

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিভাগের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ হাজারের অধিক মোটরসাইকেল নিয়ে শোভাযাত্রা করেছে তরুণরা। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) মহাসড়কের কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডস্থ হোটেল নুরজাহানের সামনে থেকে এই মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা শুরু হয়। জুমার নামাজের পর থেকেই কুমিল্লা নামে বিভাগের দাবিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় জড়ো হয় তরুণরা। ঘন্টা খানিকের মধ্যেই কয়েক হাজার বাইকারের মিলনমেলায় পরিণত হয় মহাসড়কের এই অংশটি।
সকলের মুখে মুখে শ্লোগান ‘দাবি মোদের একটাই কুমিল্লার নামে বিভাগ চাই।’ কারো হাতে ও কারো বুকে জাতীয় পতাকা , কারো কণ্ঠে শ্লোগান। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা রূপ নেয় রঙিন উৎসবে। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাকে স্বাগত জানিয়ে অনেকে দোকানপাটের সামনে দাঁড়িয়ে সকল শ্রেণির মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করেন।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করা ইঞ্জিনিয়ার শিহাব উদ্দিন ও নুর মোহাম্মদ মজুমদার জানান, প্রাচীন সমতট অঞ্চলের রাজধানী ছিল কুমিল্লা। হাজার হাজার ঐতিহ্যে ভরা কুমিল্লা যখনই বিভাগের ঘোষণার দ্বারপ্রান্তে যায় তখনই নানান মহল থেকে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। নোয়াখালীসহ বৃহত্তর কুমিল্লার ৬টি জেলার বিভিন্ন দপ্তরের ৪২টি আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লায় অবস্থিত। অবিলম্বে কুমিল্লা নামে বিভাগ দিতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৪৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৮ সেপ্টেম্বর রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
ময়নামতি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ মনিরুজ্জামান মনির এবং
২। মোঃ সজিব (২৭) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ
থেকে ৩৪৭ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ মনিরুজ্জামান
মনির (৩০) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর গ্রামের মোঃ মানিক মিয়া এর ছেলে
এবং ২। মোঃ সজিব (২৭) একই গ্রামের মোঃ নুরু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কাভার্ড ভ্যান যোগে দেশের
বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে
আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বিষ্ণুপুর এলাকা থেকে ৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারকৃতের নাম মো. মনজিল হোসেন (৪৫)। তিনি কেরানীনগর গ্রামের মৃত রওশন আলীর ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতেন।
র্যাব জানায়, মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
র্যাব-১১ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে চলমান অভিযানে এ পর্যন্ত ১৭১ জন চাঞ্চল্যকর অপরাধী, ১৫ জন আরসা সদস্য, ২ জন জঙ্গি, হত্যা মামলার ১৬৫ আসামি, ধর্ষণ মামলার ৭১ আসামি, অস্ত্র মামলার ২৩ আসামি, মাদক মামলার ৩৭৬ জনসহ মোট প্রায় ৪০৩ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ১০২টি অস্ত্র, ১,৩৪২ রাউন্ড গুলি, বিপুল পরিমাণ মাদক এবং অপহৃত ৭০ ভিকটিম।
র্যাব-১১ জানিয়েছে, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জমিজমা নিয়ে বিরোধের
জের ধরে মোঃ গিয়াস উদ্দিন ও মোঃ জামাল হোসেন নামের দুই চাচাতো জ্যেঠাতো ভাইকে ধারালো
দা, ছেনী ও হকিস্টিক দ্বারা কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন
কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। সেই সাথে প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড
এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী প্রত্যেককে অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
প্রদান করেন।
সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায়
কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ
রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লা
সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরী গ্রামের মোঃ হাজী আতর আলীর ছেলে তোফায়েল আহমেদ তোতা,
মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন, হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আলমগীর হোসেন, মোঃ ফরিদ
উদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন, মৃত আনোয়ার আলীর ছেলে মোঃ বাবুল ও মৃত আনোয়ার আলীর হারুনুর
রশিদ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা
হলেন- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরীর মৃত জুনাব আলীর ছেলে হায়দার আলী, হাজী
আব্দুর রহিমের ছেলে আঃ মান্নান, মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে জামাল হোসেন, মৃত আঃ খালেক
এর ছেলে আবুল বাশার, মৃত আঃ রশিদ এর ছেলে জাকির হোসেন, মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আব্দুল
কাদের ও মৃত ইউসুফ মিয়া'র ছেলে আব্দুল কুদ্দুস।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞ জেলা পিপি
এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্র পক্ষে
নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম ও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট
মোঃ মজিবুর রহমান বাহার এবং বাদীপক্ষে প্রাইভেট ল'ইয়ার এডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন
আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের
সুন্দুরিয়া পাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে
বিদেশী ও দেশী বিপুল পরিমান অস্ত্রসহ মো. মোতাব্বির
হোসেন জনি (৩৫) নামের এক জনকে আটক করেছে যৌথবাহিনী।
এ সময় তার বাড়ি থেকে ১টি বিদেশি এয়ারগান,
১৪টি দেশিয় তলোয়ার, ১টি লোহার তৈরি চাকতি, ৩টি চাকু, ৫টি স্টিক ও নগদ সাড়ে ৪ লাখ
টাকা উদ্ধার করে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে সেনাবাহিনীর
নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী জনির বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রসহ তাকে আটক করে।
আটক হওয়া মোহাম্মদ মোতাব্বির হোসেন
জনি- ফারজানা ট্রান্সপোর্ট এর মালিক।
তাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেনাবাহিনী।
আটককৃত মোহাম্মদ মোতাব্বির হোসেন জনিকে
অস্ত্রসহ বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৯ অক্টোবর ২০২৫) সকালে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) পংকজ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন।
সভায় জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সাইবার ক্রাইম মোকাবিলা, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, স্পর্শকাতর মামলার অগ্রগতি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদারকরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যকর দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মোঃ শামিম কুদ্দুস ভুঁইয়া সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সকল থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দ
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পৃথক পৃথক অভিযানে ২০ কেজি
গাঁজা, ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও ৩৫ বোতল স্কাফ সহ তিন জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১, সিপিসি-২।
শনিবার (১০ আগস্ট) রাতে কোতোয়ালী মডেল
থানার শাহপুর, শালুকমোড়া ও ধনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, মুন্সীগঞ্জের ভবেরচরের
আব্দুর রহিমের ছেলে মো. অর্ক (৩২), কুমিল্লার পালপাড়ার রিপন মিয়ার ছেলে মো. তুষার
(২৬) ও চাঁদপুরের মতলব উত্তরের তুষপুর গ্রামের মো. জুলহাস মিয়ার ছেলে মো. মামুন হাসান
(২৮)।
র্যাব জানায়, প্রথম অভিযানে শাহপুর
এলাকা থেকে মো. অর্ককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার কাছ থেকে ৩৫ বোতল স্কাফ ও মাদক পরিবহনে
ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় অভিযানে শালুকমোড়া থেকে মো. তুষারকে
আটক করে ২০ কেজি গাঁজা ও একটি সিএনজি জব্দ করা হয়। তৃতীয় অভিযানে ধনপুর থেকে মো. মামুন
হাসানের কাছ থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা স্বীকার
করেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে স্কাফ, গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করে মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর
সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রি করে আসছিল।
এ বিষয়ে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব
প্রতিবেদক:
আজ
বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী
হয় পথচারীরা। চট্টগ্রামমুখী একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎ করেই রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে
পড়ে—কোনো নির্ধারিত স্টপেজ
কিংবা সংকেত ছাড়াই।
বাসটির
দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত বাস থেকে নামতে শুরু করেন। অনেকে
প্রাণ ভয়ে ডিভাইডারের ওপর লাফিয়ে উঠেন। একজন যুবক নিরাপদে পার হলেও তার ঠিক পেছনে থাকা
দুই মাদ্রাসাছাত্র ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান রাস্তায়।
ঠিক
তখনই সামনে দিয়ে ঝড়ের গতিতে ছুটে আসে একটি মোটরসাইকেল। মুহূর্তের মধ্যে সবাই শ্বাসরুদ্ধ
হয়ে চেয়ে থাকেন সেই ভয়ংকর দৃশ্যের দিকে।
তবে
সৌভাগ্যক্রমে, মারাত্মক দুর্ঘটনা এড়াতে সক্ষম হন মোটরসাইকেল চালক এবং রক্ষা পান ওই
দুই ছাত্রও।
স্থানীয়রা
জানান, সেই মুহূর্তে পুরো এলাকা থমকে গিয়েছিল। আতঙ্ক আর বিস্ময়ে অনেক পথচারীর মুখ ফ্যাকাশে
হয়ে যায়। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, "মনে হচ্ছিল, সবাই যেন মৃত্যুর খুব কাছ থেকে
ফিরে এল।"
ঘটনাটি
যানবাহনের নিয়ম না মানা এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ রোডে অব্যবস্থাপনার একটি উদাহরণ বলে
মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। এ নিয়ে প্রশাসনের আরও কড়া নজরদারি দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি কাভার্ডভ্যানের পেছনে আরেকটি কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় চালক ও হেলপার নিহত হয়েছেন।
রোববার ভোরে মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘোলপাশা ছুপুয়া এলাকায় চট্টগ্রামগামী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর কমলা গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে আব্দুল জব্বার (৩১) ও একই জেলার চর জব্বার থানার চর মহিউদ্দিন গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে শাকিল (২২)। তাদের মধ্যে জব্বার কাভার্ডভ্যানের চালক এবং শাকিল হেলপার (সহযোগী) ছিলেন।
মিয়া বাজার হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, রোববার ভোরে ঘন কুয়াশার কারণে একটি কাভার্ডভ্যানের পেছনে আরেকটি কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দেয়। এতে ধাক্কা দেওয়া পেছনের কাভার্ডভ্যানটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে চালক জব্বার নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপার শাকিলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন এবং তিনি মারা যান।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন জানান, রোববার ভোরে ছুপুয়া এলাকায় ঘন কুয়াশার কারণে চট্টগ্রামমুখী মহাসড়কে দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নেওয়া হয়েছে। স্বজনরা এলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অংশহিসাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যােগে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে।
মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ৩০ কুমিল্লা টাউনহলের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করে।এসময় নগরীর টাউন হল থেকে শুরু করে মনোহরপুর,রাজগঞ্জ,বাদুরতলা, লাকসাম রোডে বিভিন্ন পোষ্টার ব্যানার নিয়ে মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করে।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে নগর জামায়াতের সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমানের পরিচালনা বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশ শুরা সদস্য ও কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য আব্দুস সাত্তার,কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, সহকারী সেক্রেটারী যথাক্রমে মু.কামারুজ্জামান সোহেল,কাউন্সিল মোশাররফ হোসাইন, নাছির আহম্মেদ মোল্লা।মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এড এয়াকুব আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসাইন, আমীর হোসাইন ফরায়েজী।
সভাপতির বক্তব্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি’, ‘পিআর পদ্ধতিতে সংসদের উভয় কক্ষের নির্বাচন’, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ’, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার নিশ্চিত করা’ এবং ‘স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও বিচারের মুখোমুখি করা’—গণমানুষের দাবি। সরকার যদি গণমানুষের দাবি উপেক্ষা করে গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন একদিনে করতে চায়, তাহলে বুঝতে হবে সরকার একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। নভেম্বরে গণভোট এবং ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে সরকার গড়িমসি করলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও করতে জনগণ বাধ্য হতে পারে। তাই সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে ৫ দফা দাবি মেনে নিতে তিনি আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
কুমিল্লার চান্দিনায় ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি শাখায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। আজ বুধবার সকাল পৌঁনে ৮টায় উপজেলা সদরের মধ্য বাজার জয়নাল সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ব্র্যাক ব্যাংকের সার্ভার কক্ষ থেকে ওই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। এতে দিন ব্যাপী গ্রাহক সেবা বন্ধ।
এতে আইটি শাখার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ, বৈদুতিক তার ক্ষতিগ্রস্থ হলেও অন্যান্য কক্ষ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ব্যাংকের লকার অক্ষত রয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- ব্যাংক খোলার আগে কর্তব্যরত নিরাপত্তা প্রহরী হঠাৎ ব্যাংকের ভিতরে আগুনের সূত্রপাত টের পেয়ে কর্মকর্তাদের ও ফায়ার সার্ভিসে ফোন করেন। খবর পেয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা এসে ব্যাংক খোলেন এবং সকাল সোয়া ৮টা থেকে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় চার ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নির্বাপন হয়।
ব্যাংকটির ম্যানেজার মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন জানান- আমাদের ব্যাংকের সার্ভার কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ওই কক্ষে থাকা বৈদ্যুতিক তাঁর সহ যন্ত্রাংশগুলো পুরে প্রচন্ড ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষনিক ভাবে ফায়ার সার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। খুব কম সময়ের মধ্যে আগুন নির্বাপন করা সম্ভব হলেও ধোঁয়া বের করতে অন্তত চার ঘন্টা সময় লাগে। এতে ওই সার্ভার কক্ষের কিছু যন্ত্রাংশ ও বৈদ্যুতিক তার নষ্ট হলেও বড় ধরণের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছি। অগ্নিকান্ডের ফলে ব্যাংকের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ইমাম হোসেন পাটোয়ারী জানান- প্রাথমিক ভাবে বৈদ্যুতিক সক সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে অগ্নিকান্ডের মূল ঘটনা, ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
মন্তব্য করুন