

সুনামগঞ্জের
জগন্নাথপুরে জামায়াত নেতা পিয়ার আলীর বাড়ি থেকে বিদেশি পিস্তলসহ বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি
অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। এ ঘটনায় বুধবার (২৫ মার্চ) ওই জামায়াত
নেতার বিরুদ্ধে বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত
পিয়ার আলী উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামিসি (রসুলপুর) গ্রামের আরশদ আলীর ছেলে ও
জামায়াতে ইসলামী শ্রীরামিসির আঞ্চলিক শাখার সভাপতি। এদিকে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত
ওই জামায়াত নেতা পলাতক রয়েছে।
মামলা
সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর
১৭ পদাতিক ডিভিশনের একটি অভিযান দল উপজেলার শ্রীরামিসি (রসুলপুর) গ্রামের বিশেষ অভিযান
পরিচালনাকালে জামায়াত নেতা পিয়ার আলীর বসতঘর থেকে বিদেশি পিস্তলসহ বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি
অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে, একটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি বিদেশি রিভলভার,
একটি একনলা বন্দুক, একটি দেশি পাইপগান, বিভিন্ন ধরনের ১৩ রাউন্ড গুলি, ১৪ বক্স ক্যালিবারের
এয়ারগানের গুলি ও একটি খালি ম্যাগাজিন পিস্তলসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী ধারালো অস্ত্র উদ্ধার
করা হয়েছে। পরে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায়
বুধবার পুলিশ বাদী হয়ে পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পিয়ার
আলী পলাতক রয়েছেন। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।’
মন্তব্য করুন


ইংরেজি
নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো এবং ফানুস উড়ানো বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।
আজ
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এতে
বলা হয়েছে, আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর কারণে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ হয়। অতিরিক্ত শব্দদূষণে
হৃদরোগ, স্ট্রোক ও মানসিক চাপের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়াও ফানুস উড়ানোর ফলে অগ্নিকাণ্ড ও
জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়। শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী এসব কার্যক্রম
দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রথমবার আইন লঙ্ঘনে ১ মাসের জেল বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
হতে পারে। পুনরায় অপরাধ করলে ৬ মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে
পারে। ইংরেজি নববর্ষে আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস উড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে
ঢাকার ক্লাবগুলোতে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থায় পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। জনস্বার্থের
জন্য ক্ষতিকর এ কর্মকাণ্ড হতে বিরত থাকতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হলো।
মন্তব্য করুন


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে ফুয়েল লোডিং শুরু হলে চলতি বছরের শেষ দিকেই স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ (অর্থাৎ জ্বালানি প্রবেশ করানো) প্রস্তুতি যাচাই করতে বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা), রাশিয়ার ভিও সেফটি এবং রাশিয়ার অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার একটি বিশেষজ্ঞ দল ৭ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত প্রকল্প এলাকায় বিস্তৃত পরিদর্শন পরিচালনা করে।বায়েরা চেয়ারম্যান মো. মাহমুদুল হাসান ২৬ নভেম্বর ইত্তেফাক ডিজিটালকে পরিদর্শন কার্যক্রমের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, সাধারণত এ ধরনের পরিদর্শনের চার থেকে ছয় সপ্তাহ পরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন মিলতে পারে। সে অনুযায়ী ডিসেম্বরের তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহে ইউনিট-১–এ পারমাণবিক জ্বালানি লোড করা সম্ভব হতে পারে। ফলে বছর শেষেই রূপপুর প্রকল্পের স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)–এর মানবসম্পদ, প্রকল্পে ব্যবহৃত সরঞ্জাম, বিভিন্ন কারিগরি সিস্টেম ও ফ্যাসিলিটি এবং পরিচালন-সংক্রান্ত নথি বিশেষজ্ঞ দল বিশদভাবে পরীক্ষা করেছে।
এছাড়া কমিশনিং অগ্রগতি, স্থাপনা পরিদর্শন, স্টার্ট-আপ প্রটোকল, সমন্বয় নথি ও সনদপত্রও তারা মূল্যায়ন করেন।
ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া দেখভাল করেন এনপিসিবিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান এবং পুরো পরিদর্শন কার্যক্রম সমন্বয় করেন সংস্থার প্রধান পরিদর্শক মো. ইয়ামিন আলী।
এ পর্যায়েই প্রথমবারের মতো রিয়্যাক্টরে পারমাণবিক জ্বালানি স্থাপন করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে পাওয়ার স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া শুরু হয়—যার মাধ্যমে রিয়্যাক্টরের বিভিন্ন সিস্টেম পরীক্ষা, নিরাপত্তা যাচাই এবং সীমিত পর্যায়ে পারমাণবিক বিক্রিয়া চালানো হয়. এছাড়া এনপিসিবিএল ও রসএনার্গোএটম নিয়মিতভাবে স্ব-মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।বিশেষজ্ঞ দল সামগ্রিক অগ্রগতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও নিরাপত্তা ও সুরক্ষা আরও জোরদার করার জন্য কয়েকটি সুপারিশ দিয়েছে বলে জানা গেছে। এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন শেষ হলে প্রতিবেদন বায়েরা-কে পাঠানো হবে, যেটি সন্তোষজনক মনে হলে ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ ও ফুয়েল লোডিংয়ের জন্য চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।বায়েরা চেয়ারম্যানের মতে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা অগ্রাধিকার রেখে ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রস্তুতি যাচাই করা হয়েছে। রাশিয়ার রেগুলেটরি অথরিটি এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সুপারিশ পাওয়ার পরই বায়েরা চূড়ান্ত অনুমতি দেবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য বায়েরা ছাড়াও রুশ জেনারেল ডিজাইনার, রিয়্যাক্টর প্ল্যান্ট ডিজাইনার (Hydropress), রাশিয়ার জাতীয় পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র ‘কুরচাতভ ইনস্টিটিউট’ এবং ভিও সেফটি-র মূল্যায়ন প্রতিবেদন অপরিহার্য।
মন্তব্য করুন


ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ক এক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, নির্বাচন ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যাশিত তৎপরতাও দেখা যাচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, ভোটগ্রহণের আগেই একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা করছে—এমন তথ্য রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোর তালিকা তৈরি করে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে অস্ত্র মহড়ার প্রস্তুতির তথ্যও পাওয়া গেছে।
নির্বাচনের অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০১ সালের পর দেশে সত্যিকার অর্থে একটি ভালো নির্বাচন হয়নি। ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ভালো নির্বাচন সম্ভব নয়।
সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় জোটের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ঢাকা শহরে প্রবেশের জন্য
বিমানবন্দর এলাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোলপ্লাজা সাধারণের জন্য টোলমুক্ত থাকবে।
আজ
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
এদিকে,
দীর্ঘ সতেরো বছর পর বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমান। তার দেশে ফেরা উপলক্ষ্যে নানা প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। সরকার থেকে নিরাপত্তায়
নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
বুধবার
দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন দলের স্থায়ী
কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে বৃহস্পতিবার
বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন তারেক রহমান। এরপর
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন। সেখান থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান।
সালাহউদ্দিন
আরও জানান, প্রত্যাবর্তনের পরদিন শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বাদ জুমা সাবেক রাষ্ট্রপতি
জিয়াউর রহমানের মাজার ও সাভার স্মৃতিসৌধে যাবেন তারেক রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর)
নির্বাচন কমিশনে এনআইডি কার্যক্রম শেষ করে শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করবেন তিনি।
পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে যাবেন।
তারেক
রহমানের নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে আমরা রাজধানীর কেন্দ্রস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও
মানিকমিয়া অ্যাভিনিউতে কোনো কর্মসূচি রাখিনি বলেও উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন।
তিনি
বলেন, রাজধানীর একপাশে প্রশস্ত ৩৬ জুলাই মহাসড়কের সার্ভিস লেনের একপাশে আমরা স্থান
নির্ধারণ করেছি। সেখানে শুধু দেশবাসীর প্রতি তার (তারেক রহমান) কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দেশনেত্রী
খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করা হবে। সেই আয়োজন তারেক রহমান ছাড়া
দ্বিতীয় কোনো বক্তা থাকছেন না।
মন্তব্য করুন


নরসিংদীর
রায়পুরা উপজেলায় জেল পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী অপু আহমেদকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
আজ
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের একটি স'মিলের ভেতরে তার মরদেহ পাওয়া
যায়।
নিহত
অপু আহমেদ একই ইউনিয়নের পাহাড় মরজাল এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে এবং নরসিংদী জেলা
পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী।
পুলিশ
ও স্থানীয়রা জানায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নরসিংদী কারাগারে দুর্বৃত্তরা
হামলা চালালে অপু সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক থাকলেও তার নিয়মিত এলাকায় যাতায়াত ছিল।
আজ সকালে স'মিলের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে
রায়পুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
রায়পুরা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,
'পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। আমাদের
প্রাথমিক অনুমান, অন্য অপরাধীদের সঙ্গে বিরোধ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।' নিহত অপুর
বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক সহ মোট ৮টি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।
মন্তব্য করুন


আজ রবিবার দুপুরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৯ হাজার ৯২৩ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষ প্রার্থী ২০ হাজার ৪৫৭ জন, যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৪০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। উত্তীর্ণ নারী প্রার্থীর সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৬৬, যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৫৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।
যেভাবে জানা যাবে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল :
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এই ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানা যাবে। এছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে আজকের ফলাফলবিষয়ক তথ্য পাওয়া যাবে ।
পাশাপাশি যেসব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বরে ক্ষুদেবার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেবে অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লার কোতোয়ালী মডেল থানায় অস্থায়ী ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন।বুধবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়।জানা যায়, বহুল প্রত্যাশিত মডেল ব্যারাক নির্মাণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে কোতোয়ালী মডেল থানার পুরোনো ভবন ভাঙার প্রস্তুতি চলছে। নতুন ভবন নির্মাণকাজ চলাকালে থানার নিয়মিত প্রশাসনিক ও দাফতরিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে পুলিশ সুপারের উদ্যোগে এই অস্থায়ী ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, “অস্থায়ী এই অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ আরও উন্নত হবে। একই সঙ্গে সেবাগ্রহীতারা আগের তুলনায় দ্রুত, নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা পাবেন।” তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যে নতুন স্থাপনা নির্মিত হলে থানার সার্বিক প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে।
থানা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ফোর্স সদস্যদের জন্য উপযোগী আবাসন এবং কার্যকরী অফিস পরিবেশ নিশ্চিত করতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনবান্ধব পুলিশিং এবং সেবার মান বৃদ্ধিতে এই অস্থায়ী ভবন সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেন কর্মকর্তারা।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক, কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম, ডিবি ওসি মোঃ আবদুল্লাহসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দান সিন্দুক খুলে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি মিলেছে স্বর্ণালংকার ও বৈদেশিক মুদ্রা।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় তিন মাস ২৭ দিন পর মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। পরে মসজিদের মেঝেতে ঢেলে শুরু হয় টাকা গণনার কাজ।
দান সিন্দুক খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এর আগে গত ৩০ আগস্ট চার মাস ১৮ দিন পর দানবাক্স খুলে ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সে সময়ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার ও হীরা পাওয়া যায়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামী কমপ্লেক্সের নিয়মিত ব্যয় মিটিয়ে অবশিষ্ট দানের টাকা ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এখন পর্যন্ত সরাসরি দানের ১০৪ কোটি টাকা এবং অনলাইনে দানকৃত আরও ১২ লক্ষাধিক টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, দানকৃত বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত আছে। সময় ও সুযোগ অনুযায়ী সেগুলো প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করে অর্থ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে।
এছাড়া দানের অর্থ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান প্রদান এবং অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসা সহায়তায় ব্যয় করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আজ
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
আহমদ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান।
এ
সময় বিরোধী দলের সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে যান এবং স্লোগান
দিতে থাকেন।
প্ল্যাকার্ডগুলোতে
বাংলা ও ইংরেজিতে বিভিন্ন স্লোগান লেখা ছিল, যার মধ্যে জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গও উল্লেখ
করা হয়।
সংসদ
কক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে স্পিকার সংসদ সদস্যদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান
জানান। এ সময় রাষ্ট্রপতি সংসদ কক্ষে প্রবেশ করেন এবং স্পিকারের অনুরোধে ভাষণ শুরু করেন।
তবে
রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালেই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা নিজেদের আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং
প্রতিবাদ জানিয়ে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতি তখন তার বক্তব্য অব্যাহত রাখছিলেন।
মন্তব্য করুন