

মানিকগঞ্জের
সাটুরিয়া উপজেলায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মাকে মারধর ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে মো.
সোহেল রানাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা
জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার
(০২ সেপ্টেম্বর) সকালে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল
রানা উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত শমসের আলীর নাতি ।
ইউএনও
কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতে সোহেল তার নানাবাড়িতে গিয়ে নেশাগ্রস্ত
অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি তার মাকে মারধর এবং
ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায় ।
পরে
বুধবার সকালে ভুক্তভোগী মা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ
করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর সাটুরিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে।
পুলিশের
তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ আইনে সোহেল রানাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘আজকে থেকে আমাদের কাজ হবে একটাই, সেটা হচ্ছে দেশ গঠন, রাষ্ট্র
পুনর্গঠন। এটাই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা।’
তিনি
বলেছেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটাই, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই। আমরা শুধু স্বপ্ন দেখতে চাই
না। আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই। যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার
হবে।’
আজ
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের
খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী
যখন খোর্দ্দ খাল খননকাজের উদ্বোধন শেষে পাশেই তৈরি সমাবেশ মঞ্চে ওঠেন, সেসময় খালের
দু’পাশে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকরা তুমুল স্লোগান ও করতালি
দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই। যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশ সামনের দিকে
এগিয়ে যাবে। আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই, যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের
ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’
খাল
খনন কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৪৮ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমান শুরু করে দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই খাল পুনঃখননের এই অনুষ্ঠান। আসুন আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা
করি, কী প্রতিজ্ঞা প্রতিজ্ঞা? সেটা হচ্ছে-
দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা।’
তিনি
বলেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআন শরীফে বলে দিয়েছেন, যে জাতি নিজেদেরকে সাহায্য
করে, আমি তাকে সাহায্য করি। এই খাল (খোর্দ্দ খাল) যদি খনন না করি কৃষক ভাইয়েরা কি পানি
পাবে? পাবে না। কাজেই খাল খনন করলে কৃষক ভাইয়েরা পানি পাবে। ঠিক একইভাবে আমরা যদি কাজ
করি, হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করি, বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত যদি একসাথে
কাজ করে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা পৃথিবীর বুকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত
করতে সক্ষম হবো।’
বিএনপি
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
‘আমরা নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আগামীতে সকল প্রতিশ্রুতি
আস্তে আস্তে বাস্তবায়ন করব।’
বিএনপির
শক্তির উৎস বাংলাদেশের জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যারা
বিএনপি করি, আমরা যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল করি, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার
নেতৃত্বে আমরা দল করেছি, আমরা সকলে বলি- জনগণই হচ্ছে আমাদের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।
আপনাদের শক্তি হচ্ছে আমাদের শক্তি। আপনারা যতক্ষণ আমাদের পাশে থাকবেন, আপনাদের সমর্থন
যতক্ষণ থাকবে, আমাদের দেশ গড়ার কাজ ইনশাআল্লাহ চলতে থাকবে।’
দেশকে
সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
‘আজকে এই খাল কাটা অনুষ্ঠানে আসুন আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক- ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার
আগে বাংলাদেশ।’
এ
সময় তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনারা আছেন নাকি আমার সঙ্গে দেশ
গড়ার কাজে?’ এমন প্রশ্ন শুনে জনগণ হাত নেড়ে সমর্থন জানিয়ে বলেন, আছি আছি। এ কথা শুনে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলহামদুলিল্লাহ।
এর
আগে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের ‘খোর্দ্দ
খাল’ পুনঃখনন স্থলে পৌঁছে ফলক উন্মোচন করে কর্মসূচির উদ্বোধন
করেন প্রধানমন্ত্রী।
ফলক
উন্মোচনের পরে খালের তীরে নেমে কোদাল দিয়ে মাটি কাটেন প্রধানমন্ত্রী। পরে খালের তীরে
বৃক্ষরোপণ করেন তিনি।
এই
সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোমিনুল
হক, জেলা সদস্য সচিব সলিম উল্যা সেলিম, শাহরাস্তি উপজেলা সভাপতি আয়াত আলী ভূঁইয়া, সহসভাপতি
আবু ইউসুফ রুপম উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭৮
সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খোর্দ্দ খাল খনন করেছিলেন। ৪৮ বছর পর সেই খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রয়াত জিয়াউর
রহমানের ছেলে তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


চালু হয়েছে ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’। স্থানীয় কাঁচামাল দিয়ে অবিকল হেলিকপ্টার তৈরি করেছেন স্থানীয় ওয়ার্কশপ মিস্ত্রি মো. মেহেদী হাসান ও তার বন্ধুরা।
তার এই হেলিকপ্টারে বসে পাখা ঘোরা অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মুখরোচক খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন ভোজনরসিকেরা।
মহান বিজয় দিবসে পটুয়াখালীর ঝাউতলায় শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’র উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ও পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। উদ্বোধনের পরপরই বহুল আলোচিত রেস্তোরাঁটি দেখতে এর খাবারের স্বাদ নিতে ভিড় জমান স্থানীয়রা।
জানা যায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন ছোটবিঘাই ইউনিয়নের কাজীর হাট বাজারের ওয়ার্কশপমিস্ত্রি মো. মেহেদী হাসান ও তার দুই বন্ধু আরিফ ও আল-আমিন প্রায় ২০ লাখ টাকা খরচ করে নিজেদের ওয়ার্কশপে দীর্ঘ ৭ মাসের প্রচেষ্টায় নির্মাণ করেন হেলিকপ্টারের আদলে এই রেস্তোরাঁটি।
তবে প্রতিকূল পরিবেশেই রেস্তোরাঁটি নির্মাণ করেছিলেন এ তিন যুবক।
মেহেদী হাসান বলেন, যখন এটির পরিকল্পনা করি তখন পরিবার সম্মতি দেয়নি। প্রতিবেশীরা অনেকেই আমাকে পাগল বলেছিলেন। কিন্তু ধীরে ধীরে এবং একটু একটু করে যখন কাজীর হাট বাজারের একটি মাঠে হেলিকপ্টারটি বানাতে ও আকৃতি দিতে শুরু করি, তখনই চারিদিকে সাড়া পড়ে যায়।
হেলিকপ্টারটির ভেতরে ২১ জনের আরাম করে বসার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে থাকবে নানা ধরনের খাবারের আইটেম। তিনি এই রেস্তোরাঁ নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যাবেন এবং মানুষকে খাবার পরিবেশন করবেন। শহরের ঝাউতলা চার লেন সড়কে মেহেদীর এই ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’ দেখতে শত শত মানুষ ভিড় করছে নিয়মিতই।
মেহেদীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, তিনি তার এই রেস্তোরাঁকে নিয়ে সারা দেশ ঘুরে বেড়াবেন। দেশের সব জেলার মানুষ যেন তার এই রেস্তোরাঁকে দেখেন।
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন বলেন, একজন ওয়ার্কশপমিস্ত্রি যে এত সুন্দর করে সত্যিকারের হেলিকপ্টারের মতোই দেখতে একটি হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ বানিয়েছে - এতে আমরা অবাক হয়ে গেছি। মেহেদীর এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।
পটুয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ও পটুয়াখালী পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মেহেদীর মতো এমন উদ্যোক্তাই আমরা চাই। এটি পটুয়াখালীর জন্য একটি গর্বের বিষয়। মেহেদীকে সব ধরনের সহযোগিতা আমরা অব্যাহত রাখব।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে চাঁদাবাজি ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের
বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তার কাছে প্রশ্ন ছিল, সরকার কেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ
করতে পারছে না?
জবাবে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, আগে
যে সিন্ডিকেট ছিল তা নিয়ন্ত্রণ করত আওয়ামী লীগ সরকার, কিন্তু সিন্ডিকেটের ভেতরে ছিল
ব্যবসায়ীরা। এখন তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলে আশ্রয়
নিয়েছে। আমরা তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি।
“কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির সঙ্গে
জড়িত অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিন্ডিকেট ভাঙতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও সহযোগিতা করতে
হবে। কারণ, দলগুলো যদি আগের সেই প্রাকটিসে ঢুকে যায়, তাহলে এতগুলো মানুষের জীবন দেওয়ার
কোনো দরকার ছিল না। এখন দলগুলোর মধ্যে একটা পজিটিভ বিষয় পরিলক্ষিত হচ্ছে। দলগুলো কর্মীদের
বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আশা করি তৃণমূলেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেবে। তাহলে
স্থানীয় চাঁদাবাজি কমে আসবে। সরকারি পর্যায়েও এ বিষয়ে আমরা কঠোর হব। দুর্গাপূজা নিয়ে
একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, সেটা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে, সিন্ডিকেটের
বিরুদ্ধে ড্রাস্টিক অ্যাকশনে যাব। দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে অনেকগুলো বিষয় ইনভলব। বন্যার
কারণে শাকসবজির সরবরাহ কমেছে। পর পর দুটো বন্যা হয়ে গেছে। সেই বিষয়টি আমাদের মাথায়
রাখতে হবে। তবে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদেরকে হার্ডলাইনে যেতে হবে। যেসব করপোরেট প্রতিষ্ঠান
সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দাম বাড়াবে তাদেরকে অ্যারেস্ট করব।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে কূটনীতিকদের জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এজন্য বন্ধু রাষ্ট্র ও সংস্থাগুলোর পূর্ণ
সমর্থন চেয়েছেন।
রোববার
(১৮ আগস্ট) দুপুরে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত,
হাইকমিশনারসহ জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের ব্রিফ করেন ড. ইউনূস। পরে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশে যে দূতাবাসগুলো আছে তার রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের যেসব সংস্থার প্রধান
এখানে আছেন তাদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি সবাইকে
ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি সবার পূর্ণ সমর্থন চেয়েছেন।
প্রেস
সচিব আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন- এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন ছিল। এখানে এত মানুষের
সম্পৃক্ততা ছিল যে তিনি বলেছেন ১৯৭১ সালে যদি প্রথম রেভ্যুলেশন হয় এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন।
তার বার্তা ছিল দ্রুত অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা। উনি নির্বাচনটি
তখনই করবেন যখন প্রয়োজনীয় সংস্কার করা যায়। বিচার বিভাগ, সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন,
সিকিউরিটি ফোর্স, মিডিয়া- সব কিছুতে সংস্কার চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন করে যত দ্রুত নির্বাচন
দেওয়া যায় সেটি তার লক্ষ্য। তিনি বলেছেন এখন প্রধান কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা। সেটি অনেকটা
স্বাভাবিক হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের
বৈঠকে যোগদানের জন্য তাঁর চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে আজ ভোরে দেশে ফিরেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের
বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট ভোর ৩টা ৩২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
এসে পৌঁছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় (নিউইয়র্ক
সময়) ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের জেকেএফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট
জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইডলাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার
(২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেয়া ছাড়াও ২৪ সেপ্টেম্বর মার্কিন
প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
এছাড়া তিনি অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘ
মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
শেহবাজ শরীফ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি এবং নেদারল্যান্ডস’র প্রধানমন্ত্রী ডিক শুফের সাথে দ্বিপাক্ষিক
বৈঠক করেন।
নিউইয়র্ক অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট
উরসুলা ভন ডের লেয়েন, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী অ্যান্টনি জে ব্লিঙ্কেন, জাতিসংঘের হাইকমিশনারের শরণার্থী বিষয়ক কমিশনার ফিলিপ্পো
গ্র্যান্ডি, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ ও ইউএসএইডের প্রশাসক সামান্থা
পাওয়ার সাক্ষাত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ
সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন।
তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম
অধিবেশনে যোগ দিতে ২৩শে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


নিষ্ঠা,
শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও গভীর দেশপ্রেমের মাধ্যমে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা
বাহিনী ভবিষ্যতে একটি ‘প্রযুক্তিনির্ভর মানবিক সামাজিক বাহিনী’
হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার
(২০ মে) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষ্যে দেওয়া
এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
যেকোনো
সুশৃঙ্খল বাহিনীর জন্য ‘চেইন অব কমান্ড’ ও ‘ডিসিপ্লিন’
মেনে চলা অপরিহার্য ও অবশ্য পালনীয় নীতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই দুটি বিষয়ে সামান্যতম
অবহেলা পরিলক্ষিত হলেও কোনো বাহিনী সুশৃঙ্খল হয়ে উঠতে পারে না। কোনো বাহিনীর মধ্যে
ডিসিপ্লিনের অভাব দেখা দিলে তাদের সম্পর্কে জনমনে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়, এ বিষয়ে
খেয়াল রাখা জরুরি।
মহান
মুক্তিযুদ্ধে আনসার বাহিনীর গৌরবজনক ভূমিকার কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, প্রায়
৪০ হাজার রাইফেল নিয়ে আনসার সদস্যরা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে
এ বাহিনীর ৬৭০ জন শহীদ হয়েছেন। তাদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে মাগফেরাত কামনা
করেন তিনি।
স্বাধীনোত্তর
বাংলাদেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফেরাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা উল্লেখ
করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে
তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
এরই
অংশ হিসেবে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) ও আনসার বাহিনী একীভূত করা হয়। স্বাধীনতার
ঘোষকের সেই দূরদর্শী পদক্ষেপই আনসার ও ভিডিপিকে আজকের বহুমাত্রিক ও গণপ্রতিরক্ষায়
সক্ষম বাহিনীতে পরিণত করার ভিত্তি স্থাপন করেছে।’
তিনি
আরও বলেন, পরবর্তীতে খালেদা জিয়া সরকারের সময় ১৯৯৫ সালে আনসার-ভিডিপি আইন প্রণয়নের
মাধ্যমে এ বাহিনীকে স্বেচ্ছাসেবী কাঠামো থেকে একটি স্বতন্ত্র শৃঙ্খলা বাহিনীর মর্যাদা
দেওয়া হয়, যা এই বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে মাইলফলক।
২০২৪
সালের ৫ আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সংকটময় পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে
তারেক রহমান বলেন, দেশের সব থানা পাহারা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়
নিরাপত্তা সহায়তায় এ বাহিনী বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
বাহিনীর
বর্তমান কাঠামোর প্রশংসা করে তিনি জানান, আনসার ও ভিডিপির চারটি প্রধান স্তম্ভ–
ব্যাটালিয়ন আনসার, অঙ্গীভূত আনসার, থানা বা উপজেলা আনসার এবং ভিডিপি-টিডিপি সমন্বিতভাবে
দেশের নিরাপত্তায় কাজ করছে। বর্তমানে ৪৭টি আনসার ব্যাটালিয়নের মধ্যে ১৬টি পার্বত্য
চট্টগ্রামে নিয়োজিত। ৫২ হাজার অঙ্গীভূত আনসার দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও শিল্পকারখানায়
নিরাপত্তা দিচ্ছে। এছাড়া ১৩ হাজারেরও বেশি হিল আনসার ও ভিডিপি সদস্য পাহাড়ে সম্প্রীতি
জোরদারে কাজ করছেন। তৃণমূল পর্যায়ে ভিডিপি ও টিডিপি সদস্যরা বাল্যবিবাহ রোধ, নারী
নির্যাতন মোকাবিলা, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং নগর নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখছেন।
আনসার-ভিডিপি
নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে
জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সঞ্জীবন প্রকল্পের’ মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি
এবং ব্যাংক ও ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের মাধ্যমে জামানতবিহীন ঋণ দেওয়া হচ্ছে।
এভিজবস
(আনসার অ্যান্ড ভিডিপি জব পোর্টাল) সফটওয়্যার এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)
ব্যবহার করে দেশীয় ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উদ্যোগকে সময়োপযোগী আখ্যা দিয়ে তারেক
রহমান বলেন, ‘প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স নিয়ে আনসার
ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্যোগ সদস্যদের জন্য সম্ভাবনার
দ্বার উন্মোচন করবে।’
জাপানি
ভাষা প্রশিক্ষণ, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, সিক্স-জি (6G) ওয়েল্ডিংয়ের মতো
আধুনিক প্রশিক্ষণ দিয়ে বাহিনীকে ক্রমান্বয়ে একটি ‘হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট
প্ল্যাটফর্মে’ রূপান্তর করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনায় আনসার-ভিডিপি বর্তমানে একটি নির্ভরযোগ্য ‘ফার্স্ট রেসপন্ডার’
স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী হিসেবে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
বন্যা-অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্যোগে এ বাহিনীর সাহসিকতা দৃষ্টান্তমূলক। পাশাপাশি রেইন
ওয়াটার হারভেস্টিং, সোলার প্যানেল এবং বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের মতো পরিবেশবান্ধব
উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের পথে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
ক্রীড়া
ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আনসার-ভিডিপির সাফল্যের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ
গেমসে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে এ বাহিনী ‘স্বাধীনতা
পদক’ অর্জন করে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া আয়োজনে
দেশের ১০টি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নিরাপত্তায় ৩৭৯ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোয়েন করা
হয়েছে। ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বর্তমান সরকার খেলোয়াড়দের জন্য স্পোর্টস
কার্ড ও বেতন কাঠামো চালু করেছে, যার আওতায় আনসার-ভিডিপির ১৫ জন ক্রীড়াবিদও স্পোর্টস
কার্ড পেয়েছেন।
বাহিনীর
কাঠামোগত ও প্রশাসনিক সংস্কার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আনসার ব্যাটালিয়ন বিধিমালা ২০২৬’,
‘ভিডিপি প্রবিধানমালা ২০২৬’, ‘অঙ্গীভূত আনসার বিধিমালা ২০২৬’
এবং ‘আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালা ২০২৬’-এর
খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে কার্যক্রম শক্তিশালী করতে
‘উপজেলা আনসার প্রবিধানমালা ২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক
স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা জোরদারে সদর দপ্তরে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা চালু করাকে
জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
দীর্ঘ
অভিজ্ঞতা ও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে আনসার ও ভিডিপি ভবিষ্যতে আরও দক্ষ এবং
গতিশীল বাহিনী হিসেবে দেশের কল্যাণে কাজ করে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জে
বিয়ের প্রলোভনে ১৪ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক মোফাজ্জলকে (৩৮) আটক করেছে
পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে
আটক করা হয়। আটক মোফাজ্জল পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মেলাপাড়া এলাকার মৃত আকরাম
শরীফের ছেলে।
জানা
যায়, পঞ্চসার ইউনিয়নের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকার রহমত মিয়ার বাড়িতে দীর্ঘদিন পাশাপাশি কক্ষে
বসবাস করার সুবাদে অভিযুক্ত মোফাজ্জলের সাথে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর সুসম্পর্ক গড়ে
উঠে। একই বাড়িতে পাশের কক্ষে অভিযুক্ত মোফাজ্জল ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করত। সুসম্পর্কের
সূত্রে বিভিন্ন সময়ে তার কক্ষে ভিকটিমকে একাধিকবার বিবাহের প্রলোভনে ধর্ষণ করে। গত
১৮ মে রাত ৩টার সময় ভিকটিমকে ধর্ষণকালে ভিকটিমের বাবা মা দেখে ফেললে অভিযুক্ত কৌশলে
পালিয়ে যায়।
পরে
শনিবার রাতে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় অভিযুক্ত মোফাজ্জলকে এলাকা থেকে আটক করা হয়
এবং জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ভারতের
বেঙ্গালুরুতে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মা ও মায়ের পরকীয়া প্রেমিকের
বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, গত ২৪ মার্চ শিশুটি ভেন্নিলার মৃত্যু হয়। প্রায় তিন মাস
পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে, যখন শিশুটির বাবা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়, শিশুটির বাবা প্রবীণ দাবি করেন, তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা এবং তার প্রেমিক
মোহন ভেন্নিলার মৃত্যুর জন্য দায়ী।
পুলিশ
সূত্রে জানা যায়, দাভানাগেরের বাসিন্দা প্রবীণ ২০০৭ সালে প্রিয়াঙ্কাকে বিয়ে করেন। দম্পতির
১৭ ও ৫ বছর বয়সী দুই মেয়ে রয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, কয়েক বছর আগে প্রিয়াঙ্কা তার কলেজের
বন্ধু মোহনের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ শুরু করেন। এরপর তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং
একপর্যায়ে তারা একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন।
দাম্পত্য
কলহের জেরে প্রিয়াঙ্কা একাধিকবার বিবাহবিচ্ছেদের দাবি তোলেন এবং পরে ছোট মেয়ে ভেন্নিলাকে
নিয়ে মোহনের সঙ্গে বসবাস করতে শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী,
শিশুটিকে শারীরিক নির্যাতনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ মোহনকে গ্রেপ্তার
করেছে। তবে শিশুটির মা প্রিয়াঙ্কা এখনও পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান
চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
ভূঞাপুরে ১২ বছর বয়সী ৫ম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোফাজ্জল
হোসেন ওরফে মফিজুল (৩৫) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
এ
ঘটনায় বুধবার (২৪ জুন) সকালে মেয়েটির বাবা বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ আসামিকে
গ্রেপ্তার করেন। এর আগে শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার ভরুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত
মফিজুল ওই গ্রামের হাসান আলীর ছেলে।
জানা
যায়, উপজেলার ভরুয়া গ্রামের মফিজুল ইসলাম শনিবার দুপুরে মেয়েটির মুখ চেপে ধরে পাটক্ষেতে
নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা করে। এসময় মেয়েটির ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে মফিজুল পালিয়ে
যায়। পুলিশি তৎপরতায় প্রভাবশালী মহল ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়। বুধবার
সকালে মেয়ের বাবা বাদি হয়ে মফিজুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার।
এবিষয়ে
ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় মেয়ের বাবা বাদি হয়ে মামলা
দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত মফিজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া
চলছে।
মন্তব্য করুন


নিরবচ্ছিন্ন
বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে জরুরি উন্নয়নকাজের জন্য আগামীকাল রবিবার (১০ মে) থেকে ১৩
দিন রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় ৬ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নর্দান ইলেকট্রিসিটি
সাপ্লাই পিএলসি রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়েছে।
নির্বাহী
প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেনের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেসকো রাজশাহীর বিক্রয়
ও বিতরণ বিভাগ-৫ এর আওতাধীন সম্মানিত বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে
যে, আসন্ন ঈদুল আজহায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইনের
নিকটবর্তী গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তন কাজের জন্য আগামী ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা করে (সকাল ৮টা
থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত) উল্লিখিত এলাকাগুলোয় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
১০
মে (রবিবার)
দেওয়ানপাড়া
ফিডারের আওতাধীন দেওয়ানপাড়া, বাখরাবাজ, আমিনের মোড়, চেয়ারম্যানের মোড়, নজিরের মোড়,
বেলঘড়িয়া, পশ্চিমপাড়া ও উকিলের মোড় এলাকা।
১১
মে (সোমবার)
রাবি
স্টেশন ফিডারের আওতাধীন জলিলের মোড়, মেহেরচন্ডি পূর্বপাড়া, খন্দকার মসজিদ, জিয়া
স্কুল, বুধপাড়া, গণির ঢালান ও মোহনপুর চকপাড়া এলাকা।
১২
মে (মঙ্গলবার)
সুগারমিল
ফিডারের আওতাধীন কাটাখালি বাজার, আদর্শ কলেজ, নতুন এমাদপুর, রুপসিডাঙ্গা, হরিয়ান বাজার,
সুগারমিল, মৃধাপাড়া, তেতুল তলা ও বাইপাস এলাকা।
১৩
মে (বুধবার)
দেওয়ানপাড়া
ফিডারের আওতাধীন গোয়ালপাড়া, শ্যামপুর থান্ডারপাড়া, শ্যামপুর মোল্লাপাড়া ঈদগাহ,
শ্যামপুর মধ্যপাড়া, শ্যামপুর নগরপাড়া ও শ্যামপুর পানিশোধনাগার এলাকা।
১৪
মে (বৃহস্পতিবার)
মেহেরচন্ডি
৩৩ কেভি ও কড়াইতলা ফিডারের আওতাধীন কড়াইতলা মোড়, দায়রাপাক মোড়, রেজা কোল্ড স্টোরেজ,
পশ্চিম বুধপাড়া ও উৎস ব্লক ফ্যাক্টরি এলাকা।
১৬
মে (শনিবার)
বনগ্রাম
ফিডারের আওতাধীন হাজরাপুকুর, কালিয়াপাড়া, মোহনপুর হাজামপাড়া ও মধ্য বুধপাড়া এলাকা।
১৭
মে (রবিবার)
কাটাখালী
ওভারহেড ফিডারের আওতাধীন বাংলা ট্রাক, পাহারপুর, কাপাশিয়া তালুকদার/সরদারপাড়া এলাকা।
১৮
মে (সোমবার)
কাপাশিয়া
ফিডারের আওতাধীন কাটাখালী বাজার দক্ষিণ, বেলঘড়িয়া রোড, বাখরাবাজ মোল্লাপাড়া, সমসাদিপুর,
মিরকামারী, কাপাশিয়া পশ্চিমপাড়া ও পাক ইসলামপুর এলাকা।
১৯
মে (মঙ্গলবার)
বনগ্রাম
ফিডারের আওতাধীন কিসমত কুখন্ডি, কুখন্ডি, সোনারপাড়া ও বামনশিখড় (মা ভাটা) এলাকা।
২০
মে (বুধবার)
কাটাখালী
ওভারহেড ফিডারের আওতাধীন কাটাখালী বাজার, এমাদপুর, সূচারণ ও কাটাখালী পৌরসভা এলাকা।
২১
মে (বৃহস্পতিবার)
কাপাশিয়া
ফিডারের আওতাধীন কাপাশিয়া বাজার, ফকিরপাড়া, ভাংড়া পশ্চিমপাড়া ও ভাংড়া এলাকা।
২৩
মে (শনিবার)
বিহাস
ফিডারের আওতাধীন মাসকাটাদীঘি, কাটাখালী বাজার, বিহাস, চৌদ্দপাই ও আবহাওয়া অফিস এলাকা।
২৪
মে (রবিবার)
পদ্মা
আবাসিক ফিডারের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে
নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর।
মন্তব্য করুন