

ঢাকার ভাসানটেক এলাকার একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ লিজা আক্তার (১৭) মারা গেছে। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় দগ্ধ লিজার মা, বাবা, ভাই, বোন, নানিসহ পরিবারটির ৬ সদস্যই না-ফেরার দেশে চলে গেল।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, লিজা আক্তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে ভর্তি ছিল।
তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় দগ্ধ আর কেউ ইনস্টিটিউটে ভর্তি নেই।
পুলিশ, পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ এপ্রিল ভোর ৪টার দিকে ভাসানটেক নতুনবাজার কালভার্ট রোডের ৪/১৩ নম্বর দোতলা বাসার নিচতলায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন মো. লিটন (৪৮), তাঁর স্ত্রী সূর্য বানু (৩০), তাঁদের তিন সন্তান লিজা আক্তার (১৭), লামিয়া (৭) ও সুজন (৮) এবং লিটনের শাশুড়ি মেহরুন্নেছা (৮০)। পরে তাঁদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ এপ্রিল মেহরুন্নেছা, ১৫ এপ্রিল সূর্য বানু, ১৬ এপ্রিল মো. লিটন, ১৯ এপ্রিল লামিয়া ও ২৪ এপ্রিল সুজনের মৃত্যু হয়।
দগ্ধদের স্বজন ময়না বেগম জানান, পরিবার নিয়ে কালভার্ট রোডের দোতলা বাড়িটির নিচতলায় ভাড়া থাকেতেন ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো: লিটন। ১২ এপ্রিল রাতে ওই বাসার সবাই ঘুমিয়ে ছিল। ভোরে মশার কয়েল জ্বালানোর জন্য লিটন দিয়াশলাই জালাতেই আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারটির ছয়জনই দগ্ধ হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী ভাসানটেক থানার এসআই নাঈমুল ইসলাম হূদয় জানান, আগে থেকেই গ্যাসের লিকেজের কারণে বাসাটিতে গ্যাস জমে ছিল। ভোর ৪টার দিকে মশার কয়েলের জন্য দিয়াশলাই জ্বালাতেই সেই গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ হয়। ছড়িয়ে পড়া গ্যাসে আগুন ধরে গেলে তারা দগ্ধ হয়।
মন্তব্য করুন


ভারতের
বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুম্বাইয়ে অল্পের জন্য বড় ধরনের এক ট্র্যাজেডি এড়াতে
সক্ষম হয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার (২৬ জুন) তাজিয়া মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল
বিতরণের সময় পুলিশ হাতেনাতে এক ব্যক্তিকে আটক করে। পরে ফাইয়াজ প্রেমজি নামের ওই ব্যক্তি
জানায়, মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিতরণ করে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল তার।
পুলিশ
সূত্রে জানা যায়, মুম্বাইয়ের বাইকুল্লা এলাকায় তাজিয়া মিছিলের সময় ফাইয়াজের দেয়া ক্যাপসুল
সেবন করে প্রায় ডজনখানেক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পরীক্ষায় দেখা যায়, ক্যাপসুলগুলোতে
জিঙ্ক ফসফাইড ছিল, যা ইঁদুর মারার বিষ ও অন্যান্য রোডেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত অত্যন্ত
প্রাণঘাতী রাসায়নিক। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ফাইয়াজ জিজ্ঞাসাবাদে হাজারও মানুষকে
বিষপ্রয়োগে হত্যার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন। শনিবার (২৭ জুন) স্থানীয় আদালত
তাকে দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছেন।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, রেয়ে রোডের রেহমতাবাদ কবরস্থানের কাছে
আশুরার শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ফাইয়াজকে ক্যাপসুল বিতরণ করতে দেখা যায়।
ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সেগুলোকে ব্যথানাশক ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ওষুধ বলে প্রচারের
চেষ্টা করেন তিনি। সূত্র জানায়, অন্তত ১১ জন ওই ক্যাপসুল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তাদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সবাই আশঙ্কামুক্ত। আক্রান্তদের
একজন সালমান সাইয়েদ ক্যাপসুল খাওয়ার পর পেটব্যথা ও বমির অভিযোগ করেন।
পুলিশের
উপকমিশনার (ডিসিপি) জয়ন্ত মীনা জানান, ক্যাপসুলে জিঙ্ক ফসফাইড মিশিয়েছিল ফাইয়াজ।
এ ধরনের ক্যাপসুল বিতরণের জন্য তার প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল না। দ্রুত অভিযান চালিয়ে
পুলিশ অভিযুক্তের কাছে থাকা বিপুল পরিমাণ ক্যাপসুল জব্দ করে। জব্দ করা ক্যাপসুলের সংখ্যা
ছিল অন্তত ১৪ হাজার ৯০০টি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক
ক্যাপসুল বিতরণ করা হয়েছিল। আরও ৩০ হাজার খালি ক্যাপসুল এবং ৫০ কেজি ফসফরাসের অর্ডার
দিয়েছিল ফাইয়াজ।
পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, সেদিন তিন নারী স্বেচ্ছাসেবকের তৎপরতায় হাজারও মানুষের জীবন রক্ষা
পেয়েছে। তাদের একজন প্রথমে অভিযুক্তকে সন্দেহজনকভাবে ক্যাপসুল বিতরণ করতে দেখে। এরপর
তারা দ্রুত তাকে বাধা দিয়ে পুলিশকে খবর দেন। একই সঙ্গে লাউডস্পিকারে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে
ওই ক্যাপসুল না খাওয়ার অনুরোধ করা হয়।
পুলিশ
জানিয়েছে, তাজিয়া মিছিলে অংশ নেয়া হাজারো মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই পরিকল্পনা
করেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন ফাইয়াজ। পুলিশকে তিনি বলেন, ‘আমি অন্তত ১৫
হাজার মানুষকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম।’
তার
বিরুদ্ধে বাইকুল্লা থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৩ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ধারায় বিষ বা অনুরূপ উপায়ে ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায়কে শাস্তিযোগ্য
অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফাইয়াজের এই পরিকল্পনার পেছনে কোনও সন্ত্রাসী সংগঠনের
যোগসাজশ আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


শীতকে
উপেক্ষা করে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় নারী-পুরুষসহ সকল বয়সী মানুষের
ঢল নেমেছে। কেউ দাঁড়িয়ে, আবার কেউবা মাটিতে বসে উৎসবমুখর পরিবেশে উপভোগ করছেন ঘোড়দৌড়
প্রতিযোগিতা। গ্রামের একটি ফসলের মাঠে অতিথিদের বসার স্টেজ। তার সামনে মাঠের চারপাশে
দড়ি দিয়ে গোল চত্বর চিহ্নিত করে, তার চারপাশ দিয়ে ঘুরছে ঘোড়ার দল। মাঠের এক পাশে নানা
রকম খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা।
মঙ্গলবার
পড়ন্ত বিকালে এমন চিত্র দেখা যায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের শ্রীরামপুর
গ্রামে। সেখানে এলাকাবাসীর উদ্যোগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
হয়। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় ফুলবাড়ী উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে তিনটি
গ্রুপে ২০ জন খেলোয়াড় তাদের নিজ নিজ ঘোড়া নিয়ে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
দুপুরের পর থেকে দূর-দূরান্ত থেকে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ওই এলাকায়
তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। খেলা দেখতে পেরেও খুশি দর্শকরা।
প্রধান
অতিথি হিসেবে প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান
ফিজার এমপি। খেলা শেষে এ প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারীদের
মাঝে পুরস্কার দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল শুক্রবার টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে প্রথম পর্বের তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা শুরু হচ্ছে।
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ইতিমধ্যে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ইজতেমাস্থলে আসতে শুরু করেছেন। শুক্রবার বাদ ফজর থেকে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনানুষ্ঠাকিভাবে আজ বৃহস্পতিবার বাদ আসর থেকে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার কাজ শুরু হয়েছে ।
প্রথম পর্বের ইজতেমায় মাওলানা জুবায়ের অনুসারী মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করছেন। তারা ইজতেমা ময়দানে জেলাওয়ারি নির্দিষ্ট খিত্তা অনুসারে অবস্থান নিচ্ছেন। বিদেশি মুসল্লিদের জন্য ময়দানের পশ্চিমাংশে টিনের ছাউনিযুক্ত বিশেষ কামরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ইজতেমা ময়দান ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হচ্ছে নির্দিষ্ট পয়েন্টগুলোতে। ঢাকা ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সড়ক-মহাসড়কে যানজট নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এছাড়া প্রস্তুত করা হয়েছে মেডিক্যাল ক্যাম্প ও হাসপাতালের অতিরিক্ত বেড ও পর্যাপ্ত অ্যাম্বুলেন্স। ইজতেমায় আসা-যাওয়ার জন্য পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। র্যাবের পক্ষ থেকে আকাশে হেলিকপ্টার টহল দেবে। সিসি ক্যামেরা ও সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার থেকেও মনিটরিং করা হবে সবার গতিবিধি।
বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বুধবার দুপুরে গাজীপুরের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ পরিদর্শনে এসে বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে স্থাপিত কন্ট্রোল রুমের সামনে প্রেস ব্রিফিংকালে বলেন, আমরা বিশ্ব ইজতেমায় প্রতিবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিয়ে থাকি। এবারও বিশ্ব ইজতেমার ময়দান নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা ও আস্থা রয়েছে। আমরা তাদের ব্রিফিং দিয়েছি, প্রশিক্ষণ দিয়েছি, কে কখন কোথায় কীভাবে তার দায়িত্ব পালন করবে সেভাবে তাদের প্রস্তুত করেছি। বর্তমান নিরাপত্তায় বোম ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াট টিম, ডগ স্কোয়াড, বিস্ফোরক প্রশিক্ষক টিম, ট্রাইম সিন, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও আমাদের প্রশিক্ষক টিম, নৌ বহর ও হেলিকপ্টার দিয়েও টহল ব্যবস্থা প্রস্তুত থাকবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম, জিআইজি (অপারেশন) আনোয়ার হোসেন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি নূরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বুধবার সকালে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে ইজতেমায় র্যাবের কন্ট্রোল রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেছেন, বিশ্ব ইজতেমায় কোনো ধরনের জঙ্গি হামলা বা জঙ্গি হামলার কোনো আশঙ্কা নেই। আমরা এ ব্যাপারে সজাগ রয়েছি। আমরা আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার প্যাট্রলিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছি।
৪ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে প্রথম পর্বের জোবায়েরপন্থি মুসল্লিদের অংশগ্রহণে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমা।
এরপর চার দিন বিরতি দিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি দিল্লির নিজামউদ্দিন মারকাযের অনুসারী (সা’দ পন্থি) মুসল্লিরা বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবেন। ১১ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এ পর্বের বিশ্ব ইজতেমা সমাপ্তি ঘটবে।
মন্তব্য করুন


ব্রাজিলের
হারে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী।
পরে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান অন্য শিক্ষার্থীরা।
সোমবার
(৬ জুলাই) রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি
এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অসুস্থ
শিক্ষার্থীরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী
ও বিভাগের ব্রাজিল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি কামরুল হাসান তুষার এবং সহ সভাপতি মাশরুফা
শারমীন এ্যানি।
শিক্ষার্থীরা
জানান, ব্রাজিলের খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর শিউলিমালা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাশরুফা
শারমীন এ্যানি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। রক্তচাপ কমে মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার পর তিনি পরপর
পাঁচবার বমি করেন। পরে সহপাঠীরা তাকে দ্রুত ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে
যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইনজেকশন ও স্যালাইনের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা
দেন। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।
এদিকে
একই সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিভাগের ব্রাজিল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি কামরুল হাসান তুষার।
তাকেও ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া্ হলে চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা
দেন। পরে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনিও সুস্থ রয়েছেন।
এ্যানির
সহপাঠী মাসুম মিয়া বলেন, খেলা শেষ হওয়ার পর থেকেই এ্যানি খুব ভেঙে পড়েছিল। হঠাৎ মাথা
ঘুরে পড়ে যায়। পরে আমরা দুজনকেই দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই। চিকিৎসা শেষে এখন দুজনই
আগের চেয়ে অনেকটা সুস্থ।
বিশ্বকাপের
শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় পাঁচবারের
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে হতাশার আবহ
তৈরি হয়।
মন্তব্য করুন


নিরাপত্তা
কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে
পিজিআরের শব কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
রোববার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে আমি জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপর
আমার আস্থা ও নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই। সুতরাং, নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকার প্রধানকে
জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়। নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যাস করা জরুরি জনগণ যেন নিজেদেরকে
সরকার প্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আমি
আপনাদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানাই।'
তিনি
বলেন, 'বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বিশেষভাবে নির্বাচিত ও প্রশিক্ষিত সদস্যরা এই রেজিমেন্টে
দায়িত্ব পালনের জন্য যথানিয়মে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। অর্থাৎ, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট
সেনাবাহিনীরই অধীন একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। সুতরাং, পেশাদারত্ব, আনুগত্য ও শৃংঙ্খলার
সমন্বয়ে পিজিআর সদস্যরা নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথারীতি পালন করবেন এটিই বিধিবদ্ধ
নিয়ম। আপনাদের কার্যক্রমের মাধ্যমেই পিজিআরের দক্ষতা ও একনিষ্ঠতা ফুটে উঠবে এটি আমার
প্রত্যাশা।'
পিজিআরের
কাজটি অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এর কারণ রাষ্ট্র ঘোষিত অতি
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার
দায়িত্ব পালন করাও আপনাদের অন্যতম কর্তব্য। এ দায়িত্ব পালনে আপনাদের নানারকমের পরিস্থিতির
মুখোমুখি হতে হয়। এসব দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনাদের বিশ্বস্ততা, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যপরায়ণতা
আপনাদের নিঃসন্দেহে একটি সুশৃংঙ্খল বাহিনী হিসেবে পরিচিত করেছে।'
সুশৃঙ্খলতার
স্বীকৃতিস্বরূপ পিজিআর চলতি বছর 'ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড' পুরস্কারের জন্য মনোনিত হয়েছে
উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'একটি বাহিনী হিসেবে এটি অবশ্যই আপনাদের
জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এই সাফল্যের জন্য আমি আপনাদের আবারও অভিনন্দন জানাই। যেকোনো প্রতিকূল
পরিস্থিতিতেও আপনাদের ইস্পাত কঠিন দায়িত্ববোধ অবশ্যই প্রশংসনীয়।'
সশস্ত্র
বাহিনীকে জনগণের সাহস এবং একটি দেশের গৌরবের প্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সাহসী ভূমিকা সেনাবাহিনীকে
বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ও অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে ফেলেছে।'
তিনি
বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, সশস্ত্র বাহিনী যদি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থেকে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা
অনুসরণ ও পেশাদারত্ব বজায় রাখে তাহলে দেশের সার্বভৌমত্ব আর কখনোই হুমকির মুখে পড়বে
না।'
পিজিআরের
প্রতি প্রত্যাশা রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি আশা করব, পিজিআরের মতো বিশেষায়িত বাহিনীর
সর্বোচ্চ সফলতার জন্য আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি
প্রতিটি সদস্যের সাহস, সততা, বিশ্বস্ততা, সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, নিয়মানুবর্তিতা এবং
সর্বোপরি "চেইন অব কমান্ড" অনুসরণ কঠোরভাবে মেনে চলা অপরিহার্য।'
একটি
বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পিজিআরেরও পিছিয়ে
থাকার সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যেকোনো বাহিনীর সামনে প্রচলিত চ্যালেঞ্জের
বাইরেও বর্তমানে আর্থ-সামাজিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিকাশের
ফলে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তাইতো সাইবার যুদ্ধ, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার,
ড্রোন যুদ্ধ কিংবা তথ্যযুদ্ধ এসব নতুন নতুন ক্ষেত্রগুলো উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।'
তিনি
বলেন, 'এসব বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধুমাত্র পিজিআরই নয় প্রতিটি বাহিনীকেই
আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা জরুরি।'
তারেক
রহমান বলেন, 'সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পিজিআর কিংবা এসএসএফের মতো সফিস্টিকেটেড বাহিনীগুলোকে
সরকার আরও আধুনিকায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে যথানিয়মে পদক্ষেপ গ্রহণ করা
হচ্ছে।'
বক্তব্যের
শুরুতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রাষ্ট্রপতি
এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তায় ১৯৭৫ সালের এইদিনে প্রথমে 'রাষ্ট্রপতির
দেহরক্ষী ইউনিট’ নামে একটি নতুন রেজিমেন্ট আত্মপ্রকাশ
করেছিল। পরবর্তীতে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর
জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর 'রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ইউনিট'কে 'প্রেসিডেন্ট
গার্ড রেজিমেন্ট' হিসেবে নামকরণ করেন। নতুন এ নামকরণ রেজিমেন্টের কার্যক্রমকে আরও দৃঢ়
ও গতিশীল করতে ইতিবাচক প্রভাব রাখে।'
পিজিআরের
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে নিজের জীবনের সবচেয়ে শোকাবহ এবং হৃদয় বিদারক ঘটনার কথা
তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমার পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমানের শাহাদাতের কথা মনে পড়ছে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের সময় কর্তব্য পালনরত পিজিআরের কয়েকজন সদস্যও শহীদ হয়েছিলেন।
আজকের এই বিশেষ দিনে আমি পিজিআরের সেই শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। আল্লাহর দরবারে
তাদের মাগফিরাত কামনা করছি।'
তিনি
বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের নিরাপত্তার
প্রতি অটল আনুগত্য, কর্তব্যপরায়ণতা এবং জীবন উৎসর্গের যে চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত
হয়েছে এটি অবশ্যই পিজিআরের সদস্যদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে
যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন। তিনি পিজিআর সদর
দপ্তরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এসময় তিনি চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের
সঙ্গে শহীদ হওয়া পাঁচ পিজিআর সদস্যের পরিবারের খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময়
করেন।
উল্লেখ্য,
প্রতি বছর ৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। ১৯৭৫
সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা ও প্রটোকল নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত
এই বাহিনী গঠিত হয়। ঢাকা সেনানিবাসে পিজিআর সদর দপ্তরে বার্ষিক দরবার ও সুসজ্জিত কুচকাওয়াজের
মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়।
পিজিআর
মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এটি বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির
দৈনন্দিন নিরাপত্তা ও অন্যান্য সামরিক দায়িত্ব পালন করে।
মন্তব্য করুন


নেত্রকোনায়
বাসের চাপায় মা-মেয়েসহ ইজিবাইকের তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন
পাঁচ যাত্রী।
রোববার
(৩১ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সদর উপজেলার চল্লিশা নামক
স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা
হলেন- নেত্রকোনার সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের আমলি কেশবপুর গ্রামের নূর জাহান (৪৫),
তার মেয়ে স্মৃতি আক্তার (১৫) এবং আরও এক অজ্ঞাতপরিচয় শিশু।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনাগামী মহুয়া পরিবহনের একটি বাস চল্লিশা
বাইপাস মোড়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যাত্রীবাহী একটি ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই
মা মেয়েসহ ইজিবাইকের তিন যাত্রী নিহত ও পাঁচ যাত্রী গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়
লোকজন আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনায় নিহত
মা নূরজাহান, তার মেয়ে স্মৃতি আক্তার এবং আরও এক শিশুর লাশ হাসপাতালে আনা হয়।
হাসপাতালের
জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য নিহত নূর জাহানের
স্বামী আইনুল হকসহ পাঁচজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। হতাহতদের সবার
পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ
ব্যাপারে জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলামের সঙ্গে
যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি
করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে
সড়ক দুর্ঘটনা পর উত্তেজিত জনতা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে সড়কে সব ধরনের
যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকিউল
বারী ঘটনাস্থলে গিয়ে স্পিডব্রেকারসহ গোল চত্বর নির্মাণের আশ্বাস দিলে স্থানীয়রা অবরোধ
তুলে নেয়। ফলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরা
জেলা নিয়ে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজার একটি পুরনো বক্তব্যের ভিডিও ফের
ভাইরাল হয়েছে।
সাতক্ষীরার-৪
আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ
মুহূর্তের ভিডিও যখন ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’, তখন আমির হামজার সেই বক্তব্যের ভিডিও
ফের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
ওই
ভিডিওতে আমির হামজাকে বলতে শোনা যায়, ‘আল্লাহ যদি কিয়ামতে জান্নাত দেওয়া আরম্ভ করে
প্রথমেই সাতক্ষীরা দিয়ে শুরু করবে।’
ভাইরাল
হওয়া ভিডিওতে আমির হামজাকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘গরিব মানুষকে আল্লাহ ও তার রাসূল
(সা.) বেশি ভালোবাসতেন। বাংলাদেশের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা আবেগের জায়গা।
সারা বাংলাদেশে আমার যতটুকু বাস্তবতা ও ধারণা, আল্লাহ যদি কিয়ামতে জান্নাত দেওয়া আরম্ভ
করে প্রথমে সাতক্ষীরা দিয়ে শুরু করবে। এরপরে চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী। আর আমার কুষ্টিয়া
থাকবে ৬৪ নাম্বারে কারণ সব গাজার (মাদক) আড্ডা।’
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পেজ থেকে ছড়ানো আমির হামজার এই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে চলছে আলোচনা
ও সমালোচনা।
ভিডিওটি
শেয়ার দিয়ে জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে উদ্দেশ্যে করে দলটির বিরোধী রাজনৈতিক
দলের নেতকর্মীরা ট্রল করছেন। তাদের ভাষ্য, জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলাম অনৈতিক কর্মকাণ্ডে
জড়িয়েছেন।
তবে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে প্রদর্শিত এক নারীর সঙ্গে
অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ঘটনাটি বিকৃতভাবে ছড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের
সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। তার দাবি, ‘ভিডিওর ওই নারী তার নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী।’
এক
ফেসবুক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা
বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়াম বেগমকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে যান। সেখানে তার দ্বিতীয়
স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিস। সেখানে তারা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা
অবস্থান করেন। মাসুম বিল্লাহর অফিসে অবস্থানকালে তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর
মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যান। পরে তিনি ৫–৭
জন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে তাদের কক্ষে ঢুকেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি
করা হয়েছে।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত
১টার পরে গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দিয়ে ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক
ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে উদ্ধৃত করে বিএনপির মিডিয়া
সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ
অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারপার্সনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।
মন্তব্য করুন


পেশাদারত্ব ও ধৈর্যের পরিচয় দেওয়ায়
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সাধুবাদ পেয়েছেন ক্যাপ্টেন
আশিক।
রোববার (১৮ আগস্ট) সেনাপ্রধানের কার্যালয়ে
এক সাক্ষাতে এই সাধুবাদ জানান সেনাপ্রধান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রতিকূল
পরিস্থিতিতেও পেশাদারত্ব বজায় রাখায় ক্যাপ্টেন আশিককে সাধুবাদ জানান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের জন্য অনুপ্রাণিত করেন তিনি।
এসময় আরও দুই সেনা কর্মকর্তা উপস্থিত
ছিলেন। সেনাপ্রধানের সঙ্গে এক ফটোসেশনে অংশ নিতেও দেখা গেছে আশিককে।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি
একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে শাহবাগ থানায় এক নারীকে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চবাচ্য করতে
দেখা যায়। এরকম পরিস্থিতিতে ক্যাপ্টেন আশিক অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতির
সামাল দেন এবং সেটির সমাধান করেন। ক্যাপ্টেন আশিকের এই ধৈর্য ও পেশাদারত্ব দেখে নেটিজেনরা
প্রশংসা করছেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, সরকার গণমাধ্যমের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে।
আজ বৃহস্পতিবার (২০
মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর তথ্য ভবনে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিল
ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময়
সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের
মালিক, সম্পাদক এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গুজব ও অপপ্রচারের ব্যাপকতা
তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, সত্য প্রচারের পাশাপাশি গণমাধ্যমকে গুজব
ও অপপ্রচার মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। গণমাধ্যমের সমালোচনাকে স্বাগত
জানিয়ে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা সরকারের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা
করে।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
মাহফুজ আলম আরও বলেন, সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি গণমাধ্যমে সরকারের ইতিবাচক
পদক্ষেপসমূহও প্রচার হওয়া উচিত।
তিনি গণমাধ্যম সংস্কারের
ক্ষেত্রে গণমাধ্যম মালিক, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মন্তব্য করুন