

কিশোরগঞ্জের
করিমগঞ্জ হাওরে একটি লাশবাহী নৌকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দল নৌকায় থাকা
যাত্রীদের জিম্মি করে তিনটি মোবাইল ফোন, নৌকার সোলার প্যানেলের ব্যাটারি ও নগদ টাকাসহ
অন্যান্য জিনিস লুট করে নিয়ে যায়।
মঙ্গলবার
(৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও স্লুইচগেট এলাকায় এ
ঘটনা ঘটে।
নৌকায়
থাকা শিশুটির দাদা আবদুল হক জানান, মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের চমকপুর গ্রামের
বাবু মিয়ার ১৫ দিন বয়সী কন্যাশিশু জন্মের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বিভিন্ন হাসপাতালে
চিকিৎসা শেষে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকেলে শিশুটি মারা যায়। পরে লাশ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা
বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।
করিমগঞ্জের
বালিখলা ঘাট থেকে নৌকা ছাড়ার প্রায় ১৫ মিনিট পর একটি ছোট নৌকায় করে ৬ সদস্যের ডাকাতদল
তাদের গতিরোধ করে। তারা অনেক অনুরোধ করে জানান, নৌকায় একটি শিশুর লাশ রয়েছে।
কিন্তু
ডাকাতরা তা উপেক্ষা করে যার কাছে যা ছিল তা ছিনিয়ে নেয়। মারধরের ভয়ে তারা তিনটি মোবাইল
ফোন ও সঙ্গে থাকা কিছু নগদ টাকা ডাকাতদের দিয়ে দেন।
নৌকার
মাঝি রতন মিয়া জানান, নোয়াগাঁও স্লুইচগেট এলাকায় পৌঁছালে ডাকাতরা নৌকায় উঠে সোলার প্যানেলের
ব্যাটারি এবং প্রায় ৪ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
করিমগঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেব খান বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া
যায়নি। নৌ পুলিশের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)
কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবারের ঈদ জামাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে। ঈদ কেন্দ্রিক
সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই।
রবিবার (১৬ জুন) সকালে জাতীয় ঈদগাহ
ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন,
সারা দেশের মতো ঢাকা মহানগরীতেও যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে
পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এ ঈদগাহে নামাজ আদায় করবেন।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে সব
জামাতের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার
জন্য পার্কিং ও ডাইভারশন থাকবে। পোশাকধারী পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত
সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পেট্রোলিং, সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিংসহ নিরাপত্তা
নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের পাশাপাশি র্যাবের
পেট্রোল টিম দায়িত্ব পালন করবে। আশা করি, ঈদের জামাত সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান আরও বলেন,
বাংলাদেশের চামড়া প্রসেসিং এলাকা ঢাকা জেলার সাভারে। ঢাকা কেন্দ্রিক যে চামড়া সেগুলো
কালই সেখানে যাবে। আর ঢাকার বাইরেরগুলো ৭ দিনের মধ্যে সেখানে আসবে। এ কাজ যাতে সুন্দরভাবে
সম্পাদন করা হয় সেজন্য ডিএমপি সহায়তা করবে। আমরা ইতোমধ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
গ্রহণ করেছি, অনেককেই গ্রেফতার করেছি। পরে এ ধরনের কাজ যারা করবেন, তারা সতর্ক হবেন
এবং ভবিষ্যতে এসব থেকে তারা নিবৃত থাকবেন। আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই নিরাপত্তা
ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। আমরা সব সময় সর্বাত্মক ও সর্বোচ্চ ব্যবস্থাটাই নিয়ে থাকি।
এবারও সেটি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, থানাকে জনগণের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে হবে।
জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে যেকোনো সমস্যায় থানায় যেতে পারে ও উপযুক্ত সেবা পায়
থানার পরিবেশ ও কার্যক্রম সেভাবে রূপান্তর করতে হবে। থানায় সাধারণ জনগণের সঙ্গে ভালো
ব্যবহার করতে হবে। জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে থানার কার্যক্রম আরো সক্রিয় ও যুগোপযোগী
করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) চট্টগ্রাম
মহানগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ, চট্টগ্রাম
মেট্রোপলিটন পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি,
বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর
এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, যানজট
নিরসনসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিংকে জোরদার করতে হবে। ইতোমধ্যে ডিএমপি এলাকায়
৭০০ জন শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী,
পুলিশ ও বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত সদস্য যারা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োকিজত ছিলেন তাদের
মধ্যে আগ্রহী সদস্যদের বয়সসীমা বেঁধে দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে লাগানোর চিন্তাভাবনা
চলছে। প্রতিটি মহানগরীর যানজট নিরসনে সভা-সমাবেশের জন্য মুক্তাঙ্গন নির্দিষ্ট করে দিতে
হবে। ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগরীতে সভা-সমাবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে নির্দিষ্ট করে
দেয়া হয়েছে। একইভাবে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য মহানগরীর জন্য মুক্তাঙ্গন ঠিক করে দিতে হবে
যাতে যানজট হ্রাস পায়। তিনি এ সময় মেট্রোপলিটন এলাকায় অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ করা যাবে
না মর্মে নির্দেশনা প্রদান করেন। আদালত থেকে রায় পেয়ে অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিন পেয়েছে।
এসব অপরাধী পুনরায় অপরাধে লিপ্ত হলে সাথে সাথে তাদের গ্রেফতার করতে হবে এবং কঠোর নজরদারিতে
রাখতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার অপপ্রচারসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধও বেড়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারেও
সজাগ থাকতে হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ৫ আগস্টের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। তবে হয়তো সেটা জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী খুব সন্তোষজনক
পর্যায়ে পৌঁছেনি। তিনি এ সময় পুলিশকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন ও প্রোটকল
ডিউটি কমিয়ে আনার নির্দেশ দেন।
মতবিনিময় সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা বলেন, মিডিয়াকে সত্য ঘটনা প্রচার করতে হবে। আমাদের দেশের মিডিয়ার
যে একটা সুনাম আছে, পার্শ্ববর্তী দেশের মিডিয়ার তা নেই। তারা মিথ্যাই কিন্তু প্রচার
করে সবচেয়ে বেশি। আর এই মিথ্যাটাকে কাউন্টার করতে পারেন শুধু আপনারা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার
হাসিব আজিজের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক
মো. ময়নুল ইসলাম, র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের
ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল্লাহ
নূরী ও জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
সভায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এর কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন অতিরিক্ত কমিশনার হুমায়ূন কবীর চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন পুলিশ সুপার (অপারেশনস) নেছার উদ্দিন আহমেদ।
মন্তব্য করুন


হামে
আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ
দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রোববার
(১০ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবীর পল্লব জনস্বার্থে এ রিট দায়ের
করেন। রিটে স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
দুই মাসের কম সময়ে হাম ও উপসর্গে দেশে মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৩৫০। একই সময়ে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে
৪৭ হাজার। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৯ হাজারের বেশি শিশু। গত ১৫ মার্চ থেকে
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় এ তথ্য।
স্বাস্থ্য
অধিদফতর জানিয়েছে, এরমধ্যেই চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত সারা দেশে ১
কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ শিশু হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ।
সারা দেশের প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করেছিল সরকার।
মন্তব্য করুন


নেপাল
ও তিব্বতের সীমান্ত এলাকায় আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত ৬৭৫ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। ভয়াবহ
এ দুযোর্গের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর
আজ রোববার (৩০ আগস্ট) পঞ্চম
দিনেও জোরালোভাবে চলছে উদ্ধার অভিযান।
নেপালের
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে অন্তত ৬৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো ২ হাজার ৪০০
জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে ১৮ হাজার ৭০০-এর বেশি উদ্ধারকর্মী
কাজ করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের
ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের
ধারণা, একটি হিমবাহ ধসে পড়ার কারণে এই ভয়াবহ পানির
স্রোত সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
এদিকে,
নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৬১ জন বিদেশি নাগরিককে
উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আরও ৩২০ জন বিদেশি নাগরিকের
কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
উদ্ধার
হওয়া বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে রয়েছেন— ভারতের ১৬৭ জন, চীনের ৪০ জন, ইউক্রেনের
৮ জন, জার্মানির ৪ জন, মাল্টার
৪ জন যুক্তরাষ্ট্রের ৩
জন, ইতালির ২ জন, রাশিয়ার
২ জন, স্পেনের ২ জন, সুইজারল্যান্ডের
২ জন, তুরস্কের ২ জন, বেলজিয়ামের
১ জন, বুলগেরিয়ার ১ জন, ওমানের
১ জন, পর্তুগারের ১ জন এবং অন্যান্য/পরিচয় শনাক্ত হয়নি ২১ জন রয়েছেন।
অন্যদিকে, চীনের
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু
হয়েছে। সেখানে আরও ৫৫৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
ভয়াবহ
এই দুর্যোগের পর সীমান্তবর্তী দুর্গম
এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তারপরও নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকারী দলগুলো সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


সংবিধান
সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন,
সমঝোতার ভিত্তিতে এমন একটি সংবিধান সংশোধনী প্রণয়ন করা হবে, যা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ
করবে এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কারকে এগিয়ে নেবে।
মঙ্গলবার
(৪ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকের প্রাক্কালে
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, বাংলাদেশের নবযাত্রা এবং রাষ্ট্র কাঠামোর বিবর্তনমূলক প্রক্রিয়ায় যেসব গণতান্ত্রিক
সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সেগুলো ধারণ করা হবে।
এজন্য সব রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী
প্রস্তাব তৈরি করা হবে।
তিনি
বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য পাঁচজন সদস্যের নাম এখনো পাওয়া
যায়নি। তবে তারা নাম দিলে তা গ্রহণ করা হবে এবং তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এ ছাড়া
সংসদের ভেতরে ও বাইরে থাকা সব বিরোধী দল এবং সদস্যদের মতামত গ্রহণে কমিটি উন্মুক্ত
থাকবে। কেউ সভায় উপস্থিত হয়ে কিংবা লিখিতভাবে মতামত দিলেও তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা
করা হবে।
বিরোধী
দলের অংশগ্রহণ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘তাদের আমরা সবসময়
স্বাগত জানাব।’সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছেন কিনা-
এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কমিটির সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ নয় বরং জনগণের প্রত্যাশা
পূরণের দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি
বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার আলোকে একটি শক্তিশালী
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। আর সেই লক্ষ্য অর্জনে সংবিধানেই প্রয়োজনীয়
সংস্কার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
কারা
কারা আলোচনায় অংশ নেবেন জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি বলেন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ,
পেশাজীবী ও আগ্রহী অংশীজনদের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী আলোচনার
পরিধি আরও বিস্তৃত হতে পারে। তবে এ মুহূর্তে নির্দিষ্ট সময়সূচি চূড়ান্ত হয়নি।
জুলাই
জাতীয় সনদ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সনদে যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছে,
সেগুলো সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যেসব বিষয়ে ভিন্নমত বা ‘নোট
অব ডিসেন্ট’ রয়েছে, সেগুলোও যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি ইশতেহার এবং আলোচনায় উঠে এলেও জুলাই জাতীয় সনদে স্থান না পাওয়া
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনায় নেওয়া হবে। তিনি বলেন, লক্ষ্য একটাই-
সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য, টেকসই এবং জনপ্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটায় এমন
সংবিধান সংশোধনী প্রণয়ন করা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের
চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, কমিটির সদস্য জয়নুল আবেদীন,
মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, আন্দালিভ রহমান, মো. নুরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন,
ফারজানা শারমীন, সাকিলা ফারজানা ও মো. মাহমুদুল হক রুবেল।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
উজানের পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর চরাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। এতে আগাম জাতের বিভিন্ন সবজি ও কৃষি ফসল তলিয়ে গিয়ে সহস্রাধিক কৃষক চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কমাতে কৃষকরা কোমর সমান পানিতে নেমে যতটুকু সম্ভব অপরিপক্ব ফসল তুলে আনার চেষ্টা করছেন।
ভান্তি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবদুল হক বলেন, প্রায় ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি আগাম জাতের মূলা ও লাউ চাষ করেছিলেন। হঠাৎ গোমতীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তার পুরো ক্ষেত এখন পানির নিচে।
আরেক কৃষক আবদুল জলিল বলেন, তার ডাঁটা শাক, পুঁইশাক ও চালকুমড়ার ক্ষেত পানিতে ভেসে গেছে। তাদের মতো ভান্তি, কামারখাড়া, বালিখাড়া ও আশপাশের এলাকার অন্তত শতাধিক কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কৃষক সোহেল মিয়া বলেন, লাউ, চিচিঙ্গা, ডাঁটা শাক, চালকুমড়া, মূলাসহ বিভিন্ন সবজি পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আগে যতটুকু সম্ভব উদ্ধার করে বাজারে বিক্রির চেষ্টা করছেন তারা। তবে বাজারে অপরিপক্ব সবজির সঠিক দাম না পাওয়ায় লাখ লাখ টাকার ফসল ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢলে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের হাজারো কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে আমি নিজেও মাঠে অবস্থান করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলছি। মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জরিপ করা হচ্ছে; তা শেষ হলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ থেকে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরেছে দেশের সব সরকারি ও
বেসরকারি অফিস-আদালত। ফলে রাজধানীসহ সারা দেশের প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোতে কর্মচাঞ্চল্য
ফিরতে শুরু করেছে।
সোমবার
(১ জুন) সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি
লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত হয়ে
পড়েন তারা।
ঈদুল
আজহা উপলক্ষে গত ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সরকারি ছুটি ছিল। ঈদ উদ্যাপন শেষে প্রথম
কর্মদিবসে আজ সকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সকাল
৯টার কিছু পরেই তিনি সচিবালয়ে প্রবেশ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
পাশাপাশি প্রথম কর্মদিবসেই সকালে সচিবালয়ে নিজ নিজ দপ্তরে উপস্থিত হন স্বাস্থ্য ও
পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির,
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের
খান চৌধুরীসহ মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্য।
দীর্ঘ
ছুটির পর সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় সকাল থেকেই সচিবালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে ঈদের শুভেচ্ছা
বিনিময় ও কোলাকুলির এক উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। তবে প্রথম কর্মদিবসে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনেক কক্ষেই কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি তুলনামূলক কিছুটা
কম ছিল।
সংশ্লিষ্টরা
জানিয়েছেন, দূরপাল্লার যাত্রা ও যানজটের কারণে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এখনো কর্মস্থলে
পৌঁছাতে পারেননি, যা আগামী দু-এক দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
সরকারি
অফিস খোলার পাশাপাশি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজার ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানেও
স্বাভাবিক লেনদেন ও কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ছুটির পর প্রথম দিনেই বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে
সাধারণ মানুষের সেবাগ্রহণ কার্যক্রমও স্বাভাবিক হতে দেখা গেছে। অনেক দিন পর সেবা নিতে
আসা মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
উল্লেখ্য,
ঈদের দীর্ঘ ছুটির সময়ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ফায়ার সার্ভিস,
জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও হাসপাতাল, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট এবং
ডাক বিভাগের মতো জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবাগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লাসহ সারা দেশে আলোচিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত শেষে খুনিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নাঙ্গলকোট। আজ ২১ মে বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার কান্দাল আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সর্বস্তরের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ব্যানারে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। নিহত জান্নাতুন নাঈম ফারিহা কান্দাল আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী ছিলেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হানিফ খোন্দকার, সহকারী প্রধান শিক্ষক রায়হান, শিক্ষক ইব্রাহীম মজুমদার, শাহীন আক্তার, নেছার উদ্দিন, রুবেল হোসেন এবং এলাকার মেম্বার জহিরুল কাইয়ুমসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ফারিহাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। এমনকি পরিবারের অনুপস্থিতিতেই সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে এবং দায়ের করা এজাহারও পরিবর্তন করে গ্রহণ করা হয়েছে বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সমাবেশে বক্তারা এই কথিত আত্মহত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করে খুনিদের ফাঁসি এবং যাদের জামিন দেওয়া হয়েছে তাদের জামিন দ্রুত বাতিল করে কারাগারে প্রেরণের জোর দাবি জানান।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামে একটি বহুতল ভবনের স্বামী ও শ্বশুরের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ফারিয়া ও হৃদয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। হৃদয়ের বাড়ি কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায়। মামলার দাবি অনুযায়ী, বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও তাঁর পরিবারের লোকজন ফারিয়ার কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। ফারিয়ার পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ দেখা দিত এবং এ নিয়ে ফারিয়াকে একাধিকবার শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আজ (১৪ মার্চ) সকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
রাজধানীর তেজগাঁও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের পর জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস দুইজন কক্সবাজার সফরে যাবেন। সেখানে তারা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করার পাশাপাশি আরো কিছু কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
মন্তব্য করুন


খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ সকলকে মানবতার মহান ব্রতে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আগামীকাল (২৫ ডিসেম্বর) ‘বড়দিন’ উপলক্ষ্যে দেওয়া আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) এক বাণীতে তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উপলক্ষ্যে এ সম্প্রদায়ের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যীশু খ্রিষ্ট এই দিনে বেথেলহেমে জন্মগ্রহণ করেন। পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তন ছিল যীশু খ্রিষ্টের অন্যতম ব্রত। মহামতি যীশু বিপন্ন ও অনাহারক্লিষ্ট মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন। তার জীবনাচরণ ও দৃঢ় চারিত্রিক গুণাবলির জন্য তিনি মানব ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
মন্তব্য করুন