

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য
বাংলাদেশের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ মে) মিরপুরে প্রধান নির্বাচক
গাজী আশরাফ হোসেন লিপু ১৫ সদস্যের এই স্কোয়াড ঘোষণা করেন।
প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
খেলতে যাচ্ছেন রিশাদ হোসেন, জাকের আলী, তানজিদ হাসান তামিম, তানজিম হাসান সাকিব, তানভীর
ইসলাম ও তাওহীদ হৃদয়।
বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াড-
নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তাসকিন আহমেদ (সহ-অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, সৌম্য সরকার,
তানজিদ হাসান তামিম, সাকিব আল হাসান, তাওহীদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলী অনিক,
রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদী হাসান, তানজিম হাসান সাকিব, মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম,
তানভীর ইসলাম।
রিজার্ভ: হাসান মাহমুদ, আফিফ হোসেন।
মন্তব্য করুন


ফুটসালে অপরাজিত
যাত্রা ছুটছে বাংলাদেশের। আজ নেপালকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে মেয়েদের সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের
শিরাপা লড়াইয়ে ফিরেছেন সাবিনা খাতুন-মাসুরা পারভীনরা।
ব্যাংককের ননথাবুরিতে
শুরু থেকেই আক্রমণ শানায় বাংলাদেশ। তার ফলও পায় দ্রুত।
ম্যাচের ১৪
মিনিটে গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। কৃষ্ণা রানীর পাস থেকে দলকে লিড এনে দেন সাবিনা খাতুন।
অবশ্য ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে গোল পাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
মাতসুশিমা সুমাইয়ার
পাস ধরে গোলবার ফাঁকায় পেয়েও বলকে জালে জড়াতে পারেননি সাবিনা।
সেটার প্রায়শ্চিত্ত
যেন পরে করলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। সাবিনার গোলের রেশ শেষ না হতেই বাংলাদেশকে দ্বিতীয়
লিড এনে দেন কৃষ্ণা।
কৃষ্ণার ১৯
মিনিটের গোলের পর নেপালের জালে শেষ পেরেক মারেন লিপি আক্তার। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে
৩৩ মিনিটে গোল পায় বাংলাদেশ।
বিপরীতে ব্যবধান
কমানোর চেষ্টা করা নেপালের বেশ কিছু আক্রমণ সেভ করেন গোলরক্ষক স্বপ্ন আক্তার ঝিলি।
টুর্নামেন্টে
দ্বিতীয় জয় বাংলাদেশের। তিন ম্যাচ শেষে ২ জয় ও এক ড্রয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৭। সমান
৭ পয়েন্টে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে পাকিস্তান। এর আগে ভারতের সঙ্গে জয়ের পর
ভুটানের বিপক্ষে ড্র করে বাংলাদেশ।
চতুর্থ ম্যাচ
বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ৭ দলের টুর্নামেন্টে যে দল পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে
থাকবে তাদের হাতেই উঠবে সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি।
মন্তব্য করুন


পৃথিবী
সফরের অংশ হিসেবে আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি।
তবে এই ঐতিহাসিক ট্রফি সবাই সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না। কেবল কোকা-কোলার ‘আন্ডার
দ্য ক্যাপ’ প্রোমোশনাল ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়া নির্বাচিত কিছু ব্যক্তি
ট্রফিটি দেখার এবং এর সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পাবেন।
কোকা-কোলার
এই বিশেষ ক্যাম্পেইনটি শেষ হয়েছে ৮ জানুয়ারি। নির্দিষ্ট প্রোমোশনাল বোতল কিনে কিউআর
কোড স্ক্যান করা এবং ফিফা-থিমভিত্তিক কুইজে অংশ নিয়ে বিজয়ীরা এই এক্সক্লুসিভ পাস অর্জন
করেন।
ফিফা
বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলার ষষ্ঠ আসরের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় গত শনিবার সৌদি
আরবের রাজধানী রিয়াদে। কিংবদন্তি ইতালিয়ান ফুটবলার ও ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপজয়ী আলেসান্দ্রো
দেল পিয়েরো এই বিশ্বভ্রমণের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের
শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন ভিআইপিরা।
বিশেষ
ট্রফি ট্যুর বিমানে করে রিয়াদ বিমানবন্দরে পৌঁছে দেল পিয়েরো টারমাকে ফিফা বিশ্বকাপের
মূল ট্রফি উন্মোচন করেন। এরপর তিনি অংশ নেন একটি সংগঠিত ফুটবল ক্লিনিকে, যেখানে তরুণ
শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং বিভিন্ন ফুটবল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিশ্বকাপ ট্রফির
উপস্থিতি ও কিংবদন্তি ফুটবলারের সান্নিধ্যে শিশুদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
দিনব্যাপী
উৎসবের শেষ পর্বে রিয়াদের একটি বড় শপিং মলে সাধারণ দর্শকদের জন্য আয়োজন করা হয় পাবলিক
ফ্যান ইভেন্ট। সেখানে শত শত ফুটবলপ্রেমী ও গণমাধ্যমকর্মীর সামনে প্রদর্শন করা হয় ফিফা
বিশ্বকাপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ট্রফি।
ফিফা
বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের ৭৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করবে। পুরো সফর
চলবে ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে। এই বৈশ্বিক ট্রফি ট্যুরের মাধ্যমে বিশ্বের হাজারো ফুটবলপ্রেমী
জীবনে একবার কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন ফুটবলের সর্বোচ্চ পুরস্কারটি।
ট্রফি
ট্যুরের সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় আসবে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি।
এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও বিশ্বকাপের আবহে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ
পাবেন।
ফিফা
বিশ্বকাপ ২০২৬ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। এই প্রথম তিনটি দেশ-যুক্তরাষ্ট্র,
কানাডা ও মেক্সিকো-যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। এবারের আসরে অংশ নেবে ৪৮টি
দল এবং অনুষ্ঠিত হবে রেকর্ডসংখ্যক ১০৪টি ম্যাচ।
এই
ট্রফি ট্যুরে ২০২৬ সালের তিন আয়োজক দেশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ফিফা বিশ্বকাপ ও ফিফা নারী
বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলো-মরক্কো, পর্তুগাল, স্পেন, সৌদি আরব ও ব্রাজিল-সফর করবে ট্রফি।
কোকা-কোলা’র
গ্লোবাল অ্যাসেটস, ইনফ্লুয়েন্সার ও পার্টনারশিপস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মিকায়েল
ভিনে বলেন, ফুটবল এমন একটি খেলা, যা ভাষা বা দেশের সীমারেখা ছাড়াই মানুষকে একত্রিত
করে। দুই দশক ধরে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা ফুটবলপ্রেমীদের খেলাটির
জাদুর সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
ফিফার
চিফ বিজনেস অফিসার রোমি গাই বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি খেলাধুলার জগতে সর্বোচ্চ সম্মানের
প্রতীক। কোকা-কোলার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের
বিশ্বকাপের উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
ফুটবল
ম্যাচ দেখার সময় যে আবেগ, উত্তেজনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়-সেই অনুভূতিগুলোকে উদযাপন করতেই
ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি বাংলাদেশে নিয়ে আসা হচ্ছে। ট্রফির এই সংক্ষিপ্ত সফর হলেও
তা দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


মাঠে উত্তেজনা তুঙ্গে, রাকিবের চমৎকার পাস থেকে মোরসালিন করেন দলের প্রথম গোল, ফলে বাংলাদেশ ১-০ তে এগিয়ে গেল। গোলটি পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে উল্লাস ছড়িয়েছে এবং দর্শকরা আনন্দে হাততালি করছেন।
বাংলাদেশ দল এখন আক্রমণাত্মক খেলায় আরও দৃঢ় হয়েছে, প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে চেষ্টা করছে। ভারতের খেলোয়াড়রা প্রতিরোধ করতে বদ্ধপরিকর, কিন্তু বাংলাদেশের আক্রমণ এখন গতিময় এবং সজাগ।
মোরসালিনের এই গোল কেবল দলকে এগিয়ে নেয়নি, সমর্থকদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়েছে। ম্যাচের বাকি সময়েও উত্তেজনা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ রোববার
(১৬ নভেম্বর) ২য় নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ এর অফিসিয়াল ট্রফি উন্মোচন করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী সব দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি
বাসভবন যমুনায় ট্রফিটি তিনি উন্মোচন করেন।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নারী কাবাডি টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো।
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজন
করছে। টুর্নামেন্টটি ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর
স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে কেবল টুর্নামেন্ট শুরুর
বার্তা নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারীদের ক্রীড়াচর্চার প্রচারে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান
নেতৃত্বকেও উদ্যাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. ইউনূস ঢাকায় বিশ্বকাপ আয়োজনের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, অনুপ্রেরণামূলক এবং বিশ্বমানের টুর্নামেন্ট নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সব দলকে তিনি স্বাগত জানান
এবং আয়োজন সফল করার জন্য আয়োজক, ক্রীড়াবিদ এবং অংশীদারদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
এ বছরের নারী কাবাডি বিশ্বকাপে বিশ্বব্যাপী ক্রীড়ানুরাগীরা
একত্রিত হচ্ছেন এবং শীর্ষ জাতীয় দলগুলো আট দিনের তীব্র প্রতিযোগিতা ছাড়াও সংস্কৃতি
বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন
যে, প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে, সরবরাহ, নিরাপত্তা, দলের থাকার ব্যবস্থা এবং দর্শকদের
অংশগ্রহণের জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা রয়েছে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন, প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। এছাড়া নিরাপত্তা, দলগুলোর থাকার ব্যবস্থা এবং দর্শকের অংশগ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।
টুর্নামেন্টটি আনুষ্ঠানিকভাবে আগামীকাল উদ্বোধন করা
হবে এবং ২৪ নভেম্বর ফাইনাল পর্যন্ত প্রতিদিন ম্যাচ আয়োজন করা হবে।
এতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, চীনা তাইপে, জার্মানি, ইরান, ভারত, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জাঞ্জিবার।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, সরকার সক্রিয়ভাবে নারী ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করেছে এবং প্রতিযোগিতামূলক খেলায় তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ করেছে। নারী ক্রীড়াবিদদের সাফল্য দেশের জন্য গর্বের বিষয় এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শক্তিশালী অনুপ্রেরণা।
মন্তব্য করুন


ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলী খেলায় চ্যাম্পিয়ন
কুমিল্লার বাঘা শরীফ বলী।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে অনুষ্ঠিত
জব্বারের বলী খেলার ১১৫তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয় কুমিল্লার বাঘা শরীফ ও রাশেদ।
ফাইনালে প্রায় ১১ মিনিট
লাড়াইয়ের পর কুমিল্লার
বাঘা শরীফের কাছে হার মানতে হয় রাশেদের।
এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি
হয়ে রাঙামাটির সৃজন চাকমাকে হারিয়ে ফাইনালে যান রাশেদ। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে রাসেলের
এর প্রতিপক্ষ ছিলেন কুমিল্লার
বাঘা শরীফ।
এদিকে
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয় পান সৃজন চাকমা। এর আগে বিকেল চারটায় শুরু হয় বলী
খেলার ১১৫ তম আসর। এতে অংশ
নেন ৮৪ জন বলী ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে বড় চমক হয়ে এসেছেন কুমিল্লার জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবর। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে প্রার্থী ছিলেন দুইজন-আসিফ আকবর এবং মীর হেলাল উদ্দিন। আজ বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন, দুপুর ১২টার আগে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন মীর হেলাল। ফলে একক প্রার্থী হয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হচ্ছেন আসিফ আকবর।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন ৬ অক্টোবর। তার আগে আজ বুধবার (০১ অক্টোবর) ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এই সময়ের মধ্যে তামিম ইকবালসহ ১৬ পরিচালক প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
এদিকে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে বড় চমক ছিলেন তামিম ইকবাল। শুধু তামিমই নয়, আরও একাধিক প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন বিসিবি নির্বাচন থেকে। ক্যাটাগরি-২ থেকে তামিম ইকবাল ছাড়াও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন সাইদ ইবরাহিম, ইসরাফিল খসরু, রফিকুল ইসলাম বাবু, বোরহানুল পাপ্পু, মাসুদুজ্জামান, আসিফ রব্বানি, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ও সাব্বির আহমেদ রুবেল। ক্যাটাগরি-১ থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন মির হেলাল। আর ক্যাটাগরি-৩ থেকে সিরাজ উদ্দিন আলমগীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
প্রত্যাহার লিস্ট : তামিম ইকবাল (ওল্ডডিওএইচএস); রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা ক্রীড়াচক্র); মাসুদুজ্জামান (মোহামেডান); সাঈদ ইব্রাহীম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স); মির হেলাল (চট্টগাম জেলা); সৈয়দ বুরহান হোসেন পাপ্পু (তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি); ইসরাফিল খশরু (এক্সিউম ক্রিকেটার্স); সাব্বির আহমেদ রুবেল (প্রগতি সেবা সংঘ); তৌহিদ তারেক (পাবনা); অসিফ রাব্বানী (শাইনপুকুর); সিরাজ উদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর (ক্যাটাগরি-৩); ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং); ফাহিম সিনহা (সুর্যতরিণ); সাইফুল ইসলাম সপু (গুপিবাগ ফ্রেন্ডস); ওমর শরীফ মোহাম্মদ ইমরান (বাংলাদেশ বয়েজ)
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম ম্যাচে রংপুর রাইডার্স দাপুটে জয় দেখিয়ে শুরু করলো। লিটন দাস ও ডেভিড মালানের প্রাণবন্ত ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৭ উইকেট ব্যবধানে হারিয়ে নুরুল হাসান সোহানের দল শুরুতেই শক্তিশালী প্রভাব দেখাল।চট্টগ্রাম রয়্যালস প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১০২ রান সংগ্রহ করতে পারে। সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রংপুর মাত্র ৩০ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে।রংপুরের ওপেনার লিটন দাস ও ডেভিড মালান শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং দেখান। তারা ধীরে ধীরে চট্টগ্রামের বোলারদের ওপর চড়াও হন এবং নিয়মিত বাউন্ডারি হাঁকাতে থাকেন। লিটন দাস ৩১ বলে ৪৭ রান করে আউট হন, তাওহীদ হৃদয় মাত্র ১ রান করে ফিরে যান। মালান ৪৮ বলে ৫১ রান করে ফিফটি তুললেও অপরাজিত থাকতে পারেননি। শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (১*) ও খুশদিল শাহ (৬*) সহজেই দলের জয় নিশ্চিত করেন।টস জিতে রংপুর অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান। ইনিংসের প্রথম বলেই নাহিদ রানার আউট হন ইংলিশ ব্যাটার অ্যাডাম রশিংটনের হাতে। দ্বিতীয় উইকেটে মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও মির্জা বেগ কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। বেগ ২৪ বলে ২০ রান ও নাঈম ২০ বলে ৩৯ রান করেন। এরপর ফাহিম আশরাফ ও মুস্তাফিজুর রহমানের ধারাবাহিক আঘাতের মুখে চট্টগ্রামের ব্যাটিং দ্রুত ভেঙে যায়। শেষ আটজন ব্যাটারের মধ্যে কেবল আবু হায়দার রনি দুই অঙ্কের রান তুলতে সক্ষম হন—তিনি করেন ২১ বলে ১৩ রান।রংপুরের বোলারদের মধ্যে ফাহিম আশরাফ সর্বাধিক কার্যকর ছিলেন, একাই পাঁচটি উইকেট শিকার করেন। মুস্তাফিজুর রহমান দুটি উইকেট নেন, এবং বাকি তিনটি উইকেট তিনজন বোলার ভাগাভাগি করে নেন।
মন্তব্য করুন


আর্জেন্টাইন
সুপাস্ট স্টার লিওনেল মেসি ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর পরই বদলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের
ফুটবল। আর এবার যুক্তরাষ্ট্রের এনএফএলের (ন্যাশনাল ফুটবল লিগ) চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ
‘সুপারবোল’ও মেসির খ্যাতিকে কাজে লাগাতে চলেছে।
আর
এবারই ১ম সুপারবোলের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েছেন মেসি। ৬০ সেকেন্ডের সেই বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে
১ কোটি ৪০ লাখ ডলার (১৫৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা) আয় করবেন মেসি। সম্প্রতি মেসি একটি বিয়ারের
বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েছেন।
বিয়ার
কোম্পানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেজগুলোয় এরই মধ্যে মেসির বিজ্ঞাপনের একাধিক টিজার
প্রকাশ করেছে। ১৫ সেকেন্ডের একটি টিজারে দেখা যাচ্ছে, সাগরপাড়ে ফুটবল খেলছেন মেসি।
কয়েকজনকে ড্রিবল করে বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। পাশে
থাকা পর্যটকেরা তাঁর খেলা মুগ্ধতাভরে দেখছেন।
এই বিজ্ঞাপন আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি লাস ভেগাসের অ্যালেজায়ান্ট স্টেডিয়ামে ন্যাশনাল ফুটবল লিগে (এনএফএল) সুপারবোলের বিরতির সময় দেখানো হবে। প্রতি ৩০ সেকেন্ড বিজ্ঞাপনের জন্য ৭০ লাখ ডলার (৭৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা) দিয়ে আসছে বিয়ার কোম্পানি। সে হিসাবে মেসি ৬০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে পেতে যাচ্ছেন এর দ্বিগুণ অর্থ।
মন্তব্য করুন


ক্রিকেটারদের
দাবির মুখে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। টাইগার ক্রিকেট বোর্ড শর্ত জুড়ে দিয়েছিল, যদি আজকের মধ্যে
ক্রিকেটাররা খেলায় না ফেরে, তাহলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সেই
পথেই হাঁটছে বিসিবি। কোয়াবের অনড় অবস্থান এবং ক্রিকেটারদের ম্যাচ বয়কটের কারণে চলমান
বিপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে দিয়েছে বিসিবি।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রাঞ্চাইজিদের এ সিদ্ধান্তের কথা
জানিয়ে দেবে বোর্ড।
বাংলাদেশ
প্রিমিয়ার লিগের ঢাকা পর্ব শুরু হওয়ার কথা ছিল আজ। তবে তা শুরুর আগেই বড় অনিশ্চয়তায়
পড়ে। পরে দিনের ম্যাচ হয়নি। বিকালের ম্যাচও মাঠে গড়ায়নি। এরপর এমন সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি।
এদিন
সন্ধ্যা ছয়টায় মিরপুরে সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে রাজশাহী ওয়ারিয়রসের মাঠে নামার কথা
ছিল। দুপুরে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ম্যাচটিও একই কারণে অনুষ্ঠিত
হয়নি।
মন্তব্য করুন


ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত মাসের পাঁচ তারিখে ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। দশ দল নিয়ে শুরু হওয়া এই বৈশ্বিক আসর এসে ঠেকেছে দুই দলে। আহমেদাবাদেই স্বাগতিক ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এই বিশ্বকাপের। চরম উত্তেজনাকর এই ম্যাচে আসরের সেরা দলের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দল।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত দুইদলের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এখন পর্যন্ত মোট পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল তাদের হেক্সা মিশনের চূড়ান্ত লড়াই। অপরদিকে দুইবার বিশ্বজয় করেছে ভারত। তাদের সামনে তৃতীয় শিরোপা হাতে নেওয়ার সুযোগ।
এই ফাইনালের মঞ্চ ভারত বা অস্ট্রেলিয়া কোন দলের জন্যই অপরিচিত নয়। নিশ্চতভাবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য তো নয়ই, অষ্টমবারের মতো তারা ফাইনালের মঞ্চ মাতাবে। কলকাতা, লন্ডন, জোহানেসবার্গ, বার্বাডোস এবং মেলবোর্নে তারা বিশ্বকাপ তুলেছে এমনভাবে যেভাবে বাচ্চারা তাদের খেলনা সংগ্রহ করে। অনেক দলের জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা একটি উপলক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার জন্য, এটি জীবন ধারণের একটি উপায়। তবে এবার এই বিন্দুতে তাদের যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিল।
বিশ্বকাপে তারা তাদের প্রথম দুটি ম্যাচই হেরেছে, ৩৮৮ রান করার পরেও প্রায় হারতে বসেছিল, ২৯২ রান তাড়া করতে যেয়ে ৯১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারতে বসছিল এবং সেমিফাইনালের প্রথম ঘন্টার মধ্যে তাদের প্রতিপক্ষকে ২৪/৪ করার পরও প্রায় হারতে বসছিল। তবুও তারা সব বাধা অতিক্রম করে ফাইনালে প্রায় চ্যাম্পিয়নও তারা। এটি এমন এক বছরে যে বছরে তারা ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ ধরে রেখেছে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপও ঘরে তুলেছে, ক্রিকেট খেলার প্রতিটি ফরম্যাটে তিন বছরের বিশ্ব শিরোপা পূর্ণ করতে তাদের দরকার শুধু আগামীকালের ফাইনাল জয়। পারবে তো কামিন্সরা?
তবে বিশ্বকাপের সাথে অজিদের এতো ইতিহাস থাকার পরেও প্যাট কামিন্স এবং তার দল স্বীকার করবে যে তাদের প্রতিপক্ষ ফাইনালে ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে এবং শুধুমাত্র এই কারণে নয় যে তারা স্বদেশী দর্শকদের সামনে ঘরের মাঠে খেলবে। এমনকি যারা সাধারণত ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে থাকেন তারাও ভারতের এই দলের ক্রিকেটের এই সংস্করণে যে নির্ভুলতা এবং আগ্রাসণের সাথে কাজ করেছে তার প্রশংসা করবে। এই ভারতীয় দলের সাথে অনেকেই ২০০০ সালের পরের সব জয় করা বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে মিল পাবেন।
এখানেই রোহিত শর্মা-রাহুল দ্রাবিড়ের কৃতিত্ব। এই ক্যাপ্টেন-কোচ জুটি একটি দলের সাফল্যের জন্য আক্রমণাত্মক ব্র্যান্ডের খেলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা লুকানোর কোনও চেষ্টা করেনি ,একটি দলে সবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং অসামান্য ব্যক্তিগত প্রতিভা দিয়ে ভারতকে অজেয়তার আভাস দিয়ে রেখেছেন।
তবে দ্রাবিড় এবং রোহিত কথা নয় কাজে দেখাও মনোভাবে বিশ্বাসী। বলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যোগ্যতার পিছনে ছুটতে কিন্তু বাস্তব জীবনে এখনও সাফল্য মাপা হয় সার্টিফিকেট এবং ট্রফি দিয়ে এটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি। ভারতের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, রোহিতকে কপিল দেব এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়কদের সারিতে রাখার জন্য শুধু স্কোরকার্ড এবং পরিসংখ্যান দিয়ে হবে না।
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোহিতের অসাধারণ অধিনায়কত্বের গল্প, শামির প্রথম বলে উইকেট, কোহলির দুর্দান্ত শতক, রোহিতের প্রায় ১০০ এবং বুমরাহর জাদুকরী বোলিংকে ইতিহাসের পাতায় ভালোভাবে স্মরণ করা হবে যদি আগামীকাল ট্রফিটি রোহিতের হাতে উঠে। ভারতের অবশ্যই সাফল্যের কোন ঐশ্বরিক অধিকার নেই এবং অধিনায়ক এবং কোচ একমত হবেন যে তারা কেবল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। তবে এখন ভারতের এই দলের নিখুঁত সমাপ্তির স্ক্রিপ্ট করার সর্বোত্তম উপায় হল মাঠে জবাব দেয়া।
এই দুই হেভিওয়েটের চেন্নাইতে তাদের ম্যাচ শুরু না করার আগ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপটি খুব একটা দৌড়াতে পারেনি। এই দুইদলের তাদের চূড়ান্ত বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত এটি শেষ হবে না। মোতেরা থেকে খালি হাতে ফিরে আসা অধিনায়কের কীর্তি হতাশায় আবদ্ধ হবে আর অপর অধিনায়ক একটি ১১ কিলো ভরের সোনা এবং রৌপ্যর প্রলেপ দেওয়ায় ট্রফি দিয়ে লোকগাঁথায় অমরত্ব পাবে।
মন্তব্য করুন