

মুন্সীগঞ্জে স্বামী ও শাশুড়ির দেওয়া আগুনে ১ মাস ১৬ দিন (৪৭ দিন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বর্ণা রানী (২৪) নামের এক গৃহবধূর নিহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেন নিহতের স্বামী ও শাশুড়ির দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে গৃহবধূ সোমবার (১৬ সেপ্টেমর) বিকেলে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়।
নিহত স্বর্ণা টঙ্গিবাড়ী উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের নসংঙ্কর গ্রামের কৃষ্ণ সরকারের মেয়ে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তার গ্রামের বাড়ি টঙ্গিবাড়ী উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের নসংঙ্কর নিয়ে আসে স্বজনরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর উত্তর কামারখাড়া মিজি বাড়ি এলাকার দিলিপ রায়ের ছেলে দিপ্ত রায় পরিবারের অমতে স্বর্ণা রাণীকে বিয়ে করে। দিপ্ত রায় বেকার থাকায় বিয়ের কিছুদিন পর থেকে দিপ্ত ও তার মা ঝর্ণা রানি রায় গৃহবধূ স্বর্ণাকে বাবার বাড়ি হতে যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য চাপ ও মারধর করে। স্বর্ণা বিষয়টি তার পরিবার ও আত্নীয় স্বজনকে একাধিকবার জানায়। পরে গত ৩০ জুলাই সকালে যৌতুকের দাবিতে স্বর্ণাকে মারধর করে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয় তার স্বামী ও শাশুড়ি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করে। সেখানে ১ মাস ১৬ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে নিহতের বাবা কৃষ্ণ সরকার জানান, আমার মেয়েকে তারা অনেক মারধর করতো। আগুন দেওয়ার ৫ দিন আগে তারা ৪/৫জন মিলে আমার মেয়েকে খুব মেরেছে। পরে গত ৩০ জুলাই মারধর করে রান্না ঘরে নিয়ে তার স্বামী ও শাশুড়ি গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমার মেয়ে মৃত্যুর আগে আমার ছোট মেয়ের কাছে সব বলে গেছে এবং সেটি রেকর্ড রয়েছে। আমি তার স্বামী ও শাশুড়ির বিচার চাই। মেয়ের সৎকাজ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করবো।
এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ী থানার ওসি মহিদুল ইসলাম জানান, আমি মৌখিকভাবে শুনেছি। নিহতের পরিবারের অভিযোগ তার স্বামী ও শাশুড়ি নাকি নিহতের শরীরে আগুন দিয়েছে। ওই নারী মারা যাওয়ার পরে আমাকে ঢাকা থেকে ফোন দিয়েছিল। আমি বলেছি যেহেতু পরিবারের অভিযোগ রয়েছে তাই মরদেহ ময়নাতদন্ত করতে হবে। পরে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পালাখাল মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান মজুমদার জয়।
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোড কর্তৃক এক প্রজ্ঞাপনে হাবিবুর রহমানকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করেছেন।
ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষকবৃন্দ, ছাত্রলীগ ও এলাকাবাসীর পক্ষে ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বিদ্যালয়ের নব নির্বাচিত সভাপতি হাবিবুর রহমান জয় বলেন, শিক্ষার প্রসার কার্যক্রমে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমার উপর যে দায়িত্ব অর্পন করা হয়েছে চেষ্টা করব এই এলাকার শতভাগ শিক্ষিত করার। পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়টিকে ফলাফলের দিক থেকে দেশের মধ্যে সুনাম বয়ে আনবে।
তিনি আরো বলেন, আমাকে এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পন করায় চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনের সাংসদ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ড.সেলিম মাহমুদ এমপি মহোদয়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
এসময় ইউপি সদস্য মোঃ শাহজালাল মিয়া, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান সর্দার,শিক্ষক প্রতিনিধি নবীর হোসেন ,পালাখাল বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিল্লাল হোসেন,ফাতেমা আইডিয়াল একাডেমীর পরিচালক মাহবুব আলম,উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সৌরভ,পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান অভি,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান হাবীবসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় সবজি ক্ষেতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুললেন কৃষক মিজানুর রহমান। জাতীয় পতাকার আদলে তার সবজি ক্ষেত ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। কৃষক মিজানুর রহমান কচুয়া পৌরসভার কড়ইয়া এলাকায় রাস্তার পাশে সবুজ পালং শাক ও লাল শাকের চারা দিয়ে তৈরি করেছেন জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি। জাতীয় পতাকার আদলে করা এ সবজি ক্ষেত দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন আশেপাশের মানুষজন। উপজেলা কৃষি বিভাগের সহায়তা তিনি সবজি ক্ষেতে ফুটিয়ে তুলেন জাতীয় পতাকা।
তাছাড়া কৃষক মিজানুর রহমান মনেপ্রাণে ভালোবাসেন কৃষিকাজ। তেমনি ভালোবাসেন লাল-সবুজের পতাকাকেও। তার কৃষিকর্মের মাধ্যমে ফসলি মাঠে ফুটিতে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। সড়কের পাশে কৃষকের এমন শিল্পকর্ম দেখে থমকে দাঁড়ান পথিক। আগ্রহ নিয়ে জাতীয় পতাকার সৌন্দর্য দেখেন।
স্থানীয়রা বলছেন, কৃষক মিজানুর রহমান সবজি ক্ষেতে জাতীয় পতাকা তৈরি করে যেমন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি সম্মান দেখিয়েছেন, তেমনি দেশের প্রতিও দেখিয়েছেন অকৃত্রিম ভালোবাসা।
কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে জাতীয় পতাকার আদলে সবজি ক্ষেতটি রোপণ করতে বলা হয়। পরে কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ও উৎসাহে আমি সবজি ক্ষেতে জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুলতে পালং ও শাল শাক দিয়ে এ চিত্রকর্মটি বানাতে সফল হই। দেশের প্রতি দেশপ্রেম উদ্ধুদ্ধ করতে আমি জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুলেছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, সবজি চাষ থেকে শুরু করে মিজানুর রহমানকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসারের নির্দেশে সবজি ক্ষেত করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। তার সবজি ক্ষেতে ফুটিয়ে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। সড়কের পাশে এমন দৃশ্যে যে কারও চোখ আটকে যাবে। বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি তৈরি করে সাড়া ফেলেছিলেন তিনি। এতে করে যারা কৃষক রয়েছেন তাদের মাঝেও দেশপ্রেম জাগ্রত হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান বলেন, মা, মাটি আর দেশকে মনেপ্রানে ভালেবাসেন সবাই। দেশের প্রতি ভালোবাসা রেখে সম্মান জানিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে সবজি ক্ষেতেই ফুটিয়ে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। এভাবে দেশের প্রতি দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতে ভবিষতে আরো নিদর্শন বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও মুর্যালসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ন প্রতিকৃতি চিত্র ফুটিয়ে তুলতে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার তৃতীয় দিনে ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষায় দুই হাজার ৩৩৬ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল| এছাড়াও অসদুপায় অবল¤^নের দায়ে ৮ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে| সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ&উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন|
তিনি জানান, বোর্ডের অধীন কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোট ৮৫ হাজার ১৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮২ হাজার ৭৯৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়| অবশিষ্ট ২ হাজার ৩৩৬ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল| অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৭৪ শতাংশ|
এদের মধ্যে কুমিল্লায় ৭৪৬ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৫০ জন, চাঁদপুরে ২১৪ জন, ফেনীতে ১৮০ জন, নোয়াখালীতে ৫৮২ জন এবং লক্ষ্মীপুর জেলায় ২৬৪ জন|
উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ&উদ্দিন আরও বলেন, অসদুপায় অবল¤^নের দায়ে কুমিল্লা জেলায় ৩ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ৩ জন, নোয়াখালী জেলায় এক জন এবং ফেনী জেলায় এক জনসহ মোট ৮ জন পরীক্ষার্থীকে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে|
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই-এর
অভিযানকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আক্তার শিফা, সালমান ফার্সি
এবং মো. আনিসুল হক।
এ
সময় বিএসটিআই কুমিল্লার মাঠ কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, পরিদর্শক (মেট) আরিফ উদ্দিন প্রিয়,
পরীক্ষক (রসায়ন) মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায়
বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক কে এম হানিফ জানান, মানসনদ গ্রহণ ব্যতীত পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড
মার্ক (মান চিহ্ন) ব্যবহার, বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর
তথ্য প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নগরীর দেশয়ালিপট্টির মেসার্স বিক্রমপুর শশী ভান্ডারকে
২৫ হাজার টাকা, বিক্রমপুর ঘি স্টোরকে দুই হাজার টাকা এবং রাজগঞ্জ বাজার এলাকার মেসার্স
নিউ প্রিমিয়াম সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


সাইদুর রহমান, কুমিল্লা :
কুমিল্লার
লালমাইয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহায়তা, এতিমদের ঈদ উপহার ও বৃক্ষরোপণ
কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
আজ
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকালে কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলা পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক
মো. আমিরুল কায়ছার।
সফরকালে
উপজেলার বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে
মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। সভায় জনগণের কাছে সরকারি সেবা সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ
করেন জেলা প্রশাসক।
মতবিনিময়
শেষে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ২৫ বান্ডিল ঢেউটিন ও নগদ ৭৫,০০০
টাকা বিতরণ করেন তিনি। পাশাপাশি ৫০ জন দরিদ্র ব্যক্তির মাঝে খাদ্য সামগ্রী, এতিম শিশুদের
মাঝে ঈদ উপহার এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এদিন
নবনির্মিত লালমাই উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের হলরুমেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মো. আমিরুল
কায়ছার। পরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মন্তব্য করুন


ঈদযাত্রায় নিরাপত্তায় সাইবার নজরদারীসহ গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকালে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শনে এসে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম এ কথা জানান।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেন, ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে প্রতিটি স্টেশনে বাড়িয়েছি গোয়েন্দা নজরদারি। চালু রাখা হয়েছে মোবাইল ট্র্যাকিং। বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল, রেলস্টেশনে আমাদের টিম কাজ করছে। টিকিট কালোবাজারি চক্রের বিরুদ্ধে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। এ বছরের পর এগুলো (কালোবাজারি) আর থাকবে না।
এ বছর দূরপাল্লার (আন্তঃনগর) ট্রেনের শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া যাত্রার দিন ২৫ ভাগ আসনবিহীন টিকিট বিক্রি চলছে।
যেকোনো ধরনের অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেন, যাত্রীদের অনুরোধ করবো আপনাদের কোনো অভিযোগ থাকলে জানান, র্যাব আপনার পাশেই আছে।
তিনি আরও জানান, যাত্রীদের হয়রানি বিশেষ করে নারী হয়রানি, বিভিন্ন অজ্ঞানপার্টি, মলম পার্টির বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।
ঝুঁকি কমাতে যাত্রীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেন, অপরিচিত মানুষের সঙ্গে অযথা কথা বলা বা সম্পর্ক গড়ে তুলবেন না। যাত্রাপথে কারও কাছ থেকে খাবার গ্রহণ করা থেকেও বিরত থাকতে হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের হাওরের মিঠামইন জিরোপয়েন্ট থেকে অষ্টগ্রাম জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত ১৪
কিলোমিটার অলওয়েদার সড়কে একটি আলপনা আঁকা হয়েছে।
এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লিমিটেড, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস
লিমিটেড ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগের এই আয়োজনের নাম দেওয়া হয়েছে
‘আল্পনায় বৈশাখ ১৪৩১’।
গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) শুরু হওয়া এই বৈশাখী আলপনা অঙ্কন শেষ হয় রোববার (১৪
এপ্রিল)।
আর এই বৈশাখী আলপনা অঙ্কন করেছেন প্রায় ৭০০ জন শিল্পী।
কিশোরগঞ্জের হাওরের মিঠামইনে ১৪ কিলোমিটার সড়কে বৈশাখী আলপনা ঘুরে দেখলেন ডাক,
টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং রোববার
(১৪ এপ্রিল) সকালে মিঠামইন উপজেলার অলওয়েদার সড়কের জিরো পয়েন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত থেকে তুলির আঁচড়ের মাধ্যমে বৈশাখী আলপনার সমাপ্তি করেন।
একটি মোটরসাইকেল নিজেই চালিয়ে মিঠামইন অলওয়েদার সড়কের জিরো পয়েন্টে থেকে ঘুরতে
বের হন প্রতিমন্ত্রী। এসময় তার পেছনে বসা ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম
উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক।
জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী পহেলা বৈশাখের আলপনার উৎসব আবার
ফিরে আসায় বাঙালি চেতনার উদযাপন তার চেনা রূপ লাভ করেছে। আয়োজকদের প্রতি আমি শুভকামনা
জানাচ্ছি । এ আয়োজন ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা
অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান, বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স
অফিসার তাইমুর রহমান প্রমুখসহ সংশ্লিষ্ট আরো অনেকেই।
এই সড়কের আলপনা আঁকার পর বিশ্বরেকর্ড হিসেবে গিনেস বুকে নথিভুক্ত করার উদ্যোগ
নেবেন আয়োজকরা।
মন্তব্য করুন


যশোরে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে
৫০ জোড়া তরুণ তরুণীর যৌতুকবিহীন বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এমন ধুমধাম বিয়ের আয়োজন কল্পনাও করেননি তারা।
শনিবার (১৮ মে) দুপুরে এসসিআই বাংলাদেশের
তত্ত্বাবধানে ও এসসিআই আরব আমিরাতের অর্থায়নে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গাজীরদরগাহ কুয়েত
ইসলামিক ইয়াতিম কমপ্লেক্সে এ বিয়ে সম্পন্ন হয়।
খুলনা বিভাগের অসহায়, এতিম ও অর্থ সংকটে
বিবাহ হচ্ছে না এমন ৫০ জোড়া পাত্র-পাত্রীকে এদিন বিবাহ দেওয়া হয়েছে। বিয়ে অনুষ্ঠানে
কর্মসংস্থানের জন্য বরকে একটি করে ভ্যান ও কনেকে সেলাই মেশিন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে
সংসারের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেওয়া হয়েছে নবদম্পতিকে।
খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে জাঁকজমকপূর্ণ
আয়োজনের কোনো কমতি ছিল না। নতুন বউ নিয়ে হাসিমুখে ফিরে যান নিজ নিজ বাড়িতে।
ব্যতিক্রমী যৌতুকবিহীন এ বিয়ের সার্বিক
ব্যবস্থাপনায় ছিলেন, কুয়েত ইসলামিক ইয়াতিম কমপ্লেক্স গাজীরদরগাহ ঝিকরগাছার পরিচালক
মুফতি নাসিরুল্লাহ।
বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যশোরের
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার।
তিনি বলেন, যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি।
সমাজ থেকে যৌতুক উচ্ছেদের সামাজিক আন্দোলনের সূচনা করতে হবে। যৌতুকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে
হবে। ইসলামের প্রকৃত আদর্শিক শিক্ষার মাধ্যমে সমাজকে কলুষমুক্ত করতে হবে।
যৌতুকমুক্ত সমাজ গঠনে নাগরিক সমাজের
অংশগ্রহণ জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৩০ কেজি গাঁজা সহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
বুধবার
দুপুরে কোতয়ালী মডেল থানার ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র) আব্দুর রাহিম
ও সঙ্গীয় ফোর্স কোতয়ালী থানাধীন ৪ নং আমড়াতলী ইউনিয়নের পালপাড়া সাকিনস্থ ব্রীজের উত্তরপাশে
রাসেল এর ওয়ার্কসপের সামনে পাকা রাস্তার উপর তল্লাশি করে ৩০ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী
মুছা আহম্মেদ মুন্না কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মুছা আহম্মেদ মুন্না,(৪২),
পিতা-আবদুল মান্নান, মাতা-মনোয়ারা বেগম ,স্থায়ী: ইছাপাড়া গ্রাম- ভুবননগর, উপজেলা/থানা-
কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা -কুমিল্লা।
উক্ত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় অভিন্ন মানদণ্ডে হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুক আলী।
মঙ্গলবার (১১জুন ) সকালে জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মো: আক্তার হোসেন কর্মক্ষেত্রের কৃতিত্ব স্বরূপ তাঁহাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
নবীগঞ্জ থানায় যোগদানের পর থেকে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুক আলী পেশাদার অপরাধী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি, চোর, ডাকাত ও মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার, জুয়াড়ি, দেশীয় অস্ত্র, বিভিন্ন প্রকারের মাদকদ্রব্য উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতার, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমসহ নানা ধরণের কাজের মাধ্যমে পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে সার্বিক বিষয়ে অবদান রাখায় ১১ জুন মাসে হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন। স্বীকৃতি স্বরূপ পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে তাঁকে পুরস্কৃত করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল) পলাশ রঞ্জন দে,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর (সার্কেল) মো: খলিলুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (নবীগঞ্জ -বাহুবল সার্কেল) আবুল খায়ের,সহকারি পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল)নির্মেলেন্দু চক্রবতী। এছাড়াও হবিগঞ্জ জেলার অফিসার ইনচার্জগণ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও অন্যান্য অফিসার ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুক আলী, পুলিশ সুপার মো: আক্তার হোসেন প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, স্যারের কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত ও গর্বিত। এ পুরস্কার আমাদেরকে কাজের স্পিহা ও দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে তুলেছে। থানার সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্বশীলতায় ও ভালোবাসায় আমি পুরস্কৃত হয়েছি। আমরা চেষ্টা করবো অর্পিত দায়িত্ব এবং কর্তব্য যেন সততার সহিত পালন করতে পারি।
মন্তব্য করুন