

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ (নিজস্ব প্রতিবেদক) : ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল এবং ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার ফল আজ রোববার বিকেলে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৬.৫৭ শতাংশ।
ফলাফলে দেখা গেছে, ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৮১,৬৪২ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ পরীক্ষার্থী ৩১,১২৮ জন (৩৮.১৩ শতাংশ) এবং নারী পরীক্ষার্থী ৫০,৫১৪ জন (৬১.৮৭ শতাংশ)।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক রুবীনা ইয়াসমীন জানান, শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dgme.gov.bd
, www.dghs.gov.bd
এবং result.dghs.gov.bd
থেকে ফলাফল পরীক্ষা করতে পারবেন। পরীক্ষার ফল দেখার জন্য প্রার্থীদের ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। ফলাফল ডাউনলোড বা স্ক্রিনশটের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা সম্ভব। এছাড়া, মেধাতালিকাও পিডিএফ আকারে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১,২০,৪৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ২,১৯২ জন। অংশগ্রহণের হার ছিল ৯৮.২১ শতাংশ।
মেধাতালিকা নির্ধারণ পদ্ধতি
মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকা নির্ধারিত হয়।
এসএসসির জিপিএ × ৮ = ৪০ নম্বর
এইচএসসির জিপিএ × ১২ = ৬০ নম্বর
লিখিত পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে এগুলোর যোগফলেই চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরি হবে। ২০২৪ সালের পরীক্ষার্থীদের জন্য মোট নম্বর থেকে ৩ নম্বর কাটা হবে এবং পূর্ব শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজে ভর্তিকৃত প্রার্থীর ক্ষেত্রে ৫ নম্বর কাটা হবে।
আসন সংখ্যা
সরকারি মেডিকেল কলেজে মোট আসন ৫,৬৪৫টি (এমবিবিএস ৫,১০০, বিডিএস ৫৪৫)। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে মোট আসন ৭,৪০৬টি (এমবিবিএস ৬,০০১, বিডিএস ১,৪০৫)। সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট আসন সংখ্যা ১৩,০৫১টি, যার মধ্যে এমবিবিএস ১১,১০১ এবং বিডিএস ১,৯৫০। ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারী এই বছর ছিলেন ১,২২,৬৩২ জন।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ
শনিবার (১৯ জুলাই) রাতে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে জামায়াত আমিরকে দেখতে আসেন প্রেস
সচিব। সাক্ষাতের পর গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা জানান।
প্রেস
সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের খোঁজখবর নিচ্ছেন। এখানে আসার
আগে আমি উনার (প্রধান উপদেষ্টার) হয়ে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে কয়েকবার কথাও বলেছি।
তিনি
বলেন, জামায়াত আমির সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।
প্রেস
সচিব শফিকুল আলম আরও বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশের সব দলের রাজনৈতিক নেতারা সুস্থ থাকুন,
ভালো থাকুন। দেশ গড়ার কাজে সবাই অবদান রাখুন।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের
উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন,
দেশের মোট আয়তনের এক দশমাংশ এলাকায় পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাই পার্বত্য
অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, পার্বত্য জেলাসমূহের নৈসর্গিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ ও পর্যটন শিল্পের প্রসারে
স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে নানামুখী সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে বেকারত্ব
হ্রাস পাবে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জীবনযাত্রার উন্নতি ও সামাজিক বৈষম্য
দূর হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল অধিবাসীর জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির
অভিযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা আবশ্যক। প্রতি বছরের মতো এবারও
‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪’
পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি দেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল
জনগোষ্ঠীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। ১৯৯৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশ সরকার
এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এর মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি একটি
রাজনৈতিক চুক্তি ছিল যা শান্তি চুক্তি নামেও পরিচিত। ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের
মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে
বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস 'পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪’-এর
সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্ত নেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
প্রধান বিচারপতির নেওয়া এ সিদ্ধান্ত বিজ্ঞপ্তি আকারে জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তির ভাষ্যমতে, দেশব্যাপী চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন।
সিদ্ধান্ত অনুসারে, দেশের সব অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত-ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা এবং আইনজীবীরা ক্ষেত্রমত সাদা ফুলশার্ট বা সাদা শাড়ি/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করবেন। এক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার আবশ্যকতা নেই। এ নির্দেশনা আগামী ৮ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
মন্তব্য করুন


চলতি শীত মৌসুমে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন।
এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। আজ সেই রেকর্ড ভেঙে আরও কমেছে তাপমাত্রা।
তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীত বাড়লেও রাজধানী ঢাকায় আজ তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, আগামী তিন থেকে চার দিন তাপমাত্রা কিছুটা ওঠানামা করতে পারে। তবে চলতি মাসের ১০ বা ১১ তারিখের দিকে দেশজুড়ে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে দেশের ১০টি জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব জেলা হলো—রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংজ্ঞা অনুযায়ী, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি হলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রির নিচে নামলে সেটিকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছিল, জানুয়ারি মাসে দেশে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর মধ্যকার ম্যাচটা মাঠে
গড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কট করলে টসই হয়নি। এমনকি ক্রিকেটাররা মাঠেই
যাননি। যার ফলশ্রুতিতে স্টেডিয়ামের ভেতরে থাকা দর্শক ও স্টেডিয়ামের বাহিরে থাকা দর্শক-জনতার
মধ্যে দেখা যায় চরম উত্তেজনা। তবে শুধু উত্তেজনার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকেনি।
একটা
সময় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে কিছু মানুষ। পরে স্টেডিয়ামের
সামনে বিসিবির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। বিপিএলের বিলবোর্ড, ব্যানার ছিড়া
এবং স্টেডিয়ামের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে। পরে সেনাবানিহীর সদস্যরা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে
যার বিপক্ষে ক্রিকেটাররা সোচ্চার, তাকে বোর্ড পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি না দিলেও তার
বিপক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে বিসিবি। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে শোকজ করা
হয়েছে নাজমুল ইসলামকে। পাশাপাশি তাকে বিসিবির অর্থ কমিটি থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
কিন্তু
জানা গেছে এতেও সন্তুষ্ট নয় ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের
দায়িত্বশীল এক কর্তার বরাতে জানা গেছে যে, ক্রিকেটাররা আরও একটি আল্টিমেটাম দিয়েছে।
যদি নাজমুল ইস্যুতে বিপিএল সত্যিই বন্ধ করে দেয়া হয়, তাহলে ক্রিকেটার, কোচ, সাপোর্টিং
স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট সবার পারিশ্রমিক বিসিবিকে দিতে হবে। যার পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা।
মন্তব্য করুন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ
এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সবাই আমরা এক হয়ে ইনশাআল্লাহ, জাতিকে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর
নির্বাচন উপহার দিতে পারব, এ বিশ্বাস আমার আছে। আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) নির্বাচন
কমিশনের (ইসি) অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে এক ভিডিওবার্তায় এ কথা বলেন তিনি।
নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে তথ্য দেওয়া
হবে উল্লেখ সিইসি বলেন, দেশবাসীর সম্মুখে খুব নির্ভরযোগ্যভাবে সহজভাবে সুন্দরভাবে বিস্তারিতভাবে
উপস্থাপনের জন্য আমাদের এই ইউটিউব চ্যানেলে মূলত থাকবে নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচন
সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য। এতে থাকবে ভোটার রেজিস্ট্রেশনের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিষয়।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সময়সূচি, প্রার্থীদের
করণীয় সংক্রান্ত এবং এদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা সম্পর্কিত বক্তব্য। ভোটার হিসেবে
আপনার যে নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে এবং অধিকার রয়েছে সে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ
বিষয় এ ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে আমরা পরিবেশন করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের
মূল ফোকাস থাকবে নারী, যুব সম্প্রদায়, প্রতিবন্ধী, এবং সমাজের পিছে পড়া জনগণকে আমাদের
এই মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা। যেন তাদের আমরা আমাদের এই নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে
সম্পৃক্ত করতে পারি এবং তারা যেন সচেতনভাবে দেশের গণতন্ত্রায়নে অংশ নিতে পারে, সে সুযোগ
আমরা সৃষ্টি করতে চাই।
সিইসি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য,
গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি আস্থা এবং নির্বাচন ব্যবস্থার
স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আমাদের প্রত্যাবলী বিস্তারিতভাবে, সুন্দরভাবে,
গ্রহণযোগ্যভাবে জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে চাই, উন্মোচিত করতে চাই, যেন মানুষের আস্থা
এবং আমাদের যে স্বচ্ছতা, তা আরও সুদৃঢ় হয়। ইদানীং একটি বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে।
সেই চ্যালেঞ্জ হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই)
অপব্যবহার সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ। মিথ্যা ভিডিও, বানোয়াট তথ্য নিয়ে ভিডিও, অপতথ্য
নিয়ে ভিডিও এগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমার আবেদন থাকবে,
যেকোনো তথ্য বিশ্বাস করার আগে আপনারা দয়া করে যাচাই করে নেবেন। যদি শেয়ার করেন, আগে
যাচাই করে নেবেন। আগে যাচাই করে তারপর আপনারা বিশ্বাস স্থাপন করবেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির
উদ্দিন বলেন, আমি আশা করব আপনারা আমাদের এই ভিডিওটা নিয়মিত দেখবেন। সাবস্ক্রাইব করুন।
নিয়মিত একটু দেখবেন এবং নিজের সঠিক তথ্য সম্পর্কে অবহিত হবেন এবং অন্যদের সঙ্গে এটি
শেয়ার করবেন। আসুন আমরা সবাই মিলে এই অপতথ্য মোকাবিলা একসঙ্গে শুরু করি। এই অপতথ্যের
বিরুদ্ধে একটা লড়াই শুরু করি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানোর যে প্রয়াস, এর
বিরুদ্ধে আমরা ইলেকশন কমিশনের পক্ষ থেকে আপনাদের আহ্বান জানাই, মিলে মিশে এর মোকাবিলা
করি এবং সঠিক তথ্য জাতির সামনে উপস্থাপনে আমরা সবাই মিলে সহযোগিতা, সহায়তা করি এবং
সঠিক তথ্য এবং প্রতিটি কণ্ঠস্বর, প্রতিটি ভোট যে গুরুত্বপূর্ণ, বিষয়টা আমরা প্রতিষ্ঠিত
করতে চাই।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত চার বিচারপতি আজ শপথগ্রহণ করেছেন।
শপথগ্রহণ করা আপিল বিভাগের চার বিচারপতি হলেন, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ আপিল বিভাগের চার নবনিযুক্ত বিচারককে শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।
শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং অন্যান্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
চার বিচারপতি নিয়োগ কার্যকরের মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ জনে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চার বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চারজন বিচারককে তাদের শপথগ্রহণের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। শপথগ্রহণের দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত শনিবার (১০আগস্ট) দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের আগে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ৭। শনিবার রাতে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। পরদিন রোববার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট এই তিন বিচারপতি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। তবে নির্বাচনের পূর্বাভাসে তিনি জান-মালের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) কালবেলার প্রতিবেদকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার সময় তাহেরী বলেন, “লুট হওয়া অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। ফেসবুকে আমার সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব নিয়ে আমি শঙ্কিত। আসন্ন নির্বাচনে জান-মালের নিরাপত্তা নিয়ে আমি ভাবছি।”
নির্বাচন চলাকালীন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত আছে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা ২২ জানুয়ারি শুরু হবে। তখনই বুঝতে পারব নির্বাচনী মাঠ সমান আছে নাকি কোনো দিকে হেলে পড়েছে।”
সম্পদ ও হলফনামা:
তাহেরী বলেন, “আমার জমানো টাকা থেকে যে সুদ আসে, সেটি আমি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করি না। আমার স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, নিজের নামে আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ। এসব স্বর্ণ আমি বিভিন্ন সময়ে উপহার হিসেবে পেয়েছি এবং স্ত্রীর ও মেয়েদের জন্য নিজের নামে ক্রয় করেছি। পরিবারের প্রধান হিসেবে সকল সম্পত্তি নিজের নামের।”
ভোটের উৎসাহ ও প্রত্যাশা:
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী আরও জানান, “সাধারণ মানুষ আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ। আশা করি উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ভোটেই আমি এমপি হিসেবে জয়ী হবো।”
হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত এই প্রার্থী ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। ‘মোমবাতি’ প্রতীকে তিনি নির্বাচন করবেন। বৃহত্তর সুন্নিজোট তাকে সমর্থন দিয়েছে। তাহেরির বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। মাধবপুরে তার শ্বশুরবাড়ি।
মন্তব্য করুন


পবিত্র রমজান মাসে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি জানিয়েছে সরকার।
বুধবার (৫ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, রমজানে দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর সব সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে।
এতে বলা হয়, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
রমজানে
রাজধানীর যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন আসিফ মাহমুদ। বৃহস্পতিবার বিদায়ী ক্যাবিনেট বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করেন।পোস্টে তিনি লিখেছেন, গত ষোলো মাস তাকে নানাভাবে শেখার সুযোগ করে দিয়েছে। নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন তিনি। বাধা, হুমকি কিংবা চাপ—সবকিছু উপেক্ষা করে কাজে অবিচল থাকার কথাও উল্লেখ করেন।তিনি আরও জানান, আল্লাহর রহমত ও মানুষের সমর্থনে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনায় অটল থাকার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন উদ্যোগ, কাজ এবং সিদ্ধান্তে প্রশংসা যেমন এসেছে, সমালোচনাও ছিল। তবে মানুষের চোখে যে চূড়ান্ত ফলাফল দেখা যায়, তার পেছনের পরিশ্রম ছিল অনেক বেশি কঠিন—এ কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তার ভাষায়, গণ-অভ্যুত্থানের পর নীতিতে স্থির থাকার কারণে বহু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর বিরূপতার মুখে পড়তে হয়েছে, ভবিষ্যতেও এর মুখোমুখি হতে হতে পারে। তবুও মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন ও আস্থা তাকে শক্তি জোগায়, আর সেই কারণেই এসব ভয় তাকে আর দমাতে পারে না।
মন্তব্য করুন