

বরিশাল জেলায় বানারীপাড়ায় ৭ম শ্রেণিপড়ুয়া কিশোরী জান্নাতুলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তার মা প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ায়, চক্ষুলজ্জায় সে আত্মহত্যা করেছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাথরুমে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত জান্নাতুল (১৩) বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ধারালিয়া গ্রামের বাসিন্দা, সৌদিপ্রবাসী নাসির উদ্দিন পাপনের মেয়ে। সে ধারালিয়া সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয়রা বলছে, জান্নাতুলের মা শান্তা আক্তার সোমবার (১০ জুন) রাতের কোনো এক সময় তার প্রেমিকের হাত ধরে চলে যান। মঙ্গলবার সকালে জান্নাতুল ঘুম থেকে উঠে ঘরে দেখতে না পেয়ে, সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করে মায়ের সন্ধান পায়নি। তার আপত্তি সত্ত্বেও মায়ের অনৈতিক সম্পর্কের কথা জানতেন জান্নাতুল। সমাজে নানা জনের নানা কথা শুনতে হবে ভেবে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জান্নাতুলের দাদি ফিরোজা বেগম জানান, ছেলে সৌদি থাকাবস্থায় জান্নাতের মা শান্তা তাদের সঙ্গেই থাকতেন। ওই ঘরে দুটি সন্তান রয়েছে। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর তাকে বারবার ওই পথ থেকে সরে আসার জন্য বলা হয়। কিন্তু কোনোভাবেই সে কথা শুনতো না। এ কারণে তাদের ঘর ছেড়ে ভাড়া বাসায় গিয়ে ওঠে। সর্বশেষ সোমবার শান্তার বাসায় বেড়াতে যান তিনি। বাড়িতে আসার সময় ছোট নাতিকে নিয়ে তার সঙ্গে নিয়ে আসেন। মঙ্গলবার সকালে খবর পান তার বড় নাতনি জান্নাত গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার মাকেও পাওয়া যাচ্ছে না। আমার নাতনি মেধাবী ছিল। সকালে ঘুম থেকে ওঠে মাকে না দেখে সে বুঝতে পারে তার মা প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছে। লোকলজ্জায় জান্নাত বাথরুমে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে ধারণা করছি। বেলা ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় বানারীপাড়া থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে জান্নাতুলের বাবা, সৌদিপ্রবাসী নাসির উদ্দিন পাপন মোবাইল ফোনে জানান, গত কয়েক মাস আগে বেতাল গ্রামের নাঈম নামের এক যুবককে গভীর রাতে নিজ ঘরে মায়ের সঙ্গে দেখে ফেলে তার মেয়ে। পরে লোকলজ্জার ভয়ে মেয়ে জান্নাতুল মাকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য তার কাছে আকুতি জানায়।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মাইনুল ইসলাম বলেন, নিহত জান্নাতুলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম মর্গে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে এক কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনসহ চোরাচালানী পণ্য আটক করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
সোমবার ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্ত এলাক থেকে এসব মালামাল আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা সীমান্ত এলাকার নোয়াপুর কাচিগাং মাঠ থেকে মালিক বিহীন অবস্থায় ৫২ লাখ টাকা মূল্যর অবৈধ ১২১টি মোবাইল ফোন আটক করে।
অন্য অভিযানে আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে ৫৬ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রকার বাজি, শাড়ীসহ অন্যান্য চোরাচালানী পণ্য আটক করা হয়।
মন্তব্য করুন


হৃদয় চন্দ্র দাস:
কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে খন্দকার
হক টাওয়ার মার্কেটে জমকালো আয়োজনে শুভ উদ্বোধন হলো oppo এক্সক্লুসিভ শো-রুম। শুভ
উদ্বোধন উপলক্ষে মাসব্যাপী প্রত্যেকটি মডেলের সাথে থাকছে আকর্ষণীয় গিফট অফার। তাই
দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং বুঝে নিন আপনার পছন্দের ডিভাইসের সাথে আকর্ষণীয়
সব গিফট অফার।
মন্তব্য করুন


বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার ২০২৪-২০২৫ সনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
২৯ আগস্ট বৃহস্পতিবার কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির কার্যালয়ে সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এতে ৫১৭জন ভোটারের মধ্যে ৪২৮জন ভোটার গোপন ব্যালট পেপার এর মাধ্যমে তাদের সুনিশ্চিত মতামত প্রদান করেন।
ওই নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট মোঃ মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট মাহাবুল আলম রিমন। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল বারী সরদার (বারেক) এবং সহকারী নির্বাচন কমিশন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম ও মোঃ আবুল কালাম আজাদ। এছাড়াও নির্বাচন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির উচ্চ পরিষদের সদস্য মোঃ এমদাদ হোসেন ও আবুল খায়ের খোকন। এসময় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাকির হোসেন, রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি এডভোকেট আছিয়া মাহজাবিন খান নিশু, সাবেক এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট মোঃ এনামুল হক সরকার, এডভোকেট মোসাঃ কামরুন্নাহার ও এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার প্রমুখ।
ওই নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে দু'টি পদে গোপন ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় ৭নং হল রুমে ভোট গণনা শুরু হয় আর শেষ হয় রাত ৯টায়। ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট মোঃ মনির হোসেন পাটোয়ারী।
ওই নির্বাচনে সভাপতি পদে মোঃ নুরুল ইসলাম ২২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ ওমর ফারুক পেয়েছেন ১৮০ ভোট ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (সিভিল কোর্ট) পদে মোঃ সামছুল আলম ২৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ আতাউর রহমান সরকার মাসুদ পেয়েছেন ১৫১ ভোট।
ভোট গণনার সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট মাহাবুল আলম রিমন ও এডভোকেট মোসাঃ কামরুন্নাহার, এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার, জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির সাবেক সভাপতি আবু তাহের কালন, সাবেক সভাপতি মোঃ এমদাদ হোসেন, সাবেক সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান (মজিব), সাবেক সভাপতি মোঃ আবুল খায়ের (খোকন) ও সাবেক সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিনসহ জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির প্রায় শতাধিক সদস্য।
এ ছাড়াও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সহ-সভাপতি পদে মোঃ শহিদুল হক লিটন, সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ হোসেন মিয়া, সহ-সাধারণ (ফৌজদারি কোর্ট) পদে মোঃ হরমুজ আলী সরকার, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ জসিম উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ লিটন মিয়া মুন্সি, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ মনিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক পদে মোঃ মাহাবুব আলম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোঃ শাহজাহান মিয়া এবং সদস্য পদে মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ শাহাদাত হোসেন, মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ আবুল কাশেম ও মোঃ জহিরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয়
উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
আজ রবিবার (৭ জুলাই) আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের
দ্বিতীয়া তিথিতে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) কুমিল্লা জগন্নাথপুর শ্রী শ্রী
জগন্নাথ দেবের মন্দির ও নগরী ঠাকুরপাড়া রামকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরের যৌথ আয়োজনে শ্রী
শ্রী জগন্নাথপুর মন্দিরে সকাল ৭টা হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের পূজা ও দর্শন
আরতী, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোম যজ্ঞ, ভজন কীর্তন, বাউল সংগীত ও পদাবলী কীর্তন
এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ ও দুপুর ২টায় ধর্মসভা শেষে ভক্ত সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
পৃথক পৃথক রথারোহণ, শুভ আরতি ও মহা হরিনাম সংকীর্তন সহযোগে জগন্নাথ মন্দির হতে চকবাজার-রাজগঞ্জ-কান্দিরপাড়
হয়ে ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির এসে শেষ হয় বর্ণাঢ্য শুভ রথযাত্রা।
ওই শোভাযাত্রায় লাখো পূণ্যার্থী ও ভক্তের সমাগম ঘটে। এতে সকল ধর্মের মানুষের উপস্থিতি
ছিলো চোখে পড়ার মতো। এরপর সন্ধ্যায় গুন্ডিচা মন্দিরে সন্ধ্যারতি কীর্তন ও ভজন কীর্তন
এবং রাত ৮টায় ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ লীলামৃত
ও মহাপ্রসাদ বিতরণ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, জগন্নাথদেব
হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগৎ হচ্ছে বিশ্ব আর নাথ হচ্ছেন ঈশ্বর। তাই জগন্নাথ হচ্ছেন
জগতের ঈশ্বর। তার অনুগ্রহ পেলে মানুষের মুক্তিলাভ হয়। জীবরূপে তাকে আর জন্ম নিতে হয়
না। এই বিশ্বাস থেকেই রথের ওপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমূর্তি রেখে রথ নিয়ে যাত্রা করেন
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
আজ কুমিল্লা জগন্নাথ মন্দিরে বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মধ্য দিয়ে রথযাত্রা উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দুপুর দুইটায় ধর্ম সভা শেষে সাড়ে ৪টায় বেলুন উড়িয়ে রথযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম । এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা-৭ সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।
রথযাত্রা মহোৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম
বলেন- অসম্প্রদায়িক দেশ গড়তেই বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল দেশের
হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকল ধর্ম জাতির মানুষ সম্মিলিতভাবে স্বপ্নের সোনার বাংলা
বিনির্মাণ করবে। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫আগস্ট নির্মমভাবে বঙ্গবন্ধুকে হত্য্যা করে এই
স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করতে চেয়েছিল স্বাধীনতাবিরোধী চক্র৷ পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিলো
ধর্মীয় বিভাজনের ভিত্তিতে৷ এই বিভাজন আমরা মানতে পারিনি বলে পরবর্তীতে অসম্প্রদায়িক
চেতনাকে বুকে ধারণ করে দেশ স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশে তাই কোন ধর্মীয় বৈষম্য থাকবে না৷
শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের সভাপতি
শ্রীমান সুদর্শন দাশ ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে ধর্মসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা
পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার
মু. মুশফিকুর রহমানসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লা সদর উপজেলার জগন্নাথপুরের শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের মন্দির হতে রথযাত্রার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে শ্রী জগন্নাথদেব, বলদেব ও শুভদ্রাদেবের ৩টি পৃথক রথারোহনের মাধ্যমে মাসির বাড়ি পাথুরিয়া পাড়া আগমন করেন। সেখান তিনি প্রায় আটদিন অবস্থান করার পর পুনরায় উল্টো রথে নিজ বাড়ীতে ফিরে যাবেন। প্রতি বছর হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমাগম ঘটে থাকে রথযাত্রা উৎসবে।
এদিকে, আগামী ১৪ জুলাই রবিবার (উল্টো
রথযাত্রা) গুন্ডিচা মন্দিরে সকাল ৭টা হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেব এর পূজা ও
দর্শন আরতি, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, ভজন কীর্তন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ এবং
দুপুর ২টায় ধর্মসভা শেষে ভক্ত সমাবেশ ও পৃথক পৃথক রথারোহণ, শুভ আরতি ও মহাহরিনাম সংকীর্তন
সহযোগে ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির হতে কান্দিরপাড়, রাজগঞ্জ ও
চকবাজার হয়ে জগন্নাথপুর মন্দির পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা'র মধ্যদিয়ে শেষ হবে রথযাত্রা
মহোৎসব।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন ফুলতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ মোবারক হোসেন নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মোবারক হোসেন
(৩৫) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দূর্গাপুর গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম এর
ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটর সাইকেলটি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


পাহাড়ে অস্থিরতা ও মব জাস্টিসের বিরদ্ধে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ ব্যানারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে আইন বিভাগের ১৫তম আবর্তনের সুইচিং মারমা বলেন, 'বর্তমানে পাহাড়ে যে অস্থিতিশীলতা চলছে তা ব্যক্তিগত ইস্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি। এখন তা সামগ্রিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সামগ্রিক পর্যায় থেকে শুরু হয় বাঙালি বনাম পাহাড়িদের সংঘাত। এ ইস্যুতে সাধারণ ছাত্র ও সরকারের মাধ্যমে সমাধানে যাওয়া দরকার। আমরা যে যার জাতিসত্ত্বা নিয়ে বাংলাদেশে সুশৃঙ্খলভাবে বসবাস করতে চাই। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে যেতে চাই। আমরা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে একসাথে মিলে বসবাস করতে চাই।'
মোজ্জাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, 'স্বৈরাচারী দোসররা সারাদেশে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ছাত্র জনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে। তারা পাহাড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। মব জাস্টিসের নামে যেসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে তাদের মধ্যে ছাত্রলীগের প্রেতাত্না রয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও ছাত্রলীগের অনেক প্রেতাত্নারা সুশীলরূপে চলাফেরা করছেন। আপনারা যদি ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন, তাহলে কঠিনভাবে প্রতিহত করা হবে। এ ক্যাম্পাসে স্বৈরাচারের দোসর, ছাত্রলীগের কোনো স্থান নাই।'
মানববন্ধনে কুবির অন্যতম সমন্বয়ক আবু রায়হান সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে ইনকিলাব জিন্দাবাদ বলে মানববন্ধনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এই অভিযান চলছিল।
অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দাউদকান্দি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়াটগঞ্জ দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছেন।
হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা ইসলাম।
আহতরা হলেন: দাউদকান্দির সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন ও দাউদকান্দি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মহসীন হোসেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম বলেন, দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করি। এ সময় কয়েকজন এসে আমাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে হামলা করে। এতে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন ও দাউদকান্দি থানার একজন উপপরিদর্শক মহসীন হোসেন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েদ চৌধুরী বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় দাউদকান্দি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলামসহ সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেদওয়ান ইসলামকে বাঁচাতে গিয়ে দাউদকান্দি থানার উপপরিদর্শক মহসীন হোসেন ও সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন আহত হন। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা ইসলাম বলেন, দুর্বৃত্তরা সরকারি কাজে বাধা প্রদান করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে প্রবাসী ছেলের নতুন বিল্ডিংয়ে ঠাঁই হয়নি ৯৬ বছর বয়সি
বৃদ্ধা মায়ের। ছেলে প্রবাসে থাকার সুযোগে বৃদ্ধা মাকে বাাড়ি থেকে বেড় করে দিয়েছে পুত্রবধু। বর্তমানে বৃদ্ধার ঠাঁই হয়েছে রাস্তায়।এবং নিজ মেয়ের জরাজীর্ণ ঘরে।
উপজেলার
আলকরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ছামেনা খাতুনের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম ১৯৩১ সালের ২২ নভেম্বর। তার
স্বামী আবদুল হক ২০০৮ সালে
মারা যান। তিন মেয়ে ও এক ছেলের
মধ্যে একমাত্র ছেলে ফয়েজ আহমেদ ২০০৬ সাল থেকে সৌদি আরবে কর্মরত।
স্থানীয়
সূত্র জানায়, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই ছামেনা
খাতুনের দুর্দশা শুরু হয়। ২০১১ সালে ছেলে ফয়েজ আহমেদ তাকে নিজের বাড়ি থেকে পাশের বাড়িতে থাকা মেয়ে রোকেয়া বেগমের কাছে পাঠিয়ে দেন। এরপর থেকে মেয়ের বাড়িতেই বসবাস করছেন তিনি। রোকেয়া বেগম নিজেও স্বামীহারা। দুই ছেলে ও এক মেয়েকে
নিয়ে অভাবের সংসার চালালেও মায়ের দেখভাল করে আসছেন।
চলতি
বছরের জানুয়ারিতে দেশে ফিরে ফয়েজ আহমেদ নতুন একটি বিল্ডিং ঘর নির্মাণ করেন।
গ্রামবাসীর অনুরোধে তিনি মাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু গত ৪ মে
সৌদি আরবে ফিরে যাওয়ার পরপরই পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ রয়েছে, ফয়েজ আহমেদের স্ত্রী রুমা বেগম গভীর রাতে ছামেনা খাতুনের মালামালসহ তাকে আবার মেয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
ছামেনা
খাতুনের মেয়ে রোকেয়া বেগম বলেন, আমার ভাই ও ভাবি দীর্ঘদিন
ধরে মায়ের প্রতি অবহেলা করে আসছেন। আমার অভাবের সংসার হলেও আমরা মায়ের ভরণপোষণ চালিয়ে যাচ্ছি। ভাই দেশে এসে মাকে নতুন ঘরে তুলেছিলেন। কিন্তু তিনি বিদেশে যাওয়ার পরদিনই ভাবি মাকে ঘর থেকে বের
করে দেন।
ছামেনা
খাতুন বলেন, আমাকে অনেক বছর আগে ছেলে ঘর থেকে বের
করে দিয়েছে। তারা আমার কোনো খোঁজখবর রাখে না। আমার মেয়েরাই আমাকে দেখাশোনা করে।লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান বলেন, গ্রামবাসীর অনুরোধে ফয়েজ আহমেদ তার মাকে নতুন ঘরে তুলেছিলেন। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার পরদিনই তার স্ত্রী বৃদ্ধাকে ঘর থেকে বের
করে দেন। বর্তমানে যে মেয়ের বাড়িতে
তিনি থাকছেন, সেই পরিবারও খুবই অসচ্ছল।
অভিযোগের
বিষয়ে জানতে চাইলে রুমা বেগম সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর মুঠোফোনের সংযোগ
বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আলকরা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল বশর বলেন, বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। খোঁজখবর নিয়ে গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।
চৌদ্দগ্রাম
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। স্থানীয় চেয়ারম্যানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ছামেনা খাতুনের ভরণপোষণের বিষয়েও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় নয় বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নয় বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী শান্ত (২২)’কে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন কংসনগর এলাকায় হতে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী শান্ত (২২) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার পশ্চিম সিংহ গ্রামের আবুল কালাম এর ছেলে।
র্যাব জানান, ভিকটিম তার নানীর বাসায় বসবাস করত এবং সে স্থানীয় একটি স্কুলে ২য় শ্রেণীতে পড়ত। ঘটনার দিন গত ৮ জানুয়ারী ২০২২ ইং তারিখে দুপুরে ভিকটিম তার বাড়ির উঠানে খেলা করা অবস্থায় আসামী ভিকটিমকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসামীর ঘরের ভিতরে নিয়ে যায় এবং ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষনিক বিষয়টি ভিকটিম তার মাকে জানায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ভিকটিমকে বুড়িচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে ভিকটিমকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে গত ১৫ জানুয়ারী বুড়িচং থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত উক্ত আসামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ কুমিল্লার সাব্বির হোসেন ৪০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে মারা গেছেন।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে দেবিদ্বার ভিংলাবাড়ি এলাকায় তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত সাব্বির হোসেনের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল এলাকার হলেও তিনি ছোটবেলা থেকেই নানাবাড়ি দেবিদ্বারের ভিংলাবাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকতেন।
সাব্বিরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো: শাহিনুল ইসলাম।
পুলিশ পরিদর্শক শাহিনুল ইসলাম বলেন, সাব্বিরের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর আমরা তার বাড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে তার মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু স্থানীয় লোকজন আমাদের বাধা সৃষ্টি করে বলেন- তারা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করবেন। পরে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সাব্বিরের মরদেহ দাফনের অনুমতি দিয়ে থানায় ফিরে আসি।
নিহত সাব্বির হোসেন(১৯) তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়। বছর তিনেক আগে তার বাবার মৃত্যুর পর সাব্বির সংসারের হাল ধরতে অটোরিকশা চালানো শুরু করেন। তার মৃত্যুতে পরিবারটি এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সির বরাত দিয়ে উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান তামিম বলেন, নিহত সাব্বির আমাদের দলের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। দলীয় পদ-পদবি না থাকলেও তিনি আমাদের দলীয় প্রতিটি প্রোগ্রামে অংশ নিতেন। আমাদের কাছে তার ছবি আছে। সে ছাত্র আন্দোলনের সময় সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিল। আমরা তার হত্যার বিচার চাই। দলীয়ভাবে আমরা তার পরিবারের পাশে দাঁড়াব ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন