

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের নিজকুঞ্জরা গ্রামে ফেসবুকে মন্তব্য (কমেন্ট) নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার (২ নভেম্বর) দুপুরে নিজকুঞ্জরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষের সামনে। আহতরা সবাই ওই বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী।
আহতরা হলেন— জাহিদুল ইসলাম সামিম (১৭), ইমরান হোসেন (১৮), আরমান হাসান (১৭), রাফি, আরাফাত ও অনিক। এদের মধ্যে সামিম, ইমরান ও আরমানকে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সামিমের পেটে ও বুকে সাতটি, ইমরানের শরীরে ১৮টি এবং আরমানের শরীরে নয়টি সেলাই দিতে হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, স্থানীয় মহিপাল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাহাত উদ্দিন ভূঁইয়া ও তার সহযোগীরা এ হামলার নেতৃত্ব দেন।
তারা জানান, কয়েকদিন আগে এক বন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে একটি ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করা হয়। সেখানে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহাদ হোসেন, যিনি রাহাতের ছোট ভাই, একটি আপত্তিকর মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে ফাহাদ ফোনে বড় ভাই রাহাতকে বিষয়টি জানায়।
রবিবার দুপুরে বিষয়টি মীমাংসার জন্য উভয় পক্ষকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ডাকা হয়। কিন্তু এর মধ্যেই রাহাত ও তার কয়েকজন সহযোগী ছুরি, খুর ও ছাপাতি নিয়ে স্কুলে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এতে অন্তত ছয়জন আহত হন।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে এক বৈঠক হয়। সেখানে প্রত্যেক আহতকে চিকিৎসা বাবদ ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় এবং মামলা না করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
একজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সভায় বলা হয় যেহেতু ঘটনাটি স্কুলের ভেতরে ঘটেছে, তাই বিষয়টি এখানেই মীমাংসা করা হোক। পুলিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।”
আহত সামিম বলেন, “আমরা শুধু জানতে চেয়েছিলাম কেন বাজে মন্তব্য করেছ। কিন্তু স্কুলে গিয়ে উল্টো আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে বারৈয়ারহাট হাসপাতালে নেয়নি, শেষে ছাগলনাইয়ায় চিকিৎসা নিতে হয়।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক জানান, “সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান শিক্ষার্থীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকেই ঘটনাটি ঘটে। উভয় পক্ষের অভিভাবক ও পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে। ফাহাদের বিষয়ে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।”
তবে আহতদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি অবগত নন বলে দাবি করেন।
ঘোপাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লুৎফুল কবির বলেন, “আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। স্কুলের অফিস কক্ষে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা রাহাত উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, “ঘটনাটি ছোটদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ও স্কুল প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে মীমাংসা হয়েছে। আমি কোনো হামলার নেতৃত্ব দিইনি।”
তবে হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন বলেন, “বিষয়টি এখনো জানি না। এ ধরনের ঘটনা সত্য হলে দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
অরাজনৈতিক, ধর্মীয় ও মানবিক সেবামূলক সংগঠন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ-এর সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আব্দুস সামাদ। তিনি কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মেকানিক্যাল বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ছাত্র। সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে তৌফিকুল ইসলামকে, যিনি কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্র।
আহ্বায়ক মোঃ আব্দুস সামাদ তার বক্তব্যে বলেন, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে আর্তমানবতার সেবা, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার এবং সুফিবাদী দর্শনের মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এই কমিটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক শিক্ষার প্রসার এবং মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে দুর্যোগকালীন ত্রাণ বিতরণ, রক্তদান কর্মসূচি এবং অসুস্থ শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এই কমিটি অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
নবগঠিত এই কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ-এর জেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তরুণ ছাত্রসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে পলিটেকনিক অঙ্গনে মানবিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় আপেল বরই কিংবা কুল চাষে সফল হয়েছেন শহীদ বেপারী। প্রথমবারই সফলতার মুখ দেখেছেন তিনি। প্রতিদিন বিক্রি করছেন বাগানের বরই। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়া উৎপাদিত এ বরইয়ের বেশ চাহিদা আছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, পালাখাল গ্রামের নয়াবাড়ির অধিবাসী কৃষক শহীদ বেপারী ২২ শতক জায়গায় গড়ে তোলা বরই বাগান পুরোটা নেট দিয়ে ঘেরা। ভেতরে প্রবেশ করে গাছে ঝুলতে দেখা যায় সবুজ-হলুদ ও লালচে থাই-বলসুন্দরী বরই। বিক্রির জন্য শহীদ বেপারীসহ কয়েকজন গাছ থেকে বরই তুলে ব্যাগে রাখছেন। আকারে বড় ও স্বাদে সুমিষ্ট হওয়ায় বাগানেই বিক্রি হয়ে যায় সব বরই।
কৃষক শহীদ বেপারী বলেন, অনেক বছর ধরে কৃষিকাজ করছি। বাড়ির পাশে প্রথমে ২২ শতক জায়গায় বলসুন্দরী ও থাই জাতের বরই গাছ লাগাই। সাতক্ষীরা থেকে চারা সংগ্রহ করেছি। এ পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকার বরই বিক্রি করেছি। গাছে যে পরিমাণ বরই আছে, আশা করছি লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো।
কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, কম খরচ ও পরিচর্যায় বেশি ফলন পাওয়ায় বরই চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় চাষিদের। বলসুন্দরী ও থাই জাতের বরই অনেক সুস্বাদু। শহীদ বেপারী এ জাতের বরই চাষ করে প্রথম বছরই সফল হয়েছেন। বরই চাষে কোনো কৃষক আগ্রহ হলে কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার হোমনায় ঘরে ঢুকে তিনজনকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার রাতে উপজেলার বড় ঘাগুটিয়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা হলেন, বড় ঘাগুটিয়া গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা বেগম (৩৫), তার ছেলে-সাহাব উদ্দিন (৯) এবং ভাগ্নি তিশা আক্তার (১৪)।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বড় ঘাগুটিয়া গ্রামের মো: শাহপরান ঢাকায় চাকরি করেন। বুধবার রাতে তার স্ত্রী-ছেলে ও প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা ঘুমিয়েছিলেন। রাতের কোনো একসময় তাদেরকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মরদেহগুলো খাটের ওপর ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা তিনজনের মরদেহ একই কক্ষে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। মরদেহগুলোর মাথায় আঘাতের চিহ্ন আছে। মরদহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
১০ম
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪-২৫-এর চূড়ান্ত পর্বে চ্যাম্পিয়ন
হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল। বৃষ্টি-বিঘ্নিত ফাইনালে টস জিতে
শিরোপা নিশ্চিত করে তারা।
বসুন্ধরা
ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রতিপক্ষ ছিল
বগুড়া পুলিশ লাইন হাই স্কুল। তবে প্রবল বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ম অনুযায়ী, টস জয়ী দলকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয় — সে হিসেবে
চ্যাম্পিয়নের মুকুট যায় কুমিল্লার ঘরে।
পুরস্কার
বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল
বাশার সুমন, হাসিবুল হোসেন শান্ত, মেহরাব হোসেন অপি, দিপু রায় চৌধুরী, গেম ডেভেলপমেন্ট
ম্যানেজার আবু ইমাম কাওসার, গেম ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কামরুল হাসান এবং
জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ।
এই
আসরে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল দুর্দান্ত পারফর্ম করে জেলা পর্যায়ে ৪টি, বিভাগীয় রাউন্ডে
৩টি এবং ন্যাশনাল রাউন্ডে আরও ৩টি ম্যাচ জিতে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। সেমিফাইনালে তারা
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়কে ১০২ রানে হারায়। ঐ ম্যাচে ব্যাট হাতে আফনান ইন্তেহাদ
১২০ বলে করেন দারুণ ১৪৪ রান। বল হাতে সেরা ছিলেন প্রান্ত দেবনাথ, যিনি ২৫ রান দিয়ে
শিকার করেন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
আসরের
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কারও গেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের আফনান ইন্তেহাদের
হাতে।
চ্যাম্পিয়ন
দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন আইয়ুব হোসেন ইমন এবং ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মোঃ
নেওয়াজ খান। দলের সার্বিক সাফল্যের পেছনে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং জেলা ক্রিকেট
কোচ হাবীব মোহাম্মদ মোবাল্লেগ জেমসের অবদানও ছিল অনস্বীকার্য।
উল্লেখ্য,
এর আগেও ২০১৯ সালে জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কুমিল্লা হাই স্কুল। সেই
ধারাবাহিকতায় আবারও দেশের সেরা হওয়ার কৃতিত্ব দেখাল কুমিল্লার স্কুল ক্রিকেট।
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার, কুমিল্লা :
কুমিল্লা জেলা বরুড়ার সাবেক সফল সংসদ সদস্য মরহুম এ কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুমিল্লাস্থ বরুড়া ছাত্র-ছাত্রী সংসদের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় কুমিল্লা শহরের প্ল্যানেট এসআর ভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লাস্থ বরুড়া ছাত্র-ছাত্রী সংসদের উপদেষ্টা আবু নাসের মানিক। তিনি বলেন, “বরুড়া উপজেলার শিক্ষার্থীরা কুমিল্লায় পড়াশোনা করছে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে। কিন্তু অনেকে নানা প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যে পড়ে পিছিয়ে যায়। আমাদের এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সমস্যা শোনা এবং একে অপরকে সহযোগিতা করা। সংগঠনকে গতিশীল করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন কল্লোল। তিনি বলেন, “ছাত্র-ছাত্রী সংসদ কেবল নামেই নয়, কাজে যেন বরুড়ার গৌরব ধরে রাখে — এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা সোহেল পারভেজ, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ওমর ফারুক রিপন, সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ ইমরান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন পন্ডিত ও বর্তমান সদস্য সচিব ডা. নাজমুল হাসান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন এনাম মজুমদার, মানিক হোসেন, নূর নাহার মুক্তা, জুথি আক্তার, শরিফ হোসেন ও মেহেদি হাসানসহ আরও অনেকে। তারা কুমিল্লায় অবস্থানরত বরুড়ার ছাত্র-ছাত্রীদের বাসস্থান, পড়াশোনা, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ে নানা মতামত তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গতকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা গোয়েন্দা
শাখা, কুমিল্লার একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানার চড়ানল এলাকার কুমিল্লা-টু-কসবাগামী
রাস্তার উপর হতে ১২২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী ছাব্বির হোসেন শুভ ও মোঃ
সোহাগকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: কুমিল্লা
জেলার বুড়িচং থানার পাঁচোড়া (আসকার বাড়ী) এলাকার মৃত আলম খান এর ছেলে ছাব্বির হোসেন
শুভ (২৫) এবং মৃত কবির হোসেন এর ছেলে মোঃ সোহাগ (২৭)।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
“থাকবে পুলিশ জনপদে, ভোট দিবেন নিরাপদে” — এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুমিল্লায় শুরু হয়েছে ৪র্থ পর্যায়ের ৩ দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স।
“নির্বাচনি দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা সক্ষমতা বৃদ্ধি” শীর্ষক এই প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন করা হয় এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী।
বক্তব্যে তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। এই নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করতে হবে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করবে এবং নির্বাচনকালীন যে কোনো পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। প্রশিক্ষণে বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন এবং নির্বাচন পরিচালনায় করণীয়, আচরণবিধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


৫ অক্টোবর , শনিবার কুমিল্লা শহরের নিউমার্কেট, ঝাউতলাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা এ অভিযান পরিচালনা করে ।
বাজার তদারকির এ অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয় এবং অন্যদের সতর্ক করা হয়।
জনস্বার্থে
এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নাটোরের গুরুদাসপুরে মাটির ঘর থেকে একসঙ্গে ৫০টি বিষধর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে সাপ আতঙ্ক।
বুধবার (৩ জুলাই) সকালে গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের শিকারপাড়া গ্রামের আব্দুল মতিনের মাটির ঘর থেকে সাপগুলো বের করে মারা হয়।
বাড়ির মালিক কৃষক আব্দুল মতিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মাটির ঘরে বসবাস করে আসছেন। বুধবার সকালে দরজার পাশে একটি সাপের বাচ্চা দেখতে পান। এরপর সাপটিকে মারতে গেলে গর্তের ভেতরে চলে যায়। পরে প্রতিবেশীদের জানালে কয়েকজন যুবকের সহযোগিতায় লোহার সাবল দিয়ে গর্ত খুঁড়ে ছোট-বড় আর বাচ্চা মিলে ৫০টি বিষধর সাপ ধরা হয়। তবে সাপগুলো বিষধর হওয়ায় স্থানীয়রা সাপগুলোকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছেন।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল বারী।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ১৪৪ ক্যান বিয়ারসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় জেলার চাটখিল-সোনাইমুড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় তাদের।
আটকৃতরা হলো: চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের কড়িহাটি গ্রামের সৈয়দ গাজী বেপারী বাড়ির মোহাম্মদ উল্ল্যার ছেলে মাহমুদ হাসান সজিব (২৯) ও সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ঘাসের খিল গ্রামের সৈয়দ গাজী বেপারী বাড়ির সিদ্দিক উল্ল্যার ছেলে মো. ইউসুফ(৩৫)।
সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ আরও বলেন, আটকৃতরা একই বাড়ির বাসিন্দা। তাদের দুজনের বাড়ি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় বাড়ির এক অংশ চাটখিল উপজেলায় ও অপর অংশ সোনাইমুড়ী উপজেলায় অবস্থিত। এজন্য তাদের দুজনের থানা ভিন্ন। দীর্ঘদিন ধরে তারা দুইজন একসঙ্গে মাদক কারবার চালিয়ে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারি সজিবের বাড়ি থেকে ১৪৪ ক্যান রয়্যাল ডাচ বিয়ার জব্দ করা এবং ইউসুফের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ১টি বিদেশি পিস্তল ও ২ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন