

শেরপুর
জেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর নিখোঁজ সেই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, গ্রেফতার তরুণীর সঙ্গে নিহত তরুণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু একটি সম্পর্ক চলাকালে আরেক সম্পর্কে জড়িয়ে
যান ওই তরুণী। তাই ১ম প্রেমিককে সরিয়ে দিতে ২য় প্রেমিকের সহায়তায় তাকে হত্যা করা হয়। তবে পুলিশ বলছে, এ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।
গতকাল
সোমবার (১১ নভেম্বর) শহরের কাজীবাড়ি পুকুরপাড় এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নতুন করে আরেক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম ।
নিহত সুমন মিয়া (১৭) পৌরসভার কসবা বারাকপাড়া এলাকার কৃষক মো: নজরুল ইসলামের ছেলে। সে শেরপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, অভিযুক্ত তরুণী আন্নী বেগম (১৭), বাবা আজিম উদ্দিন (৪২) ও দ্বিতীয় প্রেমিক রবিন (১৭)।
জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে প্রথমে পরিচয় এবং পরে প্রেমে জড়ায় শেরপুর পৌরসভার কসবা বারাকপাড়া এলাকার কৃষক নজরুল ইসলামের ছেলে সুমন ও শ্রীবরদীর ভেলুয়া ইউনিয়নের কাউনেরচর এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে আন্নী বেগমের। সুমনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে থেকেও সুমনের অপর বন্ধু শেরপুর শহরের সজবরখিলা মহল্লার ফোরকান পুলিশের ছেলে রবিনের সঙ্গে গড়ে ওঠে গভীর প্রেমের সম্পর্ক। রবিন ময়মনসিংহের একটি কলেজের এইচএসসির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। পথের কাটা সুমনকে সরাতে ৪ নভেম্বর বিকেলে সুমনকে বিয়ের কথা বলে রবিনের বাড়িতে ডেকে আনে আন্নী ও রবিন। এরপর তাকে হত্যা করে নিজ উঠানে লাউয়ের মাচার নিচে মাটিতে পুঁতে রাখে সুমনের মরদেহ।
এদিকে রাতে সুমন বাড়ি ফিরে না এলে পরদিন সদর থানায় প্রথমে নিখোঁজ ডায়েরি এবং পরে আন্নী ও তার বাবা-মাসহ কয়েকজনের নামে অপহরণ মামলা দায়ের করে সুমনের বাবা নজরুল ইসলাম। এ ঘটনায় পুলিশ সোমবার রাতে আন্নী বেগম ও তার বাবাকে গ্রেফতার করে। পরে আন্নীর স্বীকারোক্তিতে তার অপর প্রেমিক রবিনকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রবিনের স্বীকারোক্তিতে তার বাড়ির আঙিনায় মাটিচাপা দেওয়া সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রথমে মামলা নিয়ে কলেজ শিক্ষার্থী আন্নী ও তার বাবাকে গ্রেফতার করেছি। পরে আন্নীর দেওয়া তথ্যমতে রবিনকে গ্রেফতার করা হয়। রবিনের স্বীকারোক্তিতে তার বাড়ি থেকে মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এর সঙ্গে আর কারা জড়িত তদন্ত করে বের করা হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয় মাঠে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সৌরভের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ও কচুয়ার সাংসদ ড. সেলিম মাহমুদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আইয়ুব আলী পাটওয়ারী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ, ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মবিনসহ আরো অনেকে।
এসময় পৌর মেয়র নাজমুল আলম স্বপন,পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আব্দুল খালেক দেওয়ান, ওসি মো. মিজানুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পরে শিক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল কাশেম ভূঁইয়া।
মন্তব্য করুন


নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে মাসব্যাপি উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাঃ নাসরীন আক্তার। জাতীয় সড়ক দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার (২২অক্টোবর) দুপুরে নিরাপদ সড়ক চাই দাউদকান্দি উপজেলা শাখার উদ্যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গৌরীপুর বাসষ্ট্যান্ডে সমাবেশে একথা বলেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জনসচেতনতার অভাবে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা ঘটছে। সরকারী অর্থে নির্মিত ফুটওভার ব্রীজে কেউ উঠতে চায়না, রাস্তা পারাপার হতে গিয়ে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনা বাড়ছে। আমরা নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে ভালোবাসতে হবে, বুজতে হবে। আমরা ঘর থেকে বের হলেই অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হয়, আবার ঘরে ফিরতে পারবে কি না? সড়কে দুর্ঘটনার কযেকটি কারনের মধ্যে ফিটনেসবিহীন যান, ফুটপাত দখল, মহাসড়কে নিষিদ্ধ তিনচাকার যান অবাধে চলা, অদক্ষ ও লাইসেন্স বিহীন চালক। সড়ককে নিরাপদ রাখতে নভেম্বরে মাসব্যাপি অভিযান পরিচালনা করা হবে।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সভাপতি “লিটন সরকার” বাদলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক“ আলমগীর হোসেনের ” অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় “মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি” এই প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম, দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাশেদ খান চৌধুরী, দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুনায়েত চৌধুরী, গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলম, দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার মো. সালাউদ্দিন, গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আয়েশা আক্তার।
মন্তব্য করুন


রবিবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে খুলনার রূপসা নদীতে রেল সেতুর পিলারে ধাক্কা লেগে সারবোঝাই একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। মোংলা বন্দর থেকে সার বোঝাই কার্গোটি নওয়াপাড়া যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে জাহাজের দুইজন কর্মচারি নিখোঁজ রয়েছেন।
রূপসা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. নুরুল ইসলাম শেখ জানান, সার বোঝাই এম ভি থ্রি লাইট-১ কার্গোটি রূপসা নদীর উপর নির্মিত রেলসেতু পিলারেড় সঙ্গে ধাক্কায় ডুবে যায়।
তিনি আরো জানান, কার্গোতে থাকা ১৩ নাবিকের মধ্যে ১১ জন সাঁতরিয়ে কূলে উঠতে সক্ষম হয়। বাকি দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি ও প্রত্নতত্ত্ব
বিভাগের যৌথ উদ্যোগে প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৬ মে) সকাল ১০ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সম্মেলন শুরু হয়। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের হল রুমে দুই দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান চলবে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য
অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর
ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। আরও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব
উদ্দিন এবং বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরমা জাকারিয়া চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম।
সম্মেলনে উপস্থিত গুণী ও পণ্ডিত ব্যক্তিদের স্বাগত জানিয়ে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কেবল শিক্ষাদানের
জায়গা নয়। এখানে দুটি কাজ হয়, একটি জ্ঞান সৃষ্টি, আরেকটি জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া। আজকের
আয়োজন জ্ঞান সৃষ্টি ও ছড়িয়ে দেওয়া। এর মাধ্যমে উপকৃত হবে আমাদের ছাত্র ও উপস্থিত সকলেই।
তিনি আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব কেবলমাত্র অতীতের উপাত্ত সংগ্রহের একটি
পন্থা নয়, বরং এটি আমাদের সভ্যতার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং সামাজিক বিকাশের এক অমূল্য
দৃষ্টান্ত। আমাদের দেশের সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে চিহ্নিত করা এবং তা বিশ্বমঞ্চে
তুলে ধরা আমাদের সকলের একান্ত দায়িত্ব।
ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, পুরনোকে নতুনভাবে উপস্থাপন
না করে, পুরনোকে পুরনোভাবে রেখে ইতিহাসকে খোঁজা, সহযাত্রী হওয়া, শিক্ষা নেওয়া, উপস্থাপন
করা, লালন করা এবং আত্মস্থ করা প্রত্নতত্ত্বের জ্ঞান। আমরা ছাত্রজীবনে এই পাঠগুলো পাইনি,
যার ফলে একটা বড় গোষ্ঠী এগুলো নিয়ে সচেতন নয়। আমরা জাতি হিসাবে পিছিয়ে আছি, কেননা আমাদের
এই জিনিসগুলো নিয়ে আমরা সচেতন নই।
তিনি আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের এক যুগ পূর্তিতে এই আয়োজন আন্তর্জাতিক
মানসম্পন্ন জ্ঞান বিনিময় প্লাটফর্ম তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে শুধু
গবেষণার গুণগত মানই বৃদ্ধি পাবে না, বরং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে দেশি এবং বিদেশি
গবেষকদের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি করবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম বলেন, আমার কাছে মনে হয়,
ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে কষ্টিপাথরে যাচাই করা জ্ঞান সৃষ্টি করে প্রত্নতত্ত্ব। আমরা
যদি ইতিহাসকে বিভিন্ন লেয়ারে ভাগ করি, প্রাচীণ, মধ্য, আধুনিক, তাহলে ফাউন্ডেশন লেয়ারে
আমরা প্রত্নতত্ত্বকে পাবো।
তিনি আরও বলেন,বাংলাদেশে ময়নামতি সংক্রান্ত বিষয় জানতে পারার জন্য ময়নামতির
কাছে এসে এই সম্মেলন হওয়ায় আমরা কৃতার্থ। এই যে
ল্যান্ড অফ ভ্যারাইটিজ যেখানে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিষয় আছে, সেখানে আসতে পেরে
আমরা আসলেই গর্বিত।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী অধ্যাপক মুতাসিম বিল্লাহ এবং অনুষ্ঠানে
স্বাগত বক্ত্য রাখেন বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরমা জাকারিয়া
চৌধুরী।
উল্লেখ্য, সম্মেলনে দেশি-বিদেশি শিক্ষক, প্রত্ন-গবেষক ও শিক্ষার্থীদের
শতাধিক প্রবন্ধ উপস্থাপিত হবে।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বশিকপুরে অস্ত্রসহ নুর হোসেন সাগর (২৬) নামে এক যুবককে আটক করেছে র্যাব।
২২ নভেম্বর বুধবার দুপুরে বিষয়টি জানানো হয় র্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
আটককৃত সাগর বশিকপুর এলাকার রফিক উল্যার ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানাযায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে বশিকপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব-১১ এর সদস্যরা নুর হোসেন সাগরকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে ১টি এলজি, ১টি মোবাইল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সাগরের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর তুরাগ এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে বিথী আক্তার ওরফে বিলকিস (৩৫) নামে এক নারীকে হত্যার ঘটনায় স্বামীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তুরাগ থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- নিহত বিথীর স্বামী মো. বাবুল মিয়া (৪৭) ও তার বন্ধু মো. সম্রাট (২০)।
আজ রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিন্টোরোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মুহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, গত রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে বিথী আক্তার নিখোঁজ হন। তার মা মনোয়ারা বেগম ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তুরাগ থানাধীন রাজউকের ১৭ নম্বর সেক্টরের খেলার মাঠে কাশবনের মধ্যে একজন অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত বিথীর মা মনোয়ারা বেগম ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারেন ওই মরদেহ তুরাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি তুরাগ থানায় গিয়ে মরদেহের ছবি দেখে তার মেয়ে বিথীকে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা মনোয়ারা বেগমের অভিযোগের ভিত্তিতে তুরাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। মামলার পর তুরাগ থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। গত শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে পল্লবী থানা পুলিশের সহায়তায় মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিথীর স্বামী বাবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে মিরপুর-১২ কালাপানি এলাকা থেকে তার বন্ধু সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রেপ্তাররা পারিবারিক কলহের জেরে ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। নিহতের স্বামী বাবুল আমাদের জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে প্রায় দীর্ঘ ছয় বছর ধরে দাম্পত্য কলহ চলছে। কলহের পেছনে বড় কারণ হচ্ছে তিনি এবং তার স্ত্রী প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা মানুষের কাছ থেকে সুদের ওপরে গ্রহণ করেছেন। এ টাকার অনেক সুদ তাকে দিতে হয়। বাবুল চাকরি করে ঢাকার একটি ওয়ার্কশপে। তিনি মাসে ৩১ হাজার টাকার মতো বেতন পান। প্রতি মাসে সুদের টাকা দিতে গিয়ে তাকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তিনি যখন বাসায় যাচ্ছেন তার স্ত্রী বলেন যে, মানুষ সুদের টাকার জন্য সবসময় আসছে। এতে তিনি ঘুমাতে পারেন না, খেতে পারেন না। সবসময় পাওনাদাররা আসেন তার বাসায়। এটা নিয়ে তার স্ত্রী খুব বকাবকি করেন এবং এসব নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চরম পর্যায়ে পৌঁছায়।
তিনি আরও বলেন, গত দুই থেকে তিন মাস আগে বাবুল স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেছেন। হত্যার সময় তার সঙ্গে তার চারজন বন্ধু ছিলেন। এর একজন সম্রাট। বাকি দুজনের নামও আমাদের কাছে রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম এখন আমরা প্রকাশ করছি না।
স্ত্রী হত্যায় যারা তার সঙ্গে ছিল তারা কি ভাড়াটে হিসেবে কাজ করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন, এ ঘটনায় সম্রাট ছিলেন বলে বাবুল জানিয়েছেন। বাবুল স্ত্রীকে হত্যার জন্য তাদের ৫০ থেকে এক লাখ টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বরিশাল জেলায় বানারীপাড়ায় ৭ম শ্রেণিপড়ুয়া কিশোরী জান্নাতুলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তার মা প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ায়, চক্ষুলজ্জায় সে আত্মহত্যা করেছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাথরুমে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত জান্নাতুল (১৩) বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ধারালিয়া গ্রামের বাসিন্দা, সৌদিপ্রবাসী নাসির উদ্দিন পাপনের মেয়ে। সে ধারালিয়া সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয়রা বলছে, জান্নাতুলের মা শান্তা আক্তার সোমবার (১০ জুন) রাতের কোনো এক সময় তার প্রেমিকের হাত ধরে চলে যান। মঙ্গলবার সকালে জান্নাতুল ঘুম থেকে উঠে ঘরে দেখতে না পেয়ে, সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করে মায়ের সন্ধান পায়নি। তার আপত্তি সত্ত্বেও মায়ের অনৈতিক সম্পর্কের কথা জানতেন জান্নাতুল। সমাজে নানা জনের নানা কথা শুনতে হবে ভেবে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জান্নাতুলের দাদি ফিরোজা বেগম জানান, ছেলে সৌদি থাকাবস্থায় জান্নাতের মা শান্তা তাদের সঙ্গেই থাকতেন। ওই ঘরে দুটি সন্তান রয়েছে। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর তাকে বারবার ওই পথ থেকে সরে আসার জন্য বলা হয়। কিন্তু কোনোভাবেই সে কথা শুনতো না। এ কারণে তাদের ঘর ছেড়ে ভাড়া বাসায় গিয়ে ওঠে। সর্বশেষ সোমবার শান্তার বাসায় বেড়াতে যান তিনি। বাড়িতে আসার সময় ছোট নাতিকে নিয়ে তার সঙ্গে নিয়ে আসেন। মঙ্গলবার সকালে খবর পান তার বড় নাতনি জান্নাত গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার মাকেও পাওয়া যাচ্ছে না। আমার নাতনি মেধাবী ছিল। সকালে ঘুম থেকে ওঠে মাকে না দেখে সে বুঝতে পারে তার মা প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছে। লোকলজ্জায় জান্নাত বাথরুমে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে ধারণা করছি। বেলা ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় বানারীপাড়া থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে জান্নাতুলের বাবা, সৌদিপ্রবাসী নাসির উদ্দিন পাপন মোবাইল ফোনে জানান, গত কয়েক মাস আগে বেতাল গ্রামের নাঈম নামের এক যুবককে গভীর রাতে নিজ ঘরে মায়ের সঙ্গে দেখে ফেলে তার মেয়ে। পরে লোকলজ্জার ভয়ে মেয়ে জান্নাতুল মাকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য তার কাছে আকুতি জানায়।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মাইনুল ইসলাম বলেন, নিহত জান্নাতুলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম মর্গে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জোড়কানন এলাকা হতে ৪৬ কেজি গাঁজা ও ২ বোতল বিদেশী মদ’সহ ২জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১০ নভেম্বর সকালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জোড়কানন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৪৬ কেজি গাঁজা ও ০২ বোতল বিদেশী মদ’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: রাজশাহী জেলার তানোর থানার মুন্ডুমালা গ্রামের মৃত নাইমুল হক এর ছেলে মোঃ শরীফুল ইসলাম (২৭) এবং একই জেলার চন্দ্রিমা থানার পূর্বপাড়া ছোট বনগ্রাম গ্রামের মৃত সেরাজুল ইসলাম এর ছেলে মোঃ জহুরুল ইসলাম (২৭)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত মিনি পিকআপ ব্যবহার করে রাজশাহী, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা, বিদেশী মদ’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে ব্যাটারী চালিত
ভ্যানে করে মাদক পরিবহনকালে ৭২ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১১ সিপিসি-২।
গত ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ রাতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন চট্টগ্রাম হতে ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর বেলতলী ইউনিভার্সিটি
গেট এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আসামী মোঃ সালাউদ্দিন (২৪)
নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৭২ কেজি গাঁজা ও
মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি ভ্যান গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
আসামী মোঃ সালাউদ্দিন (২৪) কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শুভপুর গ্রামের মোঃ হোসেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর
মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো
সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


আজ রবিবার (৬ জুলাই) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল
থানাধীন জীবন্তপুর (মিস্ত্রী পুকুরপাড়) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে নাজমুল
হাসান (৩৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।
এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী নাজমুল হাসান (৩৮) কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দিশাবন্দ পশ্চিমপাড়া গ্রামের খোরশেদ আলম এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ইজিবাইক
ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে
কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে
উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর
অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন