

চপস্টিক
দিয়ে ১ মিনিটে ৩৭টি
ভাত খেয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন ২৪ বছর বয়সী
বাংলাদেশি তরুণী সুমাইয়া খান। ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম লেখাতে পেরে সুমাইয়া খুব খুশি।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের নিয়ম ছিল, প্রতিবার কেবল ১টি করে ভাতের দানাই মুখে তোলা যাবে। চপস্টিকে একটির বেশি ভাত তুললেই রেকর্ড করার প্রয়াস বাতিল বলে গণ্য হবে।
এর আগে বাংলাদেশের আরেক তরুণী নুসরাত জাহান নিপা এক মিনিটে চপস্টিক দিয়ে ২৭টি ভাত খেয়ে রেকর্ড করেছিলেন।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে সুমাইয়া বলেন, এটা অবিশ্বাস্য। দারুণ অনুভূতি। আর আমার আশপাশের সবাই আমাকে নিয়ে গর্বিত। এটা আসলেই দুর্দান্ত। আমি সম্মানিত, আনন্দিত। রামেন আমার খুবই পছন্দের খাবার। কোরিয়ান সংস্কৃতিও আমাকে খুব টানে। ফলে আমার সঙ্গে সব সময় চপস্টিক রাখতে শুরু করি। এর পর থেকে প্রায় সব ধরনের খাবার খাই চপস্টিক দিয়ে। আর যেহেতু আমি বাংলাদেশি, তাই ভাত খাই প্রতিদিনই।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, এখন প্রধান
চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) সচিবালয় নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এ কথা জানান।
এর
আগে তিনি জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো আইনশৃঙ্খলা, যত দ্রুত সম্ভব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি
করা যায়। আমি কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রয়েছি, সেখানে আমার লক্ষ্য কীভাবে উৎপাদন
বাড়িয়ে লোকজনকে খাওয়াতে পারি বেশি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আরও বলেন, জাতিসংঘ থেকে যে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন আসার কথা, সেটা তারা পাঠাবে।
সেক্ষেত্রে তারা আমাদেরকে কোন ধরনের সহযোগিতা করবে, আমরা কোন ধরনের সহযোগিতা চাই-
এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মেশিন আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে
আসতে পারে।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্ত করেছেন।
একই সঙ্গে ১০ টাকা মূল্যমানের উদ্বোধনী খাম ও ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ডও অবমুক্ত করেন তিনি।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এগুলো অবমুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান ও ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস.এম. শাহাবুদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম প্রধান উপদেষ্টাকে একটি স্মারক ডাক বাক্স ও ‘ন্যাচারাল বিউটি অ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ’শীর্ষক একট বই উপহার দেন।
মন্তব্য করুন


ছোটপর্দার
আলোচিত অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন তানিয়া বৃষ্টি। গত কয়েক মাস ধরেই তার শারীরিক
অবস্থা খারাপ। এরইমধ্যে হঠাৎ তার অসুস্থতা ও মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন
হয়ে পড়েছেন তার ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা। বিষয়টি জানতে পেরে গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে ভালো
আছেন বলে জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী।
মঙ্গলবার
(৯ জুন) দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে তানিয়া বৃষ্টি জানিয়েছেন, জীবিত আছেন তিনি, ভালো
আছেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাসায় থেকে বিশ্রামে আছেন। বলেন, ‘মহান আল্লাহর
রহমতে ভালো আছি। বাসাতেই আছি আমি। পরিপূর্ণ বিশ্রামে আছি।’
তানিয়া
বৃষ্টি জানান-এখন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আছেন। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চেকআপও করাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ডাক্তার রয়েছেন, সেখানে নিয়মিত চেকআপ করাতে হয়। আমি
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী চলছি।’
আগামী
২০ জুন কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হবে। এ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন
তানিয়া বৃষ্টি। তিনি বলেন, ‘দুটি সার্জারি হয়েছে, তৃতীয় সার্জারি করাতে কিছুটা সময়
লাগবে। মাথায় নতুন করে কোনো জটিলতা যেন না হয়, এ কারণে বাসায় বেশি থাকি। এখন খুব একটা
বাইরে বের হই না।’
এর
আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এ অভিনেত্রী। পরে জানা
যায়, মস্তিষ্কে টিউমার শনাক্ত হয়েছে। ওই মাসেই অস্ত্রোপচার করে টিউমার অপসারণ করা হয়।
তারপর থেকে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
তারপর
গত ৯ মার্চ ভারতের চেন্নাইয়ে যান উন্নত চিকিৎসার জন্য। সেখান থেকে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে
দেশে ফেরেন। এরপর থেকে বাসায় বিশ্রামে রয়েছেন।
এ
অভিনেত্রী ওই সময় দেশে ফেরার পর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক
আরও একটি অস্ত্রোপচার করাতে হবে। কিন্তু সেটি এখনই করা যাবে না। এ জন্য কিছুটা সময়ের
প্রয়োজন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তৃতীয় সার্জারিও করাতে হবে। যেহেতু কিছুটা সময় লাগবে,
তাই এখন বিশ্রামে থেকে সেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
প্রসঙ্গত,
ছোটপর্দায় নিয়মিত অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তানিয়া বৃষ্টি। ২০১৫
সালে ‘ঘাসফুল’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয়। পরে ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত
‘গোয়েন্দাগিরি’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন এ অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোয়ালবাতান এলাকায় বাস, ট্রাক ও পিকআপের ত্রিমুখী
সংঘর্ষে নাসির উদ্দিন নামের এক পিকআপ চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পিকআপের হেলপার গুরুতর
আহত হয়েছেন।
শনিবার
(২৩ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইওয়ে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে আশুলিয়া থেকে কারখানার মালামাল বোঝাই করে
একটি পিকআপ টাঙ্গাইলের গোড়াই এলাকার দিকে যাচ্ছিল। পথে কালিয়াকৈর উপজেলার গোয়ালবাতান
এলাকায় পৌঁছালে সামনে থাকা একটি ট্রাক হঠাৎ গতি কমিয়ে দেয়। এ সময় পেছন থেকে পিকআপটি
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। ঠিক একই সময়ে সিরাজগঞ্জ পরিবহনের একটি
যাত্রীবাহী বাস এসে আবার পিকআপটির পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে।
এই
ত্রিমুখী সংঘর্ষে পিকআপের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপ চালক
নাসির উদ্দিনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন পিকআপের হেলপার। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত
এগিয়ে এসে আহত হেলপারকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে বাসের কোনো
যাত্রী হতাহত হননি।
দুর্ঘটনার
পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ওই অংশে প্রায় আধা ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে এবং
তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সালনা কোনাবাড়ী হাইওয়ে থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে
পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো সরিয়ে নিলে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কোনাবাড়ী
হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল করিম জানান, নিহত চালকের মরদেহ উদ্ধার করে
ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো
হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি মামলা
দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


জুলাই
শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস
আলম বলেছেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেমগুলোর জন্য বিগত ১৬ বছরে মানুষ বিরক্ত হতে হতে দেয়ালে
পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ১৬ বছরে সবচেয়ে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল
নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচন কমিশন সংস্কার না করলে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা
যাবে না। শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য ২ হাজার মানুষ জীবন দেয়নি আর এ অভ্যুত্থানও হয়নি।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের
হাতে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক
সারজিস আলম বলেন, আমরা বলছি না রাষ্ট্রের সবকিছু সংস্কার করে নির্বাচনে যান। আমরা এটাও
বলছি না আগামী ৫-৬ বছর সংস্কার করেন। কিন্তু সংস্কারের জন্য ন্যূনতম একটা যৌক্তিক সময়
লাগবে। কোনো বিবেকবান মানুষ তার জায়গা থেকে চিন্তা করতে পারবে না যে এক বছরের মধ্যে
সবকিছু সংস্কার হয়ে যাবে। ১৬ বছর ধরে যে সিস্টেমগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করা হয়েছে,
সেই সিস্টেমগুলোকে সংস্কার করতে একটা যৌক্তিক সময় প্রয়োজন। বিগত ১৬ বছর এমনকি ৫৩ বছর
ধরে বাংলাদেশের সংবিধান পাঁচ বছরের জন্য দেশের মানুষকে একটি ‘জনতার সরকার’উপহার দিতে পারেনি।
আমাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে পারেনি। সেই সাংবিধানিক সংস্কারও প্রয়োজন। প্রত্যেক পাঁচ বছরের জন্য বড় বড় ইশতেহার দিয়ে
প্রতিটি সরকার ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরপরই তারা ইশতেহার ভুলে যায়। তারা
ভুলে যায় তারা যে জনতার সরকার। শুধু একটা নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে পারে
না। এর পাশাপাশি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান জড়িত। এর মধ্যে অন্যতম হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
একটা সিস্টেমের মধ্যে আনতে হবে। তা না হলে নির্বাচন দিলে আবার জবরদখলের ঘটনা ঘটতে পারে।
ক্ষমতার অপব্যবহার হতে পারে। আবার এ নির্বাচন ঘিরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সেজন্য একটা
বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন। তাই বিচার ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন।
শহীদ
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চেক বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা দেশ থেকে প্রায় ১ হাজার
৬০০ জনের বেশি শহীদ পরিবারের তালিকা আমাদের কাছে এসেছে। আপাতত যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিতদের
পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রতিটি বিভাগীয় পর্যায়ে গিয়ে
শহীদের পরিবারের হাতে অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছি। এটা আমাদের দায়িত্ব। বাকি যারা রয়েছেন
তাদের কাগজপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে। সেগুলো হাতে পেলে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হবে।
চেক
বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
মন্তব্য করুন


রাজবাড়ীর
কালুখালীতে নিখোঁজের পরদিন হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি পাটক্ষেত থেকে আসাদুল ইসলাম
(২৫) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যার পর তার লাশ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার
চেষ্টা করা হয়।
সোমবার
(১৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বিলমানুষমারি গ্রামের সূর্যদিয়া
মাদ্রাসার পাশের পাটক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে কালুখালী থানা পুলিশ।
এর
আগে রোববার রাত ১০ টার দিকে আসাদুল ইসলামের নিখোঁজের বিষয়টি থানায় অবগত করেন তার পরিবার।
আসাদুল
ইসলাম মদাপুর ইউনিয়নের বিলমানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মন্ডলের ছেলে। তিনি বালিয়াকান্দির
মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় কর্মী বলে দাবি
করেছেন জেলা জামায়াতে অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম।
জানা
গেছে, রোববার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হন আসাদুল ইসলাম। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে খোঁজাখুঁজি
করে সন্ধান না পেয়ে রাত ১০ টার দিকে স্থানীয় থানা পুলিশকে নিখোঁজের বিষয়টি অবগত করে
তার পরিবার।
সোমবার
সকাল সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পাংশা
সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার বলেন, সকালে পাটক্ষেতে থেকে নিখোঁজ হওয়া
আসাদুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আসাদুলকে হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা
হয়েছে। আসাদুলের লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
হত্যার কারণ উদঘাটন ও এরসঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
রাজবাড়ী
জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম বলেন, আসাদুল মদাপুর ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সেক্রেটারি ছিলেন। গতকাল বিকেলে সোনাপুর
হাটে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অবহিত করা
হয়। আজ সকালে একটি পাটক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে আমরা খুব উদ্বিগ্ন।
মন্তব্য করুন




সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শোক বার্তায় তিনি বলেন, জাতি একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় রাজনীতিবিদকে হারালো।
আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান- জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।
বার্তায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি শোক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। চিকিৎসক ও জনসেবক হিসেবে বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সুদীর্ঘ ও বহুল সম্মানিত কর্মজীবনের কথা স্মরণ করেন তিনি।
ডা. বদরুদ্দোজা দেশের একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক হিসেবে সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিটিভিতে তার ‘আমার ডাক্তার’ অনুষ্ঠানটি কোটি দর্শকের কাছে জনপ্রিয় ছিল।
‘রাজনীতিতেও একই নিষ্ঠা নিয়ে এসেছিলেন ডা. বদরুদ্দোজা। পাঁচবারের সংসদ সদস্য হিসেবে নব্বইয়ের দশকে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। সংসদে তার বক্তব্য সব মতের রাজনীতিবিদদের কাছে প্রশংসনীয় ছিল,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন।
ডা. বদরুদ্দোজা প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী হিসেবে দেশের সেবা করেছেন। তিনি তার উদারতার জন্য সুপরিচিত ছিলেন।
ডা. বদরুদ্দোজার জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে সবাইকে জনগণ ও গণতন্ত্রের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী তার মন্ত্রণালয়ের
কর্মকর্তাদের আইন মেনে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ
সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক
মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কাজ করতে গেলে
ভুল হতে পারে। কিন্তু ইচ্ছাকৃত ভুল করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি এ সময় সবাইকে মিলেমিশে
আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেন, যেসব কর্মকর্তা সত্যিকার অর্থেই বঞ্চিত
ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের বিষয়ে বিবেচনা করা হবে। কিন্তু দুর্নীতির কারণে বঞ্চিত
হলে তা আমলে নেয়া হবে না।
মতবিনিময়
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মশিউর রহমান,
জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন, জননিরাপত্তা বিভাগের সদ্য বিদায়ী
সিনিয়র সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. ময়নুল ইসলামসহ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধান ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন
পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর
আগে স্বরাষ্ট্র ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছলে মন্ত্রণালয়ের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান। এরপর উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান
করা হয়।
মন্তব্য করুন


গভীর
গর্ত বা নলকূপে পড়ে যাওয়া শিশুদের দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধারের জন্য একটি বিশেষ খাঁচা
উদ্ভাবন করেছেন নাটোরের কৃষক তারা মিয়া। সম্পূর্ণ নিজস্ব ভাবনা থেকে তৈরি করা এই উদ্ভাবনী
যন্ত্রটির কার্যকারিতা সম্প্রতি পর্যবেক্ষণ করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের
মহাপরিচালকও।
গত
রবিবার (৭ জুন) নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস
ট্রেনিং গ্রাউন্ডে এর একটি সফল প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস ও
সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালসহ
অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে এই মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।
প্রদর্শনীর
অংশ হিসেবে ট্রেনিং গ্রাউন্ডে কৃত্রিমভাবে ৪০ ফুট গভীর একটি গর্ত তৈরি করে সেখানে ১৫
কেজি ওজনের একটি শিশুর ডামি ফেলা হয়। এরপর কৃষক তারা মিয়া তার উদ্ভাবিত খাঁচার সাহায্যে
অত্যন্ত সফলভাবে ডামিটি উদ্ধার করে দেখান। মূলত একটি সুতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত বিশেষ
লক সিস্টেম ব্যবহার করে এই খাঁচাটি গর্তে আটকে পড়া ভিকটিমকে নিরাপদে টেনে তুলতে সক্ষম।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই উদ্ভাবনের খবর ফায়ার সার্ভিসের
মহাপরিচালকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি রাজশাহীর বিভাগীয় উপপরিচালকের মাধ্যমে তারা মিয়াকে
এই প্রদর্শনীর জন্য আমন্ত্রণ জানান। পেশায় কৃষক হয়েও এমন একটি মানবিক ও কারিগরি উদ্যোগ
নেওয়ার পেছনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন তারা মিয়া। তিনি জানান, ২০২৫ সালে রাজশাহীর
তানোরে গর্তে পড়ে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। সেই ঘটনার
পর থেকেই তিনি এমন একটি যন্ত্র তৈরির কথা ভাবতে শুরু করেন, যার মাধ্যমে উদ্ধারকারীদের
জটিলতা কমিয়ে দ্রুততার সঙ্গে শিশুদের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়। নিজের এই সাধারণ উদ্ভাবনটি
ফায়ার সার্ভিসের মতো একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মূল্যায়ন করায় তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করেন।
কৃষক
তারা মিয়ার এই অনন্য ও সময়োপযোগী উদ্ভাবনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ফায়ার সার্ভিস
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, খাঁচাটির কারিগরি
দিকগুলো বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে আরও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সংস্কার
ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে এটিকে ভবিষ্যতে ফায়ার সার্ভিসের নিয়মিত উদ্ধারকাজের উপযোগী
ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন