

ময়মনসিংহের
ফুলপুরে মাত্র ১৩৫ দিনে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার অনন্য কৃতিত্ব
অর্জন করেছে ৮ বছর বয়সী সাজিদুর রহমান সাজিদ।
সাজিদ
উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের ধন্তা গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে। সে আমুয়াকান্দা বাজার
জামে মসজিদ হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
মাদ্রাসা
সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১ এপ্রিল পবিত্র কোরআন হিফজ শুরু করে সাজিদ। এরপর টানা
১৩৫ দিনের অধ্যবসায় ও শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে গত ৭ সেপ্টেম্বর কোরআনের ৩০ পারা
হিফজ সম্পন্ন করে সে। মাত্র চার মাসের কিছু বেশি সময়ে সম্পূর্ণ কোরআন মুখস্থ করার এ
অর্জনকে প্রশংসনীয় ও বিরল কৃতিত্ব হিসেবে দেখছেন মাদ্রাসার শিক্ষকরা।
সাজিদের
এ সাফল্যে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানের। অনুষ্ঠানে
শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা ফুল দিয়ে সাজিদকে শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে তার
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনি শিক্ষায় আরও সাফল্য কামনা করেন তারা।
সাজিদের
শিক্ষকরা জানান, কোরআন হিফজের পুরো সময়জুড়ে তার নিয়মিত অধ্যবসায়, মনোযোগ ও শেখার আগ্রহ
ছিল চোখে পড়ার মতো। অল্প বয়সে তার এমন অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদেরও কোরআন হিফজে উৎসাহিত
করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে
চালু হওয়ার প্রথম দিনেই দুর্ঘটনার শিকার হলো ‘পিংক বাস’। মঙ্গলবার (১৮
আগস্ট) নারীদের জন্য চালু করা বাসটিতে ধাক্কা দেয় বলাকা পরিবহনের একটি বাস। এ ঘটনায় বলাকা
বাসটিকে জরিমানা করেছে পুলিশ।
জানা
গেছে, পিংক বাসটি সড়কে চলাচল শুরু করার পরপরই বলাকা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ধাক্কার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ট্রাফিক পুলিশ
ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং বলাকা বাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে জরিমানা করে।
নারীদের
নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত
করার লক্ষ্যেই পিংক বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে
নারী কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও এই উদ্যোগের অন্যতম
বৈশিষ্ট্য।
মন্তব্য করুন


অস্ট্রিয়ার
বিপক্ষে ম্যাচে জোড়া গোল করে ইতিহাস গড়ার পাশাপাশি আরও ৪টি রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন
৩৮ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি, যেগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেজ ওয়ার্ল্ড
রেকর্ডবুকও।
অস্ট্রিয়ার
বিপক্ষে জোড়া গোলের পর বিশ্বকাপে মেসির মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮। এর মাধ্যমে
তিনি জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে এককভাবে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ
গোলদাতার আসনে বসেছেন। শুধু তাই নয়, নারী ও পুরুষ মিলিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৭ গোল
করা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি মার্তার রেকর্ডকেও পেছনে ফেলেছেন তিনি। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ
অভিষেকের পর ছয়টি আসরে অংশ নেওয়া আর্জেন্টিনা অধিনায়কের এটি ছিল বিশ্বকাপে ১৮তম
জয়। এই অর্জনের মাধ্যমেও তিনি ক্লোসাকে ছাড়িয়ে গেছেন, যিনি এতদিন ১৭টি জয় নিয়ে
শীর্ষে ছিলেন।
ম্যাচসংখ্যার
দিক থেকেও নিজের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করেছেন মেসি। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মান
কিংবদন্তি লোথার ম্যাথিউসের ২৫ ম্যাচের রেকর্ড ভাঙার পর আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে
মাঠে নেমে বিশ্বকাপে এখন তাঁর মোট ম্যাচসংখ্যা ২৮। এছাড়া খেলার সময়ের দিক থেকেও নিজের
আধিপত্য বজায় রেখেছেন তিনি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পুরো ম্যাচের কাছাকাছি খেলায় বিশ্বকাপে
তাঁর মোট খেলার সময় দাঁড়িয়েছে ২,৪৮৯ মিনিট। এর আগে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালেই তিনি
ইতালির কিংবদন্তি পাওলো মালদিনির ২,২১৭ মিনিটের রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


দ্রুত
ধনী হওয়া এবং বিলাসবহুল জীবনযাপনের চরম লোভে অন্ধ হয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকাকে
নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে দশম শ্রেণির দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের তেলেঙ্গানা
রাজ্যের নালগোন্ডা জেলা পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কোন্ডামাল্লেপল্লির
নাগার্জুনা পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ও পরিচালক কাল্লু রুপা রেড্ডি (৪৮)।
গত
১২ আগস্ট সকালে নিজ বাড়ি থেকে রুপা রেড্ডির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরে
মোট ২৭টি ছুরিকাঘাতের ক্ষত পাওয়া যায়। ঘটনার সময় তাঁর স্বামী রাজ্যের রাজধানী হায়দরাবাদে
অবস্থান করছিলেন। ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি বিষয়টি প্রতিবেশীদের
জানান। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ঘটনার
তদন্তে নেমে পুলিশ পাঁচটি বিশেষ দল গঠন করে। সিসিটিভি ফুটেজ, ফরেনসিক আলামত, আঙুলের
ছাপ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণের পাশাপাশি ৮০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা
হয়। তদন্ত চলাকালে পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
একটি ক্লু পায়। জানা যায়, ফোন বন্ধ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এক আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলছিলেন
রুপা রেড্ডি এবং ওই আলাপে তাঁর উচ্চারিত শেষ শব্দটি ছিল ‘বাবু।
বুধবার
এক সংবাদ সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা শরৎ চন্দ্র পাওয়ার জানান, ফোনে রেকর্ড হওয়া
এই ‘বাবু’ শব্দটি কাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে
গিয়েই সন্দেহের তির যায় স্কুলের ছাত্রদের দিকে।
এরপর
তদন্ত দল ছাত্রদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং ঘটনার দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকা দশম
শ্রেণির পাঁচজন শিক্ষার্থীকে চিহ্নিত করে। এদের মধ্যে দুজনকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে
অস্বাভাবিকভাবে অর্থ খরচ করতে এবং পার্টি উদযাপন করতে দেখা যায়। বুধবার সকালে ওই দুই
ছাত্রকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড
ঘটানোর কথা স্বীকার করে।
পুলিশের
তদন্তে জানা যায়, কিছুদিন আগে হোস্টেলে ওই দুই ছাত্রের ব্যাগে বিপুল নগদ টাকা ও মোবাইল
ফোন পাওয়ায় প্রধান শিক্ষিকা তাদের শাসন করেছিলেন এবং বিষয়টি তাদের অভিভাবকদেরও জানিয়েছিলেন।
পরবর্তীতে তাদের হোস্টেল থেকে সরিয়ে বাড়ি থেকে স্কুলে আসা-যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পর থেকেই প্রধান শিক্ষিকার ওপর তীব্র ক্ষোভ জন্মায় তাদের
মনে।
হত্যাকাণ্ডের
অন্তত পাঁচ দিন আগে থেকে চুরির ছক কষে তারা এবং রুপা রেড্ডির বাড়ির আশপাশে নজরদারি
চালায়। আঙুলের ছাপ বা কোনো শারীরিক প্রমাণ যাতে পুলিশের হাতে না পড়ে, সে জন্য আগে থেকেই
ছুরি ও গ্লাভস কিনে রাখে তারা।
পরিকল্পনা
অনুযায়ী ঘটনার দিন এক ছাত্র পুরো মুখ ঢাকা মাঙ্কি টুপি ও গ্লাভস পরে প্রধান শিক্ষিকার
ঘরে প্রবেশ করে। শোবার ঘর থেকে আড়াই লাখ রুপি হাতিয়ে নিয়ে পালানোর সময় দুর্ঘটনাবশত
তার মুখের টুপি খুলে যায় এবং রুপা রেড্ডি তাকে চিনে ফেলেন। পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার
আতঙ্কে সে সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রুপা রেড্ডিকে উপর্যুপরি ২৭ বার কুপিয়ে হত্যা
করে।
হত্যাকাণ্ড
শেষ করে নগদ টাকা লুট করে রক্তমাখা পোশাক ও টুপি মাটিতে পুঁতে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা
করে তারা। এরপর সেই টাকায় তারা সরাসরি গোয়া ভ্রমণে চলে যায়। পুলিশ গ্রেপ্তারকৃতদের
কাছ থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার রুপি (যার কিছু নোটে রক্তের দাগ রয়েছে), তাদের কেনা একটি নতুন
আইফোন এবং নিহত রুপা রেড্ডির ব্যবহৃত ফোনটি উদ্ধার করেছে। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অপরাধ
সংগঠনের আগে অভিযুক্ত দুই ছাত্র ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে ‘কীভাবে দ্রুত টাকা আয়
করা যায়’ লিখে একাধিকবার সার্চ করেছিল।
মন্তব্য করুন


বিশ্বব্যাপী আলোচিত এবং সমাদৃত প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি
বাস্তবায়নে সমবায় অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভুঁইয়া।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকায় সমবায়
অধিদপ্তর পরিদর্শন এবং পায়রা সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা জানান। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী
গৃহীত ‘থ্রি জিরো তত্ত্ব’ একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যার ভিত্তি হচ্ছে
শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য কার্বন নিঃসরণ। এ সময় ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’
এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি বাস্তবায়নে কাজ করতে সমবায় অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সমবায় অধিদপ্তরের
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং পারফরম্যান্স নিম্নমুখী বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু তা ঊর্ধ্বমুখী
করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমবায় আইন সংশোধন এবং যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্যপদ পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার
বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সমবায় অধিদপ্তরের সদস্যদের
নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে পাইলটিং প্রকল্প গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা দেন
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা। এছাড়াও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সুষম সম্পদের বণ্টনের
জন্য সমবায় অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মতবিনিময় সভার শুরুতে সমবায় অধিদপ্তরের
নিবন্ধক ও মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে সমবায় কার্যক্রম সম্পর্কে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন
দেন যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. মোখলেছুর রহমান। সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ফেনীর
ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নে গভীর রাতে ঘরের টিনের চাল কেটে ভেতরে ঢুকে এক প্রবাসীর
স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার
(২৭ জুন) রাতে দক্ষিণ তালবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কাজল আক্তার ওই এলাকার
কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী এবং স্থানীয় ইসমাইল মাস্টারের ভাইয়ের পুত্রবধূ।
নিহতের
স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিন সন্তানের জননী কাজল আক্তার রাতে ঘরে সন্তানদের
নিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন। রাতের কোনো একসময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা আধাপাকা ঘরের টিনের চাল কেটে
ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা কাজলের হাত-পা বেঁধে তাঁকে হত্যা করে। তবে এসময় ঘরে তাঁর
সন্তানরা থাকলেও দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর কোনো হামলা করেনি।
খবর
পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের
মর্গে পাঠিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


রাজবাড়ীর
কালুখালীতে নিখোঁজের পরদিন হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি পাটক্ষেত থেকে আসাদুল ইসলাম
(২৫) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যার পর তার লাশ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার
চেষ্টা করা হয়।
সোমবার
(১৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বিলমানুষমারি গ্রামের সূর্যদিয়া
মাদ্রাসার পাশের পাটক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে কালুখালী থানা পুলিশ।
এর
আগে রোববার রাত ১০ টার দিকে আসাদুল ইসলামের নিখোঁজের বিষয়টি থানায় অবগত করেন তার পরিবার।
আসাদুল
ইসলাম মদাপুর ইউনিয়নের বিলমানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মন্ডলের ছেলে। তিনি বালিয়াকান্দির
মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় কর্মী বলে দাবি
করেছেন জেলা জামায়াতে অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম।
জানা
গেছে, রোববার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হন আসাদুল ইসলাম। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে খোঁজাখুঁজি
করে সন্ধান না পেয়ে রাত ১০ টার দিকে স্থানীয় থানা পুলিশকে নিখোঁজের বিষয়টি অবগত করে
তার পরিবার।
সোমবার
সকাল সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পাংশা
সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার বলেন, সকালে পাটক্ষেতে থেকে নিখোঁজ হওয়া
আসাদুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আসাদুলকে হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা
হয়েছে। আসাদুলের লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
হত্যার কারণ উদঘাটন ও এরসঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
রাজবাড়ী
জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম বলেন, আসাদুল মদাপুর ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সেক্রেটারি ছিলেন। গতকাল বিকেলে সোনাপুর
হাটে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অবহিত করা
হয়। আজ সকালে একটি পাটক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে আমরা খুব উদ্বিগ্ন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নৌপরিবহন
মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম
সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার কোনো উন্নয়ন কাজ বন্ধ করেনি, করবেও না।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুইদিনের
বিশেষ সফরে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি একথা বলেন।
উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন,
অনেকেই মনে করেছিলেন কী না কী হয়, প্রকল্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে আমরা কোনো কাজ
বন্ধ করিনি। অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়
রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো প্রকল্প গ্রহণ করবে না। বাংলাদেশ সরকার বিদেশ থেকে যেসব পণ্য
আমদানি করে, তার মধ্যে থেকে ২০-৩০ শতাংশ পায়রা বন্দরের মাধ্যমে করা যায় কি না, সে বিষয়ে
পদক্ষেপ নিতে হবে। তা করতে পারলে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের চাপ কমবে। পায়রা সমুদ্র
বন্দরে যেসব প্রকল্প চলমান রয়েছে, সেগুলো নিজস্ব গতিতেই চলবে। এছাড়া বন্দরের সার্বিক
উন্নয়ন এবং অগ্রগতির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


শনিবার রাত ১২টার পর বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস ও টঙ্গীর স্টেশন রোড থেকে কামারপাড়া পর্যন্ত সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার ইব্রাহিম শনিবার সকালে ইজতেমা ময়দানে সাংবাদিকদের বলেন, ইজতেমার আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে জিএমপির ট্রাফিক বিভাগকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। যেহেতু দূর-দূরান্ত থেকে মোনাজাতে অংশগ্রহণের জন্য মুসল্লিরা আসবেন, সেহেতু শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে কয়েকটি সড়ক বন্ধ রাখা হবে।
তিনি আরো জানান, আখেরি মোনাজাতে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেবেন। এ কারণে তাদের সুবিধার জন্য শনিবার রাত ১২টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজধানীর আবদুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস, আবদুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া রোড হয়ে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী স্টেশন রোড পর্যন্ত সড়ক, আবদুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল পর্যন্ত এবং মিরের বাজার থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
পুলিশের উপকমিশনার আরো বলেছেন, সেক্ষেত্রে ঢাকাগামী লোকজন ও যানবাহনগুলোকে ভোগড়া বাইপাস দিয়ে তিনশো ফিট রাস্তা ব্যবহার করে চলাচল করতে বলা হয়েছে। যেসব লোকজন ময়মনসিংহ বা গাজীপুর যাবেন, তারা বাইপাইল থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা হয়ে চলে যেতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


মাদকের গডফাদারদের ধরে আইনের আওতায় আনতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আজ সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, শুধু বাহক নয়, মাদকের সঙ্গে জড়িত বড় বড় গডফাদারদের ধরতে হবে। চলমান যৌথ অভিযানে এ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে এবং দৈনিক অগ্রগতির রিপোর্ট প্রদান করতে হবে। এ বিষয়ে সাফল্যের ওপর নির্ভর করে অধিদপ্তরের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ, দুর্নীতি থেকে দূরে থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, দুর্নীতি না কমাতে পারলে এ সরকারের সাফল্য আসবে না। মাদক ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনে। তাই মাদক নির্মূলে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতার পরিবর্তন করে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ইউনিফর্ম আছে কিন্তু অস্ত্র বা হাতিয়ার নেই। তাই সফল অভিযান পরিচালনার স্বার্থে তাদের অস্ত্র দেয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া যেসব অভিযান পরিচালনার সময় হামলার আশঙ্কা রযেছে, সেসব জায়গায় পুলিশসহ অভিযান পরিচালনার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মশিউর রহমান ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


প্রেমের
সম্পর্ককে ঘিরে নানা ধরনের ঘটনা সামনে এলেও স্বামী ও প্রেমিক—দুজনকেই
নিয়ে একসঙ্গে সংসার করার সিদ্ধান্তের ঘটনা বেশ বিরল। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে
ভারতের উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর জেলায়। সেখানে এক নারী স্বামী
ও প্রেমিক দুজনের সঙ্গেই একই ছাদের নিচে বসবাস করতে চান। এ সিদ্ধান্তে তার
সন্তানদেরও আপত্তি নেই বলে জানা গেছে।
স্থানীয়
সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, সীতাপুর জেলার মাহমুদাবাদের বাসিন্দা অঞ্জু বর্মা। তার স্বামী শুভম বর্মা। তাদের দাম্পত্য জীবনে দুই সন্তান রয়েছে। বেশ ভালোভাবেই চলছিল তাদের সংসার। এর মধ্যেই পাশের
গ্রামের বাসিন্দা নীতিন বিশ্বকর্মার সঙ্গে অঞ্জুর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
একপর্যায়ে
অঞ্জুর সামনে স্বামী ও প্রেমিকের মধ্যে
একজনকে বেছে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে কাউকেই ছেড়ে দিতে রাজি হননি তিনি। বরং স্বামী শুভম ও প্রেমিক নীতিনকে
নিয়ে একসঙ্গে সংসার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন অঞ্জু।
তবে
বিষয়টি সহজভাবে মেনে নেয়নি পরিবারের সদস্যরা। পরে অঞ্জু, তার স্বামী ও প্রেমিক বিষয়টি
নিয়ে থানায় যান। সেখানে অঞ্জু পুলিশকে জানান, তিনি স্বামী ও প্রেমিক—দুজনের
সঙ্গেই থাকতে চান।
পুলিশের
উপস্থিতিতে শুভমও জানান, স্ত্রীর সিদ্ধান্তে তার আপত্তি নেই। প্রয়োজনে তিনি বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র থাকতেও প্রস্তুত বলে জানান। অন্যদিকে নীতিনও অঞ্জু ও শুভমের সঙ্গে
একই বাড়িতে থাকার বিষয়ে সম্মতি দেন।
ঘটনাটি
জানার পর পুলিশ কর্মকর্তারা
তিনজনকে দীর্ঘ সময় ধরে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়নি বলে জানা গেছে।
এদিকে
অঞ্জু ও শুভমের দুই
সন্তানও বিষয়টিতে আপত্তি জানায়নি। তারা মা, বাবা এবং নীতিনকে নিয়ে একসঙ্গে থাকতে রাজি বলে জানা গেছে।
তবে
এই অস্বাভাবিক পারিবারিক সিদ্ধান্ত বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে এবং তারা শেষ পর্যন্ত একই ছাদের নিচে সংসার করতে পারবেন কি না, তা
নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
মন্তব্য করুন