

বাংলাদেশ
নারী ফুটবল দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দুবার শিরোপা জিতেছে। এবার দেড় কোটি টাকা দেওয়ার
ঘোষণা দিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) বাফুফের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে
সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মিডিয়া কমিটির প্রধান আমিরুল ইসলাম বাবু। সেখানেই সাবিনা-মারিয়া-তহুরাদের
দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাটি দেন তিনি।
এর
আগে সাফ শিরোপা জেতায় চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের ১ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ক্রীড়া
মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকেও এসেছিল পুরস্কারের ঘোষণা।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদ বিভাগের ৪১তম সভায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ
নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আজ
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
সভাপতিত্ব করেন।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং ও তথ্য বিবরণী থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায়
বিদ্যুৎ বিভাগের ‘বেসরকারি অংশগ্রহণে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভর বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ
উৎপাদন/বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা, ২০২৫’,
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ‘টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালা, ২০২৫’ এবং আইন ও বিচার বিভাগের
‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (তৃতীয় সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।
এসব
খসড়াসমূহ লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শকে ধারণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
শুক্রবার বিকেলে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘নাগরিক সমাজ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া যখন জীবিত ছিলেন, আমি তাঁর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতাম। তখন প্রায়ই বলতাম—বেগম জিয়া ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, তিনি এখন ভালো আছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ কি ভালো আছে বা ভালো থাকবে? বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম খালেদা জিয়াকে ধারণ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় যখন বন্দি ছিলেন, তখন তাঁর পক্ষে কথা বলার সুযোগ আমার হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় তাঁর পক্ষে কথা বলার মানুষ খুঁজে পাওয়া যেত না।”
স্মৃতিচারণ করে আইন উপদেষ্টা বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে বিচারটি হয়েছিল, সেটি ছিল অদ্ভুত ও উদ্ভট। সেই মামলার শুনানিতে অন্য পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে তিনি গভীরভাবে শকড হয়েছিলেন।”
তিনি বলেন, “বেগম জিয়া বিস্মিত ও ব্যথিত হয়ে বলেছিলেন—‘আমি মেরে খেয়েছি এতিমের টাকা?’ অথচ সেই আবেগপূর্ণ প্রশ্নকেই বিচারক রায়ে লিখেছেন যে, বেগম জিয়া নিজেই নাকি অপরাধ স্বীকার করেছেন।”
আসিফ নজরুল বলেন, এই ঘটনাগুলো দেশের বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক মো. আলা উদ্দিন আল মামুন সব সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য পাঠানো নির্দেশনাটিতে আগামী ২ জানুয়ারির মধ্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন করার জন্য মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এতে বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ আগামী ২ জানুয়ারির মধ্যে অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে। সে পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তিত তারিখ পাঠিয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।
আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ১০৩টি। ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন ও নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮৫২ জন।
নির্বাচনে ২৭টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৯৬ জন। তবে উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা এলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে বা কমতে পারে।
চার লাখ ছয় হাজার ৩৬৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তাদের ভোটগ্রহণের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন , দুই লাখ ৮৭ হাজার ৭২২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৪৪৩ জন পোলিং কর্মকর্তা। মোট নয় লাখ নয় হাজার ৫২৯ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।
ইসি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে স্কুল-কলেজের শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তাসহ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নিয়োগ করেছে ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যুবসমাজের জীবন উৎসর্গ এবং অদম্য
নেতৃত্বের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে যুগান্তকারি পরিবর্তন ঘটেছে। একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও
সমৃদ্ধ দেশ গড়ার লক্ষ্যে তারা জীবন দিয়েছে। তরুণদের এই স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়ে
তুলতে বিদেশী বন্ধুদের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
নিউইয়র্ক সময় মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা বিদেশী বন্ধুদের উদ্দেশে আরও বলেন, তরুণদের আত্মত্যাগ আমাদের সামনে বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। আমরা এই সুযোগ হারাতে চাই না। বিদ্যমান রাষ্ট্র কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলোর আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে তরুণরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চায়। এটি বাস্তবায়নে আপনাদের সবার সমর্থন প্রয়োজন।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের
সদস্যপ্রাপ্তির ৫০তম বছর উদযাপন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পাকিস্তানের
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ডোনাল্ড লুসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
বাংলাদেশ ১৯৭৪
সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে।
সংবর্ধনা আয়োজনে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আরও ছিলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ
আবদুল মুহিত, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ,
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি মাহফুজ আলম, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম
প্রমূখ।
অধ্যাপক ইউনূসের
সঙ্গে আলোকচিত্রী ও লেখক শহিদুল আলম শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাগুলো
নিয়ে লেখা দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।
শিক্ষার্থীদের
আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গোটা জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। যারা নতুন বাংলাদেশের
স্বপ্ন দেখেছিল আমরা তাদের হতাশ করতে চাই না।
প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কারের মাধ্যমে একটি নতুন নির্বাচনী ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে তার সরকার কাজ করছে
বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ড. ইউনূস বলেন,
যুবসমাজের সামনে কোন স্বপ্ন ছিল না। স্বৈরাচার তাদের স্বপ্ন ও ভব্যিষতকে ধ্বংস করে
দিয়েছিল। তাই তারা স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে বুলেটের সামনে দাঁড়াতে পিছপা হয়নি।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ জেলার পুরোহিতপাড়া এলাকা থেকে ১টি পিস্তল, ৩টি রিভলবারসহ বিপুল পরিমান দেশি অস্ত্র উদ্ধার, একই সঙ্গে ৪৭টি ককটেল, ৫টি ফেনসিডিলসহ ২৭৯টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে সংশ্লিষ্ট মামলায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ আসামিদের ময়মনসিংহের চিফ জুডিসিয়াল আদালতে পাঠিয়েছে ।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: জামিল হোসেন (২৪) ও মো. সেলিম মিয়া (৬৫)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা চিহ্নিত মাদক কারবারি।
এর আগে ১০ জুন রাতে নগরীর পুরোহিতপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন।
জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে আসামিরা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল ও মাদক কারবারি চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে থানায় ৪টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় ২টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৭দিনের রিমান্ড এর আবেদর করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৯০ হাজার সেনাসদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আড়াই হাজারেরও বেশি নৌবাহিনীর সদস্য এবং বিমানবাহিনীর একটি অংশ নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবে। প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি কোম্পানি সেনা সদস্য অবস্থান করবে বলে জানা গেছে।
গত শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিন বাহিনীর প্রধানরা নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা “ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে” অবহিত করেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা তিন বাহিনীর প্রধানদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—দেশের জনগণ যেন নির্ভয়ে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে।”
বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সামরিক বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে “ড. ইউনূস” বলেন, গত ১৫ মাসে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নিষ্ঠা ও পরিশ্রম দেখিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়।
এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানরা আগামী ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আয়োজন উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টাকে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল “ওয়াকার-উজ-জামান”, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে
যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে কাতার
এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের
উদ্দেশে রওনা হন প্রধান উপদেষ্টা। নিরাপত্তা, গণমাধ্যমকর্মীসহ সব মিলিয়ে মোট ৫৭ জন
প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন।
সফরকালে নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান,
নেপাল, ইউরোপীয় কমিশন প্রধান, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক
করবেন প্রধান উপদেষ্টা। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা
নেই।
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪
সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউনূস-বাইডেন বৈঠকে বসবেন। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক
সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি আঞ্চলিকভাবে অন্তর্বর্তী সরকার যে প্রতিকূলতার মধ্যে
রয়েছে, সেটি নিয়ে বাইডেনের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।
এছাড়া ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ
পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন ড. ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায়
বাংলাদেশের সুদৃঢ় অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত, রোহিঙ্গা সংকট, টেকসই উন্নয়ন
লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সমস্যা, সম্পদের অবৈধ পাচার রোধ,
অভিবাসী অধিকার রক্ষার মতো বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
তৌহিদ হোসেন।
আগামী শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে
প্রধান উপদেষ্টা সফর শেষ করে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার পথে রওনা হবেন।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সেনাসদরে
সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের প্রতিনিধি
দল।
উল্লেখ্য, আগামী ১৬ই অক্টোবর ২০২৪ তারিখে
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব 'শুভ প্রবারনা' অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিবর্গ উৎসবটি অত্যন্ত ধর্মীয় মর্যাদায়
ও ভাবগম্ভীর্যে উদযাপন করে থাকেন। এ উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বৌদ্ধ পল্লী, জনপদ
ও বিহার গুলোতে সপ্তাহব্যাপী বিবিধ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। উক্ত উৎসব চলাকালীন শান্তি-শৃঙ্খলা
ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের প্রতিনিধি
দল সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য সেনাবাহিনী
প্রধানকে আমন্ত্রণ জানান। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান সমতলের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে
'শুভ প্রবারনা' ও 'কঠিন চীবরদান' উদযাপন উপলক্ষে আর্থিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদানের
অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসব সমূহ
পালন করার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস প্রদান
করেন এবং প্রতিনিধি দলের সদস্যগণকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে নিবিড়ভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বর্তমানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেক বাংলাদেশী তার নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসবসমূহ অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করবেন- এই প্রত্যাশা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর।
মন্তব্য করুন


ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রাজশাহীর কাটাখালী এলাকা থেকে কিশোর গ্যাং ‘জনি বাহিনী’র প্রধানসহ ৯ জনকে আটক করেছে র্যাব। রাজশাহীর ভয়ংকর কিশোর গ্যাং হিসেবে পরিচিত জনি বাহিনী।
শনিবার (৮ জুন) দিনগত রাতে জনি বাহিনীর ৯ জনকে আটক করা হয় কাটাখালীর শ্যামপুর পশ্চিমপাড়া থেকে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ধারালো চাকু ও ৩টি টিপ চাকু উদ্ধার করেছেন র্যাব।
র্যাব-৫ রাজশাহীর সিপিএসসি মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাদের ৯ জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলো: জনি বাহিনীর প্রধান জনি ইসলাম (২৩), আবদুল মান্নান খাঁ (২০), আবু হানিফ (১৯), কুরমান আরী (২২), মাসুম আলী (২৭), মো. সাগর (২০), টিপু সুলতান (২০), নুরমান ইসলাম (২০) ও সুজন আলী (৩০)।
রোববার দুপুরে র্যাব-৫ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটককৃতরা চাঁদাবাজি, জমিদখল ও ভাড়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। এলাকায় তারা ‘জনি গ্যাং’ বা ‘জনি বাহিনী’ হিসেবে পরিচিত। অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে ১০টি মামলা রয়েছে বাহিনীর প্রধান জনির বিরুদ্ধে।
র্যাব-৫ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, জনি বাহিনীর সদস্যরা শনিবার রাতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় খবর পেয়ে জনি বাহিনী’র প্রধানসহ ৯ জনকে আটক করে নিজ কার্যালয়ে নিয়ে যায় র্যাব।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার দুপুরে তাদের কাটাখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া আটককৃতদের নামে মামলা দেওয়া হয়। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতা, ক্ষোভ ও
বিচারপ্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে।
রোববার
(১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির এক মতবিনিময়
সভায় তারা রাষ্ট্রীয় বিচারহীনতা, অবহেলা এবং পুনর্বাসনের অভাবের চিত্র তুলে ধরেন।
সভায়
নারায়ণগঞ্জের শহীদ আবুল হাসান সজলের ভাই রনি বলেন, আমার ভাইকে আমার চোখের সামনে গুলি
করা হয়েছে। আমাকে সে হাসপাতালে শুয়ে জিজ্ঞেস করেছে, হাসিনার পতন হইছে কি না? আমি বলছি,
পালাইছে। সে বলছে, আলহামদুলিল্লাহ। ভবিষ্যতে যে সরকারই আসুক, আমরা যেন বিচার পাই।
শহীদ
মিরাজের বাবা আব্দুর রব বলেন, আমার সন্তান মিরাজের বয়স ২৯ ছিল। মোবাইলে ভিডিও করে সে
সবাইকে দেখাতে চেয়েছিল। তাকে মেরে ফেলেছে। আমার আহ্বান, আগামীতে যারা পার্লামেন্টে
যাবে, সে সময় জুলাই সনদ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে বাস্তবায়ন করবেন।
সংক্ষিপ্ত
কিন্তু গভীর বেদনার ভাষায় শহীদ পরিবারের সদস্য তামান্না বলেন, আমার দুইটা সন্তান বাবা
বলে ডাকতে পারে না। আনোয়ারুল ইসলাম জীবন নামে একজন শহীদের ভাই অভিযোগ করে বলেন, আমার
ভাইকে আমার চোখের সামনে ৫ আগস্ট মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
আন্তর্জাতিক
ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে গিয়েছিলাম, সেখানে তামিম নামে একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছে,
আমার ভাই কোন দল করত। আমি বলেছি, সে বিএনপি করত। আমার মামলা নেওয়া হয়নি, বরং আমাকে
লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি তারেক রহমান স্যারকে বলি, আমার ভাই বিএনপি করত, এটা কি অপরাধ?
আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন, বাংলাদেশের সব শহীদের বিচার দৃশ্যমান করবেন। শহীদ পরিবারগুলো
যেন হেনস্তা না হয়। এই ইন্টেরিম সরকার কোনো বিচার করতে পারেনি। ছাত্রদের রক্তের ওপর
দিয়ে তারা ক্ষমতায় এসেছে। শহীদদের জন্য তারা কিছুই দৃশ্যমান করতে পারেনি।
জুলাইয়ে
গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ শাহিন বলেন, রাজপথে যখন আমরা আন্দোলনে নেমেছিলাম, জনাব তারেক রহমান
বলেছিলেন, ‘দফা এক, দাবি এক: খুনি হাসিনার পদত্যাগ’। হাসিনা যদি আমাদের দাবি মেনে নিত,
পদত্যাগ করত, এত রক্ত কখনোই ঝরত না। আহত ও নিহত পরিবারদের জন্য জনাব তারেক রহমান ছাড়া
আর কেউ কিছু দিতে পারবে না।
শহীদ
আহনাফের মা বলেন, আমার ছেলে ৪ আগস্ট মিরপুরে আন্দোলনরত অবস্থায় ডান বুকে গুলি লেগে
মারা যায়। তার স্বপ্ন ছিল ব্যান্ড শিল্পী হবে। তার কোনো স্বপ্নই পূরণ হলো না। জনাব
তারেক রহমান, আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন তাহলে আমাদের সব শহীদের হত্যার বিচার করবেন। আমার
ছেলের খুনি তার নিজের ঘরে বসবাস করছে, তার কোনো বিচার হচ্ছে না। আজ আমাদের সন্তানের
রক্তের ওপর বসে যারা আমাদের সঙ্গে বেইমানি করছে, আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার যে
শহীদদের হত্যার বিচার করবে, সেটা আমরা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। অনেকেই বলে, বিএনপি
ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হবে। আপনিও তো অনেক নির্যাতিত হয়েছেন। আপনি ক্ষমতায়
এলে যেন এই বিচার হয়। আপনার কাছে সব শহীদ যেন সমান থাকে শুধু নিজের দলের না। আমরা কোনো
দল করি না।
শহীদ
আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা বলেন, আমার ছেলে জীবিত থাকলে এবার ইন্টার পরীক্ষা দিত। আমার
ছেলে শহীদ হওয়ার ১৪ দিন পর আমার ছোট ছেলের ব্রেন ক্যানসার ধরা পড়ে। আমরা বিএনপি পরিবার
আমার ছেলের পুরো ক্যানসারের খরচ বহন করেছে। আমি কোনো রাজনীতি করি না। আমার ছেলে মারা
যাওয়ার সাত মাসের মাথায় আমার স্বামী স্ট্রোক করে মারা যায়। তারেক রহমান আমাকে ফোন করে
বলেছেন, তিনি আমার পাশে আছেন। গত ১৭ মাসে তাদের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি, কৃতজ্ঞতা
থেকে তা স্বীকার করতেই হবে বিএনপির পরিবার আমাদের পাশে ছিল। কিন্তু এই ইন্টেরিম সরকার
কী করেছে? আমি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে তিন দিন গিয়েছি। আমার ছেলে চিকিৎসা পায় না,
অথচ উনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিতে যান এটা কীভাবে হয়? আমাদের পরিবার পাশে না থাকলে আমার
ছেলের চিকিৎসা করতে পারতাম না। আমি তারেক রহমান স্যারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।
শহীদ
শাহরিয়ার হাসান আলভির বাবা বলেন, আলভি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ৪ আগস্ট মিরপুরে
গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। রাষ্ট্রের জন্য আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি। কিন্তু
এই ১৮ মাসে একটি হত্যার বিচারও আমরা দেখিনি। ট্রাইব্যুনালের নামে সেখানে বাণিজ্য চলছে,
বিচার হচ্ছে না। তারেক রহমানের কাছে আমার দাবি, আমাদের শহীদ পরিবার কীভাবে ভালো থাকবে
সেটা উনি নিশ্চিত করবেন।
শহীদ
ইমাম হাসান তাইমের ভাই বলেন, যাত্রাবাড়িতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল,
সেটা ছিল আমার ভাই। আমার বাবা একটা কথা বলেছিল, একটা মানুষকে হত্যা করতে কয়টা গুলি
লাগে, স্যার? গুলি করে পাখির মতো মানুষ মারা হয়েছে। আমাদের শহীদ পরিবারকে মনে হয় ইন্টেরিম
সরকারকে বলতে হবে, বিচার দাও, না হলে মানচিত্র খাবো। আমরা বিচারের জন্য প্রতিটি দ্বারে
দ্বারে গিয়েছি। আমি নাহিদ ভাইয়ের কাছে গিয়েছি, উনার কারণে আমার ভাইয়ের তিন খুনি পালিয়ে
গেছে। আমি আসিফ ভাইয়ের কাছেও গিয়েছি। তারেক রহমানের কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ, আপনি যখন
ক্ষমতায় যাবেন, শহীদদের হত্যার বিচার করবেন। অনেক শহীদের সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে
গেছে। আমি বহুবার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছি। আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা যেন আমাদের সঙ্গে
অবিচার না করেন। আল্লাহ তায়ালা ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না।
রংপুরে
শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, আমার ছোট ভাই আবু সাঈদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের
মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার হত্যার বিচার এখনো হয়নি। যেসব হত্যা মানুষ চোখে দেখেনি,
সেগুলোর বিচার কীভাবে হবে? জনাব তারেক রহমানের কাছে আমার আবেদন, আহত ও নিহত পরিবারগুলোকে
যেন পুনর্বাসন করা হয়।
সবশেষে
মীর মুগ্ধের বাবা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে দানব-নরপিশাচ মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত করতে
চাই। আগামী দিনে যে সরকার আসবে, যারা আহত হয়েছে, শহীদ হয়েছে, শহীদ পরিবারের মধ্যে যারা
আর্থিক সংকটে আছে, তাদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানাব। মতবিনিময় সভাজুড়ে
শহীদ পরিবারগুলোর বক্তব্যে উঠে আসে বিচারহীনতার ক্ষোভ, রাষ্ট্রীয় অবহেলার বেদনা এবং
ভবিষ্যতে একটি দায়বদ্ধ সরকারের প্রতি তাদের প্রত্যাশা।
মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব
করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও মঞ্চে না বসে অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের
সঙ্গে বসেন।
এ
সময় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার তারেক রহমানের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে নিজেদের দুর্দশার
কথা জানান। তিনি নিজেও অনেককে ডেকে নিয়ে কথা বলেন।
মন্তব্য করুন