

বান্দরবানের তিন উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে ষষ্ঠ উপজেলা ভোট নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়
সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে এক সভায় উপস্থিত ছিলেন চার নির্বাচন কমিশন,
জননিরাপত্তা বিভাগ, জনপ্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, র্যাবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার
শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈঠকে ।
বেলা ১১টা থেকে তিন ঘণ্টাব্যাপী নির্বাচন ভবনে সংশ্লিষ্ট সচিবদের নিয়ে অনুষ্ঠিত
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম বান্দরবানের উপজেলা নির্বাচন স্থগিত
নিয়ে সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে বান্দরবানের থানচি, রোমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে। এজন্য এ তিন উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। অপারেশন
চলমান থাকায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতে এ তিনটি উপজেলার নির্বাচন পরবর্তীতে
সুবিধাজনক সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত ও প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের
সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনাসহ সভায় গৃহীত উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো তিনি বলেন,
এবার উপজেলা নির্বাচনে অন্য স্থানীয় সরকার
নির্বাচনের চেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত করা হবে। চার ধাপে ভোট
হওয়ায় জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্টদের চাহিদা অনুযায়ী মোতায়েন করা হবে।
আগামী ৮ মে রোয়াংছড়ি ও থানচিতে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। রুমার ভোট হওয়ার কথা রয়েছে
২১ মে। এবার প্রথম ধাপে ১৫০ ও দ্বিতীয় ধাপে ১৬০ উপজেলার ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তৃতীয়
ধাপে ১১২টির ভোট ২৯ মে এবং চতুর্থ ধাপের ভোট হবে ৫ জুন।
২ এপ্রিল রুমা উপজেলার সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি করে অর্থ লুট করে একদল সশস্ত্র
লোক। পুলিশের ১০টি এবং আনসার সদস্যের চারটি অস্ত্র ও লুট করে নিয়ে যায় তারা। অপহরণ
করা হয় ব্যাংকটির ব্যবস্থাপক নেজাম উদ্দিনকে। দুদিন পর রুমার একটা পাহাড়ি এলাকা থেকে
ছাড়া পান তিনি। রুমার ঘটনার একদিন পর ৩ এপ্রিল থানচি উপজেলার সোনালী ও কৃষি ব্যাংকেও
দিন-দুপুরে অর্থ লুটের ঘটনা ঘটে।
দুটি ঘটনায় পাহাড়ে সশস্ত্র সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট-কেএনএফ জড়িত বলে জানিয়েছে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এরপর থেকেই লুট হওয়া অস্ত্র-অর্থ উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুমা ও থানচিতে
অভিযান চালাচ্ছে যৌথ বাহিনী। অভিযানে অংশ নিয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ
সদস্যের যৌথ বাহিনী। যৌথ বাহিনীর এ অভিযান সমন্বয় করছে সেনাবাহিনী।
যৌথ বাহিনীর এই অভিযানে বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ২১ নারীসহ ৭১ জনকে গ্রেফতারের
খবর জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


"মানসম্মত সবুজ ও পরিচ্ছন্ন বিদ্যালয় বাস্তবায়ন কর্মসূচি" এই স্লোগান নিয়ে ময়মনসিংহের ভালুকায় অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি সদস্য সচিব সোহাগের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলীনূর খান, বিশেষ অতিথি মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান সহ আরও অনেকেই বক্তব্য রাখেন।
এসময় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযানে ১১ জন মাদক ব্যবসায়ী
ও একজন আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু গাঁজা ও ইয়াবা সহ আটক করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
গতকাল (২৮ জুন) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ছুপুয়া
এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। বাবলু মিয়া
(২৩), পিতা-জাকির হোসেন, সাং-আইরল, থানা-সরাইল, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া; ২। বিল্লাল হোসেন
(২২), পিতা-মাহবুল হক, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
মুন্না হোসেন (২২), পিতা-মোঃ রেজাউল করিম, সাং- আলিপুর, থানা-সাতক্ষীরা সদর, জেলা-সাতক্ষীরা;
৪। মোঃ সাইফুল ইসলাম কামাল (১৯), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট,
জেলা-কুমিল্লা; ৫। মোঃ সোহাগ (২৫), পিতা-আব্দুল খালেক, সাং-শফিবাদ, থানা-কচুয়া, জেলা-
চাঁদপুর; ৬। মোঃ ফয়সাল (২০), পিতা-আব্দুল বারেক, সাং-পানিপাড়া, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লা
৭। ইমরান হোসেন বাবু (২৫), পিতা-মাহবুল হক, সাং-শহীদপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
৮। মোঃ সালমান হোসেন (১৯), পিতা-মৃত শহীদুল ইসলাম, সাং-মাঝিআলী, থানা- বাঘারপাড়া, জেলা-যশোর;
৯। মোঃ শাহেদ হাসান (২০), পিতা-মৃত কবির হোসেন, সাং-পানিপাড়া; ১০। মোঃ হুমায়ুন হোসেন
(২০), পিতা-মোঃ আবুল বাশার, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
১১। মোঃ কাওসার (২২), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে
গ্রেফতার করা হয় এবং আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু ১২। মোঃ জসিম উদ্দিন (১৬), পিতা-মোঃ
জাফর আলী, সাং-পশ্চিম নোয়াগাও, থানা-লালমাই, জেলা-কুমিল্লা। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৭০
গ্রাম গাঁজা ও ১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানান, আসামীরা ও আইনের সহিত
সংঘাতে জড়িত শিশু দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের
পার্শ্ববর্তী খাবারের হোটেল গুলোতে ট্রাকের ড্রাইভার ও হেল্পারদের নিকট মাদক বিক্রয়
করে আসছিল। কিছু হোটেলের মালিক/ম্যানেজারগণ খাবার হোটেলের ব্যবসার সাথে সাথে মাদক ব্যবসার
সাথেও জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়। ট্রাকের চালকেরা খাবার খাওয়া এবং বিশ্রামের জন্য উক্ত
খাবার হোটেল গুলোতে বিরতি নিয়ে থাকে। বিরতিকালে ড্রাইভার এবং হেলপাররা হোটেল গুলো থেকে
মাদকদ্রব্য ক্রয় করে এবং সেবন করে। মাদক সেবী ট্রাকের ড্রাইভাররা নেশাগ্রস্থ অবস্থায়
রাতে মহাসড়কে গাড়ি চালায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে মহাসড়কে সড়ক দূর্ঘটনার
হার আশংকাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রয়কালে
অবৈধ মাদক সহ আসামীদেরকে হাতেনাতে গ্রেফতার ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে আটক করে।
মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর প্রতিনিধি :
২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রণোদনা ও ঘুর্নিঝড় রেমাল উপলক্ষ্যে পুনবার্সন কর্মসূচীর
আওতায় খরিপ/২০২৪-২৫ মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ
ও রাসায়নিক সার এবং নারিকেলের চারা বিতরণের কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধন
করেন ছাত্র সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাখাওয়াত জামিল সৈকত।
মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুর উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ
অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে বীজ ও সার বিতরণের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সদর উপজেলার নির্বাহী
কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত। বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা
তাপস রায়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সদর উপজেলার চেয়ারম্যান
এ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির সুমন, ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল হায়দার সংগ্রাম, মহিলা ভাইস
চেয়ারম্যান রেবেকা সুলতানা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইফতেখার নাঈম, উপসহকারী উদ্ভিদ
সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন সহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রাম জেলা চিলমারী ও গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর শহরের মোড় এলাকায় চিলমারী-হরিপুর তিস্তা সেতুতে ঘুরতে যাওয়া মা-মেয়ের ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে মাইকিং করে দুই গ্রামের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ আহত হয়েছেন অন্তত ২০-২৫ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে কয়েক দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে একজনকে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চিলমারী থানা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে দুপক্ষের শতাধিক লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেন। পরে খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি টিম দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এলাকাবাসী সূত্র জানা যায়, গত শুক্রবার (৪ এপ্রিল) চিলমারী রমনা ইউনিয়নের দক্ষিণ খরখরিয়া গ্রামের পশির উদ্দিনের মেয়ে ও স্ত্রী দ্বিতীয় তিস্তা সেতুতে ঘুরতে গেলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের শহরের মোড় এলাকার বিজয়, পাভেল, সুমন নামে যুবক গোপনে ছবি তোলেন এবং উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। পরে মা-মেয়ে ওই ঘটনার প্রতিবাদ করার সময় ওই যুবকেরা তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়নের ডাঙ্গারচর এলাকার হামেদ আলীর ছেলে সাজু ও রোস্তাম আলীর ছেলে মোতালেব মিয়ার চোখে পরলে তারা বিষয়টির প্রতিবাদ করেন। এতে শহরটির মোড় এলাকার বিজয়, পাভেল, সুমনসহ কয়েকজন মিলে চিলমারী উপজেলার এই দুই যুবকের ওপর চরাও হন এবং তাদের মারধর করেন। পরবর্তীতে তারা মারধরের বিষয়টি এলাকায় জানালে এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনার পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে রমনা ইউনিয়নের দক্ষিণ খড়খড়িয়া এলাকার লাল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৫) তার ভুট্টা ক্ষেত দেখতে গেলে শহরের মোড় এলাকার ফখরুলের ছেলে মিস্টারসহ কয়েকজন ব্যক্তি মিলে তাকে বেধরক মারধর করেন। পরে আলমগীর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় ব্যক্তিরা পরিবারকে ফোনে মারধরের কথা জানান। পরে খবর পেয়ে আলমগীরের শরীরে বিভিন্ন জখম, পাঁচটি দাঁত ভাঙ্গা ও পায়ের নিচে টেঁটার আঘাত অবস্থায় তার পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে। তাকে প্রথমে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে রমেক হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
পরে ওই ঘটনায় দুই গ্রামের মানুষ মাইকিং করে তাদের লোকজনকে ডেকে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয় গ্রামের ২০-২৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে কুড়িগ্রাম থেকে সেনাবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর একটি টিম গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে চিলমারী উপজেলার লাল মিয়ার ছেলে আলমগীরকে রমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি ॥
লিবিয়ার বেনগাজী শহরের আরবান এলাকায় দালালের খপ্পরে আটকে থাকা চাঁদপুরের কচুয়ার সফিবাদ গ্রামের শ্রমিক ইব্রাহিম ফকিরের (৩৫) মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা) সময় লিবিয়ার মারা যান। তিনি ওই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। লিবিয়ায় নেয়া দালালরা তাকে আটকে রেখে নির্যাতন ও মারধরের কারনে তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি তার পরিবারের। ইব্রাহীম ফকিরের মৃত্যুর বিষয়টি একই গ্রামের সহকর্মী আব্দুল হাকিম মুঠোফোনে জানিয়েছেন বলে তার পরিবার জানান।
নিহত ইব্রাহিম স্ত্রী রোজিনা বেগম আক্তার জানান, সফিবাদ গ্রামের দালাল চক্র খোরশেদ আলম আমার স্বামীকে ইতালি নেয়ার কথা বলে প্রায় ১ বছর আগে লিবিয়ায় নিয়ে কাজ না দিয়ে আমার স্বামীকে বদ্ধরুমে আটকে রেখে টাকার জন্য নানান ভাবে নির্যাতন করত। নির্যাতন সহ্য না করতে পেরে মারা যান তিনি। আমি দালাল খোরশেদ আলমের শাস্তির দাাবি জানাচ্ছি এবং আমার স্বামীর লাশ দেশে আনতে সরকারের প্রতি দৃষ্টি কামনা করছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, দালালের খপ্পরে এ এলাকার অনেকে নি:স্ব হয়ে গেছে। তবে খোরশেদ আলমের কারনে অনেকে ভিটে বাড়ি ছাড়া হয়ে গেছে। এদিকে শ্রমিক ইব্রাহিমের লাশ দেশে আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রবাসী কল্যান মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের নিকট হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
দালালের খপ্পরে থাকা লিবিয়া ২মাস আগে দেশে ফেরত আশা মো. কবির হোসেন জানান,দালালের কাছে আটকে থাকায় আমার চাচা ইব্রাহিম ফকির অনেক কষ্ট পেয়েছে। মর্মান্তিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরেই তিনি মারা যান।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বগুড়ায় সহ-সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করা আহসান হাবিবের বাড়িতে দেয়ালে কে বা কারা লিখে রেখে গেছে—‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নাও সমন্বয়ক’।
আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বগুড়া সদর থানার এসআই মিজানুর রহমান।
তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে আহসান হাবিবের বাড়িতে আসি এবং ‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নাও সমন্বয়ক’ লেখাটি দেখতে পাই।
হুমকি পাওয়া আহসান হাবিব (২৪) বগুড়া সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের গফুর প্রামাণিকের ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছোট। আহসান হাবিব সরকারি আজিজুল হক কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বগুড়া জেলার সহ-সমন্বয়ক।
সহ-সমন্বয়ক আহসান হাবিব বলেন, সোমবার রাতের কোনো এক সময় আমার ঘরের দেয়ালে ‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নাও সমন্বয়ক’ এমন লেখাটি দেখতে পেয়ে আমার ভাবি আমাকে জানান। বিষয়টি নিয়ে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। আজ আমাকে হুমকি দিয়েছে, কাল আমার অন্য ভাইকেও হুমকি দিতে পারে। আমি এর সুষ্ঠু বিচারে দাবি জানাচ্ছি।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) সুমন রঞ্জন সরকার জানান, বিষয়টি জানার পর জেলা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ মাঠে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


এক পায়ে ক্র্যাচে ভর দিয়ে প্রতিদিন ৩ কিলোমিটার পথ হেঁটে নিয়মিত কলেজে যায় ইয়াছমিন আক্তার (২০)। অদম্য এই শিক্ষার্থী ইয়াছমিনের এক পা নেই, অন্য পা থাকলেও তা প্রায় শীর্ণকায়।এ গল্প নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গাংচিল গ্রামের দিনমজুর নুরনবীর মেয়ে ইয়াছমিন আক্তারের।
দেড় বছর বয়সে আগুনে পুড়ে এক পা হারিয়ে এমন বাস্তবতা নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন জীবনের ১৯টি বছর। তবুু কঠিন জীবন সংগ্রামে দমে যাননি। দরিদ্রতা আর শারীরিক অক্ষমতাকে জয় করে সে এখন জেলার সদর উপজেলার ড. বশির আহমদ কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় বর্ষের মানবিক বিভাগে পড়ছেন।
জান যায়, ২০০৫ সালে শিশু ইয়াছমিনকে বিছানায় রেখে পাশের বাড়ি থেকে পানিতে আনতে যান তার মা। হঠাৎ করে চৌকির পাশে থাকা চেরাগ থেকে মশারিতে আগুন ধরে যায়। ওই আগুনে ইয়াছমিনের দুই পা দগ্ধ হয়। পরে ডাক্তারের পরামর্শে তার বাম পা কেটে ফেলতে হয়। পায়ের রগ পুড়ে অপর পাও অনেকটা শীর্ণকায় হয়ে যায়।
এরপরও অদম্য ইচ্ছা শক্তিতে প্রথমে ভর্তি হন স্থানীয় পশ্চিম গাংচিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে গাংচিল কবি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। বর্তমানে দেড় কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে প্রথমে স্থানীয় গাংচিল বাজারে যান। পরে সেখান থেকে গাড়ি করে বাড়ি থেকে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার দূরে কলেজে ক্লাস করছেন নিয়মিত। আবার বাড়ি ফিরতেও তাকে হাঁটতে হয় দেড় কিলোমিটার পথ। এভাবে বয়ে চলেছেন জীবনের ভার। বছরে পাঁচ হাজার টাকা প্রতিবন্ধী সরকারি ভাতা পান। কিন্তু সরকারের এ সহযোগিতা একেবারেই অপ্রতুল।
ইয়াছমিন আক্তার বলেন, অনেক কষ্ট করে আমি লেখাপড়া করছি। পড়ালেখা শেষ করে আমি শিক্ষক হতে চাই। সবার সহযোগিতায় একটি কৃত্রিম পা সংযোজন হলে আমার স্বপ্ন পূরণে সহজ হবে। ইয়াছমিনের বাবা নুরনবী বলেন, আমি একজন দিনমজুর। তবে শত কষ্ট-যাতনা সহ্য করে হলেও মেয়েকে লেখাপড়া করাব। তার একটি কৃত্রিম পা সংযোজনে সমাজের বিত্তবান মানুষ এগিয়ে আসবেন বলে প্রত্যাশা।
ড. বশির আহমদ কলেজের প্রভাষক এএইচ তানিম জানান, আমরা তার কষ্টকে মূল্যায়ন করি। একই সঙ্গে তার চেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। কেননা ইয়াছমিন যেটা সম্ভব করে চলেছেন তা সবার কাছেই অনুপ্রেরণা ও দৃষ্টান্ত।
ড. বশির আহমদ কলেজের অধ্যক্ষ আঞ্জুমান আরা মুক্তা জানান, ইয়াছমিন প্রতিদিন তিন কিলোমিটার পথ এক পায়ে হেঁটে কলেজে আসা যাওয়া করছে। সে একজন জীবন সংগ্রামী তরুণী। অদম্য প্রচেষ্ঠায় তার গল্পটি হয়ে উঠেছে প্রেরণার।
মন্তব্য করুন


প্রেমিকার অনশনের খবর পেয়ে প্রেমিক পালিয়ে যায়। নিরুপায় হয়ে প্রেমিকার বাবা মেয়ের প্রেমিকসহ তার দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের তাড়াশের তালম ইউনিয়নে।
রোববার (১৪ এপ্রিল) রাতে তাড়াশ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। আর মামলার প্রধান আসামি প্রেমিক মো. মহিবুল্লাহ (২৪) ও তার দুই বন্ধু।
আসামি মহিবুল্লাহ তালম ইউনিয়নের আব্দুল মমিনের ছেলে ও ঢাকার একটি কলেজের সম্মান তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে সে পলাতক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪ বছর ধরে মহিবুল্লাহর সঙ্গে একই গ্রামের প্রতিবেশী এক স্কুলছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক চলছে। প্রেমিক মহিবুল্লাহ বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রেমিকা মহিবুল্লাহকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে টালবাহানা শুরু করে। গত শনিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে প্রেমিক মহিবুল্লাহর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে প্রেমিকা।
আর এদিকে প্রেমিকার অনশনের খবর পেয়ে পালিয়ে যায় প্রেমিক। পাশাপাশি তার বাবা-মাসহ স্বজনরা বাড়িতে তালা মেরে সটকে পড়েন।
তারপর বিয়ের দাবি পূরণ না হওয়ায় মেয়ের প্রেমিক ও তার দুই বন্ধুর নামে ধর্ষণ মামলা করেছেন বাবা।
বিষয়টি নিয়ে প্রেমিক মহিবুল্লাহ ও তার স্বজনদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে তাড়াশ থানার ওসি মো: নজরুল ইসলাম জানান, মামলাটি তদন্তের জন্য থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো: সিরাজুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
নতুন বছরের শুরুতে বই পেয়ে খুশি কোমলমতি
শিক্ষার্থীরা। বই পেয়ে আনন্দে মেতে উঠেন মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে। কোমলমতি
শিক্ষার্থীদের হাতে বই দেখে উচ্ছাসিত ও আনন্দমুখর সময় কাটান মাদ্রাসার শিক্ষক ও
অভিভাবক। মঙ্গলবার সকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার দহুলিয়া গ্রামে অবস্থিত জামি’আ
দারুত তাওহীদ মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়।
তাওহীদ একাডেমী এন্ড ইসলামিক সেন্টারের আয়োজনে এসব বই বিতরণ করা হয়েছে।
এসময় মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
আকরামুজ্জামান,সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী, রিয়াজ হোসেন, তাওহীদ একাডেমী এন্ড
ইসলামিক সেন্টারের সেক্রেটারী হাজী মো. দুলাল মিয়া,সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান,রাসেল
হোসেন,শাহ জালাল মিয়া,মাদ্রাসার শিক্ষক,অভিভাবক ও শিক্ষার্থী সহ আরো অনেকে উপস্থিত
ছিলেন। এদিকে নতুন বই পেয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা খুশি।
মন্তব্য করুন