

আজ মেডিকেল কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে।
যা চলবে আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।
গতকাল স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন মাতুব্বর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে ২৪ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত। প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে।আর ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায়, শেষ হবে বেলা ১১টায়।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত ১০০টি প্রশ্নের প্রতিটি ১ নম্বর করে মোট (এইচএসসি বা সমমান সিলেবাস অনুযায়ী) ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।বিষয়ভিত্তিক বিভাজন পদার্থবিদ্যা ২০, রসায়নবিদ্যা ২৫, জীববিজ্ঞান ৩০, ইংরেজি ১৫ ও সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ) ১০ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
লিখিত পরীক্ষার প্রতিটি ভুল উত্তর প্রদানের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। লিখিত পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের কম পেলে অকৃতকার্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের কম পেলে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তির যোগ্য বিবেচিত হবেন না।
জানা যায়, দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ৫ হাজার ৩৮০টি আসন রয়েছে। বেসরকারি মেডিকেলের জন্য আসন রয়েছে ৬ হাজার ৩৪৮টি।
মন্তব্য করুন


কলম্বিয়ার উত্তরে যাত্রীবাহী একটি বিমান বিধ্বস্ত
হয়ে ক্রু ও যাত্রীসহ বিমানে থাকা ১৫ জনের সবাই নিহত হয়েছেন। ভেনেজুয়েলা সীমান্তের
কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা সাতেনা নিশ্চিত করেছে।
খবর বিবিসির।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি
জানায়, তাদের একটি বিচক্র্যাফট ১৯০০ মডেলের প্লেন ‘গুরুতর দুর্ঘটনার’ শিকার হয়েছে।
তবে প্রাথমিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য জানানো হয়নি। পরে একটি পাহাড়ি
এলাকায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
সরকারি যাত্রী তালিকা অনুযায়ী, বিমানে কলম্বিয়ার
আইনপ্রণেতা দিয়োজেনেস কুইন্তেরো আমায়া এবং আসন্ন কংগ্রেস নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী
কার্লোস সালসেদোও ছিলেন।
সাতেনা জানায়, বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫
মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় ১৭টা ৫ মিনিট) ভেনেজুয়েলা সীমান্তবর্তী শহর ওকানিয়ায় অবতরণের
কথা থাকলেও তার ১১ মিনিট আগে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
বিমান সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এনএসই ৮৮৪৯ নম্বর ফ্লাইটটি
কুকুতা শহর থেকে উড্ডয়ন করেছিল। কুকুতা শহরটি ওকানিয়া থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার
(৬২ মাইল) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। বিমানে ১৩ জন যাত্রী ও দুইজন ক্রু সদস্য ছিলেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সেমানা-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
নর্তে দে সান্তান্দের প্রদেশের গভর্নর উইলিয়াম ভিয়ামিজার জানান, এখন পর্যন্ত সাতটি
লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
যে এলাকায় বিমানটি নিখোঁজ হয়েছিল, সেখানে কলম্বিয়ার
ইএলএন গেরিলা গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল রয়েছে। ওই এলাকায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার
কার্যক্রমে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সহায়তা করছে। এদিকে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো
পেত্রো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শোক প্রকাশ করে বলেন, এ ঘটনায় তিনি গভীরভাবে শোকাহত।
মন্তব্য করুন


একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি স্মারক ডাকটিকেট, একটি উদ্বোধনী খাম ও একটি সিলমোহর অবমুক্ত করেছেন ।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্তকালে উপস্থিত ছিলেন তথ্য, ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ড. মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস এম সাহাবুদ্দিন ।
এ ছাড়াও একই সময়ে সপ্তম জাতীয় কমডেকা ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকেট, একটি উদ্বোধনী খাম ও একটি সিলমোহর ও অবমুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।
এছাড়া
এ সময় কমডেকা উপদেষ্টা, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক
বিভাগের সিনিয়র সচিব মুহাম্মদ এহছানুল হক, কমডেকা চিফ মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ
অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আপনারা সবাই আমার মা’র
জন্য দোয়া করবেন।
তারেক
রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম
খালেদা জিয়া, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন (ইন্না
লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।’
তিনি
বলেন, ‘অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপসহীন নেত্রী; অনেকের কাছে গণতন্ত্রের মা,
বাংলাদেশের মা। আজ দেশ গভীরভাবে শোকাহত এমন একজন পথপ্রদর্শককে হারিয়ে, যিনি দেশের গণতান্ত্রিক
পথযাত্রায় অনিঃশেষ ভূমিকা রেখেছেন।’
‘আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী
মা, যিনি নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য। আজীবন লড়েছেন স্বৈরাচার,
ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে; নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র
প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘ত্যাগ ও সংগ্রামে ভাস্বর হয়েও, তিনি ছিলেন পরিবারের সত্যিকারের অভিভাবক;
এমন একজন আলোকবর্তিকা যাঁর অপরিসীম ভালোবাসা আমাদের সবচেয়ে কঠিন সময়েও শক্তি ও প্রেরণা
জুগিয়েছে। তিনি বারবার গ্রেফতার হয়েছেন, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সর্বোচ্চ নিপীড়নের
শিকার হয়েছেন। তবুও যন্ত্রণা, একাকিত্ব ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও তিনি অদম্য সাহস,
সহানুভূতি ও দেশপ্রেম সঞ্চার করেছিলেন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে।’
তিনি
বলেন, ‘দেশের জন্য তিনি হারিয়েছেন স্বামী, হারিয়েছেন সন্তান। তাই এই দেশ, এই দেশের
মানুষই ছিল তাঁর পরিবার, তাঁর সত্তা, তাঁর অস্তিত্ব। তিনি রেখে গেছেন জনসেবা, ত্যাগ
ও সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিক্রমায় চিরস্মরণীয়
হয়ে থাকবে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন। তাঁর প্রতি দেশবাসীর
আবেগ, ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।’
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
বাড্ডা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক অফিসে
গুলির ঘটনা ঘটেছে।
আজ
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
এনসিপির
মিডিয়া উপকমিটির প্রধান মাহাবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি
বলেন, বুধবার সকালে ৩৮নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আমাদের একটি সাংগঠনিক অফিসে গুলির ঘটনা ঘটছে।
কে বা কারা করছে জানা যায়নি। অফিসে থাকা ব্যানার, পেস্টুন, আহ্বায়কের ছবিও ভাঙচুর করা
হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করছে।
মন্তব্য করুন


গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র
থেমে নেই বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর
নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি
যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চেনার দিন। তেমনি ২০২৪
সালের ৫ আগস্ট ছিল শত্রু চিহ্নিত করার দিন। বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকলে
আর কেউ দেশের স্বাধীনতাকে বিপন্ন করতে পারবে না। রাজধানী ঢাকার রাজপথে আজ লাখো জনতার
মিছিল। দেশের পক্ষের শক্তিকে ৭ নভেম্বরের অন্তর্নিহিত শিক্ষায় দীক্ষিত করার মিছিল আজ।
লাখো জনতার আজকের এ মিছিল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আহত অসংখ্য ছাত্র-জনতা এবং হাজারো
শহীদের স্বপ্নের একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ী মিছিল।
বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী অপশক্তি জেনে রাখুক, রাজধানীর রাজপথে আজ কারো বিরুদ্ধে প্রতিবাদের
ঝড় তোলার মিছিল নয় বরং বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার মিছিল। নিজের ভোট প্রয়োগের অধিকার
আদায়ের মিছিল। বাংলাদেশে আর কখনো যেন ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচার ফিরে আসতে না পারে, সেজন্য
প্রত্যেক নাগরিকের সরাসরি ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সক্ষমতা অর্জন জরুরি। স্থানীয় সরকার থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নির্বাচিত
হতে ইচ্ছুক জনপ্রতিনিধিদের যতক্ষণ জনগণের ভোটের প্রতি মুখাপেক্ষী না করা যায়, ততক্ষণ
পর্যন্ত জনগণ গণতন্ত্রের সুফল পাবে না। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ মুক্ত করে যতক্ষণ পর্যন্ত
জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে না আনা যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত জনগণ গণতন্ত্রের সুফল পাবে না।
গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশে-বিদেশে, প্রশাসনে তারা চক্রান্ত
চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বখ্যাত প্রাণীবিদ, প্রাইমাটোলজিস্ট, নৃতত্ত্ববিদ ও পরিবেশ আন্দোলনের অগ্রদূত ড. জেন গুডলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
গতকাল বুধবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টা ২০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, এক শোকবার্তায় অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, আমার প্রিয় বন্ধু ড. জেন গুডলের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন এক অক্লান্ত সংগ্রামী। শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, ন্যায়বিচার এবং পৃথিবীর সকল জীবের পারস্পরিক সম্পর্কের পক্ষে তিনি জীবন উৎসর্গ করেছেন। প্রাকৃতিক জগত তার এক মহান সমর্থককে হারালো, যা আমাদের হৃদয় ভারাক্রান্ত করে তুলেছে। আজ আমি তার অর্জন ও অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যা পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তার করবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে জেন গুডলের দীর্ঘ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নব্বইয়ের দশকে তিনি বাংলাদেশ সফরে এসে গ্রামীণ ব্যাংকের নারীদের ক্ষমতায়নের অভিজ্ঞতা দেখেছিলেন এবং পরে আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তার নিজস্ব কাজে সেই নীতিকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। তিনি আমাদের দেশের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে ছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, জেন আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছেন এবং আমাদের কাজকে উচ্চভাবে মূল্যায়ন করেছেন। তিনি তার বহু বক্তব্যে গ্রামীণ কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেছেন, এমনকি সম্প্রতি ২০২৫ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত সোশ্যাল বিজনেস ডে সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যেও এ বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, তার সমর্থন ও প্রেরণার জন্য আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। তিনি শুধু আমাকে নয়, বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। শান্তিতে বিশ্রাম নাও জেন, পৃথিবী তোমাকে গভীরভাবে মিস করবে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিখ্যাত প্রাণীবিজ্ঞানী, গবেষক, প্রকৃতিবিদ এবং পরিবেশ আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত ৯১ বছর বয়সী ড. জেন গুডল গতকাল বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় বাস চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছে বাস মালিক সমিতি। এতে জেলার প্রায় ৪০টি সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নগরীর জাঙ্গালিয়া, শাসনগাছা ও চকবাজার বাস টার্মিনাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এতে কুমিল্লা-ঢাকা, কুমিল্লা-চট্টগ্রাম, কুমিল্লা-সিলেট, কুমিল্লা-চাঁদপুরসহ অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সড়কগুলোতে বাস চলাচল বন্ধ থাকে।
জানা গেছে, জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনাল থেকে কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কে আইদি পরিবহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। পরিবহন নেতাদের দাবি, কুমিল্লা নগরীর তিনটি বাস টার্মিনাল ব্যবহার করে প্রতিদিন কয়েক হাজার বাস ও মিনিবাস চলাচল করে। তবে আইদি পরিবহন যথাযথ রুট পারমিট ছাড়াই টার্মিনাল ব্যবহার করতে চাইছে।
এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় কর্মস্থলগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেককে বিকল্প যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
আইদি পরিবহণের চেয়ারম্যান মীর পারভেজ আলম অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে কুমিল্লা-চাঁদপুর রুটে তাদের বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু শুরু থেকেই কুমিল্লা বাস মালিক গ্রুপের একটি সিন্ডিকেট তাদের চলাচলে বাধা দেয়। এ কারণে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন রুট পারমিট দেয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে বাধ্য হয়ে জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনাল বন্ধ রেখে দুই কিলোমিটার দূরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে বাস সার্ভিস চালু করা হয়। আইনি কোনো বাধা না থাকলেও এখনো কুমিল্লা জেলা প্রশাসন থেকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা বাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আইদি পরিবহণ চাঁদপুর জেলা প্রশাসন থেকে অনুমতি পেলেও কুমিল্লা থেকে রুট পারমিট নেয়নি। এর পরও তারা কুমিল্লার বাস টার্মিনাল ব্যবহার করতে চাচ্ছে।
তিনি জানান, একাধিকবার তাদের বাধা দেওয়া হলেও বিজয় দিবসের দিন হঠাৎ করে কিছু বাস টার্মিনালে আনা হয়। বুধবারও সেখান থেকে বাস চলাচল করেছে। বৃহস্পতিবার আবার বাস আনার চেষ্টা করলে সকাল থেকে নগরীর তিনটি টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞাকে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে দেখে দেশ।
অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ মন্তব্য করেছেন।
উপদেষ্টা
তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে বলেন, 'সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া
দেশের গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রশ্নে এক আপোসহীন ও সর্বজন
শ্রদ্ধেয় নেতৃত্ব। এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে তার
সংগ্রাম, সাহসী ভূমিকা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।' তিনি আরও বলেন,
'দেশ তাঁর নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞাকে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে দেখে। আমরা তাকে হারাতে চাই না।
গণতান্ত্রিক ধারার অভিভাবকসুলভ এই নেত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর
দোয়া কামনা করছি।'
মন্তব্য করুন


পার্বত্য অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের
উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন,
দেশের মোট আয়তনের এক দশমাংশ এলাকায় পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাই পার্বত্য
অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, পার্বত্য জেলাসমূহের নৈসর্গিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ ও পর্যটন শিল্পের প্রসারে
স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে নানামুখী সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে বেকারত্ব
হ্রাস পাবে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জীবনযাত্রার উন্নতি ও সামাজিক বৈষম্য
দূর হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল অধিবাসীর জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির
অভিযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা আবশ্যক। প্রতি বছরের মতো এবারও
‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪’
পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি দেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল
জনগোষ্ঠীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। ১৯৯৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশ সরকার
এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এর মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি একটি
রাজনৈতিক চুক্তি ছিল যা শান্তি চুক্তি নামেও পরিচিত। ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের
মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে
বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস 'পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪’-এর
সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


পর্দার
নায়িকারা সাধারণত নিজেদের গ্ল্যামারাস লুক উপস্থাপন করতেই পছন্দ করেন। তবে চরিত্রের
প্রয়োজনে সেই গ্ল্যামার ঝেড়ে ফেলে যখন তারা রাস্তায় নামেন ‘পাগল’
বা মানসিক ভারসাম্যহীন রূপে, তখন ভক্তদের চমকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। ছোট পর্দার দুই
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি এবং কেয়া পায়েল— দুজনই সম্প্রতি নিজেদের ভেঙেচুরে এমন
এক লুকে হাজির করেছেন, যা নিয়ে নেটপাড়ায় এখন তুমুল চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, পাগল সাজে
অভিনয়ে কে কাকে টেক্কা দিলেন?
আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে এখন কেয়া পায়েল। সদ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে
তাকে দেখা গেছে উষ্কখুষ্ক চুল, গায়ে ময়লা পোশাক আর মুখভর্তি কালচে দাগ। অভিনেতা জোভান
তার পেজে ভিডিওটি শেয়ার করতেই নেটিজেনরা বিভ্রান্ত— ইনি কি আসলেই সেই গ্ল্যামারাস পায়েল?
ভিডিওতে
দেখা যায়, পায়েল জোভানকে শাসিয়ে বলছেন, “এককেরে খাইয়ালামু কিন্তু!” জোভানও মজা করে
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ছেমড়ি পাগল নাকি? আমারে কয় খাইয়া লাইবো!’ জানা গেছে, এটি একটি নাটকের
শুটিংয়ের দৃশ্য। ভক্তরা অবশ্য এই লুকে পায়েলের সাহসিকতার প্রশংসা করতে ভুলেননি। কেউ
লিখেছেন, ‘বাপরে বাপ, কী মারাত্মক অভিনয়!’, আবার কারও মতে, ‘একদম পারফেক্ট মেকআপ।’
অন্যদিকে,
এই ‘পাগল’ সাজের দৌড়ে পিছিয়ে নেই ‘সিলেটি ফুরি’
খ্যাত সামিরা খান মাহিও। কিছুদিন আগেই ‘বকুল ফুল’ নাটকের শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ করে তিনি
হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। জট ধরা চুল, হাতে খাবারের থালা আর শূন্য দৃষ্টি—মাহির
এই লুক দেখে তখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। ভক্তরা লিখেছিলেন, ‘ওরে আল্লাহ একদমই
চেনা যাচ্ছে না, অসাধারণ হবে অভিনয়।’ আবার মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেছেন তিনি।
ট্রল করে কেউ কেউ বলেছিলেন, ‘আপনার আগের চেহারাটা এরকমই ছিল’
বা ‘এরে এমনেই ভালো মানায়।’ তবে মাহি সেসব নেতিবাচক মন্তব্য গায়ে
না মেখে নিজের কাজের মানের দিকেই নজর দিয়েছেন বেশি।
দুই
অভিনেত্রীর এই ‘ট্রান্সফর্মেশন’ বা ভোল পাল্টে ফেলা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে
চলছে অঘোষিত প্রতিযোগিতা। একদিকে মাহির ‘বকুল ফুল’-এর বাস্তবতা, অন্যদিকে পায়েলের ‘খাইয়ালামু’র
তেজ। গ্ল্যামার জগতের বাইরে এসে অভিনয়ের এই দৌড়ে কে এগিয়ে—
মাহি নাকি পায়েল? উত্তরটা নাহয় দর্শকদের হাতেই তোলা থাকল। তবে এটা নিশ্চিত, চরিত্রের
প্রয়োজনে নায়িকাদের এই সাহসিকতা বাংলা নাটকের দর্শকদের জন্য নতুন এক চমক।
মন্তব্য করুন