

চট্টগ্রামে বিপিএলের অনুশীলনের সময় মোস্তাফিজুর রহমান উইন্ডিজ ক্রিকেটার ম্যাথিউ ফোর্ডের হাঁকানো বলের আঘাতে মাথায় চোঁট পেয়েছেন । সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলন করছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আর আজ দলের অনুশীলনে ব্যস্ত ছিলেন মোস্তাফিজ। তারই পাশের নেটে ব্যাটিং অনুশীলন করছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ফোর্ড। ক্যারিবীয় এই ক্রিকেটারের হাঁকানো একটি বল এসে আঘাত করে টাইগার পেসারের মাথায়। এতেই মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এসময় তার মাথা থেকে রক্ত পড়তে দেখা যায়।
আঘাত পাওয়ার পর শুরুতে দলের ফিজিও দেন চিকিৎসকরা। পরিস্থিতিতির গুরুত্ব বুঝে মাঠের ভেতর অ্যাম্বুলেন্স এনে দ্রুত তাকে ইম্পেরিয়াল হাসাতাপালে পাঠানো হয়।
কুমিল্লার মিডিয়া ম্যানেজার খান নয়ন গণমাধ্যমকে বলেন, দেখছেন তো মাথায় লেগেছে। এরপর বসে ছিল মাঠে, যদিও রক্ত বের হয়েছে বেশ খানিকটা। তবে সে স্বাভাবিকভাবে কথা বলেছে। তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। তার সঙ্গে দলের দায়িত্বে থাকা সকলেই গেছে।
মোস্তাফিজের অবস্থা নিয়ে এখনো কোনো বক্তব্য দেয়নি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কর্তৃপক্ষ। তবে জানা গেছে, আপাতত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এই পেসারকে। হাসপাতালে নিয়ে করা হচ্ছে স্ক্যান। মূলত স্ক্যান রিপোর্টের উপরই বোঝা যাবে তার অবস্থা।
উল্লেখ্য, বিপিএলের এবারের আসরে এখন পর্যন্ত কুমিল্লার হয়ে ৯ ম্যাচ খেলেছেন মোস্তাফিজ। বল হাতে নিয়েছেন ১১ উইকেট।
মন্তব্য করুন


ইরানসহ
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জানমালের
নিরাপত্তা ও সার্বিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
রবিবার ( ০১ মার্চ ) সকালে সচিবালয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা কী অবস্থায় আছেন এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাদের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এদিকে
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ
যাত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের
সার্বিক দেখভালের বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন।
অতিরিক্ত
প্রেসসচিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিমানমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সরাসরি
কাজ করছেন। বিমান প্রতিমন্ত্রী সকাল থেকেই বিমানবন্দরে অবস্থান করে যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা
তদারকি করছেন এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীও এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ডিসেম্বর মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২১৫ টাকা থেকে ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৫৫টাকা ৫৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) নতুন দর ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। যা সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে গত নভেম্বর মাসে এলপি গ্যাসের দাম সমন্বয় করেছিল বিইআরসি। তখন ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৬ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম ভোক্তাপর্যায়ে ১ টাকা ১৯ পয়সা কমিয়ে ৫৫ টাকা ৫৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


আগামীতে আইনকানুন এবং সংস্কারের মাধ্যমে
নির্বাচনে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনে কেউ জিতলে পরাজিত
বা অন্যরা আর সন্দেহ করবে না। ভাববে না যে, কলকাঠি নেড়ে কাউকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার (ফেব্রুয়ারি ১৫) রাজধানীর
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে তিনি এসব কথা
বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নতুন বাংলাদেশ
মানে নতুন নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠন হবে তার ব্যাপারে কেউ প্রশ্ন
তুলবে না। সেটার ব্যাপারে আইনকানুন সবার জানা থাকবে, এটা নড়চড় করার উপায় কারো থাকবে
না। আইনকানুন বানানোর পরে সেটা নড়চড় করার সুযোগ থাকবে না সেজন্যই এত বড় কমিশন করতে
হয়েছে। এই যে আইনকানুন, নীতিমালা বানিয়ে দেব। একবার বানিয়ে দিলে তারপর থেকে চলতে থাকবে।
একটা ট্র্যান্সপারেন্ট খেলা হবে। খেলায় জিতলে কেউ সন্দেহ করবে না যে কেউ জিতিয়ে দিয়েছে।
এতো ট্রান্সপারেন্ট যে, কেউ সন্দেহ করবে না।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এখন
যে খেলা চলছে, ঠিকমতো জিতলেও সন্দেহ করে। বলে কিছু একটা কলকাঠি নেড়ে করেছে। এই কলকাঠি
নাড়ার বিষয়টি আমাদের মনের ভেতর গেঁথে গেছে। কলকাঠি ছাড়া যে দেশ একটা নিয়মে চলতে পারে
সেটা আমরা ভুলে গেছি।
সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি
বলেন, এটা সবার স্বপ্ন। এই স্বপ্ন আমরা এমন মজবুতভাবে বানাব যা সবাই মেনে চলবে। এই
মেনে চলার মাধ্যমে আমরা একটা সুন্দর সমাজ, সুন্দর রাষ্ট্র উপহার দিতে পারব। সেই উদ্দেশ্যেই
আজকের সভা।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রচণ্ড
সুযোগ এখন। সুযোগ এজন্যই যে, আমাদের মধ্যে ঐকমত্য সৃষ্টি হলে আমরা সেগুলো কাজে লাগাতে
পারি এমন পর্যায়ে আছি আমরা। একবার কাজে লাগালে সেটা বংশ, প্রজন্ম ও পরম্পরায় সেটা চলতে
থাকবে। একটা সুন্দর দেশ আমরা পাব। এই ভাবনা থেকেই আমরা এগুলো গ্রহণ করব।
অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন অধ্যায় শুরু
হয়েছে মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে প্রথম ইনিংস
বা প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। আজ রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো।
আলোচনাটা কত সুন্দর হবে, কত মসৃণ হবে সেটা আপনাদের ওপর নির্ভর করবে। আমাদের পক্ষ থেকে
আমরা সুপারিশগুলো উপস্থাপন করবো। কমিশনের সদস্যরা এখানে রয়েছেন এগুলো ব্যাখ্যা করার
জন্য, চাপিয়ে দেওয়ার জন্য না। চাপানোর ক্ষমতা আমাদের নাই। আমরা শুধু আপনাদের বোঝানোর
জন্য।
সংস্কার বাস্তবায়ন সবার দায়িত্ব উল্লেখ
করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আপনাদের সহযোগিতা চাই এটা বলব। কারণ, এটা
আপনাদের কাজ। এটা আমার কাজ না, একার কাজ না। যেহেতু আপনারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন
আপনাদের বলতে হবে সমাজের কল্যাণে কোন কোন জিনিস করতে হবে, কীভাবে করতে হবে। যেটা এক্ষুণি
করা যাবে বলবেন। যেটা এক্ষুণি করা দরকার, সামান্য রদবদল থাকলে সেটা করে দেন। আমরা শুধু
সাচিবিক কাজগুলো আপনাদের করে দিলাম। আমরা একটা লন্ডভন্ড অবস্থার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব
নিয়েছি। চেষ্টা করেছি এটাকে কোনোরকমে সফল করতে। এই ৬ মাসের যে অভিজ্ঞতা সেটা আমাদের
সবাইকে প্রচণ্ড সাহস দেবে। এই ৬ মাসের অভিজ্ঞতা হলো, দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ,
রাজনৈতিক ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃত্বসহ সবাই সমর্থন দিয়েছে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে।
কাজেই আমরা প্রথম পর্বের পর দ্বিতীয় পর্বে এলাম। ২য় পর্বে যেন আমরা আনন্দের সঙ্গে,
খুশি মনে সম্পন্ন করতে পারি।
মন্তব্য করুন


র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) পদক পেলেন ১২০ র্যাব সদস্য।
সেবা ও সাহসিকতা এবং পেশাগত কাজে অসামান্য অবদানের জন্য তারা এ পদক পেলেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত র্যাব মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন।
এ সময় পদক প্রদান ছাড়াও দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত ৩৩ র্যাব সদস্যের পরিবারের হাতে সম্মাননা ও আর্থিক অনুদান তুলে দেন র্যাব মহাপরিচালক।
এছাড়া র্যাবের মহাপরিচালক আভিযানিক কার্যক্রমে শহীদ র্যাব সদস্যদের স্মৃতি স্মরণে তাদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন


খাদ্য,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেন, আমরা আমাদের সক্ষমতা
বৃদ্ধি করবো এবং জাপানের বাজারে আমাদের ফুড আইটেম রপ্তানির জন্য উদ্যোগ নেব।
তিনি
বলেন, বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। যদি আমাদের ফুড সেফটি আন্তর্জাতিক
মানে উত্তীর্ণ হয়, খাদ্য রপ্তানি সহজ হবে। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
আজ
রোববার (৮ মার্চ) নিজ অফিস কক্ষে জাইকা’র
প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুছি তমুহিদের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী
এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী
বলেন, ‘আমাদের খাদ্য রপ্তানির অনেক সুযোগ রয়েছে। বিশ্ব বাজারে চাহিদাও আছে। এখন দরকার
প্রয়োজনীয় উদ্যোগ। সেই চেষ্টাই আমরা করবো।’
বৈঠকটিতে
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)’র অর্থায়নে বাংলাদেশে পরিচালিত ‘ফুড সেফটি
টেস্টিং ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
জানা
যায়, জাইকার অর্থায়নে দশ বছর মেয়াদি ২ হাজার ৪০৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার Food Safety
Testing Capacity Development Project এর আওতায় ঢাকায় একটি ফুড সেফটি রেফারেন্স ল্যাবরেটরি,
চট্টগ্রাম ও খুলনায় দুটি খাদ্য পরীক্ষাগার, প্রশিক্ষণ ভবন নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সক্ষমতা
উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের খাদ্য নিরাপত্তা
পরীক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
খাদ্য
মন্ত্রী জনগণের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, সরবরাহ,
বিপণন ও বিক্রয় পর্যন্ত খাদ্য ব্যবস্থায় সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে যথাযথ পদক্ষেপ
গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান।
এ
প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য জাইকা’কে ধন্যবাদ জানান খাদ্য মন্ত্রী। পাশাপাশি
এ প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের খাদ্য ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব
হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বৈঠকে
জাইকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকারসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টকটন শহরে এক শিশুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গুলি চালার ঘটনায় চারজন নিহত এবং দশজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় স্টকটনের একটি রেস্তোরাঁয় এই ঘটনা ঘটে, জানিয়েছে পুলিশ।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, লুসিল অ্যাভিনিউর ১৯০০ ব্লকে সন্ধ্যা ৬টার আগে হামলাটি সংঘটিত হয়। পুলিশের ধারণা, এটি পূর্বপরিকল্পিত এবং হত্যার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি এবং তদন্ত চলছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। স্টকটনের ভাইস মেয়র জেসন লি ফেসবুক পোস্টে জানান, “এক শিশুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গুলি চালানো হয়েছে। ঠিক কী ঘটেছে তা বোঝার জন্য আমি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।”
হতাহতদের মধ্যে পূর্ণবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুরাও রয়েছেন। বেশির ভাগ আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের জরুরি চিকিৎসা চলছে।
স্থানীয় শেরিফ অফিস জানিয়েছে, প্রথমে তারা ১৪ জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পায়; তাদের মধ্যে চারজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। নিহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশ হামলাকারীর সনাক্তকরণ এবং গ্রেফতারের জন্য কাজ করছে।
এ ধরনের সহিংস ঘটনা মার্কিন শহরগুলিতে সাধারণ হওয়ায় জনসাধারণের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং কমিউনিটি নেতারা এই ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজার জেলা শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার পুলিশ লাইনস সংলগ্ন একটি বাস কাউন্টারের পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ‘দোয়েল এক্সপ্রেস’ নামের বাসটিতে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ করে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে এবং কিছু সময়ের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানহারুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আগুনে বাসটির সামনের অংশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এদিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, বাসচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার সময় বাসের হেলপার ভেতরে সাউন্ডবক্সে গান শুনছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত কোনোভাবে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


কুপিয়ে হত্যা করা আইনজীবী সাইফুল ইসলাম
আলিফের পরিবারের জন্য ধর্ম উপদেষ্টার তত্ত্বাবধানে কোটি টাকার ফান্ড গড়ে তোলা হচ্ছে।
এ ফান্ড সংগ্রহের দায়িত্বে আছে মানবিক সংগঠন আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশন।
আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের
লোহাগাড়ার পানত্রিশা গ্রামে শহীদ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারত ও মোনাজাত
শেষে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। ধর্ম উপদেষ্টা
এ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
বলেন, প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ আইনের শাসন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার
প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দেশ ও জাতিকে অনেক কিছু দিতে পারতেন। কিন্তু তাঁকেই নির্মমভাবে
হত্যা করা হয়েছে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে
না।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা
ও ধিক্কার জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধীদের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করতে
সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
ধর্ম উপদেষ্টা শহিদ আইনজীবী সাইফুল
ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাত করেন ও খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা
জানান। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারে ক্ষেত্রে সরকারের দৃঢ় মনোভাব ব্যক্ত করেন।
এছাড়া উপদেষ্টা এই পরিবারকে সরকারের পক্ষ হতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ধর্ম উপদেষ্টা হত্যাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত
পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ, চিকিৎসা ও পড়ালেখার জন্য শহিদ সাইফুলের বাবার হাতে আলহাজ
শামসুল হক ফাউন্ডেশনের পক্ষ হতে এক কোটি টাকা সহায়তা প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নগদ এক
লাখ টাকা, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকার চেক ও আল মানাহিল ফাউন্ডেশনের
পক্ষ থেকে আরো এক লাখ টাকা তুলে দেন।
এ সময় লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
মোহাম্মদ ইনামুল হাসানসহ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে নিহত শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩)
এর পিতা-মাতা আজ বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪) সেনাসদরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল
ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি এর সাথে সাক্ষাৎ করেন।
এ
সময় শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর পিতা-মাতা সন্তান হারানোর বেদনায় আবেগ
আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির
দাবি জানান।
সেনাবাহিনী
প্রধান শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের
আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিতে সর্বপ্রকার সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গিকার করেন।
উল্লেখ্য,
এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ৭ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করে চকরিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর
করে এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
কোম্পানীগঞ্জে মাত্র ছয় মাসে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হয়ে আলোচনায় এসেছে শিশু আবু বকর
সিদ্দিক (১০)। তার এই অসাধারণ সাফল্যে আনন্দিত পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসী।
আবু
বকর সিদ্দিক হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরচেঙ্গা গ্রামের
হাজী মুখলেছুর রহমানের বাড়ির শিক্ষক মো. বেলাল উদ্দিন ও মোসাম্মৎ আয়েশা ছিদ্দিকা দম্পতির
ছেলে। কোম্পানীগঞ্জের দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগ থেকে মাত্র ছয় মাসে সম্পূর্ণ
কুরআন হিফজ সম্পন্ন করে সে।
পরিবার
সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দিকের পরিবারে ৬-৭ জন কোরআনের হাফেজ রয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই কোরআনের
প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল। ছেলে জন্মের পর থেকেই তাকে হাফেজ বানানোর সিদ্ধান্ত নেন
তার বাবা-মা। সেই লক্ষ্য নিয়েই ২০২৫ সালের শুরুতে তাকে কোম্পানীগঞ্জের দারুল আরকাম
মাদরাসার হিফজ বিভাগে ভর্তি করানো হয়। পরে পরিবারের উৎসাহ এবং শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে
প্রতিদিন নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে মাত্র ছয় মাসে সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম
হয় সিদ্দিক।
শিশু
হাফেজ আবু বকর সিদ্দিক জানায়, ছোটবেলা থেকেই সে কুরআন তিলাওয়াত করতে ভালোবাসে। মাদরাসার
শিক্ষকদের সহযোগিতা ও পরিবারের অনুপ্রেরণায় সে নিয়মিত পড়াশোনা করেছে। ভবিষ্যতে সে একজন
বড় আলেম ও দেশবরেণ্য হাফেজ হতে চায়।
তার
বাবা মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই ছেলের মধ্যে কোরআনের প্রতি আগ্রহ দেখেছি।
তাই আমরা সিদ্ধান্ত নেই তাকে হিফজে ভর্তি করাব। আল্লাহর রহমতে অল্প সময়ের মধ্যেই সে
পুরো কোরআন মুখস্থ করতে পেরেছে। একজন বাবা হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও
গর্বের বিষয়। আমি চাই আমার ছেলে ভবিষ্যতে একজন যোগ্য আলেম হয়ে দ্বীনের খেদমত করুক।
এজন্য সবার কাছে তার জন্য দোয়া চাই।
মাদরাসার
হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ মুহাম্মদ মুনাওয়ার বলেন, শিক্ষকদের তত্ত্বাবধান ও পরিবারের
সহযোগিতায় সিদ্দিক দ্রুত কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছে। আমরা আশা করি সে ভবিষ্যতে
বড় আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করবে। এত অল্প বয়সে তার এমন কৃতিত্ব অন্য শিশুদেরও দ্বীনি
শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে।
মাদরাসার
সহকারী মুহতামিম মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, সিদ্দিক খুব মনোযোগী ও পরিশ্রমী ছাত্র।
নিয়মিত অধ্যবসায়ের কারণেই সে অল্প সময়ের মধ্যে কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করতে পেরেছে। স্থানীয়
বাসিন্দারাও সিদ্দিকের এই সাফল্যে আনন্দিত।
মন্তব্য করুন