

সারা
দেশে জাতীয় ভিটামিন 'এ প্লাস' ক্যাম্পেইন-২০২৬ শুরু হয়েছে আজ (রোববার)। সকাল ৮টা
থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায়
২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
করেছে সরকার।
স্বাস্থ্য
ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে
১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী
শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
সারা
দেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্র এবং প্রায় ৫০০ অস্থায়ী কেন্দ্র, যেমন
বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও ফেরিঘাটে ক্যাপসুল বিতরণ করা হবে। প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী
ও স্বেচ্ছাসেবীরা এই কাজে নিয়োজিত থাকবেন। নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ
করতে না পারলে পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তা গ্রহণ করা যাবে।
এছাড়া ১২ জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলার জন্য আরও চার দিন বিশেষ কার্যক্রম চলবে।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তর অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন
'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।
জানা
গেছে, শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে ১৯৭৩ সাল থেকে দেশে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
খাওয়নো শুরু হয়। এটি তখন 'জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম' নামে পরিচিত ছিল।
১৯৯৫ সাল থেকে কার্যক্রমটিকে আরও শক্তিশালী করার জন্য জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সাথে
ভিটামিন এ কে সংযুক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে
২০০৩ সাল থেকে এটিকে আলাদা একটি কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করা হয় যার নাম দেওয়া হয়
জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন, যা জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে
পরিচালিত হতো। ২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা বা এনএনএস অপারেশন
প্ল্যানের অধীনে ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত পরিচালিত হয়ে আসছিল এবং পরে বন্ধ করে
দেওয়া হয়। ২০২৬ সালে কার্যক্রম হিসেবে পুনরায় চালু করা হয়েছে। ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের
দায়িত্বে আছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) শাহবাগ থানায় কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো.
আরশাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ডিএমপির
পুলিশ কমিশনার মো: মাইনুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা
হয়।
ডিএমপি
জানায়, গত ৩১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে ঢাকার
নিউ মডেল ডিগ্রী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে
ধরেন পরিদর্শক আরশাদ হোসেন। তার এমন অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে
জনগণের বিরূপ ধারণা সৃষ্টিসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে তাকে
সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। গত ২১ মে এ সংক্রান্ত
গেজেট প্রকাশ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে
বলা হয়, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৭৩ নং আইন) এর ধারা ৪-এর উপধারা
(১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা
করল। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
গত
২৯ জানুয়ারি সরকার কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের
বীরগঞ্জে মাছবাহী পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায়
আহত হয়েছেন আরও একজন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের
দিনাজপুর-পঞ্চগড় সড়কের পাঁচপীর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা
হলেন- দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার মালগ্রামের মো. নাজমুল ইসলামের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার
(২৮) ও তাদের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৩)। এ ঘটনায় মো. নাজমুল ইসলাম আহত হয়ে হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন।
পুলিশ
জানায়, নাজমুল তার স্ত্রী ও ছেলেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক দেখানোর জন্য নিজ বাড়ি থেকে
মোটরসাইকেলে করে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর থানার উত্তর গড়েয়া এলাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন।
তারা বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের পাঁচপীর নামক স্থানে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি
মাছবাহী পিকআপ তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে নাজমুল রাস্তায় ছিটকে পড়লে পিকআপটি
দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী ও ছেলের শরীরের উপর তুলে দেয়। ঘটনাস্থলেই দুজনের
মৃত্যু হয়। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত নাজমুলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
বীরগঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পিকআপটি
আটকের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে মজুরি ঘোষণা করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান।
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, আট হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি পাচ্ছিলেন পোশাকশ্রমিকরা। আগের তুলনায় ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে সাড়ে ৪ হাজার টাকা।
আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কার্যকর হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ এবং নিরপক্ষ প্রতিনিধিদের নিয়ে দ্রুত নতুন মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন শ্রমজীবী মানুষ আন্দোলন করে আসছেন মজুরি বাড়ানোর জন্য। মালিক ও শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আলাপ-আলোচনার মধ্যদিয়ে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।মজুরির যদি কোনো তারতম্য হয়ে যায় আমরা শেষ সম্বল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হই সবসময়। উনার মৌখিক নির্দেশে আজকে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ঘোষণা করছি।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের রেশনের দাবি আছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটি পরিবারের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ডের মধ্যেই নির্ধারিত থাকবে যতগুলো সদস্য কার্ডটি ব্যবস্থা করতে পারবে। পরবর্তীতে এ কার্ডের মাধ্যমে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।এখানে শ্রমজীবী মানুষ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ আছে। শিল্প বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে। শ্রমিকের সঙ্গে শিল্পও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উভয়দিক লক্ষ্য রেখেই মজুরি ঘোষণা করা হচ্ছে।
মজুরি ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আট হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করা হয়েছে। ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বহাল আছে।
আন্দোলন-অবরোধের কারণে শিল্পাঞ্চলের বাড়িভাড়া মওকুফের জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরের বেতন নতুন বেতনের আলোকে হবে। গেজেট এখনই করতে দেবে, কোনো সংশোধন থাকলে ১৪ দিনের মধ্যে করবে।
মজুরি ঘোষণার সময় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী মোল্লা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আরিফ, বিকেএমইএ'র সভাপতি সেলিম ওসমান, বিজিএমইএ'র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, শ্রমিক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্বামীর
সঙ্গে সংসার করার শর্তে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবির মামলায় তানিয়া খাতুন নামে এক নারীকে কারাগারে
পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার
(২৫ আগস্ট) আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তানিয়া। শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বালিয়াকান্দি আমলি আদালতের বিচারক আরিফ হোসেন।
মামলার
এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিনোদপুর এলাকার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের খলকুলা (সাকুটিয়া) গ্রামের মো. মোহন মল্লিকের মেয়ে তানিয়া খাতুনের বিয়ে হয়।
অভিযোগ
করা হয়েছে, বিয়ের পর তানিয়া স্বামীর
কাছে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। সাখাওয়াত ওই টাকা দিতে
অস্বীকৃতি জানালে তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন
করা হয়। একপর্যায়ে যৌতুকের টাকা না দিলে সংসার
করবেন না বলে জানিয়ে
বাবার বাড়িতে চলে যান তানিয়া।
মামলা
সূত্রে আরও জানা যায়, পারিবারিকভাবে এবং স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার একাধিক চেষ্টা করা হলেও যৌতুকের টাকা ছাড়া তানিয়া সংসারে ফিরতে রাজি হননি। পরে তিনি বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ
ঘটনায় সাখাওয়াত হোসেন ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় বালিয়াকান্দি
আমলি আদালতে মামলা করেন।
বাদীপক্ষের
আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুল হাসান বলেন, যৌতুক আইনের প্রয়োগ সবার জন্য সমান। আসামি ও বাদীপক্ষের মধ্যে
একাধিকবার আইনজীবীদের মাধ্যমে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তাতে সাড়া দেননি আসামি। লিগ্যাল এইডের মাধ্যমেও বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
আইনজীবীর
দাবি, আসামি এর আগে বাদীপক্ষের
কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা
নিয়েছেন এবং পরে আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। আদালতে বিষয়টি তুলে ধরার পর তানিয়ার জামিন
আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার
বাদী সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেন, যৌতুকের পাঁচ লাখ টাকা না দেওয়ায় তার
স্ত্রী তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন
করতেন। এ ঘটনায় আদালতের
মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
টঙ্গী তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। লাখো মুসল্লি এ জুমার নামাজে অংশ নেন।
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ'র বড়
ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বের
আনুষ্ঠানিকতা।
আজ
লাখো মুসল্লির সঙ্গে শরিক হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায় করতে সকাল থেকেই চারদিক
থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে আসতে শুরু করেন। ময়দানে, সড়ক-মহাসড়ক, খালি জায়গাসহ
বিভিন্ন স্থানে পলিথিন, খবরের কাগজ ও চট বিছিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
যানজট
নিয়ন্ত্রণে ও মুসল্লিদের নিরাপত্তায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক
হাজার সদস্য।
আজ
বয়ান করেন যারা:
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পরে বয়ান করেন মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ। তার বয়ান বাংলায়
তর্জমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। জুমার আগে জুমার ফাজায়েল বয়ান করেন মাওলানা
মনির বিন ইউসুফ।
জুমার
পরে বয়ান করবেন- শেখ মোফলে (আরবি) এবং বাংলা তর্জমা করবেন মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ
মনসুর। আসরের পরে বয়ান করবেন মাওলানা মোশাররফ। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ
বিন সাদ। পরে তা বাংলায় তর্জমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাশেম।
মুসল্লির
মৃত্যু-
বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৪ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা
হলেন, শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া
থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের
চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।
রোববার
(১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
মন্তব্য করুন


২০২৬
ফুটবল বিশ্বকাপের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের
মতো বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নিয়েছে স্পেন। তবে মাঠের সেই মহাকাব্যিক লড়াই ছাপিয়ে
এই মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার তুঙ্গে উঠে এসেছেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার
মার্ক কুকুরেলা। চেলসির এই তারকাকে স্টেডিয়াম থেকে বের হওয়ার সময় একটি সাধারণ প্লাস্টিকের
শপিং ব্যাগে করে ‘বিশ্বকাপ ট্রফি’ বহন করতে দেখা গেছে, যার ভিডিও মুহূর্তেই
ছড়িয়ে পড়ে ভাইরালে রূপ নিয়েছে।
নির্ধারিত
৯০ মিনিটে কোনো দলই গোলের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে ১০৬তম মিনিটে
ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলটিতে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে স্প্যানিশরা।
মাঠের বর্ণিল শিরোপা উদযাপন পর্ব শেষে খেলোয়াড়েরা যখন ড্রেসিংরুমের দিকে ফিরছিলেন,
ঠিক তখনই ক্যামেরায় বন্দি হন কুকুরেলা। এক হাতে সাধারণ একটি ব্যাগ ঝুলিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন
তিনি, যার ভেতর থেকে উঁকি মারছিল সোনালী রঙের ট্রফি। বিশ্বের সবচেয়ে দামি ও মর্যাদাপূর্ণ
ট্রফিকে এমন অবহেলায় ‘ময়লার ব্যাগের’ মতো বহন করতে দেখে ফুটবলবিশ্বের সংবাদমাধ্যম
ও নেটিজেনরা হতবাক হয়ে যান।
তবে
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই অবসান ঘটে সব কৌতূহলের। জানা গেছে, কুকুরেলার ঝুলিয়ে নেওয়া
ব্যাগের ভেতরে থাকা বস্তুটি মূলত আসল ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ছিল না। সেটি ছিল খেলনা
‘লেগো’ ব্লক দিয়ে খোদাই করে বানানো বিশ্বকাপ ট্রফিরই একটি অবিকল
প্রতিচ্ছবি। শখের বশে তৈরি করা সেই খেলনা ট্রফিটিই তিনি খেলার পর একটি প্লাস্টিকের
ব্যাগে করে ড্রেসিংরুমে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
এদিকে
ফাইনালের ম্যাচটি ছিল দুই দলের জন্যই চরম স্নায়ুচাপের। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় যখন
আর্জেন্টিনার তারকা মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে তিনি লাল কার্ড খেলে আলবিসেলেস্তেরা ১০
জনের দলে পরিণত হয়। দলের সেরা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ বেশ কয়েকটি চোখধাঁধানো
সেভ করে আর্জেন্টিনাকে টিকিয়ে রাখলেও, অতিরিক্ত সময়ে নিকো উইলিয়ামসের দারুণ হেড থেকে
আসা পাস ধরে জাল কাঁপাতে ভুল করেননি ফেরান তোরেস।
এই
ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে স্পেন। পুরুষ ও
নারী— উভয় বিভাগেই একই সময়ে ফিফা বিশ্বকাপ শিরোপাধারী বিশ্ব
ইতিহাসের প্রথম দেশ এখন তারাই। ২০১০ সালের পর পুরুষ ফুটবলে এটি স্প্যানিশদের দ্বিতীয়
বিশ্বজয়। মাঠের এই ঐতিহাসিক অর্জনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীদের মনে ২০২৬ বিশ্বকাপের স্মৃতিতে
একটি মজার খোরাক হিসেবে বাড়তি মাত্রা যোগ করল কুকুরেলার এই ট্রফি কাণ্ড।
মন্তব্য করুন


প্রতিদিনের
মতো এক ব্যস্ত নারী চিকিৎসক রোগী দেখছিলেন তার চেম্বারে। হঠাৎ মাস্ক পরা এক নতুন রোগী
ভেতরে ঢুকলেন। চিকিৎসকের দিকে এগিয়ে দিলেন নিজের কাগজপত্র। কিন্তু কাগজপত্র ঘেঁটে চিকিৎসক
কিছু্ই বুঝতে পারছেন না। তিনি দেখলেন পাসপোর্ট, বোর্ডিং পাস ও টিকিট। দেখেন বোর্ডিং
পাসে স্বামীর নাম লেখা। সন্দেহ হতেই তিনি মুখ তুলে তাকান। তখনই তার জন্য সেরা চমকটা
অপেক্ষা করছে।
যুবকটি
যখন মাস্ক খুলে ফেলেন। দেখলেন, ছয় বছর ধরে যাকে শুধু ডিভাইসের স্ক্রিনে দেখে আসছেন,
সেই প্রিয়তম স্বামী শারীরিকভাবে তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মুহূর্তেই চেয়ার থেকে উঠে দৌড়ে
গিয়ে ঝড়িয়ে ধরেন স্বামীকে। ডুকরে কেঁদে ওঠেন দুজন। তাদের এই মিলন যেন সিনেমার গল্পকেও
হার মানায়। এমন দৃশ্য দেখে নেট-দুনিয়াও ভাসল আবেগে।
ঘটনাটি
ঘটেছে ভারতের রাজস্থানে। সেখানকার একজন তার এক্স হ্যান্ডেলে ৩০ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি
প্রকাশ করেন। ভিডিওতে দাবি করা হয়, ছয় বছর পর স্ত্রীকে সারপ্রাইজ দিতেই তার চেম্বারে
রোগীর ছদ্মবেশে হাজির হলেন প্রবাসী স্বামী। তবে ভাইরাল হলেও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই
করা সম্ভব হয়নি।
প্রবাসজীবন
মানেই যেন কষ্ট, যন্ত্রণা ও দীর্ঘ অপেক্ষার। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যোজন
যোজন দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। তখন একেকটি দিনও যেন এক বছরের মতো মনে হয় দুজনের কাছে।
তাই ভিন্ন দেশে বসবাসকারী দম্পতিদের জন্য এই সময়টা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। এই দম্পতির
গল্পেও তেমনটা উঠে এল।
ভিডিওর
সূত্র ধরে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা এক প্রতিবেদনে জানায়, ‘নারী চিকিৎসক তার কেবিনে
বসে রয়েছেন। এমন সময় মাস্ক পরা অবস্থায় রোগী সেজে যুকব সেখানে উপস্থিত হন। মেডিক্যাল
রিপোর্টের পরিবর্তে চিকিৎসককে নিজের পাসপোর্ট, বোর্ডিং পাস দেখান তিনি। প্রথমে চিকিৎসক
কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনি কেন আমার ভিডিও করছেন?’ পরে যখন তিনি বোর্ডিং
পাস ও টিকিট দেখেন, তখন অবাক হয়ে যান। বাকরুদ্ধ হয়ে যান তিনি। এরপর সংবিৎ ফিরতে বোর্ডিং
পাসে স্বামীর নাম দেখেন। যুবকও তার মুখের মাস্ক সরান। সঙ্গে সঙ্গেই ওই চিকিৎসক আনন্দে
লাফিয়ে উঠে গিয়ে যুবককে জড়িয়ে ধরেন। যুবকও চিকিৎসককে জড়িয়ে ধরেন।’
আনন্দবাজার
বলছে, ভিডিওতে যুবক ও মহিলা চিকিৎসককে স্বামী ও স্ত্রী হিসাবে দাবি করা হয়েছে। ভিডিওটি
দেখে নেটিজেনদের অনেকেরই চোখে জল চলে এসেছে বলে জানায়। এ সময় তারা নানা ধরনের আবেগময়
প্রতিক্রিয়া জানান।
প্রতিবেদনে
বলা হয়, ভাইরাল ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে ‘রাহুল_বাবু_১এম_’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল
থেকে। ইতোমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন ভিডিওটি। ইতোমধ্যে লাখ লাখবার দেখা হয়েছে সেটি।
হৃদয়গ্রাহী এই মুহূর্তটি নিয়ে লাইক ও কমেন্টের বন্যাও বয়ে গেছে।
ভিডিওটি
দেখে নেটিজেনরা যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার মজার মজার মন্তব্য করেছেন অনেকে।
একজন লিখেছেন, ‘এত বছর পর স্বামীর সঙ্গে দেখা হওয়ার আনন্দ সবাই অনুভব করতে পারে না।’
মন্তব্য করুন


মাদারীপুরের শিবচরে নিজ ক্লিনিকের নার্সকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় শিবচর ইউনাইটেড হাসপাতালের মালিক আপেল মাহমুদকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) রাতে শিবচরের বাহাদুরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আপেল মাহমুদ শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পশ্চিম সেনেরচর এলাকার মৃত চান মিয়া শিকদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে এর আগে শিশু ধর্ষণচেষ্টা ও চাঁদাবাজির মামলাও রয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিবচর ইউনাইটেড হাসপাতালে কর্মরত একজন নার্সকে বিভিন্ন সময় হাসপাতালের মালিক আপেল মাহমুদ কুপ্রস্তাব দিতেন। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর ওই নার্স হাসপাতালে কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন। তার কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সেদিন বাড়ি ফেরার পথে তার গতিরোধ করে আপেল মাহমুদ জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তাকে তুলে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে কক্সবাজার নিয়ে যান।
সেখানে একটি আবাসিক হোটেলে তাকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেন।
পরে ২৫ ডিসেম্বর তাকে শিবচর এনে একটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে ভুয়া বিয়ের নথি তৈরি করে ওই নার্সকে ছেড়ে দেন আপেল মাহমুদ। এ ঘটনার পর গত ৩০ ডিসেম্বর নার্সের পরিবার শিবচর থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে মামলা না নেওয়ায় মাদারীপুর আদালতের দ্বারস্থ হন ভুক্তভোগী পরিবার।
আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি শিবচর থানায় আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনার পর আপেল মাহমুদ পলাতক ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শিবচর থানার এসআই রেনুকা আক্তারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শিবচরের পাঁচ্চর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ক্লিনিক মালিক আপেল মাহমুদকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়
শিবচর থানার ওসি মো. রতন শেখ (পিপিএম) বলেন, ধর্ষণ মামলার আসামি আপেল মাহমুদের নামে এর আগেও শিশু ধর্ষণচেষ্টা ও চাঁদাবাজির মামলায় রয়েছে। তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক নার্সকে ধর্ষণের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
ঘাটাইলে বিয়ের একমাসের মাথায় প্রেমিকের সঙ্গে পালানার তিনদিন পর সূচনা নামে এক নববধূর
মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার
(১৭ মে) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সূচনা
আইনপুর গ্রামের সোহরাব আলীর মেয়ে।
নিহতের
পরিবার জানায়, পালানোর পরে শহরের কলেজপাড়া এলাকায় প্রেমিক সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান
গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায় অবস্থান করছিলেন ওই তরুণী। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার করার
পর মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রেমিকের পরিবার। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সবাই।
তারা
আরও জানায়, একমাস আগে মধুপুর উপজেলার মাইজবাড়ি গ্রামের আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় সূচনার।
গত ১৪ মে রাতে ঘাটাইল উপজেলার সত্তুর বাড়ি গ্রামের সরোয়ারের ছেলে প্রেমিক সাওয়ালের
হাত ধরে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয় সূচনা। পরে উভয় পরিবারের সমঝোতায় বিয়ের আশ্বাস
দেয়া হয় সাওয়াল ও সূচনাকে। শনিবার রাতে তাদের নিয়ে আসা হয় সাওয়ালের চাচা ইউপি চেয়ারম্যান
গিয়াসউদ্দিন বাবুর বাসায়। রোববার বিকেলে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সূচনার মরদেহ।
তড়িঘড়ি করে নেওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে
পরিবারকে জানানো হয় তার মৃত্যুর বিষয়টি। জানানো হয় পুলিশকেও। পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার
মরদেহ উদ্ধার করে।
সূচনার
বাবা সোহরাব আলীর অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
সংগ্রামপুর
ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাবু জানান, সাওয়াল তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। সমঝোতার জন্য
নিহত তরুণীকে তার বাসায় নিয়ে আসা হয়েছিল। ঘটনার দিন তিনি বাসায় ছিলেন না।
এ
বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু জানান, ঘাটাইল
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল
মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
মন্তব্য করুন