটির পোস্টমর্টেম ইতিমধ্যে
সম্পন্ন হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে মৃত ব্যক্তি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার।
আজ রবিবার (১১ মে)
সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শালধর সামারচর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১। মোঃ শাহাদাত হোসেন রবিউল (২৩) এবং ২। মোঃ রবিউল হাসান (২১) নামক দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা ও মাদক
পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ১ টি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শাহাদাত হোসেন রবিউল (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বড় আলমপুর গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম এর ছেলে এবং ২। মোঃ রবিউল হাসান (২১) একই গ্রামের টিপু সুলতান এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাসে ভারী ভর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যার প্রবল স্রোতে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে গোমতী নদীর উপর ইস্পাত ও কাঠের সংমিশ্রণে নির্মিত অস্থায়ী সেতু।
বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার আসমানিয়া বাজার সংলগ্ন ওই সেতুটি ভেসে যাওয়ার দৃশ্যটি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় সেতুটির উপর দিয়ে পারাপাররত মানুষগুলোকে দিকবিদিক ছুটতে দেখা যায়। সেতুটি প্রথমেই পূর্বদিকে হেলে যায়, তারপর কিছুক্ষণ ভেসে তা নদীতে বিলিন হয়ে যায়।
সেতুটি ভেসে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে প্রায় ২২টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। এতে করে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এলাকাসীর মাঝে। দুর্বল অবকাঠামোয় নির্মাণ ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারনে সেতুটি এনিয়ে দুই বার ভেঙে যায় বলে জানান তারা।
পথচারীরা জানান, সেতুটি ভেঙে পড়ায় আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। বিকল্প নৌকায় যাতায়াত করতে গেলে এখন টাকা ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও দেখেছি, এখনো পরিদর্শনে যেতে পারিনি। প্রবল স্রোতে ও কচুরিপানার চাপে সেতুটি ভেসে যায়। তাছাড়া নতুন ব্রিজের কাজ চলমান হওয়ায় নদীর দুপাশ সরু হওয়ায় ওই অংশে স্রোতের চাপ বেড়ে যাওয়ায় অস্থায়ী সেতুটি ভেসে যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে অস্থায়ী সেতুটি পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল :
৪৩তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে চমক দেখিয়েছে কুমিল্লা জেলা দল। কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী খুলনা জেলা দলকে ১৩৪ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে কুমিল্লা।
টসে জিতে খুলনা কুমিল্লাকে ব্যাট করতে পাঠায়। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লা জেলা দল নির্ধারিত ৫০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৮২ রান। দলের পক্ষে ইরফান দুর্দান্ত ব্যাটিং করে অপরাজিত ১১৪ রান করেন। এছাড়াও আবুবকর ৪৫, সাইফুল ৩০, রুবেল মিয়া ২৭, ইয়াসিন আরাফাত ২৬ এবং ইরাসির আরাফাত অপরাজিত ১৮ রান করেন।
বোলিংয়ে নেমে কুমিল্লা বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে খুলনা। সব উইকেট হারিয়ে খুলনার সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ১৪৮ রান। দলের পক্ষে সিয়াম ৫২ এবং রিয়াজুল ৬০ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন।
কুমিল্লার বোলারদের মধ্যে রোহান ৩২ রানে ৪ উইকেট, সবুজ ৩৬ রানে ৩ উইকেট, ইয়াসির আরাফাত ৩৫ রানে ২ উইকেট এবং সায়মন ১৪ রানে ১ উইকেট দখল করেন।
খুলনার বোলারদের মধ্যে সুজাত ৩৩ রানে ৩টি এবং তানভির ৮৭ রানে ৪টি উইকেট তুলে নেন।
কুমিল্লা জেলা দলের এই দুর্দান্ত জয়ে আনন্দিত দলটির ম্যানেজার, সাবেক ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটার ফখরুল আলম উল্লাস এবং কোচ মানিক কুমার দাস। তাঁরা দলীয় সাফল্য অব্যাহত রাখতে ক্রিকেটপ্রেমীসহ সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। (৩ সেপ্টেম্বর) বুধবার রাতে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের দেউষ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন এর নির্দেশে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মেহেদী হাসান জুয়েল ও উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমার আচার্য্যা সঙ্গীয় ফোর্স বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের দেউষ এলাকায়। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ একজন নারী এবং একজন পুরুষকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো পটুয়াখালী সদর উপজেলার টাউন বহাল গাছিয়া গ্রামের মো. শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন হাওলাদার প্রকাশ সাগর (২০) এবং মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার খালিয়া গ্রামের মো. ওহাব আলী বেপারীর মেয়ে সোনিয়া আক্তার (২৫)।
আটককৃতদের কোর্টের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৮ বছর পর জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪ এর কুমিল্লা বিভাগীয় উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে খেলার সূচনা হয়। তিন জেলার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে দুটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে – সবুজ দল এবং লাল দল।
সবুজ দল গঠিত হয়েছে কুমিল্লা দক্ষিণ ও মহানগরের খেলোয়াড়দের নিয়ে, আর লাল দল গঠিত হয়েছে চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা মিলে। ২০ ওভারের এই খেলায় টসে জিতে সবুজ দল প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। মেহেদী হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৯ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের একটি চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে সবুজ দল।
পরে, জয়ের জন্য ১৫৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে লাল দলের প্রথমে নাজুক অবস্থা থাকলেও দলের হাল ধরেন নাহিদ ও সুমন। দুজনের পার্টনারশিপে রানের পার্থক্য কমিয়ে আনেন তারা৷ পরে, সবুজ দলের সানজিদ মজুমদারের বোলিংয়ের সামনে কাবু হয়ে যায় লাল দল। ৪ উইকেট হাতিয়ে নেয় সানজিদ। কিন্তু, লাল দলের নাহিদের ব্যাটিং জড়ে হাফ সেন্সুরি ও নাহিদ-ইয়াসির জুটির কাছে হার মানতে বাধ্য হয় সবুজ দল। ঘুরে দাঁড়ায় লাল দল৷ ৪ উইকেট হাতে রেখে ও ১৯ ওভারে ইয়াসির আরাফাতের বাউন্ডারির মাধ্যমে লাল দল নিজেদের ঝুড়িতে টার্গেট রান তুলে নেয়৷ সবুজ দলের দৃঢ় বোলিংয়ের সামনে লাল দল নিজেদের ব্যাটিংয়ের জড় দেখিয়ে এভাবেই একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে জয় তুলে নেয়।
পরে, খেলোয়াড়দের মাঝে একে একে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিরা৷ উদ্বোধনী এই ম্যাচে প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ হন লাল দলের ইয়াসির আরাফাত। পরে, একে একে অতিথিদের হাত থেকে পুরষ্কার তুলে নেন দু’দলের খেলোয়াড়রা৷
এসময়, পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম বাবু, সদস্য সচিব দেবব্রত পাল, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উৎবাতুল বারি আবু, সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম এবং কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লা বিভাগীয় এই উদ্বোধনী ম্যাচের সাফল্যের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের বাকি খেলা নিয়ে স্থানীয় খেলোয়াড় ও দর্শকদের মাঝে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই টুর্নামেন্ট ক্রীড়ার মাধ্যমে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনায় দিন দুপুরে এক প্রবাসীকে সিআইডি পরিচয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় লুট করা হয় প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, আইফোন। পরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ফোন করে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে চক্রটি। এ ঘটনার পর পৃথক অভিযানে চান্দিনা পৌরসভা শ্রমিকদল নেতাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।সোমবার (১৪ জুলাই) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার দুপুর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে প্রবাসীকে উদ্ধার করার পাশাপাশি চক্রের ৫ সদস্য আটক করা হয়। সেদিন রাতেই ৬ জনকে আসামি করে চান্দিনা থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসী মো. সোহেল সরকার।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- চান্দিনা উপজেলা সদরের মহারং মুন্সিবাড়ি এলাকার মৃত আজিজ মুন্সির ছেলে সোহেল মুন্সি (৩৯)। তিনি চান্দিনা পৌরসভা শ্রমিকদল যুগ্ম আহবায়ক ও ১ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিকদল সভাপতি।
অন্যরা হলো- মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার মালাপদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ শেখের ছেলে সোহাগ আহমেদ (৩৫), টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার হাড়িয়া গ্রামের মো. চাঁন মিয়ার ছেলে মো. রাসেল মিয়া (২৯), নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার বীর চরমধুয়া গ্রামের মো. লিয়াকত আলীর ছেলে মো. হানিফ (২৭) ও কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার শ্রীমন্তপুর গ্রামের মো. ইসমাইলের ছেলে মো. ফয়সাল (২৭)।
সংঘবদ্ধ এই আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের কাছ থেকে লুট হওয়া প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।
ভুক্তভোগী প্রবাসী মো. সোহেল সরকার নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার দক্ষিণ বটতলী গ্রামের মো. জব্বার সরকারের ছেলে। গত ১১ জুলাই রাতে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসে সরাসরি শ্বশুরবাড়ি চান্দিনার ছায়কোট গ্রামে আসেন।
তিনি জানায়, গত রোববার দুপুর দেড়টার দিকে ৫-৬ জন লোক আমার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আমাকে খোঁজেন। এসময় তারা নিজেদের সিআইডি পরিচয় দেন। আমি ঘর থেকে বের হয়ে আসতেই তারা আমাকে ঝাপটে ধরে এবং আমার কাছে অবৈধ মাল আছে বলে জানায়। পরে তারা আমার শ্বশুরের ঘর থেকে বিদেশ থেকে আনা প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, একটি আইফোন ও একটি স্মার্ট ফোনসহ আমাকে বাড়ি থেকে তুলে আনে। তারা আমাকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনার কাঠেরপুল এলাকায় এনে ২ লাখ টাকা দাবি করে এবং আমার স্ত্রীকে ফোন দেয়। আমার স্ত্রী চান্দিনা সেনা ক্যাম্পে গিয়ে বিষয়টি জানালে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আমাকে তাদের কবল থেকে উদ্ধার করে এবং সঙ্গে সঙ্গে সোহেল মুন্সিসহ ২ জনকে আটক করে।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, সেনাবাহিনীর সদস্যরা দুইজনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে। এরপর আমরা অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে আটক করি। সোমবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
(সূত্র: ইত্তেফাক)
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১টি পিস্তল ও ২টি ম্যাগজিনসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে চান্দিনা থানার পুলিশ।
আজ
(১৯ ফেব্রুয়ারি) চান্দিনা থানায় কর্মরত এসআই মোহাম্মদ জহির উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন ৫নং কেরনখাল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড
ছয়ঘরিয়া সাকিনস্হ এইচএনবি ব্রীক ফিল্ডের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের
দক্ষিন পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে ১টি মিয়ামী বাস সংকেত দিয়ে
থামিয়ে গাড়ীর সিটে বসা একজন যাত্রীর দেহ তল্লাশী করে তার ডান হাতে ধরা ১টি কালো রংয়ের
ব্যাগ থেকে ২টি ম্যাগজিনসহ ১টি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এ সময় আসামি মোঃ কামাল হোসেন
কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ কামাল হোসেন (৪৭), পিতা-মৃত করিম উল্ল্যাহ,
মাতা-মৃত সফিয়া প্রঃ সাফিয়া খাতুন, সাং-তুলাপুষ্কুরনী, পো-কাদের বাজার, থানা-চৌদ্দগ্রাম,
জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় চান্দিনা থানার মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন আছে।
মন্তব্য করুন