

খুলনার পাইকগাছায় মরা গরুর মাংস বিক্রয়ের অভিযোগে ৪ কসাইকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
সোমবার (৩ জুন) সকালে আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করে সবাইকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মে উপজেলার কুমখালী গ্রামের রমেশ বৈদ্যের দুটি গরু অসুস্থ হয়। প্রাথমিক চিকিৎসায় একটি গরু সুস্থ হলেও অন্যটি মারা যায়। সেই মরা গরুটি রমেশ বৈদ্যের কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে কিনে নেয় গড়ইখালী ইউপির আল আমিন মোড়ে কসাই ইলিয়াস গাজী ও তার সঙ্গীরা।
পরে ওই মাঠে জবাই করে ভ্যানযোগে দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫শ টাকা দরে ২০ জনের নিকট বিক্রি করে। পরে মরা গরু জানাজানি হলে খবর পেয়ে ১০ মে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক উদয় কুমার মন্ডল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরা গরুর মাংসের প্রমাণ পেয়ে পচা মাংস জব্দ করেন ও কেরোসিন দিয়ে পুড়িয়ে বিনষ্ট করেন।
এ ঘটনায় কসাই ইলিয়াস গাজী, খানজাহান গাজী ওরফে খানজে, জাকির সানা, মোকছেদ গাজীর নাম উল্লেখ করে পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ধারায় মামলা করেন। মামলায় বিজ্ঞ বিচারক আসামিদের ৩ জুন আদালতে হাজির হওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছিলেন।
উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য
পরিদর্শক উদয় কুমার মন্ডল জানান, অনিরাপদ খাদ্যদ্রব্য যারা উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিপণন করলে
তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এই অভিযান অব্যাহত
থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা থেকে পাসপোর্ট দালাল চক্রের মূলহোতা মোঃ সাব্বির
হোসেন সহ ১৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২। এ সময় পাসপোর্ট,
পাসপোর্ট ডেলিভারী স্লীপ, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি আভিযানিক দল সোমবার (২২ জানুয়ারী) সকালে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
নোয়াপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পাসপোর্ট দালাল চক্রের মূলহোতা সহ সর্বমোট
১৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করে। পাসপোর্ট দালাল চক্রের আসামীদেরকে কাছ থেকে ৪ টি
পাসপোর্ট, ৮৭ সেট ডেলিভারি স্লীপ, ১২ টি মোবাইল সেট ও নগদ ১২,৬০০ টাকা সহ পাসপোর্ট
সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীগণ হলোঃ-
১। মোঃ সাব্বির
হোসেন (২৪), পিতা-মোঃ নজরুল ইসলাম, সাং-হাড়াতলী, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
২। মোঃ সাফি মাহমুদ
(২৮), পিতা-মৃত মঈন উদ্দিন, সাং-নোয়াপাড়া, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
৩। মোঃ সুজন
(৪২), পিতা-মৃত ইদ্রিস মিয়া, সাং-ছোটরা, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
৪। তানজিদ হাসান
(৩০), পিতা-তোফাজ্জল হোসেন, সাং-শিকারপুর, থানা-বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লা।
৫। মোঃ জয়নাল
আবেদীন (৫৩), পিতা-মৃত সুলতান মিয়া, সাং-নোয়াপাড়া, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
৬। মোঃ ইমরুল
হক (৩২), পিতা-মোঃ মঞ্জুরুল হক, সাং-মোনসেফ বাড়ী, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
৭। মোঃ আলী (২৭),
পিতা-সুলতান আহমেদ, সাং-মোহনপুর, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লা।
৮। মোঃ শাহাদাত
হোসেন প্রিন্স (২৮), পিতা-মোঃ দেলোয়ার হোসেন রোমান, সাং-নতুন চৌধুরী পাড়া, থানা-কোতয়ালী
মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
৯। মোশারফ হোসেন
সাকিব (২০), পিতা-মৃত আব্দুল মতিন, সাং-শাসনগাছা, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
১০। মোঃ রনি
(২৩), পিতা-মোঃ রুক মিয়া, সাং-শংকরপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
১১। ফয়সাল আহমেদ
ইমন (২১), পিতা-বিল্লাল হোসেন, সাং-রাজাপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
১২। জহির আহম্মেদ
(২৬), পিতা-খোরশেদ আলম, সাং-দক্ষিণ ধনপুর, থানা-লালমাই, জেলা-কুমিল্লা।
১৩। পারভেজ (২২),
পিতা-আবুল হোসেন, সাং-বরহাতুয়া, থানা-বরুড়া, জেলা-কুমিল্লা।
১৪। সিয়ামুল ইসলাম
সৈকত (২০), পিতা-আলাউদ্দিন, সাং-মানিকারচর, থানা-মেঘনা, জেলা-কুমিল্লা।
র্যাব জানান,
তারা দীর্ঘদিন যাবৎ পাসপোর্ট তৈরী করে দেওয়ার নাম করে ভুক্তভোগী লোকজনের নিকট থেকে
সরকার নির্ধারিত রেট এর অধিক বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছিল বলে স্বীকার করে।
মূলতঃ তারা ৩টি গ্রুপে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে, যার একটি গ্রুপ সাধারণ মানুষকে সহজভাবে
পাসপোর্ট তৈরী করার নাম করে বিভিন্ন এজেন্টের নিকট নিয়ে আসে। এই এজেন্টের গ্রুপ ভুক্তভোগীদের
অনলাইন আবেদন ও ব্যাংক ড্রাফট করে দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুতসময়ে পাসপোর্ট দিবে বলে ডেলিভারী
স্লীপ নিজেদের নিকট রেখে দেয়। অপর গ্রুপ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে পাসপোর্ট ডেলিভারী
করার নির্দিষ্ট তারিখ নিধারণ করে। এভাবেই তাদের কাছে টাকা জমা দিলে তারা বিভিন্নভাবে
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জালিয়াতি মাধ্যমে প্রস্তুত করে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে পাসপোর্ট
অফিস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করে আসছিল।
উক্ত
বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
ধর্মপুর এলাকা হতে দলনেতাসহ সাতজন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (৩ জুলাই) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
ধর্মপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের নিকট হতে
৪ টি কুড়াল, ১ টি চাপাতি ও ৩ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
আসামীরা হলো: ১। তাজুল ইসলাম সুমন (১৯), পিতা-মোঃ আব্দুল মালেক, সাং-হায়দারগঞ্জ, থানা-রায়পুর, জেলা-লক্ষীপুর এবং আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু ২। মোঃ মাসুদ (১৭), পিতা-মোঃ মফিজুল ইসলাম, সাং-রংপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ রিমন (১৭), পিতা-হারুনুর রশিদ, সাং-মোগড়া, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা; ৪। ফাহিম হোসেন সিফাত (১৫), পিতা-জামাল হোসেন, সাং-পশ্চিম বাগিচাগাও, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৫। তয়বুর রহমান তুহিন (১৭), পিতা-মোস্তাফিজুর রহমান মামুন, সাং-ছাইচাপাড়া, থানা-দেবিদ্বার, জেলা-কুমিল্লা; ৬। আব্দুল কাদের জিলানী (১৬), পিতা-মোঃ আব্দুল হানিফ, সাং-রসুলপুর, থানা-দেবিদ্বার, জেলা-কুমিল্লা এবং ৭। অর্পন দাস (১৫), পিতা-গৌতম দাস, সাং-বাগিচাগাও, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী ও
আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা সকলেই কিশোর গ্যাং এর
সক্রিয় সদস্য। তারা উপরোক্ত দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয় ভীতির
মাধ্যমে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও তারা ভয় ভীতির মাধ্যমে
ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ যানবাহনে ছিনতাই ও চাঁদা আদায়সহ ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিল
বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদের বিরুদ্ধে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
সারাদেশের
ন্যায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কুমিল্লা অফিসে অভিযান পরিচালনা করছেন
দুনীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ
বুধবার (৭ মে) দুদক কুমিল্লা আঞ্চলিক অফিসের সহকারী পরিচালক মাসুম আলীর নেতৃত্বে তিন
সদস্যের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এ
সময় কুমিল্লা দুদক সহকারী পরিচালক মাসুম আলী বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
(বিআরটিএ) কুমিল্লা সার্কেল অফিসে দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয় না। এ ছাড়াও বিআরটিএ অফিসে
আসা সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাই। পাশাপাশি আনসার বাহিনীর
সদস্য দায়িত্ব পালনের সময় এসব কাজে সরাসরি জড়িত রয়েছেন।
এসব
অনিয়ম দুনীতির অভিযোগের আলোকে প্রথমে আমরা ছদ্মবেশে অভিযান পরিচালনা করি। আমরা এ অভিযানে
সকল অভিযোগের সত্যতা পাই। অন্যদিকে আনসার বাহিনীর সদস্যদের কোন সত্যতা পাইনি। পাশাপাশি
এ অফিসের কোন কর্মকর্তা এ কাজে জড়িত আছে কি না, আমরা তা খতিয়ে দেখছি।
এ
অফিসের কেউ বাহিরে কাজ করছে কি না তাদের কিছু রেকর্ডপত্র আমরা চেয়েছি। তা পর্যালচনা
করে জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ছিন্নমূল এলাকায় অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক র্যাব কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন র্যাবের আরও তিনজন সদস্য। নিহত কর্মকর্তার নাম মো. মোতালেব। তিনি র্যাবে ডেপুটি এসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (ডিএডি) পদে কর্মরত ছিলেন।
র্যাবসূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় জঙ্গল সলিমপুরে চট্টগ্রাম র্যাবের পতেঙ্গা ব্যাটালিয়নের থেকে একটি টিম অভিযানে যায়। এ সময় তাদের ওপর চড়াও হয় দুর্বৃত্তরা এবং সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন র্যাব কর্মকর্তা মো. মোতালেব। আহত হন র্যাবের আরও তিনজন সদস্য।
এদিকে ঘটনার পর এলাকাটিতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথবাহিনীর অভিযান চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় প্রায় ৪ দশক ধরে সরকারি পাহাড় ও খাস জমি দখল করে গড়ে উঠেছে কয়েক হাজার অবৈধ বসতি। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়খেকো, ভূমিদস্যু ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের হত্যা মামলার এক আসামি সন্তান প্রসব করেছেন।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে মা ও নবজাতক সুস্থ আছেন এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কারাবন্দি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কুমিল্লা জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন এ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ওই নারী আসামি কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বাসিন্দা। গত ১১ আগস্ট তাকে হত্যা মামলায় আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়।
জেল সুপার আরও বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে প্রসববেদনা শুরু হলে তাকে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিক অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত দেন। তখন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা না গেলেও জরুরি পরিস্থিতিতে জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ অপারেশনের অনুমতি দেয়। বিকালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।
তিনি আরও জানান, মা ও নবজাতকের চিকিৎসাসেবা ও যত্ন নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কারা প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। শিশুর জন্য পোশাক থেকে শুরু করে খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকেও তারা সুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জে মোটরসাইকেল
নিয়ে ঘুরতে গিয়ে রাইস মিলের দেয়ালের সাথে ধাক্কা লেগে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৭ জুন) দুপুরে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার
শাহগঞ্জ সড়কের পাইবাকুঁড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহতরা হলেন, উপজেলার দামদি গ্রামে
আমিনুল ইসলামের ছেলে রনি মিয়া (১৬) ও একই এলাকার আবুল হাশেমের আশিক (১৭)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদের
নামাজের পর রনি ও আশিক মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে ঈশ্বরগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে
ঈশ্বরগঞ্জ-শাহগঞ্জ সড়কের পাইবাকুঁড়ি এলাকায় পৌঁছলে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের
একটি মিলের দেয়ালে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রনির মৃত্যু হয়। এ সময় গুরুতর আহত হয়
আশিক। স্থানীয়রা আশিককে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আশিকের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঈশ্বরগঞ্জ
থানার এসআই কমল সরকার জানান, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় রনির
মরদেহ দাফনের প্রক্রিয়া চলছে। আশিকের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে আছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে নকলের চিরকুট, মোবাইল ফোন ও গাঁজাসহ তিন ছাত্রকে
আটক করেছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এদের মধ্যে দুজনকে বহিষ্কার করা হয় এবং অপর পরীক্ষার্থীকে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ছয়মাসের সাজা দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ভুলতা স্কুল অ্যান্ড কলেজের হল পরিদর্শনকালে এসব ঘটনা ঘটে।
কেন্দ্র সচিব ও ভুলতা স্কুল অ্যান্ড কলেজ অধ্যক্ষ ড. আব্দুল আউয়াল মোল্লা বলেন, আজ এইচএসসির ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষা চলছিল। তখন শ্রাবন মোল্লা নামে এক পরীক্ষার্থী গাঁজাসহ হলে প্রবেশ করে। এ সময় পাঁচরুখি কলেজের ওই ছাত্রকে মাদক আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিমন সরকার। অপরদিকে একই কলেজের পরীক্ষার্থী সাইদ ও সলিমদ্দিন চৌধুরী কলেজের পরীক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম তুরজুকে নকলের দায়ে বহিষ্কার করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহসান মাহমুদ রাসেল।
এ বিষয়ে ইউএনও আহসান মাহমুদ রাসেল বলেন, পরীক্ষার হলে নকলের চিরকুট, মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করায় দুইজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একজনের কাছে গাঁজা পাওয়ায় তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ছয়মাসের সাজা দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশে ৬টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে ঝড়ো হাওয়া। তাই সতর্কতা সংকেত তোলা হয়েছে সে সকল এলাকার নদীবন্দরগুলোতে।
শনিবার (১৫ জুন) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানায়, রংপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি. মি বেগে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার দেখাতে বলা হয়েছে নৌবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সংকেত।
শনিবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায়; ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
খুলনা বিভাগসহ গোপালগঞ্জ জেলার উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার (১৬ জুন) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, রাজশাহী, ঢাকা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
মন্তব্য করুন


ফাতেমাতুজ জোহরা তন্বী, প্রতিবেদক:
নিটোল
পায়ে রিনিক ঝিনিক,পায়েলখানি বাজে
মাদল
বাজে সেই সংকেতে
শ্যামা
মেয়ে নাচে...
এস
ডি বর্মণের কণ্ঠে সেই প্রখ্যাত গান। বলছিলাম উপমহাদেশের সংগীতের রাজপুত্র কুমার শচীন
দেববর্মণের কথা।
শচীন
দেববর্মণ (১ অক্টোবর, ১৯০৬-৩১ অক্টোবর, ১৯৭৫) বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী
গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, গায়ক ও লোকসঙ্গীত। আগরতলার বাসিন্দা হলেও শচীন দেবের শৈশব কেটেছে কুমিল্লায়
এবং শেষ জীবন মুম্বাইতে। তাঁর সহধর্মিণী মীরা দেবী এবং একমাত্র পুত্র রাহুল দেববর্মনও
মুম্বাই চিত্রজগতের প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পী।প্রায়শ তাঁকে এস ডি বর্মণ হিসেবেই উল্লেখ
করা হয়। কিছুটা অনুনাসিক কণ্ঠস্বরের জন্য তিনি তার শ্রোতাদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।
প্রায় একশো বছর পার করেও বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে তার কালোত্তীর্ণ গানের আবেদন
কিছুমাত্র লঘু হয়নি। কেবল সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে নয়, গীতিকার হিসাবেও তিনি সার্থক।
তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পুত্র রাহুল
দেববর্মণ ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। তাঁর ছাত্রী এবং পরবর্তীতে
সহধর্মিনী মীরা দেববর্মণ গীতিকার হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি রবি গুহ মজুমদার এর
অনেক গানে সুর দিয়েছেন এবং তা শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন। তিনি ২ বার (১৯৫৫ ও ১৯৭৪)
সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং ১৯৭০ সালে শ্রেষ্ঠ নেপথ্য গায়ক হিসেবে
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত) লাভ করেন।
শচীন
দেব বর্মণ তার যুগের তুলনায় অনেকাংশে আধুনিক ছিলেন। তার অনেক গানই আজকাল রিমিক্স হচ্ছে
এবং জনপ্রিয়তাও পাচ্ছে। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানছেন না, গান গুলোর আসল
সুরকার এবং গায়ক শচীন দেববর্মণ। শচীন দেব অনেক বাংলা গানে সুর দিয়েছেন। ১৯৩৪ সালে
নিখিল ভারত সঙ্গীত সম্মিলনে গান গেয়ে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৩৭ সাল থেকে পরপর
কয়েকটি বাংলা ছায়াছবিতে তিনি সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য
ছায়াছবি হলো: রাজগী, ছদ্মবেশী, জীবন-সঙ্গিনী, মাটির ঘর ইত্যাদি। তার বিখ্যাত কিছু
গান যেমন-
শোনো
গো দখিন হাওয়া
হৃদয়ে
দিয়েছো দোলা
কে
যাসরে
ঝিল
মিল ঝিল মিল
তুমি
আর নেই সেই তুমি
রজ্গীলা
তুমি
এসেছিলে পরশু ইত্যাদি।
প্রতি
বছর দু-তিন দিন জুড়েই পালিত হয় 'শচীন মেলা'। স্নিগ্ধতা এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা ব্যাখ্যা
দেয় সোনালী অতীতের। শচীন দেববর্মণের মতো মানুষরা অমর প্রজন্মের পর প্রজন্মে।
বাংলা ও হিন্দি গানের কিংবদন্তি সুরকার শচীন দেববর্মণ এর জন্মভিটা কুমিল্লার দক্ষিণ চর্থায়। একসময় রাজবাড়ি হলেও এখন সেটি ইতিহাসের কান্না বয়ে চলা এক পরিত্যক্ত ভবন।
সরকারি উদ্যোগে ‘সংস্কৃতি কমপ্লেক্স’ গড়ে তোলার কথা বলা হলেও বাস্তবে বাড়িটি পড়ে আছে অযত্নে-অবহেলায়।
আমরা কি তবে শচীন কর্তার সুরের স্মৃতি হারাতে বসেছি?
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা,কচুয়া প্রতিনিধিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের পাঁচ উপজেলার অর্ধশত গ্রামে ঈদুল ফিতর নামাজ আদায় হচ্ছে। বুধবার (১০ এপ্রিল) পবিত্র ঈদুল উদযাপন করার লক্ষে ওই সব গ্রামের মুসল্লিরা নানা প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
মূলত বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে। হাজীগঞ্জের পীরের অনুসারী হিসেবে ১৯২৮ সাল থেকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা নির্ধারিত তারিখের এক দিন আগেই ঈদ উদযাপন করছেন। বুধবার হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফ জামে মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই ঈদ জামাতে ইমামতি করবেন বর্তমান পীর মুফতি আল্লামা যাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।
ঈদের নামাজ পড়তে আসা ৯৫ বয়সি আব্দুল হামিদ বলেন, আমি জন্মের পড় থেকে সাদ্রা দরবার শরীফে ঈদের নামাজ করছি। আমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখি, আবার চাঁদ দেখে ঈদের নামাজ আদায় করি।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, জাকনী, প্রতাপপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুরের মুসল্লিরা এক দিন আগে ঈদ পালন করেন।
এ ছাড়া মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলার মতলব উত্তর উপজেলার সাড়ে পাঁচানী, দেওয়ানকান্দি পাঁচানী, সাতানী, লতুরদী, মোহাম্মদপুর, মোহনপুর, এখলাশপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলীসহ শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামে এক দিন আগে ঈদ উদযাপন করেন মুসল্লিরা।
মন্তব্য করুন