

বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সবাই না থাকাতে ভেঙে গেছে সংস্থার চেইন অব কমান্ড। তাই পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম শহিদুর রহমানকে ফোকালপারসন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর রমনার ইস্কাটন গার্ডেনে পুলিশ অফিসার্স মেসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি (চাকরিচ্যুত) খান সাঈদ হাসান।
নির্যাতিত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের পক্ষে এই ঘোষণা করে তিনি বলেন, পুলিশে কমান্ড দেওয়ার মতো এই মুহূর্তে কেউ নেই। পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তাকে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেছেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণে ব্যাপক অর্থ ব্যয় করার কারণে চালের বাজারে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, যদি এ অর্থ সেচ খাতে বিনিয়োগ করা হতো, তাহলে চালের দাম কমপক্ষে ৫ টাকা কমতে পারত। কিন্তু আজ পদ্মা সেতুর ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
শেখ বশির উদ্দীন আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের উদ্বৃত্ত তৈরি করতে ব্যর্থ হলে তা টিউমারের মতো সমস্যার সৃষ্টি করে, যা কোনো সরকার দীর্ঘমেয়াদে বহন করতে পারবে না। তিনি বলেন, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, নাগরিকদের দাবির সময় জানতে হবে—রাষ্ট্রের ব্যয়ের উদ্বৃত্ত আছে কি না। তা না হলে সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা সরকার অহেতুক বড় প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। অধিকাংশ স্থলবন্দরের কোনো বাস্তব প্রয়োজন ছিল না, এবং সেগুলোর কার্যকারিতা সীমিত। তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, যার প্রায় ৯০ শতাংশ ইতোমধ্যে ব্যবহার হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, সরকার প্রকল্প গ্রহণের মূল লক্ষ্য ছিল ব্যয়ের বৃদ্ধি, আয়ের প্রবৃদ্ধি নয়। এ কারণে বড় প্রকল্পের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ব্যয় বেড়ে গেছে। অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য হবে আয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরায় ফিরে আসবে, যা নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ সুগম করবে। তিনি আরও বলেন, আগের তিন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপিরা পদে থেকেও নির্বাচন করেছেন। ভোটাররা ভোটে যাইনি বা যায়নি, তা সরকারের জন্য কোনো প্রভাব ফেলেনি। তাই তারা মূলত নামধারী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় রয়ে গেছে। এমন অব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
রাজধানী ঢাকার রাস্তাঘাটে আছড়ে পড়েছে অগণিত
জনতার ঢেউ। মানিক মিয়া
অ্যাভিনিউ রূপ নিয়েছে জনসমুদ্রে।যতদূর
চোখ যায়, চারদিকে শুধু
মানুষ আর মানুষ।
জাতীয়
সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের দক্ষিণ
প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে সকাল
থেকেই সমবেত হতে থাকেন শোকাহত
মানুষেরা।
মানিক
মিয়া অ্যাভিনিউ ঘুরে দ্য ডেইলি
স্টারের সংবাদদাতা জানান, দিনের শুরুতেই মানুষের সারি তৈরি হতে
থাকে এবং সময় গড়ানোর
সঙ্গে সঙ্গে তা আরও দীর্ঘ
হয়।
ধানমন্ডি
৩২ নম্বর এলাকা থেকে শোকাহত মানুষের
লাইন আসাদ গেট পেরিয়ে
কারওয়ান বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। প্রধান সড়কের
সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি রাস্তা ও গলিপথে মানুষ
ধৈর্যের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অনেকের হাতে ছিল দলীয়
পতাকা ও প্ল্যাকার্ড, আবার
অনেকেই নীরবে দোয়া করছিলেন।
জনসমাগম
কেবল সড়কেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন
এলাকায় মানুষকে উড়াল সড়কের ওপর
এবং আশপাশের ভবনের ছাদে দাঁড়িয়ে জানাজার
কার্যক্রম একনজর দেখার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
বিএনপি
সমর্থকদের পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দলের
সঙ্গে যুক্ত নন, এমন সাধারণ
নাগরিকদেরও পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যা
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের ব্যাপক প্রভাবের প্রতিফলন। বয়স্ক মানুষ, নারী ও তরুণ—সব বয়সের মানুষই
উপস্থিত ছিলেন; অনেককেই শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা
করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত দেখা
যায়।
এই অভূতপূর্ব জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও চলাচল স্বাভাবিক
রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন
করা হয়। আশপাশের সড়কে
যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। বিশৃঙ্খলা
এড়াতে কর্তৃপক্ষ সবাইকে শান্ত থাকার এবং নির্দেশনা মেনে
চলার আহ্বান জানায়।
অনেক
শোকাহত মানুষ খালেদা জিয়াকে দেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাস গড়ে দেওয়া এক
প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।আসাদ গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা
এক ব্যক্তি বলেন, 'খালেদা জিয়া শুধু একটি
দলের নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন
এ দেশের সব মানুষের নেত্রী।'
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মহান রাব্বুল ইজ্জত তাঁর একান্ত মেহেরবানীতে
মজলুমদেরকে বিজয় দান করলে মিছিল নয়, স্লোগান নয়, উচ্ছ্বাসও নয়- আমরা সবাই সিজদায় পড়বো।
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভেরিফায়েড পেজে এমন মন্তব্য
করেন তিনি।
তিনি
আরও লিখেছেন, মনভরে আল্লাহ তাআলার শোকর আদায় করবো এবং জাতির সেবার জন্য মহান রবের একান্ত
সাহায্য কামনা করবো।
মন্তব্য করুন


গার্ডিয়ান
কাউন্সিলের সদস্য ও জ্যেষ্ঠ আলেম আলিরেজা আরাফি ইরানের ‘লিডারশিপ কাউন্সিল’
বা নেতৃত্ব পরিষদের ফকিহ (ধর্মীয় আইনবিদ) সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।
বিশেষজ্ঞ
পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) নতুন কোনো সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন না করা পর্যন্ত
এ নেতৃত্ব পরিষদ সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করবে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
আরাফি
অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব পরিষদে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও সুপ্রিম কোর্টের
প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেইর সঙ্গে যুক্ত হবেন।
প্রায়
চার দশক ধরে শক্তহাতে দেশ শাসন করা অভিজ্ঞ নেতা খামেনির আনুষ্ঠানিক কোনো উত্তরাধিকারী
ঘোষণা করা নেই। যে কারণে ৮৮ জন জ্যেষ্ঠ আলেমের সমন্বয়ে গঠিত অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস
বা বিশেষজ্ঞ পরিষদ পরবর্তী নেতা নির্বাচন করবে।
১৯৭৯
সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই পরিষদকে কেবল একবারই এমন দায়িত্ব পালন
করতে হয়েছে। তিন দশকেরও বেশি সময় আগে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর আয়াতুল্লাহ
আলী খামেনিকে নির্বাচিত করা হয়েছিল।
খামেনির
স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তির নাম ঘোষণার আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনার জন্য পরিষদের
সদস্যদের শিগগিরই বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।
তবে
তারা কোনো সভা করার ঝুঁকি নিতে পারবেন কি না তা স্পষ্ট নয়, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্প অঙ্গীকার করেছেন, শাসনব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র
ও ইসরায়েলের যৌথ বোমা হামলা সামনের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রথমবারের মতো সেনাসদরে গেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাসদরে পৌঁছালে সেনাবাহিনী
প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাঁকে স্বাগত জানান।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় নিরাপত্তার
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক
প্রদত্ত মূল্যবান দিকনির্দেশনাসমূহ সম্মিলিতভাবে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং
বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালনে অত্যন্ত সহায়ক হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
মো: তৌহিদ হোসেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো: জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি লেফটেন্যান্ট
জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো: মাহবুব হোসেন, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী
প্রধান, পিএসও এএফডি, সামরিক ও অসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, পুলিশ মহাপরিদর্শক এবং
গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, র্যাব এর মহাপরিচালকগণ
ও সেনাসদরের কর্মকর্তাগণ।
(খবর বাসসের)
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) স্থানীয় সকাল ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা।
এর আগে নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১১টায় (বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল) প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীরা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন।
তার আগে ৯ দিনের সফরে গত ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যান প্রধান উপদেষ্টা। এবার প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন মধ্যে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। এ ছাড়া জামায়াত নেতা নকিবুর রহমান তারেক যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিনিধি দলে যুক্ত হন।
সফরে প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বক্তব্য দেওয়া ছাড়াও সাইডলাইনে বিভিন্ন সরকার ও রাষ্ট্র প্রধান, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


বাড়িতে বৃদ্ধ মা থাকা সত্ত্বেও নতুন বউ রান্না করতে অস্বীকৃতি জানান—এই সমস্যা সমাধানের অজুহাতে তিন বছরে একে একে তিনটি বিয়ে করেন এক যুবক। তবে শেষ পর্যন্ত রান্নার সমাধান নয়, আইনি জটিলতায় কারাগারে যেতে হয়েছে তাকে।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহার রাজ্যের গোপালগঞ্জ জেলায়। অভিযুক্ত যুবকের নাম পিন্টু বার্নওয়াল।
পুলিশ জানায়, পিন্টুর প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী তার বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি, শারীরিক নির্যাতন এবং বৈধ বিচ্ছেদ ছাড়াই একাধিক বিয়ের অভিযোগে মামলা করেছেন।
তদন্তে জানা গেছে, ২০২২ সালে খুশবু কুমারীর সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। খুশবুর অভিযোগ, তিন লাখ টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার দেওয়ার পরও পিন্টু তাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেন এবং কোনো তালাক না দিয়েই দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিয়ে করেন।
দ্বিতীয় স্ত্রী গুড়িয়া কুমারীর অভিযোগও একই। তিনি জানান, তার কাছ থেকেও পাঁচ লাখ টাকা ও একটি গাড়ি দাবি করা হয়েছিল।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে পিন্টু বার্নওয়ালের দাবি, তার স্ত্রীরা রান্না করতেন না এবং তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে না খাইয়ে রাখতেন। এমনকি তাকে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি।
বর্তমানে পিন্টুর দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে ১০ মাস এবং তৃতীয় স্ত্রীর ঘরে এক মাসের সন্তান রয়েছে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আদালত পিন্টুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বিচার ৯০ দিনের
মধ্যে সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।
সোমবার
(২২ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘শহীদ
শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল
আইন, ২০০২ এর ১০ ধারা অনুযায়ী পুলিশ রিপোর্ট আসার পর সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে বিচার
সম্পন্ন করা হবে’।
এর
আগে, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শেষ করতে দ্রুত বিচারিক ট্রাইব্যুনাল
গঠনের দাবি জানায় ইনকিলাব মঞ্চ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর
শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ
আল জাবের।
জাবের
বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য একটি দ্রুত বিচারিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। প্রয়োজনে
আন্তর্জাতিক পেশাদার তদন্ত সংস্থার সহায়তা নিতে হবে। কোনো তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধ’
নয়-আমরা চাই প্রকাশ্য বিচার।
মন্তব্য করুন


সদ্য
সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে বিজয়ী জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) নেতা আবদুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, ‘আমাদের পুরো হাতিয়া যে ঐক্য দেখিয়েছে
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে- এটাই আমাদের জয়। আমি বলছি, সন্ত্রাস যা করার করে নিন, বেশি
দিন করতে পারবেন না। তারা মনে করেছে দল ক্ষমতায় এসেছে, তাই যা ইচ্ছা তা করতে পারবে।
তারা আমাদের চানন্দী ইউনিয়নের বাশার মাঝির কথা ভুলে গেছে। তখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল,
বাশার মাঝি আওয়ামী লীগ করেও রক্ষা পায়নি। আজিম তাকে ছাড় দেননি। তাদের বলে দিতে চাই-
বাংলাদেশের সরকার তারেক রহমান হোক, হাতিয়ার সরকার আমরা।’
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে আয়োজিত এক বিজয়ী পথসভায় তিনি
এই বিস্ফোরক দাবি করেন।
পথসভায়
সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘হাতিয়াবাসী সন্ত্রাসীদের
জবাব দিয়েছে। হাতিয়ার মানুষ এমন তাণ্ডবের বিপরীতে দাঁড়িয়ে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে
এই প্রথম তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। মা–বোনেরা রাস্তা দিয়ে যেতে পারেনি, কিন্তু
জমি দিয়ে হেঁটে গিয়ে ভোট দিয়েছে। অনেক জায়গায় লাঠি দিয়ে তিনবার বাড়ি দিয়েছে, চতুর্থবার
আবার গিয়ে ভোট দিয়েছে। অনেক রিকশাওয়ালাকে পিটিয়েছে, সে আবার সেই রিকশা নিয়ে গিয়ে ভোট
দিয়েছে।
তিনি
আরও বলেন, ‘আমাদের পুরো হাতিয়া যে ঐক্য দেখিয়েছে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে- এটাই আমাদের
জয়। আমি বলছি, সন্ত্রাস যা করার করে নিন, বেশি দিন করতে পারবেন না। তারা মনে করেছে
দল ক্ষমতায় এসেছে, তাই যা ইচ্ছা তা করতে পারবে। তারা আমাদের চানন্দী ইউনিয়নের বাশার
মাঝির কথা ভুলে গেছে। তখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল, বাশার মাঝি আওয়ামী লীগ করেও রক্ষা
পায়নি। আজিম তাকে ছাড় দেননি। তাদের বলে দিতে চাই- বাংলাদেশের সরকার তারেক রহমান হোক,
হাতিয়ার সরকার আমরা।’
আমরা
কোনও সংঘাত চাই না উল্লেখ করে হান্নান মাসউদ বলেন, ‘আমরা হানাহানি চাই না। আমরা শান্তি
চাই। চাঁদাবাজি–ধান্দাবাজি যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে
আমি আগে দাঁড়াবো- সে যে দলেরই হোক। চাঁদাবাজ–ধান্দাবাজদের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ
ঘোষণা করা হলো। আমাদের শান্তি দরকার।’
তিনি
আরও বলেন, ‘এই হাতিয়ার মানুষ অনেক বেশি লাঞ্ছিত হয়েছে, নিপীড়িত হয়েছে- আর হাতিয়ার মানুষকে
নিপীড়িত, নির্যাতিত, লাঞ্ছিত হওয়ার সুযোগ নেই। আমরা হাতিয়ার মানুষকে বাঁচাবোই, বাঁচাবোই,
বাঁচাবোই- ইনশাআল্লাহ।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা ঘাট সিন্ডিকেট বন্ধ করেছি, ভবিষ্যতেও এই ঘাট সিন্ডিকেট বন্ধ থাকবে—
ইনশাআল্লাহ। আমি চেষ্টা করবো আগামী সাড়ে ৩ মাসের মধ্যে সাড়ে ১১ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন
করতে। আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন আমার দেয়া ওয়াদা বাস্তবায়ন করতে পারি।’
প্রসঙ্গত,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেন। এনসিপি মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ ৯১ হাজার ৮৯৯
ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান
শামীম পান ৬৪ হাজার ২১ ভোট। বাকি ৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশের
গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ দ্বিতীয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
পালিত হচ্ছে।
গতকাল
বুধবার থেকে সারাদেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন শুরু হয়। গতকাল ৩১ ডিসেম্বর থেকে
শুরু হওয়া এই শোক চলবে আগামীকাল ২ জানুয়ারি, ২০২৬ (শুক্রবার) পর্যন্ত।
রাষ্ট্রীয়
শোকের দ্বিতীয় দিনে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ
সকল সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা
হয়েছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই শোক কর্মসূচির
ঘোষণা দেওয়া হয়।
সেখানে
বলা হয়, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে
সরকার গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর মৃত্যুতে বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ হতে শুক্রবার, ২ জানুয়ারি
২০২৬ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
বেগম
খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য আগামীকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দেশের সকল মসজিদে
বিশেষ দোয়া ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনারও আয়োজন করা হবে। এর আগে,
গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও গতকাল বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন।
বিরল
রাষ্ট্রীয় সম্মান ও মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়ে স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের
কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে মরহুমের ছেলে তারেক রহমান মাকে
কবরে শায়িত করেন। রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব
অনার প্রদান করা হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি।
দাফনের
আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, মানিক মিয়া এভিনিউ ও আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা
জুড়ে অনুষ্ঠিত হয় বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক জানাজা। তাঁর এই জানাজায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। শোক আর শ্রদ্ধায় আপসহীন এই নেত্রীকে
শেষ বিদায় জানান কোটি মানুষ।
এই
জানাজাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ জানাজা বলে উল্লেখ করছেন অনেকেই।
বেগম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার
মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন। ঐতিহাসিক এ জানাজায় বিশ্বের
বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ ও কুটনৈতিকগণ অংশ নেন।
মন্তব্য করুন