

রাজধানীর
হাজারীবাগ রায়েরবাজার এলাকায় শাহরিয়ার শারমিন বিন্তি (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে
হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে হাজারীবাগ রায়েরবাজারে বাসার
সামনে ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে
গেলে চিকিৎসক রাত সোয়া ১০টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে
নিহত বিন্তির বাবা বেল্লাল হোসেন জানান, তাদের বাসা রাযেরবাজার হায়দার হোটেলের গলিতে।
বিন্তি রায়েরবাজার উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। দুই সন্তানের মধ্যে
বিন্তি ছিল বড়।
তিনি
আরও জানান, রাতে বিন্তি তার ছোট ভাই নাবিলের সাথে বাইরে যায়। এর কিছুক্ষণ পর বাসার
নিচে হইচই শুনে নিচে নেমে দেখি কে বা করা আমার মেয়ে বিন্তিকে কুপিয়ে ফেলে রেখে গেছে।
দ্রুত তাকে সেখান থেকে শিকদার মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে
মারা যায়।
হাসপাতালে
বিন্তির মা নাদিয়া বেগম বলেন, রাত ৮টার দিকে বিন্তি আর তার ভাই নাবিলের সঙ্গে নিচে
নামে। কাঁচা তরকারি কিনে তার বোন বাসার নিচে দিয়ে মসজিদে চলে যায়। হইচই শুনে নিচে নেমে দেখি আমার মেয়েকে
ঘিরে অনেকেই দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে স্থানীয় অনেকেই বলে বিন্তি বলছিল, সিয়াম নামে এক যুবক
তাকে কুপিয়েছে।
তার
মা আরও বলেন, তিন-চার বছর আগে থেকে সিয়াম মোবাইলে ডিস্টার্ব করত বিন্তিকে। একদিন আমি
সিয়ামকে মোবাইলে বকাবকি করি। আজকে আমার মেয়েকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে। আমি আমার মেয়ে হত্যার
বিচার চাই। খুনি সিয়ামের ফাঁসি চাই।
ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি
নিশ্চিত করে জানান, নিহতের কাঁধে ও পিঠে একাধিক জখম রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য
মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি হাজারীবাগ থানা পুলিশ তদন্ত করছে।
মন্তব্য করুন


বান্দরবান
শহরের মেঘলা এলাকার পাহাড়ের নিচে পড়ে থাকা অবস্থায় মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার
(১৯ মার্চ) দুপুরে শহরের মেঘলা লালমোহন বাগান তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ার গহীন এলাকা থেকে তাদের
লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা
হলেন- রমেসিং মার্মা (৩০) ও তার মেয়ে বৃষ্টি মার্মা (৪)। তাদের বাড়ি বান্দরবান সদরের
মেঘলা কানা পাড়া এলাকায়।
পুলিশ
ও স্থানীয়রা জানায়, গতকাল রাত থেকে রমেসিং মার্মা ও তার মেয়ে বৃষ্টি মার্মাকে খুঁজে
পাচ্ছিল না আত্মীয় স্বজনরা। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মেঘলা লালমোহন বাগান তঞ্চঙ্গ্যা
পাড়ার গহীন এলাকার উঁচু এক পাহাড়ের নিচে তাদের পড়ে থাকতে দেখে। বিষয়টি পুলিশকে জানালে
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় লাশ উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতাল
মর্গে নিয়ে যায়।
ধারণা
করা হচ্ছে পাহাড়ের চূড়া থেকে পড়ে অথবা কেউ ধাক্কা দিয়ে মা-মেয়েকে হত্যা করতে পারে।
তবে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উৎঘাটন ও সুস্পট কারণ তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান স্থানীয়রা।
বান্দরবানের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মান্না দে জানান, শহরের মেঘলা এলাকা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার
করেছি। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা
যাবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তার ছেলে ও দলের
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
দীর্ঘ
১৭ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরেই মায়ের চিকিৎসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন তারেক
রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার
হাসপাতালে গিয়ে দীর্ঘ সময় মায়ের পাশে অবস্থান করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা.
জুবাইদা রহমান। তারা মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে বৈঠক করে চিকিৎসার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে
অবহিত হন। রাত ১২টার দিকে তারা হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
বেগম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন,
স্বাস্থ্যের ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় তাকে প্রথমে সিসিইউ এবং পরে আইসিইউতে স্থানান্তর করা
হয়েছে। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি
হয়েছে, এমনটি বলা যাচ্ছে না। তবে, মহান আল্লাহর রহমতে এই সংকটময় সময় পার করা সম্ভব
হলে ভালো কিছুর আশা করা যেতে পারে।
তিনি
বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অত্যন্ত সচেতন যে, কোনোভাবেই যেন সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা
কার্যক্রম ব্যাহত না হয়। এ কারণে তিনি নেতাকর্মীদের অতিউৎসাহী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত
থাকতে নির্দেশ ও অনুরোধ জানিয়েছেন।
বর্তমানে
অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে
গঠিত মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় নিয়োজিত আছে। গত ২৩ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি
হওয়ার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।
তারেক রহমান ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দেশনেত্রীর জন্য দোয়া অব্যাহত
রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের বিষয় তদন্তের জন্য গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।
আজ
রোববার (৩০ নভেম্বর) কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান ও অন্য সদস্যরা
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। এ সময় উপস্থিত
ছিলেন কমিশনের সদস্য মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ যুগ্মসচিব (অব.),
ড. এম আকবর আলী ডিআইজি (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী
অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের
সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতি দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে
ছিল। আপনারা সত্য উদ্ঘাটনে যে ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা স্মরণে রাখবে। জাতির পক্ষ থেকে
আপনাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ইতিহাসের এই ভয়াবহতম ঘটনা নিয়ে জাতির
অনেক প্রশ্ন ছিল, এই কাজের মধ্য দিয়ে সেসব প্রশ্নের অবসান ঘটবে। এই প্রতিবেদনে শিক্ষণীয়
বহু বিষয় এসেছে। জাতির জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে এটি।
কমিশন
প্রধান ফজলুর রহমান বলেন, তদন্তকাজ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ত্রুটিমুক্ত করার স্বার্থে সর্বোচ্চ
পেশাদারত্ব বজায় রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যখন কাজ শুরু করি তখন ১৬ বছর আগের এই
ঘটনার বহু আলামত ধ্বংস হয়ে গেছে।
এই
ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকে বিদেশে চলে গেছেন।
আমরা
দুটো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছি। সাক্ষীদের ডাকলাম, কারো কারও ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বক্তব্য
শুনেছি আমরা। যতক্ষণ তিনি বলতে চেয়েছেন। যারা তদন্তে জড়িত ছিল তাদের সঙ্গে কথা করেছি।
তাদের তদন্তের রিপোর্ট কালেক্ট করেছি, অন্যান্য এলিমেন্ট কালেক্ট করেছি।
তিনি
বলেন, এই তদন্তের মাধ্যমে বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে জনমনে থাকা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর
খোঁজা হয়েছে, উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে কার কী ভূমিকা ছিল। কেন সেনাবাহিনী দাঁড়িয়ে
থাকল অ্যাকশন নিল না। তদন্তে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বহিঃশক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা ও তৎকালীন
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সরাসরি জড়িত থাকার শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে। এসময় কমিশনের
ফাইন্ডিংস সম্পর্কে জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, এই ঘটনা কিছু বাহ্যিক ও প্রকৃত কারণ
বের করেছে কমিশন।
তিনি
বলেন, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছিল
তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের রক্ষা করতে স্থানীয়
আওয়ামী লীগ সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। তারা ২০-২৫ জনের একটি মিছিল নিয়ে পিলখানায় ঢুকেছে
এবং বের হবার সময় সেই মিছিলে দুই শতাধিক মানুষ ছিল।
তিনি
বলেন, পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন
সিগন্যাল’ ছিল।
তিনি
এই ঘটনার দায় নিরূপণের ক্ষেত্রে বলেন, দায় তৎকালীন সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সেনাপ্রধানেরও।
এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে সমাধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব এবং গোয়েন্দা
সংস্থাগুলোরও রয়েছে চরম ব্যর্থতা। ওই হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
(তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন) যেসব বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে শেখ হাসিনা বৈঠক করেছে,
তাদের সঠিক নাম পরিচয় ও তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি।
কমিশন
তাদের প্রতিবেদনে বেশকিছু সুপারিশ করে, যাতে করে ভবিষ্যতে বাহিনীগুলোতে এই ধরনের ঘটনা
এড়ানো যায় এবং এই ঘটনার ভিকটিমরা ন্যায় বিচার পায়।
বৈঠকে
অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার
প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল
আব্দুল হাফিজ ও স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের জন্য প্রস্তুত, ভোটাররাও প্রস্তুত। সবাই প্রস্তুত
থাকার পরও যখন কানে কানে এসে কেউ জিজ্ঞেস করে, নির্বাচন কি হবে? তখন বুঝতে হবে—
এরা গত ১৬ বছরের প্রেতাত্মা।
আজ
বুধবার ( ২১ জানুয়ারি ) ফরিদপুরে অম্বিকা অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে
আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতাকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
ভোটের
ব্যাপারে জনমনে উৎসাহের কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এই পর্যন্ত যে পাঁচটা জেলায় আমি
গিয়েছি, সব জেলাতেই মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার ব্যাপক আগ্রহ দেখেছি। তার একটা বড় কারণ
হচ্ছে সরকার নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
তিনি
আরো বলেন, আরেকটা অনেক বড় কারণ হচ্ছে— রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের পক্ষে জনমত
গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। সেজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে ধন্যবাদ জানাই।
উপদেষ্টা
আরো বলেন, আজকে আমরা এমন একটা সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যখন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ আর বিগত ৫৪
বছরের বাংলাদেশের একটা সংযোগ আমাদেরকে স্থাপন করতে হবে এবং সেই সংযোগটা করতে হবে এত
বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে। ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আর
এই সবকিছুর জন্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে মত দিতে হবে।
উপদেষ্টা
আরো বলেন, আগামী ১২ তারিখে দুইটা ভোট দিতে হবে। একটাতে আপনার এলাকার যোগ্য সংসদ সদস্য
নির্বাচন করবেন। মনে রাখতে হবে, ভোট শুধু অধিকার নয়, ভোট মানে দায়িত্বও। আর এবারের
গণভোট মানে দেশের পদ্ধতি বদলের সুযোগ। শুধু ব্যক্তি বদলালে দেশ বদলায় না, পদ্ধতি বদলাতে
হবে। যাতে যে কেউ ক্ষমতায় আসুক, সে যেন দানব হয়ে উঠতে না পারে।
কিছু
কিছু পরিবর্তন সংবিধানে আনতে হবে, যাতে সংবিধানের ‘জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস’—
কথাটি সার্থক হয় বলেও জানান তিনি।
প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে
বক্তব্য দেন।
তিনি
বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়
পরিবর্তন এবং সংস্কার আনতে পারেন আপনারাই। অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ
নিয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য গঠনের চেষ্টা করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দীর্ঘ সময় বিভিন্ন
পর্যায়ে আলোচনা করেছে। এবার সংস্কার প্রস্তাবগুলোতে আপনাদের মতামতের জন্য গণভোটের আয়োজন
করেছে। নির্বাচিত সরকারকে এগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। এখন দেশের ভবিষ্যৎ আপনাদের
হাতে।
তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, এবারের গণভোটের বিষয়গুলো সুষ্ঠুভাবে
আপনাদের জানানোর জন্য প্রত্যেকটি বিভাগে, প্রতিটি জেলায় আমরা প্রচারণা চালাচ্ছি। প্রত্যন্ত
অঞ্চলের জন্য আমরা পৃথক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
তিনি
আরো বলেন, গতকাল মঙ্গলবার ৪৯৫টি উপজেলায় এবং ৪ হাজার ৫০০টি ইউনিয়নে ভোটের রিকশা চালু
করা হয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে রাস্তায় রাস্তায় মানুষকে বোঝানো হবে যে, পরিবর্তনের জন্য
আমাদের হ্যাঁ বলতে হবে। ‘হ্যাঁ’ বলার কোনো বিকল্প নেই।
ফরিদপুরের
জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আয়োজনে আরো বক্তব্য রাখেন পুলিশ
সুপার মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের নেতা, বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির জেলা প্রতিনিধিরা।
এর
আগে উপদেষ্টা গণভোট ও নির্বাচনে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য আয়োজিত এক র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।
র্যালি শেষে ভোটের গাড়ির স্ক্রিনে প্রধান উপদেষ্টার গণভোট বিষয়ক ভিডিওচিত্র প্রদর্শন
করা হয়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, কোনো অভিযান পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীকে নিজেদের পরিচয় দিয়ে গ্রেফতার করতে হবে, পরিচয় না দিয়ে কোনো অবস্থাতেই
কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না।
রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত
করা হয়।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর)
থেকে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল।
এর আগে পুলিশ সদর দফতর থেকে কোনো ব্যক্তির
কাছে এ ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ রক্ষিত থাকলে মঙ্গলবারের মধ্যে নিকটস্থ থানায় জমা
দিতে বলা হয়েছিল। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আগেই
ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের
খবরে দেশের বিভিন্ন থানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। থানায় সংরক্ষিত বিপুল
পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এরপর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর
অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ। তবে সে সংখ্যাটা
খুবই নগণ্য। বহু অস্ত্র বাইরে রয়ে গেছে। সেসব অস্ত্র এবং আগে থেকে অনেকের কাছে থাকা
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে
লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার কার্যক্রমসহ নিয়মিত টহল ও নজরদারি অব্যাহত রাখা
হবে বলে এরই মধ্যে একাধিকবার জানিয়ে আসছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
মন্তব্য করুন


সংবিধান
সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি জাতীয় সংসদের ফ্লোরে আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ।
শনিবার
(১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি
এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশন কতদিন চলবে, কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে, কী কী আইন উত্থাপন
করা হবে এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর কত ঘণ্টা আলোচনা হবে—এসব
বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি
জানান, ১৫ মার্চের অধিবেশন শেষে সংসদ মুলতবি হয়ে ঈদের পর ২৯ মার্চ আবার বসবে। এরপর
এপ্রিল মাসজুড়ে সংসদের অধিবেশন চলবে।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো
হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন আকারে তা সংসদে উত্থাপন করা হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও
গণভোটের জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
রবিবার
(১১ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইইউ’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন প্রধান
পর্যবেক্ষক ইভারস আইজাবসের সঙ্গে বৈঠকালে তিনি একথা বলেন।
বিকালে
রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৈঠকের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানান।
ড.
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আসন্ন নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে। এটা নিয়ে তিনি কোনো সমস্যা
দেখছি না।
প্রধান
উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনের সময় ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের
সঙ্গে বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে একটা অ্যাপের মাধ্যমে কোথাও
সমস্যা হচ্ছে কি না, নিরাপত্তাব্যবস্থা বিঘ্ন ঘটেছে কি না ইত্যাদি মনিটর করা হবে। ফলে
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা সদস্যরা দ্রুত রেসপন্স করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের কাজ আজ শেষ হচ্ছে।
নির্বাচন
কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বাসসকে
বলেন, আজ রোববার মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে সারা দেশে কতগুলো মনোনয়নপত্র বৈধ এবং কতগুলো
বাতিল হয়েছে তা প্রকাশ করা হবে।
এ
বিষয়ে ইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের
মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই চলবে। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল আদেশের
বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ কোন প্রার্থী বা কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোন সরকারি
সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা প্রার্থী কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি
নির্বাচন কমিশনে আগামী ৫ জানুয়ারি হতে ৯ জানুয়ারি বিকাল ৫ টা পর্যন্ত আপিল দায়ের করতে
পারবেন। সেক্ষেত্রে নিম্নরূপভাবে আপিল দায়ের করতে হবে।
মনোনয়নপত্র
গ্রহণ বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: আপিল আবেদন কমিশন সচিবালয়ের সচিবের নিকট নির্ধারিত
ফরমেটে দায়ের করতে হবে।
আপিল
দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সম্বলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র
বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
আপিল
আবেদনের ১টি মূলকপিসহ সর্বমোট ৭ টি কপি দাখিল করতে হবে।
আপিল
আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণ সংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত
বুথে জমা দিতে হবে।
আপিল
আবেদন ৫ জানুয়ারি হতে ৯ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখ বিকাল ৫ টার মধ্যে দাখিল করতে হবে।
আপিল
কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপি প্রাপ্তির জন্য নির্ধারিত ফরম-এ আবেদন দাখিল করতে
হবে। উক্ত ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ হতে সংগ্রহ
করা যাবে।
আপিল
দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে
পারবেন।
আপিল
নিষ্পত্তি: মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত আপিলসমূহ নির্বাচন
কমিশন আগামী ১০ জানুয়ারি হতে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে নিষ্পত্তি করবে।
নির্বাচনী
আচরণ বিধি অনুসরণ: সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী
বা স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি এবং সরকারী সুবিধাভোগী অতি
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’
অনুসরণ করতে হবে।'
মন্তব্য করুন