

ইরানের
সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি-এর জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে
যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র
বলছে, আগামী ৩ জুলাই ঢাকা থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা হতে পারেন স্পিকার। তিনি ইরানের
পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায়
অংশ নেবেন।
জানা
গেছে, খামেনির শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা আগামী ৪ জুলাই তেহরানে শুরু হবে। এরপর ৭ জুলাই
কোমে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং ৯ জুলাই মাশহাদে দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এই বহুধাপের
রাষ্ট্রীয় আয়োজনকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
বাংলাদেশের
পক্ষ থেকে স্পিকারের এই সফরকে তেহরান-ঢাকা সম্পর্কের কূটনৈতিক গুরুত্বের অংশ হিসেবে
দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘ সময় প্রভাবশালী ভূমিকা
রাখা খামেনির মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এর
মধ্যেই খামেনির জানাজায় বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের খবর সামনে
আসছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।
মন্তব্য করুন




নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
হামের উপসর্গ নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় মাস বয়সী আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) ভোরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ইউনিটে ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মিয়া মঞ্জুর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শিশু রাব্বি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার গুড়গাঁও এলাকার কাউসার আহমেদের ছেলে। হামের উপসর্গ নিয়ে গত ৯ মে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
এ নিয়ে কুমিল্লায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সাতজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চারজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
শিশু বিভাগের প্রধান মিয়া মঞ্জুর আহমেদ জানান, বর্তমানে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ইউনিটে ৬৯ জন শিশুরোগী ভর্তি রয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত জেলায় মোট হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৫০০। এর মধ্যে ১০০ জন নিশ্চিতভাবে হাম রোগে আক্রান্ত বলে দপ্তরটি জানিয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ১০৭৮ জন হাম ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৩৩ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৪৫ জন।
মন্তব্য করুন


কৃষি,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, সমাজ ও মানবকল্যাণে যারা
নিবেদিতভাবে কাজ করছেন, তাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত, মানবিক ও বাসযোগ্য সমাজ রেখে যাওয়ার লক্ষ্যে সবাইকে
নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ
শনিবার (১৩ জুন) সকালে কুমিল্লা কবি নজরুল ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি,
কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ‘গুণীজন সম্মাননা-২০২৬’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষি,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সমাজ আমরা পূর্বসূরিদের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে
পেয়েছি। তাদের সৃষ্ট ইতিবাচক কর্ম ও অবদানের কারণেই আজ আমরা একটি উন্নত ও পরিচ্ছন্ন
সমাজে বসবাসের সুযোগ পাচ্ছি। সমাজে নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও পৃথিবী সামনের
দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই অগ্রযাত্রাকে আরও সমৃদ্ধ করতে সমাজের কল্যাণে কাজ করা ব্যক্তিদের
মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
তিনি
আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষকে নিজের অবস্থান থেকে সমাজের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ
করতে হবে। অন্যকে ভালো হওয়ার আহ্বান জানানোর আগে নিজেকে সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল হিসেবে
গড়ে তোলা জরুরি। অতীত থেকে আমরা যা পেয়েছি, আগামী প্রজন্মের জন্য তার চেয়েও উন্নত কিছু
রেখে যাওয়ার প্রত্যয় থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে
সমাজসেবা, শিক্ষা, চিকিৎসা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ে দীর্ঘদিনের
অবদান ও বিশেষ কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ কুমিল্লার পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে ‘গুণীজন
সম্মাননা-২০২৬’ প্রদান করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি তাদের হাতে সম্মাননার
ক্রেস্ট তুলে দেন।
এ
বছর সম্মাননা লাভ করেন- বিশিষ্ট ছড়াকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক দুলাল, চিকিৎসা
ও মানবসেবায় অবদানের জন্য ডা. আব্দুল লতিফ, জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ে বিশেষ ভূমিকার জন্য
জামিল আহমেদ খন্দকার, চিকিৎসা ও সামাজিক উন্নয়নে অবদানের জন্য ডা. গোলাম শাহজাহান এবং
ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বদরুল হুদা জেনু।
বাংলাদেশ
সাংবাদিক সমিতি, কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ইয়াসমিন রীমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ
অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
ইউসুফ মোল্লা টিপু এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিক।
সংগঠনের
সাধারণ সম্পাদক শাহাজাদা এমরানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- কুমিল্লা প্রেসক্লাবের
সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, সিপিবি নেতা শেখ আবদুল
মান্নান, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান মো. তরিকুল ইসলাম,
কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাফিজ, দৈনিক শিরোনামের সম্পাদক নীতিশ
সাহা, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলহাজ শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান, অজিত গুহ কলেজের
অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে
বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির বিভিন্ন উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক
সংগঠনের প্রতিনিধি এবং জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


শহুরে
ব্যস্ত জীবনে এখন সম্পর্কের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে কর্মক্ষেত্র। সকালের তাড়াহুড়া, একসঙ্গে
ডেডলাইন সামলানো, সাফল্যের মুহূর্ত ভাগ করে নেয়া, খারাপ দিনে পাশে থাকা, দুপুরের ছোট্ট
কফি বিরতি কিংবা দিনের শেষে ক্লান্ত মুখে ‘আজ অনেক চাপ গেল’,
এভাবেই অজান্তে কাছাকাছি চলে আসেন অনেক সহকর্মী।
একই
অফিসে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে কাটাতে কখন যে পেশাদার কথাবার্তার ভেতর একটু
আলাদা যত্ন, অপেক্ষা কিংবা ভালো লাগা জন্ম নেয়, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না শুরুতে। এসব
থেকেই অনেক সময় তৈরি হয় নির্ভরতা এবং প্রেম। এখন কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক বা ‘ওয়ার্কপ্লেস
রোমান্স’ আগের চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ হয়ে উঠছে।
তবে
অফিসের সম্পর্ক শুধু সিনেমার মতো রোমান্টিক গল্প নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পেশাদারিত্ব,
ব্যক্তিগত সীমারেখা, সহকর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং কর্মপরিবেশের ভারসাম্যও।
সাম্প্রতিক
‘ওয়ার্কপ্লেস রোমান্স স্ট্যাটিস্টিকস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন বলছে, ৬০ শতাংশেরও
বেশি কর্মজীবী মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
এর মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ সম্পর্ক পরিণয়ে গড়িয়েছে। অর্থাৎ, অফিসে শুরু হওয়া সম্পর্কের
অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ
করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, এর বড় কারণ হলো সময়ের পরিবর্তন। এখন মানুষের জীবনের বড় একটা অংশ কাটে কর্মস্থলে।
সকালে বের হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিসেই সময় যায়। ফলে বাইরের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে।
নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও আগের মতো নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই সহকর্মীদের
মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কাছাকাছি আসার সুযোগ।
ফোর্বসের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ‘স্বাচ্ছন্দ্যবোধ’।
প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করতে করতে একটা বিশ্বাস
ও মানসিক নিরাপত্তা তৈরি হয়। এছাড়া ৬১ শতাংশ জানিয়েছেন, কাজের বাইরে নতুন মানুষের সঙ্গে
পরিচিত হওয়ার সময় না থাকাও একটি বড় কারণ। তবে অফিসের সম্পর্ক সবসময় সহজ বা সুন্দর অভিজ্ঞতা
হয় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা ধরনের জটিলতাও।
সমীক্ষায়
দেখা গেছে, প্রায় ৫৭ শতাংশ কর্মী মনে করেন, অফিসের সম্পর্ক তাদের কাজের পারফরম্যান্সে
প্রভাব ফেলেছে। কেউ কেউ কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়েছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত
টানাপোড়েন কাজের পরিবেশকেও অস্বস্তিকর করে তুলেছে।
এছাড়া
৫২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, সম্পর্কের কারণে সহকর্মীদের আচরণ বদলে গেছে। অফিসে গুজব,
ঈর্ষা বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও বেড়েছে অনেক ক্ষেত্রে। প্রায় অর্ধেক কর্মী বলেছেন,
সহকর্মীদের মধ্যে তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বা কানাঘুষা চলেছে।
আরও
একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, প্রায় ৩৫ শতাংশ কর্মী তাদের সম্পর্কের বিষয়টি অফিস কর্তৃপক্ষকে
জানান না। কারণ হিসেবে তারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অস্বস্তি কিংবা চাকরিগত ঝুঁকির কথা
উল্লেখ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। মানুষ যেখানে বেশি সময় কাটায়,
সেখানেই আবেগ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সম্পর্কের কারণে যেন কর্মপরিবেশ, পেশাদারিত্ব
বা অন্য সহকর্মীদের স্বস্তি নষ্ট না হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ
অফিসের সম্পর্ক শুধু দুজন মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় হয় না, অনেক সময় সেটি পুরো কর্মপরিবেশের
ওপরও প্রভাব ফেলে।
এ
ব্যাপারে সাদমিনা নামের এক তরুণী বলেন, ‘অফিসে একজনকে ভালো লাগে। একসঙ্গে কাজ করতে
করতে কখন যে তার প্রেমে পড়ে গেলাম টেরই পেলাম না। আমরা একসঙ্গে লাঞ্চে যাই, চা খেতে
যাই, কাজের বাইরেও অনেক গল্প হয়। তবে ভালোলাগার কথাগুলো এখনও আদান-প্রদান হয়নি।’
এদিকে
সহকর্মীকে বিয়ে করা শাহরিয়ার নীরব নামের এক যুবক বলেন, ‘আমরা একই অফিসে চাকরি করি।
৫ বছর আগে যখন আমাদের প্রেম হয় তখন আশেপাশের সহকর্মীরা আমাদের দেখে হাসতো, মজা নিতো।
ব্যাপারটা আমরাও বেশ উপভোগ করতাম।’
নীরব
হেসে হেসে আরও বলেন, ‘আমরা যখন প্রেম করতাম তখন অফিসের কাজের চাপ থাকলেও চাপ মনে হতো
না। প্রেয়সীর চোখের দিকে তাকালেই সব ক্লান্তি দূর হয়ে যেত, অফিস ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও
টের পেতাম না।’
সহকর্মীর
সঙ্গে সংসার কেমন কাটছে এমন প্রশ্নের জবাবে নীরব বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। সংসার জীবনের
এত বছরেও প্রেমের প্রথম দিনের মতোই মনে হয় এখনও। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমরা এখনও
সহকর্মী।’
মন্তব্য করুন


র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ বলেছেন, আমরা আশ্বস্ত করতে চাই - এই দেশে আর কখনোই জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের উত্থান হবে না।
সোমবার (১ জুলাই) গুলশানে
দীপ্ত শপথ ভাস্কর্যে ‘হলি আর্টিজান’-এ জঙ্গি হামলায়
নিহতদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন
র্যাব মহাপরিচালক।
র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম থেকে তিনজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিকই জঙ্গিদের বিষয়ে নজরদারি করছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জঙ্গিরা এক সময় নানা প্রচারণা করার চেষ্টা করেছে। জঙ্গিরা ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করেছে এক সময়। আমরা কিন্তু এসব বিষয়ে নজরদারি করছি। ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে আমাদের নজরদারি রয়েছে। আমরা আশ্বস্ত করতে চাই - এই দেশে আর কখনোই জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের উত্থান হবে না। ২০১৬ সালের এই দিনে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। এ ঘটনায় বিদেশি নাগরিকসহ পুলিশের দুই কর্মকর্তা নিহত হয়েছিলেন। এর পরবর্তীতে র্যাব ও পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে। অনেক জঙ্গি আস্তানা ধ্বংস করতে র্যাব ও পুলিশ সক্ষম হয়েছে। অনেক জঙ্গিকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে এখন নিরাপদ একটি দেশে।
র্যাবের মহাপরিচালক আরও বলেন, র্যাব সূচনালগ্ন থেকে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে। জঙ্গিবাদের বিষয়ে র্যাবের নজরদারি রয়েছে। র্যাব এখন একটি আধুনিক এবং পেশাদার বাহিনী। ভবিষ্যতেও এদেশে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ এদেশে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। র্যাবের সেই সক্ষমতা আছে।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবসে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা সাভারের জাতীয় স্মৃতি সৌধে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এ সময় পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ৫৪তম বিজয় দিবস উদযাপন করেন।
উভয় নেতা আজ সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তাঁরা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রর্দশন করে এবং বিউগলে করুণ সুর বেজে উঠে।
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা এবং পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট সেখানে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিক, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজয় দিবস উপলক্ষে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার
(২৮ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন
মন্ত্রণালয়ের ছুটি ঘোষণার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য
ডিফরেন্স মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশন্স’র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশে ৩৭ নম্বর ক্রমিকে
দেওয়া ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদা মোতাবেক দ্বাদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৭ জানুয়ারি (রোববার) সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত
ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে
সারাদেশে নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
তার আগে ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নৌপরিবহন
মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম
সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার কোনো উন্নয়ন কাজ বন্ধ করেনি, করবেও না।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুইদিনের
বিশেষ সফরে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি একথা বলেন।
উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন,
অনেকেই মনে করেছিলেন কী না কী হয়, প্রকল্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে আমরা কোনো কাজ
বন্ধ করিনি। অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো প্রকল্প গ্রহণ করবে না। বাংলাদেশ সরকার বিদেশ থেকে যেসব পণ্য
আমদানি করে, তার মধ্যে থেকে ২০-৩০ শতাংশ পায়রা বন্দরের মাধ্যমে করা যায় কি না, সে বিষয়ে
পদক্ষেপ নিতে হবে। তা করতে পারলে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের চাপ কমবে। পায়রা সমুদ্র
বন্দরে যেসব প্রকল্প চলমান রয়েছে, সেগুলো নিজস্ব গতিতেই চলবে। এছাড়া বন্দরের সার্বিক
উন্নয়ন এবং অগ্রগতির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


রংপুরের
পীরগঞ্জ উপজেলায় চলন্ত অটোরিকশার ওপর রাস্তার পাশের একটি ইউক্যালিপটাসগাছ ভেঙে পড়ে
চালক মারা গেছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার এক নারী যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে
১০টার দিকে উপজেলার খালাশপীর–কাচদহ সেতু সড়কের টিওরমারী ব্রিজ-সংলগ্ন
এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
ব্যক্তি হলেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ভোটারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবদুর গফুর মিয়া
(৫৫)। আহত নারী যাত্রীকে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
ভর্তি করেছেন।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাচদহ সেতু এলাকা থেকে খালাশপীরের দিকে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিলেন
অটোরিকশাচালক আবদুর গফুর মিয়া। পথে টিওরমারী সেতু–সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে রাস্তার পাশে
দাঁড়িয়ে থাকা একটি ইউক্যালিপটাসগাছ হঠাৎ ভেঙে অটোরিকশার সামনের অংশের ওপর আছড়ে পড়ে।
এতে গাছের আঘাত ও অটোরিকশার ভাঙা কাচের আঘাতে ঘটনাস্থলেই চালকের মৃত্যু হয়। এ সময় অটোরিকশায়
থাকা এক নারী যাত্রী আহত হন।
দুর্ঘটনার
পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত যাত্রীকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা–পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে
পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন এবং সড়ক থেকে গাছ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
পীরগঞ্জ
ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার নাজমুল সরকার জানান, নিহত চালকের মরদেহ পীরগঞ্জ
থানা–পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজমুল হক বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া
শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি।
সেপকসের পৃষ্ঠপোষক, লেডিস ক্লাব ও চিলড্রেন ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সারাহনাজ কমলিকা জামান আজ জলসিঁড়ি এলাকার শেখ রাসেল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে প্রধান অতিথি থেকে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সেপকসের এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও, এ ধরনের মানবিক কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদানের জন্য সংগঠনের সকল সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, সেপকসের বিভিন্ন আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক শাখাসমূহের মাধ্যমে দেশব্যাপী শীতার্ত গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।
শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সেনাসদরে কর্মরত ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের সহধর্মিনীগণ, সেপকস ঢাকা অঞ্চলের সভানেত্রী, সেপকস ঢাকা অঞ্চলের পরিচালনা পর্ষদের সকল সদস্যগণ, অফিসারগণ; অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যগণ; বেসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ ।
মন্তব্য করুন