

মাদারীপুরে
পানিছত্র এলাকায় মানিকগঞ্জ আদালতের সিনিয়র সিভিল জজ আতিক জামান এবং তার স্ত্রী মানিকগঞ্জ
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মায়িশা মালিহা অদ্রির গ্রামের
বাড়িতে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রায় ৩২ লাখ টাকার
সম্পদ চুরি হয়েছে।
সোমবার
(৬ জুলাই) শেষ রাতে শহরের পানিছত্র ভূঁইয়া বাড়ি মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার
সূত্রে জানা যায়, জজ আতিক জামানের বাবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মো. আলিমুজ্জামান
অসুস্থতার কারণে পরিবারসহ ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকায় বাড়িটি তালাবদ্ধ ছিল। এই সুযোগে
গভীর রাতে চোরচক্র কোলাপসিবল গেট ও একাধিক দরজার তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। পরে শয়নকক্ষে
থাকা স্টিলের আলমারির লকার ভেঙে প্রায় ১১ ভরি স্বর্ণালংকার, ৪ লাখ ৮০ হাজার নগদ টাকা,
একাধিক মূল্যবান হাতঘড়ি এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ
ছাড়া নির্মাণাধীন ভবনে রাখা বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীও চুরি হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।সোমবার
সকাল ৭টার দিকে বাড়ির ভাড়াটিয়ারা তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পেয়ে মো. আলিমুজ্জামানকে
মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান। পরে তিনি ঢাকা থেকে মাদারীপুরে এসে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষের
তালা ভাঙা, আলমারি তছনছ এবং মালামাল খোয়া যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।খবর পেয়ে
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন
করেন।
তিনি
বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত, গ্রেপ্তার
এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এ
ঘটনায় মো. আলিমুজ্জামান বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা চোরচক্রের বিরুদ্ধে মাদারীপুর সদর মডেল
থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ
জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে
তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার গ্রামের বাড়িতে সংঘটিত
এই চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত চোরচক্রকে
গ্রেপ্তার এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


জন্মনিবন্ধনে মা হিসেবে যার নাম, সমাজে পরিচয়ও যার মেয়ে হিসেবে। কোলে-পিঠে করে বড় করেছেন, নাম লিখিয়েছেন নামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, দিয়েছেন নিজের পরিবারের পরিচয়। কিন্তু ১৫ বছর পর সেই নারীই জানালেন—‘সে আমার মেয়ে নয়’। এরপর শুরু হয় এক কিশোরীর পরিচয় বদলের প্রক্রিয়া। বদলে যায় জন্মনিবন্ধন, সংশোধন হয় শিক্ষাগত নথি, প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে তার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ।
অনুসন্ধানে
জানা গেছে, রাজশাহীর আলোচিত এ ঘটনার পেছনে রয়েছে দত্তক গ্রহণ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব,
উত্তরাধিকার সম্পত্তি এবং আইনি জটিলতার এক বিস্ময়কর গল্প, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে
ক্লাউডিয়া চৌধুরী পায়েল (১৮) নামের এক তরুণীর পরিচয়ের লড়াই।
২০০৮
সালে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিল কার্যালয়ে একটি শিশুর জন্মনিবন্ধন
করা হয়। সেই নিবন্ধনে শিশুটির নাম লেখা হয় ক্লাউডিয়া চৌধুরী পায়েল। মা হিসেবে উল্লেখ
করা হয় রাজশাহীর প্রখ্যাত গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. শিপ্রা চৌধুরীর নাম এবং বাবা হিসেবে লেখা
হয় তার স্বামী ডা. ওবায়দুর রহমানের নাম।
এরপর
থেকে পায়েলের পরিচয় ছিল একেবারেই স্পষ্ট। তিনি ডা. শিপ্রা চৌধুরীর মেয়ে হিসেবেই পরিচিত
ছিলেন পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের কাছে। রাজশাহীর স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা,
অভিজাত পরিবেশে বেড়ে ওঠা, চিকিৎসক মায়ের সঙ্গে দেশ-বিদেশ ভ্রমণ—
সব মিলিয়ে উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের মতোই কেটেছে তার শৈশব ও কৈশোর।
কিন্তু
২০২২ সালের নভেম্বর মাসে এসে সেই পরিচয়ের ভিত্তিটাই যেন ভেঙে পড়ে। পারিবারিক বিভিন্ন
টানাপোড়েনের এক পর্যায়ে ডা. শিপ্রা চৌধুরীর আচরণে পরিবর্তন আসে বলে দাবি করেন পায়েল।
একসময় তাকে জানানো হয়, তিনি আসলে ডা. শিপ্রা চৌধুরীর গর্ভজাত সন্তান নন। বরং তিনি একজন
পালিত সন্তান। শুধু তাই নয়, তাকে আরও বলা হয়, তার প্রকৃত বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ
উপজেলায় এবং তার আসল বাবা একজন রাজমিস্ত্রি।
হঠাৎ
করেই এমন কথা শুনে নিজের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্নের মুখে পড়েন পায়েল। তিনি জাগো নিউজকে
বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকে উনাদের কাছেই বড় হয়েছি। পরিবারের সদস্য বলতে তারাই ছিল আমার
সবকিছু। বাবা আলাদা থাকতেন, ভাইও দেশের বাইরে ছিলেন। ফলে আমার জীবনের কেন্দ্রবিন্দু
ছিলেন মা। কিন্তু একসময় তার আচরণ বদলে যেতে থাকে। পরে তিনি আমাকে বলেন, আমি তার নিজের
মেয়ে নই, আমি পালিত সন্তান। কথাগুলো শুনে আমি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলাম। কারণ এতদিন যে
পরিচয়ে বড় হয়েছি, সেটাই যদি সত্য না হয় তাহলে আমি আসলে কে?’
পায়েলের
দাবি, ‘মৌখিকভাবে সম্পর্ক অস্বীকার করার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকেনি। এরপর তার জন্মনিবন্ধনসহ
বিভিন্ন নথিপত্রে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২৩ সালে তার জন্মনিবন্ধনের তথ্য
সংশোধন করা হয়। পাশাপাশি একাডেমিক কাগজপত্রেও পরিবর্তন আনা হয়। এমনকি ২০১০ সালে নিজের
মেয়ে পরিচয়ে পায়েলের নামে যে জমি দান করা হয়েছিল, সেটি ফেরত চেয়েও মামলা করা হয়।
পায়েল
বলেন, ‘সবচেয়ে অবাক লাগে, যেসব নথি তারাই তৈরি করেছিলেন, সেগুলো কীভাবে পরিবর্তন করা
হলো আমি জানি না। আমার এনআইডি কার্ডে এক তথ্য, জন্মনিবন্ধনে আরেক তথ্য, শিক্ষাগত কাগজপত্রে
আবার ভিন্ন তথ্য। এসব কারণে বিভিন্ন জায়গায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কলেজে ভর্তি হওয়ার
সময়ও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। আমার পড়াশোনার এক বছর নষ্ট হয়ে গেছে। এখনো নানা জায়গায় পরিচয়
প্রমাণ করতে গিয়ে বিপাকে পড়ি।’
রাজশাহী
সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারির
দিকে ডা. শিপ্রা চৌধুরী তাদের অফিসে এসে দাবি করেন, ক্লাউডিয়া চৌধুরী পায়েল তার নিজের
সন্তান নন। তখন তারা জানতে চান, যদি সন্তান না হন তাহলে জন্মনিবন্ধনের সময় কেন মা হিসেবে
স্বাক্ষর করেছিলেন?
তিনি
বলেন, ‘আমরা তাকে বলেছিলাম, আপনি যদি এখন বলেন মেয়েটি আপনার সন্তান নয়, তাহলে আগে যে
তথ্য দিয়েছেন সেটি তো বিভ্রান্তিকর। বিষয়টি আমাদের কাছেও অস্বাভাবিক মনে হয়েছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. শিপ্রা চৌধুরী সরাসরি কথা বলতে রাজি হননি।
তবে
তার পুত্রবধূ শাম্মী এ বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আবেগের বশে এবং কাউকে না জানিয়ে
শাশুড়ি পায়েলকে নিজের মেয়ে পরিচয়ে জন্মনিবন্ধন করিয়েছিলেন। পরে তিনি বুঝতে পারেন যে
এটি আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক হয়নি। দত্তক গ্রহণের কোনো আনুষ্ঠানিক কাগজপত্রও ছিল না।
জন্মনিবন্ধনে আমার শ্বশুরের নাম ব্যবহার করা হয়েছিল অথচ তিনি বিষয়টি জানতেন না। পরে
ভুল বুঝতে পেরে শাশুড়ি নথিপত্র সংশোধনের উদ্যোগ নেন।’
এদিকে
গোপন সূত্রে জানা যায়, ক্লাউডিয়া চৌধুরী পায়েল একটি ছেলেকে ভালোবাসেন। তবে সেই ছেলেকে
পছন্দ নয় ডা. শিপ্রা চৌধুরীর। এজন্যই তিনি পায়েলের আসল পরিচয় বলে দেন।
ঘটনার
আরেকটি নাটকীয় দিক সামনে আসে নতুন জন্মনিবন্ধনে যুক্ত হওয়া মা-বাবার বক্তব্যে। সংশোধিত
নিবন্ধনে পায়েলের বাবা-মা হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বাবুল মিয়া ও টগরী
বেগমের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
তবে
টগরী বেগম দাবি করেন, পায়েল তাদের জৈবিক সন্তান নন।
তিনি
বলেন, ‘এটি সত্য নয়। এলাকার মানুষকে জিজ্ঞেস করলেই বিষয়টি জানতে পারবেন। আমাদের নাম
কীভাবে ব্যবহার করা হলো সেটিও প্রশ্নের বিষয়।’
অন্যদিকে
বাবুল মিয়ার বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় ডা. শিপ্রা চৌধুরী আমার
মেয়েকে নিয়ে যান। তখন বলা হয়েছিল ভবিষ্যতে যেন আমার কোনো দাবি না থাকে। একটি কাগজে
স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল মেয়েটি তাদের পরিচয়েই বড় হবে। এখন এত বছর পর কেন
তাকে অস্বীকার করা হচ্ছে, সেটি আমি বুঝতে পারছি না।’
স্থানীয়
বাসিন্দা আব্দুর রহমানও একই ধরনের তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি ছোটবেলায় ডা.
ম্যাডাম এসে বাচ্চাটি নিয়ে গিয়েছিলেন। তখন বাবুলের পরিবারকে বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতে বাচ্চার
ওপর কোনো দাবি করা যাবে না। এমনকি দেখতে যেতেও নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল। এখন হঠাৎ করে
পরিচয় অস্বীকার করার কারণ আমাদের কাছেও পরিষ্কার নয়।’
মোবারকপুর
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক হায়দারী বলেন, আমাদের কাছ থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র
নেওয়া হয়েছিল। সেটি পরে কী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে আমরা নিশ্চিত নই। তবে শুনেছি ওই
নথির ভিত্তিতেই জন্মনিবন্ধনের তথ্য পরিবর্তন করা হয়েছে। আমার জানামতে শিশুটিকে অনেকটা
স্থায়ীভাবেই অন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল।
আইনি
দৃষ্টিকোণ থেকে এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে রাজশাহীর সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জমসেদ আলী
বলেন, ‘যদি প্রমাণিত হয় পায়েল ডা. শিপ্রা চৌধুরীর ঔরসজাত সন্তান নন, তাহলে তিনি উত্তরাধিকার
আইনে ওয়ারিশ হবেন না। তবে দীর্ঘদিন একটি পরিচয়ে বড় করার পর সেই পরিচয় অস্বীকার করে
তার ক্ষতি করা হলে ক্ষতিপূরণ দাবি করার সুযোগ থাকতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মেয়েটি
আইনি প্রতিকার চাইতে পারেন।’
অনুসন্ধানে
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এই পরিচয় পরিবর্তনের পেছনে উত্তরাধিকার সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক
বিরোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট কেউই প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা
বলতে নারাজ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা দাউদকান্দি বাজার ও কেডিসি গেইট এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে দাউদকান্দি উপজেলা বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম এর নেতৃত্বে কুমিল্লা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য গাঁজা সেবনের অপরাধে আসামীদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) কর্তৃক ৭৭,১৭,৬১৫ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমান মাদক ও বিভিন্ন প্রকার অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে।
সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর
দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং উপজেলার
সীমান্ত হতে শংকুচাইল, শশীদল, সালদানদী এবং বড়জ্বালা বিওপি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সীমান্তবর্তী আখাউড়া ও কসবা উপজেলার
সীমান্ত হতে ঘাগুটিয়া, চন্ডিদার, কসবা ও মাদলা বিওপি
কর্তৃক ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
তারিখ হতে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
তারিখ পর্যন্ত মাদক ও চোরাচালান বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে ৭৭,১৭,৬১৫
(সাতাত্তর লক্ষ সতেরো হাজার ছয়শত পনেরো) টাকা মূল্যের বিপুল পরিমান ভারতীয় অবৈধ মাদক ও বিভিন্ন প্রকার
মালামাল জব্দ করে।
জব্দকৃত কিসমিস ৩১২ কেজি, গরু ৩ টি, চিনি ১,০৩৫ কেজি, বাঁজি ৮৮,২০০ পিস, বাংলাদশী স্টীলের আলমারী ১ টি, বাংলাদেশী সিএনজি ১ টি, সিগারেট ৬৭৫০ প্যাকেট, হুইস্কি ১৪ বোতল, বিয়ার ৩৬ বোতল, গাঁজা ১৮.৯ কেজি, ইস্কাফ সিরাপ ৭ বোতল, ফেন্সিডিল ৩৪ বোতল এবং ইয়াবা ট্যাবলেট ৪৯০০ পিস।
বিজিবি জানান, সর্বদা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে ৬০ বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা সর্বোতভাবে অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দ করে।
মন্তব্য করুন


ভারী
বৃষ্টিপাত ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার
ওপরে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
শনিবার
(১৩ জুন) সকাল ৯টায় শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালি নদীর পানি
বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়াও সোমেশ্বরী ও মহারশি নদীর পানিও
বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে।
অন্যদিকে
ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৩৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং নালিতাবাড়ী
পয়েন্টে ৩২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে
পাহাড়ি ঢলের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝিনাইগাতী সদর বাজারে পানি ঢুকেছে এবং ক্রমান্বয়ে পানি
বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। গত কয়েকদিন ধরে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার
বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি ঢল বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দিন আগে নালিতাবাড়ী উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে
বর্ডার রোডসহ একাধিক সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়।
গত
২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে
নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৮০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৩৫ মিলিমিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে
৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এছাড়া
মহারশি নদীর বিভিন্ন স্থানে পানি বাঁধ ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে এবং কোথাও কোথাও বাঁধের
পাশে মাটি সরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এ
বিষয়ে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, বৃষ্টিপাত
কমে গেলে ঢলের পানি নেমে যাবে। এখন পর্যন্ত বাঁধ ভাঙার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে
বিভিন্ন স্থানে নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই অবস্থায় রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি
পর্যবেক্ষণ করছি এবং কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


অগ্নিকাণ্ডে
নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সাতটি বসতঘর ও মূল্যবান আসবাবপত্র আর কষ্টার্জিত নগদ টাকা।
তবে আশ্চর্যজনকভাবে ভস্মীভূত ছাইয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ অক্ষত রয়ে গেছে পবিত্র কোরআন শরীফের
প্রতিটি হরফ।
এই
ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ হবিরবাড়ী গ্রামের
খন্দকার পাড়া এলাকায়। সোমবার (১৮ মে) দুপুরের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার
ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোরআন শরীফের হরফ না পোড়ায় হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামের মালিকানাধীন টিনশেড ঘর থেকে
হঠাৎ বিকট শব্দে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে আশপাশের
লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। তবে ফায়ার সার্ভিস
পৌঁছানোর আগেই আগুন তীব্র আকার ধারণ করে আশরাফুল ইসলামের চারটি ঘর ও মিতু আক্তারের
তিনটি সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন
ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও ঘরে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও আগুনে আংশিক পুড়লেও পবিত্র কোরআন শরীফের ভেতরের হরফ বা
লেখাগুলো অক্ষত রয়ে গেছে, যা দেখে হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
ক্ষতিগ্রস্ত
বাড়ির মালিক আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমার বসতবাড়ির ৪টি ঘরে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার,
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বর্তমানে আমাদের মাথা গোঁজার
ঠাঁই বা এক মুঠো খাবারও অবশিষ্ট নেই। তবে এই ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আল্লাহর কালামের হরফগুলো
অক্ষত দেখে মনে এক অন্যরকম সান্ত্বনা পাচ্ছি।
অপর
বাসার মালিক মিতু আক্তারের মা জানান, হঠাৎ আগুন দেখে তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েন, জীবনের
সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে কিছুই রক্ষা করতে পারেননি।
স্থানীয়
বাসিন্দা মাহফুজ খন্দকার বলেন, হঠাৎ লাগা এই আগুনে দুটি পরিবারের সবকিছু পুড়ে গেছে।
তারা এখন খোলা আকাশের নিচে একেবারে নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। আগুনে সবকিছু শেষ
হলেও কোরআন শরীফের পাতাগুলোর এই অবস্থা সবাইকে বিস্মিত করেছে।
ভালুকা
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের
গাড়ি রওনা হয়েছিল। তবে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে
নিয়ে আসে। ফলে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ ফায়ার সার্ভিসের
পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন


নেত্রকোনার
পূর্বধলা উপজেলায় নদী থেকে ইট বাঁধা অবস্থায় এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে
পুলিশ। সোমবার (২৯ জুন) সকালে হোগলা ইউনিয়নের কালিহরকান্দা গ্রামের কালিহর নদীতে মরদেহটি
ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
পরে
স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় নদী থেকে কালো শার্টে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা
হয়।
পুলিশ
ও স্থানীয়রা জানায়, সকালে স্থানীয়রা সেতুর নিচে ভাসমান অবস্থায় নবজাতকের মরদেহ দেখতে
পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পূর্বধলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
মরদেহটি একটি কালো রঙের শার্টে মোড়ানো ছিল এবং ইট দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায় বলে
জানায় পুলিশ।
খবর
ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়।
পূর্বধলা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নবজাতকের মরদেহ নদীতে
কে বা কারা ফেলে গেছে তা এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা আধুনিক
সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ
বিষয় তদন্ত চলমান।
মন্তব্য করুন


রোববার দুপুরে নাটোরের নলডাঙ্গায় ১১টি মোটরসাইকেলে গ্রামবাসীর ওপর সন্ত্রাসীরা আক্রমণের চেষ্টা চালাচ্ছে—এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন সেনাসদস্যরা। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পচারমোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার (১২ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নলডাঙ্গা থানার ওসি মোহা. মনোয়ারুজ্জামান বলেন, রোববার দুপুরে ২০ থেকে ২২ জনের একটি দল পচারমোড় এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রামবাসীর ওপর আক্রমণের চেষ্টা চালায়। এ সময় এলাকাবাসী সেনাবাহিনী টহল দলকে বিষয়টি জানালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সশস্ত্র দল ১১টি মোটরসাইকেল রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
সেনাসদস্যরা সন্ত্রাসীদের রেখে যাওয়া মোটরসাইকেলগুলো জব্দ করে থানায় হস্তান্তর করেছেন ।
মোটরসাইকেল মালিকদের চিহ্নিত করতে কাজ চলছে।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ টানা ১২ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হয়েছে।
বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুর ২টার পর থেকে ব্যবহারকারীরা কোনো ধরনের ভিপিএন অ্যাপ্লিকেশন ছাড়াই ফেসবুকে ও হোয়াটসঅ্যাপ লগইন করতে পারছেন।
এর আগে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানিয়েছিলেন, আজ (৩১ জুলাই) বিকেল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো খুলে দেওয়া হবে।
দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয়ে ব্রিফিং করে এ ঘোষণা দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বৈঠকে টিকটকের প্রতিনিধিরা সশরীরে এবং ফেসবুক ও ইউটিউবের প্রতিনিধিরা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অংশ নেন।
বৈঠক শেষে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈঠক শেষে আমরা এ ব্রিফিং করছি। এটা শেষ হলেই ফেসবুক খুলে দেওয়া হবে। তখন ভিপিএন ব্যবহার কমবে। ইন্টারনেটে গতিও বাড়বে। ফেসবুকের ক্যাশ সার্ভার ঠিক হয়ে গেলে স্বাভাবিকভাবে সবাই তা ব্যবহার করতে পারবেন। আমরা হোয়াটস্যাপ ওপেন করে দিচ্ছি। সবগুলোই ওপেন করে দিচ্ছি। তাদের কমিউনিটি গাইডলাইন মেনে চালু হবে। ফেসবুক-ইউটিউব ও টিকটককে বাংলাদেশে তাদের অফিস স্থাপনের অনুরোধ করেছি। আমরাও চাই এ দেশে তাদের বিনিয়োগ হোক। বাংলাদেশে অফিস ও ডেটা সেন্টার স্থাপন করলে আমরাও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারব।
মন্তব্য করুন


বন্যার্তদের সেবায় নিঃস্বার্থ পেশাগত দায়িত্ব এবং অনন্য মানবিকতার দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করায় রোববার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪), সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, লেফটেন্যান্ট মো: বায়েজিদ বোস্তামী ও ল্যান্স কর্পোরাল (গানার) কাজী সুজনের সাথে সেনাসদরে সাক্ষাৎ পূর্বক ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান তাদের সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রাণিত করেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর নবীন অফিসার লেফটেন্যান্ট মোঃ বায়েজিদ বোস্তামী এক উদাহরণস্বরূপ অবদান রেখেছেন। গত ২২ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত হয়ে নিজ হাতে তিনি প্রায় ৩৫০ জন এর অধিক বন্যার্তদের উদ্ধার করেন। এদের মধ্যে ছিলেন শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা,বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি সহ অনেকেই।
এছাড়া ল্যান্স কর্পোরাল (গানার) কাজী সুজন ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের ভুজপুর এলাকায় বন্যার্তদের উদ্ধারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গত ২৩ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ফটিকছড়ি উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত হয়ে নিজ হাটুকে সিঁড়ি বানিয়ে অসুস্থ,গর্ভবতী মহিলাদের ট্রাকে উঠতে সহায়তা এবং বন্যা কবলিত এলাকায় অসহায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চীফ অব জেনারেল স্টাফ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী; জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া, জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া এবং উক্ত সেনা সদস্যদের অধিনায়কগণ।
তরুণ সেনা সদস্যগণের মতোই দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ সেনাবাহিনীর প্রত্যেক সদস্য কাজ করে যাচ্ছে দেশবাসীর সেবায়। তারুণ্যের এই সহমর্মিতা ও মানবতাবোধ হোক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৩ এর ফলাফল আগামী ২৬-২৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত হতে পারে। এ সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।
১৮ নভেম্বর শনিবার এ তথ্য জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার বলেন, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৩ এর ফলাফল প্রকাশের জন্য আগামী ২৬-২৮ নভেম্বরের মধ্যে সময় চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। তবে আমরা তারিখ পাইনি এখনও।
আগামী ২৬ নভেম্বর ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন