

বিদেশ ফেরত প্রেমিকার লাগেজভর্তি মালামাল
বিমানবন্দর থেকে নিয়ে সুকৌশলে চম্পট দেওয়া প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নগরের পতেঙ্গা
এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পাহাড়তলী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ওই যুবকের নাম সাদ্দাম
হোসেন (২৮)।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন- নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) কাজী মো. তারেক আজিজ।
সাদ্দাম হোসেন কুমিল্লা জেলার লাঙ্গলকোট
থানার বুলিয়া পাড়া গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে। চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানার চরপাড়া
এলাকায় ভাড়া বাসার বাসিন্দা।
পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার কাজী মো.
তারেক আজিজ জানান, এ সময় তার কাছে থেকে কম্বল, ৪টি ঘড়ি, সাবান, শ্যাম্পু, পারফিউম,
মোবাইল এবং লাগেজসহ ২০ ধরনের মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ১০ বিজিবি সদস্যরা মাদক ও
চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে সর্বমোট ১ কোটি ২৯ লক্ষ ২২ হাজার ৯৬০ টাকা মূল্যের
ভারতীয় বাজি উদ্ধার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর ) কুমিল্লা
ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি) বিশেষ টহলদল এ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে কুমিল্লার
পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের ফুট ওভার ব্রিজের নিচ হতে বিজিবি টহলদল ৫ লক্ষ ৭০ হাজার ৬৪০
পিস ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার বাজি উদ্ধার করে।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি)
অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মায়ের অভিযোগে তানভির হাসান হৃদয় (২৯) নামে এক মাদকসেবীকে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ শত টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (৭ অক্টোবর ) দুপুরে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারহানা পৃথা তাকে কারাদন্ড দেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাইঘর গ্রামের আবু তাহের এর ছেলে তানভির হাসান হৃদয় মাদক খেয়ে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় পিতা-মাতা ও ভাইকে মারধর করে এবং বিরক্তকর আচরণ করায় তাকে হাতেনাতে আটক করে।
এসময় তার মা রাশেদা বেগম উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারহানা পৃথা উপস্থিত হয়ে মাতাল তানভির হাসান হৃদয়কে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ২শত টাকা জরিমানা করেন। এ সময় ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


আর দশজন সাধারণ গৃহবধূর মতই জীবন ছিল মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের সুবিধপুর গ্রামের রেজিয়া খাতুনের। কিন্তু হঠাৎ তার জীবনে নেমে আসে ভয়াবহতা।
৩০ বছর আগে এক রাতে নির্যাতনের পর তাকে অচেতন অবস্থায় সীমান্ত পার করে ভারতে বিক্রি করে দেয়া হয় ।
আর এই দীর্ঘ সময় পরিবার ও গ্রামবাসী জানতেন, রেজিনা মারা গেছেন।
কিন্তু এখন হঠাৎ তিনি ফিরে আসায় তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ।
গত ১০ নভেম্বর ৫০ বছর বয়সী রেজিয়া বাড়ি ফিরে জানতে পারেন মা-বাবা মারা গেছেন। ভাই-বোনরা বৃদ্ধপ্রায়; সন্তানরা সংসার পেতেছেন।এরপর সোমবার তিনি মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। তারা হলেন- রেজিয়ার দ্বিতীয় স্বামী আজগর আলী এবং তার সহযোগী জয়নাল।
শুনানি শেষে আদালত দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে থানা থেকে বলা হয়েছে।
এদিকে রেজিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৫ বছর বয়সে গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের সাত্তার আলীর সঙ্গে তার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সেই সংসারে এক ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। পরে সাত্তারের সঙ্গে রেজিয়ার বিচ্ছেদ হয়।
এরপর রেজিয়া নিজ গ্রামের আজগর আলীকে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর শুরু হয় রেজিয়ার উপর আজগরের নির্যাতন।
১৯৯৩ সালের এক রাতে নির্যাতনের পর তাকে প্রতিবেশী জয়নালের সহযোগিতায় আজগর সীমান্তের কাঁটাতার পার করে ভারতের কাশ্মিরে নিয়ে যান এবং কোনোকিছু বুঝে উঠার আগেই ফারুক হোসেন নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন।
রেজিয়া বলেন, ৩০ বছর সীমাহীন কষ্টে বন্দিজীবন পার করেছি। ছেলেমেয়েরা তাদের মায়ের আদর- ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়ে বড় হয়েছে। নিখোঁজ অবস্থায় মা-বাবাকে হারিয়েছি। তাদের মরা মুখটাও আমি দেখতে পাইনি।
আমি চাই না আর কারো জীবন যেন এভাবে ধ্বংস হোক সেজন্য মামলা করেছি। আদালত আমার মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
যদিও রেজিয়ার দ্বিতীয় স্বামী আজগর আলী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তিনি বলেন, বিয়ে হওয়ার পর কয়েক বছর আমরা সংসার করি। তারপর সামাজিকভাবে রেজিয়ার সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। পাচারের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।
এদিকে জয়নালের দাবি, যড়যন্ত্র করে রেজিয়ার হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তাকে জড়ানো হচ্ছে।
দেশে কীভাবে ফিরে আসলেন সে বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিয়া জানান, তিন মাস আগে তিনি ভারতের জম্মু-কাশ্মির থেকে ভারতের নদীয়া জেলার পণ্ডিতপুর গ্রামে পায়ের চিকিৎসা নিতে আসেন। সেখানে কথা হয় সুবিধপুরের পাশের কসবা হিন্দি গ্রামের আমিরুল ইসলাম বাবলুর সঙ্গে।তখন রেজিয়া তাকে পুরো ঘটনা জানান এবং গ্রামে পরিবারের কাছে তার বেঁচে থাকার খবর পৌঁছে দিতে বলেন। পরে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাকে কাশ্মির থেকে মেহেরপুর ফিরিয়ে আনেন।
কসবা হিন্দি গ্রামের বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম বাবলু বলেন, রেজিয়ার মুখে সব শুনে মেহেরপুর ফিরে তার ভাইদের সন্ধান করে ঘটনাটি জানান তিনি। পরে রেজিয়ার দেওয়া মোবাইল নম্বর ও কাশ্মিরের ঠিকানা অনুযায়ী সেখানে গিয়ে ফারুকের কাছ থেকে রেজিয়াকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে তার পরিবার।
রেজিয়ার বড় ভাই আনারুল ইসলাম বলেন,রেজিয়ার স্বামী আজগর এতদিন বলেছে, আমার বোন ওই রাতে কাউকে না বলে নিখোঁজ হয়ে যায়। দেশের প্রায় সব জেলায় বোনের সন্ধান করেছি। কিন্তু কোথাও হদিস না পেয়ে ভেবেছি, বোন হয়ত মারা গেছে। তিন মাস আগে পাশের গ্রামের আমিরুলের মাধ্যমে বোনের সন্ধান পেলে আমরা ভারতের কাশ্মিরে গিয়ে বোনকে ফিরিয়ে আনি।
রেজিয়ার মেয়ে সালেহা খাতুন বলেন, মাকে ফিরে পেয়ে জীবন ফিরে পেয়েছি মনে হচ্ছে। যারা আমার মাকে এতদিন আমার কাছ থেকে দূরে রেখেছিল আমি তাদের কঠিন বিচার চাই।”
কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুমিতপুর গ্রামের ওয়ার্ড সদস্য আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা জানতাম রেজিয়া মারা গেছে। তার ফিরে আসার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কয়েক গ্রামের মানুষ রেজিয়াকে দেখতে ভিড় করছে। আমরা রেজিয়ার পাশে আছি। তাকে সব ধরনের আইনি সহায়তা করা হবে।
রেজিয়ার দায়ের করা মামলার বিষয়ে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ কে এম আছাদুজ্জামান জানান, ঘটনাটি মানবপাচার প্রমাণ হলে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লাস্থ নাঙ্গলকোট ফোরাম'র নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। কাজী নজির আহম্মদ সভাপতি ও সাংবাদিক সহিদ উল্লাহ মিয়াজীকে সেক্রেটারি করে ১৫ সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। ৩১ জানুয়ারী শুক্রবার রাতে কুমিল্লা নগরীর একটি হল রুমে সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সামনে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যান্য কর্মকর্তাগণ হলেন সহ-সভাপতি অধ্যাপক নাছির আহম্মেদ মোল্লা ও ডা: সিরাজুল ইসলাম। সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা ইছরাইল মজুমদার, সাবেক ছাত্রনেতা শাহাদাৎ ইবনে সালেহ, ব্যবসায়ী নেতা মিজানুর রহমান ও মাইনুল হক মজুমদার বাবলু। সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আফসার মজুমদার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শহীদ উল্লাহ মজুমদার, অফিস ও অর্থ সম্পাদক প্রভাষক মাওলানা ইব্রাহীম মুসাফির, প্রচার সম্পাদক শ্রমিক নেতা নজরুল ইসলাম সেলিম, ক্রীড়া সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, আপ্যায়ন সম্পাদক নুরুল আমিন আজাদ ও ছাত্র প্রতিনিধি মেহেদী হাসান মামুন।
মন্তব্য করুন


গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ হতে যৌথ বাহিনীর নেতৃত্বে ৪/৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কুমিল্লা জেলায় নিরীহ ছাত্র জনতার উপর আক্রমনকারী সন্ত্রাসীসহ সকল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ ভোরবেলায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তির অবস্থান সম্পর্কে প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বি-পাড়া উপজেলার সবুজ পাড়া নামক এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারকারী মৃত আবুল হোসেন এর ছেলে কামরুল (২৩) নামক ব্যক্তিকে নিজ বাড়ি হতে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে ১ টি পিস্তল (চাইনিজ), ১ টি ম্যাগাজিন ও ১ টি পিস্তলের এ্যামোঃ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত অস্ত্রসহ বি-পাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদেরকে আটক
না করা পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত
থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে ও মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল প্রতিরোধে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনী ও হাইওয়ে পুলিশ যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে।
এ সময় মহাসড়কের পাশের ফুটপাতের অবৈধ
স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ, মহাসড়কে অবৈধভাবে চলাচলকারী থ্রি-হুইলার ও বৈধ কাগজপত্র
বিহীন মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। পরে এ সংক্রান্তে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা সূত্রে জানা
গেছে, গত সপ্তাহে মহাসড়কের পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে জনস্বার্থে হাইওয়ে পুলিশের
পক্ষ থেকে বিশেষ প্রচারনা করা হয়। প্রচারনা শেষে আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকাসহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা
হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন সড়ক আইন ভঙ্গের দায়ে হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মোট ২৫টি মামলা
করা হয়।
যৌথ এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রিফায়েত তারেক মজুমদার, হাইওয়ে পুলিশের
সার্জেন্ট মো: হাসান, মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক মো: নজরুল
ইসলাম সহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-সদস্যবৃন্দ ও মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা
পুলিশের একটি টিম।
এ অভিযানের বিষয়ে মিয়াবাজার হাইওয়ে
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জসিম উদ্দিন বলেন, মহাসড়কের পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত
রাখতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং থ্রি-হুইলার বন্ধে
যৌথবাহিনী সোমবার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে মোট ২৫টি মামলা
দায়ের করা হয়েছে। মহাসড়ক অবৈধ দখল ও যানজটমুক্ত রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয়
উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
আজ রবিবার (৭ জুলাই) আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের
দ্বিতীয়া তিথিতে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) কুমিল্লা জগন্নাথপুর শ্রী শ্রী
জগন্নাথ দেবের মন্দির ও নগরী ঠাকুরপাড়া রামকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরের যৌথ আয়োজনে শ্রী
শ্রী জগন্নাথপুর মন্দিরে সকাল ৭টা হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের পূজা ও দর্শন
আরতী, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোম যজ্ঞ, ভজন কীর্তন, বাউল সংগীত ও পদাবলী কীর্তন
এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ ও দুপুর ২টায় ধর্মসভা শেষে ভক্ত সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
পৃথক পৃথক রথারোহণ, শুভ আরতি ও মহা হরিনাম সংকীর্তন সহযোগে জগন্নাথ মন্দির হতে চকবাজার-রাজগঞ্জ-কান্দিরপাড়
হয়ে ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির এসে শেষ হয় বর্ণাঢ্য শুভ রথযাত্রা।
ওই শোভাযাত্রায় লাখো পূণ্যার্থী ও ভক্তের সমাগম ঘটে। এতে সকল ধর্মের মানুষের উপস্থিতি
ছিলো চোখে পড়ার মতো। এরপর সন্ধ্যায় গুন্ডিচা মন্দিরে সন্ধ্যারতি কীর্তন ও ভজন কীর্তন
এবং রাত ৮টায় ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ লীলামৃত
ও মহাপ্রসাদ বিতরণ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, জগন্নাথদেব
হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগৎ হচ্ছে বিশ্ব আর নাথ হচ্ছেন ঈশ্বর। তাই জগন্নাথ হচ্ছেন
জগতের ঈশ্বর। তার অনুগ্রহ পেলে মানুষের মুক্তিলাভ হয়। জীবরূপে তাকে আর জন্ম নিতে হয়
না। এই বিশ্বাস থেকেই রথের ওপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমূর্তি রেখে রথ নিয়ে যাত্রা করেন
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
আজ কুমিল্লা জগন্নাথ মন্দিরে বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মধ্য দিয়ে রথযাত্রা উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দুপুর দুইটায় ধর্ম সভা শেষে সাড়ে ৪টায় বেলুন উড়িয়ে রথযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম । এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা-৭ সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।
রথযাত্রা মহোৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম
বলেন- অসম্প্রদায়িক দেশ গড়তেই বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল দেশের
হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকল ধর্ম জাতির মানুষ সম্মিলিতভাবে স্বপ্নের সোনার বাংলা
বিনির্মাণ করবে। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫আগস্ট নির্মমভাবে বঙ্গবন্ধুকে হত্য্যা করে এই
স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করতে চেয়েছিল স্বাধীনতাবিরোধী চক্র৷ পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিলো
ধর্মীয় বিভাজনের ভিত্তিতে৷ এই বিভাজন আমরা মানতে পারিনি বলে পরবর্তীতে অসম্প্রদায়িক
চেতনাকে বুকে ধারণ করে দেশ স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশে তাই কোন ধর্মীয় বৈষম্য থাকবে না৷
শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের সভাপতি
শ্রীমান সুদর্শন দাশ ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে ধর্মসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা
পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার
মু. মুশফিকুর রহমানসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লা সদর উপজেলার জগন্নাথপুরের শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের মন্দির হতে রথযাত্রার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে শ্রী জগন্নাথদেব, বলদেব ও শুভদ্রাদেবের ৩টি পৃথক রথারোহনের মাধ্যমে মাসির বাড়ি পাথুরিয়া পাড়া আগমন করেন। সেখান তিনি প্রায় আটদিন অবস্থান করার পর পুনরায় উল্টো রথে নিজ বাড়ীতে ফিরে যাবেন। প্রতি বছর হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমাগম ঘটে থাকে রথযাত্রা উৎসবে।
এদিকে, আগামী ১৪ জুলাই রবিবার (উল্টো
রথযাত্রা) গুন্ডিচা মন্দিরে সকাল ৭টা হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেব এর পূজা ও
দর্শন আরতি, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, ভজন কীর্তন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ এবং
দুপুর ২টায় ধর্মসভা শেষে ভক্ত সমাবেশ ও পৃথক পৃথক রথারোহণ, শুভ আরতি ও মহাহরিনাম সংকীর্তন
সহযোগে ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির হতে কান্দিরপাড়, রাজগঞ্জ ও
চকবাজার হয়ে জগন্নাথপুর মন্দির পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা'র মধ্যদিয়ে শেষ হবে রথযাত্রা
মহোৎসব।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে কুমিল্লার সদর
উপজেলার দিদার মার্কেট এলাকায় তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
আজ (২৭ডিসেম্বর) নানা অনিয়মের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একে আজাদ ও জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি:
কাজের
সন্ধানে ভারতের দিল্লিতে গিয়ে ফিরে আসার সময় বিএসএফের হাতে আটক ২৪ জন বাংলাদেশী নারী-পুরুষ
ও শিশুকে ফেরত এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার
(২৩ মে) রাত ১.৩০ মিনিটে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বালাতাড়ী সীমান্তের ৯৩২ নম্বর
সীমানা পিলারের পাশে বিজিবি- বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফের
পক্ষে ভারতীয় ৩ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের এসি এসএইচএল সিমতি এবং বিজিবি'র পক্ষে লালমনিরহাট
১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর হাসনাইন নেতৃত্ব দেন। এছাড়াও পতাকা বৈঠকের সময়
নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাছেন আলী, ইউপি সদস্য আব্দুল আলিম, ইউপি সদস্য
মহির উদ্দিন বালারহাট বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার সাইদুর রহমান সহ বিজিবি
সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘন্টাব্যাপি
এ বৈঠক শেষে বিএসএফ আটক বাংলাদেশী ২৪ নারী- পুরুষ ও শিশুদেরকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজিবির
কাছে হস্তান্তর করে। পরে বিজিবি তাদের কে ক্যাম্পে নিয়ে এসে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
করেছে।
বিজিবি
সুত্র জানায়, লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বালারহাট বিওপির প্রতিপক্ষ
ভারতীয় ৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীন করলা ক্যাম্পে ভারতে অভিবাসনরত কিছু নাগরিককে বাংলাদেশে
পুশইন করার জন্য জড়ো করা হয়েছে মর্মে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ
কর্ণেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি জানতে পারেন। তখন অবৈধভাবে কোন নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইন
না করার জন্য প্রতিপক্ষ বিএসএফকে কঠোর বার্তা প্রদান করা হয়। বার্তায় বিএসএফকে আরও
জানানো হয় যে, প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশী নাগরিক হলে তাদের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত সাপেক্ষে
প্রচলিত নিয়মানুযায়ী তাদেরেকে গ্রহণ করা হবে। কিন্তু কোন অবস্থাতেই বাংলাদেশী নয় এমন
কোন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের ভূখন্ডে ঢুকতে দেয়া হবে না। এর প্রেক্ষিতে বিএসএফ প্রাথমিকভাবে
২৪ জনের (পুরুষ- ১২ জন তন্মধ্যে শিশু -৪ জন, মহিলা-১২ জন তন্মধ্যে শিশু-৪ জন ) নামের
তালিকা লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নে প্রদান করে। উক্ত তালিকা যাচাই-বাছাই করে
পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়
জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে তাদেরকে পরিবারের নিকট
হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভারত
থেকে ফেরত আসা ওই ২৪ জন হলেন, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার দাসিয়ার ছড়া সমন্বয়টারী
গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে তাজুল ইসলাম (২৫) তার স্ত্রী আম্বিয়া বেগম(১৯) মেয়ে তাসলিমা
(৭) মাতা তানেকা বেগম(৪৬) বোন তাহেরা খাতুন(৭), দাসিয়ার ছড়া কামালপুর গ্রামের আছর আলীর
ছেলে মানব আলী (২৩) তার স্ত্রী রুমি বেগম (২০), একই গ্রামের নজির হোসেনের ছেলে আব্দুল
কাদের (৩১) তার স্ত্রী সাথী বেগম(২৮) ছেলে শহিদুল (৯) মেয়ে কাজলী (২), উপজেলার আরাজী
নেওয়াশী গ্রামের কাজী উদ্দিনের ছেলে জায়দুল হক (৫৫) তার স্ত্রী আন্জুমা বেগম (৪৩) ছেলে
আশিক বাবু (১৪) মেয়ে জান্নাতি খাতুন (১৯) জামাতা রবিউল (২২) ও ১০ মাস বয়সী নাতি জুনায়েদ,
উপজেলার ভাঙ্গামোড় বটতলা গ্রামের নজির হোসেনের ছেলে হাসেন আলী (৩৫) তার স্ত্রী আলমিনা
বেগম (২৯) মেয়ে হাছিনা (১৩) ছেলে আরিফ (৪) আরমান (২) এবং জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার গোপালপুর
গ্রামের আব্দুস ছালাম (৫০)।
এ
প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের উপ- অধিনায়ক মেজর হাসনাইন জানান, যথাযথ
প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ২৪ বাংলাদেশী নারী- পুরুষ ও শিশুদেরকে ফেরত
আনা হয়েছে। স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধি দের সহায়তায় তাদেরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবিদ্বারে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও হত্যা মামলায় আব্দুর রাজ্জাক নামের এক স্বেচ্ছাসেবকলীগ
নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি দেবিদ্বার পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ
সম্পাদক।
শনিবার (২৩ মে) রাত দেড়টায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ৫ নম্বর
ওয়ার্ড বানিয়াপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুর রাজ্জাক (৩৮) দেবিদ্বার বানিয়াপাড়া গ্রামের
মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে।
জানা গেছে, গত বছরের ৪ আগস্টে সরকার পতনের আন্দোলনে
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক রুবেল হত্যার সঙ্গে জড়িত
ছিলেন তিনি।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ওসি শামসুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন,
শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবিদ্বার পৌর এলাকার বানিয়াপাড়ার রাজ্জাকের
নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রুবেল হত্যাসহ
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন