

আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী তিন মাস আবহাওয়া পরিস্থিতিতে কি হতে পারে, সে বিষয়ে আগাম বার্তা দিয়েছে ।
অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এ পূর্বাভাসে দেশে আগামী তিনি মাসে শিলাবৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড়, মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ এবং বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে।
আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের পশ্চিম, উত্তর, উত্তরপশ্চিমাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ৪ থেকে ৮ দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা অথবা মাঝারি ধরণের কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। এর বাইরেও এই সময়ের মধ্যে দেশে ৩ থেকে ৫টি মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী তিন মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। বঙ্গোপসাগরে ২ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। তবে আগামী তিন মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।
এছাড়া, আগামী তিন মাসের মধ্যে মৃদু তাপপ্রবাহ অর্থাৎ দেশের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। সেই সঙ্গে মাঝারি ধরণের অর্থাৎ ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানায় সংস্থাটি।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্রের
(সিআরপি) কর্তৃপক্ষ।
রোববার
দুপুরে ( ২৪ মে ) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর
ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি
জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে
আলোচনা হয়। সিআরপি কর্মকর্তারা তাদের চলমান কার্যক্রম, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার
বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ড. ভ্যালেরি এ. টেইলর, ট্রাস্টি বোর্ডের
নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, ট্রাস্টি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাইদুর
রহমান, ট্রাস্টি মুশতাক আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


৫ আগস্টের পর গিরগিটির মতো ভুয়া সমন্বয়ক
তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক
মো: সারজিস আলম।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার
দিকে মাদারীপুর পৌরসভার হলরুমে মাদারীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের
সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক মো: সারজিস আলম বলেছেন, এসব
ভুয়া সমন্বয়কদের আলাদা করতে হবে। তাদের মধ্যে সুবিধাবাদী চরিত্রটা পূর্বেও ছিল এখনও
আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এদেরকে আলাদা করা না হলে সমন্বয়কের নাম ভাঙিয়ে আমাদের ইমেজকে
খেয়ে ফেলবে। দেশের অনেকে জেলায় এমনটা হচ্ছে।
ভুয়া সমন্বয়কদের হুঁশিয়ারি দিয়ে মো:
সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদের মধ্যে কেউ যদি ভবিষ্যতে ফ্যাস্টিস হওয়ার চিন্তা করেন কিংবা
ক্ষমতার অপব্যবহার করার চেষ্টা করেন, তাদেরকে বহিষ্কার করে আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্ররা কেউ আলাদা হবেন না। সবাই একত্রে থাকবেন।
তা না হলে পরিণতি খারাপের দিকে যাবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
উজানের পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর চরাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। এতে আগাম জাতের বিভিন্ন সবজি ও কৃষি ফসল তলিয়ে গিয়ে সহস্রাধিক কৃষক চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কমাতে কৃষকরা কোমর সমান পানিতে নেমে যতটুকু সম্ভব অপরিপক্ব ফসল তুলে আনার চেষ্টা করছেন।
ভান্তি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবদুল হক বলেন, প্রায় ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি আগাম জাতের মূলা ও লাউ চাষ করেছিলেন। হঠাৎ গোমতীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তার পুরো ক্ষেত এখন পানির নিচে।
আরেক কৃষক আবদুল জলিল বলেন, তার ডাঁটা শাক, পুঁইশাক ও চালকুমড়ার ক্ষেত পানিতে ভেসে গেছে। তাদের মতো ভান্তি, কামারখাড়া, বালিখাড়া ও আশপাশের এলাকার অন্তত শতাধিক কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কৃষক সোহেল মিয়া বলেন, লাউ, চিচিঙ্গা, ডাঁটা শাক, চালকুমড়া, মূলাসহ বিভিন্ন সবজি পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আগে যতটুকু সম্ভব উদ্ধার করে বাজারে বিক্রির চেষ্টা করছেন তারা। তবে বাজারে অপরিপক্ব সবজির সঠিক দাম না পাওয়ায় লাখ লাখ টাকার ফসল ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢলে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের হাজারো কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে আমি নিজেও মাঠে অবস্থান করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলছি। মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জরিপ করা হচ্ছে; তা শেষ হলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে পোষ্য (ওয়ার্ড) কোটায় শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট বা প্রকাশিত মেধাতালিকায় কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পোষ্য কোটা বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট পোষ্য কোটা বহাল রাখার পক্ষে রায় দেন। সেই রায়ের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চলতি শিক্ষাবর্ষে পোষ্য কোটায় ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
যদিও শিক্ষার্থীদের ক্লাস ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে, তবুও পোষ্য কোটায় কতটি আসনে ভর্তি নেওয়া হয়েছে, আবেদন ও যাচাই-বাছাই কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে এসব বিষয়ে এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ও মেধাতালিকাতেও এ বিষয়ে আলাদা কোনো তথ্য সংযুক্ত করা হয়নি।
এর আগে, পোষ্য কোটা বহাল রাখার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজি ও বিচারপতি রাজিউদ্দিন আহমেদের বেঞ্চ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে রুল জারি করেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি শশাংঙ্খ শেখর সরকার ও বিচারপতি উম্মে রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আদালত পূর্বে জারিকৃত রুল যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। রুলে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের সন্তান ও স্বামী/স্ত্রীর জন্য দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ওয়ার্ড কোটা বহাল রাখা যৌক্তিক এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার আদালতের রয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিজীবী ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয়, “যুগ যুগ ধরে যেভাবে পোষ্য কোটা চালু ছিল, আদালতের রায় অনুযায়ী তা সেভাবেই বাস্তবায়ন করতে হবে।” একই সঙ্গে ৩১ মার্চ ২০২৬ অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় উপাচার্যকে ধন্যবাদ জানানো হয়। চিঠিতে পূর্বের মতো ১৬৬টি আসন বহাল রাখার কথাও উল্লেখ করা হয়।
তবে বাস্তবে কতজন শিক্ষার্থী এ কোটায় ভর্তি হয়েছেন, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, “হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই পোষ্য কোটা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আদালত ১৬৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তির কথা উল্লেখ করলেও, গত বছরের মতো এবারও ৫৪ জন শিক্ষার্থীকে এ কোটায় ভর্তি নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত মোট কতজন ভর্তি হয়েছে, তা নির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না।”
চবি প্রতিনিধি
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
উখিয়ায় টানা ভারী বৃষ্টিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মাদরাসার ৫ শিক্ষার্থী
নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও অনেকে চাপা পড়েছে।
বুধবার
(৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাব-ব্লক
এ-৩ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও
পান্না আক্তার।
তিনি
বলেন, উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে এ পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার
করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৫ জন আহত। উদ্ধার কাজ চলমান।
জানা
গেছে, বুধবার সকাল থেকেই টানা ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে উখিয়ার রোহিঙ্গা
ক্যাম্প-৫-এর একটি সাব-ব্লকে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনায় একটি মাদ্রাসার অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী
আটকা পড়েছে। স্থানীয় রোহিঙ্গারা তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কুতুপালং
রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫-এর ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ জানান, পাহাড় ধসে আটকা পড়া মাদরাসার
শিক্ষার্থীদের উদ্ধারকাজ চলমান রয়েছে। উদ্ধার অভিযান শেষ হলে ক্ষয়ক্ষতি ও অন্যান্য
বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বকাপের উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। যুক্তরাষ্ট্রে সংস্থাটির আর্থিক লেনদেন, স্পন্সরশিপ আয় এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) ও বিচার বিভাগ। তদন্তে অর্থ পাচার, ওয়্যার জালিয়াতি এবং সম্ভাব্য কর ফাঁকির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম লা নাসিওন।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ডিসি ও মায়ামির ফেডারেল প্রসিকিউটররা তদন্তে অংশ নিয়েছেন। তারা খতিয়ে
দেখছেন, এএফএর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ও স্পন্সরশিপ চুক্তি থেকে আসা শত শত মিলিয়ন মার্কিন
ডলার কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানান্তর হয়েছে এবং এসব লেনদেনে
যুক্তরাষ্ট্রের আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না।
এফবিআইয়ের
এ তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাভিত্তিক ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির
বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক স্পোর্টস মার্কেটিং ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের এ প্রতিষ্ঠানটি
বিদেশে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বাণিজ্যিক আয় ও বিপণন-সংক্রান্ত আর্থিক কার্যক্রম
পরিচালনা করতো।
গোপন
ব্যাংকিং নথির তথ্যের ভিত্তিতে লা নাসিওন দাবি করেছে, এএফএর অন্তত ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন
ডলার কয়েকটি শেল কোম্পানির মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের
কোনো কর্মচারী বা দৃশ্যমান বাণিজ্যিক কার্যক্রম ছিলো না।
তদন্তকারীরা
বর্তমানে ক্রীড়া ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ
করছেন। এর অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে আর্জেন্টাইন ফুটবলভিত্তিক ব্যবসায়ী গিয়ের্মো তোফোনির
সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টার একটি ভার্চুয়াল বৈঠকও হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও তিনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেননি।
এ
ছাড়া তদন্তে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তাকেও
সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। তদন্তকারীদের
ধারণা, এসব কর্মকর্তা এএফএর কার্যক্রম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের নাগাল পেয়েছিলেন।
লা
নাসিওন জানিয়েছে, গত বছরই যুক্তরাষ্ট্রে এই তদন্তের প্রস্তুতি শুরু হয়। তদন্ত পরিচালনা
করছেন ওয়াশিংটন ডিসি ও ফ্লোরিডার অন্তত তিনজন ফেডারেল প্রসিকিউটর। তাদের মধ্যে রয়েছেন
ব্যাংকিং ও আর্থিক অপরাধ তদন্তে অভিজ্ঞ কর্মকর্তারাও।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির মালিক হাভিয়ের ফারোনি ও তার স্ত্রী এরিকা জিলেট যুক্তরাষ্ট্রের
পাঁচটি ব্যাংকের মাধ্যমে শত শত মিলিয়ন ডলারের লেনদেন পরিচালনা করেছেন। ব্যাংকগুলো হলো
সিটিব্যাংক, সিনোভাস, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেপি মরগ্যান এবং পিএনসি ব্যাংক। এসব হিসাবের
মাধ্যমে এএফএর অন্তত ২৬ কোটি মার্কিন ডলারের আয় পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে অর্থের একটি বড় অংশের অর্থনৈতিক যৌক্তিকতার স্পষ্ট ব্যাখ্যা তদন্তকারীরা এখনো পাননি।
প্রতিবেদনে
আরও বলা হয়েছে, অ্যাডিডাস ও ওয়ার্নারের মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এএফএর আন্তর্জাতিক
চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থও ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
চুক্তি
অনুযায়ী, কর পরিশোধের পর আন্তর্জাতিক আয়ের ৩০ শতাংশ এবং অতিরিক্ত ১০ শতাংশ লজিস্টিক
কমিশন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব আর্থিক নথিই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও
এফবিআই বিশ্লেষণ করছে।
অন্যদিকে
সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থাটি বলেছে, ট্যুরপ্রডএন্টার
এলএলসির সঙ্গে তাদের বৈধ ও কার্যকর চুক্তি রয়েছে এবং সেটি আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাষ্ট্রের
আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি।
এএফএর
দাবি, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো দেশের ফুটবল প্রশাসনকে
অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ।
বিশ্বকাপ
চলাকালীন এই তদন্ত আর্জেন্টিনা ফুটবলকে নতুন বিতর্কের মুখে ফেলেছে। তবে এখন পর্যন্ত
এটি প্রাথমিক তদন্ত পর্যায়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক
কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি বা তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করেনি।
মন্তব্য করুন


অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ হবে সুশাসন ও ন্যায়বিচার ভিত্তিক।
আজ শনিবার যশোর পিটিআই মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি বলেন, পুলিশকে তদন্তের সময় সতর্কতা অবলম্বন
করতে হবে। যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তি না পায়।
বিচারকদের উদ্দেশে এ সময় তিনি বলেন, জামিন দেওয়ার একচ্ছত্র অধিকার
আপনাদের নেই। নতুন বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে
কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম পুলিশ,
প্রশাসন ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, এ রাষ্ট্র ট্রান্সফরমেশনের
মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আগামীর বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তির কাছে নয়, আপনারা আইন ও
সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে কাদের পক্ষে
দাঁড়াবেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির
হায়দার, সিআইডির অতিরিক্ত আইজি মতিউর রহমান শেখ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
অতিরিক্ত সচিব আতাউর রহমান খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
কর্মশালায় খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ১৬ জেলার
জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার, জেলা ও দায়রা জজ, সিনিয়র জুডিশিয়াল
ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পাবলিক প্রসিকিউটর,
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ৩২০ কর্মকর্তা
অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


আগামী ১৫ আগস্ট থেকে সারাদেশে আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
আর আগামীকাল সোমবার বিকেল ৫টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
রোববার (১১ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. নাহিদ হাসান খান বিষয়টি জানিয়ে বলেছেন, আগামীকাল (১২ আগস্ট) থেকে মালবাহী ট্রেন এবং ১৩ আগস্ট থেকে মেইল, এক্সপ্রেস, লোকাল, কমিউটার ট্রেন চলাচল করবে।
তবে পারাবত ও জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি
আজ (১ অক্টোবর ২০২৪) ইসিবি চত্ত্বরে ঢাকা জেলার জন্য স্থাপিত মেডিকেল ডিসপেনসারিতে
উপস্থিত হয়ে ভিডিও টেলি কনফারেন্স (ভিটিসি) এর মাধ্যমে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় নতুন
করে স্থাপিত আরও ৩০টি মেডিকেল ডিসপেনসারির শুভ উদ্বোধন করেন।
এরপর তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে মতবিনিময়
করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের
কল্যাণার্থে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড কর্তৃক সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী,
বিমান বাহিনী এবং সেনাকল্যাণ সংস্থার অর্থায়নে দেশের বিভিন্ন জেলায় ৩১টি মেডিকেল
ডিসপেনসারি পরিচালিত হচ্ছে।
আজ আরও ৩০টি নতুন মেডিকেল ডিসপেনসারির কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে দেশের ৬১টি জেলায় অবসরপ্রাপ্ত ১,৫৫,২৬৪ জন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও তদ্বীয় পরিবারবর্গের চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি আরও সহজতর হবে।
উল্লেখ্য, অবশিষ্ট ৩টি জেলায় সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত মেইন ড্রেসিং স্টেশন (এমডিএস) হতে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যগণ ও তদ্বীয় পরিবারবর্গ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকেন। প্রতিটি জেলায় মেডিকেল ডিসপেনসারি স্থাপনের ফলে তাদের অর্থ ও সময় উভয়ই বাঁচবে এবং দূর-দূরান্ত থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের ঔষধ সংগ্রহের সমস্যাও অনেকাংশে লাঘব হবে। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গের চিকিৎসা সেবায় সিএমএইচ সমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাইভেট হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের রেশন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক এ বিষয়ে আরো বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও পরিবারবর্গের জীবনযাত্রার মান বহুলাংশে উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ, প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ছাড়াও সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন জেলার বেসামরিক প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ (ভিটিসির মাধ্যমে), সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যগণ ও তাদের পরিবারবর্গ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


শেরপুরের
নালিতাবাড়ীতে গলায় বাদাম আটকে মানহা মনি নামে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবারের সঙ্গে নানা বাড়িতে বেড়াতে
এসে নানার কর্মস্থল বিদ্যালয়ে গিয়ে শিশুটি এই দুর্ঘটনার শিকার হয়।
নিহত
মানহা মনি সিলেটের বাসিন্দা ও ব্যাংক কর্মকর্তা মো. রুবেলের মেয়ে। তার নানা মোস্তফা
আহমেদ নালিতাবাড়ী পৌর শহরের আড়াইআনী বাজার ব্যাপারীপাড়ার বাসিন্দা এবং মোস্তফা তন্তর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
পরিবার
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে নানার সঙ্গে তার বিদ্যালয়ে যায় শিশু মানহা
মনি। দুপুরের দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাকে বাদাম খেতে দেয়া হয়। বাদাম খাওয়ার একপর্যায়ে
একটি বাদাম তার শ্বাসনালীতে আটকে যায়। এতে সে হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্টে ছটফট করতে শুরু
করে।
অবস্থা
গুরুতর দেখে স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
নিয়ে রওনা হন। তবে দুর্ভাগ্যবশত হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই পথিমধ্যে শিশুটির মৃত্যু
হয়।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীর
ইবনে কাদের জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা
হচ্ছে, শ্বাসনালীতে বাদাম আটকে শ্বাসরোধ হওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
মন্তব্য করুন