লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত ৬ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত ৬ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
সংগৃহীত

লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত ছয় জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে শহিদ হয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে চকরিয়া এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে শহিদ হন তিনি।

পরে ওই এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে চিরুনি অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত জনকে আটক করা হয়। সময় আটকদের কাছ থেকে দুটি দেশিয় আগ্নেয়াস্ত্র, ১১ রাউন্ড গুলি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি, একটি পিকআপ একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃতদের মধ্যে জন প্রত্যক্ষভাবে সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। অবশিষ্ট দুজন তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে। 

আটকরা হলো- মো. বাবুল প্রকাশ (৪৪), মো. হেলাল উদ্দিন (৩৪), মো. আনোয়ার হাকিম (২৮), মো. আরিফ উল্লাহ (২৫), মো. জিয়াবুল করিম (৪৫) এবং মো. হোসেন (৩৯)

ডাকাত দলের অন্যান্য জড়িত সদস্যদের আটক করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটকদের চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাসদস্য বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল ভিসা দেওয়ার আহ্বান জানান ড. ইউনূস

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল ভিসা দেওয়ার আহ্বান জানান ড. ইউনূস
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল ভিসা দেওয়ার আহ্বান জানান ড. ইউনূস

মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল ভিসা দেওয়ার এবং মালয়েশিয়ায় পেশাজীবী ও কর্মী বাড়ানোর আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। একইসঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সফর নিয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার ‘মহান বন্ধু’হিসেবে উল্লেখ করে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ করেছেন।

ঢাকায় এলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনারসহ লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

দুই নেতার মধ্যে একটি একান্ত বৈঠক ও একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

বৈঠকের সময় দুই নেতা দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ডেটা সায়েন্স, সেমি-কন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অর্থ, স্বাস্থ্য, উচ্চ শিক্ষা, কৃষি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও হালাল অর্থনীতিসহ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

উভয় নেতা শিগগিরই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে পরবর্তী দফা আলোচনা করতে সম্মত হন।

আগামী বছরের শুরুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ কমিশনের বৈঠকে বসতেও সম্মত হন তারা।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও বিশ্বের অন্যত্র ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশাল অবদানের প্রশংসা করেন।  

প্রধান উপদেষ্টা একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়পরায়ণ বাংলাদেশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত চলমান সংস্কার উদ্যোগ সম্পর্কে সফররত প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

‘আমরা একটি নতুন বাংলাদেশে যাচ্ছি, যা আমাদের গর্বিত করবে’- বলেন অধ্যাপক ইউনূস।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথকে ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনতে’ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টার প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়
ফাইল ছবি

প্রচণ্ড গরমে দেশব্যাপী জারি রয়েছে তিন দিনের জন্য সতর্কতামূলক হিট অ্যালার্ট। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যশোরে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। অন্যদিকে রাজধানী ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও এদিন ছিল ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 দাবদাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তীব্র দাবদাহের কারণে হিটস্ট্রোক বা সানস্ট্রোকে সারা দেশে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।  

এই যখন অবস্থা, তখন গরমের দেশ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর কোনোটিরই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বাংলাদেশের চেয়ে বেশি ছিল না।

এছাড়া ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে ২১ ডিগ্রি, বাহরাইনের রাজধানী মানামার তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি, ইরানের তেহরানে ২৬ ডিগ্রি, সিরিয়ার আলেপ্পোতে ২৫ ডিগ্রি, তুরস্কের আঙ্কারায় ১১ ডিগ্রি, ইরাকের বসরাতে ৪০ ডিগ্রি, সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সৌদির জেদ্দাতে ৩৩ ডিগ্রি, কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটিতে ৩৬ ডিগ্রি, ওমানের মাস্কাটে ২৮ ডিগ্রি, ইয়েমেনের রাজধানী সানাতে ২৫ ডিগ্রি এবং ইসরায়েলের তেলআবিবে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়াভিত্তিক অ্যাপ ‘অ্যাকুওয়েদার’-এর তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জর্ডানের রাজধানী আম্মানের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি, ইরাকের বাগদাদের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি, লেবাননের রাজধানী বৈরুতের তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি, কাতারের দোহারে তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি, তুরস্কের ইস্তাম্বুলের তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহ অন্য সময়ের রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে। এপ্রিলের পাশাপাশি এবার মে মাসও উষ্ণতম মাস হতে যাচ্ছে। মে মাসে তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশের আবহাওয়া বিভাগ।

একনজরে দেখে নিন হিটস্ট্রোকের লক্ষণগুলো

প্রচণ্ড মাথাব্যথাহিটস্ট্রোকের ঝুঁকিতে থাকলে প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। এ ছাড়া গরমে মানুষের মাইগ্রেন ট্রিগার করতে পারে। এটি হিটস্ট্রোকের অন্যতম একটি লক্ষণ হতে পারে।

বেশি তৃষ্ণা অনুভব ও অতিরিক্ত ঘামানো : হিটস্ট্রোকের আগে অনেক বেশি তৃষ্ণা অনুভব হবে, সেইসঙ্গে ডিহাইড্রেটেড এবং আড়ষ্টতা অনুভব হতে পারে। শরীর নিজেকে ঠান্ডা করার জন্য অতিরিক্ত ঘাম তৈরি করতে পারে।

 হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পাওয়াহিটস্ট্রোকের আগে হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পেতে পারে।

শ্বাসকষ্ট হিটস্ট্রোকের অন্যতম লক্ষণ হলো শ্বাসকষ্ট এবং দ্রুত ও ভারী শ্বাস-প্রশ্বাসও।

দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়াতীব্র গরমের কারণে শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কাজ করে। এতে শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা তৈরি হয়। ব্যক্তি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে। এগুলো হিটস্ট্রোকের লক্ষণ।

পেশিতে ব্যথা : হিটস্ট্রোকের আগ মুহূর্তে পেশিতে ব্যথা অনুভব হতে পারে। যদিও সাধারণ ব্যথা ভেবে অনেকে এটাকে তেমন গুরুত্ব দেয় না।

কথা জড়িয়ে যাওয়া : হিটস্ট্রোকের আগে যেসব লক্ষণ দেখা যায়, তারমধ্যে একটি হলো কথা জড়িয়ে যাওয়া। ব্যক্তি অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করতে পারে।

বমি বমি ভাবমাথাব্যথা, দ্রুত হৃৎস্পন্দন ও হাইপারভেন্টিলেশন থেকে অক্সিজেনের অভাব ইত্যাদির কারণে হিটস্ট্রোকের আগে বমি বমি ভাব হতে পারে।

বিরক্তি-বিভ্রান্তি : মাত্রাতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রোকের আগে মানুষ বিরক্ত বোধ করতে পারে, রাগান্বিত হতে পারে, অযৌক্তিক কথা বলতে পারে এবং এমনকি প্রলাপ বকতে করতে পারে।

ঘাম না হওয়া : হিটস্ট্রোকের আরেকটি লক্ষণ হলো প্রচণ্ড গরমেও ঘাম না হওয়া। সাধারণত এর মানে হচ্ছে, শরীরে ঘাম হওয়ার মতো পানি আর নেই বা শরীরের প্রাকৃতিক শীতল প্রক্রিয়াটি কাজ করছে না।

চিকিৎসকদের মতে, হিটস্ট্রোক এড়াতে শরীর হাইড্রেট রাখার কোনো বিকল্প নেই। তাপমাত্রা বেশি হলে ঢিলেঢালা এবং হালকা রঙের পোশাক পরে ঘরের বাইরে যেতে হবে। সূর্যের আলো থেকে চোখকে রক্ষা করতে সানগ্লাস ব্যবহার করা। প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। তবে কৃত্রিম চিনিযুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে।

 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০

রাষ্ট্র সংস্কারে জামায়াতের ১০ প্রস্তাব

রাষ্ট্র সংস্কারে জামায়াতের ১০ প্রস্তাব
সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র সংস্কারে দলের প্রস্তাব প্রকাশ করেছেন। দলটি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রাখা, পুলিশের জন্য স্বাধীন কমিশন গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে। এ সময় রাষ্ট্র সংস্কারে সেক্টর অনুযায়ী আলাদা আলাদা ১০টি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে দলটি।

বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত 'রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবনা' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।


এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। নিহত এবং আহতদের জন্য দোয়া কামনা করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ।

জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, এই ১০ প্রস্তাব শুধুমাত্র অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য। নির্বাচিত কোনো সরকারের জন্য নয়।


এই সরকারের কাছে তাদের মোট ৪১টি প্রস্তাব আছে, যার মধ্যে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গণমাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

জামায়াতের সংস্কারের প্রস্তাবগুলো হলো--

১. আইন ও বিচার

● উচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগের জন্য সুষ্ঠু ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

● বিচার বিভাগ থেকে দ্বৈত শাসন দূর করতে হবে।

● বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

● আইন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে বিদ্যমান আইনসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও গণমানুষের মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যশীল আইন প্রণয়ন করতে হবে।

● ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ওসকল কালো আইন বাতিল করতে হবে।

● বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● নিম্ন আদালতের যথাযথ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য পৃথক বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করতে হবে।

● সকল ফৌজদারি মামলা তদন্তের জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

● দেওয়ানি মামলার জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর এবং ফৌজদারি মামলাসমূহ সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধান করতে হবে।

২. সংসদ বিষয়ক সংস্কার

● সংসদের প্রধান বিরোধীদল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার মনোনীত করতে হবে।

● সংসদীয় বিরোধী দলীয় নেতার নেতৃত্বে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

● সংসদে বিরোধী দলীয় সদস্যদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।

৩. নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার

● জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক ব্যবস্থা (Proportional Representation-PR) চালু করতে হবে।

● সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে স্থায়ীভাবে সন্নিবেশিত করতে হবে।

● নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রত্যাখ্যাত ইভিএম ভোটিং ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।

● কোনো সরকারি চাকরিজীবী তাদের চাকরি ছাড়ার কমপক্ষে ৩ বছরের মধ্যে কোনো ধরনের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

● স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করতে হবে।

● অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ২০০৮ সালে প্রবর্তিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা বাতিল করতে হবে।

● নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রধান বিচারপতির সমন্বয়ে সার্চ কমিটি গঠিত হবে।

● জাতীয় সংসদ নির্বাচন একাধিক দিনে অনুষ্ঠিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

● ঘওউ- ব্যবস্থাপনা নির্বাচন কমিশনের অধীনে আনতে হবে।

৪. আইনশৃঙ্খলা সংস্কার

ক) পুলিশ বাহিনীর সংস্কার

● ১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার প্রণীত পুলিশ আইন পরিবর্তন এবং পুলিশের জন্য একটি পলিসি গাইডলাইন তৈরি করতে হবে।

● পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং চাকরিচ্যুতির জন্য স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন করতে হবে।

● নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যক্তির সুপারিশের সুযোগ রাখা যাবে না তথা সর্বপ্রকার দলীয় ও ব্যক্তিগত প্রভাব বা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।

● পুলিশ ট্রেনিং ম্যানুয়ালের মধ্যে ধর্মীয়  শিক্ষা ও নৈতিক অনুশাসন অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

● পুলিশের মধ্যে মারণাস্ত্রের ব্যবহার বাতিল করতে হবে।

● রিমান্ড চলাকালে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে আসামি পক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতি এবং মহিলা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের অভিভাবকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

● বিচার বিভাগীয় সদস্যদের দ্বারা পুলিশ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান থাকতে হবে।

● পুলিশের ডিউটি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা উন্নত করতে হবে।

● ‘পুলিশ আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে আধুনিকায়ন করতে হবে।

খ) র‌্যাব বিষয়ক সংস্কার

● র‌্যাব ও অন্যান্য বিশেষায়িত বাহিনীর প্রতি জনসাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।

● গত সাড়ে ১৫ বছর যারা র‌্যাবে কাজ করেছে তাদেরকে স্ব স্ব বাহিনীতে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং তাদেরকে পুনরায় র‌্যাবে নিয়োগ দেয়া যাবে না।

● বিচারবহির্ভূত সকল প্রকার হত্যাকাণ্ড- বন্ধ করতে হবে।

● র‌্যাবের সামগ্রিক কার্যক্রম মনিটরিং-এর জন্য সেল গঠন করতে হবে। কোনো র‌্যাব সদস্য আইনবহির্ভূত কোনো কাজে জড়িত হলে এই সেল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করবে।

● মিডিয়ার ক্ষেত্রে নীতিমালা প্রণয়ন ও অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।

৫. জনপ্রশাসন সংস্কার

● জনবল নিয়োগ, বদলি, পদায়নে তদবির, সুপারিশ ও দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দিতে হবে।

● যে কোনো চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ না করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

● সরকারি চাকরিতে আবেদন বিনামূল্যে করতে হবে।

● চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আগামী ২ বছরের জন্য ৩৫ বছর ও পরবর্তী বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৩ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে।

● চাকরির আবেদনে সকল ক্ষেত্রে বয়সসীমার বৈষম্য নিরসন করতে হবে।

● সকল সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি নিরোধকল্পে বিশেষ ব্যবস্থা তৈরি করা যাতে করে কেউ দুর্নীতি করার সুযোগ না পায়। এ জন্য প্রয়োজনীয় মনিটরিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে।

● চাকরিতে বিরাজমান আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূর করতে হবে।

● বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সরকারি চাকরিতে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও দলীয় বিবেচনায় চাকরি পেয়েছে তাদের নিয়োগ বাতিল করতে হবে।

৬. দুর্নীতি

● দুর্নীতি দমন কমিশনে পরীক্ষিত সৎ, ন্যায়পরায়ণ, দক্ষ ও যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে হবে।

● রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

● দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্বাধীনতা দিতে হবে।

● বিগত সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার উপযুক্ত বিধান প্রণয়ন ও তা কার্যকর করার পদক্ষেপ নিতে হবে।

● মন্ত্রণালয় ভিত্তিক দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করতে হবে।

● দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন সংস্কার, জনবল ও পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে।

● রাষ্ট্রীয় ও জনগণের সম্পদ অবৈধভাবে ভোগ দখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সুস্পষ্ট আইন প্রণয়ন করতে হবে।

৭. সংবিধান সংস্কার

● রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য রাখার বিধান সংযুক্ত করতে হবে।

● একই ব্যক্তি পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

৮. শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংস্কার

ক) বিরাজমান সমস্যার আলোকে শিক্ষা সংস্কার প্রস্তাব

● ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিকে উচ্চমাধ্যমিক হিসেবে বলবৎ রাখতে হবে। অষ্টম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা বাতিল করে পূর্বের পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে হবে।

● পাঠ্যপুস্তকে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস গুরুত্বের সাথে তুলে ধরতে হবে।

● সকল শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ধর্মীয় মূল্যবোধবিরোধী উপাদান বাদ দিতে হবে।

● সকল শ্রেণিতে নবী করিম সা. এর জীবনীসহ মহামানবদের জীবনী সংবলিত প্রবন্ধ সংযোজন করতে হবে।

● স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিদ্যমান স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে সরকারীকরণ করতে হবে।

● প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে একটি করে কামিল মাদরাসাকে সরকারীকরণ করতে হবে।

● কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষার মূলধারায় যুক্ত করতে হবে।

● Department of Higher Education নামে একটি স্থায়ী  শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে।

● শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত শিক্ষা কমিশনের সকল ধারা তথা সাধারণ, আলিয়া, কওমীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

খ) সংস্কৃতি সংস্কার

● জাতির ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও মূল্যবোধের আলোকে বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।

● জাতির ঐতিহাসিক দিনগুলোকে স্মরণীয় করার লক্ষ্যে বিশেষ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তা পালনের ব্যবস্থা করতে হবে।

● নাটক, সিনেমাসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানগুলো অশ্লীলতামুক্ত করতে হবে। নাটক, সিনেমা ও বিভিন্ন কন্টেন্টে বিভিন্ন ধর্ম, বিশেষ করে ইসলামকে হেয় করা থেকে বিরত থাকার বিধান প্রণয়ন করতে হবে।

● প্রাণীর মূর্তিনির্ভর ভাস্কর্য নির্মাণ না করে দেশীয় প্রকৃতি, ঐতিহ্যকে বিভিন্ন চিত্রাঙ্কন-ভাস্কর্যে তুলে আনতে হবে।

● সকল গণমাধ্যমে শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম প্রচার নিশ্চিত করতে হবে।

৯. পররাষ্ট্র বিষয়ক সংস্কার

● পররাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সকল গণতান্ত্রিক দেশের সাথে সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

● জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় চীন, নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার আন্তর্জাতিক নদীসমূহের পানিবণ্টন চুক্তির উদ্যোগ নিতে হবে।

● আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে।

● অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বিগত সরকারের আমলে সম্পাদিত সকল চুক্তি রিভিউ করতে হবে। এক্ষেত্রে একটি রিভিউ কমিশন গঠন করতে হবে।

● বাংলাদেশকে আসিয়ান জোটভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● শক্তিশালী SAARC পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● কোনো দেশের সাথে চুক্তি অথবা সমঝোতা চুক্তি হলে পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে সেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক উত্থাপন করে বিস্তারিত আলোচনা পূর্বক তা অনুমোদন করতে হবে।

১০. ধর্ম মন্ত্রণালয় সংস্কার

● ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশকে (ইফাবা) রাষ্ট্রের কল্যাণে অর্থবহ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

● ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিকে স্বতন্ত্র সংস্থা বা দপ্তরে রূপান্তর করতে হবে, যাতে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

● ইসলামিক মিশনকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● হজ ব্যবস্থাপনার জন্য স্বতন্ত্র অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● হজ্জ ও উমরার খরচ কমানোর জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● ইসলামিক ফাউন্ডেশনে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেখানে দেশের বরণ্যে আলেমগণ সম্পৃক্ত থাকবেন।

● বিতর্কিত সকল বই বাতিল ও প্রকাশনা বন্ধ করতে হবে।

● সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, আ ন ম শামসুল ইসলাম, এটিএম মাছুম, সাইফুল আলম খান মিলন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নূরুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০

আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণে কাজ শুরু : প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়

আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণে কাজ শুরু : প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়
সংগৃহীত

বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অর্থ আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরানোর কাজ শুরু করেছে সরকার। 

এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বিএফআইইউ, পুলিশের সিআইডি দুদকের সহায়তায় আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশে পাচার করা অর্থ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ পুনরুদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে।

সরকার খুব শিগগির একটি ব্যাংকিং কমিশন গঠন করবে, যারা সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ব্যাংকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করবে এবং ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠনের জন্য ছয় মাসের মধ্যে একটি বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করবে।

কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক দুর্নীতি প্রতারণার মাধ্যমে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং বিদেশে পাচার করেছেন। এর সঠিক পরিমাণ নির্ণয়ের কাজ চলমান আছে। এই আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ লক্ষাধিক কোটি টাকার ওপরে বলে ধারণা করা যায়।

অর্থ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার সহায়তা চেয়ে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু করা হয়েছে।

ধরনের দুর্নীতি অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইতিমধ্যে সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হবে।

নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা এসব অর্থের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং তাদের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ নির্ণয়ে অডিট কার্যক্রম শুরু করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের লক্ষ্য হলো সব আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পরিপালনে সক্ষম একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং খাত গড়ে তোলা। তবে এই উদ্দেশ্য অর্জনের কার্যক্রম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কারিগরি সহায়তা অর্থের প্রয়োজন হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সরকার অর্থ আত্মসাৎকারীদের দেশি-বিদেশি সম্পদ অধিগ্রহণ বিদেশ থেকে ফেরত এনে ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে। ব্যাংকগুলোর এই পুনর্গঠন আর্থিক খাতের কাঠামোগত সংস্কার সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে সরকার বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আন্তর্জাতিক মানের করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০

বছরের প্রথম দিনে শুরু হচ্ছে না ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা

বছরের প্রথম দিনে শুরু হচ্ছে না ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা
সংগৃহীত

নতুন বছরের প্রথম দিনে বাণিজ্য মেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে তা পিছিয়ে জানুয়ারির ৩য় সপ্তাহে করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

জানা যায়, ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন নিয়ে ১৮ ডিসেম্বর ইপিবিতে বৈঠক হয়। নির্বাচনের আগে মেলা পরিচালনা, ক্রেতা সমাগম ও ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে নানা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়। জানুয়ারির ৩য় সপ্তাহের যে কোনো দিন মেলা শুরু করা যায় বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। তবে ঠিক কবে থেকে মেলা শুরু করা যায়, তা পুরোপুরি নির্ভর করবে নির্বাচনের পরবর্তী পরিস্থিতির ওপর।

ইপিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেছেন, এবার নির্বাচনের কারণে ১ জানুয়ারি থেকে বাণিজ্য মেলা শুরু হচ্ছে না। এখনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০

বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘ-র্ষে প্রাণ গেল ১ জনের

বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘ-র্ষে প্রাণ গেল ১ জনের
বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘ-র্ষে প্রাণ গেল ১ জনের

রোববার ভোরে রাজধানীর পল্টনে বাস ও পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে জাকির হোসেন ভুইয়া (৫৪) নামে ১ বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত হয়েছে।

রোববার (১৭ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে পল্টন মোড়ে।

মুমূর্ষু অবস্থায় জাকিরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত জাকির মার্কেন্টাইল ব্যাংকের নোয়াখালী সেনবাগ শাখার সেকেন্ড ম্যানেজার। তার বাড়ি ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায়। বর্তমানে দুই মেয়েসহ পরিবার নিয়ে তিনি রাজধানীর বাড্ডার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পাশের এলাকায় থাকতেন।

পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফউল্লাহ জানান, ভোরের দিকে পল্টন মোড়ে একটি ট্রাক ও ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে একটি রিকশাও চাপা পড়ে। এ সময় গুরুতর আহত হন রিকশাচালক ও এক আরোহী। খবর পেয়ে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক জাকিরকে মৃত ঘোষণা করেন। রিকশাচালক স্বপন (৩৫) প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন।

তিনি জানান, এ ঘটনার পর ট্রাক ও বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক দুজনই পালিয়েছেন।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিরুল আমীন জানায়, পেঁয়াজ বোঝাই একটি ট্রাক ও বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় ট্রাকটি উল্টে পাশে থাকা একটি রিকশার ওপরে পড়ে। এতে রিকশায় থাকা ওই ব্যাংক কর্মকর্তা মারা যান। এ ঘটনার পরপরই দুটি যানবাহন পুলিশ জব্দ করলেও ট্রাক ও বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০

৩২টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর

৩২টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর
ছবি: সংগৃহীত


রাঙামাটিতে চুরি ও হারিয়ে যাওয়া ৩২টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

৭ নভেম্বর সোমবার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মারুফ আহমেদ উদ্ধার করা ৩২টি হারানো মোবাইল প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মারুফ আহমেদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রায় ৩২টি চুরি হওয়া কিংবা হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রকৃত মালিকদের কাছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা পুলিশের কাজ। সেই লক্ষ্যে কাজ করছি আমরা।


global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০

গৌরীপুর আর্মি ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান

গৌরীপুর আর্মি ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান
সংগৃহীত

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪) ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুরে ৪০৩ ব্যাটেল গ্রুপ কর্তৃক স্থাপিত আর্মি ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি গৌরীপুর আর্মি ক্যাম্পে কর্তব্যরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

 

এ সময় সেনাবাহিনী প্রধানকে ময়মনসিংহের ভালুকা ত্রিশাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত করা হয়। পাশাপাশি যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম, আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ৮৪১টি পূজা মন্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, থানাসমূহে পুলিশ সদস্যদের বর্তমান পরিস্থিতি ও কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বেসামরিক প্রশাসন ও বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

 

এ সময় সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।



global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০

৩৫ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি

৩৫ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি
৩৫ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে খালিশপুর ৫৮ বিজিবির সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সীমান্ত থেকে জব্দ হওয়া ৩৫ কোটি টাকা মূল্যমানের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।  

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিজিবির কুষ্টিয়া সেক্টর সদর দপ্তরের কমান্ডার কর্নেল মারুফুল আবেদীন, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ অন্যরা।

বিজিবি জানায়, ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে জব্দ হওয়া ১২ হাজার ৪৬৩ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ১৩ বোতল সিরাপ, ৪৯ হাজার ৮০ বোতল মদ, ৭৬ কেজি গাঁজা, ৮৭১টি ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট ধ্বংস করা হয়। এসব মাদকের বাজারমূল্যে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাকে নৈতিক দায়িত্ব মনে করে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাকে নৈতিক দায়িত্ব মনে করে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের বর্তমান বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে কেবল একটি কর্তব্য নয়, বরং মানবতার প্রতি এক বড় নৈতিক দায়িত্ব মনে করে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। । মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অনুষ্ঠিত ‘ফ্রাংকোফোন পরিবেশে শান্তিরক্ষা বিষয়ক দ্বিতীয় মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

সম্মেলনে বহুপাক্ষিকতাবাদের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের যে শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে আরও সুসংহত হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজও বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার বজায় রেখেছে।

আরও কার্যকর শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এগিয়ে নিতে ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব বাড়ানোর তাগিদ দেন শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, জাতিসংঘের কার্যক্রমে বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে, যা বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

বিশ্ব শান্তির সেবায় জীবন উৎসর্গকারী ১৭৪ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে প্রতিমন্ত্রী আধুনিক শান্তি তৎপরতার উদীয়মান চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরেন। তিনি অপপ্রচার, ডিজিটাল হয়রানি এবং সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে প্রযুক্তির নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একই সঙ্গে তিনি শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে আরও শক্তিশালী ও দূরদর্শী সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে শামা ওবায়েদ স্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত কার্যপরিধি নির্ধারণ, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করা এবং সেনা ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট)-এর মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মিশনপূর্ব উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পরিবেশবান্ধব শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। 

মরক্কো ও ফ্রান্স সরকারের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে মরক্কোয় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফয়জুন্নেসা উপস্থিত ছিলেন।

পরে সন্ধ্যায় শামা ওবায়েদ ‘গ্লোবাল গ্রোথ কনফারেন্স ২০২৬-এ অংশ নেন। সেখানে ‘জিওপলিটিক্স অব ফ্র্যাগমেন্টেশন: পাওয়ার, এস্কেলেশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক রিঅর্ডারিং শীর্ষক একটি অধিবেশনে মূল বক্তা হিসেবে তিনি পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূরাজনীতি এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বিভাজনের কৌশলগত প্রভাবের ওপর বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাশে থাকবে সরকার: মির্জা ফখরুল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৪৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

আমরা এই বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষিকার্ড দেওয়া শেষ করবো: কৃষিমন্ত্রী

গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সড়কের পাশে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১১

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১২

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, শিগগিরই দল হিসেবে বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল

১৪

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৫

‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস

১৭

দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মাদক নিয়ে কোনো আপোষ নয়, প্রয়োজনে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ: এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

১৯

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

২০