

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযানে ১১ জন মাদক ব্যবসায়ী
ও একজন আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু গাঁজা ও ইয়াবা সহ আটক করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
গতকাল (২৮ জুন) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ছুপুয়া
এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। বাবলু মিয়া
(২৩), পিতা-জাকির হোসেন, সাং-আইরল, থানা-সরাইল, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া; ২। বিল্লাল হোসেন
(২২), পিতা-মাহবুল হক, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
মুন্না হোসেন (২২), পিতা-মোঃ রেজাউল করিম, সাং- আলিপুর, থানা-সাতক্ষীরা সদর, জেলা-সাতক্ষীরা;
৪। মোঃ সাইফুল ইসলাম কামাল (১৯), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট,
জেলা-কুমিল্লা; ৫। মোঃ সোহাগ (২৫), পিতা-আব্দুল খালেক, সাং-শফিবাদ, থানা-কচুয়া, জেলা-
চাঁদপুর; ৬। মোঃ ফয়সাল (২০), পিতা-আব্দুল বারেক, সাং-পানিপাড়া, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লা
৭। ইমরান হোসেন বাবু (২৫), পিতা-মাহবুল হক, সাং-শহীদপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
৮। মোঃ সালমান হোসেন (১৯), পিতা-মৃত শহীদুল ইসলাম, সাং-মাঝিআলী, থানা- বাঘারপাড়া, জেলা-যশোর;
৯। মোঃ শাহেদ হাসান (২০), পিতা-মৃত কবির হোসেন, সাং-পানিপাড়া; ১০। মোঃ হুমায়ুন হোসেন
(২০), পিতা-মোঃ আবুল বাশার, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
১১। মোঃ কাওসার (২২), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে
গ্রেফতার করা হয় এবং আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু ১২। মোঃ জসিম উদ্দিন (১৬), পিতা-মোঃ
জাফর আলী, সাং-পশ্চিম নোয়াগাও, থানা-লালমাই, জেলা-কুমিল্লা। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৭০
গ্রাম গাঁজা ও ১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানান, আসামীরা ও আইনের সহিত
সংঘাতে জড়িত শিশু দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের
পার্শ্ববর্তী খাবারের হোটেল গুলোতে ট্রাকের ড্রাইভার ও হেল্পারদের নিকট মাদক বিক্রয়
করে আসছিল। কিছু হোটেলের মালিক/ম্যানেজারগণ খাবার হোটেলের ব্যবসার সাথে সাথে মাদক ব্যবসার
সাথেও জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়। ট্রাকের চালকেরা খাবার খাওয়া এবং বিশ্রামের জন্য উক্ত
খাবার হোটেল গুলোতে বিরতি নিয়ে থাকে। বিরতিকালে ড্রাইভার এবং হেলপাররা হোটেল গুলো থেকে
মাদকদ্রব্য ক্রয় করে এবং সেবন করে। মাদক সেবী ট্রাকের ড্রাইভাররা নেশাগ্রস্থ অবস্থায়
রাতে মহাসড়কে গাড়ি চালায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে মহাসড়কে সড়ক দূর্ঘটনার
হার আশংকাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রয়কালে
অবৈধ মাদক সহ আসামীদেরকে হাতেনাতে গ্রেফতার ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে আটক করে।
মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়ার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় শুরু হয় রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লা নিয়ে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের স্বপ্ন–ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্বলিত লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম।
আজ শনিবার (৬ নভেম্বর) বিকালে নগরীর নূরপুর জামে মসজিদে আছরের নামাজ শেষে দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। পরে নূরপুর, হাউজিং ও কাটাবিল এলাকা ঘিরে এই কর্মসূচি ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
দোয়া শেষে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কুমিল্লা-৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন লিফলেট বিতরণ শুরু করেন। তার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই গণমুখী কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায় এবং সড়কে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নারী-পুরুষ, তরুণ-প্রবীণসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ লিফলেট গ্রহণ করতে এগিয়ে আসেন।
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কুমিল্লা-৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন,“মনোনয়ন নিয়ে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। আমি বিষয়টি দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কারণ আমি আমার জীবনের বাকি সময়টা এই অঞ্চলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেই থাকতে চাই।
অতীতের কঠিন সময়ে তারা যেমন আমার পাশে ছিলেন, আমিও তেমনি তাদের পাশে ছিলাম—এ সম্পর্ক আস্থার, ত্যাগের এবং আন্দোলনের। মামলা-হামলা, জুলুম-নির্যাতন—সব প্রতিকূল সময় আমরা একসঙ্গেই অতিক্রম করেছি।
তিনি আরও বলেন,“দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নেত্বত্বে থাকা দায়িত্বশীলরা। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিষয়টি দেখছেন বলেও আমাকে জানিয়েছেন। বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল—এখানে জনগণের ইচ্ছাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। জনগণ যা চাইবে, বিএনপিও সেই পথেই চলবে।”
দিনব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এস এ বারী সেলিম,কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবুর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, আসিফ মাহমুদ জহির, সালমান সাঈদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা,
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিন, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, মহানগর যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল এবং কৃষকদলের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা গণবিতরণ কার্যক্রমে যুক্ত হন।
নূরপুর, হাউজিং এবং কাটাবিল এলাকায় লিফলেট বিতরণের স্থানীয় দোকানদার, পথচারী, রিকশাচালক, শিক্ষার্থীসহ সবাই লিফলেট হাতে নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অংশহিসাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যােগে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে।
মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ৩০ কুমিল্লা টাউনহলের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করে।এসময় নগরীর টাউন হল থেকে শুরু করে মনোহরপুর,রাজগঞ্জ,বাদুরতলা, লাকসাম রোডে বিভিন্ন পোষ্টার ব্যানার নিয়ে মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করে।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে নগর জামায়াতের সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমানের পরিচালনা বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশ শুরা সদস্য ও কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য আব্দুস সাত্তার,কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, সহকারী সেক্রেটারী যথাক্রমে মু.কামারুজ্জামান সোহেল,কাউন্সিল মোশাররফ হোসাইন, নাছির আহম্মেদ মোল্লা।মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এড এয়াকুব আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসাইন, আমীর হোসাইন ফরায়েজী।
সভাপতির বক্তব্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি’, ‘পিআর পদ্ধতিতে সংসদের উভয় কক্ষের নির্বাচন’, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ’, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার নিশ্চিত করা’ এবং ‘স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও বিচারের মুখোমুখি করা’—গণমানুষের দাবি। সরকার যদি গণমানুষের দাবি উপেক্ষা করে গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন একদিনে করতে চায়, তাহলে বুঝতে হবে সরকার একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। নভেম্বরে গণভোট এবং ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে সরকার গড়িমসি করলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও করতে জনগণ বাধ্য হতে পারে। তাই সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে ৫ দফা দাবি মেনে নিতে তিনি আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদক :
কুমিল্লা থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর আগে জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে মোট ১৩৯ প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। জেলা ও উপজেলায় মনোনয়ন দাখিল করেন মোট ১১৪ জন।
মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন পর্যায়ক্রমে
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি–তিতাস) আসনে ১৪ জনের মধ্যে ১২ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন।
কুমিল্লা-২ (হোমনা-মেঘনা) আসনে ১৫ জনের মধ্যে ১১ জন জমা দিয়েছেন।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ১৩ জনের মধ্যে ০৯ জন জমা দিয়েছেন।
কুমিল্লা -৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১৪ জনের মধ্যে ০৮ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং–ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে ১৬ জনের মধ্যে ১১ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হাজি জসিম উদ্দিন।
কুমিল্লা-৬ (সদর- সদর দক্ষিণ - সিটি করপোরেশন - সেনানিবাস ) আসনে ১৪ জনের মধ্যে ১১ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
কুমিল্লা - ৭ (চান্দিনা) আসনে ০৯ জনের মধ্যে ০৯ জন জমা দিয়েছেন।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে ১০ জনের মধ্যে ১০ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া তাহের সুমন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে ১৮ জনের মধ্যে ১৫ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি'র মনোনীত পার্থী কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো.আবুল কালাম। এ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সাবেক ডাকসু সদস্য ড. রশীদ আহমেদ হোসাইনী।
কুমিল্লা -১০ ( নাঙ্গলকোট - লালমাই) আসনে ০৯ জনের মধ্যে ০৭জন জমা দিয়েছেন। এই আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি'র মনোনীত পার্থী আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ভুইঁয়া।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ১০ জনের মধ্যে ০৯ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন কামরুল হুদা। এ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
এছাড়াও সকল আসন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা সকাল থেকে পর্যায়ক্রমে কুমিল্লা জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়ন দাখিল করেন ১১টি সংসদীয় আসনে ১১৪ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন । কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রেজা হাসান জানান, জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে ১৩৯ প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিনে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০.২০ টায় বিজয় র্যালি, সকাল ১০.৪০ টায় বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিকাল ৪.০০ টায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এ দিনটি উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসে দেশাত্ববোধক গান পরিবেশনের পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাংলোর গেইট, বিশ্ববিদ্যালয় গেইট সংলগ্ন দেয়াল সমূহ, প্রধান গেইট থেকে গোল চত্বর পর্যন্ত এবং হল সমূহের সম্মুখভাগে আলোক সজ্জিত করা হয়েছে।
বিজয় র্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল হাকিম। এরপর পুষ্পস্তবক অর্পন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও বিভাগ সমূহ।
পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে কেক কেটে মার্কেটিং বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত‘মার্কেটিং প্রিমিয়ার লীগ’শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা ছয় (৬) মাসের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ রবিবার (৩ আগষ্ট) দুপুরে বিচারপতি মজিবুর রহমান ও বিচারপতি বশির উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত আদেশে বলেছেন, গোমতী নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় যেকোনো ধরনের দখলদারিত্ব কঠোরভাবে দমন করতে হবে। আদালত আরও বলেন, এই নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং জনস্বার্থের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে।
এই রিটের আবেদনকারী ছিলেন নদী রক্ষা ও পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া। রিটকারীর পক্ষে শুনানী করেন, সিনিয়র আইনজীবী
মনজিল মোর্শেদ।
তিনি বলেন, “গোমতী নদী এখন দখলদারদের দখলে চলে গেছে। নদী চিহ্নিত করে সীমানা নির্ধারণ সত্ত্বেও সেখানে গড়ে ওঠেছে অবৈধ দোকানপাট, স্থাপনা ও বাড়িঘর।”
তিনি আরও বলেন, “আদালতের এই রায় শুধু গোমতী নয়, দেশের সব নদী রক্ষায় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা আশা করছি প্রশাসন এখন আর দখলদারদের সঙ্গে আপস না করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করবে।”
আদালতের নির্দেশে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, অন্যান্য সরকারি দপ্তরগুলোকে এই ছয় মাসের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অটো মিশুক চালক সৈকত হত্যার ঘটনা জড়িত অন্যতম আসামি তুহিন মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২ সদস্যরা।
গ্রেফতার হওয়া তুহিন মজুমদার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের বাবুল মজুমদারের ছেলে। ৭ আগস্ট রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গত ৩ জুলাই রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে সৈকত (১৯) নামে এক অটোমিশুক চালক নৃশংসভাবে খুন হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ভিকটিম তাফরুল ইসলাম সৈকত (১৯) অটো মিশুক চালানোর উদ্দেশ্যে গত ০২ জুলাই বিকাল ৫ টায় বাড়ী থেকে বের হয়। রাত ১১ টা অতিবাহিত হওয়ার পরও সৈকত বাড়ীতে না ফেরায় তার পরিবার তাকে বিভিন্ন স্থানে খোজ করতে থাকে। পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৫ টায় চৌদ্দগ্রামের মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে ভিকটিম সৈকত (১৯) এর লাশ পাওয়া যায়।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-০৭। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা নজরদারী ও ছায়াতদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদার (৩২) এর অবস্থান চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ০৭ আগষ্ট রাতে র্যাবের অভিযানে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বসন্তপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদারকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী সহ অন্যান্য আসামীদের সাথে ভিকটিমের সু-সম্পর্ক ছিল। সে সূত্র ধরে গত ০১ জুলাই রাতে গ্রেফতারকৃত আসামী সহ তার অন্যান্য সহযোগী আসামীরা একত্রে মিলিত হয়ে ভিকটিমকে হত্যা করে তার অটো মিশুকটি ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ০২ জুলাই রাত ১১ টায় আসামীরা অটো মিশুকসহ ভিকটিমকে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল এলাকায় গিয়ে সবাই মিলে বসে গল্প করে। এক পর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত আসামীর নির্দেশে ঘটনাস্থলের পাশে লুকিয়ে রাখা চাপাতি দিয়ে অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে কুপিয়ে হত্য করে ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে ভিকটিমের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল এবং অটো মিশুকটি নিয়ে লাশ খালে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।
গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১১, সিপিসি ২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১৫ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১
অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকায় মাদক বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে আসামী
মোঃ রিহান নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৫ কেজি
গাঁজা এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ রিহান (১৯) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার রাজাপাড়া গ্রামের আল আমিন এর ছেলে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটর সাইকেল ব্যবহার কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা,
সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে নিবেদিত সংগঠন “আমরা কুমিল্লার তরুণ প্রজন্ম” দেবিদ্বার উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন
করা হয়েছে। এই নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ আল আমিন
এবং সদস্য সচিব হয়েছেন শরীফ নাজিরী।
সংগঠনের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কুমিল্লার দেবিদ্বার
উপজেলায় তারা সমাজসেবা, শিক্ষা প্রসার এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে তরুণদের সম্পৃক্ত
করে গঠনমূলক কাজ করতে চায়। অচিরেই একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
আহ্বায়ক
মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, আমরা দেবিদ্বার উপজেলায়
আর্তমানবতার সেবায় কাজ করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং
তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।
সদস্য
সচিব শরীফ নাজিরী বলেন, কমিটি গঠনের পরপরই আমরা একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করব এবং সুবিধাবঞ্চিত
মানুষের জন্য কাজ শুরু করব।
সংগঠনের
জেলা আহ্বায়ক পিয়ারে মাহবুব এবং জেলা সদস্য সচিব সাজ্জাদ খান।
নবগঠিত
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন:
যুগ্ন
আহবায়ক আবুল খায়ের,সুবিল ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক আবু মূছা নিরব,বরকামতা ইউনিয়ন।
যুগ্ম
আহ্বায়ক পিবি হাবিব,ইউসূফপুর ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহ্বায়ক সুজন আহমেদ,ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহ্বায়ক মুনতাসির রাফি,দেবিদ্বার পৌরসভা।
যুগ্ন
আহ্বায়ক আবু জর গিফারী,রসূলপুর ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক রফিকুল ইসলাম,গুনাইঘর ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক বিল্লাল হোসেন আত্তারী,ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহ্বায়ক কাউছার আহমেদ -দেবিদ্বার পৌরসভা
যুগ্ন
আহবায়ক মো.আসরার জাহিদ আলেমদার, ইউসূফপুর ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক রবিউল ইসলাম -ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক মুহাম্মদ মনিরুল হক,ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক মারুফ বিল্লাহ -পইয়াবাড়ি,এলহাবাদ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক মিজানুর রহমান -সুবিল ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক নাহিদ হাছান -সুলতানপুর ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক আল-আমিন -জাফরগন্জ ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক ওলিউল্লাহ,বরকামতা ইউনিয়ন।
যুগ্ন
আহবায়ক মুহাম্মদ মাহফুজ মিয়া,দেবিদ্বার পৌরসভা।
যুগ্ন
আহবায়ক মোঃ মেরাজ, সুলতান ইউনিয়ন।
সদস্য
মো:জোবায়ের
ইসলাম-গুনাইঘর
ইউনিয়ন।
সদস্য
মাওলানা মোহাম্মদ কবির হোসাইন রেজা কাদেরী।
সুবিল
ইউনিয়ন।
সদস্য
রানা মাহমুদ,বরকামতা ইউনিয়ন।
সদস্য
সাবিত রেজবী,রসূলপুর ইউনিয়ন।
সদস্য
রফিকুল ইসলাম
সদস্য
এনামুল আহমেদ, দেবিদ্বার পৌরসভা।
সদস্য
শাহ কামাল -সুবিল ইউনিয়ন।
সদস্য
ইসমাইল আহমেদ মাহিন,দেবিদ্বার পৌরসভা।
সদস্য
ইলিয়াস,এলাহবাদ ইউনিয়ন।
সদস্য
জুবায়ের ইসলাম,গুনাইঘর ইউনিয়ন।
সদস্য
শরীফুল ইসলাম,ইউসুফপুর ইউনিয়ন।
সদস্য
কাইয়্যুম ইসলাম,ইউসুফপুর ইউনিয়ন
সদস্য
ওমর ফারুক,দেবিদ্বার পৌরসভা।
সদস্য
মাওলানা মোহাম্মদ আলী, সুবিল ইউনিয়ন।
সদস্য
মুহাম্মদ রাকিব,সুবিল ইউনিয়ন।
সদস্য
মুহাম্মদ রাব্বি, সুবিল ইউনিয়ন।
সদস্য
দ্বীন ইসলাম, সুবিল ইউনিয়ন।
সদস্য
হৃদয় আহমেদ সাগর -ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
সদস্য
মো.আরিফুল ইসলাম,ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
সদস্য
আরিফ রেজা,ফতেহাবাদ ইউনিয়ন।
সদস্য
সাইদুল ইসলাম সুমন, ইউসুফপুর ইউনিয়ন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি- কুমিল্লার উদ্যোগে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ধর্মপুরে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে একাধিক মামলার আসামী শাফিয়াকে ১০০ পুরিয়া গাঁজাসহ আটক করে নিয়মিত মামলা দায়ের এবং ইয়াবা সেবনের অপরাধে দুই জনকে মোবাইলকোর্টে কারাদণ্ড প্রদান।
ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্বাবধানে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাৎ হোসেন এঁর নেতৃত্বে উক্ত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসারসহ ১৩ জন সেনা সদস্য, কুমিল্লা এনএসআই এর ফিল্ড অফিসার মিনহাস আহমেদ, কুমিল্লা কাস্টমস এর সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো: শামসুল আলম, আট জন পুলিশ সদস্য, বিভাগীয় পরিদর্শক মো: শরিফুল ইসলাম, পরিদর্শক মো: শফিকুল ইসলামসহ ডিএনসির সকল সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর ৫ টায় কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানাধীন ধর্মপুরের বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িতে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী শাফিয়া আক্তার (৫৭) নামের একজন আসামিকে আটক করে। আটককৃত আসামি কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ধর্মপুর গ্রামের (শাহ আলম মেম্বার বাড়ী) মৃত মনজিল মিয়ার স্ত্রী।
ইয়াবা সেবনের জন্য ইয়াবা সংরক্ষণের অপরাধে জাকির হোসেনকে ৩ মাসের কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয় এবং ইয়াবা সেবনের অপরাধে আমান হোসেনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
তারা হলেন- কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন
ধর্মপুর এলাকার আমির হোসেন
এর ছেলে জাকির হোসেন (৪২) এবং হারুন মিয়ার
ছেলে আমান হোসেন (৪০)।
গ্রেফতারকৃত আসামী শাফিয়ার আক্তারের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন