

মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় আরমান
খান নামের এক স্কুলছাত্র ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
রোববার (১২ মে) সন্ধ্যায় নড়াইলের
কালিয়া উপজেলার কালিয়া পৌরসভার গোবিন্দনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আরমান খান গোবিনগর
গ্রামের হান্নান খানের ছেলে।
নিহত আরমান খান (১৬) কালিয়া সরকারি
পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, আরমান এর
আগেও একবার মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় বিষ পান করেছিলেন। সে সময় তার বাবা তাকে একটি
মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছিলেন। সেই মোটরসাইকেলটি পুরাতন হাওয়াই আবারও একটি মোটরসাইকেল
কিনে দিতে পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন আরমান। কিন্তু তার দাবি পরিবার মেনে না
নেওয়ায় কয়েক দিন ধরে বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। পরে আজ সন্ধ্যায়
নিজ ঘরে সাউন্ডবক্স চালিয়ে নিজের বেল্ট দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা
করেন আরমান।
কালিয়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কমিশনার
প্রদীপ কুমার বর্মন বলেন, আরমান সবসময় ফিটফাট থাকতো। সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক
ও টিকটকে ভিডিও তৈরি করে আপলোড করতো। অনেকেই তাকে টিকটকার আরমান নামে চিনতো। তার পিতা
হান্নান খান পেশায় একজন অটোচালক। তার পক্ষে সব আবদার সবসময় মেনে নেওয়া আসলেই সম্ভব
ছিল না।
কালিয়া থানার এসআই টিপু সুলতান বলেন,
মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর
মামলার প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে
তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা :
কুমিল্লার বরুড়া ও মুরাদনগর উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুই কিশোর ও দুই কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
আজ সোমবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে বরুড়া উপজেলার পয়ালগচ্ছ গ্রামে ঘুড়ি উড়ানোর সময় বজ্রপাতের শিকার হয়ে মারা যায় দুই কিশোর। নিহতরা হলেন- পয়ালগচ্ছ গ্রামের মৃত খোকন মিয়ার ছেলে ফাহাদ হোসেন (১৩) এবং আব্দুল বারেক মিয়ার নাতি সায়মন হোসেন (১৩)। তারা উভয়েই বড় হরিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
একই দিন দুপুরে মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন কোরবানপুর পূর্বপাড়া এলাকায় ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারান দুই কৃষক। নিহতরা হলেন- কোরবানপুর পশ্চিম পাড়ার মৃত বীর চরন দেবনাথের ছেলে নিখিল দেবনাথ (৫৫) এবং আন্দিকোট ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে জুয়েল ভূঁইয়া (৩২)।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম জানান, কোরবানপুর পূর্বপাড়া কবরস্থানের পাশের মাঠে কৃষকরা ধান কাটছিলেন। হঠাৎ শুরু হওয়া বৃষ্টির মধ্যে আকস্মিক বজ্রপাতে নিখিল দেবনাথ ও জুয়েল ভূঁইয়া নিহত হন।
বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারে পাহাড় ধসে একদিনে পৃথক ঘটনায়
চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই নারী
ও দুই শিশু রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে
শহরের কলাতলী সৈকতপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে একই পরিবারের ৮ জন মাঠি চাপা পড়ে। এ ঘটনায়
বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মিম নামের এক শিশুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার
করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাঈদ আনোয়ার বলেন,
গাছ এবং পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৮ জন মাটির নিচে চাপা পড়ে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস
এবং স্থানীয়রা মিলে ওই পরিবারের ৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মিম নামের এক শিশুকে
বাঁচানো যায়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সদরের ঝিলংজায়
লায়লা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ পাহাড় ধসে নিহত হন। তিনি দক্ষিণ মহুরিপাড়া এলাকার বজল
আহমদের স্ত্রী। এ ঘটনায় তাদের ২ বছরের শিশু মোহাম্মদ জুনায়েদ গুরুতর আহত হয়ে কক্সবাজার
সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টার দিকে
পাহাড় ধসের পৃথক ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়। শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পল্যান কাটা এলাকায়
বসতঘরে পাহাড় ধসে স্থানীয় মোহাম্মদ করিমের স্ত্রী জমিলা বেগম (৩০) নিহত হয়েছেন। এছাড়া
শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের সিকদার বাজার এলাকায় মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয় সাইফুলের
ছেলে মো: হাসানের (১০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রকিবুজ্জামান বলেন, কক্সবাজারে পৃথক পাহাড় ধসের
ঘটনায় দুই নারী ও দুই শিশু নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী
আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই)
সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ৩৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আগামী দুদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে অস্থায়ীভাবে
দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান
তিনি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) মধ্যরাত থেকে
কক্সবাজারে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাকখালী ও মাতামুহুরি নদীসহ বিভিন্ন ছোট বড় নদ-নদীর
পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার সদর, রামু, চকরিয়া, উখিয়া, টেকনাফ
এবং কক্সবাজার পৌরসভার অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে পর্যটন
শহরের কলাতলী সড়কসহ অসংখ্য ছোট-বড় সড়ক, বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৪ থেকে ৫ ফুট
উচ্চতায় পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা, হোটেল-মোটেল জোনে
বৃষ্টির পানির কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কলাতলী সড়ক, বাজারঘাটা, বাস টার্মিনাল,
উপজেলা বাজার ও লিংকরোড় এলাকায় সড়কে বন্যার পানি জমে যায়।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলীতে দুই ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পূর্ববিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে নিহতের পরিবার।
আজ শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত দু’জন হলেন— উথলী গ্রামের মাঝেরপাড়ার মৃত খোদা বক্স মণ্ডলের দুই ছেলে আনোয়ার (৫৫) ও হামজা (৪৫) ।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এরপর সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে নিজেদের কৃষিকাজের উদ্দেশ্যে ব্রিজ মাঠে যান মিন্টা ও হামজা। সে সময় আগে থেকেই ওতপেতে থাকা ৫ থেকে ৭ জন দুর্বৃত্ত দেশিয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় দুর্বৃত্তরা ওই দুই ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।
আরও জানা যায়, এ হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যান হামজা। এ সময় স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় মিন্টাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সদর হাসপাতালে তারও মৃত্যু হয়।
নিহতদের আরেক ভাই তোতা মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘গত এপ্রিল মাসে নিজামুদ্দিন খোকা নামের এক ব্যক্তি আমাদের একটি গরু মুখে বায়না করে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা না দেয়ায় আমরা গরুটি বিক্রি করে দেই। এরপর থেকেই খোকা ও তার লোকজন আমাদের হুমকি দিতে থাকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার সেই বিরোধের জেরেই ওরা আমার দুই ভাইকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মেরে ফেললো। আমরা আগেই পুলিশের কাছে জানিয়েছিলাম, কিন্তু কিছু হয়নি। আজ আমার ভাইরা আর বেঁচে নেই।’
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন বলেন, ‘রক্তাক্ত ও শঙ্কাজনক অবস্থায় আনোয়ার হোসেন মিন্টা জরুরি বিভাগে আসে। এরপর চিকিৎসা দিয়ে তাকে ভর্তি করানো হয়। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।’
তিনি বলেন, ‘এছাড়া মো. হামজাকে জরুরি বিভাগে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। হাসপাতালে নেয়ার পূর্বেই তার মৃত্যু হয়েছে। হামজার সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে।’
চুয়াডাঙ্গা সহকারি পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। হামলাকারীরা ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।’
এদিকে দুই ভাইয়ের নির্মম হত্যাকাণ্ডে উথলী গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীর তানোরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে
আহত গানিউল হক (৫০) নামের এক কর্মী মারা গেছেন।
আজ বুধবার (১২ মার্চ) রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতালে (রামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
গানিউল পাঁচন্দর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি
মমিনুল হক মমিনের ছোট ভাই। আহতরা হলেন-
পাঁচন্দর ইউপির বিএনপির বর্তমান সভাপতি প্রভাষক মজিবুর রহমান,
মমিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম মুর্তজা ও লুৎফর রহমান।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার কৃষ্ণপুর আদর্শ মহিলা কলেজের মাঠে
পাঁচন্দর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইফতার মাহফিলের প্রধান
অতিথি হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মেজর জেনারেল (অব) শরিফ
উদ্দিন উপস্থিত হন। প্রধান অতিথিকে বরণ করাকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণপুর মোড়ে মজিবুরের
সঙ্গে মমিনের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মুজিবুর ও মোমিনের
সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের পাচঁজন আহত হয়। এদের মধ্যে
গানিউলকে আশংকাজনক অবস্থায় রামেক হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে তানোর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক
আখেরুজ্জামান হান্নান বলেন, প্রধান অতিথিকে কৃষ্ণপুর মোড় থেকে বরণ করে ইফতারের মঞ্চে নিয়ে আসাকে কেন্দ্র
করে মজিবুর ও মমিনের লোকজনদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ বিষয়ে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) আফজাল হোসেন বলেন, পাঁচন্দর ইউনিয়ন বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
মন্তব্য করুন


সনাতন
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব পালিত
হয়।
গত
বুধবার (১৫ নভেম্বর) কুমিল্লা মহানগরীর কালিয়াজুরীতে বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা
ইউনিট এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর একমাত্র মেয়ে অর্পিতা
সরকার তার একমাত্র ছোট ভাই অরন্য সরকার প্রিন্স এর কপালে চন্দন দিয়ে ফোঁটা এঁকে ছড়া
কেটে বলেন "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে
ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।" এভাবেই
ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন বোন।
এ
বিষয়ে রিতা রাণী মজুমদার বলেন, শুভ দিনের পরম পবিত্র লগ্নে ভাই-বোনের মধুর সম্পর্কের
পুনঃ নবীকরণ করে নেওয়া হয় প্রতি বছর। শৈশবের হারিয়ে যাওয়া মধুর এই দিনটিতে বড় বেশি
করে মনে পড়ে যায়। ভাই-বোনের স্নেহ ভালোবাসার সম্পর্কের প্রকাশ ভাইফোঁটা আচার অনুষ্ঠানটি
মন কেড়ে নেয়। একটি অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে চিরন্তন আবেগ অনুভূতিই জীবন্ত হয়ে ওঠে। কার্তিক
মাসের শুক্লপক্ষে দ্বিতীয় তিথিতে বোন তার ভাইকে পরম যত্ন সহকারে একটি সুন্দর আসনে বসিয়ে
হেমন্তের শিশির ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে হাতের তিন আঙ্গুলের সাহায্যে বোন তাঁর ভাইয়ের
কপাল ধুয়ে দেয়। এরপর বোন তার কনিষ্ঠা আঙ্গুল দিয়ে একইভাবে চন্দন তিলক এঁকে দিয়ে ছড়া
কেটে বলে "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে
ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।"
মন্তব্য করুন


অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির এলআইসি ইউনিটের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুরের সিআইডি।
গতকাল বুধবার (৮ অক্টোবর) সিআইডির একটি বিশেষ টিম গাজীপুর বাসন থানার তালতলা রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান।
আটককৃত হলেন- জয়নাল (৪৩)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গত ২ অক্টোবর গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রম এলাকায় ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
সিআইডি জানান, ধীরাশ্রম এলাকায় ডাকাতির ঘটনার পরপরই তারা ছায়া তদন্ত শুরু করে। দ্রুত তৎপরতায় ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে রহস্য উদঘাটনপূর্বক সিআইডির গাজীপুর জেলা ও মেট্রো টিম এলআইসির সহযোগিতায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪ অক্টোবর ঢাকার সবুজবাগ থানার নন্দীপাড়া এলাকা থেকে ডাকাত দলের সর্দার মনিরকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ডাকাতির সময় লুণ্ঠিত মোবাইল ফোন, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ছয়টি ককটেল, ১১টি টর্চলাইট ও একটি কাটার উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, ডাকাতরা ওই রাতে ধীরাশ্রম এলাকার অধিবাসী মো. আব্দুল সোবহান ও তার পরিবারের বসতবাড়িতে ঢুকে ধারালো রামদা, চাপাতি, কিরিচ, ছোরা, লোহার রড ও বড় আকারের কাটারসহ দেশীয় অস্ত্রসজ্জিত অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের হাত, পা এবং চোখ-মুখ বেঁধে রাখে এবং প্রায় ৩০ মিনিট ধরে লুটপাট চালায়।
এসময় তারা স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোনসহ আনুমানিক ২২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা মূল্যের মালামাল লুট করে এবং পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও ভাড়াটিয়াকে শারীরিকভাবে আঘাত করে।
এই ঘটনায় গাজীপুর সদর থানায় নিয়মিত মামলা হয়। বর্তমানে ঘটনাটির তদন্ত কার্যক্রম সিআইডির গাজীপুর মেট্রো এবং জেলা ইউনিট পরিচালনা করছে।
মন্তব্য করুন


এ
মেলাটি মাছের জন্য বিখ্যাত।
বগুড়ার
গাবতলী উপজেলার পোড়াদহ মেলায় গড়ে উঠেছে অস্থায়ী পাইকারি মাছের আড়ত। প্রতি বছরের মতো
মেলা শুরুর একদিন আগে বসানো এসব আড়তে এরই মধ্যে বিকিকিনি হয়েছে ৫-৬ কোটি টাকার মাছ।
মেলায় প্রায় ১০ কোটি টাকার মাছ বিক্রি হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
মেলা
প্রাঙ্গণের পূর্ব প্রান্তে রাস্তা ঘেঁষে ১২টির মতো বড় আড়ত বসেছে। রাত সাড়ে ৩টা থেকে
মেলায় আসা বিভিন্ন এলাকার খুচরা ব্যবসায়ী এসব আড়ত থেকে মাছ কিনতে শুরু করেন। এরপর তারা
মেলায় বসানো দোকানে সেসব মাছ তোলেন। আর সেই মাছ কিনে নেন সাধারণ জনগণ।
১৪
ফেব্রুয়ারি দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত এসব আড়তে পাইকারি দর হিসেবে বিভিন্ন প্রজাতির মাঝারি
ও বড় আকারের প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি টাকার মাছ বেচাকেনা হয়েছে। আড়তদারদের দাবি, মেলায়
এবার প্রায় ১০ কোটি টাকা মাছ বিক্রি হবে।
এদিকে
এ বছর মেলায় সবচেয়ে বেশি মাছ আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।
মাছগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্ল্যাক কার্প, গাঙচিল, চিতল, বোয়াল, রুই, কাতলা, মৃগেল, হাঙড়ি, গ্রাস কার্প, সিলভার কার্প, বিগহেড, কালিবাউশ, পাঙ্গাস মাছ অন্যতম।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
মুখে আধা পাকা দাড়ি ও চুলের ধরনও প্রায় একই। মৃদু হাসিতে অপলক দৃষ্টিতে তাকানো ৬৫ উর্ধ্ব ব্যক্তিটির নাম খোকন চন্দ্র ঘোষ। খালি পায়ে বসে কাঁদের ভার মাটিতে রেখে বাঁশের তৈরি চরকী হাতে বিশেষ এক ধরনের নাড়ানি পরনে ঢিলেঢালা একটি শার্ট ও মাজায় গামছা পেচাঁনো লুঙ্গি পরিধান করে ডেসকিতে করে (মাঠা বহনের জন্য বিশেষ পাত্র) বিভিন্ন স্থানে গাওয়াল করে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিক্রি করছেন টক-মিষ্টি মাঠা। বলছিলাম, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার গ্রামের ঘোষ বাড়ির মৃত. স্ত্রী শীতল ঘোষের ছেলে খোকন চন্দ্র ঘোষের কথা। ছয় ভাই বোনের মধ্যে অভাবের তাড়নায় বেশি লেখাপড়া করতে পারেননি খোকন চন্দ্র।
খোকন ১৬ কিংবা ১৭ বছর বয়স থেকে বাবার কাছ থেকে শেখা মাঠা; আবার কখনো জিলাপি বিক্রি করেন সে। প্রতিদিন মাঠা বিক্রির জন্য সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে বের হয়ে কখনো ফিরেন দুপুর ১টায় আগে আবার কখনো ফিরতে ফিরতে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়। গরুর দুধ দিয়ে তৈরি হয় দই আর বিশেষ প্রক্রিয়ায় দই থেকে তৈরি হয় মাঠা।
শিশু থেকে আরম্ভ করে সব বয়সী মানুষের প্রিয় পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাদ্য হজমে সহায়তা করা এই মাঠা বিক্রিও হয় বেশ। প্রতিদিন ৬০০ টাকা বিক্রি করতে পারলে ৪০০ টাকা আয় হয় খোকনের। কখনো কখনো তার বেশিও আয় হয় তবে তার বিক্রির উপর নির্ভর করে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হয় বলে জানান তিনি।
তবে বৃষ্টি বাদল হলেই আর বিক্রি হয় না মাঠা। গ্লাসের উচ্চতা বেঁধে পরিপূর্ণ এক গ্লাস মাঠা বিক্রি হয় ১০ থেকে ২০ টাকা করে। বেশি বিক্রি হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার এবং জনসভায়। কেউ কেউ আবার পরিবারের জন্য বোতলে করে কিনে নিয়ে যান এই সুস্বাদু পানীয় খাবার।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি খোকন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন, আগের মত শরীরটা আর দেয় না, যেদিন অসুস্থ থাকি সেদিন আর গাওয়াল করতে বের হতে পারি না। তিন সন্তানের জনক এই খোকন বলেন, এই পেশায় নতুন প্রজন্মের কেউ আসতে চায় না। এই ক্ষুদ্র পেশার সাথে জড়িত আমরা কোনরকম খেয়ে পড়ে বেঁচে আছি। এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর দাবি, সরকারি কোন আর্থিক সহযোগিতা পান না তিনি। সরকারের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, আমাদের মত খেটে খাওয়া মানুষ গুলোর দিকে সরকার দৃষ্টি দিলে আর্থিকভাবে ভালো থাকতে পারবেন বলে অভিমত তার।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবীদ্বারে ব্যবসায়ী মুসা আলী হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত ০২ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ তারিখ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন নাজিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম মোঃ মুসা আলী (৪০) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিকটিমের শ্বশুর বাড়ী কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন তুলাগাও এলাকায় হওয়ায় সে প্রায়ই উক্ত এলাকায় আসা-যাওয়া করতো। এরই সূত্র ধরে আসামীদের সাথে ভিকটিম মুসা আলী (৪০) এর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ও অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে অপহরণপূর্বক ভিকটিমের স্ত্রীর নিকট ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী দাবীকৃত ১০ লক্ষ টাকার পরিবর্তে বিকাশের মাধ্যমে ৩০,০০০/- টাকা আসামীদেরকে প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামীরা দাবীকৃত অর্থ না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিমের পায়ে, হাতে ও পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত করে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন পশ্চিম বাগুর এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে দেবীদ্বার থানাধীন মেডিনোভা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং চিকিৎসক জানান যে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ভিকটিমের মৃত্যু হয়েছে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী রাজিয়া আক্তার (৩৮) বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা এর একটি আভিযানিক দল গত ০২/০২/২০২৪ ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন বাসস্ট্যান্ড ও কোতয়ালী মডেল থানাধীন বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে হত্যাকারী মোঃ রফিকুল ইসলাম@ লিমন (৩০), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, সাং-রেইসকোর্স, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা এবং সবুজ সরকার (২৭), পিতা-মৃত আব্দুল আজিজ, সাং-বাগুর, থানা-দেবীদ্বার, জেলা-কুমিল্লা’দ্বয়কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী
ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপপরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে আজ
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজারের
পশ্চিমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে গাড়ি চালকদের বিশ্রামাগারের পাশে রাস্তার উপর ঢাকা অভিমুখী হানিফ-পাহাড়িকা ডিলাক্স
নামক বাস তল্লাশী করে ১৫ কেজি গাঁজাসহ মোসা: কল্পনা আক্তার (৩০) ও কুলসুম আক্তার (২৪)
নামীয় দুইজন আসামিকে আটক করা হয়।
আসামী মোসা: কল্পনা আক্তার ও কুলসুম
আক্তার দুটি কাপড়ের ব্যাগে ৭.৫ কেজি করে মোট ১৫ কেজি গাঁজা নিয়ে কুমিল্লার নিমসার বাজার থেকে হানিফ-পাহাড়িকা ডিলাক্স
নামক বাসে ওঠেন।
আসামিরা জানান যে, সংসার চালানোর জন্য
টাকার বিনিময়ে এটি ঢাকায় পৌঁছে দিবেন।
আটককৃত আসামি মোসা: কল্পনা আক্তার
(৩০) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার বুরবুরিয়া
গ্রামের মো: মাসুদ রানার স্ত্রী। অপর আসামি কুলসুম আক্তার (২৪) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার দুর্গাপুর গ্রামের নুর মোহাম্মদের
স্ত্রী।
আসামীদের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক মো: মুরাদ
হোসেন বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন