

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি
সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইব্রাহিম মাসুম (২৭) নামের ছাত্রদলের এক নেতা গুলিবিদ্ধ
হন। আহত হন আরও ৬ জন।
ছাত্রদলের আহত নেতা
ইব্রাহিম মাসুমকে নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৯
অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত উপজেলার আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের মহেশপুর
ও কাচিহাটা সর্দার দিঘির পাড় এলাকায় কয়েক দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ হয়। খবর
পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশপুরে
জামায়াতের সমর্থক মো. সোহেলকে (৪০) ছাত্রদলের একদল কর্মী মারধর করেন। এ ঘটনার পর বিকালে
শিবির কর্মী মো. রাশেদের ওপরও হামলা চালান ছাত্রদলের কর্মীরা। এর জেরে শিবিরের একদল
কর্মী ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচিহাটা সর্দার দিঘির পাড় এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের
ওপর হামলা চালান। এ সময় কয়েকটি গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ছাত্রদলের
ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মাসুম পায়ে গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হন।
আমানউল্যাহপুর ইউনিয়ন
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মাসুম জানান, দুপুরের দিকে একই এলাকার মো: সোহেলকে
ইয়াবা সেবনকালে ছাত্রদলের কয়েকজন হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় এলাকার মুরব্বিরা তাকে হালকা
মারধর করে তার পরিবারের কাছে সোপর্দ করেন। সোহেল একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন।
গত ৫ আগস্টের পর তিনি স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের লোকজনের সঙ্গে চলাফেরা করেন। যে কারণে
জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা তার পক্ষ হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অতর্কিত ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের
ওপর হামলা চালান।
বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের
আমির আবু জাহের জানান, ছাত্রদলের কর্মীরা ৫ আগস্টের পর থেকে আমানউল্যাহপুরে আমাদের
অনেক নেতাকর্মীকে মারধর করেছেন। আজ বিনা কারণে মারধর করা হয় জামায়াতের সমর্থক মো. সোহেল
ও শিবির কর্মী মো. রাশেদকে (২৪)। হামলায় রাশেদ অচেতন হয়ে যান। আমাদের কর্মীরা যখন রাশেদের
চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত, তখন তৃতীয় কোনো একটি পক্ষ ছাত্রদলের নেতা মাসুমের ওপর হামলা করে।
তবে তারা শিবিরের কিনা, আমি এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান জানান, আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের কাচিহাটা বাজারে দুর্বৃত্তদের
হামলায় ছাত্রদলের একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা শুনেছি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো
হয়েছে। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা
নেওয়া হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে বেশ কিছু
অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে ধানমন্ডি
৩২ নম্বরে। সেখানে শোক জানাতে যাওয়া
ব্যক্তিদের ফোন চেক ও
তাদের মারধর করার মতো অভিযোগও
রয়েছে। এছাড়াও এক ব্যক্তিকে প্রায়
নগ্ন করে নাচতে বাধ্য
করার একটি ভিডিও ভাইরাল
হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
এসব
অপ্রীতিকর ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেউ জড়িত কি
না সে বিষয়ে তদন্ত
করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এর
সমন্বয়ক সারজিস আলম।
শুক্রবার
(১৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর
একুশে হলে ১৫ আগস্টের
বিভিন্ন ঘটনা ও সমসাময়িক
ইস্যুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
সারজিস
বলেন, ১৫ আগস্ট রাজধানীর
ধানমন্ডি ৩২ সহ বিভিন্ন
জায়গায় কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা
ঘটেছে, যা আমাদের গণ
অভ্যুত্থানের স্পিরিটের সাথে যায় না।
তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
বাসভবনে শোক প্রকাশে ঘটে
যাওয়া বিতর্কিত কাজ নিয়ে তদন্ত
করা হচ্ছে। ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে
মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। কেউ যদি ১৫
আগস্ট ধানমন্ডিতে ফুল দিতে চায়
তাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাধা দিতে পারে
না। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর গাড়িতে হামলার অধিকার কারও নেই। তাই
এসবের সঙ্গে সমন্বয়ক বা অন্য কেউ
জড়িত থাকলে বহিষ্কার এবং ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস বলেন, ২০১৩ সালে আওয়ামী
লীগ পুলিশের মাধ্যমে হেজাফতে ইসলামের সমাবেশের সময় কান ধরে
ওঠবস করানোর সংস্কৃতি শুরু করেছিল। তবে
গতকাল ১৫ আগস্ট কান
ধরে ওঠবস করানো ও
মোবাইল চেক করাসহ ঘটে
যাওয়া কিছু কাজ বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। আমরা ১৫
আগস্ট রাষ্ট্রীয় আয়োজনে শোক দিবস পালনের
পক্ষে না। তবে কেউ
ব্যক্তিগতভাবে শোক প্রকাশ করতে
চাইলে তাকে সম্মান জানাতে
হবে।
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


মহান
স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে রচিত ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর
রহমান’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
বৃহস্পতিবার
(২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত
এক অনুষ্ঠানে গ্রন্থটির তিন খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি।
বিশিষ্ট
গবেষক ও লেখক কালাম ফয়েজী রচিত এই গ্রন্থে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র
পরিচালনা, দূরদর্শী নেতৃত্ব, উন্নয়ন ভাবনা এবং জাতীয় জীবনে তার বহুমাত্রিক অবদান বিশদভাবে
তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান
বলেছেন, লেখাপড়া করে মেধার ভিত্তিতে যেমন ডাক্তার, প্রকৌশলী, অর্কিটেক্ট হতে হবে তেমনি
পেশাদার খেলোয়াড় কিংবা শিল্পী তৈরী করতে হবে। কারণ,একজন পেশাদার খেলোয়াড় কিংবা শিল্পীও
তার পেশার মাধ্যমে পরিবারকে সাহায্য করতে পারেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) লালমনিরহাটের
বড়বাড়ীতে শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪’র ফাইনাল ম্যাচে লন্ডন থেকে ভার্চুয়াল
প্লাটফর্মে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এটি ছিল ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল
টুর্নামেন্ট’র
৬ষ্ঠ তম আসর।
তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ স্বৈরাচার
বিদায় করেছে। এখন দেশ গড়ার পালা। এ প্রত্যয় নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এজন্য আমাদের
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশ গড়তে আমরা ৩১ দফা দিয়েছি। দেশকে নিয়ে এখনো ষড়যন্ত্র
হচ্ছে। আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
আগামীদিনে পেশাদার খেলোয়াড় তৈরী করতে
হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর পাশপাশি ভাল সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও শিল্পী তৈরির কাজ
করতে হবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে জনপ্রিয় খেলাগুলো বাছাই করে আমরা দেশের তরুণ সমাজের
মধ্যে থেকে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি করবো। বাইরের দেশের খেলোয়াড়ের উপর নির্ভরশীলতা
কমাতে হবে। সবকিছু হবে সরকারিভাবে।
এ প্রসঙ্গে, উদাহরণ হিসেবে শহিদ জিয়ার
আমলের ‘নতুন কুড়ি’
অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ওই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভাল সাংস্কৃতিক
ব্যক্তিত্ব এবং ভাল শিল্পী বের করে আনা। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী
বেবী নাজনীন ‘নতুন কুড়ি’-ই
ফসল।
তিনি বলেন, ‘ঠিক একইভাবে ভাল খেলোয়াড়
বের করে আনতে আমাদেরকে ৮ থেকে ১০ টি খেলা পছন্দ করে এসব খেলার ওপর জোর গুরুত্ব দিতে
হবে। যিনি যে ধরণের খেলায় ভাল করবেন, তাদেরকে সেই খেলায় পারদর্শী করে তুলতে হবে। যাতে
করে আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলোতে আমাদের খোলোয়াড়রাও ভাল ফলাফল বয়ে আনতে পারে।’
বিএনপি’ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যার বলেন,‘জনগণের ভোটে যদি ক্ষমতায় আসতে
পারি তাহলে আমরা সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাজের সাথে-সাথে খেলাধুলা
ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ওপরও জোর দেব। মেধাবী ডাক্তার, প্রকৌশলী, আর্কিটেক্ট বানানোর
পাশাপাশি ভালো রাজনীতিবিদ, ভালো খেলোয়াড় ও শিল্পী তৈরী করতে পারি সেই চেষ্টা করবো।
তারেক রহমান আরও বলেন, যে ব্যক্তি যে
বিষয়ে মেধাবী, তার মেধাকে মূল্যায়ন করে সেই বিষয়ে দক্ষ করে তোলা হবে। সবাইকে নিয়ে নতুন
বাংলাদেশ তৈরি করবে বিএনপি।
‘আমরা যদি বিভিন্ন খেলায় পেশাদার খেলোয়াড়
এবং ভালো সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিল্পী তৈরী করতে পারি’ তাহলে ওইসব ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা হবে বলেও
তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, লালমনিরহাটের বড়বাড়ি শহীদ
আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে গত ১২ নভেম্বর শুরু হয় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট। বিএনপির
রংপুর বিভাগের ১০টি সাংগঠনিক দল এতে অংশগ্রহণ করে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় পঞ্চগড় বিএনপি
একাদশ ও রংপুর মহানগর বিএনপি একাদশ’র
মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। টাইব্রেকারে এক শূন্য গোলে পঞ্চগড় জেলা বিএনপি একাদশ
বিজয় লাভ করে।
‘শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪’র ফাইনাল ম্যাচ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি’র
জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাস। অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন বিএনপি’র
রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পদক আসাদুল হাবিব দুলু।
অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী
এ্যানি, কেন্দ্রীয় নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদ ও ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান অনুষ্ঠানে
বক্তৃতা করেন ।
মন্তব্য করুন


মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে
কেন্দ্র করে কোরবানির পশু পালন এখন প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের বছরের অন্যতম বড় আয়ের
উৎসে পরিণত হয়েছে।
আজ
মঙ্গলবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউরা পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে
মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রাণিসম্পদ
মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু পালন ও বিক্রির মাধ্যমে দেশের লাখো পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত
হচ্ছে। ধীরে ধীরে এই খাত শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকা-ে রূপ নিচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতেও
গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ
কোরবানির আয়োজন। এই ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষক ও খামারিরা এক থেকে
দুই বছর ধরে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ লালন-পালন করে বাজারজাত করেন। ফলে কোরবানির মৌসুম
প্রান্তিক খামারিদের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
মন্ত্রী
বলেন, সরকার প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা
করছে। গবাদিপশু পালন সম্প্রসারণে প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা ও খামারভিত্তিক উৎপাদন
বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশে বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের প্রবণতা বাড়ছে
এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি আরও গতিশীল হচ্ছে।
কোরবানির
পশুর হাটে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রাণিসম্পদ
বিভাগের সমন্বয়ে নিবিড় নজরদারি চলছে। হাটগুলো পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
নেওয়া হয়েছে।
তিনি
জানান, প্রতিটি পশুর হাটে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম দায়িত্ব পালন করছে। তারা পশুর স্বাস্থ্য
পরীক্ষা, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করছেন। একইসঙ্গে খামারি ও ব্যাপারিদের সেবা
নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন।
মন্ত্রী
বলেন, চাঁদাবাজি, অনিরাপত্তা কিংবা অব্যবস্থাপনা নিয়ে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযোগ
পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কোরবানির সময় জাল নোটের ঝুঁকি
মোকাবিলায় বিভিন্ন পশুর হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে ক্রেতা
ও বিক্রেতারা নিরাপদে লেনদেন করতে পারেন।
তিনি
আরও বলেন, ঈদের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে থেকে পশুর হাট পরিস্থিতি তদারকি অব্যাহত
থাকবে, যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারেন।
এ
সময় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
মো. সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ
কর্মকর্তা ডা. মো. মাহে আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ
সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি
ক্রিস্টেনসেন।
বুধবার
(৩ জুন) দুপুরে ‘ইউএস অ্যাম্বাসি ঢাকা’র ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে
রাষ্ট্রদূত এ শুভেচ্ছা জানান।
একটি
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে সাইপ্রাসের প্রার্থীকে পরাজিত করে জাতিসংঘ সাধারণ
পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। গোপন
ব্যালটের মাধ্যমে কাস্টিং হওয়া ১৯০টি ভোটের মধ্যে বাংলাদেশ পায় ৯৯টি ভোট ও সাইপ্রাস
পায় ৯১টি ভোট।
এই
নির্বাচনকে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। বহুপাক্ষিক
বিশ্বমঞ্চে দেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ও অংশগ্রহণের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার
প্রতিফলন এটি।
আগামী
সেপ্টেম্বরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ড. খলিলুর রহমান বিশ্বের
সবচেয়ে প্রতিনিধিত্বশীল এই বহুপাক্ষিক সংস্থার সভাপতিত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য অঞ্চলে হামলায় কারা জড়িত তাদের
বের করতে শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ।
ভূমি উপদেষ্টা বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে
সম্প্রীতি নষ্ট করতে বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যারা এসব হামলা চালিয়েছে তারা
কোত্থেকে এসেছে কেউ জানে না।
রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ের
স্থানীয় সরকার বিভাগ কার্যালয়ে মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য এফেয়ার্স হেলেন লাফেইভের
নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে
দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বিশদ আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপদেষ্টা হাসান আরিফ বলেন, আমরা
ছাত্র-জনতা-শ্রমিকের ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছি। দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা
করতে আমরা কাজ করছি। বাংলাদেশে এমন একটা পরিবেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু
নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চায় ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রণালয়গুলো ব্যক্তি নির্ভর হওয়া উচিত না, সিস্টেম নির্ভর হওয়া উচিত। এমন একটা সিস্টেম
প্রতিষ্ঠিত করতে হবে যাতে মন্ত্রী হিসেবে যে ব্যক্তিই আসনে অধিষ্ঠিত হোক না কেন, সিস্টেমের
কোনো ব্যত্যয় না ঘটে।
মন্তব্য করুন


গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র
থেমে নেই বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর
নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি
যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চেনার দিন। তেমনি ২০২৪
সালের ৫ আগস্ট ছিল শত্রু চিহ্নিত করার দিন। বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকলে
আর কেউ দেশের স্বাধীনতাকে বিপন্ন করতে পারবে না। রাজধানী ঢাকার রাজপথে আজ লাখো জনতার
মিছিল। দেশের পক্ষের শক্তিকে ৭ নভেম্বরের অন্তর্নিহিত শিক্ষায় দীক্ষিত করার মিছিল আজ।
লাখো জনতার আজকের এ মিছিল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আহত অসংখ্য ছাত্র-জনতা এবং হাজারো
শহীদের স্বপ্নের একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ী মিছিল।
বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী অপশক্তি জেনে রাখুক, রাজধানীর রাজপথে আজ কারো বিরুদ্ধে প্রতিবাদের
ঝড় তোলার মিছিল নয় বরং বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার মিছিল। নিজের ভোট প্রয়োগের অধিকার
আদায়ের মিছিল। বাংলাদেশে আর কখনো যেন ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচার ফিরে আসতে না পারে, সেজন্য
প্রত্যেক নাগরিকের সরাসরি ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সক্ষমতা অর্জন জরুরি। স্থানীয় সরকার থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নির্বাচিত
হতে ইচ্ছুক জনপ্রতিনিধিদের যতক্ষণ জনগণের ভোটের প্রতি মুখাপেক্ষী না করা যায়, ততক্ষণ
পর্যন্ত জনগণ গণতন্ত্রের সুফল পাবে না। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ মুক্ত করে যতক্ষণ পর্যন্ত
জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে না আনা যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত জনগণ গণতন্ত্রের সুফল পাবে না।
গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশে-বিদেশে, প্রশাসনে তারা চক্রান্ত
চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর দুষ্কৃতকারীদের হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী।
একই সঙ্গে শক্তিশালী কমিশন গঠনের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে হামলার বিচারও দাবি করেছে সংগঠনটি।
সোমবার (১২ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কার্যালয়ে আয়োজিত হিন্দু-বৌদ্ধসহ ভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জামায়াতের পক্ষ থেকে এসব দাবি উপস্থাপন করেন দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, হিন্দুদের সুরক্ষায় জামায়াত দুটি দাবি নিয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথম দাবি হলো: রাষ্ট্রীয়ভাবে হিন্দু সম্প্রদায়কে সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো একটা দল বা কোনো একটা লোক দাড়ি-টুপি পরে লাঠি হাতে মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকাটা খুবই বেমানান দেখায়। আমরা মনে করি এখন যেহেতু সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজে ফিরেছে, এখন সরকারের উদ্যোগে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। আমাদের দ্বিতীয় দাবি হলো: স্বাধীন কমিশন করে হিন্দুদের ওপর হামলা-নির্যাতনের বিচার দাবি জামায়াতের। জামায়াতে ইসলামীকে হিন্দুবিদ্বেষী দল বলে ধারণা করা হয়। এটা এক ধরনের অপপ্রচার ছাড়া কিছুই না। পাশাপাশি হিন্দুদের ব্যবহারেও একটি অপপ্রচার দেশে আছে, সেটি হলো হিন্দু মানেই মনে করা হয় আওয়ামী লীগ। জামায়াতকে যেমন হিন্দুবিরোধী অপপ্রচার দেওয়া হয়েছে, তেমনি হিন্দুদেরও আওয়ামী লীগের একটা ট্যাগ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এজন্য হিন্দুদেরও যেমন জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধে কাজ করতে হবে, তেমনি জামায়াতকেও হিন্দু মানেই আওয়ামী লীগ ‘তকমা’ দূরীকরণে কাজ করতে হবে। জামায়াত হিন্দুদের ওপর আঘাতে বিশ্বাস করে না। আঘাত হিন্দু হোক, মুসলমান হোক দুই ধর্মেই নিষিদ্ধ। আমি নিজে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকার এমপি ছিলাম। আমাকে হিন্দুরাও অনেক ভোট দিয়েছিল, তারা আমাদের বিশ্বাস করে। আমাদের ওপর তাদের পুরোপুরি আস্থা আছে। এটা আমার আদর্শিক দায়িত্ব।
হিন্দু-বৌদ্ধসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বাইরেও যদি আপনারা আপনাদের নিরাপত্তায় জামায়াতকে প্রয়োজন মনে করেন, রাত ৩টা বা ৪টা যেকোনো সময়েই আমাদেরকে ফোন করবেন, আমরা আপনাদের পাশে দাঁড়াব।
মন্তব্য করুন


ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালামের ২৩ নভেম্বর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে জানা গেছে,আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পূর্ব অনিয়মের তদন্ত করতে ৩০০ বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধান কমিটি নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রতি জেলার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং সিনিয়র সহকারী জজদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩০০ আসনের জন্য ৩০০ নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি গঠন করল ইসি।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংঘটিত হলে তা অনুসন্ধানপূর্বক তৎমর্মে প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠাবেন এবং সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার ওই অনুসন্ধান প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে পাঠাবেন। এর পর তা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি কর্তৃক দায়িত্ব পালনকালে ০১(এক) জন বেঞ্চ সহকারী/ স্টেনোগ্রাফার/অফিস সহকারীকে সহকারী হিসেবে সঙ্গে নিতে পারবেন।
এদিকে জেলা প্রশাসককে ইসি নির্দেশ দিয়েছে , কমিটির কর্মকর্তাদের চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারে সার্বক্ষণিকভাবে জিপগাড়ি বা মাইক্রোবাস বা স্পিডবোট এবং ক্ষেত্রমতো প্রয়োজনীয় যানবাহন সরবরাহের ব্যাবস্থা রাখার।
একইসঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে নিরাপত্তার স্বার্থে অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর ০২(দুই) জন অস্ত্রধারী সদস্যকে নিয়োগ করার জন্য সব পুলিশ কমিশনার/পুলিশ সুপারকেও নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন