

সিলেট-চট্টগ্রামসহ
দেশে বেশ কিছু অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে বৃষ্টি
বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার
(৯ এপ্রিল) বিকেলে কালবৈশাখী ও দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায়
এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে
বলা হয়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১টার মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী,
কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম
দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
একই সময় ওইসব এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে,
আবহাওয়ার নিয়মিত বার্তায় বলা হয়, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম
ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা
হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে
শিলাবৃষ্টি হতে পারে।
এসময়
দেশে দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে
পারে।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের চালক আলমগীরের দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। আটক দুজন হলেন মো. মিলন ও হাবিবুর রহমান হাবিব।
আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর অদূরে সাভারের হেমায়েতপুরের জাদুর চর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুলিবর্ষণের দিন বাইকচালক আলমগীরের সঙ্গে আটক দুই সহযোগীর মধ্যে ব্যাপক যোগাযোগ ছিল। ওই দিন আলমগীরের ফোন থেকে মিলনের নম্বরে ৭৪ বার এবং হাবিবের সঙ্গে ৫২ বার কথা বলার তথ্য পাওয়া গেছে, যা কিলিং মিশনের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এদিকে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও শনাক্ত করেছে র্যাব। ওই মোটরসাইকেলের মালিক আব্দুল হান্নানকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। রোববার তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে ৫৪ ধারায় পল্টন থানায় হস্তান্তর করা হয়।
র্যাব-২ জানায়, আটক হান্নানের বাড়ি মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় হলেও তার স্থায়ী ঠিকানা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হান্নান একাধিকবার বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন। কখনো বলেছেন মোটরসাইকেল বিক্রি করেছেন, আবার কখনো বলেছেন সেটি গ্যারেজে ছিল—তবে কোনো দাবির পক্ষেই তিনি প্রমাণ দিতে পারেননি।
র্যাবের কর্মকর্তারা জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মোটরসাইকেলটির নম্বর (৫৪-৬৩৭৫) শনাক্ত করা হয় এবং বিআরটিএ থেকে যাচাই করে মালিকানা নিশ্চিত করা হয়। হান্নান হামলার প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের পূর্বপরিচিত হলেও দীর্ঘদিন যোগাযোগ নেই বলে দাবি করেছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, ফয়সাল তার ঘনিষ্ঠজন এবং জিজ্ঞাসাবাদে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর পল্টনে বক্স কালভার্ট রোড দিয়ে রিকশায় যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলযোগে এসে শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বাড্ডা থানার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে “বিচার, সংস্কার ও জুলাই সনদ” দাবিতে জাতীয় যুবশক্তির জুলাই যুব সভা।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. তারিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদস্য সচিব ডা. জাহেদুল ইসলাম, মুখ্য সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল এবং কেন্দ্রীয় যুবশক্তির অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
উক্ত সভায় বক্তারা বলেন, সংস্কারের আগে নির্বাচন এটি দেশের মানুষ মেনে নিবেনা। দেশের যুবসমাজ আর আশাহত হতে চায় না। কাঙ্ক্ষিত সংস্কার আজও না পাওয়ার কারণে তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সভা শেষে দেশে চলমান হ-ত্যা, চাঁদাবাজি, এবং স-ন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।
মন্তব্য করুন


ঢাকায়
নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এসওয়াই রমাদান বাংলাদেশের জনগণকে তাঁর দেশের
মানুষের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
গাজায়
মানবিক সংকটের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘খাবার নেই, ওষুধ নেই। শিশুরাই সবচেয়ে
বড় ভুক্তভোগী।’
আজ
রোববার (১৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত
বলেন, বাংলাদেশ সরকার ফিলিস্তিনের জন্য বিশেষ সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। বহু বাংলাদেশি
সেখানে খাদ্য ও ওষুধের জন্য অর্থ পাঠাচ্ছেন। আমাদের জনগণ জানে, এই সাহায্য বাংলাদেশ
থেকে আসছে। আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ।
রাষ্ট্রদূত
রমাদান ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানানোয় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে ইসরায়েলের
প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত তথাকথিত ‘গ্রেটার ইসরায়েল’
মানচিত্র নিন্দা করতে অন্যান্য মুসলিম দেশের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করেন।
তিনি
বাংলাদেশকে ফিলিস্তিনি পণ্য আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত
রমাদান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তাঁর সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং এর সাফল্য কামনা করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি পুনর্ব্যক্ত
করেন। তিনি বলেন, আমাদের জনগণ আপনাদের পাশে আছে। সরকারও তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
তিনি
আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে আরও অনেক দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে এবং শেষ পর্যন্ত
একটি কার্যকর দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান প্রতিষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


গত ৭৬ বছরের
রেকর্ড ভেঙেছে এবারের তাপপ্রবাহ। তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এক ঝলক বৃষ্টি
দেখতে কখনো সাধারণ মানুষ করছেন বিশেষ দোয়া ও পড়ছেন নামাজ,
কেউবা করছেন মন্দিরে বিশেষ প্রাথর্না আবার কেউ করছে হাহাকার।
দাবদাহ কমবে এবং দু-তিন দিনের
মধ্যে দেশজুড়ে হতে পারে বৃষ্টি; এমনি এক সুখবর দিলেন
আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাপমাত্রা সম্পর্কে বলা হয়েছে- সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে এবং লীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকবে।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, মে মাসের প্রথম সপ্তাহ দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে এই বৃষ্টির প্রকোপ বেশি থাকবে। এপ্রিলের বাকি দুদিনও থাকবে তাপপ্রবাহের দাপট। তবে মে মাসের প্রথম সপ্তাহ দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে
দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি অথবা
বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ সহ আবহাওয়া প্রধানত
শুষ্ক থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার
পূর্বাভাস ।
তাপপ্রবাহ নিয়ে আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়েছে, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা ও রাজশাহী জেলা সমূহের ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং ঢাকা বিভাগের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ জেলাসহ বরিশাল, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর জানিয়েছেন, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা সিটির সঙ্গে ৯ মার্চ পৌরসভা, জেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনও আছে। পরিস্থিতি ভালো আছে।
তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বুধবার (৬ মার্চ) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আলমগীর বলেছেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। যে সব জায়গা থেকে চাহিদা এসেছে সেখানে বেশি ফোর্স দিয়েছি। অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটও দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের মূল্যায়ন পরিবেশ ভালো। আশাকরি নির্বাচন ভালোভাবেই হবে। আমাদের প্রস্তুতি সব দিক থেকেই ভালো।
তিনি বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিষয়টা হলো আমাদের প্রকল্পে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। জনবল রাখা হয়নি। এজন্য নিয়মিত কর্মকর্তাদের দিয়েই বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির সহায়তায় রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকি। আমাদের আর্থিক, জনবলের সীমাবদ্ধতা আছে। এজন্য অনেকগুলো ইভিএমই কাজ করছে না। অচল হয়ে যাচ্ছে। ইভিএম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যেগুলো সচল পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোই ব্যবহারের জন্য পাঠানো হচ্ছে।
সিটি ভোটে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না, সে ধরনের কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ভোটের ক্ষেত্রে উত্তেজনা থাকেই। সব প্রার্থীই চায় নির্বাচনে জেতার জন্য। তবে এরকম কোনো ইয়ে নাই ওখানে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হবে, এ ধরনের তথ্য আমাদের কাছে নাই। তারপরও সতর্কতা হিসেবে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন থেকে তারা যে অতিরিক্ত ফোর্স চেয়েছে সেভাবে দিয়েছি। নিয়ন্ত্রণের বাইরে পরিস্থিতি চলে গেলে কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা বন্ধ না করলে আমরা (কমিশন) বন্ধ করে দেবো।
মন্তব্য করুন


এমদাদুল হক সোহাগ, কুমিল্লা:
পাহাড় আর কাপ্তাই লেকের নীল জলরাশির মিতালীতে মুখর পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে বার্ষিক কর্পোরেট ট্যুর সম্পন্ন করেছে কুমিল্লার প্রথিতযশা সিসিএন শিক্ষা পরিবার। গত ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিসিএন ইউএসটি), সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং সিসিএন মডেল কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই আনন্দভ্রমণ বা ‘কর্পোরেট রিট্রিট’ অনুষ্ঠিত হয়। দুই দিনব্যাপী এই ট্যুরে সিসিএন পরিবারের প্রায় ১২০ জন সদস্য রাঙামাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। রাঙামাটির নীল জলরাশি ঘেরা অনন্য সুন্দর ‘দ্যা গ্র্যান্ড হিল তাজ রিসোর্ট’-এ অবস্থানকালে অংশগ্রহণকারীরা এক অনাবিল আনন্দে মেতে ওঠেন। তৈরি হয় প্রকৃতি ও আনন্দের অনন্য মেলবন্ধন।
নৌ-বিহারের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেন শুভলং ঝর্নার শীতল ধারা। পাহারি জীবন, বিভিন্ন ধরনের নৌকার আধিক্য, এছাড়াও আদিবাসী গ্রাম ও স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখার পাশাপাশি কাপ্তাই লেকের সুস্বাদু মাছ ও ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নেন তারা। তাছাড়া আদিবাসীদের পোষাক কিনে, সেই পোষাক পড়ে আবার ঘুরে বেড়িয়েছেন অনেক নারী শিক্ষক-ছোট শিশুরা। এই দৃশ্য অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ভিন্ন আনন্দ যোগ করেন। বিনোদনের অংশ হিসেবে ছিল ডার্ক বোর্ড, ব্যাডমিন্টন ও নারীদের জন্য বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা। রাতের আবহে অনুষ্ঠিত হয় জমকালো বারবিকিউ পার্টি। আধুনিক ও বিলাসবহুল স্যুটের পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় অনেকে রাত কাটিয়েছেন তাঁবুতে (ক্যাম্পিং), যা ট্যুরে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। তাবুতে আবার অনেকে মেতে ওঠেন গান-আড্ডা আর গানের কলি খেলায়। গ্র্যান্ড হিল তাজ রিসোর্ট-টিতে দোলনা হতে শুরু করে রিসোর্টের শৈল্পিক নির্মান বা স্ট্রাকচার অনেকটা ঐতিহাসিক তাজমহলের মতো। নীল জলরাশির কাছাকাছি পাহাড়ের বাজে ভাজে বসার জন্য বেঞ্চ, দোলনা, বাহারি সিড়ি, সবুজের সমারোহ বাড়তি আনন্দ যোগ করে। এর আগে কুমিল্লা থেকে রওনা হওয়া বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের বিশাল বহরটি যখন পাহাড়ের বুক চিরে আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পিচঢালা পথে এগোচ্ছিল, তখন জানালার ওপাশে ধরা দিচ্ছিল প্রকৃতির ভিন্ন এক রূপ। একদিকে আকাশছোঁয়া সবুজ পাহাড় আর বিরল সব বৃক্ষরাজি, অন্যদিকে গভীর খাদের রোমাঞ্চকর সৌন্দর্য—সব মিলিয়ে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় ভাসছিলেন সিসিএন পরিবারের সদস্যরা। যাত্রাপথে দুচোখ ভরে উপভোগ করেছেন পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জনবসতি আর তাদের সহজ-সরল জীবনধারা। পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে প্রকৃতির এই আদিম ও অকৃত্রিম রূপ যেন সফরের ক্লান্তি ভুলিয়ে সবার মনে বুলিয়ে দিচ্ছিল এক প্রশান্তির পরশ।
আনন্দভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন সিসিএন শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ডক্টর তারিকুল ইসলাম চৌধুরী। অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, "কাজের একঘেয়েমি দূর করতে এবং সহকর্মীদের মধ্যে আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক জোরদার করতে এ ধরণের ভ্রমণ অত্যন্ত জরুরি। সিসিএন পরিবার একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি, যা আজকের এই আনন্দঘন পরিবেশের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হলো।" একটি সফল কনভোকেশন শেষে এমন ভ্রমণ আনন্দের মাত্রা বহুগুন বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে আরো বড়ো পরিসরে এমন আয়োজন করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো: জামাল নাছের, লিবারেল আর্টস অনুষদের ডিন ডক্টর আলী হোসেন চৌধুরীসহ অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। ট্যুর কো-অর্ডিনেটর ছিলেন, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে ফিরতি যাত্রা শুরু হয়। ফেরার আগে পাহাড় আর হ্রদের পটভূমিতে সবাই মিলে ফ্রেমবন্দি হন একটি গ্রুপ ছবিতে, যা এই ভ্রমণের স্মৃতিকে অমলিন করে রাখবে। অংশগ্রহণকারীরা জানান, পাহাড়-প্রকৃতির মাঝে এমন আয়োজন তাদের কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারতের
উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ৩৩ বছর পর পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার
বেলডাঙা আজ শনিবার ( ০৬ ডিসেম্বর ) একই নামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তৃণমূল
থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর।
এ
ঘটনা কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদে যেন কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা না ছড়ায়, সে
জন্য যা যা করা দরকার তা করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট।
সরকারকে বলা হয়েছে, এই সম্ভাব্য উত্তেজনা থামাতে এবং শান্তি বজায় রাখতে যা যা করা
দরকার, তার সবই করতে হবে।
এই
প্রেক্ষাপটে রাজ্য প্রশাসন নিরাপত্তার ব্যাপারে সম্পূর্ণভাবে সতর্ক। রাজ্যের অ্যাডভোকেট
জেনারেল কিশোর দত্ত আদালতকে জানিয়েছেন, যে কোনো অশান্তি রোধে পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী
মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল রাজদীপ মজুমদার বলেছেন, সিআইএসএফের
১৯টি কোম্পানি ইতোমধ্যে এই অঞ্চলে উপস্থিত রয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, শুক্রবার সন্ধ্যা
থেকে র্যাফের ইউনিট সহ ৩৫০০ জনের একটি দল রেজিনগর এবং আশেপাশের অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে।
১২ নম্বর জাতীয় সড়কের সুরক্ষার জন্য বিএসএফের দুটি কোম্পানি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


টানা
তিন দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে গাইবান্ধায় দুটি ফিলিং স্টেশনে প্রশাসনের উপস্থিতিতে
সীমিত পরিসরে জ্বালানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। জেলার দুটি ফিলিং স্টেশনে প্রশাসনের কঠোর
নজরদারিতে মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া শুরু হলেও শর্তের কারণে নতুন জটিলতায় পড়েছেন অনেক
চালক।
সোমবার
(২৩ মার্চ) রাত ৮টার দিকে শহরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ‘আর রহমান ফিলিং’
স্টেশনে তেল সরবরাহ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। পুলিশের উপস্থিতিতে পাম্পে জ্বালানি সরবরাহ
নিশ্চিত করা হয়।
এর
আগে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের ডিবি রোডের এসএ কাদির অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে সদর
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থিতিতে তেল বিক্রি শুরু হয়।
জেলা
প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে তেল নিতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে হেলমেট পরা, ড্রাইভিং
লাইসেন্স প্রদর্শন এবং মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। অন্যথায় তেল দেওয়া
হচ্ছে না, বরং জরিমানার মুখে পড়তে হচ্ছে চালকদের।
প্রশাসনের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার জ্বালানি দেওয়া যাবে।
এতে করে একদিকে তেলের অপচয় ও মজুত বন্ধের চেষ্টা করা হচ্ছে, অন্যদিকে কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে
আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে চিত্র ভিন্ন। তেল দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তে
শত শত বাইকার পাম্পে ভিড় করেন। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই তেল পাননি। বিশেষ
করে যারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনেননি, তারা পড়েছেন সবচেয়ে বেশি বিপাকে।
এ
সময় এসিল্যান্ড মো.জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সংকট নিরসনে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিটি
গাড়িতে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা করে জ্বালানি দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে চালকদের হেলমেট, ড্রাইভিং
লাইসেন্স এবং মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র থাকতে হবে। অন্যথায় তেল দেওয়া হবে না এবং তাদেরকে
জরিমানার আওতায় নেওয়া হবে বলেও জানান এসিল্যান্ড।
এসএ
কাদির অ্যান্ড সন্স পাম্পের ম্যানেজার মঞ্জরুল কাদির খোকন বলেন, বিকেলের দিকে ৪০০০
লিটার পেট্রোল এসেছে এবং তারপর একটি ডিজেলের গাড়িও এসেছে। তিন দিন বন্ধ থাকার পর প্রশাসনের
সহায়তায় আজ এই তেল দিতে পারছি আমরা।
তবে,
অপেক্ষমাণ একাধিক বাইকার জানান, হঠাৎ করে এমন নিয়ম কার্যকর হওয়ায় তারা প্রস্তুত ছিলেন
না। কেউ কেউ দুপুর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত তেল না পেয়ে ফিরে গেছেন।
আরজু
নামের এক যুবক বলেন, শুনেছি বিকেল ৩টায় তেল দেওয়া হবে তখন থেকেই কাদিরিয়া পাম্পে অপেক্ষায়
আছি। কেবল টোকেন দেওয়া শুরু করেছে। অনেক বড় লাইন কখন পাব জানি না।
রুম্মান
নামের অপর এক যুবক বলেন, হেলমেট তো আছেই। কিন্তু কাগজপত্র দেখে তেল দেওয়ার বিষয়টি জানি
না। হঠাৎ এ সিদ্ধান্ত বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে। বাইকে তেলও নেই।
অন্যদিকে,
পাম্পে তেল না থাকলেও খোলা বাজারে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ক্রেতাদের
দাবি, এক লিটার তেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ক্ষোভ জানাচ্ছেন অনেকে।
তবে,
পাম্প মালিকদের দাবি, সংকটের অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত চাহিদা এবং কিছু অসাধু চক্রের
তৎপরতা। তারা বাইকে একাধিক পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে নিয়ে পরে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
এ কারণে প্রশাসনের সরাসরি তদারকি ছাড়া তেল বিক্রি করা তাদের পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
এর
আগে একইদিন দুপুরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে পাম্প মালিকদের জরুরি বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়,
প্রতিটি পাম্পে জ্বালানি বিতরণের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ উপস্থিত থাকবে।
একই সঙ্গে হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল না দেওয়ার নির্দেশনা
জারি করা হয়।
গাইবান্ধা
পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান উজ্জ্বল বলেন, তেল
সংকটে জেলার সবগুলো পাম্পই বন্ধ তবে বিকেলের দিকে জেলা শহরের কাদিরিয়া পাম্পে তেল দেওয়া
শুরু হয়েছে।
এছাড়া
তিনি বলেন, আমার এখানে (রহমান ফিলিং স্টেশন) ঈদের আগের দিন থেকে পাম্প বন্ধ থাকার পর
আজ একগাড়ি অকটেন ও ডিজেল এসেছে। রাত ৮টা থেকে বিক্রি শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত অন্যান্য
পাম্প বন্ধ রয়েছে। তেল পেলে তারাও বিতরণ শুরু করবে।
গাইবান্ধার
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক যাদব সরকার বলেন, গাইবান্ধায় তেলের সংকট ও কালোবজারে বিক্রিসহ
সামগ্রিক বিষয়ে আজ পাম্প মালিকপক্ষের সঙে জরুরি মিটিং করেছে জেলা প্রশাসন। সংকট নিরসনে
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক
করতে সংশ্লিষ্ট ডিপো ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করা হয়েছে। প্রয়োজন
হলে লিখিত উদ্যোগও নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,
এর আগে সীমিত আকারে মোটরসাইকেলে ২০০ টাকা, পরে ১০০ টাকার জ্বালানি দেওয়া হলেও পরিস্থিতির
অবনতি হওয়ায় গত এক সপ্তাহের মধ্যেই জেলার ১৭টি পাম্প বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমানে
দুই পাম্পে সরবরাহ শুরু হলেও জেলার সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি।
অন্যান্য পাম্পে সরবরাহ চালু না হওয়া পর্যন্ত ভোগান্তি কমার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন
সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


হংকংয়ের একটি বহুতল আবাসিক ভবনে বুধবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর ভবনের ভেতরে আরও কয়েকজন আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
হংকং ফায়ার সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট জানায়, অগ্নিকাণ্ডে চারজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। তবে এর আগে পুলিশ আটজন হতাহত হওয়ার তথ্য দিয়েছিল। সংখ্যার এই অমিলের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার নয়।
স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে একজন দমকলকর্মী থাকতে পারেন। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তা নিশ্চিত করা যায়নি।
দমকল বিভাগ জানায়, আগুন ভবনের বাইরের অংশে থাকা বাঁশের স্ক্যাফোল্ডিং ধরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে—ফলে মুহূর্তেই তীব্র শিখা ও ঘন ধোঁয়া চারদিকে ছড়িয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সরাসরি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ল্যাডার ট্রাকের ওপর থেকে দমকলকর্মীরা ওপরের তলায় পানি ছুড়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, ইটভাটা জনিত
বায়ুদূষণ রোধে আর কোনো নতুন ইটভাটার ছাড়পত্র দেয়া হবে না। পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন ৩,৪৯১
টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করা হবে। অবৈধভাবে পার্বত্য এলাকায় নির্মিত সব ইটভাটা স্থানান্তর
করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ
সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ ব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং
ওনার্স এসোসিয়েশন (বিবিএমওএ)-এর নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় পরিবেশ উপদেষ্টা এসব
কথা বলেন।
সভায় পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদন, ইটভাটার
আধুনিকায়ন, এবং কার্বন নির্গমন কমানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ইটভাটার
পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, শুধু ভবন নির্মাণই যথেষ্ট নয়, আমাদের
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বায়ুদূষণের কারণে মানুষের
গড় আয়ু ৫-৭ বছর কমে যাচ্ছে। তাই, লাইসেন্স এবং ছাড়পত্র ছাড়া কোনো ইটভাটা পরিচালনা করা
যাবে না। তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়ার
কথাও জানান।
বিবিএমওএ-এর নেতৃবৃন্দ ইটভাটা শিল্পের
চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণের প্রস্তাব দেন। ইটভাটায় সবুজ প্রযুক্তির
ব্যবহার উৎসাহিত করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন এবং উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি প্রদান
করেন।
সভায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত
সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স এসোসিয়েশনের
কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান-সহ কেন্দ্রীয় এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আগত
নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন