

শরিফ
ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড
দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে রায় কার্যকরের জন্য পলাতক ফয়সাল করিমকে গ্রেফতারের নির্দেশ
দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার
(৯ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল মোহসীন এ রায়
ঘোষণা করেন।
মামলা
সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর রাজধানীর আদাবর থানার
বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি বাসায় অভিযান চালায় র্যাব-২। এসময় ফয়সাল করিম মাসুদকে
আটক করা হয়। পরে তার ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাট থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি
উদ্ধার করা হয়।
২০২৪
সালের ৮ নভেম্বর র্যাব সদস্য মো. মশিউর রহমান আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে
অস্ত্র আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রও দেওয়া হয়।
আদালত
সূত্রে জানা যায়, ফয়সাল করিম অস্ত্র মামলায় ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট থেকে
জামিন পান। এছাড়া শরিফ ওসমান হাদি হত্যার পর থেকে তিনি পলাতক।
র্যাব
জানায়, ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন। ওই সময় তার কাছ থেকে জব্দ করা
অস্ত্রের বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ এবং
আলমগীর হোসেনকে গত ৭ মার্চ বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার
বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ)।
৩৭
বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি পটুয়াখালীতে এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি
ঢাকায়।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
পরিস্থিতিতে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ অনড় বলে
জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এই অবস্থান
আইসিসিকে বোঝাতে বাংলাদেশ সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আজ
বুধবার ( ০৭ জানুয়ারি ) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৈঠক শেষে উপদেষ্টা এ
কথা জানান। বৈঠকে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলসহ বোর্ডের পরিচালকরা এবং যুব ও
ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের মর্যাদা- এটার
প্রশ্নে আমরা কোনো আপস করব না। আমরা ক্রিকেট খেলতে চাই, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই। আরেকটা
যে আয়োজক দেশ আছে শ্রীলঙ্কা, আমরা সেখানে খেলতে চাই।
তিনি
বলেন, এই পজিশনে (ভারতে খেলতে না যাওয়া) আমরা অনড় আছি। আমরা কেন অনড় আছি, আমরা আশা
করি সেটা আইসিসিকে বোঝাতে সক্ষম হবো। আইসিসি আমাদের যুক্তিগুলো সহৃদ্যতার সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে
বিবেচনা করে আমরা কষ্ট করে যেটা অর্জন করেছি সেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমাদের খেলার
সুযোগ করে দেবে।
আইপিএল
থেকে মোস্তাফিজুর রহমানের নাম কলকাতা নাইট রাইডার্স বাদ দেওয়ার পর ভারতে টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য আইসিসিকে জানায় বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


ভারতের
রাজধানী দিল্লির উত্তরাঞ্চলে ঘটে গেছে এক হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ড। অভিযোগ উঠেছে, এক
ব্যক্তি তার দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও তিন কন্যাশিশুকে গলা কেটে হত্যা করেছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে সময়পুর বাদলি এলাকায় নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে
ধারণা করা হচ্ছে, পুত্রসন্তান না হওয়ায় ক্ষোভ থেকেই এই নৃশংসতা।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, নিহত নারী অনিতা (২৭)। তার তিন কন্যার বয়স ছিল ৩, ৪ ও ৫ বছর। বুধবার
সকালে প্রতিবেশীরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের মরদেহ দেখতে পান। অভিযুক্ত স্বামী মুনচুন
কেওয়াত ঘটনার পর থেকে পলাতক।
উত্তর
দিল্লির আউটার নর্থ জেলার পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সকাল প্রায় ৮টার দিকে খবর পেয়ে
সময়পুর বাদলি থানার একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক কক্ষের ভেতরে চারজনের নিথর দেহ পড়ে
থাকতে দেখে। তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে “অত্যন্ত নৃশংস” বলে উল্লেখ করেছেন। ধারালো অস্ত্রের
গভীর আঘাতে তাদের শ্বাসনালি কেটে যায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
দম্পতি
চন্দন বিহার এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। মুনচুন আজাদপুর মান্ডিতে সবজি বিক্রির
কাজ করতেন। বুধবার ভোরে তার ১০ বছর বয়সী ভাতিজা প্রথম মরদেহগুলো দেখতে পায়। সে জানায়,
বাইরের দরজা বন্ধ থাকলেও ভেতরে ঢুকে চারদিকে রক্তাক্ত দৃশ্য দেখতে পায়।
পুলিশ
জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের সম্ভবত নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে অচেতন করে
হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রতিবেশীদের একজন দাবি করেছেন, ঘটনার আগের রাতে দম্পতির মধ্যে
বাকবিতণ্ডা হয়েছিল।
সিসিটিভি
ফুটেজে দেখা গেছে, ভোরের দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাড়ির আশপাশ দিয়ে দ্রুত চলে যাচ্ছেন।
পরে তার মোবাইল ফোন জাহাঙ্গীরপুরী এলাকায় বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে,
সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে,
যদিও প্রাথমিকভাবে কন্যাসন্তান জন্মকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযুক্ত
মুনচুন কেওয়াতের বাড়ি বিহারের পাটনা জেলায়। তিনি গত দুই বছর ধরে দিল্লিতে পরিবারসহ
বসবাস করছিলেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মাথায়
টুপি, গলায় মেডেল পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাপানের একটি রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টারের দায়িত্ব
গ্রহণ করেছে ইয়োনতামা। প্রতিটি রেলস্টেশনেই একজন স্টেশনমাস্টার থাকেন, যিনি ওই স্টেশনের
তত্ত্বাবধান করেন। ইয়োনতামার স্টেশনমাস্টার হওয়ার খবর তবে কেন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে,
এটাই ভাবছেন তো! এর কারণ আছে এবং কারণটি হলো, ইয়োনতামা কোনো মানুষ নয়, একটি বিড়াল।
গত
বুধবার বিড়ালটিকে জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের কিশি স্টেশনের স্টেশনমাস্টার করা হয়। ইয়োনতামার
নিয়োগ অনুষ্ঠানে বহু ভক্ত, আলোকচিত্রী ও স্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ওয়াকায়ামা
ইলেকট্রিক রেলওয়ের প্রেসিডেন্ট মিতসুনোবু কোজিমা অনুষ্ঠানে ইয়োনতামার গলায় মেডেল পরিয়ে
দেন।
ইয়োনতামার
এই দায়িত্ব মজার এবং আনুষ্ঠানিক হলেও জাপানে গ্রামীণ একটি রেলস্টেশনকে বাঁচিয়ে রাখতে
গুরুত্বপূর্ণও বটে।
ইয়োনতামা
কিশিগাওয়া লাইনের তৃতীয় বিড়াল স্টেশনমাস্টার। এটির আগে ছিল নিতামা। নিতামা প্রায় ১০
বছর দায়িত্ব পালন করেছে। গত বছরের নভেম্বরে নিতামা মারা গেলে ইয়োনতামাকে স্টেশনমাস্টার
হিসেবে মনোনীত করা হয়।
বুধবারের
ওই অনুষ্ঠানে রোকুতামা নামে একটি বিড়ালকেও সবার সামনে আনা হয়। সেটিকে শিক্ষানবিশ না
বলে স্টেশনমাস্টার পদপ্রার্থী বলে উল্লেখ করা হয়। এ কথায় উপস্থিত লোকজন হাততালি দিয়ে
ওঠেন।
মন্তব্য করুন


পূর্বানুমতি
ছাড়া চিকিৎসকসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীকে গ্রেপ্তার না করার সুপারিশ করেছে
স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন।
সুপারিশে
বলা হয়েছে, বিএমডিসি,বিএনএমসি, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল, আ্যালাইড হেলথ প্রোফেশনাল
কাউন্সিল ইত্যাদির পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা
প্রদানকারীকে গ্রেফতার করা যাবে না। শুধু অনুসন্ধান ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা
গ্রহণযোগ্য হবে, তবে তা অভিযোগ দাখিলের নব্বই দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
সোমবার
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন পেশ করেন স্বাস্থ্যখাত
সংস্কার কমিশন কমিশনের সদস্যরা। প্রতিবেদনের ১১নম্বর সুপারিশে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি
তুলে ধরা হয়।
চিকিৎসা
সেবা প্রদানকারীদের নিরাপত্তা ও পেশাগত সুরক্ষার বিষয়ে বলা হয়েছে, সেবা গ্রহীতার অভিযোগ
নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক ডিজিটাল অভিযোগ নিষ্পত্তি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে
হবে।বিএমডিসি,বিএনএমসি, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল, আ্যালাইড হেলথ পোফেশনাল কাউন্সিল
ইত্যাদির আইনগত ক্ষমতা ও কাঠামোকে আরও কার্যকর করতে হবে। চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট
ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের জন্য মেডিকেল প্রফেশনাল ইন্স্যুরেন্স চালু
করতে হবে, যাতে কর্মজীবনে আইনি ঝুঁকি বা অপ্রীতিকর ঘটনার ক্ষেত্রে তাদের আর্থিক ও সামাজিক
সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
জরুরি
পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের
অধীনে একটি নির্দিষ্ট ইউনিট থাকবে যেখানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সংরক্ষিত কিছু পুলিশ থাকবেন
(যাদের মেডিকেল পুলিশ বলা যেতে পারে) যারা জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অনাকাঙ্ক্ষিত হামলা, হুমকি ও সহিংসতা
প্রতিরোধে এই ইউনিট কাজ করবে।
সরকার
২০২৪ সালের নভেম্বরে ১২ সদস্যের স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন গঠন করে। কমিশনের প্রধান
হিসেবে রয়েছেন ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ
খান।
কমিশনের
সদস্য হিসেবে আরও রয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) জনস্বাস্থ্য ও
হেলথ ইনফরমেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক মো. মুহাম্মদ জাকির হোসেন, পথিকৃৎ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান
অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার, শিশু নিউরো
বিজ্ঞান বিভাগের নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নাইলা জামান খান, সাবেক সচিব এম এম রেজা,
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মুজাহেরুল হক, আইসিডিডিআরবি’র ডা. আজহারুল ইসলাম, স্কয়ার
হাসপাতালের স্কয়ার ক্যান্সার সেন্টারের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, গ্রিন লাইফ
সেন্টার ফর রিউম্যাটিক কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চের প্রধান পরামর্শক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল
হক, আইসিডিডিআরবি’র
বিজ্ঞানী ডা. আহমেদ আহসানুর রহমান এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ওমায়ের আফিফ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র
প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)
খুলনা বিভাগীয় প্রধান এবং শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে একই স্টাইলে
মাথায় গুলি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
সোমবার
(২২ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায় প্রকাশ্যে এ ঘটনা ঘটে।
আহত
মোতালেব শিকদার সোনাডাঙ্গা শেখপাড়া পল্লী মঙ্গল স্কুল এলাকার মৃত মোসলেম শিকদারের
ছেলে।
স্থানীয়রা
জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় মোতালেব শিকদারকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তার অবস্থাকে আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন।
এদিকে
দুপুরে সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতু
বলেন, এনসিপির খুলনা বিভাগীয় প্রধান ও শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে
একটু আগে গুলি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির
খুলনা জেলা ও মহানগরের সংগঠক সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন, সোনাডাঙ্গা এলাকায় মোতালেব
শিকদার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
নিয়ে গেছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ
বিষয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) অনিমেষ মণ্ডল গণমাধ্যমকে বলেন,
মোতালেব নামে এক ব্যক্তিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করলে উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তার মাথার সিটি স্ক্যানের
জন্য শেখপাড়া সিটি ইমেজিং সেন্টারে নেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে যুব র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠ থেকে র্যালীটি শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালী পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মু. মোছলেহ উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল ও নাছির আহম্মেদ মোল্লা, কর্মপরিষদ সদস্য মিজানুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি কাজী নজির আহম্মেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে এবার দেখা যেতে পারে হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ পর্বে—এমন সম্ভাবনা ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।আন্তর্জাতিক বিনোদনভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য হলিউড রিপোর্টার-এর বরাতে জানা যায়, ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ সিরিজে ডোমিনিক টোরেটো চরিত্রে পরিচিত অভিনেতা ভিন ডিজেল সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে রোনালদোর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন। আর এই পোস্ট ঘিরেই নতুন করে জল্পনার সূত্রপাত।প্রথমে দেওয়া ক্যাপশনে ভিন ডিজেল উল্লেখ করেন, এক সময় রোনালদোর জন্য একটি চরিত্র লেখার পরিকল্পনা ছিল। ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’-এর সিক্যুয়েল ‘লস বানডোলেরস’-এ তার অভিনয়ের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি।তবে বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়, যখন ভক্তরা লক্ষ্য করেন—ভিন ডিজেল পরবর্তীতে ওই পোস্টের ক্যাপশন পরিবর্তন করেছেন। সংশোধিত ক্যাপশনে অভিনেতা লেখেন, অনেকেই জানতে চেয়েছেন রোনালদো কি ‘ফাস্ট’ ইউনিভার্সের অংশ হতে চলেছেন? জবাবে তিনি শুধু বলেন, রোনালদো একজন বাস্তব মানুষ এবং তার জন্য একটি চরিত্র তৈরি করা হয়েছিল।এই সামান্য পরিবর্তনই ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। কমেন্ট সেকশনে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। অনেকেই ধারণা করছেন, অবশেষে কি হলিউডের এই আইকনিক অ্যাকশন সিরিজে অভিষেক হতে যাচ্ছে ফুটবল সুপারস্টার রোনালদোর?বিশেষ করে ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ১১’ নিয়ে এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। কারণ শোনা যাচ্ছে, এই সিনেমাটিই হতে পারে দীর্ঘদিন ধরে চলা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির শেষ অধ্যায়। যদিও এখন পর্যন্ত রোনালদোর অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে বিষয়টি আপাতত গুঞ্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।ভক্তদের কেউ কেউ কল্পনা করছেন, রোনালদো কোন ধরনের চরিত্রে দেখা যেতে পারেন। বেশিরভাগ প্রতিক্রিয়াই ইতিবাচক, এবং তাকে বড় পর্দার এই জনপ্রিয় অ্যাকশন সিরিজে দেখার আগ্রহ স্পষ্ট।এদিকে জানা গেছে, ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ১১’-এ ভিন ডিজেলের পাশাপাশি ফিরতে পারেন ডোয়াইন জনসন (হবস), জেসন মোমোয়া (ডান্তে রেয়েস) এবং জেসন স্ট্যাথাম (ডেকার্ড শ)। এমনকি প্রয়াত অভিনেতা পল ওয়াকারকে ব্রায়ান ও’কনার চরিত্রে কোনোভাবে গল্পে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে—যদিও সেটি কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের চকরিয়ায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ভাতিজার হামলায় মো. কালু (৮০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত আলী আহমদকে তার বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পৌঁছালে পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যায়।
এসময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের কাছ থেকে আলী আহমদকে ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে বিক্ষুব্ধদের মারধরে গুরুতর আহত আলী আহমদকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে সকালেই চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুলেরছরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, সকালে চাষের জমি পরিদর্শনে গেলে চাচা কালুর সঙ্গে ভাতিজা মাস্টার আলী আহমদের কথা–কাটাকাটি হয়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আলী আহমদ চাচাকে লাথি-ঘুষি মারলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত আলী আহমদের বাড়ি ঘিরে ফেলে। পরে থানা পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা পুলিশ ও আলী আহমদের উপর হামলা চালায়। এতে আলী আহমদ ও পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। আহতদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি হওয়ায় আলী আহমদকে চমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
চকরিয়া থানার ওসি মো. তৌহিদুল আনোয়ার জানান, নিহত কালুর সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুরো ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসভবনে গেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে
বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় উপস্থিত হন দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরামের
নেতারা।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল
কবির খান জানান, খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর। আর স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে আছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার
জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম
খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
এর আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে এলডিপির
চেয়ারম্যান অলি আহমদ সাক্ষাৎ করেছেন বলেও জানান তিনি।
বিএনপির নেতারা বলছেন, উন্নত চিকিৎসার
জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন বেগম খালেদা জিয়া।
তাই তার আগে দলের স্থায়ী কমিটির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। সাক্ষাতের সময়ে দেশের
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী দিনের বিএনপির করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া কয়েকদিন
আগে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সেনাপ্রধান সাক্ষাৎ করে গেছেন। এই বিষয়ে নেতাদের সঙ্গে
আলোচনা হতে পারে। তাছাড়া তিনি কত মাস পর আবার দেশে ফিরবেন সেটি এখনও চূড়ান্ত নয়, কারণ
তিনি বিভিন্ন ধরনের রোগে ভুগছেন, ফলে তারা যাত্রা দীর্ঘ হবে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে সবার
কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার বিষয় রয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন,
এটা মূলত ম্যাডাম চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আগে আমাদের আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। সবকিছু
ঠিক থাকলে আগামী ৭ জানুয়ারি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে লন্ডনে নেওয়া হবে। ‘এটা তো
স্বাভাবিক বিষয়, ম্যাডামের সাক্ষাতে রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা হবেই।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ
মধ্যরাতের পরে অথবা কালকে সকালের ভেতরে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডা. জাহিদ।
এবার তার সঙ্গী হবে ৬ চিকিৎসকসহ ১৪ জন। এবারও সঙ্গী হিসেবে নাম রয়েছে গৃহপরিচারিকা
ফাতেমা বেগমের। দীর্ঘদিন ধরে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন তিনি।
এবারের
সফরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দুই গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ও রুপা সিকদার থাকবেন বলে বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
জানা
গেছে, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ২০১০ সাল থেকে বেগম জিয়ার ছায়াসঙ্গী হয়ে রয়েছেন। ২০১৮
সালে স্বেচ্ছায় বেগম জিয়ার সঙ্গে কারাগারেও ছিলেন তিনি। বেগম জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে
থাকলে তিনিও থাকেন হাসপাতালে। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়াকে গুলশাল কার্যালয়ের সামনে আটকে দেওয়া
হয়েছিল। তখনো পতাকা হাতে বেগম জিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ফাতেমাকে।
তার
গ্রামের বাড়ি ভোলায়। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান বেগম খালেদা জিয়া।
তখনো তার সঙ্গী ছিলেন ফাতেমা বেগম।
এবারের
খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডনে যাবেন—পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান, ডা. জাহিদ
হোসেন, ডা. এনামুল হক চৌধুরী (চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা), ডা. ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী,
ডা. সাহাবুদ্দিন তালুকদার, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ডা. মোহাম্মদ
আল মামুন, হাসান শাহরিয়ার ইকবাল (এসএসএফ), সৈয়দ সামিন মাহফুজ (এসএসএফ), আব্দুল হাই
মল্লিক (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহকারী), মাসুদের রহমান (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাইভেট
সেক্রেটারি), ফাতেমা বেগম (গৃহকর্মী), রুপা শিকদার (গৃহকর্মী)।
মন্তব্য করুন