

দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও তীব্র শীত আর অনুভূত হচ্ছে না। তাপমাত্রা কিছুটা উঠানামার মধ্যে থাকলেও কনকনে ঠান্ডা আর অনুভূত হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে বৃষ্টিরও পূর্বাভাস নেই।
আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমলেও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তীত থাকতে পারে। (৩ ফেব্রুয়ারি) শনিবার সকাল ৯টায় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবহাওয়াবিদ খোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, শীতের তীব্রতা আর থাকবে না; তবে শীত একদম বিদায়ও নিচ্ছে না। ফেব্রুয়ারিজুড়ে মৃদু শীত অনুভূত হবে।তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটা মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস থাকলেও জোরালো না।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অপর দিকে মংলা ও ভোলায় সর্বোচ্চ ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, সারাদেশে শনিবার তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এ ছাড়া রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। পরদিন সোমবারও (৫ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সিনপটিকে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, আগামী কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যান্য জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।
আর বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মদের বোতল ও গাঁজা ধ্বংস করেছে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্স।
গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া, তেতাভূমি ও ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় টানা কয়েক ঘণ্টা এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা জাহান। এতে সেনাবাহিনী, থানা-পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। পুলিশের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা “ মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম ” এবং সেনাবাহিনীর (১২ বীর) দলের নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট মো. এহসান সিরাজী সাদ। প্রশাসন ও যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অনেক মাদক কারবারি ও চোরাকারবারি পালিয়ে যায়। তবে তেতাভূমি এলাকায় ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত কয়েক হাজার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের খালি বোতল ধ্বংস করা হয়। পরে ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা কয়েকটি গাঁজার পুরিয়াও ধ্বংস করা হয়। এ সময় সীমান্ত এলাকা থেকে আসা বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়।
মন্তব্য করুন


আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) ইসলামিক ফাউন্ডেশনে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সব মিলিয়ে টানা ১০ দিনের ছুটি অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
আজ
মঙ্গলবার (৬ মে) সচিবালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ফলে
ছুটি শুরু হবে আগামী ৫ জুন, শেষ হবে ১৪ জুন। তবে ঈদের ছুটি শুরুর আগে ১৭ মে ও ২৪ মে
সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার সব সরকারি অফিস খোলা থাকবে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানান। একই পোস্টে তিনি সাইবার
সুরক্ষা অধ্যাদেশ অনুমোদন হওয়ার তথ্যও জানান।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম পোস্টে বলেন, ক্যাবিনেট সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর
খসড়া অনুমোদন করেছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১০ দিনের ছুটি থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ ছুটির জন্য আগামী ১৭ মে ও ২৪ মে, শনিবার সরকারি অফিস খোলা থাকবে।
চাঁদ
দেখা সাপেক্ষ আগামী ৭ জুন বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ হতে পারে। ঈদের আগের দুইদিন ও পরের
তিনদিন মিলিয়ে মোট ৬ দিনের ছুটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।
এর
সঙ্গে নির্বাহী আদেশে ১১ ও ১২ জুনের ছুটি যোগ করা হয়েছে। এর পরের দুইদিন শুক্র ও শনিবার
সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এবার ৫ থেকে ১৪ জুন একটানা দশ দিনের দীর্ঘ ছুটি মিলছে সরকারি চাকরিজীবীদের।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৬ সংসদীয়
আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার
ইশরাক হোসেন। তিনি গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা
বিভাগীয় কমিশনার শফর উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।
ঢাকা-৬ আসনে
মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।
তিনি জানান,
সব আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা কাগজপত্র যাচাই
করে নিজেই তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন।
মনোনয়নপত্র
জমা দেয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় ইশরাক হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ অত্যন্ত
ভালো রয়েছে। এর আগেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা থাকায় তিনি পরিস্থিতি সম্পর্কে
আত্মবিশ্বাসী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত
হবে এবং সব রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচনে অংশ নেবে।
তিনি বলেন,
প্রত্যেক নাগরিক যেন নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে ও বিনা বাধায় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের
প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।
নির্বাচনের
চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হওয়া, দলের ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যানের দেশে ফেরা এবং দলীয় কর্মকাণ্ড চাঙা হলেও কিছু চ্যালেঞ্জ এখনো রয়েছে।
তবে ঢাকা-৬ আসন নিয়ে তিনি অত্যন্ত আশাবাদী বলে জানান। তিনি বলেন, এই আসনের সব থানা
ও ওয়ার্ডের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ তার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন।
ঢাকা-৬ আসনের
ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি স্মরণ করেন, ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার
বাবা মরহুম সাদেক হোসেন খোকা তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে ৩০০ ভোটের
ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন।
নির্বাচন বানচালের
আশঙ্কা প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, শেষ দিন পর্যন্ত এ ধরনের আশঙ্কা থেকেই যায়। তবে
তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে যেভাবে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল,
সেই ঐক্যের সামনে সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে।
তরুণ ভোটারদের
উদ্দেশ্যে বিশেষ আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গত তিনটি নির্বাচনে তরুণরা প্রকৃত অর্থে
ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। এ কারণে বিএনপি তরুণদের প্রস্তুত করতে বিভিন্ন কর্মশালা
ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। ছাত্রদল ও যুবদলসহ অঙ্গসংগঠনগুলো এ কাজে সক্রিয়ভাবে
যুক্ত রয়েছে।
ইশরাক হোসেন
বলেন, তরুণদের প্রতি আমার আহ্বান আপনারা অবশ্যই ভোটকেন্দ্রে যাবেন। কোনোভাবেই আপনার
মূল্যবান ভোটটি মিস করবেন না। যাকে ভোট দেবেন, সেটি নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
আমরা চাই জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটুক।
তিনি আরও বলেন,
ভবিষ্যৎ নির্বাচনগুলোতে আইনের মাধ্যমে এবং ব্যালটের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়া
জরুরি। আমি যদি কোনো অন্যায় করি, আমাকেও যেন জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়। সে জন্য
তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্তব্য করুন


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতির পদত্যাগের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন ৬ শিক্ষার্থী। টানা ২১ ঘণ্টা ধরে অনশন থাকায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন পাঁচজন। এর মধ্যে গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় ২ শিক্ষার্থীকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে অনশনরত শিক্ষার্থীদের খোঁজ নেন উপাচার্য অধ্যাপক “ সালেহ হাসান নকীব “ । এ সময় দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। এদিকে শিক্ষার্থীরা বলছেন, প্রশাসন শুধু আমাদের আশ্বাসই দিচ্ছেন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ তারা নিচ্ছেন না। অনশনরত শিক্ষার্থীরা হলেন- চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের মো. সুমন আলী , ইকরা, হুমাইরা, ইমন, সাদিক ও রাইসুল মাহমুদ।
অনশনরত শিক্ষার্থী রাইসুল মাহমুদ বলেন, আমাদের এক দফা দাবি ছিল বহিরাগত সভাপতির অপসারণ। আমরা চাই বিভাগের সভাপতি হবেন আমাদের বিভাগ থেকেই। গত রোববার প্রশাসনের সঙ্গে বসেছিলাম কিন্তু ওনারা বহিরাগত চেয়ারম্যানকে বহাল রাখতে চায়। তাই গতকাল থেকে শিক্ষার্থীরা অনশনে বসেছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের কয়েকজন অনশনরত অবস্থা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে ২ জনকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত তাকে অপসারণ করা হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে। এসময় বিভাগের (২০১৯-২০) সেশনের শিক্ষার্থী “জান্নাত জামান” বলেন, আমরা প্রশাসনের সঙ্গে বসেছিলাম কিন্তু তারা কোনো আশ্বাস দেননি। তারা আরও সময় চেয়েছেন। বর্তমান সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে তাকে মেনে নেওয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু আমরা তাকে চাই না। যেহেতু, আমাদের দাবি মেনে নেওয়া হচ্ছে না তাই আমাদের আন্দোলন চলবে। তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত অনশন চলবে।
উপাচার্য অধ্যাপক “সালেহ হাসান নকীব” বলেন, একটা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে আমার দায়িত্ব সকল বিভাগ যেন ভালোভাবে চলে সেটা দেখা। সেটার জন্য আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা সমাধান বের করার চেষ্টা করছি। একটা সমাধান বের হবে দ্রুতই। এখন ইস্যুটা হচ্ছে এ কাজগুলো করতে গেলে যে সময়টুকু লাগে সেটা তো আমাদের দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, গত রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের সঙ্গে আলোচনায় বসেন শিক্ষার্থীরা। তবে কোনোরকম আশ্বাস না পাওয়ায় আমরণ অনশনে বসেন শিক্ষার্থীরা।
মন্তব্য করুন


যৌথবাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গত সাত দিনে ৪২৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ (শনিবার) পর্যন্ত অভিযানে এসব লোককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি হতে ৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশন, ১০ পদাতিক ডিভিশন, ১১ পদাতিক ডিভিশন, ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড, ৭ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড, ৮৬ স্বতন্ত্র সিগন্যাল ব্রিগেড ও ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের অধীনস্থ ইউনিটসমূহ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীর মিরপুর-১, ভাষানটেক, ইসিবি চত্বর, কাঁঠালবাগান, হাজারীবাগ এবং দেশের অন্যান্য এলাকা টঙ্গী, নরসিংদী, রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব যৌথ অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ, ডাকাত দলের সদস্য ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং মাদক ব্যবসায়ীসহ ৪২৭ জন অপরাধীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের নিকট হতে অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র, পাসপোর্ট, এনআইডি, মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
পাশাপাশি অভিযানে বিভিন্ন স্থানে নকল ভোজ্য তেল ও নকল ফলের জুস এর কারখানা সহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা সিলগালা সহ দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আটককৃতদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সাধারণ জনগণকে যেকোন সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে তথ্য প্রদান করার জন্য যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আগামীকাল
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া।
এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের
একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী এ বি এম আব্দুস সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এবার প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়া।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায়
সেনাকুঞ্জের উদ্দেশে গুলশানের বাসা থেকে বের হবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
একজন বীর উত্তমের স্ত্রী বা বিরোধীদলীয়
নেতা হিসেবে বিগত সময়ে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তা এ দিবসের
আমন্ত্রণ জানালেও এবার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদমর্যাদার দুজন কর্মকর্তা সস্ত্রীক সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমন্ত্রণপত্র দেন।
বিএনপির দলীয় সূত্র বলছে, ২০০৯ সালের
পর এবারই প্রথম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এ বছর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে মোট ২৬ জন আমন্ত্রণ পেয়েছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছেন
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান এবং
অন্য পদমর্যাদার সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন।
আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে বাঐখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামালপুরের তারাকান্দি থেকে ছেড়ে আসা ভাই ভাই পরিবহনের বাসটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। বাসটি বাঐখোলা এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী একটি ট্রাককে ওভারটেক করতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা রডভর্তি আরেকটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে এক নারী নিহত হয়। এ সময় পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করে।
বাসাইল থানার ওসি মো. জালাল উদ্দিন জানান, দুপুর ২:৩০ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তিন বাসযাত্রীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


কলা
সকলেরই প্রিয় ফল। স্ট্যামিনা বাড়াতে কলা খেয়ে থাকেন অনেকেই। এটি সব মৌসুমেই পাওয়া যায়।
কিন্তু কখনও কি ভেবেছেন, কলা কেন সোজা না হয়ে বাঁকা হয়? পৃথিবীতে প্রায় সব প্রজাতির
কলাই বাঁকা। কিন্তু কেন এমন? এর ব্যাখ্যায় বিভিন্ন মজার মজার তত্ত্ব থাকলেও রয়েছে বৈজ্ঞানিক
কারণ। চলুন জেনে নিই কলা সোজা হয় না কেন।
কলা
গাছে যখন মোচা ধরে অর্থাৎ ফুল আসে তখন মোচার পাপড়ির নীচে সারি সারি ছোট কলা গজাতে
থাকে। প্রতিটি পাতার নীচে একগুচ্ছ করে কলা থাকে। প্রথমে কলা মাটির দিকে চলে যায়। কয়েকদিন
পরে কলাগুলো বড় হওয়ার সময় ধীরে-ধীরে বাঁকতে থাকে। এই কারণকে বিজ্ঞানের ভাষায় ঋণাত্মক
জিওট্রপিজম বলা হয়।
কোনও
ফল যখন সূর্যের দিকে বেড়ে ওঠে তখন তাকে ঋণাত্মক জিওট্রপিজম বলা হয়। গাছের ফলের বৃদ্ধি
ফটোট্রপিজম, গ্র্যাভিটিজম ও অক্সিনের ওপর নির্ভর করে। সে হিসেবে অন্যান্য ফলের মতো
কলার পাতা ও ফল মহাকর্ষ বলের জন্য নিচের দিকে ঝুলে থাকে। কিন্তু কলা বড় হওয়ার সঙ্গে
সঙ্গে সূর্যের আলোর দিকে বাড়তে শুরু করে। এই দুই বলের দ্বন্দ্বে কলা ক্রমেই বিশেষ
বাঁকা আকার ধারণ করে।
কলাগাছ
ট্রপিকাল রেইনফরেস্ট গাছ হওয়ায়, এটিকে অনেক গাছের মাঝখানে ও নীচে থাকতে হয়। সেজন্য
সূর্যের আলো কলা গাছে পৌঁছতে পারে না। তাই কলা জন্মানোর জন্য গাছগুলো সেই পরিবেশে মানিয়ে
নেয়।
তবে,
বর্তমানে অনেক খোলা জায়গায় কলা গাছ হয়। আর তাই কলা গাছ রোদ পায়। যেহেতু কলা গাছ রোদ
কম পায় তাই সূর্যের আলো পাওয়ার জন্য কলার কুড়ি থেকে ফল মধ্যাকর্ষের দিকে বৃদ্ধি পায়।
প্রথমে মাটির দিকে, তারপর আকাশের দিকে বাড়তে থাকায় কলার আকার বাঁকা হয়ে যায়।
পৃথিবীতে
এক হাজারেরও বেশি প্রজাতির কলা রয়েছে। রং, আকৃতি বিশেষে অনেক ধরনের কলা পাওয়া যায়।
তবে সেই সব কলার মধ্যে বেশিরভাগ কলাই বাঁকা। তবে সোজা কলা পাওয়া যায় না এ ধারণা একেবারেই
ভুল। এমন অনেক প্রজাতির কলা আছে, যেগুলি সূর্যের দিকে বাড়ে না। অর্থাৎ ওদের বৃদ্ধির
ক্ষেত্রে ঋণাত্মক জিওট্রপিজমের কোনও ভূমিকা নেই।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
কসবা উপজেলায় ছেলের অটোরিকশা থেকে পড়ে ট্রাক চাপায় মাসুমা বেগম (৪০) নামে এক নারী নিহত
হয়েছে। মাসুমা বেগম উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের কবির হোসেনের স্ত্রী।
শুক্রবার
(২৬ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা গ্রামের কসবা-নয়নপুর
সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ওষুধ কিনতে ছেলের চালানো অটোরিকশায় করে
কসবা বাজারে যাচ্ছিলেন মাসুমা বেগম। পথে আকছিনা এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে আসা একটি
দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি অটোরিকশা থেকে ছিটকে ট্রাকের নিচে
চাপা পড়েন।
পরে
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কসবা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক অনিক ইসলাম বলেন, ‘নিহতের মাথায় গুরুতর
আঘাত লেগেছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা
হচ্ছে।’
কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন