

বরিশাল
জেলার হিজলা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরিফ রাঢ়ি (১২) নামে এক স্কুলছাত্রকে
লাথি মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি)
সকালে উপজেলার চরবিশোর গ্রামের একটি খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই
ঘটনায় অভিযুক্ত মোশারফ বয়াতি (২৬)কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
নিহত
আরিফ রাঢ়ি গৌরব্দী ইউনিয়নের চরবিশোর গ্রামের বাসিন্দা আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। আটক মোশারফ
একই গ্রামের শাহজালাল বয়াতির ছেলে।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে বরিশালের সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না জানান, শুক্রবার সকাল ৮টার
দিকে খালের পাড়ে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্বজনরা। পরে তারা মোশারফকে সন্দেহ করে জিজ্ঞাসাবাদ
করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে জানা যায়।
পুলিশ
জানায়, বৃহস্পতিবার এশার নামাজের আগে আরিফ মোশারফের ঘরে গেলে তাকে নামাজ পড়তে যাওয়ার
জন্য ডাকাডাকি করে। এ সময় মোশারফ উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। এতে ক্ষিপ্ত
হয়ে মোশারফ আরিফের বুকে লাথি মারেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে
ধারণা করা হচ্ছে। পরে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়।
পুলিশ
মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের
মর্গে পাঠিয়েছে।
সহকারী
পুলিশ সুপার আরও জানান, অভিযুক্ত মোশারফকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার মাকেও জিজ্ঞাসাবাদের
জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


রোববার (২৮ জানুয়ারি) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের রশিদপুর দুই নম্বর কূপে ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া গেছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, কূপে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে আপার স্যান্ড টপ জোনে টেস্টিং করে গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া যায়। আর এখান থেকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে দৈনিক ৮০ লাখ ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
গ্যাসের বর্তমান গড় মূল্য বিবেচনায় এ স্তরে উত্তোলনযোগ্য ১৫৭ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মূল্য ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর আগে সিলেটের হরিপুর এলাকায় ১০ নম্বর কূপ থেকে চার স্তরের তেল গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন । চার স্তরের মধ্যে একটি স্তরে সম্পূর্ণ তেলের খনি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


রাস্তার দু'পাশে
লাখো নেতাকর্মী। হাত নেড়ে সবার অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন তারেক রহমান। তাকে বহনকারী লাল
রঙের গাড়ি এগিয়ে চলছে খুব ধীরগতিতে।
সবশেষ খবর রাজধানীর
৩০০ ফিট সড়কের গণসংবর্ধনাস্থলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি
পৌঁছে বক্তৃতা করবেন। এরপরই যাবে এভারকেয়ার হাসপাতালে মা খালেদা জিয়াকে দেখতে।
এরআগে বৃহস্পতিবার
বেলা ১১.৪০ মিনিটে তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ঢাকার মাটিতে অবতরণ করেন।
বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বাসে ওঠার পূর্বে তারেক রহমান জুতা খুলে বাংলাদেশের মাটিতে
পা রাখেন এবং হাতে এক মুঠো মাটি নেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মামলার চার্জশিট আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
শনিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে ইনকিলাব মঞ্চের চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে দৃঢ়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “অনেক সময় আপনাদের মনে হতে পারে—আমরা সব তথ্য প্রকাশ করছি না। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আমরা শত্রুপক্ষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তদন্ত করছি। এমন কোনো তথ্য আমরা প্রকাশ করতে চাই না, যা অপরাধীদের শক্তিশালী করে তুলতে পারে।”
তিনি আরও জানান, সব ধরনের ফরেনসিক ও তদন্তসংক্রান্ত পরীক্ষা শেষ করেই নির্ভুল চার্জশিট দেওয়া হবে। “চার্জশিট দেওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই যেন দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা যায়, সে নিশ্চয়তা আমি আপনাদের দিচ্ছি। আমরা থাকতেই এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে,”—বলেন উপদেষ্টা।
হাদি হত্যার দ্রুত বিচার প্রসঙ্গে তিনি আছিয়ার ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, ওই মামলায় মাত্র ছয় কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ করা সম্ভব হয়েছিল। সঠিক ও শক্ত চার্জশিট হলে হাদি হত্যার বিচারেও বিলম্ব হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অপরাধীরা পালিয়ে গেলেও বিচার সম্ভব। “ইন অ্যাবসেন্সিয়া বিচার ব্যবস্থা আমাদের আইনে আছে। শেখ হাসিনার বিচার হয়েছে তিনি দেশে না থেকেও। যারা হাদিকে হত্যা করেছে তারা দেশ ছাড়লেও বিচার এড়াতে পারবে না।” তিনি জানান, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতকে এ বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং ভারত সরকার জানিয়েছে—অভিযুক্তরা ভারতে অবস্থান করলে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করা হবে।
তদন্তের স্বার্থে সব তথ্য এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামীকাল (রোববার) সকাল সোয়া ১১টায় ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
এদিকে হাদি হত্যার বিচার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। পরে সেখানে ধারাবাহিক কর্মসূচি শুরু হয়, যেখানে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


মর্মান্তিক
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দক্ষিণ আমেরিকার জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার
ক্যারেন সোফিয়া কুইরোজ রামিরেজ। কলম্বিয়ার ফ্লোরিডাব্লাঙ্কাতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সোফিয়া
‘বাইকারগার্ল’ নামে বেশি পরিচিত। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২৫ বছর।
ব্রাজিলিয়ান
সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গত ২৬ নভেম্বর গুরুতর
সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এই ইনফ্লুয়েন্সার। প্রতিবেদন থেকে আরও জানা
গেছে, রামিরেজ তাঁর মোটরসাইকেল চালানোর সময় লেন পরিবর্তন করতে গিয়ে দুইটি ট্রাকের মাঝখানে
পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এর পর দুর্ঘটনার শিকার হন।
প্রতিবেদন
অনুসারে, রাস্তার একপাশে একটি গাড়ির সাথে সংঘর্ষের পর অন্য পাশ থেকে আসা একটি ট্রাক
রামিরেজ চাপা দেয়। কলম্বিয়ার একজন পরিবহন কর্মকর্তা জাহির আন্দ্রেস কাস্তেলানোস গণমাধ্যমকে
জানান, রামিরেজ দুটি গাড়ির মাঝখান দিয়ে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।
এই
দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে রামিরেজ তার মৃত্যু সম্পর্কে একটি চাঞ্চল্যকর ভবিষ্যদ্বাণী
করেছিলেন। এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, আমি আশা করছি যেন ক্র্যাশ না করি, কারণ আমি আমার
চশমা ছাড়াই মটর সাইকেল চালাচ্ছি।
ডেইলি
মেইল স্থানীয় প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আরও জানায়, বাইক চালানোর সময় তিনি যে চশমা ব্যবহার
করতেন সেটি তিনি হারিয়ে ফেলেছিলেন।
পরিবহন
কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনার কারণ জানতে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার এবং
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এই তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো কলম্বিয়ান এই ইনফ্লুয়েন্সারের
মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য অন্য কোনো চালক দায়ী কি না, তা নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনের আগে জনগণকে দেয়া সকল প্রতিশ্রুতি, জনগণের রায়ে বিএনপির
সরকার গঠনের পর আমরা সেগুলো একের পর এক বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।
আজ
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সোয়া ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন,
খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানী দেওয়ার কার্যক্রমের
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
কর্মসংস্থান
সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক বৈষম্য দূর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তারেক রহমান আরো বলেন,
'সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য
আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই
মিলে ভালো থাকবো, জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।
এখন সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।'
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতোমধ্যেই 'ফ্যামিলি কার্ড' চালু
করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারাদেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ
থেকে চালু হচ্ছে 'ফার্মার্স কার্ড' বা 'কৃষক কার্ড'। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে
শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি।'
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেন, 'আজ থেকে চালু হলো খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয়
গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে
এই সহায়তা দেয়া হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণী-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি
নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু
দিয়ে চেষ্টা করবে।'
নাগরিক
কিছু দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি
কিছু দায় দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের
প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, আমি আশা করি, আগামী ১০ বছরে রাজনৈতিক এবং
অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পাবো।'
নাগরিকদের
দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দেশের
প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের
দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ
কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বার বার একটি কথা
বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।'
ধর্মীয়,
সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'অর্থনৈতিকভাবে
সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে কিন্তু ধৈর্য,
সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায়
কিংবা দয়া, এই সকল বৈশিষ্টগুলো অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হয়ে
উঠতে পারে না। এ ধরণের মানবিক বৈশিষ্টগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে
উজ্জীবিত হওয়া জরুরি।' তিনি বলেন, 'প্রতিহিংসা এবং সহিংসতা' মুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ
বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্মের উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস,
একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানব সমাজের গঠনের জন্য
প্রতিটি
ধর্মেই ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। সুতরাং, একটি ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ সমৃদ্ধ
মানসিকতা তৈরীর ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে
ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদের খতিব মুফতি সাইফুল ইসলাম,
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মহিবুল্লাহি বাকি, শায়েখে চরমোনাই ও ইসলামী
আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রজিউন)।
আজ বুধবার ঢাকার
একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি
এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।
বাঞ্ছারামপুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন জানান, ইউএনও ফেরদৌস আরা আজ বুধবার সকাল
৭টার দিকে ঢাকায় মারা গেছেন। তিনি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছিলেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে
ফেরদৌস আরার স্বামীর বাড়ি হলেও তার বাবার বাড়ি ঢাকার যাত্রাবাড়িতে।
নবীনগরের ইউএনও
মাহমুদুল হাসান জানান, গত রবিবারও তারা একইসঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা
বিষযক এক সভায় যোগ দিয়েছিলেন। এরপরই তিনি সোমবার অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, ৩৬তম
বিসিএসের এ কর্মকর্তা গত বছরের ৯ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুরে যোগদান করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


রংপুর রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে উঠেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
১৮৫ রানের জবাবে খেলতে নেমে ৯ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা ।
তবে
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। সুনীল নারিন শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তিনে নামা তাওহিদ হৃদয় লিটন দাসকে নিয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তাদের অসাধারণ এক জুটিতে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় রংপুর। পরে ৪৩ বলে ৬৪ রানে আউট হন হৃদয়। চারে নামা জনসন চার্লস ৩ বলে ১০ রানে ফেরেন। এর পরের ওভারে ৫৭ বলে ৮৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন লিটন। ততক্ষণে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
এর আগে, সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৫ রান তোলে সাকিব আল হাসানের দল।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। মাত্র ২৭ রান তুলতেই প্রথম ৩ ব্যাটার রনি তালুকদার (১৩), শামিম হোসেন (০) ও সাকিব আল হাসান (৫) ফিরেছেন দ্রুতই। পরে ঘুরে দাঁড়ায় নিশামের ব্যাটে। প্রথমে তাকে সঙ্গে দেন মাহেদী হাসান। ব্যাটিং অর্ডারের উপরে উঠে আসা মাহেদী ১৭ বলে ২২ রান করে ফেরেন ক্যারিবীয় স্পিনার সুনীল নারিনের বলে।
মাহেদীর পর নিশামের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন পুরান। কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হন। তবে নিশাম একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট হাতে ঝড় তুলতে শুরু করেন। ৩১ বল খেলে ফিফটি তুলে নেন। এরপরও চলতে থাকে তার আগ্রাসী ব্যাটিং। রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ২৪ বলে ৩০ রান করে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন। তবে ১৯তম ওভারে তাকে ফেরান ক্যারিবীয় পেস অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল।
অপরপ্রান্তে উইকেট পতন হলেও নিশাম থামেননি। শেষ ওভারে মুশফিক হাসানের ওভারে ৩ ছক্কা ও ২ চারে তুলে নেন ২৮ রান। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন নিশাম।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
শ্রীপুরে মাকে মারধর করায় মাদকাসক্ত ছেলেকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে শাস্তি দিয়েছেন
এলাকাবাসী। অভিযুক্ত যুবক খলিল (৩০) শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ী গ্রামের নুর উদ্দিনের
ছেলে।
আজ
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন টেপিরবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খলিল এক এলাকায় মুদির
ব্যবসা পরিচালনা করতো। হঠাৎ ব্যবসা বন্ধ করে দেয় খলিল। অভাবের সংসারে স্ত্রীও খলিলকে
ছেড়ে চলে যায়, এতে সে হতাশাগ্রস্ত হয়ে নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েন। নেশার টাকার জন্য
প্রায়ই বাড়িতে উৎপাত করতো খলিল। শনিবার সকালে মায়ের কাছে ২ হাজার টাকা দাবি করেন।
এ সময় মা খোদেজা বেগম তা দিতে অস্বীকার করলে ক্ষিপ্ত হয়ে মাকে উদ্দেশ্যে করে ইট ছুঁড়ে
মারেন। ছোঁড়া ইটে আহত হলে স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে বাড়ির পাশে খুঁটির সঙ্গে
বেঁধে রাখেন। মায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হলে খলিল আরও ক্ষিপ্ত হয়ে যান। পরে স্থানীয়রা
খলিলকে ছাতিরবাজার-টেপিরবাড়ি সড়কের পাশে মাটি খুঁড়ে কোমর পর্যন্ত পুঁতে রাখেন। এঘটনায়
ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীয় খলিলের বিচার দাবি করেছেন।
শ্রীপুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, বিষয়টি জেনেছি। মাদকাসক্ত
ছেলের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার চান্দিনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিশেষ অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মাধাইয়া বাজার ফুটওভার ব্রিজের পশ্চিম পাশে একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালানো হয়। খালেক মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনে সন্দেহজনক গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি করলে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আটক রাসেল মিয়া (২৯) বরগুনা সদর উপজেলার সাহেরো হাওলা গ্রামের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে এসআই (নিঃ) মো. মনিরুল ইসলাম চৌধুরী জব্দ তালিকা প্রস্তুত করেন। উদ্ধারকৃত মাদক ও ব্যবহৃত গাড়ি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মহান
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ
মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার
দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা
নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা বাজার চার মিনিট আগেই রাষ্ট্রপতি শহীদ
মিনার প্রাঙ্গণে পৌঁছান।
কেন্দ্রীয়
শহীদ মিনারে পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান তাঁকে
অভ্যর্থনা জানান।
রাষ্ট্রপতি
ধীরগতিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদির দিকে এগিয়ে যান। এ সময় মহান একুশের অমর গান
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ... আমি কি ভুলিতে পারি?’ বাজানো হয়।
রাষ্ট্রপতি
ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
মন্তব্য করুন