

কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়ায় আপন ভাতিজার
হাত ধরে ঘর ছেড়েছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী।
গত বুধবার (১২ জুন) রাতে পৌরসভার সৈয়দগাঁও
পূর্বপাড়া এলাকায় চাচি-ভাতিজার ঘর ছাড়ার ঘটনা ঘটেছে।
তারা হলেন, ওই গ্রামের প্রবাসী মুকুল
মিয়ার স্ত্রী সবিতা আক্তার (২১) ও জাকির হোসেনের ছেলে সাকিল (২০)। সম্পর্কে সবিতা ও
সাকিল চাচি-ভাতিজা। সবিতা আক্তারের দুই বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) প্রবাসীর
ছোট ভাই খাইরুল ইসলাম পাকুন্দিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩ বছর
পূর্বে একই উপজেলার হোসেন্দী নামাপাড়া গ্রামের মকবুল হোসেন ওরফে বকুল মিয়ার মেয়ে সবিতা
আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয় সৈয়দগাঁও পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে মুকুল মিয়ার।
বিয়ের ৪ মাস পর মুকুল মিয়া প্রবাসে চলে যান। এ সুযোগে ভাতিজা সাকিলের সঙ্গে পরকীয়ায়
জড়িয়ে পড়েন সবিতা আক্তার। বিষয়টি জানাজানি হলে মুকুলের পরিবার থেকে সবিতাকে সতর্ক করা
হয়। কিন্তু তাতে তিনি সাড়া না দিয়ে স্বামীর নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গত বুধবার
রাতে ভাতিজা সাকিলের সঙ্গে পালিয়ে যান।
প্রবাসী মুকুল মিয়া জানান, ঘটনার একদিন
আগেও আমি আমার স্ত্রীর কাছে ৫০ হাজার টাকা পাঠিয়েছি। এ ছাড়া ঘরে থাকা নগদ আড়াই লাখ
টাকা ও বিয়ের স্বর্ণালংকার নিয়ে আমার ভাতিজার সঙ্গেই পালিয়েছেন আমার স্ত্রী। এই কষ্টের
কথা কার কাছে বলব।
পাকুন্দিয়া থানার ওসি মো: আসাদুজ্জামান
টিটু জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ার সাচার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামিউল হুফফাজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ও সাচার রেনেঁসা হাসপাতালের আয়োজনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ক্বেরাত সম্মেলনে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম থেকে দশম স্থান অর্জনকারী হাফেজদের পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই দ্বিতীয়বারের আন্তর্জাতিক ক্বেরাত সম্মেলনে চাঁদপুর ও কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কোরআনের হাফেজরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রতিযোগিতার শুরুতে কোরআনের তেলাওয়াত ও ক্বেরাত পরিবেশন করেন অংশগ্রহণকারী হাফেজগণ। এরপর বিচারকমণ্ডলী প্রথম থেকে ১০ম স্থান পর্যন্ত প্রতিযোগীদের বাছাই করেন এবং বিজয়ীদের মধ্যে সনদ, ক্রেস্ট ও বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। বিজয়ীরা তাদের সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আয়োজক প্রতিষ্ঠান জামিউল হুফফাজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও সাচার রেনেঁসা হাসপাতালের প্রতি ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামিউল হুফফাজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর সভাপতি হাফেজ মাওলানা আহসান হাবীব। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মালয়েশিয়া শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন। দ্বীন ও ইসলাম সম্পর্কে বয়ান রাখেন কচুয়া জামিআ আহমাদিয়া মাদরাসার মুহতামিম আল্লামা আবু হানিফ এবং জামিউল হুফফাজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর প্রধান উপদেষ্টা মুফতি আনিছুর রহমান কাসেমী সহ অন্যান্য ওলামায়ে কেরাম।
এ সময় সাচার রেনেঁসা হাসপাতালের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মজুমদার, পরিচালক জিয়াউদ্দিন মজুমদার, সালাউদ্দিন মজুমদার সহ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় এলাকাবাসী এই মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে কোরআন শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ও মনোবল বৃদ্ধি পাবে।
মন্তব্য করুন


ঘূর্ণিঝড়
মিধিলির প্রভাবে কক্সবাজারে গতকাল (১৬ নভেম্বর) থেকে
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।
উত্তাল হয়ে আছে সমুদ্র উপকূল
। জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় সেন্টমার্টিনে
দুই শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী
ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন ব্যাপক
প্রস্তুতি নিয়েছে।
কক্সবাজার
ও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর এবং
মোংলা ও পায়রা বন্দরকে
৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে
যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
শুক্রবার
(১৭ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভায়
এই প্রস্তুতির কথা জানান জেলা
প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান।
জেলা
প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান জানান, জেলার ৫৭৬টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপকূলে
মাইকিং করা হয়েছে। সাগরে
মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে উপকূলে
নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা
হয়েছে। এছাড়া দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান
চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাহাজ
মালিকদের সংগঠন স্কোয়াব এর সাধারণ সম্পাদক
হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর জানান, বুধবার ৩টি জাহাজে করে
৫১৯ জন পর্যটক সেন্টমার্টিন
ভ্রমণে যান। তার মধ্যে
২ শতাধিক পর্যটক সেন্টমার্টিনে অবস্থান করছেন। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জাহাজ চলাচল
শুরু হবে। তখন সেন্টমার্টিনে
থাকা পর্যটকদের ফিরিয়ে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের
শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামের ৭ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেডের
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো.মাহবুব আলম শিকদার।
এসময় দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী
ও বস্ত্র বিতরণ করেন তিনি।
আজ (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলার
পূর্ব গোমদণ্ডী লোকনাথ মন্দির পূজা মণ্ডপ ও জ্যৈষ্ঠ পুরা বীণা পাণি সংঘ পূজা মণ্ডপ
পরিদর্শনে যান তিনি।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বোয়ালখালী
থানা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর শওকত, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিমাদ্রী খীসা,
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সরোয়ার, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা
সহিদুল আলম, চট্টগ্রাম পল্লী সমিতি-১ এর ডেপুটি জোনাল ম্যানেজার প্রকৌশলী শ ম মিজানুর
রহমান সহ অনেকে।
মন্তব্য করুন


বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং চাঁদপুর জেলা প্রশাসক এর সার্বিক নির্দেশনা মোতাবেক চাঁদপুর পুরান বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ মোতাবেক লঙ্ঘনজনিত অপরাধে চাঁদপুর শহরের পুরান বাজারে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, রসমালাইয়ে মেয়াদ না থাকা ও রঙ মেশানো ঘি পাওয়ার অপরাধে মীম বনফুলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরান।
যৌথবাহিনী ও জেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর মোঃ নজরুল ইসলাম এবং চাঁদপুর পৌর স্যানেটারী ইন্সপেক্টর মোঃ রাজু মিয়ার সার্বিক সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় উক্ত প্রতিষ্ঠানটির মালিক বাদশা মিয়া পূণরায় এ ধরনের অনিয়ম করা থেকে বিরত থাকবেন বলে অঙ্গীকার করেন। এছাড়াও এদিন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও সতর্ক করে দেওয়া হয়।
এ অভিযান পরিচালনাকালে আবদুল্লাহ আল ইমরান বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্য হতে বিরত থাকার জন্য লিফলেট ও পাম্পলেট বিতরণ করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে সকল ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান স্থানে পণ্যের মূল্য তালিকা টাঙানো, ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রি করা, ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ করা, নকল ও ভেজাল পণ্য/ঔষধ বিক্রয় থেকে বিরত থাকা এবং অবৈধ মজুদদারী করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের দাপট। বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। হিমেল হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গতকাল ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অপর দিকে ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীত উপেক্ষা করে বাড়ী থেকে বের হলেও কাজ পাচ্ছে না অনেকে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুর্যের দেখা মিলছে না। দিনের অধিকাংশ সময় থাকছে মেঘাচ্ছন্ন। এ সময় উওরীয় হিমেল হাওয়ায় ঠাণ্ডার তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি কাশিসহ - শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের মিরাজুল বলেন, এই ঠান্ডায় বাইরে কাজ করতে যাচ্ছি। খুবই সমস্যা হচ্ছে,দুদিন ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগছি। শীতকালে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোয় মুসকিল হয়েছে। অভাবের সংসার, ছেলেদের গরমের কাপড় কিনবো তাও পারছি না।
কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান বলেন, ধরলা নদী বেষ্টিত এই ইউনিয়ন। এখানকার মানুষ বেশীরভাগ দিনমজুর। এখানে এ যাবত সরকারিভাবে ৩১০ টি কম্বল বরাদ্দ পেয়েছি। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, জানুয়ারি মাস জুড়েই তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ মাসের ২৫ তারিখের পর তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয়
উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
আজ রবিবার (৭ জুলাই) আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের
দ্বিতীয়া তিথিতে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) কুমিল্লা জগন্নাথপুর শ্রী শ্রী
জগন্নাথ দেবের মন্দির ও নগরী ঠাকুরপাড়া রামকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরের যৌথ আয়োজনে শ্রী
শ্রী জগন্নাথপুর মন্দিরে সকাল ৭টা হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের পূজা ও দর্শন
আরতী, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোম যজ্ঞ, ভজন কীর্তন, বাউল সংগীত ও পদাবলী কীর্তন
এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ ও দুপুর ২টায় ধর্মসভা শেষে ভক্ত সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
পৃথক পৃথক রথারোহণ, শুভ আরতি ও মহা হরিনাম সংকীর্তন সহযোগে জগন্নাথ মন্দির হতে চকবাজার-রাজগঞ্জ-কান্দিরপাড়
হয়ে ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির এসে শেষ হয় বর্ণাঢ্য শুভ রথযাত্রা।
ওই শোভাযাত্রায় লাখো পূণ্যার্থী ও ভক্তের সমাগম ঘটে। এতে সকল ধর্মের মানুষের উপস্থিতি
ছিলো চোখে পড়ার মতো। এরপর সন্ধ্যায় গুন্ডিচা মন্দিরে সন্ধ্যারতি কীর্তন ও ভজন কীর্তন
এবং রাত ৮টায় ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ লীলামৃত
ও মহাপ্রসাদ বিতরণ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, জগন্নাথদেব
হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগৎ হচ্ছে বিশ্ব আর নাথ হচ্ছেন ঈশ্বর। তাই জগন্নাথ হচ্ছেন
জগতের ঈশ্বর। তার অনুগ্রহ পেলে মানুষের মুক্তিলাভ হয়। জীবরূপে তাকে আর জন্ম নিতে হয়
না। এই বিশ্বাস থেকেই রথের ওপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমূর্তি রেখে রথ নিয়ে যাত্রা করেন
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
আজ কুমিল্লা জগন্নাথ মন্দিরে বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মধ্য দিয়ে রথযাত্রা উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দুপুর দুইটায় ধর্ম সভা শেষে সাড়ে ৪টায় বেলুন উড়িয়ে রথযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম । এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা-৭ সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।
রথযাত্রা মহোৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম
বলেন- অসম্প্রদায়িক দেশ গড়তেই বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল দেশের
হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকল ধর্ম জাতির মানুষ সম্মিলিতভাবে স্বপ্নের সোনার বাংলা
বিনির্মাণ করবে। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫আগস্ট নির্মমভাবে বঙ্গবন্ধুকে হত্য্যা করে এই
স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করতে চেয়েছিল স্বাধীনতাবিরোধী চক্র৷ পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিলো
ধর্মীয় বিভাজনের ভিত্তিতে৷ এই বিভাজন আমরা মানতে পারিনি বলে পরবর্তীতে অসম্প্রদায়িক
চেতনাকে বুকে ধারণ করে দেশ স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশে তাই কোন ধর্মীয় বৈষম্য থাকবে না৷
শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের সভাপতি
শ্রীমান সুদর্শন দাশ ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে ধর্মসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা
পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার
মু. মুশফিকুর রহমানসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লা সদর উপজেলার জগন্নাথপুরের শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের মন্দির হতে রথযাত্রার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে শ্রী জগন্নাথদেব, বলদেব ও শুভদ্রাদেবের ৩টি পৃথক রথারোহনের মাধ্যমে মাসির বাড়ি পাথুরিয়া পাড়া আগমন করেন। সেখান তিনি প্রায় আটদিন অবস্থান করার পর পুনরায় উল্টো রথে নিজ বাড়ীতে ফিরে যাবেন। প্রতি বছর হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমাগম ঘটে থাকে রথযাত্রা উৎসবে।
এদিকে, আগামী ১৪ জুলাই রবিবার (উল্টো
রথযাত্রা) গুন্ডিচা মন্দিরে সকাল ৭টা হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেব এর পূজা ও
দর্শন আরতি, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, ভজন কীর্তন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ এবং
দুপুর ২টায় ধর্মসভা শেষে ভক্ত সমাবেশ ও পৃথক পৃথক রথারোহণ, শুভ আরতি ও মহাহরিনাম সংকীর্তন
সহযোগে ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির হতে কান্দিরপাড়, রাজগঞ্জ ও
চকবাজার হয়ে জগন্নাথপুর মন্দির পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা'র মধ্যদিয়ে শেষ হবে রথযাত্রা
মহোৎসব।
মন্তব্য করুন


খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন আজ। এ উপলক্ষ্যে কুমিল্লায় ব্যাপটিস্ট ও ক্যাথলিক চার্চগুলোতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উপাসনা, পুঁথি পাঠ, সংগীত পরিবেশন ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় বড়দিন উদযাপন শুরু হয়।
আজ সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই কুমিল্লায় ব্যাপটিস্ট ও ক্যাথলিক চার্চগুলোতে উপাসনার জন্য খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা ভিড় করে। নগরীর বাদুরতলা রিভাইভ্যাল ব্যাপ্টিস্ট চার্চে পাষ্টর ডা: লরেন্স তীমু বৈরাগীর নেতৃত্বে উপাসনা পাঠ ও সংগীত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে শিশুদের সাথে কেক কাটেন জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান পিপিএম (বার)।
এদিকে বড়দিন উপলক্ষে আওয়ার লেডী অফ ফাতিমা ক্যাথলিক চার্চ ও বাদুরতলার রিভাইভ্যাল ব্যাপ্টিস্ট চার্চ বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। আলপনা আঁকা, যিশু জন্ম দৃশ্য, বৃক্ষসহ বড়দিন উদযাপনের নানা সামগ্রী তৈরি করা হয়। বড়দিনের উৎসবে সকলের সম্মিলিত উপাসানলয় থেকে বিশ্ববাসীর জন্য শান্তি প্রার্থনা করা হয়।
বড়দিনকে ঘিরে কুমিল্লায় ব্যাপটিস্ট ও ক্যাথলিক চার্চগুলোতে নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪৭ ক্যান বিয়ারসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৯ অক্টোবর বিকালে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
চৌদ্দগ্রাম থানাধীন দোলবাড়ী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী মোঃ সাইফুল নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে
৪৭ ক্যান বিয়ার এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক (মিশুক) উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ সাইফুল (৩০) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ছুপুয়া মিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত সেলিম
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ইজিবাইক (মিশুক) ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য বিয়ার সংগ্রহ পূর্বক কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা
:
নারীর
প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ কুমিল্লা
অঞ্চল।
আজ
মঙ্গলবার এলজিইডি কুমিল্লা অঞ্চলের মিলনায়তনে এ্যালায়েন্স গঠন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
হয়েছে।
এতে
সভাপতিত্ব করেন এলজিইডি কুমিল্লা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন এলজিইডি কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ
আবদুল মতিন। অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক কালবেলা
কুমিল্লার ব্যুরো চীফ মাসুক আলতাফ চৌধুরী, জাতীয় মহিলা সংস্থা কুমিল্লার জেলা কর্মকর্তা
তানিয়া আক্তার, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড ও সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) কুমিল্লার সাবেক
সমন্বয়কারী এডভোকেট শামীমা আক্তার জাহান, প্রত্যয়ের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা আক্তার,
আমরাই পারি প্রকল্প সমন্বয়কারী রিনা রাণী দত্ত, এলজিইডির রুরাল ব্রীজেস প্রকল্পের মেইন্টেনেন্স
ইঞ্জিনিয়ার এসএম জাকিউর রহমান, রিজিওনাল কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালাম,
মোঃ মাকসুদুল আলম, মোঃ সুলতান মাহমুদ, দৈনিক সমকাল ও দৈনিক রূপসী বাংলাৱ ফটো সাংবাদিক,
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এন কে রিপন, ব্রীজেস প্রকল্পের কুমিল্লার
এডভোকেসী কাউন্সিলর মোঃ আলী আজ্জম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা তিতাসে সাময়ন আরিয়ানকে হত্যা অভিযোগে একজনকে মৃত্যুদণ্ড; আরেকজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
আজ বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরবেলা কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক সাব্বির মাহমুদ চৌধুরী এ রায় দেন।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিল্লাল পাঠান হলেন- কুমিল্লা তিতাস উপজেলার বিরামকান্দি পাঠান বাড়ী'র মোঃ খেলু পাঠানের ছেলে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি শেফালী আক্তার (৪৩) হলেন একই উপজেলার কলাকান্দি উত্তর পাড়া মাষ্টার বাড়ীর জামাল মিয়ার স্ত্রী।
মামলার বিবরণে জানা যায়- পূর্ব আক্রোশের বশবর্তী হইয়া আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে ভিকটিম সায়মন আরিয়ান (৭) কে হত্যা করিয়া কলাকান্দি বালুর মাঠে (কাঁশ বনে) লাশ গুম করে।
জানা যায়- ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট বিকেলবেলা ভিকটিম সায়মন আরিয়ান আসামি শেফালী আক্তারের ছেলে রাফি'র সাথে খেলাধুলা করার জন্য ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ীতে ফিরে না আসায় বাদীনি তাঁর আত্মীয় স্বজনের সহায়তায় সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি না পেয়ে বাদীনি তিতাস থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন এবং পরদিন ঘটনাস্থলে ভিকটিমের অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট নিহতের গর্ভধারিনী মাতা খোর্শেদা আক্তার (৪০) বাদী হয়ে তিতাস থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোঃ নয়ন মিয়া ও সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ জাহিদুল হক এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার সাব-ইন্সপেক্টর জীবন বিশ্বাস তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট আসামি শেফালী আক্তার ও একই বছর ৩১ ডিসেম্বর আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠানকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করিলে আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠান ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৬৪ ধারার বিধানমতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তৎপর তদন্তকারী কর্মকর্তা জীবন বিশ্বাস ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর আসামি বিল্লাল পাঠান ও শেফালী আক্তার এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারের জন্য বিজ্ঞ আদালতে আসিলে চলতি বছর ২৭ ফেব্রুয়ারী তাহাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জগঠনক্রমে রাষ্ট্র পক্ষে ১৫জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠান এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মহামান্য হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে মৃত্যুদণ্ড এবং ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধানমতে তাকে ৫ (পাঁচ) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায়ে আরও উল্লেখ করেন যে, "মৃত্যুদণ্ড না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে গলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ প্রদান করা হল"।
আসামি শেফালী আক্তার এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদয়ের আরো ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধানমতে তাকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। রায়ে আরও উল্লেখ করেন যে, আসামি শেফালীর উভয় দণ্ড একসাথে চলবে।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মোঃ ইকরাম হোসেন বলেন, শালি-দুলাভাইয়ের অন্তরঙ্গ মুহুর্ত দেখে পেলায় আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশু সায়মন আরিয়ানকে হত্যা করে। আমরা আশা করছি শীঘ্রই উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
মন্তব্য করুন