

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব)
নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ।
তিনি বর্তমান মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
আগামী ৫ জুন হারুন অর রশিদ দায়িত্বভার
গ্রহণ করবেন।
বুধবার (২৯ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। পৃথক আরেক আদেশে র্যাবের বর্তমান ডিজি খুরশীদ হোসেনকে
অবসরে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার
হারুন অর রশিদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের মোল্লাকান্দি
গ্রামে। বর্তমানে তিনি পুলিশ সদরদপ্তরে অতিরিক্ত আইজিপি (হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট)
পদে কর্মরত। তার আগে তিনি পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন।
হারুন অর রশিদ ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে পরিসংখ্যান বিভাগে এমএসসি সম্পন্ন করেন। ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি
অব লন্ডন থেকে এলএলবি এবং ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
হারুন অর রশিদ ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস
পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি পুলিশের
বিভিন্ন পদে চাকরি করেছেন। পুলিশ সদরদপ্তরে ডিআইজি লজিস্টিক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি হন।
ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি থাকাকালীন
তিনি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের শুদ্ধাচার পুরস্কার পান। হারুন অর রশিদ বাংলাদেশ পুলিশ পদক-বিপিএম
পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
সুবর্ণচরে মাদকের টাকা না পেয়ে নিজের
বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন, বসতঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি
দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করেছে পুলিশ।
আজ
শনিবার (২৫ জুলাই) ভোরে
উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজারসংলগ্ন পাঞ্চায়েত বাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আটক
জাবেদ চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের
বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা সাবেক আহ্বায়ক এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান।
পুলিশ
সুপারের কার্যালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগে জাবেদের মা ছালেয়া খাতুন
(৬৮) দাবি করেন, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং মাদকের টাকা না পেলে তিনি
প্রায়ই তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন
করেন ও বাড়িতে ভাঙচুর
চালান।
অভিযোগে
বলা হয়, গত ২২ জুলাই
রাত ৮টার দিকে জাবেদ মাদকের টাকা দাবি করে মায়ের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করেন
এবং একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এ সময় পরিবারের
সদস্যরা বাধা দিলে তাঁদেরও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত
অভিযোগে ছালেয়া খাতুন আরও বলেন, জাবেদ নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং মাদকের অর্থ জোগাড়ের জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এতে তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পিচ্ছি মাসুদ, সুমন ও দেলোয়ার নামে
কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে জাবেদ তাঁদের বাড়িকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন এবং বাধা দিলে তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে
মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযোগ
অনুযায়ী, গত ২৭ মে
রাতে সংঘবদ্ধভাবে তাঁদের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়, যাতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট
থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিযুক্তরা
আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী
বৃদ্ধা তাঁর লিখিত অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
থানা
হাজতে আটক থাকায় অভিযোগের বিষয়ে আবদুল্লা আল মামুন জাবেদের
বক্তব্য জানা যায়নি।
এ
বিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল হাসান বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করা হয়েছে এবং শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


দুর্নীতি থেকে নিজেদের দূরে রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। সীমান্তে পিঠ প্রদর্শন করবেন না বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের সীমান্ত সম্মেলন কেন্দ্রে বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন উপদেষ্টা। সেখানে এসব নির্দেশনা দেন। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তার বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, দুর্নীতিকে কোনো অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না। যারা ঘুষ ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত,তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে তাদের চাকরিচ্যুত করা হবে। বিজিবিকে আইন অনুযায়ী কাজ করতে হবে। সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধ বিজিবির মূল দায়িত্ব। এ সময় তিনি বিজিবিকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ফেলানীর মতো হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চাই না। সীমান্তে পিঠ প্রদর্শন করবেন না। নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করুন।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও টেলি কনফারেন্সের (ভিটিসি) মাধ্যমে বিজিবির সব রিজিয়ন কমান্ডার, সেক্টর কমান্ডার, ব্যাটালিয়ন কমান্ডারসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিধি আরও বড় হচ্ছে।
নতুন করে ৫ উপদেষ্টা যুক্ত হচ্ছেন। এরমধ্যে চারজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, আলী ইমাম মজুমদার, লে.ক. (অব.) জাহাঙ্গীর আলম ও মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, আগামীকাল শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পাঠ করাবেন।
বঙ্গভবন সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে নতুন উপদেষ্টাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যান্য উপদেষ্টাগণ উপস্থিত থাকবেন।
এর আগে, গত ৮ আগস্ট রাতে নবীন-প্রবীণের সমন্বয় গঠিত হলো দেশের বহুল আলোচিত অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বঙ্গভবনের দরবার হলে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় আরও ১৩ জন উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ গ্রহণ করেন। শপথ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও কূটনীতিকেরা দরবার হলে উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে ১১ ও ১৩ আগস্ট আরও তিন জন উপদেষ্টা শপথ নেন। তারা ঢাকার বাইরে থাকায় পরে শপথ নেন।
অন্তর্বর্তী
সরকারের উপদেষ্টারা হলেন- ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত
হোসেন, ড. আসিফ নজরুল, হাসান আরিফ, তৌহিদ হোসেন, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শারমিন মুরশিদ,
ফারুক-ই-আজম (বীর প্রতীক), আদিলুর রহমান খান, সুপ্রদীপ চাকমা, ফরিদা আখতার, বিধান রঞ্জন
রায়, আ ফ ম খালিদ হাসান, নুরজাহান বেগম, মো. নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গার
দর্শনায় ‘জয় বাংলা’ লেখা একটি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে
পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টার দিকে দর্শনা থানার কুড়ালগাছি বিলসংলগ্ন মৎস্য অফিসের
পাশ থেকে বস্তুটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে কুড়ালগাছি গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি স্থানীয় রায়সা
বিলে গোসল করতে গিয়ে মৎস্য অফিসের পাশে একটি বোমাসদৃশ বস্তু পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা
বিষয়টি দর্শনা থানা পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুটি
উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
দর্শনা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,
বোমাসদৃশ বস্তুটি উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া চলছে। বস্তুটির গায়ে ‘জয় বাংলা’
লেখা স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তিনি
আরও জানান, বস্তুটি প্রকৃতপক্ষে বিস্ফোরক কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া
যাবে।
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড.
আসিফ নজরুল জানিয়েছেন তিনি বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের শোষণ, পাসপোর্ট ও এনআইডি প্রাপ্তি
এবং ব্যাংকে টাকা স্থানান্তর ও টাকা তোলার ক্ষেত্রে ভোগান্তি নিরসনে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, 'বিদেশে শ্রমিক শোষণ বন্ধের
বিষয়ে আমরা কাজ করছি। কিছুটা অগ্রগতি হোক, তখন জানাবো।'
আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) উপদেষ্টা
তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে একথা বলেন, আমি সরকারী কাজে কাতারে ছিলাম তিনদিন।
আমার হোটেলে যেসব বাংলাদেশী ভাইরা কাজ করেন তাদের থেকে তাদের বঞ্চনার অনেক খবর শুনেছি।
দুতাবাসে আমন্ত্রিত অনেক শ্রমিক ও পেশাজীবী ভাই-বোনের সাথে কথা বলেছি। দূতাবাসের কর্মকর্তাদের
বক্তব্যও শুনেছি। সেখানকার প্রবাসী ভাই-বোনদের মূল অভিযোগ পাসপোর্ট-এনআইডি-পাওয়ার অব
এটর্নি সংক্রান্ত বিষয়ে এবং সেখানে কর্মসংস্থান ও পারিশ্রমিক নিয়ে। এর মধ্যে পাসপোর্টের
বিষয়ে আমি ডিজির সাথে কথা বলেছি। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে
পাসপোর্ট সরবরাহ শুরু হবে।
পাসপোর্ট আর এনআইডি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
বিষয় উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, তবে সেখানে আমি যোগাযোগ অব্যাহত রাখবো। কালকে আমি
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে পাসপোর্ট ফি কমানো বা কমহারে সবার জন্য একরকম করার কথা বলেছি।
এটা নিয়ে আমার যোগোযোগ অব্যাহত থাকবে।
তিনি আটো বলেন, এছাড়া পাসপোর্ট আর এনআইডি
সহজীকরণের বিষয়ে কি কি করা যায় তা আইন মন্ত্রনালয়ের থেকে খতিয়ে দেখবো।
আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, 'আপনারা ভালো
থাকবেন। পবিত্র জুম্মার দিনে আমাদের শহীদ ভাই চট্টগ্রামের আইনজীবী সাইফুল ইসলামের মাগফেরাত
এবং আমাদের সকলের হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন।'
মন্তব্য করুন


শহুরে
ব্যস্ত জীবনে এখন সম্পর্কের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে কর্মক্ষেত্র। সকালের তাড়াহুড়া, একসঙ্গে
ডেডলাইন সামলানো, সাফল্যের মুহূর্ত ভাগ করে নেয়া, খারাপ দিনে পাশে থাকা, দুপুরের ছোট্ট
কফি বিরতি কিংবা দিনের শেষে ক্লান্ত মুখে ‘আজ অনেক চাপ গেল’,
এভাবেই অজান্তে কাছাকাছি চলে আসেন অনেক সহকর্মী।
একই
অফিসে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে কাটাতে কখন যে পেশাদার কথাবার্তার ভেতর একটু
আলাদা যত্ন, অপেক্ষা কিংবা ভালো লাগা জন্ম নেয়, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না শুরুতে। এসব
থেকেই অনেক সময় তৈরি হয় নির্ভরতা এবং প্রেম। এখন কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক বা ‘ওয়ার্কপ্লেস
রোমান্স’ আগের চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ হয়ে উঠছে।
তবে
অফিসের সম্পর্ক শুধু সিনেমার মতো রোমান্টিক গল্প নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পেশাদারিত্ব,
ব্যক্তিগত সীমারেখা, সহকর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং কর্মপরিবেশের ভারসাম্যও।
সাম্প্রতিক
‘ওয়ার্কপ্লেস রোমান্স স্ট্যাটিস্টিকস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন বলছে, ৬০ শতাংশেরও
বেশি কর্মজীবী মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
এর মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ সম্পর্ক পরিণয়ে গড়িয়েছে। অর্থাৎ, অফিসে শুরু হওয়া সম্পর্কের
অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ
করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, এর বড় কারণ হলো সময়ের পরিবর্তন। এখন মানুষের জীবনের বড় একটা অংশ কাটে কর্মস্থলে।
সকালে বের হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিসেই সময় যায়। ফলে বাইরের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে।
নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও আগের মতো নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই সহকর্মীদের
মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কাছাকাছি আসার সুযোগ।
ফোর্বসের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ‘স্বাচ্ছন্দ্যবোধ’।
প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করতে করতে একটা বিশ্বাস
ও মানসিক নিরাপত্তা তৈরি হয়। এছাড়া ৬১ শতাংশ জানিয়েছেন, কাজের বাইরে নতুন মানুষের সঙ্গে
পরিচিত হওয়ার সময় না থাকাও একটি বড় কারণ। তবে অফিসের সম্পর্ক সবসময় সহজ বা সুন্দর অভিজ্ঞতা
হয় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা ধরনের জটিলতাও।
সমীক্ষায়
দেখা গেছে, প্রায় ৫৭ শতাংশ কর্মী মনে করেন, অফিসের সম্পর্ক তাদের কাজের পারফরম্যান্সে
প্রভাব ফেলেছে। কেউ কেউ কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়েছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত
টানাপোড়েন কাজের পরিবেশকেও অস্বস্তিকর করে তুলেছে।
এছাড়া
৫২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, সম্পর্কের কারণে সহকর্মীদের আচরণ বদলে গেছে। অফিসে গুজব,
ঈর্ষা বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও বেড়েছে অনেক ক্ষেত্রে। প্রায় অর্ধেক কর্মী বলেছেন,
সহকর্মীদের মধ্যে তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বা কানাঘুষা চলেছে।
আরও
একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, প্রায় ৩৫ শতাংশ কর্মী তাদের সম্পর্কের বিষয়টি অফিস কর্তৃপক্ষকে
জানান না। কারণ হিসেবে তারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অস্বস্তি কিংবা চাকরিগত ঝুঁকির কথা
উল্লেখ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। মানুষ যেখানে বেশি সময় কাটায়,
সেখানেই আবেগ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সম্পর্কের কারণে যেন কর্মপরিবেশ, পেশাদারিত্ব
বা অন্য সহকর্মীদের স্বস্তি নষ্ট না হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ
অফিসের সম্পর্ক শুধু দুজন মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় হয় না, অনেক সময় সেটি পুরো কর্মপরিবেশের
ওপরও প্রভাব ফেলে।
এ
ব্যাপারে সাদমিনা নামের এক তরুণী বলেন, ‘অফিসে একজনকে ভালো লাগে। একসঙ্গে কাজ করতে
করতে কখন যে তার প্রেমে পড়ে গেলাম টেরই পেলাম না। আমরা একসঙ্গে লাঞ্চে যাই, চা খেতে
যাই, কাজের বাইরেও অনেক গল্প হয়। তবে ভালোলাগার কথাগুলো এখনও আদান-প্রদান হয়নি।’
এদিকে
সহকর্মীকে বিয়ে করা শাহরিয়ার নীরব নামের এক যুবক বলেন, ‘আমরা একই অফিসে চাকরি করি।
৫ বছর আগে যখন আমাদের প্রেম হয় তখন আশেপাশের সহকর্মীরা আমাদের দেখে হাসতো, মজা নিতো।
ব্যাপারটা আমরাও বেশ উপভোগ করতাম।’
নীরব
হেসে হেসে আরও বলেন, ‘আমরা যখন প্রেম করতাম তখন অফিসের কাজের চাপ থাকলেও চাপ মনে হতো
না। প্রেয়সীর চোখের দিকে তাকালেই সব ক্লান্তি দূর হয়ে যেত, অফিস ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও
টের পেতাম না।’
সহকর্মীর
সঙ্গে সংসার কেমন কাটছে এমন প্রশ্নের জবাবে নীরব বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। সংসার জীবনের
এত বছরেও প্রেমের প্রথম দিনের মতোই মনে হয় এখনও। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমরা এখনও
সহকর্মী।’
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমেদ আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, আট বছর বয়সী
স্কুলছাত্রী রামিসার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।
তিনি
বলেন, “দ্রুত চার্জশিট দাখিলের মাধ্যমে রামিসা হত্যা মামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দ্রুত
সম্পন্ন হবে বলে আমরা সবাইকে আশ্বস্ত করতে পারি। তবে শাস্তি নিয়ে আমরা কোনো মন্তব্য
করতে পারি না।”
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রামিসা হত্যা মামলার বিষয়ে সাংবাদিকদের
প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী
বলেন, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সব ধরনের জঘন্য অপরাধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব
দিয়ে দ্রুত গ্রেপ্তার ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি
আরও বলেন, “আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এমন কোনো জঘন্য অপরাধের উদাহরণ দেখাতে পারবেন না,
যেখানে বিষয়টি উপেক্ষা করা হয়েছে বা দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়নি।”
রামিসা
হত্যা মামলার প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি
সোহেল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি
আরও বলেন, অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানী
ঢাকায় ৭ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প হলে ফায়ার সার্ভিস নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানিয়েছেন
সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। তিনি বলেছেন,
ঢাকায় যদি ৭ মাত্রা বা তার বেশি ভূমিকম্প আঘাত হানে, তাহলে ফায়ার সার্ভিস নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত
হবে। একই সময়ে অসংখ্য স্থানে উদ্ধার তৎপরতা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
রবিবার
(২ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘অগ্নিনিরাপত্তা
বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
তিনি এ মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশ
ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্যদের জন্য দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের
আয়োজন করে ফায়ার সার্ভিস।
ভূমিকম্প
মোকাবেলায় ফায়ার সার্ভিস দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ১০০টি স্টেশনকে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার
আওতায় এনেছে জানিয়ে তিনি বলেন, বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে এসব স্টেশন থেকে জনবল ও সরঞ্জাম
দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পাঠানো হবে।
এ
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একটি ড্রাই এক্সারসাইজও সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনে হেলিকপ্টারের
মাধ্যমে ছোট আকারের উদ্ধার সরঞ্জাম ও ফায়ার ফাইটার পরিবহনের বিষয়েও কাজ চলছে।
দেশের
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল ও টানেলের মতো নতুন অবকাঠামো ঘিরে বিশেষ ধরনের
ঝুঁকি তৈরি হয়েছে জানিয়ে জাহেদ কামাল বলেন, এসব স্থানে দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস
সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে এরই মধ্যে একটি ফায়ার
স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সহযোগিতায় তাত্ত্বিক ও
ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ
সময় তিনি আরো বলেন, শুধু ফায়ার সার্ভিস নয় দুর্যোগকালে গণমাধ্যমেরও আগাম প্রস্তুতি
থাকা প্রয়োজন। বিভিন্ন টেলিভিশন ও সংবাদমাধ্যম নিজেদের মধ্যে এলাকা ভাগ করে পরিকল্পনা
করলে সরকারের কাছে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য পৌঁছানো সহজ হবে এবং উদ্ধার কার্যক্রমও আরো
কার্যকর হবে।
ফায়ার
সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. শাহজাহান শিকদারের সঞ্চালনায় এ সময় প্রশিক্ষক হিসেবে
ছিলেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার, ঢাকা
বিভাগের উপপরিচালক ছালেহ উদ্দিন, ওয়ারহাউজের ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ারুল ইসলাম, স্টেশন
অফিসার মো. তালহা বিন জসিম, স্টেশন অফিসার মো. আশেক আল মারুফ।
এছাড়া
আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাধারণ সম্পাদক
এম এম বাদশাহ্, প্রশিক্ষণ সম্পাদক শাহরিয়ার জামান দিপসহ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সদর উপজেলার রঘুরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি নোহা মাইক্রোবাস থেকে প্রায় আড়াই
মণ (১০০ কেজি) গাঁজা উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। এ সময়
মাদক পরিবহণের অভিযোগে দুই কারবারিকে আটক এবং গাঁজা বহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ
করা হয়।
আটকরা
হলেন- কুমিল্লা নগরীর দ্বিতীয় মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা মো. অন্তর (২৫) ও নারায়ণগঞ্জের
রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. বাঁধন (২৩)।
আজ
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লার কোম্পানি
কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম।
সাদমান
ইবনে আলম বলেন, বুধবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি বিশেষ আভিযানিক দল
রঘুরামপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহভাজন একটি নোহা মাইক্রোবাসে তল্লাশি
চালিয়ে ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব
জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে নোহা মাইক্রোবাস যোগে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন
অঞ্চলে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহ করে আসছিল।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আজ (শুক্রবার) থেকে ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল করবে।
৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন সম্পর্কে জানা যায়, ঈদুল ফিতরে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (১ ও ৩) চট্টগ্রাম-চাঁদপুর; চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (২ ও ৪) চাঁদপুর-চট্টগ্রাম; ময়মনসিংহ ঈদ স্পেশাল (৫ ও ৬) চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম; দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল (৭ ও ৮) ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে শুক্রবার (৫ এপ্রিল) থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এবং ঈদের পরে ৫ দিন চালানো হবে।
কক্সবাজার ঈদ স্পেশাল (৯ ও ১০) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে ঈদের আগে (৮ ও ৯) এপ্রিল ও ঈদের পরের দিন থেকে ৩ দিন চলাচল করবে।
এছাড়া শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (১১ ও ১২) ভৈরব বাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরব বাজার; শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (১৩ ও ১৪) ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে শুধু ঈদের দিন চলাচল করবে।
ঈদ স্পেশাল (১৫ ও ১৬) জয়দেবপুর-পার্বতীপুর-জয়দেবপুর রুটে ঈদের আগে ৭-৯ এপ্রিল পর্যন্ত ৩ দিন এবং ঈদের পরের দিন থেকে ৩ দিন চলাচল করবে।
কিন্তু ঈদুল ফিতরের দিন সব আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে বিশেষ সিদ্ধান্তে দু-একটি কমিউটার ট্রেন চলাচল করবে। তবে কোন কোন ট্রেন চলবে তা ঈদের দুই দিন আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম কিরণ শিশির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঈদের দিন সব আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে কয়েকটি কমিউটার ও মেইল ট্রেন চলাচল করবে। তবে রেলওয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, মেইল ট্রেনের মধ্যে শুধু ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চট্টগ্রাম মেইল চলাচল করবে।
মন্তব্য করুন