

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা চান্দিনা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ শে মে ) দূপর পৌনে ১২টার দিকে চান্দিনা থানাধীন চান্দিনা পৌরসভার ০৫ নং ওয়ার্ড খান বাড়ীর মোঃ নজরুল ইসলাম খান এর তিন তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ২য় তলার পশ্চিম পার্শ্বর ফ্লেটের দঃ পশ্চিম রুম হইতে অফিসার্স ইন্চার্জ চান্দিনা থানার নেতৃত্বে এসআই মো রায়হান হোসেন এর সর্গীয় ফোর্স এসআই মোঃ ইমাম হোসেন সহ আরো কয়েক জনের অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলো–(১) মো হুমায়ন কবির প্রঃ জুয়েল (৪৫) পিতা ফজলুল হক ব্যাপারী মাতা হোসনেয়ারা বেগম সাং গোপালপুর ব্যাপারী বাড়ী থানা তিতাস।( ২) আব্দুল আজিজ পিতা আবুল হোসেন মোল্লা মাতা আমেনা বেগম সাং বুধাইরকান্দি পো উজানচর থানা বাঞ্ছারামপুর, (৩)মো খাইরুল ইসলাম প্রঃ পারভেজ পিতা শামীম প্রধাান মাতা খাদিজা বেগম সাং তালতলী থানা দাউদকান্দি , (৪)মাসুদ রানা পিতা জসিম উদ্দিন ভূইয়া মাতা পারভীন বেগম সাং রাগদৈল ভুঁইয়া বাড়ী ইউপি সাচার থানা কচুয়া(৫) মো হাসান খান পিতা কাশেম খান মাতা সেফালী বেগম সাং পশ্চিম শ্যামপুর( আটরশী দরবার ) থানা সদরপুর ,(৬) মোঃ মোহর আলী পিতা হরমুজ সাং ঘোলঘর সূরমা ইউপি থানা সুনামগন্জ( ৭) মো নজরুল ইসলাম খান পিতা আশ্রাফ খান মাতা হাসিনা বেগম সাং চান্দিনা খান বাড়ী চান্দিনা পৌরসভা থানা চান্দিনা, শুক্রবার (৩০ মে ) দুপুরে চান্দিনা থানার ওসি প্রেস এর মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, শুক্রবার দুপরে গোপন সংবাদে জানা যায়, চান্দিনা পৌরসভার মো নজরুল ইসলাম খান এর বাড়ীতে কিছু দুষ্কৃতকারী ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরে থানা-পুলিশ অভিযান চালায়।
অভিযানকালে পালানোর সময় সাত জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়। এ সময় অজ্ঞাত চার-পাঁচ জন দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। গ্রেফতার কৃত সাত জনসহ অজ্ঞাত আরো চার-পাঁচ জনের বিরুদ্ধে চান্দিনা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।’মামলা নং ২৪ তাং ৩০/৫/২০২৫ ইং ধরা ৩৯৯/ ৪০২ পেনাল কেড ১৮৬০ রজু করা হয়। এমামলার তদন্তবার এসআই ইমামের হাতে তদন্তবার দেওয়া হয়।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানায়, গ্রেফতার কৃত ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কে চান্দিনা ইলিয়টগঞ্জ দাউদকান্দি এলাকাসহ কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই ও ডাকাতি করে আসছিল। তাদের মধ্যে , আজিজ, মাসুদ, খাইরুল, এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি, মাদক, হত্যা চেষ্টা, মারামারি সহ একাধিক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি চোর চক্রের ১জনকে গ্রেফতার করাসহ ৭ টি
চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছে।
সোমবার রাত ০১:৩০ নাগাদ গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই (নিঃ)
মোঃ মোরশেদ আলম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ সদর দক্ষিন মডেল থানার কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায়
পেট্রোল ডিউটি সহ ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে জানতে পারেন যে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ
মডেল থানাধীন কোটবাড়ি সালমানপুর দীঘির পূর্বপাড় আবুল হোসেনের গ্যারেজের সামনে রাস্তার
উপর কয়েকজন মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য একত্রিত হয়ে চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয়- বিক্রয়
করতেছে।
উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুকৌশলে
ঘটনাস্থল হতে আসামীগণ পালানোর চেষ্টাকালে অফিসার ও ফোর্সের সহয়তায় আসামী মোঃ খোরশেদ
আলম (৩০) কে ০১টি কালো রংয়ের Hero glamour মোটরসাইকেল যার রেজি: নং-কুমিল্লা ল-১১-৫৯৪৮
সহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ খোরশেদ আলম
(৩০) কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করাকালে জানা যায় যে, তার সঙ্গীয় অপর আসামীগণ মোঃ শিপু
ওরফে শিল্পা ওরফে শিপা (৩৭), রাকিবুল হাসান
প্রকাশ রিয়াদ (২৭) দ্বয়ের হেফাজতে আরো ০৬ টি চোরাই মোটরসাইকেল রয়েছে ।
গ্রেফতারকৃত আসামীর তথ্য মতে সদর দক্ষিন
মডেল থানাধীন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির একটি দক্ষ টিম কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান
পরিচালনা করে এবং অভিযানের এক পর্যায়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন বালুতুপা এলাকার
পলাতক আসামী জসিম ও শিপুদ্বয়ের বসত বাড়ির উঠানে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে
পলাতক আসামী জসিম ও শিপু ঘর থেকে বাহির হয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে পলাতক আসামীদের বসত-বাড়ী
তল্লাশী করে ৬ টি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার জব্দ করা হয় ।
উদ্ধারকৃত ৬ টি চোরাই মোটর সাইকেল
-
(i) ০১ টি নীল কালো রংয়ের YAMAHA
FZS V2 150 CC MOTORCYCLE (ii) ০১ টি লাল কালো রংয়ের BAJAJ DISCOVER 110 CC
MOTORCYCLE (iii) ০১ টি লাল কালো রংয়ের HONDA XBLADE 150 CC MOTORCYCLE (iv) ০১ টি
নীল কালো রংয়ের BAJAJ DISCOVER 125 CC MOTORCYCLE (v) ০১ টি কালো রংয়ের TVS RAIDER
125 CC MOTORCYCLE (vi) ০১টি লাল কালো রংয়ের HERO GLAMOUR MOTORCYCLE
উক্ত ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় এজাহার
দায়ের করলে সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-৩০, তারিখ- ২২/০৪/২০২৪ইং ধারা-৪১৩ পেনাল
কোড, রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
তারেক রহমানের হাতে দেশ কখনো পথ হারাবে না। তাঁর বিবিসি বাংলার সাক্ষাৎকার প্রমান করে তিনি দেশের নেতৃত্ব নিতে প্রস্তুত।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার শুয়াগাজী বাজারে জাতীয় বিপ্লব ও সভাপতি দিবসের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কুমিল্লা ৬ নির্বাচনী আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর, বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের এক ঐতিহাসিক ও অবিস্মরণীয় দিন। এই দিনটি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত। সেদিন সিপাহি ও জনতা এক হয়ে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশের নেতৃত্বে আনেন। এই ঐক্যের মধ্য দিয়েই শুরু হয় নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রা। জিয়াউর রহমান দেশকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দেন, জাতীয়তাবাদের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন।
তিনি বলেন, এই পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি জিয়ার নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নতুন শক্তি পায় এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা শুরু হয়। সেদিনের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলে জনগণের মনে স্বস্তি ফিরে আসে এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।
মনোয়ন বঞ্চিত আন্দোলকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আসুন কুমিল্লার জন্য কিছু করি। কুমিল্লার জন্য ঐক্য সংহতি গড়ে তুলি। তারেক রহমান তথা দলের নির্দেশনা মেনে কুমিল্লায় ঐক্যের রাজনীতি করি। আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে আমাদের নেতা তারেক রহমান। সেজন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনাদের প্রতি আমাদের কোন রাগ ক্ষোভ অভিমান নেই। আপনাদের নিয়ে আমরা একসাথে কাজ করে কুমিল্লার জন্য কাজ করতে চাই।
অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মনোনয়ন পাওয়ার পর আপনাকে টেলিফোন করেছিলাম, আপনি ফোন ধরেননি। আবারো টেলিফোন করবো, দয়া করে ফোন ধরবেন। আপনি আমি একই দলের প্রতিনিধিত্ব করি। আমরা মিলেমিশে কুমিল্লার উন্নয়নে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কুমিল্লা ৬ সংসদীয় আসনের মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাকালীন বিএনপির সাবেক সংগঠক ড. শাহ মোহাম্মদ সেলিম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য হাজী সিদ্দিকুর রহমান, বিএনপির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মোহিত শাহজাহান মজুমদার, সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা মোর্শেদ চৌধুরী, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাইল মজুমদার, জালাল আহমেদ, আমান উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম খোকন, হারুনর রশীদ, জামাল উদ্দিন, শাহাদাত আলী প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক প্রবাসী ও এক সাবেক ইউপি সদস্যকে গুলি করে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের আগে নাঙ্গলকোট উপজেলার বকশগঞ্জ ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামে এ রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—প্রবাস থেকে এক মাস আগে দেশে ফেরা দেলোয়ার হোসেন এবং বকশগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ছালেহ আহম্মদ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা দেলোয়ার হোসেন ও ছালেহ আহম্মদকে গুলি করে আহত করার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে পায়ের রগ কেটে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
ঘটনায় গুরুতর আহত একজনসহ অন্যান্য আহতদের কুমিল্লা ও ফেনীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গত জুন মাসে গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিয়ারা গ্রামের আবুল খায়ের গ্রুপ ও শেখ ফরিদ গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। ওই সময় গুলিবিদ্ধ হন রোকন আলীর স্ত্রী শরিফা বেগম (৬০) এবং বশির আহম্মেদের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৫৫)।
ওই ঘটনায় আবুল খায়ের বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কারাগার থেকে বেরিয়ে আসার পর আবারও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আজকের এই ভয়াবহ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
ঘটনার পর থেকে আলিয়ারা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত এক বছরে এলাকায় একাধিক সহিংস ঘটনা ঘটলেও পুলিশ কোনো অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি, যা অপরাধ দমনে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার খিলা সড়কের নাঙ্গলকোট মডেল মহিলা কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের কেশতলা গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে ব্যবসায়ী আহসান হাবিব মজুমদার (৫২) ও উপজেলার পেড়িয়া ইউনিয়নের পেড়িয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের আবু জাফরের ছেলে হাফেজ আরিফুর রহমান নয়ন (১৮)।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, আহসান হাবিব পার্শ্ববর্তী মনোহরগঞ্জ উপজেলার খিলা বাজারের নিজের জুয়েলারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোটরসাইকেলযোগে নাঙ্গলকোট-খিলা সড়ক দিয়ে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। নাঙ্গলকোট মডেল মহিলা কলেজের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুজন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহসান হাবিবকে উদ্ধার করে কুমিল্লা বেসরকারি মেডিকেল সেন্টার এবং আরিফুর রহমানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে দুজন নিহতের কথা শুনেছি। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই-এর
অভিযানকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আক্তার শিফা, সালমান ফার্সি
এবং মো. আনিসুল হক।
এ
সময় বিএসটিআই কুমিল্লার মাঠ কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, পরিদর্শক (মেট) আরিফ উদ্দিন প্রিয়,
পরীক্ষক (রসায়ন) মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায়
বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক কে এম হানিফ জানান, মানসনদ গ্রহণ ব্যতীত পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড
মার্ক (মান চিহ্ন) ব্যবহার, বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর
তথ্য প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নগরীর দেশয়ালিপট্টির মেসার্স বিক্রমপুর শশী ভান্ডারকে
২৫ হাজার টাকা, বিক্রমপুর ঘি স্টোরকে দুই হাজার টাকা এবং রাজগঞ্জ বাজার এলাকার মেসার্স
নিউ প্রিমিয়াম সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া ২৮ টি অস্ত্র ও ৬৬৭ টি গুলি উদ্ধার করছে আনসার ভিডিপি কুমিল্লার কমান্ড্যান্ট রাশেদুজ্জামান ।
তিনি জানান, বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করে এসব উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আনসার জেলা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ তারিখে কুমিল্লার বিভিন্ন থানা ও কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স থেকে অস্ত্র লুট হয়। পরে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আনসার ভিডিপি সদস্যরা এসব অস্ত্র উদ্ধারে কাজ শুরু করে। কুমিল্লা জেলা অফিসের তত্ত্বাবধানে ২৮ টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬৬৭ রাউন্ড গুলি, ১১ টি খালি ম্যাগজিন, হ্যান্ডকাফ ও চাবি উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা কমান্ডেন্ট আরো জানান, আমাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায়- ড্রেনের ভেতর, বন জঙ্গল থেকে খোঁজাখুঁজি করে এবং এলাকার মসজিদের মাইকে জানান দিয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে এসব অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সাথে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
আনসার ভিডিপি কুমিল্লা রেঞ্জ পরিচালক আশীষ কুমার ভট্টাচার্য জানান,শুধু কুমিল্লায় নয় নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং চাঁদপুরেও বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, থানা পাহারা এবং ট্রাফিকিংয়ের কাজে আনসার ভিডিপি সদস্যরা সচেষ্ট রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১ এর বিশেষ অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন চকবাজার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মোঃ আলম মিয়া (৫৬) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৩০ কেজি গাঁজা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আলম মিয়া কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মতিনগর গ্রামের মৃত কালা মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা দামে বিক্রি করে আসছিলেন।
র্যাব-১১ জানায়, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


পরকীয়া প্রেমে বাঁধা দেওয়ায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণে রাজ গোয়ালি মোঃ ইয়াছিন মিয়া (২৫) কে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপরজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়া (৩৭) ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি সেলিম মিয়া (৪৭) হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জোলাই কুড়িয়াপাড়া (ফকিরমূড়া) গ্রামের মৃত আলী মিয়ার ছেলে।
রায় ঘোষণাকালে দন্ডপ্রাপ্ত উভয় আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে ও আদালত সূত্রে জানা যায়- নিহতের খালাতো ভাইয়ের স্ত্রী মোসাঃ জেসমিন আক্তার (৩৭) এর সহিত আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়া'র পরকীয়া প্রেম বাধা দেওয়ায় আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে ২০২০ সালের ১৮ মে দিবাগত রাত সোয়া ৯টায় স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়ে বাড়ী ফেরার সময় প্রথমে ভিকটিমের বড়ভাই বাদী মোঃ মিজানুর রহমানকে ধারালো চুরি দিয়ে ঘাই মারে পরে ভিকটিম ইয়াছিন মিয়ার বুকে ধারালো অস্ত্র ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এরপর নিহতের স্বজনরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ইয়াছিনকে উদ্ধার করে কুমেক হসপিটাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জোলাই কুড়িয়াপাড়া (ফকিরামূড়া) গ্রামের মোঃ শাহজাহান খানের ছেলে নিহতের বড়ভাই মোঃ মিজানুর রহমান (৩৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত আলী মিয়ার তিন ছেলেসহ ৫ জনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ জসিম উদ্দিন ও কুমিল্লা পিবিআই এসআই (নিঃ) আব্দুর রজ্জাক সর্দার তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার ৩ দিনপর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২১ মে আসামি মোঃ শাহজাহান ও ১১ জুন আসামি সেলিম মিয়াকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করে দন্ডিত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর দণ্ডবিধির ৩৪১/৩২৪/৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি বিচারে আসলে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জ গঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ৯জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে এবং আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামিদ্বয়কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে দোষী সাবস্ত ক্রমে আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়াকে মৃত্যু দণ্ড এবং আসামি মোঃ সেলিম মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: সেই সাথে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন আদালত।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় কৌশলী অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট নুরুল ইসলাম বলেন আমরা আশাবাদী শীঘ্রই উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
এদিকে, এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামি পক্ষে নিযুক্তীয় কৌশলী এডভোকেট জালাল উদ্দীন টিপু বলেন রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং ভরাসার
বাজারে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার
সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লা।
শনিবার
(২ জুন) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম
এই অভিযান পরিচালনা করেন।
নিত্যরপণ্য ও মসলার বাজার তদারকি অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা অভিযোগে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে আলাউদ্দিন (৫০) নামের সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।
আজ
রবিবার দুপুর ১টায় নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগন্জ ইউনিয়নের শুভপুর এলাকায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত আলাউদ্দিন (৫০) বক্সগন্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সুরুজ মিয়ার বড় সন্তান। নিহত আলাউদ্দিন বক্সগন্জ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ছিলেন।
নিহতের ভাই নূর মোহাম্মদ জানান- আলাউদ্দিন নিজগ্রাম আলীয়ারা এলাকায় আপন জেঠাতো ভাই মৃত আবুল বাশারকে জানাযা দিয়ে অন্য এলাকায় যাওয়ার জন্য অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির সিএনজিতে যাওয়ার পথিমধ্যে শুভপুর এলাকায় সিএনজি পৌঁছা মাত্রই বক্সগন্জ ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি শেখ ফরিদের কর্মীরা আলীয়ারা গ্রামের সালেহ আহমেদ এর পুত্র নুরুউদ্দিন, দুলাল মিযার পুত্র রিয়াদ, জালাল আহমেদ এর পুত্র সজিব ও ইউনুসসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা সাবেক ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন (৫০) এর মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
এদিকে নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এ.কে.এম ফজলুল হক জানান- কাতার প্রবাসী সাবেক ইউপি সদস্য আলাউদ্দিনের সাথে অভিযুক্ত কিছু ব্যক্তির পূর্ব শত্রুতা ছিল। জমি সংক্রান্ত জেরে ইউপি সদস্যকে হত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা যাচ্ছে। আসামীদের আইনের আওতায় আনতে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
লাশটি ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন