৯৯৯ এ কল করে স্বামীকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন স্ত্রী

৯৯৯ এ কল করে স্বামীকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন স্ত্রী
সংগৃহীত

স্বামীর ঘরে রাখলেন ইয়াবা। পরে কল দিলেন ৯৯৯-এ। উদ্দেশ্য- যেকোনো ভাবে ফাঁসাতেই হবে স্বামীকে।

কিন্তু ভাগ্য হলো না সহায় । স্ত্রী নিজেই গেলেন ফেঁসে। শুনতে আশ্চর্য লাগলেও এমন ঘটনাটাই ঘটেছে রাজধানীতে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁও থানার পশ্চিম নাখালপাড়া থেকে ১৪ ইয়াবাসহ রুমা আক্তার (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্বামী কাওছার আহম্মেদের কাছে ইয়াবা আছে বলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করেন রুমা, কিন্তু পরে স্বীকার করেন স্বামীকে ফাঁসাতে তিনি নিজেই এই ইয়াবা কিনে সেখানে রেখেছেন।

তেজগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন পিপিএম (বার) এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, প্রবাসী কাওছার আহম্মেদের সাথে ১২ বছর আগে বিয়ে হয় রুমার। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকে। তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ করেন। ঝগড়া বিবাদের কারণে কাওছার বিদেশ থেকে চলে আসেন এবং ঢাকায় একটি রেস্টুরেন্টে চাকরি শুরু করেন। দেশে ফিরলেও তাদের মধ্যে বিবাদ বাড়তে থাকে।

তিনি বলেন, স্বামীকে ফাঁসাতে জাকির নামে এক মাদক কারবারির নিকট হতে ১৪ পিস ইয়াবা কিনেন রুমা। সেই ইয়াবা শোবার ঘরের একটি ব্যাগে রেখে ৯৯৯- এ ফোন করেন। তাৎক্ষণিক তেজগাঁও থানা পুলিশের একটি টিম পশ্চিম নাখালপাড়ার কাওছারের বাসায় যায়। রুমার আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এক পর্যায়ে স্বীকার করেন, স্বামীকে ফাঁসাতেই তিনি নিজে ইয়াবা কিনে ঘরে রেখেছেন। পরে ১৪ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রুমার দেয়া তথ্য মতে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে জাকিরকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার

যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে ৪২৭ জন গ্রেপ্তার
সংগৃহীত

যৌথবাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গত সাত দিনে ৪২৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ (শনিবার) পর্যন্ত অভিযানে এসব লোককে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি হতে ৫ মার্চ  পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশন, ১০ পদাতিক ডিভিশন, ১১ পদাতিক ডিভিশন, ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড, ৭ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড, ৮৬ স্বতন্ত্র সিগন্যাল ব্রিগেড ও ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের অধীনস্থ ইউনিটসমূহ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীর মিরপুর-১, ভাষানটেক, ইসিবি চত্বর, কাঁঠালবাগান, হাজারীবাগ এবং দেশের অন্যান্য এলাকা  টঙ্গী, নরসিংদী, রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব যৌথ অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ, ডাকাত দলের সদস্য ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং মাদক ব্যবসায়ীসহ ৪২৭ জন অপরাধীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের নিকট হতে অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র, পাসপোর্ট, এনআইডি, মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। 

পাশাপাশি অভিযানে বিভিন্ন স্থানে নকল ভোজ্য তেল ও নকল  ফলের জুস এর কারখানা সহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা সিলগালা সহ দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।  আটককৃতদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সাধারণ জনগণকে যেকোন সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে তথ্য প্রদান করার জন্য যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা

কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা
সংগৃহীত

কেউ গাড়ির হেলপার-ড্রাইভার, কেউ দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, কেউবা পুরাতন মালামাল ক্রেতা কিংবা রাজমিস্ত্রী। আছে সবজি বিক্রেতাও। কিন্তু ভিন্ন পেশা হলেও সন্ধ্যা নামতেই বদলে যায় তাদের পেশা-পরিচয়। বেরিয়ে আসে ভয়ঙ্কর রূপ।


এসব ভিন্ন ভিন্ন পেশার আড়ালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় তারা ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে জড়িত। প্রত্যেকের নামে রয়েছে একাধিক মামলা। প্রত্যেকেই জেল খেটেছেন। বেরিয়ে আবারো জড়িয়েছেন গ্যাং কালচারে।


পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) রাজধানীর মোহাম্মাদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ এলাকায় কিশোর গ্যাং এর বিভিন্ন গ্রুপের ছিনতাই, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ৩৬ জনকে গ্রেফতারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে ।


গ্রেফতারকৃত কিশোর গ্যাং পাটালি গ্রুপের অন্যতম মূলহোতা সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীব এবং লেভেল হাই এর অন্যতম মূলহোতা মো. শরিফ ওরফে মোহন ও চাঁন গ্রুপ,মাউরা ইমরান গ্রুপসহ বিভিন্ন গ্রুপের সদস্য। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র। গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে ৫ জন পাটালি গ্রুপের, ৬ জন লেভেল হাই, ৬ জন চাঁন গ্রুপ, ৫ জন লও ঠ্যালা গ্রুপ, এবং ৭ জন মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। বাকি ৭ জন অন্য গ্রুপের সদস্য। এদের গ্রুপে প্রায় ২০-২৫ জন সদস্য থাকে।


র‌্যাব-২ অধিনায়ক বলেন, সম্প্রতি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্য ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়। এসব সন্ত্রাসীদের হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি ও মামলা হয়েছে। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ ও তার আশপাশের এলাকায় বেশ কয়েকটি ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য পেয়ে র‌্যাব টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।


র‌্যাব-২ অধিনায়ক আরও বলেন, পাটালি গ্রুপটি সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীবের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। নিজেদের মধ্যে অন্তঃকোন্দলের কারণে তারা ২/৩টি গ্রুপে বিভক্ত হয়। লেভেল হাই গ্রুপটি গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহনের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। গ্রেফতাররা মোহাম্মদপুর, আদাবর, বেড়িবাঁধ ও ঢাকা উদ্যান এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো। এসব গ্রুপের গ্রেফতাররা একাকী পথচারীদের আকস্মিকভাবে ঘিরে ধরে চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজিসহ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা উদ্যান, আদাবর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো। মাদক সেবনসহ এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত তারা। মূলত তারা মোহাম্মদপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত।


গ্রেফতারদের পেশা সম্পর্কে র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক বলেন, বিভিন্ন গাড়ির হেলপার ও ড্রাইভার, দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, পুরাতন মালামাল ক্রেতা, সবজি বিক্রেতা ইত্যাদি পেশার আড়ালে তারা মূলত মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করতো।


অতিরিক্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, গ্রেফতার সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীব পাটালি গ্রুপ এর মূলহোতা। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে। সে এই সন্ত্রাসী গ্যাং এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছিল।


গ্রেফতার রানা শিকদার, জুয়েল মিয়া ও সাগর গ্রেফতার ফর্মা সজীবের সহযোগী। তারা গ্রেফতার পাটালি গ্রুপ এর ফর্মা সজীবের নেতৃত্বে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন এলাকায় টাকার বিনিময়ে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতো। সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ১১টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এ সকল মামলায় কারাভোগ করেছে।


র‌্যাব-২ এর সিও আরও বলেন, গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহন লেভেল হাই গ্রুপের মূলহোতা ও সন্ত্রাসী হায়াত ওরফে টাকলা হায়াত অন্যতম প্রধান সহযোগী। আগে সে মোহাম্মদপুর এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতো। সে টাকলা হায়াতের অন্যতম সহযোগী হিসেবে মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি ও অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে আসছিল।


টাকলা হায়াতের অবর্তমানে সে গ্যাংটি পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতার দুলাল, সোহাগ ও তারেক তারা লেভেল হাই গ্রুপের সদস্য। তারা গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহনের নেতৃত্বে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতো। শরিফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৮টির বেশি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।


গ্রেফতার সাকিব ওরফে প্রকাশ রিয়াম চাঁন গ্রুপের অন্যতম সহযোগী সদস্য। সে ২০১৮ সালে বরিশাল হতে ঢাকায় এসে ঢাকা উদ্যান এলাকায় বসবাস শুরু করে। সে বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসে চাকরি করেছে।


২০২১ সালে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে চাকরির সময়ে চাঁন গ্রুপ নামে একটি কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। পরে মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে সে চাঁন গ্রুপের অন্যতম সহযোগী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৩টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।


ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদকের কারবারে গ্রেফতার ইমরান ওরফে মাউরা ইমরান মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে। আগে সে মোহাম্মদপুর এলাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো।


২০২১ সালে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সময়ে নিজেই একটি কিশোর গ্যাং মাউরা ইমরান গ্রুপ গঠন করে। মাউরা ইমরান মোহাম্মদপুর এলাকায় চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও অপহরণের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৪টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।


মুরগী রাকিব লও ঠ্যালা গ্রুপের সদস্য । র‌্যাব-২ এর সিও অতিরিক্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন খান আরও বলেন, রাকিব ওরফে মুরগী রাকিবের জন্ম বরিশাল এলাকায়। সে বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসে চাকরি ও ডিসের লাইনে চাকরি করতো। ২০২০ সালে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে চাকরির সময় লও ঠ্যালা গ্রুপে যোগ দেয়। সে বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ ও মাদক পৌঁছে দেয়ার কাজ করতো। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত দুটির অধিক মামলায় কারাভোগ করেছে। 


গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার
ছবি

রাজধানীর ঝিগাতলা এলাকা থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী জান্নাত আরা রুমির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের (ধানমন্ডি থানা) সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঝিগাতলার জান্নাতী ছাত্রী হোস্টেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, ঝিগাতলা পুরান কাঁচা বাজারের পাশে অবস্থিত একটি ছাত্রী হোস্টেল থেকে জান্নাত আরা রুমির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ডতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানায়, রুমি পারিবারিকভাবে মানসিক চাপে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

নিহত জান্নাত আরা রুমি নওগাঁ জেলার পত্নীতলা থানার নাজিরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মো. জাকির হোসেন এবং মা নুরজাহান বেগম।

নিহতের সাবেক স্বামী মো. বিপ্লব সরকার জানান, চার থেকে পাঁচ মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর আগেও রুমির আরেকটি বিয়ে হয়েছিল, সেখানেও তার ডিভোর্স হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রথম স্বামীর ঘরে রুমির আট বছরের একটি মেয়ে এবং তার সঙ্গে সংসারে সাড়ে তিন বছরের একটি ছেলে রয়েছে। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে রুমির সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না।

জান্নাত আরা রুমি আগে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং এর পর এনসিপির রাজনীতিতে যুক্ত হন।

হাজারীবাগ থানার উপপরিদর্শক কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখতে পায়। হোস্টেলের কাজের বুয়া সকালে দরজায় ধাক্কা দিলে দরজা খুলে যায় এবং ভেতরে ঢুকেই দৃশ্য দেখতে পান।

তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির
ছবি

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের নেতারা এসব কথা জানান।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কোরআন ও সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন প্রণয়ন করা হবে না। পাশাপাশি কওমি মাদ্রাসা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার অংশ হিসেবে চারটি সংসদীয় আসনে বিএনপি নিজস্ব প্রার্থী দেবে না। দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব আসনে কোনো বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নির্বাচন করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।সমঝোতার আওতায় যে চারটি আসন জমিয়তের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো— নীলফামারী-১ আসনে মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মনির হোসাইন কাসেমী, সিলেট-৫ আসনে আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জুনায়েদ আল হাবিব।দলীয় সূত্র জানায়, আলোচনার শুরুতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ পাঁচটি আসনের দাবি তোলে। দীর্ঘ আলোচনার পর বিএনপি প্রথমে তিনটি আসনে সম্মত হয়। পরে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরামর্শে আরও একটি আসন যুক্ত করা হলে চূড়ান্তভাবে চারটি আসনে জমিয়তের প্রার্থীদের জন্য জায়গা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর

সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সেনাসদর
সংগৃহীত

সেনাসদর মিলিটারি অপারেশনস ডাইরেক্টরেটের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মতৎপরতায় ঢাকাসহ সারাদেশে মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি ও হত্যার ঘটনা আগের চেয়ে কমেছে ।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গত ৫০ দিনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, অপরাধের হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। হটস্পটগুলো সার্বক্ষণিক ২৪ ঘণ্টা নজরদারির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

সারাদেশে মব জাস্টিসের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, শুধু মব জাস্টিস নয়, চাঁদাবাজি, চুরি, রাহাজানি ও হত্যা আগের চাইতে কমেছে। গত দুই মাস আগে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল ২৫০টি, কিন্তু বর্তমানে কমে ১২০টিতে নেমেছে। চুরি ৮৫০টির মতো হতো, বর্তমানে ৬০০টির নিচে নেমে এসেছে। হত্যা সাড়ে তিনশো ছিল, বর্তমানে ১২০-তে নেমেছে। সেনাবাহিনীর কর্মতৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে।

ঢাকার মোহাম্মদপুর ও বনানীতে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য এবং কিছু অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে। আর যারা অবসরপ্রাপ্ত সদস্য তাদের দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করা হবে। কোনো অন্যায়কে সেনাবাহিনী কখনো প্রশ্রয় দেয় না। সেনাবাহিনী সবসময় সততার সঙ্গে আছে এবং থাকবে। জনগণের আস্থার জায়গায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে পাশে পাবেন।

সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করতে গিয়ে কোনো চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী কোনো চ্যালেঞ্জ ফেস করছে না। তবে আমরা দীর্ঘ ছয় মাস বাইরে নিয়োজিত রয়েছি। অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।

তিনি বলেন, ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ১৭২টি অবৈধ অস্ত্র এবং ৫২৭ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।

এই সময়কালে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে (মূলত গাজীপুর, আশুলিয়া ও সাভার এলাকায়) ৮৮টি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে উদ্ভুত ৩০বার মূল সড়ক অবরোধ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। কারখানাগুলোকে চালু রাখার জন্য মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, বিজিএমইএসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে বর্তমানে দেশের ২ হাজার ৯৭টি পোশাক কারখানার মধ্যে গুটিকয়েক (বেক্সিমকো গ্রুপ, সাউদার্ন ডিজাইনার'স লিমিটেড, স্বাধীন গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং সেলফ ইননোভেটিভ ফ্যাশন লিমিটেড) ছাড়া সকল কারখানাই চালু রয়েছে।

শিল্পাঞ্চল ছাড়াও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গত এক মাসে ৪২টি বিভিন্ন ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে, যার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত ঘটনা ছিল ১৪টি, সরকারি সংস্থা/অফিস সংক্রান্ত তিনটি, রাজনৈতিক কোন্দল ৯টি এবং অন্যান্য ঘটনা ছিল ১৬টি।

বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইজতেমা ময়দানে তুরাগ নদীর ওপর ৫টি ব্রিজ স্থাপন, বোম ডিসপোজাল দলসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল মোতায়েন ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেনাসদস্য যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর সংস্কার কর্মকাণ্ড যেমন- অ্যান্টি পলিঘিনি অপারেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচালিত খাল পুনরুদ্ধার অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়েছে।

সেনাসদরের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন সময় যারা আহত হয়েছেন, তাদের সুচিকিৎসার জন্য সেনাবাহিনী আজ পর্যন্ত তিন হাজার ৮৫৯ জনকে দেশের বিভিন্ন সিএমএইচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে, যার মধ্যে ৪১ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি বলেন, দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশের জনগণের জানমাল এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও স্থাপনার নিরাপত্তা প্রদানসহ সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে এ সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করে কর্মধারা অব্যাহত রাখতে সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন কর্নেল শফিকুল ইসলাম।

 

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা : জালিয়াতি চক্রের ৩জন গ্রেফতার

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা : জালিয়াতি চক্রের ৩জন গ্রেফতার
সংগৃহীত

জয়পুরহাট জেলা পুলিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা জালিয়াতি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে । 


আগামীকাল দ্বিতীয় ধাপের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের (খুলনা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ বিভাগ) লিখিত পরীক্ষায় ২০-২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে টিকিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেন তারা।


গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন-জয়পুরহাটের পাঁচবিবি কৃষি কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুস্তম আলী, মো. ইশান ইমতিয়াজ, গোকুল, বগুড়া সদর এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের রোকনুজ্জামান। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।


প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত লিখিত পরীক্ষার প্রাক্কালে জালিয়াতিচক্রের এ ধরনের প্রলোভনে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। জালিয়াতি চক্রের কোনো তৎপরতার সন্ধান পাওয়া গেলে নিকটস্থ থানায় অভিযোগের পরামর্শ দেন তিনি। 


তিনি আরো বলেন, প্রথম পর্বের পরীক্ষার সময়ও এ ধরনের চক্র সক্রিয় ছিল। আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সজাগ ও সতর্ক ভূমিকার কারণে তাদের অপপ্রয়াস ব্যর্থ হয়েছে। সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় যেকোনো ধরনের অনিয়ম ঠেকানোর জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামীকালের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

চায়ের দোকানে ভাইভা পরীক্ষা, চুক্তি ২০ লাখ টাকা

চায়ের দোকানে ভাইভা পরীক্ষা, চুক্তি ২০ লাখ টাকা
সংগৃহীত

চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে অর্থ আত্মসাৎকারী সংঘবদ্ধ এই প্রতারক চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।


সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশের পর সক্রিয় হয়ে উঠতো একটি প্রতারক চক্র। চক্রের সদস্যরা মাঠকর্মী সেজে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে গিয়ে বিভিন্ন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়ে যে কোনো চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিতো। এভাবে প্রার্থীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র দেওয়ার মাধ্যমে গত কয়েক বছরে চক্রটি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।


ডিবি জানিয়েছে, রেলপথ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, কারা অধিদপ্তর, পররাষ্ট্র অধিদপ্তর, বিআরটিসি, বিএডিসি, সচিবালয়, ব্যাংক, মেট্রোরেল, এয়ারপোর্ট, তিতাস গ্যাস এবং বিশেষ বাহিনীর সিভিল পদে চাকরির বিজ্ঞাপন বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসার পর একটি প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে উঠে। সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করত একটি চক্র। চক্রটি প্রত্যেক চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও এখন পর্যন্ত কাউকে চাকরি দিতে পারেনি। এভাবে গত কয়েক বছরে তারা কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।


গ্রেফতাররা হলেন- মো. ফরিদুল ইসলাম (২৯), মো. নাসির চৌধুরী (৪৫), মো. নাসিম মাহমুদ (৪৩) ও জুয়েল রানা (৪৫)। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন ও বেশ কিছু ভুয়া নিয়োগপত্র, চেক ও স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়।


বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, গ্রেফতাররা বেশ কিছুদিন ধরে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে দেখিয়ে প্রদানের মাধ্যমে সাধারণ চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। অনুসন্ধানে এই চক্রের বিভিন্ন ধাপ লক্ষ্য করা যায়।


প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, কোনো চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেই এই চক্রের সদস্যরা মাঠকর্মী সেজে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে গিয়ে বিভিন্ন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়ে যে কোনো চাকরি পাইয়ে দেওয়ার মতো তাদের হাতে লোক রয়েছে বলে আশ্বস্ত করতো। চাকরিপ্রার্থীরা তাদের প্রস্তাবে রাজি হলে ব্লু ব্যাংক চেক, ব্ল্যাংক স্ট্যাম্প ও সিভি সংগ্রহ করার পাশাপাশি প্রত্যেকের কাছ থেকে অগ্রিম হিসেবে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা নিতো।


ডিবিপ্রধান আরো বলেন, মাঠকর্মী তার কমিশনের নির্দিষ্ট টাকা রেখে বাকি টাকা ও সিভি ফিল্ড পর্যায়ের সাব-এজেন্টের কাছে পাঠাতো। এরপর সাব-এজেন্ট সেই টাকা ও সিভি গ্রহণ করে সব চাকরিপ্রার্থীকে নির্দিষ্ট দিনে ভাইভার কথা বলে ঢাকাস্থ এজেন্টের কাছে পাঠাতো। পরে ঢাকাস্থ এজেন্ট আবাসিক হোটেলের রুমে বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশপাশের কোনো একটি চায়ের দোকানে চাকরিপ্রার্থীদের ভাইভা পরীক্ষা নিতো। ভাইভাতে উত্তীর্ণ হয়েছে বলে প্রার্থীর কাছ থেকে ওইদিন চুক্তির ৫০ শতাংশ টাকা নিয়ে নিতো। এরপর চক্রের আরেক সদস্য চুক্তির বাকি টাকা গ্রহণ করে প্রার্থীকে নির্দিষ্ট চাকরিতে দিনে যোগদানের কথা উল্লেখ করে একটি ভুয়া নিয়োগপত্র এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একটি ভুয়া আইডি কার্ড দিয়ে পুরো টাকা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা হয়ে যেতো। অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, পরবর্তী সময়ে চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগপত্রে উল্লেখিত তারিখে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগদান করতে গেলে জানতে পারেন, প্রতারক চক্রের দেওয়া নিয়োগপত্র আর আইডি কার্ডটি ভুয়া। ততোদিনে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকার মতো। পরে চক্রটি নিজেদের মধ্যে চুক্তির টাকা ভাগাভাগি করে নিতো।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানায়, চক্রটি গত দু-তিন বছর ধরে এভাবে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। তাদের ব্যবহৃত হোয়াটঅ্যাপ/মেসেঞ্জারে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তারা বিভিন্ন চাকরিপ্রত্যাশীদের বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, কারা অধিদপ্তর, পররাষ্ট্র অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিআরটিসি, বিএডিসি, এলজিইডি, সচিবালয়, বিভিন্ন ব্যাংক, প্রাথমিকের পিয়ন, মেট্রোরেল, এয়ারপোর্ট, তিতাস গ্যাস ও ওয়াসার আউটসোর্সিং এবং বিশেষ বাহিনীর সিভিল পদে নিয়োগ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিতো।


গ্রেফতার এ চক্রে জুয়েল রানা ফিল্ড পর্যায়ে মাঠকর্মী, নাসিম মাহমুদ ফিল্ড পর্যায়ের সাব-এজেন্ট ও নাসির চৌধুরী ঢাকাস্থ সাব-এজেন্ট এবং চক্রের মূলহোতা হিসেবে ফরিদুল ইসলামের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।


১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর মামলা করেন এক ভুক্তভোগী । মামলার বাদীকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এমএলএসএস পদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি ভুয়া নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। নিয়োগপত্র নিয়ে তিন মাস পরে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে যোগদানের জন্য গেলে জানতে পারেন নিয়োগপত্রটি ভুয়া। পরবর্তী সময়ে আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করতে গেলে তাদের ব্যবহৃত সব মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। মামলার বাদী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলাটি দায়ের করেন।


ডিবি-সাইবারের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের টিম লিডার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. নাজমুল হক বলেন, চক্রটি গত কয়েক বছরে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা কারে নিলেও কারও চাকরি দিতে পারেনি। পত্রিকায় চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে শুধু সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। চাকরির ক্ষেত্রে কারও সঙ্গে কোনো লেনদেন করা যাবে না।


তিনি বলেন, গ্রেফতারদের বিরূদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আসামিদের ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের আজ শপথ

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের আজ শপথ
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ

আজ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের শপথ গ্রহণ হবে। 

বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে রোববার (১১ আগস্ট) বঙ্গভবনে তার শপথগ্রহণ হবে।

রাষ্ট্রপতির আদেশে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্টের বিচারক বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের প্রয়াত জ্যেষ্ঠ বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদের ছেলে।

সৈয়দ রেফাত আহমেদের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর। তিনি ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে, ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।

সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্য থেকে বিএ ও এম এ ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান তিনি। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হন।

তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ভারত, পাকিস্তান, আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ পৃথিবীর বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার
ছবি

খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তি–এর খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক মো. মোতালেব শিকদারকে গুলির ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী শামীম সরদার ওরফে ডিকে শামীম ওরফে ঢাকাইয়া শামীমসহ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৬)। এ নিয়ে মামলায় মোট চারজন গ্রেপ্তার হলেন।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে র‌্যাব-৬ খুলনার সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর মো. নাজমুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

র‌্যাব জানায়, চাহিদামতো ইয়াবা সরবরাহ করতে না পারায় ক্ষিপ্ত হয়ে শামীম সরাসরি মোতালেব শিকদারকে মাথায় গুলি করেন। গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তনিমা ওরফে তন্বীর বাসায় নিয়মিত মাদক কেনাবেচা হতো।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে নগরীর বসুপাড়া এলাকা থেকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে সরাসরি জড়িত শীর্ষ সন্ত্রাসী শামীম সরদার ও তার সহযোগী মাহাদিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০টি মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, গত ২২ ডিসেম্বর সকাল ৭টার দিকে শামীমসহ ৪-৫ জন তন্বীর বাসায় যান। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন মোতালেব শিকদার, তন্বী, আরিফ, ইফতি, তন্বীর স্বামী তানভীর, তন্বীর বন্ধু ইমরান এবং ইফতির চাচাতো ভাই। ওই বাসায় মাদক (ইয়াবা) সরবরাহ ও টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে শামীম নিজ হাতে মোতালেব শিকদারকে গুলি করে পালিয়ে যান।

মেজর নাজমুল ইসলাম বলেন, ঢাকাইয়া শামীম সোনাডাঙ্গা এলাকার অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে দস্যুতা, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মাদক মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

র‌্যাবের দাবি, এই হত্যাচেষ্টার ঘটনাটি মূলত সোনাডাঙ্গা এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদকের টাকা ভাগাভাগিকেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব থেকে সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার ও মূল রহস্য উদঘাটনে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর আহত মোতালেব শিকদারের স্ত্রী রহিমা আক্তার ফাহিমা সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় জেলা জাতীয় যুবশক্তির যুগ্ম সদস্যসচিব তনিমা ওরফে তন্বীসহ অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

পরে নগর গোয়েন্দা পুলিশ তন্বীকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তদন্ত করছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০

টাঙ্গাইলে নিখোঁজ শি-শুর বস্তাবন্দি দ্বিখণ্ডিত লা-শ উদ্ধার

টাঙ্গাইলে নিখোঁজ শি-শুর বস্তাবন্দি দ্বিখণ্ডিত লা-শ উদ্ধার
নিখোঁজ শি-শু

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের ভূঞাপু‌রে মাদরাসার শিক্ষার্থী নিখোঁজের ৯ দিন পর বা‌ড়ির পা‌শের ধান ক্ষেত থে‌কে বস্তাব‌ন্দি দ্বিখণ্ডিত গলিত লাশ উদ্ধার ক‌রে‌ছে পু‌লিশ। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি পচে যাওয়ায় মাথার খুলি শরীরের হাড়গুলো বস্তায় পাওয়া গেছে। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া বলা যাচ্ছে না এটা ওই নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ কিনা।

সোমবার (৩ জুন) সকা‌লে উপ‌জেলার গো‌বিন্দাসী ইউনিয়‌নের চিতু‌লিয়াপূর্বপাড়া এলাকার এক‌টি ধান‌ক্ষেত থে‌কে বস্তাব‌ন্দি মর‌দেহ উদ্ধার করা হয়। 

এরআগে ওইগ্রা‌মের সুমন মিয়ার মে‌য়ে এবং স্থানীয় হাফি‌জিয়া মাদরাসা ও নুরানী কিন্ডারগা‌র্টেনের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী নও‌শিন ইসলাম শ‌র্মিলা (১০) গত ২৬ মে দুপু‌রে নি‌খোঁজ হয়। ওই শিক্ষার্থী নি‌খোঁজ হওয়ার পর তা‌কে উদ্ধা‌রে থানায় সাধারন ডায়রী ক‌রেন শ‌র্মিলার বাবা সুমন মিয়া। 


এদিকে ধানক্ষেতে শিশু শিক্ষার্থীর বস্তাব‌ন্দি দ্বিখ‌ন্ডিত গলিত মরদেহ উদ্ধার হওয়ার খবরে আশপা‌শের শতশত মানুষ সেটি দেখ‌তে ভীড় করেছে। এছাড়া ঘটনাস্থল প‌রিদর্শন ক‌রে‌ছেন জেলা পু‌লিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারসহ জেলার উধ্বর্তন কর্মকর্তারা।

শর্মিলার চাচা কাইয়ুম মিয়া জানান, এটি শর্মিলার লাশ কি না আমরা এখনও শনাক্ত করতে পারিনি। লাশের অধিকাংশ পচে গেছে, কুকুরে টানাটানি করে সমস্ত দেহ লন্ডভন্ড করে ফেলেছে। তবে তার পড়নের লাল পায়জামার অংশ দেখে ধারণা করা হচ্ছে এটিই শর্মিলার দেহ।

নিহত শ‌র্মিলার বাবা সুমন মিয়া ব‌লেন, কা‌রোর সা‌থে কোন শত্রুতা নেই। কেউ টাকা পয়সাও পায় না। মে‌য়ে নি‌খোঁজ হওয়ার পর কেউ মু‌ক্তিপণ বা টাকা পয়সা চায়‌নি। বা‌ড়ির আশপাশসহ বি‌ভিন্ন আত্মীয় স্বজ‌নের বা‌ড়ি‌তে খোঁজ ক‌রেও তার সন্ধান পায়‌নি। এরপর ৩ জুন সকা‌লে বা‌ড়ির পা‌শে ধান ক্ষে‌তে বস্তাব‌ন্দি মর‌দেহ দে‌খে লোকজন খবর দেয়। এরআগে ওই বস্তা‌টি কুকুর টানাটা‌নি কর‌ছিল। যে নৃশংস হত‌্যাকান্ড ঘ‌টি‌য়ে‌ছে তার ক‌ঠোর শা‌স্তি দাবী ক‌রি।


এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আহসান উল্লাহ জানান, বন্তাব‌ন্দি একটা মর‌দেহ উদ্ধার করা হ‌য়ে‌ছে। ফ‌রেন‌সিক টিম ঘটনাস্থল প‌রিদর্শন ক‌রে‌ছে। তদন্ত চল‌ছে। 

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনাসদস্য আহত

সাবেক ডিএমপির কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

আদালতের নির্দেশ— বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিষেধাজ্ঞা

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারীকে ‘হত্যার হুমকি’, যুবক আটক

ট্রাকচাপায় দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

চাঁদপুরে হাঁস বিক্রিতে ওজনে প্রতারণা, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ২ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

পাঁচ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর ঘোষণা দিলেন প্রেস সচিব

পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাক সেবনে ২ হাজার টাকা জরিমানা কার্যকর

১০

এনসিপি নেতাকে গুলিবর্ষণকারী ডিকে শামীম গ্রেপ্তার

১১

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান

১২

নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

১৩

ক্ষমতায় এলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘বিশেষ ভাতা’র ঘোষণা বিএনপির

১৪

মাদক কারবারির বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ: গ্রেপ্তারের দাবী এলাকাবাসীর

১৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুইটি অধ্যাদেশ অনুমোদন

১৬

এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধার

১৭

আবাসিক হোটেল থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার , স্বামী আটক

১৮

এখন থেকে টাক বলে অপমান করলেই হবে যৌন হয়রানির শাস্তি

১৯

সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিরাপত্তা চেয়ে আইজিপিকে চিঠি

২০