

দেশের ৩টি বিভাগে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিপাতের আভাসও রয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ বলেন, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
বুধবার সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
খুলনা বিভাগসহ গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা ও পটুয়াখালী জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
মন্তব্য করুন


আজ বুধবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৯ টায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির মান্যবর রাষ্ট্রদূত মি. আন্দ্রোনিকো আলেসান্দ্রো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও এক ব্রেকফাস্ট বৈঠকে মিলিত হন।
মি. অ্যাম্বাসেডর শুরুতেই আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এর স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন এবং পরিপূর্ণ আরোগ্য কামনা করেন।
বৈঠকে তারা বাংলাদেশে বিরাজমান সার্বিক পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ও ইতালির বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কসহ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতি ইতালির দৃঢ় সমর্থন থাকবে। একই সাথে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে-ইতালির বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।”
আলোচনাকালে মান্যবর রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইতালি দূতাবাসের ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর মি. ফেদেরিকো জামপারেল্লি। আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
মন্তব্য করুন


জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার
পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। তবে চাকরিতে এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে
যুক্ত হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার ফেরিভাইড ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন,
জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। চাকরিতে
এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না। পরিবারের কর্মক্ষম কোনো একজন ব্যক্তিকে একবারের
জন্যই যোগ্যতার বিচারে সরকারি-আধা সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার
কথা বলা হয়েছে। কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটা বিবেচ্য হবে না। আহতদের ক্ষেত্রে
যারা সারাজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (অন্ধ কিংবা অঙ্গহানী) এবং আর কখনো কর্মক্ষম
হতে পারবে না তাঁদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরকম আহতদের একটা বড় অংশই
তরুণ এবং বাকি জীবন তাঁদেরকে আন্দোলনের ক্ষত বয়েই বেড়াতে হবে, অনেককে দীর্ঘকাল চিকিৎসার
মধ্য দিয়ে যেতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের পুনর্বাসন এবং
এই পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা দেওয়াটা আমাদের অঙ্গীকার ছিলো এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বও
বটে। কয়েক হাজার পরিবার অচল হয়ে গিয়েছে এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের ফলে। তাঁদের এই ক্ষতি
আমরা কোনোকিছু দিয়েই পূরণ করতে পারবো না। আর এই পরিবারগুলো যে কোনো সুযোগ সুবিধার চেয়ে
কেবল সকলের থেকে সম্মান ও মর্যাদা চায়।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)।
এই নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে ইতিমধ্যে ঢাকায় এসেছেন ৩৯৪ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও
১৯৭ জন সাংবাদিক। পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ৮০ জন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি
রয়েছেন। এ ছাড়া দ্বিপক্ষীয় দেশসমূহ—যার মধ্যে স্বতন্ত্র ইউরোপীয় পর্যবেক্ষকেরাও
রয়েছেন—সেখান থেকে এসেছেন ২৪০ জন।
এ
ছাড়া বিভিন্ন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৫১ জন ব্যক্তি নিজস্ব সক্ষমতায়
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রেস
উইং জানায়, আসন্ন নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির
বিতর্কিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। তুলনামূলকভাবে একাদশ,
দ্বাদশ ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৫৮,
১২৫ এবং মাত্র ৪ জন।
পর্যবেক্ষক
পাঠানো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে—এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস
(এএনএফরেল) থেকে ২৮ জন, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট থেকে ২৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল
রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে ১৯ জন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই)
থেকে একজন। এছাড়া ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান
পলিটিক্যাল পার্টিজ (আইসিএপিপি) থেকে দুজন করে এবং ইউরোপিয়ান এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিস
থেকে একজন প্রতিনিধি এসেছেন।
ইউরোপীয়
ইউনিয়নের পাশাপাশি ২১টি দেশ থেকেও পর্যবেক্ষকরা এসেছেন। এর মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান
(৮), ভুটান (২), শ্রীলঙ্কা (১১), নেপাল (১), ইন্দোনেশিয়া (৩), ফিলিপাইনস (২), মালয়েশিয়া
(৬), জর্ডান (২), তুরস্ক (১৩), ইরান (৩), জর্জিয়া (২), রাশিয়া (২), চীন (৩), জাপান
(৪), দক্ষিণ কোরিয়া (২), কিরগিজস্তান (২), উজবেকিস্তান (২), দক্ষিণ আফ্রিকা (২) ও নাইজেরিয়া
(৪)।
এছাড়া
ভয়েস ফর জাস্টিস, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, এসএনএএস আফ্রিকা, সার্ক হিউম্যান রাইটস
ফাউন্ডেশন ও পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের প্রতিনিধিরা ব্যক্তিগত
উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।
আন্তর্জাতিক
পর্যবেক্ষকদের সমন্বয় কার্যক্রমে সহায়তাকারী জ্যেষ্ঠ সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া
মোরশেদ বলেন, ‘বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার ইতিবাচক সাড়া আমাদের উৎসাহিত করেছে। এটি অবাধ,
সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক
সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিফলন।’
তিনি
আরো বলেন, ‘শুধু সংখ্যায় নয়, মানের দিক থেকেও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
তাদের অনেকেই বিশ্বব্যাপী নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অভিজ্ঞ ও উচ্চপ্রোফাইল ব্যক্তিত্ব।
উচ্চপর্যায়ের
অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন— ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আদ্দো
দানকওয়া আকুফো-আদ্দো, ভুটানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডেকি পেমা, বাংলাদেশে সাবেক
তুর্কি রাষ্ট্রদূত মেহমেত ভাকুর এরকুল, যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সাবেক গভর্নমেন্ট
ডেপুটি চিফ হুইপ লর্ড রিচার্ড নিউবি, মালয়েশিয়ার নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা রামলান
বির হারুন এবং ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য ও পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের
প্রেসিডিং বোর্ডের সদস্য বেহনাম সাঈদি।
এদিকে
৫০টির বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ দুই হাজারেরও বেশি প্রার্থী সংসদীয়
আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একইদিনে অনুষ্ঠিত হবে
জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট।
মন্তব্য করুন


পহেলা
বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান। উদ্বোধনী দিনে তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় কৃষকদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ
করবেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের আওতায়
এই কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার।
মঙ্গলবার
(১৭ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষক কার্ড প্রণয়ন
সংক্রান্ত সেলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর
রহমান রুমন এ তথ্য জানান।
আতিকুর
রহমান রুমন জানান, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদরসহ মোট ১১ উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম
শুরু হবে। প্রথম ধাপে এসব উপজেলার ২১ হাজার ৫০০ কৃষকের কাছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে
অর্থ সহায়তা পৌঁছে যাবে।
অতিরিক্ত
প্রেস সচিব বলেন, ‘এই কার্ড কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চাষি ও খামারিদের দেওয়া
হবে। এটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে কাজ করবে। শুধু ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র
শ্রেণির কৃষককে কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য প্রণোদনা হিসেবে বছরে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া
হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সার, বীজ, কীটনাশক ও পশু খাদ্য ক্রয় করতে পারবেন।’
টাঙ্গাইল
ছাড়া অন্য উপজেলাগুলো হলো- পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা,
পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সাবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর,
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও মৌলভীবাজারের জুড়ী।
বৈঠক
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রস্তাবিত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য
পরিচিতি নিশ্চিত করা যাবে। পাশাপাশি কৃষি ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা, বীজ ও সার বিতরণসহ বিভিন্ন
সরকারি সহায়তা আরো স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে দেওয়া সম্ভব হবে।
বৈঠকে
ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়েও
আলোচনা হয়।
বৈঠকে
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াসিন, মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ
আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
মীর শাহে আলম এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা
রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপিস্থত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ ৭ জানুয়ারি (বুধবার) বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ (সাবেক এমপি) এবং এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
নির্বাচন কমিশনের সাথে সাক্ষাৎ পরবর্তী এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের দলের কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বলেন, এক দেশে দুই রকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিছু কিছু রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই আইনে দুই রকম সিদ্ধান্ত, আমরা এটার প্রতিবাদ জানিয়েছি। তিনি উল্লেখ করেন, একই ঘটনায় দুইজনের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছে, একই ধরনের ঘটনা একই কোর্ট একই মামলা, কিন্তু আমাদের সিনিয়র নেতা- হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এটা যে কারণে হয়েছে তা হলো- বিভিন্ন জায়গায় দলীয় ডিসি নিয়োগ করা হয়েছে এবং তারা দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখেছেন, আইনকে দেখেননি। আমরা বলেছি- এ ধরনের ডিসি, এসপি যারা আছে তাদের অপসারণ করতে হবে। নিরপেক্ষ ডিসি, এসপি সেখানে নিয়োগ করতে হবে, তা না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকার কারণে একটি দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ করা হলেও কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। এটি আমরা কমিশনকে জানিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা বলেছি যে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। অন্য একটা দলকে ব্যাপক প্রচারণার সুযোগ দিচ্ছে। বিটিভি নিরপেক্ষ হয়নি- আমার এমন প্রশ্নে তথ্য উপদেষ্টা নিজের অসহায়ত্বের কথা জানান। অনতিবিলম্বে সকল দলের প্রচারণায় সমান সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছি আমরা।
রাজনৈতিক দল ও দলীয় প্রধানের প্রটেকশনে প্রটোকলের বিষয়ে বৈষম্যের কথা উল্লেখ করে ডা. তাহের বলেন, কোন কোন ব্যক্তিকে অনেক প্রটেকশন দেয়া হচ্ছে। আবার একই পর্যায়ের অন্য নেতাদেরকে সেরকম প্রটেকশন দেয়া হচ্ছে না। এখানে প্রটেকশন কাউকে বেশি দিবেন, কম দিবেন এটা আমাদের ইস্যু নয়। আমাদের ইস্যু হচ্ছে নির্বাচনের সময় একটা পাবলিক ইম্প্রেশনের প্রশ্ন আছে। এখন নির্বাচনের সময় এটা একটা ইস্যু, কারণ মানুষ দেখবে যে একজনকে অনেক প্রটোকল দেয়া হচ্ছে। তার প্রতি মানুষের ইম্প্রেশন হতে পারে। কারণ মানুষ বুঝবে সে ভবিষ্যৎ নেতা। যেটা লেভেল প্লেয়িংকে সাংঘাতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একটা রঙ ম্যাসেজ জনগণকে দেয়ার চেষ্টা করছে।
আচরণবিধি লঙ্ঘণের বিষয়ে তিনি বলেন, একটি দলের পক্ষ থেকে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। এটা সুস্পষ্টভাবে আচরণবিধির লঙ্ঘন। নির্বাচন কমিশন আমাদেরকে এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ফেয়ার ইলেকশনের জন্য ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি থাকা দরকার। তারা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছেন এবং আমাদের বলেছেন, এটা তারা ৯০ ভাগ কেন্দ্রে করবেন। আমরা চাচ্ছি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক। যদি আগামী নির্বাচনটি পাতানো নির্বাচন হয়, তাহলে বাংলাদেশ অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। দেশ আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে চলে যাবে। একটি দল এটা করতে গিয়ে নির্বাসনে আছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, কোনো অভিযান পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীকে নিজেদের পরিচয় দিয়ে গ্রেফতার করতে হবে, পরিচয় না দিয়ে কোনো অবস্থাতেই
কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না।
রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত
করা হয়।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর)
থেকে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল।
এর আগে পুলিশ সদর দফতর থেকে কোনো ব্যক্তির
কাছে এ ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ রক্ষিত থাকলে মঙ্গলবারের মধ্যে নিকটস্থ থানায় জমা
দিতে বলা হয়েছিল। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আগেই
ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের
খবরে দেশের বিভিন্ন থানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। থানায় সংরক্ষিত বিপুল
পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এরপর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর
অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ। তবে সে সংখ্যাটা
খুবই নগণ্য। বহু অস্ত্র বাইরে রয়ে গেছে। সেসব অস্ত্র এবং আগে থেকে অনেকের কাছে থাকা
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে
লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার কার্যক্রমসহ নিয়মিত টহল ও নজরদারি অব্যাহত রাখা
হবে বলে এরই মধ্যে একাধিকবার জানিয়ে আসছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
মন্তব্য করুন


রোববার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে নড়াইলে কালিয়ার চাচুড়ী বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার করায় ৪ জন ব্যবসায়ীকে ৪ হাজার ৭শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত ২০ কেজি পলিথিন জব্দ করেছেন।
রোববার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় ঘোষ এ অভিযান চালান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় ঘোষ জানান, নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার ও মজুদ করায় ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মেজবাহ উদ্দিনকে ৩ হাজার, বাবুলাল সাহাকে ১ হাজার, পরমানন্দ বিশ্বাসকে ৫০০ ও মুজাম খানকে ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারের
সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যদের ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছে টেকনাফের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী
হুজাইফা আফনান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ
কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। অপারেশন করেও তার মাথার ভেতরে থাকা গুলি বের করা সম্ভব হয়নি।
হুজাইফা গুলিবিদ্ধ
হওয়ার এক দিন পর সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে একই এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামে
এক যুবকের পা বিছিন্ন হয়ে যায়।
ভুক্তভোগীদের
পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরাকান আর্মির
(এএ) গুলি ও মাইনে গুরুতর আহত হয়েছেন হুজাইফা ও হানিফ।
চট্টগ্রাম মেডিকেলের
আইসিইউর সামনে বিষন্ন মনে দাঁড়িয়েছিলেন গুলিবিদ্ধ শিশু হোজাইফা আফনানের চাচা শওকত আলী।
হুজাইফার শারীরিক
অবস্থা জানতে চাইলে শওকত জানান, তার (হুজাইফা আফনান) অবস্থা ভালো না। মাথায় এখনো গুলি
রয়ে গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ‘মাথার ভেতরে স্পর্শকাতর জায়গায় আছে গুলিটি। এখনো বের
করার মতো পরিস্থিতি হয়নি। গত রোববার রাতে মাথায় অপারেশন হয়েছে। তার মাথার খুলি আলাদা
করে ফ্রিজে রাখা হয়েছে।’
গত সোমবার
(১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে তিনি এসব তথ্য জানান।
শওকত আলী স্থানীয়
একটি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘রোববার সকালে আমাদের
বাড়িতে পিঠা বানানো হচ্ছিল। সাড়ে ৮টার দিকে নাস্তা করে হুজাইফাকে পানি আনতে বলি৷ পরে
আমি ৯টার দিকে মাদ্রাসায় চলে যাই। আমাকে ফোন করে জানানো হয়, হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন,
এরপর বাসায় গিয়ে তাকে নিয়ে কক্সবাজার হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে
রেফার করা হয়। বিকেল ৪টার দিকে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়। এরপর তার অবস্থার উন্নতি হয়নি।
রাতে অপারেশন করা হয়। তার মাথার খুলি আলাদা করে ব্রেইনে জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণ করা
হয়েছে এবং খুলিটি ফ্রিজে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দেশের অভ্যন্তরে
প্রবেশ করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে বলে দাবি করে শওকত বলেন, টেকনাফের হোয়াইক্যাং
তেচ্ছাব্রিজ এলাকায় সিমান্ত থেকে তিন কিলোমিটার দূরে। ওই জায়গায় গুলিবিদ্ধ হয় হুজাইফা।
সীমান্তের ওপার থেকে গুলি করা হলে লোকালয়ে আসার কথা না। মূলত দেশের অভ্যন্তরে হউসের
দ্বীপ এলাকা থেকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে। তারা ওই দ্বীপ ছেড়ে
যাওয়ার সময় স্থলমাইন পুঁতে দিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, ওই মাইন বিস্ফোরণে
আজকে (সোমবার) সকালে আরেকজনের পা বিছিন্ন হয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ বলেন,
ভোর ৪টা পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। সেটি মস্তিষ্কে,
বের করায় ঝুঁকি আছে। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে।
সীমান্তের একাধিক
সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা বিদ্রোহীগোষ্ঠীর হামলা ঠেকাতে নাফ নদীর মধ্যভাগে জেগে ওঠা কয়েকটি
দ্বীপের চারপাশ এবং সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে নিষিদ্ধ স্থলমাইন পুঁতে রেখেছে মিয়ানমারের
সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। এর আগেও স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি কয়েকজন জেলে
আহত হয়েছেন। দ্বীপগুলোতে মূলত মাছ চাষ হয়, স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে মাছ চাষ করেন,
মানুষের কোনো বসতি নেই।
জানতে চাইলে
হোয়াইক্যাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ জালাল বলেন, মিয়ানমারের ভেতরে
আরকান আর্মির সঙ্গে প্রতিপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। সেখান থেকে একটি পক্ষে
নাফ নদী পার হয়ে দেশের অভ্যন্তরে চলে আসায় আরকান আর্মিও হউসের দ্বীপে চলে আসে। সেখান
থেকেও গোলাগুলি হয়। পাশাপাশি জায়গায় আজকে মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামের একজনের পা বিছিন্ন
হয়ে গেছে। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা।
মন্তব্য করুন


প্রধান
নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
জন্য হোপফুলি ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
আজ
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সংসদ ভোট ও গণভোটের
মক ভোটিং পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় অন্য কমিশনাররা ও ইসির
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিইসি
বলেন, সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একইসঙ্গে হলে ভোটারদের লাইন দীর্ঘ হতে পারে। তাই সময় ব্যবস্থাপনা
দেখে প্রয়োজন হলে কেন্দ্র ও বুথ বাড়ানো হবে। আমরা অনুমানের ভিত্তিতে এগোতে চাই না।
বাস্তব অভিজ্ঞতা দেখে সিদ্ধান্ত নেবো। যদি মনে হয় বুথ বা পোলিং স্টেশন বাড়ানো প্রয়োজন,
আমরা তা করবো। খরচ নয়, ভোটারের সুবিধাই আগে।
তিনি
আরও বলেন, একজন ভোটার ভোট দিতে কত সময় নিচ্ছেন, গণভোটের ব্যালটের কারণে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত
সময় কত, সব হিসাব আজকের অভিজ্ঞতা থেকেই বের হবে। যদি রিয়েল-টাইম মূল্যায়নে দেখা যায়,
বুথ বাড়ালে গণভোটসহ পুরো প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ করা সম্ভব—তাহলে
বাড়ানো হবে। মক ভোটিংয়ে অনেক ভোটার গণভোটের হ্যাঁ–না বুঝতে পারছিলেন না এ বিষয়ে সিইসি
বলেন, এটা স্বাভাবিক। এখনো আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়নি। মাত্র গত মঙ্গলবার অধ্যাদেশ
হয়েছে, এরপরই আমরা প্রক্রিয়া শুরু করেছি। তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়সহ আমরা সবাই মিলে
ব্যাপক প্রচারণা চালাবো।
প্রধান
নির্বাচন কমিশনার বলেন, গণভোটের চারটি প্রশ্ন ‘বান্ডেল’।
আলাদা করে প্রতিটি প্রশ্নে হ্যাঁ–না, দেওয়ার সুযোগ নেই। এটি আইনগত বাধ্যবাধকতা।
তিনি
আরও বলেন, সামগ্রিক আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো। বাংলাদেশের
আইন–শৃঙ্খলা কখনোই শতভাগ নিখুঁত ছিল না। বিচ্ছিন্ন ঘটনা সব
সময়ই থাকে। তবে আগের তুলনায় পরিস্থিতি অনেক উন্নত। সব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়
করে কাজ করছি। হোপফুলি ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে। তখনই বিস্তারিত
তারিখ জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের
তফসিল ঘোষণার প্রাক্কালে তারেক রহমানের ‘শিগগিরই’ দেশে ফেরার বার্তা দিয়েছেন বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে কবে তিনি দেশের মাটিতে পা রাখবেন তা খোলাসা
করা হয়নি।
আজ
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে বিএনপি আয়োজিত
‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্যে
দলের মহাসচিব এ কথা জানান। রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির
উদ্যোগে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত ৭ ডিসেম্বর থেকে এই কর্মশালায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনের
বিভিন্ন স্তরের নেতারা অংশ নিচ্ছেন।
মির্জা
ফখরুল বলেন, আজ যেহেতু বাংলাদেশের সব এখানে উপস্থিত আছেন, আমাদের নেতারা উপস্থিত আছেন,
আমি আপনাদের জানাতে চাই, আমাদের নেতা শিগগিরই আমাদের মাঝে আসবেন। আমাদের নেতা যেদিন
আসবেন যেদিন বাংলাদেশে পা দেবেন, সেদিন যেন সমগ্র বাংলাদেশ যেন কেঁপে ওঠে। এই কথাটা
আপনাদের মনে রাখতে হবে… পারবেন তো। আমরা সেদিন গোটা বাংলাদেশের
চেহারাকে বদলে দিতে চাই।
মির্জা
ফখরুল বলেন, আমরা সামনের দিকে এগুতে চাই, প্রগতির দিকে এগুতে চাই। বাংলাদেশকে আমরা
একটা মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমাদের নেতার যে চিন্তাভাবনা তাকে বাস্তবায়িত
করতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।
উল্লেখ্য,
সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন জাতির উদ্দেদে ভাষণ দিয়ে এয়োদশ
সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন।
মন্তব্য করুন