

বিবেক হচ্ছে কুমিল্লাস্হ একটি সামাজিক সংগঠন। সমাজের মানুষের সহযোগিতার কল্যাণে এ প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ বছর ধরে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে কাজ করে আসছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান হলেন ইউসুফ মোল্লা টিপু যিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব।
শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এর উদ্যোগে বিবেকের একটি টিম কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বারেশ্বর গ্রামে অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এসে দাঁড়িয়েছে।
বন্যায় কুমিল্লার আমড়াতলি ইউনিয়নের একটি পরিবার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পরিবারটির ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা নিয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু ।
সহযোগিতার
হাত নিয়ে বিবেকের এই উদ্যোগ সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন,দেশের তরুণদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং যুব ঋণ নীতিমালাকে যুগোপযোগী করা হচ্ছে।
আজ শনিবার (৯ আগস্ট) নাটোর সদর উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম সরাসরি ও ১০টি জেলার ১৩টি উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের পর জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, তরুণদের নেতৃত্বেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। দেশের তরুণদের বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্বমানের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তিসহ আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা ও একটি টেকসই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে একটি টাস্কফোর্সও গঠিত হয়েছে। সারা দেশে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড়শটি উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি উপজেলাগুলোতেও মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ সম্পন্ন করা হবে।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে বিকেন্দ্রীকরণ নীতিমালা বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব স্টেডিয়ামের পরিচর্যা করতে হবে। স্টেডিয়ামগুলো যেন বিভিন্ন ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে বছরব্যাপী সচল থাকে। এক্ষেত্রে ক্রীড়া সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও সফলতা বয়ে আনা সম্ভব। মিনি স্টেডিয়ামগুলোতে তিনতলা বিশিষ্ট প্যাভিলিয়ন ভবন এবং পাঁচ ধাপ বিশিষ্ট তিনটি সাধারণ গ্যালারি রয়েছে। পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা আলাদা টয়লেট ব্লকও রয়েছে।
নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম এবং নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম।
উপদেষ্টা দুপুর ১টায় নাটোর সার্কিট হাউসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-১৬
আসনে বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক বলেছেন, এই আসনে একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিরাজ করছে
এবং গণসংযোগে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে বিএনপি জনগণের দল।
সোমবার
(২৬ জানুয়ারি) মিরপুর-৬ নম্বর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার পঞ্চম দিনের গণসংযোগে তিনি
একথা বলেন।
জামায়াতের
প্রার্থী ও তাদের সহযোগীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট কেনার চেষ্টা করছে বলে
অভিযোগ করেন আমিনুল হক। পাশাপাশি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত
করার অপচেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আমিনুল
হক বলেন, এসব অনিয়মের জবাব জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে দেবে।
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু এলাকায় শিশুদের খেলাধুলায় বাধা দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে
তিনি বলেন, বিএনপি একটি খেলাধুলাবান্ধব ও মানবিক সমাজ গড়তে চায় এবং শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার
সুযোগ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
জনসংযোগকালে
আমিনুল হক মিরপুর এলাকার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা সমাধানে একটি সমন্বিত পরিকল্পনার
কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পুরোনো ও ত্রুটিপূর্ণ গ্যাস ও পানির লাইন পুনঃখননের মাধ্যমে
আধুনিক সংযোগ নিশ্চিত করা হবে।
পাশাপাশি
এলাকার কাঁচারাস্তা ও ভাঙা গলি সংস্কারের জন্য একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের আশ্বাস
দেন তিনি।
তরুণদের
কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, কারিগরি শিক্ষা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং অনলাইন
জব ফেয়ারের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে শিক্ষিত বেকারদের আত্মনির্ভরশীল
করা হবে।
গণসংযোগকালে
তিনি একটি মানবিক ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ধানের শীষ
প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
মুসলিম বিশ্বে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ইসলামি এনজিওদের আরও বেশি সামাজিক ব্যবসায় উদ্যোগে
যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ রোববার (৬ জুলাই) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন মুসলিম দেশের
এনজিওদের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে এ আহ্বান জানান
তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের বিশ্বে আমরা নারীদের স্বাস্থ্যসেবাকে
গুরুত্ব দেই। যদি আপনি গরিব হন, তাহলে আপনার স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সমস্যা থাকবে। আমরা
স্বাস্থ্যসেবাকে গরিবদের সহায়তার একটি উপায় হিসেবে দেখেছি।
তিনি বলেন, সামাজিক ব্যবসা এই সহায়তা
প্রদানের একটি ভালো উপায়। সারা বিশ্বের তরুণদের সামাজিক ব্যবসায় যুক্ত হয়ে উদ্যোক্তা
হতে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।
বৈঠকে উপস্থিত এনজিও নেতারা বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অধ্যাপক ইউনূস পরিচালিত
সামাজিক ব্যবসার প্রচারণা তাদের নিজ নিজ দেশে একই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে অনুপ্রাণিত করেছেন।
সাক্ষাৎকালে বিদেশি প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তুরস্ক থেকে ইসলামি বিশ্বের
এনজিও ইউনিয়নের (ইউএনআইডব্লিউ) মহাসচিব আইয়ুপ আকবাল, টার্কিশ আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশনের
(এটিএএ) প্রতিনিধি মুহাম্মদ হুসেইন আক্তা, মালয়েশিয়া থেকে পারসাতুয়ান ওয়াদাহ পেন্সারদাসান
উম্মাহ (ডব্লিউএডিএএইচ) এবং ইউএনআইডব্লিউর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল ফাওয়াজ বিন হাসবুল্লাহ,
পাকিস্তান থেকে আলখিদমাত ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও ইউএনআইডব্লিউর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল
মুহাম্মদ আবদুস শাকুর এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ইউএনআইডব্লিউর অডিটিং বোর্ড সদস্য ড. সালামুন
বাসরি।
এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও বিআইআইটির সভাপতি অধ্যাপক
মাহবুব আহমেদ, এসএডব্লিউএবির চেয়ারম্যান ও ইউএনআইডব্লিউর হাই অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য
এস এম রাশেদুজ্জামান, ইউএনআইডব্লিউর কাউন্সিল সদস্য ও কৃষিবিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক ড. আলী আফজাল এবং বিআইআইটির মহাপরিচালক ও আইআইআইটির কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ
ড. এম. আবদুল আজিজ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


মহান
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ
মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার
দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা
নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা বাজার চার মিনিট আগেই রাষ্ট্রপতি শহীদ
মিনার প্রাঙ্গণে পৌঁছান।
কেন্দ্রীয়
শহীদ মিনারে পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান তাঁকে
অভ্যর্থনা জানান।
রাষ্ট্রপতি
ধীরগতিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদির দিকে এগিয়ে যান। এ সময় মহান একুশের অমর গান
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ... আমি কি ভুলিতে পারি?’ বাজানো হয়।
রাষ্ট্রপতি
ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের আগেই একটি গোষ্ঠী জনগণকে প্রতারণার মধ্যে ফেলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এখনই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে নির্বাচনের পর পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। শুধু রাজনৈতিক প্রতারণাই নয়, মুসলমানদের শিরকের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত নিজের প্রথম নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, গত দেড় দশকে দেশে একের পর এক বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে। কোথাও ব্যালট ছিনতাই, কোথাও রাতের আঁধারে ভোট, আবার কোথাও ডামি প্রার্থীর মাধ্যমে ভোটের নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বিএনপির লক্ষ্য দেশের প্রতিটি মানুষকে স্বনির্ভর করে তোলা—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিথ্যা, কুফরি ও হঠকারিতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি দাবি করেন, দেশকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করা হয়েছে, এবার মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পালা। শুধু ভোট দেওয়ার বা মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করলেই চলবে না, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতাও জরুরি।
তারেক রহমান আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে বিএনপি কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু করতে চায় এবং ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। বেকারত্ব দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং কর্মক্ষম মানুষদের উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সিলেটের জনসভা শেষে তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। পথে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ঘেঁষে ছয়টি জেলার ছয়টি পৃথক স্থানে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার শেরপুর এলাকার একটি মাঠ এবং হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রস্তাবিত নতুন উপজেলা পরিষদ মাঠে সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরেই ঐতিহাসিক সংবর্ধনা মঞ্চে বক্তব্য শেষে
তার মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।তিনি জানান, ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে নেমে বিমানবন্দর থেকে
এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার পথে ৩০০ ফিট এলাকায় উপস্থিত জনসমাগমের উদ্দেশ্যে একটি সংক্ষিপ্ত
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন। এরপর তিনি তার মাকে দেখে বাসায় ফিরবেন।
মঙ্গলবার
(২৩ ডিসেম্বর) পিজি হাসপাতালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং সরকারি ও
বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদলের আয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল-পূর্বক সংক্ষিপ্ত
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। মিছিলটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের
(পিজি হাসপাতাল) বটতলা থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড় হয়ে মৎস্যভবনে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে
রিজভী বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজ
দেশ বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করতে যাচ্ছেন। আগামী ২৫ ডিসেম্বর তার আগমন উপলক্ষে সারা
দেশে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ তাকে এক নজর দেখার জন্য ঢাকায় আসবেন।
তিনি বলেন, ২০০৭ সালের মইনুদ্দিন–ফখরুদ্দিন সরকার ছিল শেখ হাসিনারই সমর্থিত
সরকার। সেই সরকারের সময় বিনা কারণে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং নির্মম শারীরিক
নির্যাতন করা হয়। সেই নির্যাতনের পর তাকে এই পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়। তিনি
আরও বলেন, চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার পর শেখ হাসিনার সরকার একের পর এক মিথ্যা মামলা
দিয়ে তাকে দেশে ফিরতে বাধা দেয়। ১৭ বছর ধরে তাকে তার পরিবার, দেশ ও মানুষের কাছ থেকে
বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। তিনি তার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি, এমনকি ছোট ভাইয়ের
লাশ ও জানাজায়ও অংশ নিতে পারেননি। এসব ঘটনার জন্য শেখ হাসিনা দায়ী।
বিএনপির
এই মুখপাত্র বলেন, জিয়া পরিবার বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পরিবার।
এই পরিবারই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশনেত্রী বেগম
খালেদা জিয়া একজন নির্ভীক সৈনিকের মতো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন। এই পরিবারকে ধ্বংস
করার জন্য আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্ররা কোনো চক্রান্ত বাদ দেয়নি।
নিরাপত্তা
প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আমরা সরকারের কাছে তার পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছি। সরকার
আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। দলীয়ভাবেও নেতাকর্মীরা তার
নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করবেন, ইনশাআল্লাহ। তিনি নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের
প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনসমাগম যত বড়ই হোক, সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করতে
হবে। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে প্রিয় নেতাকে শুভেচ্ছা জানাবেন। কোনো বিশৃঙ্খলা বা অরাজকতা
করা যাবে না। তিনি তার মাকে দেখে বাসায় পৌঁছানো পর্যন্ত সবাই শৃঙ্খলার সঙ্গে অবস্থান
করবেন।
কেন্দ্রীয়
ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালের সভাপতিত্বে মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির
স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, বিএনপির আইটি সেলের সদস্য মাহফুজ কবির মুক্তা
এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি চিকিৎসক ও ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান বিভিন্ন
পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি জনগণকে
বিক্রি করে নিজের সম্পদ বানায় না। আমরা রাজনীতি করে আমাদের সম্পদ বানাইনি। বাপ-দাদার
দেওয়া জমি-জমা বিক্রি করে রাজনীতি করি।
আজ
রোববার ( ২৫ জানুয়ারি ) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাও ৩
নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচনী গণসংযোগ সভায় প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি
মহাসচিব বলেন, ‘আমরা সবসময় আপনাদের সাথে থাকার চেষ্টা করেছি। বিএনপির কাছে আপনারা নিরাপদে
থাকতে পারবেন। আমরা অন্তত আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আমরা মানুষের কল্যাণ করতে
চাই। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করে মানুষের কথা বলার অধিকার দিতে চাই।’
বিএনপি
মহাসচিব বলেন, ‘মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেবে বিএনপি। যা একটি পরিবারের আর্থ ও
সামাজিক খুঁটি হয়ে দাঁড়াবে। কৃষকদের জন্য দেওয়া হবে কৃষি কার্ড, যার মাধ্যমে কৃষকরা
ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ পেয়ে আরো সামনে এগিয়ে যাবে। বিএনপি স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা
ও যাতায়াতের ব্যবস্থার উন্নয়ন করবে। আমরা বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়ার
পরিকল্পনা করেছি।’
তিনি
আরো বলেন, ‘আমরা অনেক প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভূক্ত করতে সহযোগিতা করেছি। অতীতে আমরা রাস্তাঘাট,
ব্রীজ, কালভার্টসহ নানা কাজ করেছি। ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বপ্রথম বরেন্দ্র প্রকল্পটি আমরা
নিয়ে এসেছি। ভুট্টা চাষের আবাদ, মুরগী চাষের ফার্ম আমরা নিয়ে এসেছি। বিএনপি একটি পরীক্ষিত দল। আমাদেরকে নতুন করে চেনার কিছু নেই।’
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে কথা বলার স্বাধীনতা ছিল না। কিছু বললেই ধরে নিয়ে যেত।
এখন আমার বয়স হয়েছে। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। তাই আমার জীবনের শেষ নির্বাচনে আপনারা
আমাকে ভোট দিলে আপনাদের অসম্পূর্ণ কাজগুলো আমি সম্পন্ন করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ
সময় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকরণের জন্য আগামীকাল শুক্রবার থেকে
সারাদেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ১১ ডিসেম্বর ) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ
সংক্রান্ত চিঠি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে পাঠিয়েছেন। চিঠিতে ইসি জানায়,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের দুদিন পর পর্যন্ত
সময়ের জন্য মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতায় আচরণ বিধি প্রতিপালনার্থে প্রতি উপজেলা
বা থানায় অন্যূন ২ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত
নিয়েছে।
ইসি
আরো জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের দুদিন
পর পর্যন্ত সময়ের জন্য মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতায় আচরণ বিধি প্রতিপালনার্থে প্রতি
উপজেলা/থানায় অন্যূন ২ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের
জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরে সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল
হকের বাড়িতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে
বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী।
আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন। এর আগে তিনি
ওই ঘটনায় গুরুতর আহত কয়েকজনকে দেখতে ঢামেকের জরুরি বিভাগে আসেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের কোনো ছাড় নয়। এটার ক্ষেত্রে
আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা তো নিচ্ছিই, যারা জড়িত তাদের সর্বোচ্চ বিচারের আওতায় আনা হবে।
তাদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় এ ব্যবস্থা করা হবে। এর আগে হাসপাতাল ঘুরে আহত ছাত্রদের খোঁজখবর নেন
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আইজিপি বাহারুল আলম ও ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত
আলী।
তারা সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢামেকের
অর্থোপেডিক বিভাগ ও বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের ৬ষ্ঠ তলার ৬১৭ নং ওয়ার্ডে
আহতদের দেখতে যান এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে পৌনে ১১টার দিকে তারা হাসপাতাল ত্যাগ
করেন।
হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত ১০ জনকে ঢাকা
মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- শুভ
শাহরিয়া (১৬), ইয়াকুব (২৪), সৌরভ (২২), কাশেম (১৭), হাসান (২২), রৌহান আহমেদ (২২),
ওমর হামজা (২২), ছাব্বির খান মিলন (২২) নাঈম (২১) ও ইয়াকিব (২৩)।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনি প্রচারের জন্য আগামী ২৪ শে জানুয়ারি কুমিল্লায় আসছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম।
১৪ জানুয়ারি বুধবার বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কুমিল্লা আগমন উপলক্ষে দলীয় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুমিল্লার ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠ পরিদর্শন করেছেন সিএসএফ (CSF) টিমসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে নেতৃবৃন্দ আগমন অনুষ্ঠান সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মাঠের সার্বিক অবস্থা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মঞ্চ স্থাপন, জনসমাগম ও অন্যান্য প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বলেন, তারেক রহমানের আগমন কুমিল্লার রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়াবে।”
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কুমিল্লায় আগমন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।কুমিল্লার ১১ টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে আজকে মাঠ পরিদর্শন করা হয়েছে । উনাকে দেখার জন্য উনার বক্তব্য শোনার জন্য কুমিল্লার বিএনপি নেতাকর্মীরা অপেক্ষার প্রহর গুনছে ”।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ আরও জানান, দলীয় কর্মসূচি সফল করতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং কুমিল্লার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশগ্রহণ করবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনকালে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন