

ভারতের কর্ণাটকের হুব্বালি তালুকের ইনামভীরাপুর গ্রামে ফের সম্মানরক্ষার নামে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ভিনজাতের ছেলেকে বিয়ে করায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ১৯ বছর বয়সী তরুণী মান্য পাতিলকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (স্থানীয় সময়) সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত মান্য পাতিলের বাবা বীরানাগৌড়া পাতিল ও তার কয়েকজন আত্মীয় এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ। অস্ত্র হাতে মান্যর ওপর হামলা চালানো হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গর্ভে থাকা সন্তানকেও বাঁচানো যায়নি। এই বর্বর ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রামেরই দলিত সম্প্রদায়ের যুবক বিবেকানন্দ দোদ্দামণির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মান্য পাতিলের। মান্য উচ্চবর্ণের পরিবারের মেয়ে হওয়ায় তার পরিবার এই সম্পর্ক ও বিয়ের তীব্র বিরোধিতা করে। তবে প্রায় সাত মাস আগে পুলিশের উপস্থিতিতে এক পুনর্মিলন আলোচনার পর দু’জনের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
পরবর্তীতে নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা গ্রাম ছেড়ে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে হাভেরি জেলায় বসবাস শুরু করেন। গত ৮ ডিসেম্বর বিবেকানন্দ তার স্ত্রী মান্যকে নিয়ে নিজ শহর হুব্বালিতে ফেরেন। রোববার সন্ধ্যায় মান্যর বাবা ও আত্মীয়রা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।
হামলার সময় মান্যকে রক্ষা করতে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মান্যকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ধরওয়াদ জেলার পুলিশ সুপার গুঞ্জন আর্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, “সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ ঘটনায় মান্যর বাবা বীরানাগৌড়া পাতিলসহ প্রকাশ ও অরুণ নামে তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হুব্বালি গ্রামীণ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে, বিবেকানন্দের আত্মীয় বাসবরাজ জানান, কলেজে পড়ার সময় থেকেই মান্য ও বিবেকানন্দের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করার চেষ্টা করা হলেও মান্য বিয়েতে অনড় ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। সম্প্রতি শহরে ফেরার পরই এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাটি ‘সম্মানরক্ষার’ নামে সংঘটিত একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করে মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জে
চারতলার ব্যালকনি থেকে পড়ে রুহি হাওলাদার নামে এক বছরের শিশুর
প্রাণ গেল।
বৃহস্পতিবার
(৩০ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিশুর মৃত্যু
হয়।
গোপালগঞ্জ
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত
রুহি হাওলাদার মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার খালিয়া এলাকার সোহেল হাওলাদারের মেয়ে। রুহি তার বাবা মায়ের সঙ্গে গোপালগঞ্জ শহরের আলিয়া মাদরাসার পাশে ফুফুর বাড়িতে থাকতেন।
ওসি
মো. শাহ আলম জানায়, গত মঙ্গলবার (২৮
অক্টোবর) রাত সাড়ে আটটার দিকে ফুফুর বাড়ির চার তলার ব্যালকনি থেকে পড়ে যায় রুহি। এসময় তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে রাতেই নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যায় রুহি।
মন্তব্য করুন


অপতথ্য মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা
গড়ে তোলা এবং গণমাধ্যমকে নৈতিক মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করতে জাতিসংঘের
প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বুধবার (২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুসান ভাইজ ও ইউনেস্কোর ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা
ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা’ বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা মেহদি বেনচেলাহ প্রধান
উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)
এবং ইউনেস্কোর যৌথভাবে প্রস্তুত করা বাংলাদেশের গণমাধ্যম পরিমণ্ডলের মূল্যায়ন : স্বাধীন,
নিরপেক্ষ ও বহুমাত্রিক গণমাধ্যমের দিকে মনোনিবেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে তারা
এ সাক্ষাৎ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আমরা এই প্রতিবেদনের জন্য সত্যিই অপেক্ষা করছি।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধান সমস্যা হলো
অপতথ্য, ভুয়া সংবাদ। আর এসব অপতথ্যের কিছু ছড়ায় বিদেশে থাকা লোকজন, আবার কিছু ক্ষেত্রে
স্থানীয়রাও এতে জড়িত। ধারাবাহিকভাবে এ হামলা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টাড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,
শুধু ডিজিটাল মাধ্যমে নয়, নিয়মিত প্রচারিত গণমাধ্যমও অনেক সময় ভুয়া তথ্যের উৎস হয়ে
ওঠে।’ এ প্রেক্ষিতে তিনি জাতিসংঘের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করে বলেন, ‘আপনারা শুধু সরকারের
সঙ্গেই কথা বলবেন না, গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলুন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে। যদি কোনো গণমাধ্যম বারবার মিথ্যা
তথ্য ছড়ায়, তাহলে তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া উচিত তারা বিশ্বাসযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, আপনারা জাতিসংঘ, আপনাদের
কথা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ...আপনাদের সমর্থন আমাদের প্রয়োজন।
ইউনেস্কো প্রতিনিধি সুসান ভাইজ বলেন,
আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনটিতে আত্ম-নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও তুলে ধরা
হবে।
তিনি বলেন, প্রতিবেদনটি দেখাবে কী কার্যকর
হচ্ছে, আর কী হচ্ছে না এবং এতে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ
থাকবে। সরকারি কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বিচার বিভাগের সদস্যদের আন্তর্জাতিক
মানের সাথে তাদের কার্যক্রম সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে- সে বিষয়টিও
উল্লেখ থাকবে।’
ইউনেস্কোর জ্যেষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা
মেহদি বেনচেলাহ বলেন, প্রতিবেদনে সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ এবং নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা
সম্পর্কেও কিছু সুপারিশ থাকবে, যা একটি বৈশ্বিক উদ্বেগ। সরকারি পদক্ষেপ এসব ক্ষেত্রে
গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিবেদনটি ইউএনডিপির প্রতিষ্ঠান,
নীতি ও সেবা শক্তিশালীকরণ (এসআইপিএস) প্রকল্পের আওতায় এবং ইউনেস্কোর মত প্রকাশের স্বাধীনতা
ও গণমাধ্যম উন্নয়ন সংক্রান্ত ম্যান্ডেটের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে
জানান কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানিয়েছেন, ঢাকার মূল সড়কে কোনো রিকশা চলাচল করতে পারবে না।
তিনি বলেন, রিকশা চলাচল করবে অভ্যন্তরের সড়কে। ব্যাটারিচালিত
অবৈধ রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ডেসকোর সহায়তায় এসব রিকশা চার্জিং
পয়েন্ট ও উৎপাদনের ওয়ার্কশপ বন্ধ করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় ব্যাটারিচালিত
অবৈধ রিকশা চলাচল বন্ধে পরিচালিত অভিযানে এসব কথা বলেন তিনি।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন
(ডিএনসিসি) যৌথভাবে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মূল সড়কে চলাচলরত প্রায়
৩০টি ব্যাটারিচালিত রিকশা জব্দ করা হয়।
ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, এক সমীক্ষায় দেখা গেছে
২০ শতাংশ দুর্ঘটনা এই ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
হচ্ছে শহরের নারী ও শিশুরা। এগুলো কোনো নীতিমালা বা যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায়
রেখে তৈরি করা হয়নি। প্রায়ই দেখা যায় পথচারীদের ওপর উঠে যাচ্ছে, অনিয়ন্ত্রিত গতির কারণে
প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ও সড়কে গণপরিবহন চলাচলে শৃঙ্খলা
ফেরাতে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বুয়েটের সহায়তায় এরই মধ্যে ব্যাটারিচালিত নিরাপদ
রিকশার নকশা করে কয়েকটি কোম্পানিকে প্রস্তুতের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই মাসের মধ্যে
ডিএনসিসি রিকশা চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। প্রশিক্ষণ শেষে উত্তীর্ণরাই বৈধ
লাইসেন্স পাবে এবং অনুমোদিত কোম্পানির তৈরি রিকশা শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় চালাতে পারবে।
এক এলাকার বৈধ রিকশা অন্য এলাকায় যেতে পারবে না। যাত্রী ভোগান্তি কমাতে ভাড়াও নির্ধারিত
থাকবে। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হবে। চলমান রিকশা নিয়ে যে বাণিজ্য
রয়েছে তা বন্ধ করা হবে।
উক্ত অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক
নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম বদরুদ্দোজা, ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলম, ডিএমপির ও ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর, ফ্রি ও ফেয়ার।
নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। তবে কেউ সহিংসতা, নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির
চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত
আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে,
এবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এবার যে পরিমাণ
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে, অতীতে কোনো নির্বাচনে তার নজির নেই।
ভোটকেন্দ্রে
সিসিটিভি, ড্রোন নজরদারির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি
ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা
হয়েছে।
যেসব
ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি নেই, সেখানে অস্থায়ীভাবে বাঁশের ঘেরা দিয়ে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, এবার বিশেষ ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভোট প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ
রাখা হয়েছে। আমাদের জ্যেষ্ঠ সচিব প্রয়োজনীয় সমন্বয় করেছেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
ভোটারদের
নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টিকে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য প্রশাসন
ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বোরকা
পরিহিত ভোটারদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে পরিষ্কার
নির্দেশনা দিয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নারী আনসার সদস্য থাকবেন এবং প্রয়োজন হলে তারাই
বিষয়টি দেখভাল করবেন।
সভায়
সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি। এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকসহ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা
বাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে অ্যাম্বুলেন্স তল্লাশি করে ২৮ কেজি গাঁজাসহ
২ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার
(২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনাকালে থানাধীন
আইয়ুবপুর ইউনিয়নের কড়ইকান্দি ফেরিঘাট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ
জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের হেফাজতে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্স তল্লাশি করে ২৮ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ
তালিকা প্রস্তুত করে জব্দ করা হয়েছে।
আটক
ব্যক্তিরা হলেন- শরিয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার (বর্তমানে শেরে বাংলা থানা আগারওগাও)
মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. সোহাগ (৩১) অপরজন রংপুর জেলার রংপর সদর উপজেলার মৃত মোহাম্মদ
আলী মো. শাহাজুল ইসলাম(৪৭)।
এ
ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলাদায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে এবং মাদক পরিবহনের সঙ্গে
জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীরপ্রতীক বলেছেন, আপাতত বন্যার্ত মানুষকে বাঁচানোই আমাদের প্রধান কাজ। তাদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া, ক্ষুধার অন্ন জোগানো, শিশু ও নারীসহ সবার স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নেওয়া; এটায় এখন আমাদের প্রধান কাজ।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাতে নোয়াখালী সার্কিট হাউসে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফারুক-ই-আজম এসব কথা বলেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের আরও বেশি উদ্যোগী হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এখানে জনসম্পৃক্ততা যেটা হয়েছে, তাদের সাথে সমন্বয় করবেন। এ সমন্বয় যেন কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন না হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবীসহ সকল স্বেচ্ছাসেবীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আপনাদের মধ্যে যদি মতদ্বৈততা হয়, আপনারা আলোচনার টেবিলে বসবেন। তরুণরা এই বন্যায় এগিয়ে এসেছে। আমাদের রিসোর্সেরও অভাব নেই। অনেক প্রতিষ্ঠান আছে তারাও কাজ করতে আগ্রহী। অনেক প্রতিষ্ঠান আসছে দেশের ও দেশের বাইরের।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত আনোয়ার, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শারমিন আরা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) বিজয়া সেন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বড় ডুমরাশুর এলাকায় সাভানা ইকোপার্ক অ্যান্ড রিসোর্টের প্রধান ফটকের সামনে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ছাত্রদল নেতা মিকাইল হোসেন হামলার শিকার হন। রাতেই তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মিকাইলের বর্ণনা অনুযায়ী, বিকেলে তিনি সাতপাড় এলাকায় বিএনপির প্রার্থী কে এম বাবরের নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেন। সেখান থেকে বিকেল ৫টার দিকে কয়েকজনসহ সাভানা পার্কে ঘুরতে যান। পার্কের ভেতরে মোটরসাইকেল নেওয়া নিয়ে এক স্টাফের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে পার্কের ম্যানেজার ঘটনাটি সমাধানের চেষ্টা করেন।
তার দাবি, সন্ধ্যা ৭টার দিকে পার্ক থেকে বের হওয়ার সময় হঠাৎ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ঘিরে ফেলে এবং লাঠি ও ঘুষি–থাপ্পড় মেরে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বৌলতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক আফজাল হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে—পার্কের এক স্টাফের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির সময় মিকাইলের সঙ্গে থাকা একজন যুবক ওই স্টাফকে থাপ্পড় মারেন। এরপর মিকাইল পার্ক ছাড়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন ও পার্কের স্টাফরা তার ওপর হামলা চালায়। তবে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।
মন্তব্য করুন


ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬৫ জন।
আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়াদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৫১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮২ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৯৫ জন,
ঢাকা উত্তর সিটিতে ১২৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৮৮ জন, খুলনা বিভাগে ৪৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩০ জন, রংপুর বিভাগে ৩ এবং সিলেট বিভাগে ১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৫৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৩ হাজার ১৯৬ জন।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৩৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৫ হাজার ৫৭৭ জন।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম , কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার সীমান্তে পারাপারের সময় গুলি ছুড়ে মিস্টার আলী নামের বাংলাদেশি এক যুবককে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের খাটিয়ামারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৬২-১০৬৩ নম্বর সীমানা পিলার এলাকা থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় বিএসএফ।
রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক মিস্টার আলী (২৫) উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে।
সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার ভোরে ৮ থেকে ১০ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারিরা সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার ওপর দিয়ে কম্বল পারাপার করছিল। এ সময় ভারতের আসাম রাজ্যের মানকারচর শাহপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহলরত সদস্যরা গেট খুলে তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে বাকিরা পালাতে পারলেও মিস্টার আলীকে ধরে ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিএসএফ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধীন মোল্লাচর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কোমান্ডার ফখরউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশি এক যুবককে ধরে নিয়ে গেছে শুনেছি। তবে আমার এরিয়া থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায়নি। ওই ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে গেছে ১০৬৩ নম্বর পিলার থেকে।
রৌমারী সদর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন, গুলি ছুড়ে বাংলাদেশি কাউকে ধরে নিয়ে গেছে কি না আমাদের বিজিবির টহলরত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যাবে। তবে এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


তিন দিনের সফরে ভারতের কলকাতায় পৌঁছেছেন বিশ্ব ফুটবলের সুপারস্টার লিওনেল মেসি। প্রথম দিনেই সল্টলেক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়া ফুটবল ইভেন্টে চরম অব্যবস্থা তৈরি হয়। গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকরা তাদের প্রিয় খেলোয়াড় মেসিকে স্পষ্টভাবে দেখতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং স্টেডিয়ামে ভাঙচুর চালান।
ঘটনার পর কলকাতা পুলিশ অনুষ্ঠান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে আটক করে। কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল জায়েদ শামিম জানান, “এফআইআর দায়ের করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে, এবং যারা এ বিশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত তারা আইনের আওতায় আনা হবে। ভক্তদের ক্ষুব্ধ হওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।”
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি মেসির কাছে সরাসরি ক্ষমা চেয়ে বলেন, “সল্টলেক স্টেডিয়ামে যে অব্যবস্থাপনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি নিজেও ভক্তদের সঙ্গে প্রিয় খেলোয়াড় মেসিকে দেখার জন্য স্টেডিয়ামে যাচ্ছিলাম।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব থাকবেন। কমিটি ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করবে, দায় নির্ধারণ করবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধের সুপারিশ দেবে।
মমতা ব্যানার্জি শেষ করেন, “সব ক্রীড়াপ্রেমী ও মেসির ভক্তদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।”
মন্তব্য করুন