

ভারতের কর্ণাটকের হুব্বালি তালুকের ইনামভীরাপুর গ্রামে ফের সম্মানরক্ষার নামে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ভিনজাতের ছেলেকে বিয়ে করায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ১৯ বছর বয়সী তরুণী মান্য পাতিলকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (স্থানীয় সময়) সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত মান্য পাতিলের বাবা বীরানাগৌড়া পাতিল ও তার কয়েকজন আত্মীয় এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ। অস্ত্র হাতে মান্যর ওপর হামলা চালানো হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গর্ভে থাকা সন্তানকেও বাঁচানো যায়নি। এই বর্বর ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রামেরই দলিত সম্প্রদায়ের যুবক বিবেকানন্দ দোদ্দামণির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মান্য পাতিলের। মান্য উচ্চবর্ণের পরিবারের মেয়ে হওয়ায় তার পরিবার এই সম্পর্ক ও বিয়ের তীব্র বিরোধিতা করে। তবে প্রায় সাত মাস আগে পুলিশের উপস্থিতিতে এক পুনর্মিলন আলোচনার পর দু’জনের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
পরবর্তীতে নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা গ্রাম ছেড়ে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে হাভেরি জেলায় বসবাস শুরু করেন। গত ৮ ডিসেম্বর বিবেকানন্দ তার স্ত্রী মান্যকে নিয়ে নিজ শহর হুব্বালিতে ফেরেন। রোববার সন্ধ্যায় মান্যর বাবা ও আত্মীয়রা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।
হামলার সময় মান্যকে রক্ষা করতে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মান্যকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ধরওয়াদ জেলার পুলিশ সুপার গুঞ্জন আর্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, “সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ ঘটনায় মান্যর বাবা বীরানাগৌড়া পাতিলসহ প্রকাশ ও অরুণ নামে তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হুব্বালি গ্রামীণ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে, বিবেকানন্দের আত্মীয় বাসবরাজ জানান, কলেজে পড়ার সময় থেকেই মান্য ও বিবেকানন্দের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করার চেষ্টা করা হলেও মান্য বিয়েতে অনড় ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। সম্প্রতি শহরে ফেরার পরই এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাটি ‘সম্মানরক্ষার’ নামে সংঘটিত একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করে মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে লড়বেন বিএনপি মহাসচিব।
আজ সোমবার (০৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব “মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর” এই তালিকা ঘোষণা করেন।
প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে দুপুর সাড়ে ১২টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে লন্ডন থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন। টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন বিএনপি মহাসচিব। ঘোষিত তালিকায় দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনে।
স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে আছেন- কুমিল্লা-১ আসনে খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৩ আসনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নরসিংদী-২ আসনে আবদুল মঈন খান, চট্টগ্রাম-১০ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কক্সবাজার-১ আসনে সালাহ উদ্দিন আহমদ, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভোলা-৩ আসনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও দিনাজপুর-৬ আসনে এজেডএম জাহিদ হোসেন।
ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে পটুয়াখালী-১ আসনে আলতাফ হোসেন চৌধুরী, নোয়াখালী-৩ আসনে বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ আসনে মোহাম্মদ শাহজাহান, ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টু, মাগুরা-২ আসনে নিতাই রায় চৌধুরী, কুমিল্লা-৩ আসনে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, টাঙ্গাইল-৮ আসনে আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে কুমিল্লা-৬ আসনে মনিরুর হক চৌধুরী, ঢাকা-২ আসনে আমান উল্লাহ আমান, নোয়াখালী-১ আসনে মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-৪ আসনে জয়নুল আবদিন ফারুক, বরিশাল-১ আসনে জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-৫ আসনে মজিবুর রহমান সারোয়ার, নেত্রকোনা-৪ আসনে লুৎফুজ্জামান বাবর, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে তাজভীর উল ইসলাম, পাবনা-৪ আসনে হাবিবুর রহমান হাবিব, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৪ আসনে মুশফিকুর রহমান, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা, মানিকগঞ্জ-২ আসনে মঈনুল ইসলাম খান, সিলেট-১ আসনে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সিলেট-২ আসনে তাহমিনা রশদীর লুনা, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে আবুল খায়ের ভুঁইয়া, সিলেট-৬ আসনে এনামুল হক চৌধুরী, টাঙ্গাইল-২ আসনে আবদুস সালাম পিন্টু, ফেনী-২ আসনে জয়নাল আবেদীন ভিপি জয়নাল, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ফজলুর রহমান, মৌলভীবাজার-৩ আসনে নাসের রহমান রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎকালে, সেনাপ্রধান
দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান
উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। পাশাপাশি, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সেনাবাহিনী গৃহীত
বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করেন।
আলোচনাকালে, সেনাপ্রধান তাঁর সাম্প্রতিক
সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফরের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। এই সফরটি দুই
দেশের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়ন ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সেনাপ্রধান
আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও, সদ্য সমাপ্ত বিবিধ বঞ্চিত সেনা
কর্মকর্তাদের সুবিচার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত উচ্চপদস্থ পর্ষদের মূল্যায়ন ও সুপারিশ এবং
বিবিধ কারণে চাকরিচ্যুত জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সেনা সদস্যদের চলমান উচ্চপদস্থ পর্ষদ-এর
অগ্রগতির বিষয়ে সেনাপ্রধান প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।
এ ছাড়া জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত
ছাত্র-জনতার চিকিৎসায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত
করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা
ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা
প্রদান করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্র সংস্কারে আরও চারটি কমিশন গঠনের
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই চারটি কমিশন হলো স্বাস্থ্য কমিশন, গণমাধ্যম কমিশন, নারী
বিষয়ক কমিশন ও শ্রমিক অধিকার কমিশন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) উপদেষ্টা
পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন,
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সরকারী মাহফুজ আলম ও প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম।
এসময় উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান জানান,
সংস্কারের জন্য আরও চারটি কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য কমিশনের
প্রধান হিসেবে কাজ করবে জাতীয় অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ খান, শ্রমিক অধিকার কমিশনের কাজ
করবে সৈয়ত সুলতানউদ্দিন আহমেদ, গণমাধ্যম কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন
কামাল আহমেদ, নারী অধিকার বিষয়ক কমিশনের প্রধান হিসেবে কাজ করবেন শিরিন হক। চাকরিতে
প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কাজের প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। সেই প্রতিবেদন পর্যালোচনা
করা হচ্ছে। সিদ্ধান্ত কী হয়, পরবর্তীতে সেটি জানানো হবে। এছাড়া শিক্ষা কমিশন নিয়ে
আলোচনা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার
কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার
কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ গেজেট প্রকাশ করে সরকার। আর ৬ অক্টোবর
সংবিধান সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ গেজেট প্রকাশিত হয়।
মন্তব্য করুন


যশোরের ঝিকরগাছায় হত্যা মামলায় ওসমান গণি ও আলী হোসেন নামে ২ ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক জুয়েল অধিকারী এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের ছোট পোদাউলিয়া গ্রামের মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে ওসমান গণি ও আলী হোসেন। এ মামলার অপর আসামি দণ্ডপ্রাপ্ত ওসমানের স্ত্রী খাদিজা খাতুনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) আজিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ছোট পোদাউলিয়া গ্রামের নুরুল হকের ছেলে কামরুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই ওসমান ও আলী হোসেনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২০২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নিজের জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে কামরুজ্জামানের সঙ্গে ওসমান ও আলী হোসেনের বাগ্বিতণ্ডা হয়।
এক পর্যায়ে ওসমান ও আলী হোসেন বাড়ি থেকে ধারালো দা এনে কামরুজ্জামানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী আনোয়ারা, ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পারভীন ও ভাইপো আতাউর রহমানও হামলার শিকার হন। ওই চারজনকে কুপিয়ে জখম করে ওসমান ও আলী হোসেন পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চারজনকেই যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে আনার পর কামরুজ্জামানের মৃত্যু হয়। আহত ৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় নিহত কামরুজ্জামানের বাবা রুহুল আমিন সরদার থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩ জুলাই ঝিকরগাছা থানার উপপরিদর্শক বনি ইসরাইল আদালতে চার্জশিট জমা দেন। ওসমান ও আলী হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার তাদের ফাঁসির আদেশ ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ওসমানের স্ত্রী খাদিজা খাতুনকে খালাস দেওয়া হয়। এপিপি আজিজুল ইসলাম বলেন, হত্যা মামলায় ২ বছরের মাথায় আদালত রায় দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
পল্টনে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পরিচালিত ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুল (ডিটিএস)
থেকে আফতাব উদ্দিন রিগান নামে পুলিশের এক উপপরিদর্শকের (এসআই) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
করা হয়েছে।
আজ
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আফতাব উদ্দিন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের
(ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ফোর্সে কর্মরত ছিলেন।
পল্টন
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা সকালের দিকে খবর
পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখান থেকে আমরা দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। তিনি
আরও বলেন, আফতাব উদ্দিন ‘৩৫তম আউটসাইড ক্যাডেট-এসআই’ এর ট্রেনিং শেষে ২০১৭ সালে যোগদান
করেন। তার বাড়ি মৌলভীবাজার জেলায়। তিনি সিআইডির ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলে ট্রেনিং
করতে এসে এখানে ডরমেটরিতে ছিলেন।
মন্তব্য করুন


২৭
লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন
চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আজ
সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক মো. আদনান জুলফিকার শুনানি
শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
এ
বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বলেন, আমরা দুজনের পক্ষে আদালতে জবাব দাখিল
করেছি। আদালতকে বলেছি মামলার ৭৯ লাইনের বক্তব্য সাজানো ও মনগড়া।
বাদীর
সঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাইয়ের কোনো দেখা হয়নি। হুমকি-ধামকির কোন প্রশ্নই আসেনা।
শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে অব্যাহতি দিয়ে মামলাটি নথিজাত করেছেন।
এদিন
মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান আদালতে উপস্থিত হন।
এসময়
মেহজাবীনের মুখে কাল মাস্ক ছিল। পরে তাদের উপস্থিতি শুনানি হয়। শুনানি শেষে তারা আদালত
প্রাঙ্গণে ছেড়ে যান।
এর
আগে গত ১০ নভেম্বর পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ
ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
জারি করা হয়।
এ
বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। পরে ১৬ নভেম্বর
মেহজাবীন ও তার ভাই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।
মামলার
সূত্রে জানা গেছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে
মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং
বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক
কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিবো,
কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা
চাইতে যান তিনি।
তাকে
১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন
ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তারা
বলেন "এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না।তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে
জানে মেরে ফেলব।' এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন
করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের
করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এখন পর্যন্ত চলমান এইচএসসি ও সমমানের আটটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ১১ আগস্ট থেকে নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে, তিন দফায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, প্রথমে ১৮ জুলাইয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ২য় দফায় ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের সব শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ৩য় দফায় ২৮ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। আগামী ৪ আগস্ট পরবর্তী পরীক্ষার তারিখ ছিল।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিরপুর এলাকায় সরকারি হাসপাতালে নতুন চাকরি পাওয়া এক নারীর স্বামীকে অস্বীকৃতি জানানোর
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর সুমি আক্তার নামের
এই তরুণী নার্স পদে নিয়োগ পান।
তবে
চাকরি পাওয়ার পর থেকেই তার স্বামী আশরাফুলের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে তীব্র টানাপোড়েন
দেখা দেয় এবং শেষ পর্যন্ত তিনি স্বামীকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি স্থানীয়
মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। একটি সরকারি হাসপাতালের নার্স হিসেবে নিয়োগ
পাওয়ার পর থেকেই সুমি ও আশরাফুলের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে। ভিডিওতে প্রকাশিত কথোপকথনে
দেখা যায়, স্বামী আশরাফুল অভিযোগ করছেন—“আমার চোর বানাইছে আমার ওয়াইফ সুমি…
রিলেশন করে আমারে চোর বানাইছে।”
তিনি
দাবি করেন, সুমি একজন অচেনা পুরুষের সঙ্গে নিয়মিত মোবাইলে যোগাযোগ করেন এবং একটি সন্দেহজনক
মোবাইল নম্বর নিয়ে তাদের মধ্যে তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়।
ঘটনাস্থলে
উপস্থিত এক নারী নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সুমির মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের কথা বলেন—
“আমি সাংবাদিক, নাম্বারটা উঠাও।”এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন—“উনি আমারে ডিস্টার্ব করে, আমি কি করব?”
আশরাফুল
দাবি করেন, সুমি আগে তার বৈধ স্ত্রী ছিলেন। কিন্তু চাকরি পাওয়ার পর তিনি স্বামী হিসেবে
তাকে অস্বীকার করছেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে “তালাক আছে”
শব্দও শোনা যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। পাশে থাকা কয়েকজন পরিস্থিতি ঠান্ডা
করার চেষ্টা করে বলেন—“কেউ যাবে না, আইডেন্টিফাই আছে, সমস্যা
নাই।”তবে ততক্ষণে ঘটনাটি ভিডিওসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল
হয়ে যায়।
স্থানীয়দের
মতে, চাকরি পাওয়ার পর সুমি আক্তার নিজের ক্যারিয়ার ও সিদ্ধান্তে স্বাধীনতা চান। অন্যদিকে
স্বামী আশরাফুলের দাবি—সুমি নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন এবং তাকে
অপমান করছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে আলোচনায় বসার চেষ্টা হলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি আইনগত পর্যায়ে গড়াতে পারে।
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি
চাঞ্চল্যকর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ঢাকার কেরানীগঞ্জে। মা-মেয়েকে একসঙ্গে হত্যা করে ২১
দিন ওই দুই লাশ নিজ ফ্ল্যাটে রেখেই পরিবার নিয়ে দিব্যি বসবাস করছিলেন হত্যাকারী।
গত
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জের
কালিন্দী ইউনিয়নের মুক্তিরবাগ এলাকায় নুসরাত মীম নামে এক শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে স্কুলছাত্রী
জোবাইদা রহমান ফাতেমা ও তার মা রোকেয়া রহমানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ
ঘটনায় শিক্ষিকা নুসরাত মীম (২৪), তাঁর স্বামী হুমায়ুন মিয়া (২৮), মীমের ১৫ বছর ও ১১
বছর বয়সী দুই বোনকে আটক করা হয়। এরপর গ্রেপ্তার শিক্ষিকাকে জিজ্ঞাসাবাদে লোমহর্ষক তথ্য
পায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের পর ২১ দিন ধরে মা-মেয়ের লাশ
ফ্ল্যাটে রেখেই পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন ওই শিক্ষিকা।
এর
আগে গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিল স্কুলছাত্রী জোবাইদা রহমান (১৪) ও তার মা রোকেয়া
রহমান (৩২)। এ ঘটনার পরদিন রোকেয়ার স্বামী শাহীন আহম্মেদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় সাধারণ
ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ৬ জানুয়ারি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় অপহরণের
মামলা করেন তিনি।
নিজ
কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল
আলম বলেন, গ্রেপ্তার নুসরাত মীম একটি এনজিও থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নেন। ওই ঋণের জামিনদার
ছিলেন তাঁর শিক্ষার্থী জোবাইদার মা রোকেয়া রহমান। নির্ধারিত সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ
করতে না পারায় রোকেয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করে এনজিও কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে রোকেয়া ও নুসরাতের
মধ্যে একাধিকবার কথা–কাটাকাটি ও মনোমালিন্য হয়। ২৫ ডিসেম্বর
বিকেলে ফাতেমা প্রাইভেট পড়তে নুসরাতের বাসায় গেলে নুসরাতের ছোট বোনের (১৫) সঙ্গে তার
বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ফাতেমাকে গলা চেপে হত্যা করে তার ওই বোন।
ওসি
সাইফুল আলম বলেন, ঘটনার পর বিষয়টি আড়াল করতে ফাতেমার পোশাক পরে বাসা থেকে বের হয় নুসরাতের
বোন, যাতে সিসিটিভি ফুটেজে মনে হয় ফাতেমা নিজেই বাসা ছেড়ে চলে গেছে। ওই ঘটনার প্রায়
দুই ঘণ্টা পর ফাতেমার মাকে ফোন করে মেয়ের অসুস্থতার কথা জানান নুসরাত। তৎক্ষণাৎ মেয়েকে
নিতে নুসরাতের বাসায় ঢুকলে পেছন থেকে ওড়না পেঁচিয়ে রোকেয়ার গলা চেপে ধরেন তিনি। একপর্যায়ে
তাকে ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দেন নুসরাত। পরে দুই বোন মিলে শ্বাসরোধে রোকেয়াকে হত্যা
করেন।
পুলিশের
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ঘটনার পর রোকেয়ার লাশ নুসরাতের শোবার ঘরের বক্স খাটের নিচে
এবং ফাতেমার লাশ শৌচাগারের ফলস সিলিংয়ের ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়। দুটি লাশ ফ্ল্যাটে রেখেই
অভিযুক্ত দুই বোন ও তাদের পরিবার প্রায় ২১ দিন সেখানে বসবাস করে আসছিল।
তিনি
বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুসরাত ও তার ছোট বোন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার
করেছেন। ইতোমধ্যে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। নুসরাতের বোন নাবালিকা হওয়ায় তাকে গাজীপুরের
কোনাবাড়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না,
সেটাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভা শেষে আজ শনিবার
(২৪ মে) উপদেষ্টা পরিষদের এক অনির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের ওপর অর্পিত তিনটি প্রধান দায়িত্ব (নির্বাচন, সংস্কার ও বিচার) বিষয়ে বিস্তারিত
আলোচনা হয়।
এ নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ এক বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর
শের-ই-বাংলা নগর এলাকায় পরিকল্পনা কমিশনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এসব দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের
অযৌক্তিক দাবি দাওয়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও এখতিয়ার বহির্ভূত বক্তব্য এবং কর্মসূচি দিয়ে
যেভাবে স্বাভাবিক কাজের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করে তোলা হচ্ছে এবং জনমনে সংশয় ও সন্দেহ
সৃষ্টি করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বৈঠকে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশকে স্থিতিশীল
রাখতে, নির্বাচন, বিচার ও সংস্কার কাজ এগিয়ে নিতে এবং চিরতরে এদেশে স্বৈরাচারের আগমন
প্রতিহত করতে বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন বলে মনে করে উপদেষ্টা পরিষদ।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর
বক্তব্য শুনবে এবং সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করবে।
শত বাধার মাঝেও গোষ্ঠীস্বার্থকে উপেক্ষা
করে অন্তর্বর্তী সরকার তার ওপর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যদি পরাজিত শক্তির ইন্ধনে
এবং বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারের ওপর আরোপিত দায়িত্ব পালনকে অসম্ভব করে তোলা
হয়, তবে সরকার সকল কারণ জনসমক্ষে উত্থাপন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের জনপ্রত্যাশাকে ধারণ করে। কিন্তু সরকারের স্বকীয়তা, সংস্কার
উদ্যোগ, বিচার প্রক্রিয়া, সুষ্ঠু নির্বাচন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে
এমন কর্মকাণ্ড অর্পিত দায়িত্ব পালন করাকে অসম্ভব করে তুললে সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে
প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
মন্তব্য করুন