

প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সফরকে ঘিরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এ সফরে কটিয়াদীতে
জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয় জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ৪০ শতাংশ উৎপাদন হয়
বৃহত্তর ময়মনসিংহে। এ অঞ্চলের মৎস্য উৎপাদন, উদ্যোক্তা ও খামারিদের সম্ভাবনা তুলে ধরতেই
কটিয়াদীকে জাতীয় আয়োজনের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে।
গতকাল
রোববার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি ও করণীয় নির্ধারণে জেলা
প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাউদ্দিন
টুকু বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে প্রতিবছর দেশের সেরা মৎস্য উদ্যোক্তা ও খামারিদের
স্বর্ণপদক দেয়া হয়। এতদিন ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত
হলেও এবার প্রধানমন্ত্রী এমন একটি এলাকায় অনুষ্ঠান আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যেখানে
মৎস্য উৎপাদন ও মৎস্য উদ্যোক্তাদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে।
দেশের
বিভিন্ন জেলা পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা শেষে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীকে জাতীয়
মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন,
নির্বাচনের পর এটি হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কিশোরগঞ্জ সফর। একই সঙ্গে ঢাকার বাইরে
জাতীয় মৎস্য পক্ষের মতো এমন জাতীয় আয়োজনও প্রথম।
তিনি
বলেন, ‘বাংলাদেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ৪০ শতাংশ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে হয়।
তাই জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত মৎস্য উদ্যোক্তা ও খামারিদের এ অঞ্চলের সম্ভাবনা ও সফলতা
তুলে ধরতেই কিশোরগঞ্জকে এ আয়োজনের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে।’
প্রতিমন্ত্রী
বলেন, ‘এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, কিশোরগঞ্জের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ
আয়োজন। জাতীয় পর্যায়ের এই কর্মসূচি কিশোরগঞ্জে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জেলার ভাবমূর্তি আরও
উজ্জ্বল হবে।’
অনুষ্ঠানস্থল
নির্ধারণে একাধিক স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে জানিয়ে টুকু বলেন, সেখান থেকে একটি ভেন্যু
প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় স্থানটি নির্বাচন করা হয়েছে।
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে নয়।
জাতীয়
মৎস্য পক্ষের মূল লক্ষ্য মৎস্য শিল্পের উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খামারিদের উৎসাহিত
করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ আয়োজন সফল করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও জেলার সর্বস্তরের
মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী
জানান, প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার পাশাপাশি
কিশোরগঞ্জ সদরেও পৃথক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন
ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময়
সভায় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো.
মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, জেলা
প্রশাসক
সোহানা নাসরিন, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাপানের অন্যতম বৃহৎ ট্রেডিং ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান
মিতসুই অ্যান্ড কোং-এর একটি প্রতিনিধিদল।
আজ
বুধবার (০৩ জুন ) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
মিতসুই
বৈশ্বিক পর্যায়ে লজিস্টিকস, অবকাঠামো, ধাতু, জ্বালানি ও খাদ্য বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে
কার্যক্রম পরিচালনা করে।
বৈঠকে
খাদ্য, কৃষি, জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগ
সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সরকার প্রতিনিধিদলকে জানায়, বর্তমান সরকার
বিনিয়োগবান্ধব নীতি অনুসরণ করছে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ
সহযোগিতা দেবে।
পাশাপাশি
বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসা পরিচালনা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে সরকারের বিভিন্ন
সংস্থার সেবা ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’-এর আওতায় একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে বলেও জানানো হয়। এর ফলে বিনিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা সম্ভব
হবে।
সাক্ষাৎকালে
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা
উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম
খান এবং অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
মিতসুই
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটির এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী
কর্মকর্তা (সিইও) ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকাতো সাতো।
প্রতিনিধি
দলে আরও ছিলেন, এশিয়া প্যাসিফিক বিজনেস ইউনিটের চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার তাকানোবু মুরায়ামা,
মিতসুই বাংলাদেশের কান্ট্রি চেয়ারপারসন কেনইচিরো কাওয়ামোতো এবং ঢাকা শাখার ডেপুটি জেনারেল
ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান।
মন্তব্য করুন


মুন্সিগঞ্জের
শ্রীনগরে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(২৬ জুন) ভোরে উপজেলার শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়নের মত্তগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
শাহাদাৎ হোসেন (২৭) একই এলাকার শামসুল হকের ছেলে।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ওই এলাকার একটি মসজিদে তাবলিগ জামাতের মুসল্লিদের
একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে স্থানীয় কয়েকজন শাহাদাতকে আটক
করেন। পরে বৃহস্পতিবার ভোররাতে তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গণপিটুনিতে
ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তার লাশ মসজিদের সামনে সড়কে ফেলে রাখা হয়।
খবর
পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য
লাশ মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
শ্রীনগর
থানার ওসি মিল্টন দত্ত জানান, নিহত শাহাদাৎ হোসেনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে
আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বিমান বাহিনীর
প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অসীম জাওয়াদ নামে এক পাইলট নিহত। এ ঘটনায় হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন রয়েছেন আহত কো-পাইলট।
আজ (৯ মে) দুপুর সাড় ১২টার দিকে পতেঙ্গার
বানৌজা ঈসা খাঁ হাসপাতালে (নেভি হাসপাতাল) পাইলট জাওয়াদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের
উপকমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা।
শাকিলা সোলতানা বলেন, বিমান বাহিনীর
বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমানের পাইলট ও কো-পাইলট প্যারাসুট দিয়ে নেমে এলে তাদেরকে আহত
অবস্থায় উদ্ধার করে বানৌজা ঈসা খাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুর ১টার দিকে তাদের
মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অসীম জাওয়াদ নামে একজনের মৃত্যু হয়। অন্যজনের চিকিৎসা চলছে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের পরিচালক
গ্রুপ ক্যাপ্টেন তাসলীম আহমেদ জানিয়েছেন, অবতরণের সময় বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান
ওয়াইএকে১৩০ এয়ারফোর্স ট্রেনিং ফাইটার বিধ্বস্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল ২ জুন থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম টিকিট বিক্রির বিষয়টি ঘোষণা করেছেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৭ জুনকে ঈদের দিন ধরে আগামী ২ জুন আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
এবার দুই সময়ে ট্রেনের আসন বিক্রি
করা হবে। পশ্চিমাঞ্চলের আসন বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে। আর পূর্বাঞ্চলের আসন বিক্রি
শুরু হবে দুপুর ২টায়। বরাবরের মতো এবারও শতভাগ আসন অনলাইনে বিক্রি করা হবে। ঈদের আগে
বিশেষ ব্যবস্থায় ৫ দিনের ট্রেনের আসন বিক্রি করা হবে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ
রেলওয়ের নেয়া কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়, এবার ঢাকা থেকে বহির্গামী ট্রেনের মোট আসনসংখ্যা
হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি, যা শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হবে। রোববার থেকে যাত্রা শুরুর ১০
দিন আগের আন্তঃনগর ট্রেনের আসন অগ্রিম হিসেবে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বিক্রি করা হবে।
যেভাবে টিকিট কাটবেন
অনলাইনের চাপ কমাতে এবার দুই শিফটে টিকিট বিক্রি করা হবে। এবার পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট
বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে, আর পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে প্রতিদিন দুপুর
২টা থেকে।
রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকে সহজেই যাত্রীরা টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে রেলওয়ের
ওয়েবসাইটে একবার রেজিস্ট্রেশন করলেই চলবে। যারা আগে রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তারা শুধু
লগইন করেই টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। পরে ওয়েবসাইটের উপরের দিকে রেজিস্ট্রেশন
ট্যাব ক্লিক করতে হবে। এতে রেজিস্ট্রেশন নামে নতুন একটি পেজ আসবে। এ পেজে ব্যক্তিগত
তথ্যাদি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঘরগুলো পূরণ করতে হবে। মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি চলে আসবে।
সেটি সঠিকভাবে পূরণ করে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করতে হবে।
সব তথ্য ঠিক থাকলে রেজিস্ট্রেশন সফল হবে এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে নামে নতুন একটি পেজ আসবে।
এখানে ইউজার অটো লগইন হয়ে যাবে।
টিকিট কেনার পদ্ধতি
প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ
করতে হবে। অটো লগইন না হয়ে থাকলে প্যানেলে ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড পূরণ করে লগইন বাটনে
ক্লিক করতে হবে। লগইনের পর যে পেজ আসবে তাতে কাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন,
গন্তব্য স্টেশন, শ্রেণি পূরণ করে ফাইন্ড টিকিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। পরের পেজে ট্রেনের
নাম, সিট অ্যাভেইলেবিলিটি (আসন আছে কি নেই) ও ট্রেন ছাড়ার সময় দেখাবে।
ট্রেন অনুযায়ী ভিউ সিটস বাটনে
ক্লিক করে আসন খালি থাকাসাপেক্ষে পছন্দের আসন সিলেক্ট করে কন্টিনিউ পারচেজে ক্লিক করতে
হবে। ভিসা, মাস্টার কার্ড কিংবা বিকাশে পেমেন্ট করলে একটি ই-টিকিট অটো ডাউনলোড হবে।
পাশাপাশি যাত্রীর ই-মেইলে টিকিটের কপি চলে যাবে। ই-মেইলের ইনবক্স থেকে টিকিট প্রিন্ট
করে ফটো আইডিসহ ই-টিকিট প্রদত্ত টিকিট প্রিন্ট ইনফরমেশন দিয়ে সংশ্লিষ্ট সোর্স স্টেশন
থেকে যাত্রার আগে ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
কোন তারিখে ট্রেনের কোন টিকিট
২ জুন দেয়া হবে ১২ জুনের টিকিট, ৩ জুন দেয়া হবে ১৩ জুনের,
৪ জুন ১৪ জুনের, ৫ জুন ১৫ জুনের এবং ৬ জুন ১৬ জুনের টিকিট দেয়া হবে। ফিরতি টিকিট দেয়া
হবে ১০ জুন থেকে। ১০ জুন দেয়া হবে ২০ জুনের টিকিট, ১১ জুন ২১ জুনের, ১২ জুন ২২ জুনের,
১৩ জুন ২৩ জুনের এবং ১৪ জুন ২৪ জুনের টিকিট দেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের আজ মঙ্গলবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ।
এসময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের উপর জোর তাগিদ দিয়েছেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে দেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস-ঐতিহ্যসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন রাষ্ট্রপ্রধান।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানিয়েছেন ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম যুগোপযোগী করার উপর তাগিদ দিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, উচ্চশিক্ষা বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া খুবই জরুরি। এসময় তিনি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম প্রসারে কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা নিয়েও তাঁর আশাবাদ পোষণ করেন ।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিকসহ সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। আজকের এই বৈঠক নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে সে লক্ষ্যে যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন করতে হবে।
আজকের এ সৌজন্য সাক্ষাৎ এর সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম ও রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ১৯ কোটি ৬১ লাখ ৯০ হাজার ডলার বা ২০ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে।
দুই সপ্তাহ ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার এ রিজার্ভ আবারো ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক নির্বাচিত অর্থনৈতিক সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। অন্যদিকে, গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ৫৩২ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ডলারে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রধানত আমদানি ব্যয় মেটানো তথা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে ব্যবহার হয়। এ রিজার্ভ আর্থিক খাতের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক ঋণ, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক ঋণ বা সহায়তা রিজার্ভের উৎস। আবার আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ-সুদ পরিশোধ, বিদেশে চিকিৎসা, শিক্ষাসহ হাজারো খাত রয়েছে ব্যয়ের ক্ষেত্রে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, জানুয়ারির শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে তা নেমে আসে ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে (বিপিএম৬)। আগের সপ্তাহেও রিজার্ভের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৯৯৩ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলার। মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এসে ১৬ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার যোগ হয়ে আবারো তা ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
করোনা মহামারির মধ্যে আমদানি কমে গিয়েছিল। তবে প্রবাসীরা দেশে ফেরার সময় সঞ্চিত অর্থ নিয়ে আসেন। অনেকে বিদেশে থেকেও বাড়িতে স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠিয়ে দেন। এতে বাড়ে রিজার্ভ। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন অতিক্রম করে। করোনার পর যখন দেশে দেশে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার শুরু হয়, তখন উল্টো অবস্থা তৈরি হয়। আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতি বাড়ে। রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তোলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ বিক্রি করে আমদানি ব্যয় সামাল দিতে হয়।
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংকের একাধিক সূত্র বলছে, ওই সময়ে রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল হুন্ডি বন্ধ হয়ে যাওয়া। তখন অধিকাংশ দেশ করোনা মহামারির বিস্তার রোধে অন্য দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে যেমন ডলার বাড়তে থাকে। আবার আমদানি কমে যাওয়ার কারণে খরচের খাতও ছোট হয়ে আসে।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জের
লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে দুই দিনের কালবৈশাখী ঝড়ে অন্তত ১২টি দোকান ও রেস্তোরাঁ
লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত
ব্যবসায়ীরা।
সোমবার
(২৫ মে) দুপুর পৌনে ২টা এবং মঙ্গলবার (১৬ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আঘাত হানা ঝড়ে এ
ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত
ব্যবসায়ীরা জানান, মাত্র ২০ সেকেন্ডের ঝড়েই শিমুলিয়া ঘাটের সারি সারি রেস্তোরাঁর টিনের
চাল উড়ে যায় এবং কাঠামো ভেঙে পড়ে। এতে পুরো এলাকাজুড়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
শিমুলিয়া
ঘাটের ‘মাওয়া কুটুমবাড়ি’ ও ‘ইলিশ বাড়ি’
রেস্তোরাঁর এক মালিক বলেন, হঠাৎ করে ঝড় এসে সবকিছু উড়িয়ে নিয়ে গেছে। আমাদের রেস্তোরাঁসহ
আশপাশের সবগুলোরই একই অবস্থা। সামনে ঈদ, এই সময়ে এমন ক্ষতি সামাল দেওয়া খুবই কঠিন।
প্রতিটি দোকান মেরামতে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত লাগবে।
এদিকে,
একই সময়ে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতে লৌহজং উপজেলার কনকসার গ্রামে প্রায় ৮ মন ওজনের একটি গরু
মারা যায়। এতে স্থানীয় খামারির বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।
এ
বিষয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে
শিমুলিয়া ঘাটের হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। উপজেলা প্রশাসনের
পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। সরকারিভাবে সাধ্যমতো সহায়তা প্রদান করা হবে।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ফুরকান মিয়ার
ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শনিবার (৯ মে) কাপাসিয়ার
আমরাইদ এলাকা থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয়
প্রকাশ করা হয়নি।
এর
আগে শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়া সদর ইউনিয়নের রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির
হোসেনের বাড়িতে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক রয়েছেন
অভিযুক্ত ফুরকান মিয়া।
নিহতরা
হলেন, ফুরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং
শ্যালক রসুল মিয়া (২২)।
ফুরকান
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে। তিনি পেশায়
প্রাইভেটকার চালক ছিলেন এবং প্রায় এক বছর আগে রাউতকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের
বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন।
স্থানীয়রা
জানান, তিন শিশুর গলাকাটা মরদেহ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। রসুল মিয়ার মরদেহ পাওয়া
যায় বিছানার ওপর। অন্যদিকে শারমিনের মরদেহ জানালার গ্রিলে হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় ঝুলতে
দেখা যায়।
পুলিশ
জানিয়েছে, পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের
খালি বোতল ও কোকাকোলার বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। থানার পুলিশ, ডিবি, সিআইডি, পিবিআইসহ
একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে। ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহ
করছে।
পুলিশের
একটি সূত্র জানায়, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নিহতদের স্বজন রাশিদাকে ফোন করে ফুরকান
মিয়া জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন।
ঘটনার
পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেছেন কাপাসিয়ার সংসদ সদস্য
সালাহউদ্দিন আইউবীসহ জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হোমনা উপজেলার ওই শিশুটি গত ২১ এপ্রিল ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
পরবর্তী সময়ে হাসপাতাল থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. পিয়াস আহমেদ বলেন, “শিশুটি গত মাসে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তবে তার হাম পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় তাকে কুমিল্লা জেলার মৃত্যুর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”
এদিকে কুমিল্লায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৩ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে; যার মধ্যে তিনজনের জনের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২৬ জন।
এছাড়া চলতি বছরে এ পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ৫৬০ জন রোগীর মধ্যে ১০৫ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।
তিনি জানান, “জেলায় এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সাতজনের মৃত্যু নথিভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ল্যাব পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়ায় একজনকে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যু হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই শিশু।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দুই
আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স (যাবতীয় নথি)
হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার
(৯ জুন) বিচারিক আদালত থেকে এ নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এর আগে রোববার (৭ জুন) ঢাকা
মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে
ট্রাইব্যুনাল বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা অনুযায়ী আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হবে।
একইসঙ্গে
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড
কার্যকর হবে। এ ছাড়া আসামি সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা
করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনি উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়েছে।
জরিমানা
অনাদায়ে সংশ্লিষ্ট কালেক্টরেট অফিসকে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে বিক্রির
মাধ্যমে ওই অর্থ রামিসার আইনি উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। রায়ে আরও
বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান অনুযায়ী
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন। হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিনের মাথায়
এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। এর আগে ২৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক
অহিদুজ্জামান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে
পাঠানো হয়।
১
জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষে ১৬
জন সাক্ষ্য দেন এবং একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায়
আসামিদের পরীক্ষা করা হয়।
১৯
মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা
পালিয়ে যায়। পরে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয় এবং নারায়ণগঞ্জের
ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রামিসার
বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ২১ মে আসামি সোহেল রানা ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক
জবানবন্দি দেন।
ভিকটিম
রামিসার বাবা পরিবারের সঙ্গে পল্লবীর সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং
বনানীতে একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করতেন। রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয়
শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
মন্তব্য করুন