

ভারতের বিশ্বকাপ মিশন শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। রবিবার(১২নভেম্বর) সকাল ১০টায় দেশে পৌঁছায় টাইগাররা।
শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ দল। এই হারের মাধ্যমেই শেষ হয়েছে টাইগারদের বিশ্বকাপ যাত্রা।
এবারে ৯টি ম্যাচের মধ্যে দুটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তান এবং শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের অর্জন কেবল চার পয়েন্ট। এছাড়া বাকি ম্যাচগুলোতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি সাকিব বাহিনী।
দেশে ফিরে কিছুদিন বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। তবে আগামী ২৭ তারিখ থেকে মাঠে গড়াবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্ট। আগামী ২২ নভেম্বর ঢাকায় পা রাখবেন কিউইরা।
মন্তব্য করুন


মো:মাসুদ
রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়ায় স্বর্গীয় মানিক বণিক ও উত্তম বণিক স্মৃতি ফুটবল ফাইনাল টূর্নামেন্ট খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে উপজেলার উত্তর শিবপুর সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সামাজিক সংগঠন উত্তর শিবপুর সেবাব্রত সংঘের আয়োজনে মথুরা ও
হস্তিনাপুর দলের ফাইনাল ফুটবল খেলা হয়। খেলায় টাইব্রেকারে হস্তিনাপুর বিজয়ী লাভ করেন।
পরে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন সাধারন
সম্পাদক সম্রাট শাহজাহান।
রাজবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
জগন্নাথ বণিকের সভাপতিত্বে ও সেবাব্রত সংঘের সহ-সভাপতি জয়দেব বনিকের পরিচালনায় এসময়
উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. বিশ্বনাথ বসু,উত্তর শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
সভাপতি জিসান আহমেদ,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রশিদ সরকার,যুবলীগ নেতা সোহেল রানা,কৃষ্ণ
বণিক,সেবাব্রত সংঘের সভাপতি শ্রী সুজন বণিক,সাধারন সম্পাদক শৈশব বণিক,সহ-সাধারন সম্পাদক
দেবাশিষ বণিক,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাঁধন বসু,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাজীব শীল,বলরাম শীল,ধর্ম
বিষয়ক সম্পাদক জয় বণিক ও সহ-ধর্ম বিষয়ক অজিত শীল সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে
চ্যাম্পিয়ান দল হস্তিনাপুর খেলোয়ারদের মাঝে ট্রফি তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, উত্তর শিবপুর সেবাব্রত সংগঠনটি
প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানান কর্মকান্ড করেছে। তবে বিশেষ করে গরীব অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের
অনুদান,শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ,আর্থিক সহায়তা,খাদ্য সহায়তা,পড়াশুনার খরচ,সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়
প্রোগ্রামে অংশগ্রহন করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ভবিষ্যতে এমন সাফল্যে ধরে রাখতে সংগঠনের
সদস্যরা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ—এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি সরকারের এবং এর পেছনে রয়েছে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা সংক্রান্ত আশঙ্কা। তিনি জানান, এই বিষয়গুলো সাধারণভাবে ক্রিকেটারদের বিবেচনার বিষয় নয়। তবে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা বৈঠকে খেলোয়াড়দের বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে।
আসিফ নজরুল স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দেশের নাগরিক অন্য দেশে গেলে সেখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে কি না—তা মূল্যায়নের দায়িত্ব সরকারের। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার অন্য কারও নেই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকার মনে করছে, ভারতে বাংলাদেশ দলের জন্য ঝুঁকি রয়েছে।
বিশ্বকাপে অংশ না নিলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ক্ষতি হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, উল্টোভাবে ভাবারও প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি উপেক্ষা করে যদি খেলোয়াড়, দর্শক ও সাংবাদিকদের সম্ভাব্য ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়, তাহলে সেটার ফলাফলও মারাত্মক হতে পারে। শুধুমাত্র খেলার জন্য দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করা যুক্তিযুক্ত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সরকার আশা করছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়সংগতভাবে বিবেচনা করবে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি মাথায় রেখে শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হতে পারে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের অধিকার বলেও উল্লেখ করেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, ওই বৈঠকের বিষয়বস্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ের। ক্রিকেটাররা চাইলে নিজেরাই গণমাধ্যমে কথা বলতে পারেন। সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল—কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটি খেলোয়াড়দের পরিষ্কারভাবে বোঝানো। তার মতে, ক্রিকেটাররা বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছেন।
মন্তব্য করুন


মাঠে উত্তেজনার ছোঁয়া ছড়াচ্ছে। আজ বাংলাদেশ এবং ভারত মুখোমুখি হচ্ছে এক জোরালো ক্রীড়া দ্বৈরথে, যা ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য বড় আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ দল সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে, মাঠে জোরালো এবং মনোবল উজ্জ্বল। ভারতও পিছিয়ে নেই; তাদের অভিজ্ঞ দল কৌশলগতভাবে খেলায় এগিয়ে থাকার পরিকল্পনা করছে। দুই দলের ভক্তরা ইতোমধ্যেই উত্তেজনায় ফেটে পড়েছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উৎসাহ প্রদর্শন করছেন।
বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, ম্যাচটি হবে দৌড়-প্রতিযোগিতা, দ্রুত পয়েন্ট, এবং খেলার প্রতিটি মুহূর্ত দর্শকদের জন্য মনোমুগ্ধকর হবে। মাঠে উত্তেজনা ছড়ানো ম্যাচটি কেবল দুই দলের মধ্যকার লড়াই নয়, এটি দুই দেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্যও বড় উদ্দীপনার মুহূর্ত।
বাংলাদেশ-ভারত মুখোমুখি এই উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে দারুণ এক অভিজ্ঞতা উপহার দেবে, যেখানে দর্শকরা প্রত্যাশা করছেন প্রতিটি শট এবং সিদ্ধান্তে নতুন রোমাঞ্চ।
মন্তব্য করুন


ইতালি প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলামকে প্রাথমিক ক্যাম্পে ডেকেও দেশে আনা হয়নি। এ নিয়ে দেশের ফুটবলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আর সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হওয়া এ ক্ষোভ গড়িয়েছে আন্দোলনেও।
এমন পরিস্থিতিতে
রাজধানীর নগর ভবনে আজ দুপুর আড়াইটায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ
মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন সম্ভাবনা
হামজা চৌধুরী। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত হয়ে চলমান সঙ্কট নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টার
সঙ্গে আলোচনায় বসেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
এসময় ক্রীড়া উপদেষ্টা
সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা অভিযোগ সম্পর্কে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘ফুটবল ফেডারেশনে
সিন্ডিকেট করার কোনো সুযোগ নেই। যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই যার যার জায়গা করে নেবে, এমন
কোন কিছুর আভাস মিললে ব্যবস্থা নেবে ফেডারেশন। ফাহমিদুলকে আমরা বাদ দিয়ে দেইনি। তবে
ওকে আমরা আরও সময় দিতে চেয়েছি। আগামী জুনেই ঘরের মাঠে বাংলাদেশের ম্যাচ রয়েছে,
খুব শিগগিরই হয়তো তাকে আমরা মাঠে দেখতে পারি। সমর্থকদের এতটুকু বলবো, হতাশ হওয়ার
কিছু নেই।
আন্দোলনের
সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, স্বজনপ্রীতি ও সিন্ডিকেটের কারণেই নেওয়া হয়নি ফাহমিদুলকে।
আলোচনায় সিন্ডিকেট নিয়ে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনা অভিযোগ এবং ফাহমিদুলের বাদ পড়া প্রসঙ্গে ক্রীড়া
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দেশের স্বার্থেই যোগ্য খেলোয়াড়দের বঞ্চিত করার কোনো
সুযোগ নেই। প্লেয়ার সিলেকশনে যেনো স্বজনপ্রীতি বা সিন্ডিকেটের শিকার কেউ না হোন সে
বিষয়ে বাফুফেকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এ বিষয়ে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে জড়িতদের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। ’
যে কোনো সঙ্কট
মোকাবিলায় বাফুফেকে আরো সুদৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার
আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আলোচনায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি আধুনিক ধারার দৃষ্টিভঙ্গি এবং আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসার প্রয়াসকে প্রশংসিত করে ক্রীড়া উপদেষ্টাকে সাধুবাদ জানান হামজা। বাংলাদেশ ফুটবলকে নিয়ে নতুন সম্ভাবনার কথা শুনিয়ে হামজা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত, দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমার আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে।
মন্তব্য করুন


ভিশন ২০৩০’ কর্মপরিকল্পনার আওতায় ব্যাপক বিনিয়োগের মাধ্যমে ক্রিকেট অঙ্গনে নিজেদের ভিত্তি মজবুত করতে চায় সৌদি আরব। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করে বিভিন্ন টেস্ট খেলুড়ে দেশ থেকে ক্রিকেটার সংগ্রহ করে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় দল গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে দেশটি।এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বাংলাদেশ থেকে ক্রিকেটার ও কোচ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে সৌদি আরব। তবে তাদের সেই প্রস্তাবে সায় দেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।ক্রিকেটবিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি বিসিবির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিকেটার পাঠানোর অনুরোধ জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, প্রায় দুই মাস আগে তাঁর কাছে প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি।এ প্রসঙ্গে বিসিবি প্রধান আরও জানান, সৌদি আরব পুরুষ ও নারী—দুই বিভাগ থেকেই ক্রিকেটার ও কোচ চেয়েছিল। তবে দেশের ক্রিকেটের স্বার্থের সঙ্গে আপস করে এমন সহযোগিতা করা সম্ভব নয় বলেই তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন।উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে সৌদি আরব ইতোমধ্যে গলফ, ফর্মুলা ওয়ান এবং ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের মতো বড় উদ্যোগে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। এবার আইসিসি ও এসিসির সহায়তায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রিকেটে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করাই তাদের নতুন লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন


সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তিনি এ সংবর্ধনা প্রদান করেন।
এ সময় নারী ফুটবল দলের সদস্যরা তাঁদের স্বপ্ন ও খেলোয়াড় জীবনের প্রতিদিনের সংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টার সামনে তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বিজয়ী খেলোয়াড়দের বিভিন্ন দাবি ও কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অগ্রাধিকারভিত্তিতে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
গত ৩০ অক্টোবর কাঠমান্ডুতে সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে পরাজিত করে শিরোপ জিতে নেয় বাংলাদেশ দল।
নারী ফুটবলারদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই সাফল্যের জন্য আমি পুরো জাতির পক্ষ থেকে তোমাদেরকে অভিনন্দন জানাই। জাতি তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের দেশের মানুষ সাফল্য চায়, আর তোমরা সেই সাফল্য এনে দিয়েছ।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি।
তিনি বলেন, অনেক বাধা পেরিয়ে আমরা এই পর্যায়ে পৌঁছেছি। শুধু নারী ফুটবল দলই নয়, বাংলাদেশের নারীদের সামগ্রিকভাবে নানা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
২০০৯ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করা সাবিনা তাঁর আগের প্রজন্মের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, আগের প্রজন্ম
ফুটবলকে তাঁদের ভালবাসা হিসেবে বেছে নেওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন।
সাবিনা আরো বলেন, আমাদের অনেকে সাধারণ পরিবার থেকে এসেছে এবং তার পরিবারকে আর্থিকভাবে
সাহায্য করতে হয়।
তিনি বলেন, আমাদের বেতন খুব বেশি নয়। এই বেতন দিয়ে পরিবারকে তেমন কোন সাহায্য করতে পারি না।
এই তারকা স্ট্রাইকার তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধার সংগ্রামের গল্প, যেমন মারিয়া মান্দারের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
ময়মনসিংহের বিখ্যাত কলসিন্দুর গ্রামের মারিয়া, যেখান থেকে সাফ বিজয়ী দলের ছয়জন খেলোয়াড় এসেছেন, ছোটবেলায় তাঁর বাবাকে হারান এবং মা তাকে বড় করেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা রানী সরকার ঢাকায় তাঁদের আবাসন সমস্যার কথা উল্লেখ করেন, আর মিডফিল্ডার মানিকা চাকমা খাগড়াছড়ি জেলার দূরবর্তী লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ফুটবলার হিসেবে উঠে আসার সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন।
মিডফিল্ডার স্বপ্না রানী তাঁর নিজ জেলা দিনাজপুরের রানীশংকৈল উপজেলায় তার গ্রামের দূর্বল অবকাঠামোর কথা বলেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেন যেন তাঁদের জন্য এশিয়ার বাইরে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়, বিশেষ করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বিজয়ী বার্সেলোনার সঙ্গে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তাদের ব্যক্তিগত আশা-আকাঙ্ক্ষা, সংগ্রাম ও তাদের বিভিন্ন দাবি আলাদাভাবে কাগজে লিখে তাঁর কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য বলেন।
অধ্যাপক ইউনুস বলেন, ‘তোমরা যা কিছু চাও তা লিখতে দ্বিধা করো না আমরা তোমাদের দাবিগুলো পূরণ করার চেষ্টা করব। যদি কিছু এখনই করা সম্ভব হয়, আমরা তা করব’।
কোচ পিটার বাটলার এবং ম্যানেজার মাহমুদা আক্তারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, সুপ্রদীপ চাকমা, অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এবং নূরজাহান বেগম।
মন্তব্য করুন


গত এক দশক ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট লড়াই মানেই মাঠের ভেতর ও বাইরের উত্তেজনা। সেই উত্তেজনার আরেক অধ্যায় আজ বুধবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। বাইরে থেকে সম্পর্ক যতই ঠাণ্ডা দেখাক, মাঠে দুই দলের মধ্যে উত্তাপের ঘাটতি নেই।
ভারত এখনো টুর্নামেন্টে অপরাজিত এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার আত্মবিশ্বাস তো আছেই। শেষ ৩২ ম্যাচে মাত্র তিনটিতে হেরেছে তারা, যা তাদের সাম্প্রতিক ফর্মের সাক্ষ্য দেয়। অন্যদিকে, সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেলেও ফাইনালের স্বপ্ন ধরে রাখতে এই ম্যাচে জয় গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতকে হারানো অসম্ভব নয়। তার মতে, নিজেদের সেরা খেলাটা খেলে ভারতের ভুলগুলোকে কাজে লাগাতে হবে।
ভারতের মতো দলের বিপক্ষে জিততে হলে নিখুঁত হতে হবে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই। দুবাইয়ের স্লো পিচে শরিফুলের বদলে দেখা যেতে পারে আগ্রাসী পেসার তানজিম হাসান সাকিবকে। ওপেনিংয়ে তানজিদ ও সাইফ, তিনে লিটন, এরপর হৃদয়, শামীম ও জাকের আলী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একজন বাড়তি অলরাউন্ডার হিসেবে সাইফউদ্দিনের খেলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী, শামীম হোসেন, মেহেদী হাসান, শরীফুল ইসলাম/তানজিম সাকিব, নাসুম আহমেদ/সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ।
ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: অভিষেক শর্মা, শুভমান গিল, সঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), তিলক ভার্মা, শিভম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, জসপ্রিত বুমরাহ, কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী।
মন্তব্য করুন


গতকাল টানা দ্বিতীয়বার সাফ চ্যাম্পিয়ন
হয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বাংলাদেশ
সময় দুপুর আড়াইটার দিকে ট্রফি নিয়ে দেশে পা রাখেন সাবিনা-ঋতুপর্ণারা। এরপর সংবাদ সম্মেলন
শেষে ছাদখোলা বাসে শুরু হয় বিজয় প্যারেড। এই বাসে করে বাফুফে ভবনে যাবেন মেয়েরা।
আগেরবারের মতো এবারও তাদের ছাদখোলা
বাসে সংবর্ধনা দিচ্ছে বাফুফে। চ্যাম্পিয়নদের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে বাস।
এবার নারী ফুটবলারদের জন্য বাসের ব্যবস্থা
করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।
এর আগে গতকাল দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে
আসরের ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে মেয়েদের সাফের শিরোপা ধরে রাখে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৮ বছর পর জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪ এর কুমিল্লা বিভাগীয় উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে খেলার সূচনা হয়। তিন জেলার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে দুটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে – সবুজ দল এবং লাল দল।
সবুজ দল গঠিত হয়েছে কুমিল্লা দক্ষিণ ও মহানগরের খেলোয়াড়দের নিয়ে, আর লাল দল গঠিত হয়েছে চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা মিলে। ২০ ওভারের এই খেলায় টসে জিতে সবুজ দল প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। মেহেদী হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৯ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের একটি চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে সবুজ দল।
পরে, জয়ের জন্য ১৫৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে লাল দলের প্রথমে নাজুক অবস্থা থাকলেও দলের হাল ধরেন নাহিদ ও সুমন। দুজনের পার্টনারশিপে রানের পার্থক্য কমিয়ে আনেন তারা৷ পরে, সবুজ দলের সানজিদ মজুমদারের বোলিংয়ের সামনে কাবু হয়ে যায় লাল দল। ৪ উইকেট হাতিয়ে নেয় সানজিদ। কিন্তু, লাল দলের নাহিদের ব্যাটিং জড়ে হাফ সেন্সুরি ও নাহিদ-ইয়াসির জুটির কাছে হার মানতে বাধ্য হয় সবুজ দল। ঘুরে দাঁড়ায় লাল দল৷ ৪ উইকেট হাতে রেখে ও ১৯ ওভারে ইয়াসির আরাফাতের বাউন্ডারির মাধ্যমে লাল দল নিজেদের ঝুড়িতে টার্গেট রান তুলে নেয়৷ সবুজ দলের দৃঢ় বোলিংয়ের সামনে লাল দল নিজেদের ব্যাটিংয়ের জড় দেখিয়ে এভাবেই একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে জয় তুলে নেয়।
পরে, খেলোয়াড়দের মাঝে একে একে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিরা৷ উদ্বোধনী এই ম্যাচে প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ হন লাল দলের ইয়াসির আরাফাত। পরে, একে একে অতিথিদের হাত থেকে পুরষ্কার তুলে নেন দু’দলের খেলোয়াড়রা৷
এসময়, পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম বাবু, সদস্য সচিব দেবব্রত পাল, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উৎবাতুল বারি আবু, সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম এবং কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লা বিভাগীয় এই উদ্বোধনী ম্যাচের সাফল্যের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের বাকি খেলা নিয়ে স্থানীয় খেলোয়াড় ও দর্শকদের মাঝে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই টুর্নামেন্ট ক্রীড়ার মাধ্যমে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন


বিপিএলের ১২তম আসরের খেলোয়াড় নিলাম রোববার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের গ্র্যান্ড বলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। নিলাম শুরুতেই তুলে নেওয়া হয় নাইম শেখ ও লিটন দাসকে, তবে অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ কোনো দল পাননি।
চট্টগ্রাম রয়্যালস ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে ভেড়ায় ওপেনার নাইমকে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে থাকা নাইমকে নিতে প্রতিযোগিতায় নেমেছিল সিলেট, রংপুর ও নোয়াখালী—শেষ পর্যন্ত বিডের লড়াই জিতে চট্টগ্রামই তাকে দলে পায়।
অন্যদিকে রংপুর রাইডার্স ৭৫ লাখ টাকায় দলে নেয় উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাসকে।
তবে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে থাকা মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর প্রতি কোনো দল আগ্রহ দেখায়নি, ফলে দুজনই প্রথম ডাকে অবিক্রিত থেকে যান।
মন্তব্য করুন