

মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
ঐতিহ্যবাহী খাদি কাপড়সহ মোট ২৪টি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে।
গতকাল
বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট,
শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর আয়োজিত বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস ২০২৫-এর আলোচনা সভায়
সংশ্লিষ্টদের এসব সনদ হস্তান্তর করা হয়।
কুমিল্লার
ঐতিহ্যের স্মারক খাদি কাপড় ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় জেলার মানুষ
আনন্দিত। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন, অবশেষে পেয়েছেন সুখবর। খাদি কাপড়ের
বিশেষত্ব হলো এটি হাতে তৈরি, পরিবেশবান্ধব এবং আরামদায়ক। কুমিল্লার কারিগররা তাদের
অনন্য দক্ষতার মাধ্যমে খাদিকে একটি শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন।
কুমিল্লার
কান্দিরপাড় এলাকার রামঘাটলা থেকে শুরু করে রাজগঞ্জ পর্যন্ত অন্তত ৩০০ খাদি পোশাকের
দোকান রয়েছে।
কুমিল্লার
জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার জানান, জেলা প্রশাসনের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় গত বছর কুমিল্লার
রসমালাই জিআই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কুমিল্লার খাদি ও বিজয়পুরের মৃৎশিল্পের জিআই
স্বীকৃতির জন্য তখন থেকেই কাজ শুরু হয়। কুমিল্লার ‘ব্র্যান্ড’ হিসেবে পরিচিত তিনটি
পণ্যের মধ্যে দুটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।
নিবন্ধন
সনদপ্রাপ্ত ২৪টি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (ব্রাকেটে সনদ নম্বর) হলো, ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলা (৩৯), কুমিল্লার খাদি (৪০),
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি (৪১), গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনা (৪২), সুন্দরবনের
মধু (৪৩), শেরপুরের ছানার পায়েস (৪৪), সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি (৪৫), গাজীপুরের কাঁঠাল
(৪৬), কিশোরগঞ্জের রাতাবোরো ধান (৪৭), অষ্টগ্রামের পনির (৪৮), বরিশালের আমড়া (৪৯),
কুমারখালীর বেডশিট (৫০), দিনাজপুরের বেদানা লিচু (৫১), মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীর (৫২),
নওগাঁর নাকফজলি আম (৫৩), টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কির সন্দেশ (৫৪) ও ঢাকাই ফুটিকার্পাস
তুলার বীজ ও গাছ (৫৫),নরসিংদীর লটকন (৩২), মধুপুরের আনারস (৩৩), ভোলার মহিষের দুধের
কাঁচাদই (৩৪), মাগুরার হাজরাপুরী লিচু (৩৫), সিরাজগঞ্জের গামছা (৩৬), সিলেটের মনিপুরি
শাড়ি (৩৭), মিরপুরের কাতান শাড়ি (৩৮)।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পাঁচটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে অনিয়মের অভিযোগে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জেপি দেওয়ান ও তমালিকা পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
ইটভাটাগুলো হলো: ফাতেমা ব্রিকস, একতা ব্রিকস, মিরাজ ব্রিকস, সিটি ব্রিকস ও ইসলামিয়া ব্রিকস।
জানা গেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার ফাতেমা ব্রিকস, একতা ব্রিকস, মিরাজ ব্রিকস, সিটি ব্রিকস ও ইসলামিয়া ব্রিকসে অভিযান পরিচালনা করেন। এরমধ্যে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী তিনটি ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন। এছাড়া ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ২টি ইটভাটা থেকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহযোগিতায় ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লার পরিদর্শক চন্দন বিশ্বাস, জুবায়ের হোসেন, বিএসটিআই কুমিল্লার পরিদর্শক কাজী মোহাম্মদ শাহান, চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মেহেদী হাসান ও থানা পুলিশের একটি টিম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জেপি দেওয়ান বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অবস্থিত পাঁচটি ইটভাটাকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ইটভাটাগুলোতে অনিয়ম রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস উদযাপিত হয়েছে।
এই উপলক্ষে সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসন ও কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আয়োজনে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল ময়দানে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,কুমিল্লা জেলার প্রশাসক মুঃ রেজা হাসান, পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার নূরে আলম ভূইয়াসহ রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধন শেষে আলোচনা সভায় বক্তব্যে বক্তরা বলেন,প্রতিবছর ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয় কুমিল্লা। দীর্ঘ নয় মাসের নির্যাতন, দমন ও যুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধা, মিত্রবাহিনী ও সর্বস্তরের জনগণ আনন্দের উল্লাসে শহরকে প্রকম্পিত করেছিলেন।পরে টাউন হল মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী আজ বৃহস্পতিবার। সারাদেশের ন্যায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার কুমিল্লা মহেশাঙ্গণসহ জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সকাল ৬টা ১০মিনিট থেকে সপ্তমীপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
চণ্ডী ও মন্ত্রপাঠের মধ্যদিয়ে পূজা, দেবীদর্শন, দেবীর পায়ে ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান শেষে প্রসাদ গ্রহণের মতো আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। মণ্ডপে মণ্ডপে সকাল থেকেই ছিল পুণ্যার্থীদের ভিড়।
এ বছর কুমিল্লা মহানগরী সহ জেলায় ৭৯৪ টি পূজা মন্ডপে শারতীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।
এদিকে পূজাকে কেন্দ্র করে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে যাতে না পারে সেক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষ প্রতিটি পূজা মন্ডপে ব্যাপক নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় ট্রলি উল্টে নদীতে পড়ে একই পরিবারের তিন নারী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে কড়িকান্দি রাজাপুর সড়কের তিতাস নদীর ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, দুপুরের দিকে তিন নারী ঘাটে নেমে গোসল করছিলেন। এ সময় বালুভর্তি একটি ট্রলি কড়িকান্দি রাজাপুর সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায় এবং গোসলরত তিন নারীর ওপর সরাসরি চাপা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রলিটি উদ্ধার করে এবং মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ট্রলির চালক গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
নিহতরা হলেন তিতাস উপজেলার কড়িকান্দি রাজাপুর এলাকার শুক্কুর আলীর স্ত্রী রিনা আক্তার (৩৫), ইমন মিয়ার স্ত্রী রুজিনা আক্তার (৩০) এবং ফারুক মিয়ার স্ত্রী সামছুন নাহার (৪০)। এদের মধ্যে রুজিনা ও সামছুন নাহার আপন জা, আর রিনা আক্তার তাদের ভাগিনার স্ত্রী।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার সীমান্ত এলাকা হতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সর্বমোট ১ কোটি ২৪ লক্ষ ১২
হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ করা করে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সকালে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী উপজেলার আওতাধীন কটক বাজার পোস্টের
বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে সীমান্তের শূন্য লাইন হতে আনুমানিক ৫ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে
নন্দী বাজার নামক স্থান হতে মালিক বিহীন অবস্থায় ৩১,০৩০ পিস ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে
আটক করা হয়।
উল্লেখ্য,
জব্দকৃত মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হবে।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংয়ের এক তরুণীর সঙ্গে কুমিল্লার
নাঙ্গলকোটের আরিম নামে এক তরুণের ৬ মাস আগে রং নাম্বারে পরিচয় হয় । তারপর ঢাকায় বিয়ে
করে।
এরপর স্ত্রীকে নিয়ে আরিফ কুমিল্লার
নাঙ্গলকোটে তার গ্রামের বাড়িতে আসলে পরিবার এ বিয়ে মানতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বাড়ি
থেকে বের হয়ে স্ত্রীকে রেলস্টেশনে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী আরিফ। স্ত্রীর দাবি নিয়ে
সেই তরুণী এখন অনশন করছে স্বামীর বাড়িতে।
প্রেমিক আরিফ (২১) কুমিল্লার নাঙ্গলকোট
উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের উরুকচাউল গ্রামের আবদুস ছাত্তারের ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণী জানান,
৬ মাস আগে রং নম্বরে তাদের দুজনের পরিচয় হয়। এরপর তাদের দেখা হয়। তারপর প্রেম। আরিফের
সঙ্গে তার বাড়িতে যান তিনি। কিন্তু আরিফের বাবা তাদের দুজনকে বের করে দেয়। এরপর প্রেমিক
তাকে নিয়ে রেলস্টেশনে যায়। সেখানে রেখে পালিয়ে যায় আরিফ। পরে স্ত্রীর স্বীকৃতি চেয়ে
অনশনে বসেছেন তিনি। স্ত্রীর অধিকার না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন।
আরিফের মা সেলিনা বেগম জানান, মেয়েটি
যদি বিয়ের প্রমাণ দেখাতে পারে তাহলে স্ত্রী হিসেবে মেনে নেবেন তারা।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী
বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রসমুহে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
শুক্রবার
(২৬ এপ্রিল) এক অফিস আদেশে
১৪৪ ধারা জারি করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান।
শনিবার
(২৭ এপ্রিল) গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমুহের ‘এ’ ইউনিট, ৩
মে 'বি' ইউনিট এবং ১০ মে 'সি'
ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। 'এ' ইউনিটের পরীক্ষা
শুরু হবে বেলা ১২টায়। অন্য দুই ইউনিটের পরীক্ষা বেলা ১১টায় শুরু হবে। পরীক্ষা চলবে এক ঘণ্টা।
সূত্র
জানায়, কুমিল্লায় 'এ' ইউনিটের ভর্তি
পরীক্ষা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গভর্নমেন্ট ল্যাবেরটরি হাইস্কুল, বর্ডার গার্ড পাবলিক বিদ্যালয়, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ ও বার্ড হাইস্কুল;
'বি' ইউনিটের পরীক্ষা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও টিচার্স ট্রেনিং
কলেজ এবং 'সি' ইউনিটের পরীক্ষা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
কুমিল্লার
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দ শামসুল তাবরীজ জানান, সবগুলো পরীক্ষা কেন্দ্রে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পরীক্ষা কেন্দ্রে যাতে করে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে
জন্য ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। বিশৃঙ্খলা হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
৫ই আগষ্ট প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে একটি ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি আবার অনুরুপ একই ঘোষণা দেয়ায় নির্বাচন নিয়ে শংঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে যদি নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয় তাহলে সেই নির্বাচনে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে কিনা সেই শঙ্কা থেকে যায়। তিনি প্রধান উপেদেষ্টাকে জাতির কাছে সেটি পরিস্কার করার আহবান জানান। সেই সাথে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপের আয়োজন করার তাগিদ দেন।
আজ শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টায় কুমিল্লা নগরীর ফানটাউন মিলনায়তনে কুমিল্লা-৬ সদর আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কেন্দ্র কমিটির পরিচালক ও সহকারি পরিচালকদের সামাবেশে শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
যেন তেন নির্বাচন জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে পূরণ করতে পারবেনা উল্লেখ করে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন - একটি অর্থবহ সুষ্ঠু জনগণের অংশগ্রহণ মূলক অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন চান। উৎসবমুখর নির্বাচন, সকল বৈধ দলের স্বৈরাচার ছাড়া অংশ গ্রহণের নির্বাচন।কেবল অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনই বাংলাদেশ রাস্ট্রের এ সংকটকে দূর করতে পারে। জামায়াত ইসলামী দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করে বলে মন্তব্য করেন।
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। সংস্কারের বিষয়ে অনেকগুলো বিষয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যমত পোষণ করেছে। সংস্কারের ভিত্তিতেই নির্বাচন হতে হবে। এ সংস্কারের ভিত্তিতে নির্বাচন হতে হলে সংস্কার একটি আইনি ভিত্তি তৈরি করতে হবে।
এ সময় কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। মহানগরী নায়েবে আমির অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন ও সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা মহানগরী নায়েবে আমির মোছলেহ উদ্দিন, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারী মোশারফ হোসেন, সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তারকে স্বপদে বহালের দাবীতে বিবৃতি দিয়েছে বিশিষ্ট নাগরিকরা। লিখিত এক বিবৃতিতে তারা জানান, আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল, বর্তমানে স্কুল এন্ড কলেজটি প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই ভালো পড়াশুনা এবং ভালো ফলাফল করে আসছিল। ৫ই আগস্ট ২০২৪ এর পর স্কুলটিতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতির কারণে অধ্যক্ষ নার্গিছ আক্তারকে তাঁর দায়িত্ব পালন করতে দিচ্ছে না। আমরা মনে করি এটা অন্যায় । অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে আইন-আদালতের মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অধিকার করো আছে বলে আমরা মনে করি না । আর যেহেতু এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এটি জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে, তাই জেলা প্রশাসকের কাছে অধ্যক্ষকে পূর্ণ নিরাপত্তাসহ কর্মস্থলে যোগদান করানোর দাবী জানাচ্ছি। ইতোমধ্যে অনেক দিন হয়ে গেছে, অধ্যক্ষবিহীন বা অধ্যক্ষের অনুপস্থিতে পড়াশুনা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই অবিলম্বে অধ্যক্ষ মহোদয়কে সম্পূর্ণ নিরাপত্তাসহ যোগদান করানোর জন্য জেলাপ্রশাসককে আহ্বান জানাই । বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন- সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জহিরুল হক দুলাল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান , কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ , মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. ফরিদ উদ্দীন, রাজনীতিবিদ আবদুর রাজ্জাক , সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবুল কাশেম , রাজনীতিবিদ শেখ আবদুল মান্নান , লেখক ও গবেষক আহসানুল কবীর, কবি ও কথাশিল্পী সফিকুল বোরহান , কবি ও প্রকাশক হালিম আবদুল্লাহ, কবি ও গীতিকার শিহাব উদ্দিন, চিত্রশিল্পী মো. শাহ আলম, নাট্যকর্মী নন্দন ভৌমিক, কবি ও কথাশিল্পী গাজী মোহাম্মদ ইউনুস , সাংস্কৃতিক কর্মী জসীম উদ্দিন আহমেদ, সংগীত শিল্পী নির্মল সূত্রধর , আইনজীবী স্বর্ণকমল নন্দী পলাশ ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আসন্ন নির্বাচনে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার (চতুর্থ পর্যায়) সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কুমিল্লার কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মোঃ ফারুক হোসেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, “আজকের এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করা। নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন, যেখানে পুলিশের ভূমিকা নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দায়িত্ব হলো ভোটার, প্রার্থী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা। এজন্য প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে আইন, আচরণবিধি ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
পুলিশ সুপার আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে আরও দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবেন। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই— নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কুমিল্লা জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন