

মেহজাবীন চৌধুরী ছোট পর্দার জনপ্রিয়
অভিনেত্রী। তিনি ক্যারিয়ারে অসংখ্য নাটকের মাধ্যমে ভক্তদের মন কেড়েছেন। এ অভিনেত্রী
নাটকের পাশাপাশি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেও সুনাম কুড়িয়েছেন। মেহজাবীন সব সময় হাসিখুশি
থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন এক পোস্ট করেছেন যা দেখে
অনুরাগীরা রীতিমতো অবাক হয়েছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় মেহজাবীন তার ভেরিফায়েড
ফেসবুকে পেজে লিখেছেন, ‘বেঁচে থাকার শক্তি নাই, মরে যাওয়ার সাহস নাই।’
স্ট্যাটাসটি পোস্টের পর থেকেই তাতে
প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।
এ দিক আবার অনেকে এ বিষয়টিকে নিয়ে হাসি
তামাশা করছে।
উল্লেখ্য, মেহজাবীন চৌধুরী ২০০৯ সালে
লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে মিডিয়া জগতে আসেন।
মন্তব্য করুন


বয়স ৭৩ বছর। কিন্তু সিনেমায় তার চালচলন যেনো ২৫ বছরের নায়কদেরও হার মানায়। যেকোনো ইয়াং সুপারস্টারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এখনো তিনি এগিয়ে থাকছেন তিনি রজনীকান্ত। দক্ষিণী সিনেমার শক্তিমান সুপারস্টার ।
গত বছর তার অভিনীত ‘জেলার’ চলচ্চিত্র দিয়ে পেয়েছেন তুমুল সাফল্য। বছরের শীর্ষ আয় করা সিনেমার তালিকায় জায়গা করে নেয় তার ওই ছবি। এ বছরও চমকে দেওয়ার অপেক্ষায় তিনি। বছর শুরুতেই নিজের মেয়ের পরিচালনায় পর্দায় আসছেন এই সুপারস্টার। তার অভিনীত‘লাল সালাম’ এই শুক্রবার মুক্তি পাবে।
মেয়ে ঐশ্বরিয়ার পরিচালনায় ‘লাল সালাম’ নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনায় রয়েছেন রজনীকান্ত। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন তাঁর পারিশ্রমিক নিয়ে। শোনা যাচ্ছে, সিনেমাটির জন্য বিপুল পরিমাণে পারিশ্রমিক নিয়েছেন অভিনেতা।
ভারতীয় বিনোদন মাধ্যম কইমই ডটকম অনুসারে, লাল সালামে রজনীকে তাঁর বর্ধিত ক্যামিওর জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করা হয়েছে। ট্র্যাক টলিউডের প্রতিবেদন অনুসারে, সিনেমাটিতে অভিনেতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যামিও রয়েছে এবং তাঁর স্ক্রিন টাইম ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। আর এ জন্য তিনি ৪০ কোটি রুপি চার্জ করেছেন।
অর্থাৎ প্রতি মিনিটে ১ কোটি রুপি নিয়েছেন অভিনেতা যা একটি নতুন রেকর্ড। দীর্ঘ ৯ বছর পর পরিচালনায় ফিরেছেন ঐশ্বরিয়া রজনীকান্ত। তাই মেয়ের সিনেমায় বিশেষ ক্যামিওর প্রস্তাব ফেরাতে পারেননি রজনীকান্ত। আর রজনীকে ঘিরেই সিনেমাটি এখন তুমুল হাইপ তৈরি করেছে। লাল সালামে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিষ্ণু বিশাল এবং বিক্রান্ত এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন এ আর রহমান।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয়
কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জারের মৃত্যুর খবরটি সম্পূর্ণ গুজব বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে ফেসবুক ও টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে তার মৃত্যুর
খবর ছড়িয়ে পড়লে ভক্তদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। তবে এই অভিনেতা বর্তমানে জীবিত
আছেন এবং রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পারিবারিক
সূত্রে জানা গেছে, হারুন কিসিঞ্জার দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায়
ভুগছেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে গত কয়েকদিনের
তুলনায় এখন তিনি অনেকটা সুস্থ। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সব ঠিক থাকলে আগামী দুই-একদিনের
মধ্যেই তিনি বাসায় ফিরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বাবার
মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হারুন কিসিঞ্জারের ছেলে রুবেল খন্দকার।
রোববার রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি একে 'নোংরা গুজব' বলে অভিহিত করেন। রুবেল লিখেছেন,
কিছু অসাধু ও সস্তা ভিউ-লোভী মানুষ আমার আব্বুর মৃত্যু নিয়ে মিথ্যে সংবাদ প্রচার করছে।
অসুস্থতা নিয়ে যারা ব্যবসা করে, তারা সমাজের আবর্জনা।
তিনি
আরও জানান, তার বাবা এখন আগের চেয়ে সুস্থ আছেন। একইসাথে এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে গুজব
রটনাকারীদের শনাক্ত করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন
তিনি।
নব্বই
দশকের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ও টেলিভিশন নাটকে স্বতন্ত্র কৌতুকাভিনয়ের মাধ্যমে
দেশজুড়ে পরিচিতি পান হারুন কিসিঞ্জার। ছোট পর্দার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রেও
তাকে দেখা গেছে। দীর্ঘদিন অভিনয়ে অনিয়মিত থাকলেও তার হাস্যরসাত্মক সংলাপ ও স্বতঃস্ফূর্ত
অভিনয় এখনো দর্শকদের মনে গেঁথে আছে।
মন্তব্য করুন


ফুটবল ইতিহাসের
প্রথম বিশ্বকাপের ট্রফিটি নিয়ে বছরের পর বছর কম আলোচনা হয়নি। বারবার এটি চুরির চেষ্টা
হয়েছে। একবার জানা গিয়েছিল, ট্রফিটি গলিয়ে সেটি থেকে প্রাপ্ত সোনা নাকি বিক্রি করা
হয়েছে। ৬০ বছর পর ফিফা মিউজিয়ামে এর অংশবিশেষ পাওয়া গেছে।
ফরাসি শিল্পী
আবেল লাফ্লুরে তৈরি করেছিলেন জুলে রিমে ট্রফি। এটাকে গ্রিক দেবী নায়ক ‘নিকি’কে আকারে
ফুটিয়ে তোলা ছিল। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে
এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্বাগতিকরা। ট্রফিটির উচ্চতা ছিল প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার, ওজন প্রায়
চার কেজি এবং এটি সোনা দিয়ে মোড়ানো ছিল। বিশ্বকাপের পর থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এই ট্রফি
নিয়ে নাটকীয়তা কম হয়নি।
বিশ্বযুদ্ধের
সময় নাৎসীদের হাত থেকে বিশ্বকাপ ট্রফি রক্ষা করতে ফিফার কর্মকর্তা এটিকে একটি পরিত্যক্ত
জুতার বাক্সে লুকিয়ে রেখেছিলেন। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রদর্শনীর সময় এটি চুরি হয়েছিল।
পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি এবং তার কুকুর পিকলস ট্রফি উদ্ধার করে। ১৯৮৩ সালে ব্রাজিলের
রিও দে জেনেরিওতে এটি চুরি হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয় যে ট্রফিটি গলিয়ে স্বর্ণ বিক্রি
করা হয়েছে। যদিও ওই বিবৃতিতে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।
যাই হোক, ফিফা
মিউজিয়ামের সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে। ট্রফির মূল চার-পাশের
লাপিস লাজুলি বেসটি ফিফার আর্কাইভে বহু বছর ধরে সংরক্ষিত ছিল! এটিকে কেউ চুরি করতে
পারেনি। আসলে ১৯৫৮ সালে ট্রফির বেস বদলানো হয়েছিল, এবং নতুন বেসে আটটি সাইড রাখা হয়েছিল
যাতে ভবিষ্যতের বিজয়ীদের নাম লেখা যায়। মূল বেসটি তখনই আর্কাইভে রাখা হয়েছিল, কিন্তু
সেটা দীর্ঘ সময় কারও নজরেই আসেনি।
এই মুহূর্তে
জুলে রিমে ট্রফির এই চার-পাশের বেসটি ফিফা মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে, যা ফুটবল ইতিহাসের
এক অমূল্য স্মারক। এটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্বকাপের প্রাথমিক দিনগুলির উত্তেজনা,
চমক এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার স্মৃতি। সময়ের সাথে বিশ্বকাপ ট্রফি আরও আধুনিক হয়েছে, আরও
মূল্যবান হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের এই নিদর্শন মনে করিয়ে দেবে কিভাবে একটি বিশ্বকাপ
ট্রফি কীভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।
মন্তব্য করুন


ট্রান্সজেন্ডার
বিষয়ভিত্তিক ‘রূপান্তর’ নাটকটি পরিচালনা করেছেন রাফাত মজুমদার রিংকু। নাটকটির অভিনেতা
জোভানসহ ছয়জনের নামে মামলা করা হয়েছে।
নোয়াখালীর
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট
কাউসার উল জিহাদ বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। তাতে ‘রূপান্তর’ নাটকের অভিনেতা-অভিনেত্রী,
পরিচালকসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
গত
মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) ইউটিউব চ্যানেল একান্ন মিডিয়া থেকে নাটকটি সরিয়ে ফেলার পর এ বিষয়ে
কথা বলেছিলেন নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকু। তার মতে, দর্শকরা নাটকটির কনসেপ্ট হয়ত
বোঝেননি। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক কিছুই দেখছি। আসলে বিষয়টি
নিয়ে আমি কিছু মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।
তুমুল
সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান ও অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি।
দর্শকদের
অভিযোগ, রাফাত মজুমদার রিংকু পরিচালিত এ নাটকটিতে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ ইস্যুকে প্রমোট
করা হয়েছে। এ কারণে গত তিনদিন ধরে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা জোভানকে অনলাইনে তুলোধোনা
করছেন নেটিজেনরা।
এছাড়া
জোভান ও সামিরা খান মাহি দুইজনের ফেসবুক পেজ গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। জোভানের ১৯ লাখ
ও মাহির ২৪ লাখ ফলোয়ারের পেজটি আর ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
‘রূপান্তর’
নাটকটি ইউটিউবে প্রকাশের পর থেকেই শুরু হয় সমালোচনা। অসংখ্য পোস্ট ও লক্ষাধিক প্রতিক্রিয়া
আসে নাটকটির বিরুদ্ধে। তীব্র সমালোচনায় পড়ে নাটকটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।
অভিনেতা
জোভান বলেন, আমি বুঝতে পারছি না, নাটকটি নিয়ে কেন এমন সমালোচনা করা হচ্ছে। নাটকটির
ভিউ হয়েছিল নব্বই হাজার। তাহলে বাকি মানুষ তো দেখেননি! আমার মনে হয়, তারা না দেখেই
সমালোচনা করছেন। বিষয়টি নিয়ে আমি ঘোরের মধ্যে আছি। বুঝতে পারছি না কী হচ্ছে। যেহেতু
মানুষ পছন্দ করছে না সেহেতু এসব আর করা যাবে না। এরপর থেকে এগুলো আর করব না।
মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে দারুণ সাড়া পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। সেই ছোট্ট দিঘী এখন পুরোদস্তুর নায়িকা। নায়িকা হিসেবে অভিষেক হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে দিঘীর। তবে আশানুরূপ আলোচনা বা ব্যবসা কোনোটাই এ নায়িকার কপালে জোটেনি। তবে বর্তমান সময়ে
দিঘী কী করছেন? ব্যস্ততা নিয়ে এ অভিনেত্রী
দিঘী বলেন, সত্যি কথা বলতে, বর্তমানে হাতে তেমন কোনো কাজ নেই। অনেকটাই ফ্রি সময় কাটাচ্ছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেক সময় পার করছি। বলা
যায় এক ধরনের অলস সময় পার করছি। ছোটবেলা থেকেই শুটিং করে আসছি। এখন লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন ছাড়া কীভাবে সময় কাটবে- বুঝতে পারছি না। এ ছাড়া চলতি মাসে আরও কিছু কাজ করার কথা রয়েছে। অনেকগুলো স্টেজ শোতে অংশ নেওয়ারও কথা। সেগুলোও একের পর এক বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া অচিরেই নতুন একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেলিং করার কথা। যদি এটাও পিছিয়ে যায় হরতাল-অবরোধের কারণে- তাহলে বলেন কী করব! সবাই এখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
মন্তব্য করুন


বিয়ে
করেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাব এবং আলোচিত সংগীতশিল্পী জেফার
রহমান। দীর্ঘদিনের ‘ওপেন সিক্রেট’ প্রেমের সম্পর্ক এবার আনুষ্ঠানিকভাবে
পরিণয়ে রূপ নিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের খবরটি নিজেই নিশ্চিত করেছেন রাফসান সাবাব।
বিয়ের
একটি বিশেষ মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে রাফসান সাবাব লেখেন, “পরিবার ও ভালোবাসার মানুষদের
পাশে নিয়ে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ আমাদের কাম্য।
আজ আমাদের দুই জীবন এক হলো, শুরু হলো একসাথে পথচলার এক সুন্দর গল্প।”
এই
খবরে অভিনন্দনের জোয়ার বইছে শোবিজ অঙ্গনে। সহকর্মী ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভরে উঠেছে নবদম্পতির
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের টাইমলাইন। এর মধ্যে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবিরের
আবেগঘন মন্তব্যটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের।
সাফা
কবির লিখেছেন, “দৃশ্যটি কী যে চমৎকার! আমি চোখ ফেরাতে পারছি না। আনন্দে আমার বুক ভরে
উঠছে, চোখ যেন খুশির অশ্রুতে ভরে উঠেছে। এই দুই সুন্দর মানুষ যখন এক হতে যাচ্ছে, সৃষ্টিকর্তার
আশীর্বাদ থাকুক। আল্লাহ আপনাদের জীবন সীমাহীন ভালোবাসা আর নিয়ামতে ভরিয়ে দিন।”
উল্লেখ্য,
রাফসান সাবাব দীর্ঘদিন ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ইভেন্ট ও শো উপস্থাপনার মাধ্যমে
নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অন্যদিকে, জেফার রহমান তার গায়কী ও ফ্যাশন সেন্স দিয়ে তরুণ
প্রজন্মের মধ্যে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন। দুই ভিন্ন ভুবনের দুই সফল মানুষের এই নতুন
পথচলা বিনোদন জগতে যোগ করলো নতুন এক মাত্রা।
মন্তব্য করুন


রিমানন্ড ও জামিনা না মঞ্জুর করে
টিকটকার মামুন মামুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১১ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশিদ এ আদেশ দেন।
টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের
(২৫)
বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
করেন বান্ধবী লায়লা আক্তার ফারহাদের (৪৮)।
এর আগে সোমবার (১০ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দাউদকান্দি থানা পুলিশ। এরপর তাকে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আজ (মঙ্গলবার) তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ক্যান্টনমেন্ট থানার উপ-পরিদর্শক মো: শাহজাহান। আসামিপক্ষে বেশ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন লায়লা।
মামলার অভিযোগে লায়লা উল্লেখ করেন, মামলার বিবাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে তার গত তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন তাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা ছিল না। তাই প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হওয়ায় এবং মামুন লায়লাকে বিয়ে করবে জানালে তাকে নিজ বাসায় থাকার অনুমতি দেন তিনি (লায়লা)।
পরে ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতে থাকেন। সেখানে লায়লার বাসায় তার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন মামুন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সর্ম্পক করেন তিনি। মামুন তার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই ওই বাসায় গিয়ে থাকতেন। লায়লা মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মামুনকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
গুলশানে এক বৃদ্ধ পথচারীকে মারধরের অভিযোগে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন
রুশ বংশোদ্ভূত মডেল মনিকা কবির। ঘটনাটি ঘিরে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্যও নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
গত
মঙ্গলবার বিকেলে গুলশান-২ এলাকায় টিকটক ভিডিও ধারণের সময় এক বৃদ্ধ পথচারীর ব্যাগের
কোণা তার গায়ে লাগলে মনিকা কবির ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের
দাবি, তিনি ওই বৃদ্ধকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ব্যাগ ছুড়ে মেরে
তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।
ঘটনার
একটি ভিডিও মনিকা নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে
দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এই
ঘটনার জেরে তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সাজ্জাদ
আল ইসলাম। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তাকে হাজির করার জন্য সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
জারির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
এদিকে
সমালোচনার মধ্যেই এক মুঠোবার্তায় দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন
মনিকা কবির। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আপনারা মেয়েদের ওপর পানি ফেলেন ! আমি চলে গেলে এখানে
কোনো বিদেশি মেয়ে আসবে না—আমি কথা দিচ্ছি। বাংলাদেশ আমাকে কষ্ট
দিলে আমিও বাংলাদেশকে কষ্ট দেব।’
তিনি
আরও দাবি করেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিদেশে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং দেশের জন্য অনেক
কিছু করেছেন বলেও মন্তব্য করেন।
রাশিয়ায়
জন্ম নেওয়া এবং মস্কোতে বেড়ে ওঠা এই মডেলের প্রকৃত নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা। পরিবারে
তাকে ‘মনিশকা’ নামে ডাকা হয়। তার মা রুশ নাগরিক ম্যারিয়া গোজেন এবং বাবা
একজন ভারতীয় চামড়া ব্যবসায়ী। বাবার ব্যবসার সূত্রে ২০১২ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসেন
তিনি।
এর
আগে খোলামেলা পোশাক ও জীবনযাপন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তাকে ঘিরে নানা বিতর্ক ছিল। তবে
গুলশানের সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে সেই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


৩৩০
কোটি টাকার মালিক এই স্টারকিড! বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তানের তকমা পেয়ে গেছে
ছোট্ট রাহা কাপুর! আর সে স্টারকিড হচ্ছে ‘রণলিয়া’ খ্যাত
দুই বলিউড তারকা রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের একমাত্র মেয়ে।
কিন্তু
কীভাবে এতো অর্থ জমা পড়েছে ছোট্ট মেয়ে রাহার অ্যাকাউন্টে?
আনন্দবাজার
পত্রিকার এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মুম্বাইয়ের পালি হিলস্
এলাকায় এক অ্যাপার্টমেন্টের ৯ তলায় থাকেন ‘রণলিয়া’
দম্পতি। এই আবাসনে আলিয়ারও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩২ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২ কোটি টাকা)। অন্যদিকে,
গত ৩ বছর ধরে বান্দ্রায় নিজেদের বাংলো তৈরি করছেন এই তারকা
দম্পতি। দাদা রাজ কাপুরের ‘কৃষ্ণা রাজ’ বাংলোকেই নতুনভাবে তৈরি করছেন তারা। কাজ প্রায় শেষ, খুব শিগগিরই নিজেদের স্বপ্নের বাড়িতে প্রবেশ করবেন রণবীর-আলিয়া।
আর
এই বাংলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫০ কোটি রুপি তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩০
কোটি টাকা। কারণ, শাহরুখ খানের ‘মন্নত’ ও অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’র সমপরিমাণ বাজারমূল্য এই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোর।
বলিউডের
ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, নিজেদের উপার্জনের অনেকটা অর্থই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোতে বিনিয়োগ করছেন ‘রণলিয়া’। আর বাংলোটি ইতোমধ্যেই মেয়ে রাহার নামে করে দিয়েছেন তারা। সে
হিসেবে রাহা কাপুরই এই মুহূর্তে বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তান।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো বালিউড সিনেমায় অভিনয় করলেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান।সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী।
সিনেমার নাম ‘করক সিং’।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে।
এ খবর সবার জানা, নতুন খবর হচ্ছে- রহস্য আর সাসপেন্সে ভরপুর থ্রিলার গল্পের সিনেমা ‘করক সিং’ মুক্তি পাচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে জি ফাইভে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে সিনেমাটি দেখা যাবে।
জয়া আহসান ছাড়াও এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে আছেন বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। আরও আছেন ‘দিল বেচারা’খ্যাত অভিনেত্রী সঞ্জনা সাংঘী ও মালয়ালম অভিনেত্রী পার্বতী।
এর আগে সিনেমার শুটিং শেষে জয়া আহসান অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন কাজের অভিজ্ঞতাও। ওই সময় শুটিং ও প্যাকআপের কিছু স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে জয়া লেখেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী বা যাকে আমরা টনি দা বলে ডাকি, তার নেতৃত্বে এমন অসাধারণ টিমে কাজ করতে পেরেছি। পঙ্কজ ত্রিপাঠি এবং অন্য যারা আছেন, তাদের সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য অনেক বড় অভিজ্ঞতা। আমি কাজের প্রত্যেকটি মুহূর্ত ভালোবেসেছি।
জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী আরও লিখেছিলেন, একজন শিল্পী কতখানি শিখতে পারেন, তার কোনো সীমা নেই। প্রত্যেকদিনই আমরা নতুন নতুন জিনিস শিখি এবং এই সিনেমার শুটিং আমার জন্য অতুলনীয় অভিজ্ঞতা। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাকে সমর্থন করার জন্য পুরো টিমের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তোমাদের সঙ্গে আবারও কাজ করতে উন্মুখ হয়ে থাকব।
জানা গেছে, অ্যামনেশিয়ায় আক্রান্ত একে শ্রীবাস্তব নামক এক চরিত্রের সংকটময় জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এই চরিত্রটি অতীতের সব ঘটনা ভুলে গেছে। ভুলে যাওয়া ছোট ছোট স্মৃতি একত্র করার চেষ্টা করতে থাকে সে। একপর্যায়ে শ্রীবাস্তব আবিষ্কার করে বিরাট এক অর্থনৈতিক অপকর্মের পেছনের সত্য।
‘করক সিং’ সিনেমার এমন গল্প লিখেছেন বিরাফ সরকারি, রিতেশ শাহ ও অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। এটি প্রযোজনা করছে উইজ ফিল্মস।
মন্তব্য করুন