

অগ্নিকাণ্ডে
নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সাতটি বসতঘর ও মূল্যবান আসবাবপত্র আর কষ্টার্জিত নগদ টাকা।
তবে আশ্চর্যজনকভাবে ভস্মীভূত ছাইয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ অক্ষত রয়ে গেছে পবিত্র কোরআন শরীফের
প্রতিটি হরফ।
এই
ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ হবিরবাড়ী গ্রামের
খন্দকার পাড়া এলাকায়। সোমবার (১৮ মে) দুপুরের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার
ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোরআন শরীফের হরফ না পোড়ায় হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামের মালিকানাধীন টিনশেড ঘর থেকে
হঠাৎ বিকট শব্দে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে আশপাশের
লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। তবে ফায়ার সার্ভিস
পৌঁছানোর আগেই আগুন তীব্র আকার ধারণ করে আশরাফুল ইসলামের চারটি ঘর ও মিতু আক্তারের
তিনটি সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন
ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও ঘরে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও আগুনে আংশিক পুড়লেও পবিত্র কোরআন শরীফের ভেতরের হরফ বা
লেখাগুলো অক্ষত রয়ে গেছে, যা দেখে হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
ক্ষতিগ্রস্ত
বাড়ির মালিক আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমার বসতবাড়ির ৪টি ঘরে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার,
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বর্তমানে আমাদের মাথা গোঁজার
ঠাঁই বা এক মুঠো খাবারও অবশিষ্ট নেই। তবে এই ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আল্লাহর কালামের হরফগুলো
অক্ষত দেখে মনে এক অন্যরকম সান্ত্বনা পাচ্ছি।
অপর
বাসার মালিক মিতু আক্তারের মা জানান, হঠাৎ আগুন দেখে তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েন, জীবনের
সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে কিছুই রক্ষা করতে পারেননি।
স্থানীয়
বাসিন্দা মাহফুজ খন্দকার বলেন, হঠাৎ লাগা এই আগুনে দুটি পরিবারের সবকিছু পুড়ে গেছে।
তারা এখন খোলা আকাশের নিচে একেবারে নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। আগুনে সবকিছু শেষ
হলেও কোরআন শরীফের পাতাগুলোর এই অবস্থা সবাইকে বিস্মিত করেছে।
ভালুকা
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের
গাড়ি রওনা হয়েছিল। তবে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে
নিয়ে আসে। ফলে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ ফায়ার সার্ভিসের
পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন


জুলাই
শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস
আলম বলেছেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেমগুলোর জন্য বিগত ১৬ বছরে মানুষ বিরক্ত হতে হতে দেয়ালে
পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ১৬ বছরে সবচেয়ে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল
নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচন কমিশন সংস্কার না করলে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা
যাবে না। শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য ২ হাজার মানুষ জীবন দেয়নি আর এ অভ্যুত্থানও হয়নি।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের
হাতে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক
সারজিস আলম বলেন, আমরা বলছি না রাষ্ট্রের সবকিছু সংস্কার করে নির্বাচনে যান। আমরা এটাও
বলছি না আগামী ৫-৬ বছর সংস্কার করেন। কিন্তু সংস্কারের জন্য ন্যূনতম একটা যৌক্তিক সময়
লাগবে। কোনো বিবেকবান মানুষ তার জায়গা থেকে চিন্তা করতে পারবে না যে এক বছরের মধ্যে
সবকিছু সংস্কার হয়ে যাবে। ১৬ বছর ধরে যে সিস্টেমগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করা হয়েছে,
সেই সিস্টেমগুলোকে সংস্কার করতে একটা যৌক্তিক সময় প্রয়োজন। বিগত ১৬ বছর এমনকি ৫৩ বছর
ধরে বাংলাদেশের সংবিধান পাঁচ বছরের জন্য দেশের মানুষকে একটি ‘জনতার সরকার’উপহার দিতে পারেনি।
আমাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে পারেনি। সেই সাংবিধানিক সংস্কারও প্রয়োজন। প্রত্যেক পাঁচ বছরের জন্য বড় বড় ইশতেহার দিয়ে
প্রতিটি সরকার ক্ষমতায় আসে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরপরই তারা ইশতেহার ভুলে যায়। তারা
ভুলে যায় তারা যে জনতার সরকার। শুধু একটা নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে পারে
না। এর পাশাপাশি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান জড়িত। এর মধ্যে অন্যতম হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
একটা সিস্টেমের মধ্যে আনতে হবে। তা না হলে নির্বাচন দিলে আবার জবরদখলের ঘটনা ঘটতে পারে।
ক্ষমতার অপব্যবহার হতে পারে। আবার এ নির্বাচন ঘিরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সেজন্য একটা
বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজন। তাই বিচার ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন।
শহীদ
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চেক বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা দেশ থেকে প্রায় ১ হাজার
৬০০ জনের বেশি শহীদ পরিবারের তালিকা আমাদের কাছে এসেছে। আপাতত যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিতদের
পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রতিটি বিভাগীয় পর্যায়ে গিয়ে
শহীদের পরিবারের হাতে অনুদানের চেক তুলে দিচ্ছি। এটা আমাদের দায়িত্ব। বাকি যারা রয়েছেন
তাদের কাগজপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে। সেগুলো হাতে পেলে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হবে।
চেক
বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা মন্ত্রণালয় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেছে।
রোববার (২৮ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।
২০২৪ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
এসএসসি পরীক্ষা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলা প্রথম পত্র দিয়ে শুরু হবে। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
রুটিন অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলা প্রথম পত্র, সহজ বাংলা প্রথম পত্র ; ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলা দ্বিতীয় পত্র, সহজ বাংলা দ্বিতীয় পত্র ; ২০ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি প্রথম পত্র; ২২ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র; ২৫ ফেব্রুয়ারি গণিত; ২৭ ফেব্রুয়ারি ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্ট ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা; ২৮ ফেব্রুয়ারি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি; ২৯ ফেব্রুয়ারি গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, কৃষি শিক্ষা, আরবি, সংস্কৃত, পালি, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রিড়া, চারু ও কারুকলা; ৩ মার্চ পদার্থ বিজ্ঞান, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং; ৫ মার্চ রসায়ন, পৌরনীতি ও নাগরিকতা, ব্যবসায় উদ্যোগ; ৬ মার্চ ভূগোল ও পরিবেশ; ৭ মার্চ জীব বিজ্ঞান, অর্থনীতি; ১০ মার্চ বিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত; ১১ মার্চ হিসাব বিজ্ঞান এবং ১২ মার্চ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩ মার্চ থেকে ২০ মার্চ স্ব স্ব পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘সব দুর্যোগে-বিপদে মানুষের পাশে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিস
সদস্যরা। তাই তাদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, জনবল বৃদ্ধি ও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে
কাজ করছে সরকার।
আজ
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে
এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরো বলেন, ‘ভূমিকম্পের আশঙ্কা আছে, এমন বাস্তবতায় ফায়ার সার্ভিসের সার্বিক উন্নয়ন ও
অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় জরুরি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ‘সারা দেশে ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশনের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সেবা
প্রদান করে যাচ্ছে যা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। সেজন্য জনগুরুত্ব বিবেচনায় ২০টি ফায়ার
স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে।
অ্যাম্বুলেন্স
সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১০০টি অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহের কাজও চলমান।
ফায়ার
সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গতি,
সেবা ও ত্যাগের মন্ত্রে উজ্জীবিত এ বাহিনীর প্রতিটি সদস্য যেকোনো দুর্যোগ-দুর্ঘটনা
ও সংকটময় মুহূর্তে সাধারণ জনগণের জান-মাল রক্ষায় নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন।
এদিন
পাসিংআউট করে বাহিনীতে যুক্ত হয়েছেন আড়াই শতাধিক সদস্য। তাদের মধ্যে বুনিয়াদী ৯ জনকে
পদক পরিয়ে দেন মন্ত্রী।
এ
ছাড়া রাষ্ট্রীয় বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ২০ জনকে পদক পরিয়ে দেন তিনি। গত তিন বছরের
জন্য পদক পাবেন আরো ১৩৮ জন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, বিএনপি যতবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে, ততবারই কুমিল্লার উন্নয়নে কাজ করেছে। বর্তমানেও কুমিল্লাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও উন্নত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সদর দক্ষিণকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছেন। আমার পক্ষ থেকেও কুমিল্লার উন্নয়নে যা যা করা সম্ভব, আমি করে যাব। কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর আইন আমার হাত দিয়েই সংসদে পাস হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় টাউনহল মাঠে নাগরিক সমাবেশের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, কুমিল্লাকে একটি পরিকল্পিত নগরীতে রূপ দিতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের অংশ হিসেবে কুমিল্লা থেকে সরাসরি কক্সবাজার পর্যন্ত রেল যোগাযোগ চালুর বিষয়ে রেল উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এই সরকারের আমলেই কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন হবে বলে আমরা আশাবাদী। পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি কৃষি কোর্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা এ অঞ্চলের উচ্চশিক্ষা ও কৃষি গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০০ শয্যা রয়েছে। এ হাসপাতালকে আরও সম্প্রসারণ করে অতিরিক্ত ৫০০ থেকে এক হাজার শয্যার সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় কুমিল্লায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। সকলের অংশগ্রহণেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমীরুজ্জামান আমীরে সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-০৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি
কার্যক্রম আগামী ১৫ জুলাই থেকে শুরু হবে এবং চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত।
একাদশে ক্লাস শুরু হবে ৩০ জুলাই থেকে।
অনলাইনে এবারও শিক্ষার্থীদের ফলের ভিত্তিতে ভর্তির আবেদন করতে হবে । আগামী ২৬
মে থেকে ১১ জুন পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অনলাইনে এ আবেদন করতে পারবেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ভর্তির আবেদন, ফল প্রকাশ, ভর্তি ও
ক্লাস শুরু বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
১৫০ টাকা আবেদন ফি জমা দিয়ে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ দশটি কলেজে পছন্দক্রমের
ভিত্তিতে আবেদন করা যাবে।
একজন শিক্ষার্থী যতগুলো কলেজে আবেদন করবে, তার মধ্য থেকে তার মেধা, কোটা
(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।
শিক্ষার্থীদের এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
১২-১৩ জুন প্রথম পর্যায়ের আবেদন যাচাই, বাছাই ও নিষ্পত্তি করা হবে। এই সময়েই
পুনঃনীরিক্ষণে ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে।
এরপর ২৩ জুন রাত ৮টায় প্রথম পর্যায়ের নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা
হবে।
মন্তব্য করুন


সোমবার ইসির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সচিব মো. জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের জানান, ভোট শেষে যেসব এলাকা থেকে ভোট গণনার তথ্য পেতে সমস্যা হবে সেগুলোতে ভেরিফাইড হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তৈরি অ্যাপের মাধ্যমে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কেন্দ্রভিত্তিক ভোট পড়ার হার দুই ঘণ্টা পরপর নির্বাচনি অ্যাপে জানাবে নির্বাচন কমিশন।
৭ জানুয়ারির ভোটের দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি জানান, সেসময় মাঝারি শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে৷ ফলে চরাঞ্চল থেকে কুয়াশার কারণে ফলাফলের লিখিত তথ্যের কাগজ আসতে দেরি হতে পারে। এজন্য ফল সংগ্রহে বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, তবে ভেরিফাইড হোয়াটসঅ্যাপে যেন তথ্য নিয়ে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা যায় সে চিন্তাভাবনা চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির তৈরি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানান সচিব।অ্যাপটির হালনাগাদ করার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ভোটকন্দ্রের তথ্য এখনই জানা যাচ্ছে, কার ভোটকেন্দ্র কোনটি এবং লোকেশন কোথায়।
নির্বাচনের দিন দেশের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের গতিও কমবে না বলে জানান তিনি বলেন, আমাদের যতগুলো মোবাইল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম আছে সবগুলোই ফুল স্পিডে চালু থাকবে।
তবে অ্যাপটিতে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল পাওয়া গেলেও পার্বত্য অঞ্চলগুলোর মত ২০ শতাংশ এলাকা নেটওয়ার্কের বাইরে থাকায় কেন্দ্রীভূত ফলাফল পাওয়া যাবে না বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, কোনো কারণে ফলাফল পাঠাতে না পারলে ভোটের পারসেন্টেজে গরমিল হয়ে যেতে পারে। তবে সম্ভব হলে আমরা জানাব। আমরা সেখানে বিজিবি, পুলিশের ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করব।
এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশন সচিব জানান, নির্বাচনি অ্যাপে প্রায় ৩৯০টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল; বাছাইয়ে টিকেছে ২৬টি।
এ অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটার নম্বর, ভোটকেন্দ্রের নাম, প্রার্থী, দল ও আসনভিত্তিক তথ্য যেমন পাওয়া যাবে, তেমনি আইনবিধি, ভোট পড়ার হার, ফলসহ নানা ধরনের তথ্যও জেনে নিতে পারবেন নাগরিকরা।
এতে একজন ভোটার সহজেই ভোট দিতে কেন্দ্রে যাওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিতে পারবেন। আগের বছরগুলোর মতো কোথায় কোন কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন তা নিয়ে যেমন জটিলতায় পড়তে হবে না, তেমনি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নম্বর খোঁজার বিড়ম্বনার মধ্যেও পড়বেন না।
মন্তব্য করুন


ছাত্র আন্দোলনে আহতদের মধ্যে ১০০ জন
পুলিশের চাকরি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সিআইডির প্রধান
কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সিআইডিতে
আজকে আমার একটা নরমাল ভিজিট ছিল। আমার সঙ্গে আইজিপি ছিলেন। আমরা অনেক বিষয়ে কথা বলেছি।
আপনারা জানেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অনেকে নিহত এবং আহত হয়েছেন। যারা আহত
হয়েছেন তাদের কর্মসংস্থানের একটা ব্যবস্থা কিভাবে করা যায় সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা এই বিষয়ে একটা প্রপোজাল পাঠিয়েছি। যারা আহত হয়েছে তাদেরকে পুলিশে
চাকরি দেওয়ার বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবাইকেতো আর পুলিশে নেওয়া যাবে না, তবে একেকজন একেকভাবে
আহত হয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আহতদের মধ্যে ১শ’ জনকে আমরা পুলিশ বাহিনীতে নিব।
আমরা দ্রুত এই বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করব। আমরা আপাতত ১শ’ জন আহতকে দিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি,
পরবর্তীতে আমরা এই সংখ্যাটা আরো বাড়াব। আমরা আপাতত পুলিশে শুরু করছি পরবর্তীতে আমরা
আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সকল ডিপার্টমেন্টে এটা করে দিব। ট্রাফিক ব্যবস্থার একটা সমস্যা রয়ে
গেছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আমরা এক হাজার ছাত্রকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম।
এখন পর্যন্ত ৪শ’ জন শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা আরো একটি প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম
যে, বিভিন্ন বাহিনীতে যারা অবসরে গিয়েছেন তাদের নিয়োগ দিয়ে ট্রাফিক শৃঙ্খলায় নিয়োজিত
করা। তবে অবসরপ্রাপ্তরা এই বিষয়ে রেসপন্স খুব কম দিয়েছেন। আমি ভেবেছিলাম তারা অনেকে
আসতে চাইবে। তবে আমরা আপাতত ৫০-৬০ জনের মত পেয়েছি। আমরা চেয়েছিলাম অন্তত ৫শ’ জন দিয়ে
শুরু করি।
শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সঙ্গে ট্রাফিক
ব্যবস্থাপনার বিষয়টা কেমন হবে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারা যেন পড়াশোনা
ঠিক রাখতে পারে সেজন্য তাদেরকে আমরা সময়টা কম দিয়েছি। তারা যেন পড়াশোনাও করতে পারে
এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও কাজ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করেছি। তাদের সম্মানী দেওয়া হচ্ছে।
তারা রাস্তায় ২-৩ ঘণ্টা কাজ করবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের
আমলে সব থেকে বড় সমস্যা ছিল মানি লন্ডারিং। মানি লন্ডারিং নিয়ে আমি সিআইডি প্রধানকে
সব থেকে বেশি ইন্সট্রাকশন দিয়েছি। আমি সিআইডি প্রধানকে বলেছি যে, তিনি যেন দ্রুত বাংলাদেশ
ব্যাংক থেকে রিজার্ভ চুরির ঘটনার প্রতিবেদন দেন। বিগত সরকারের আমলে মানি লন্ডারিং সব
থেকে বেশি হয়েছে। আমি সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছি মানি লন্ডারিং এর মামলাগুলোর প্রতিবেদন
যেন দ্রুত দেয়া হয়। তদন্তের
নামে সময়ক্ষেপন করে লাভ নেই। আমি একটা রিপোর্ট চাই যে কারা কারা মানিলন্ডারিং এর সঙ্গে
জড়িত। সেটা আমি সিআইডিকে বলেছি। যদি তদন্তের নামে দুই তিন বছর চলে যায় তাহলে তো এটার
কোন কার্যকারিতা থাকে না।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল ১২ মে রোববার চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা
হবে।
সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে মাধ্যমিক ও সমমান
পরীক্ষা ২০২৪ এর ফলাফল এবং ফলাফলের পরিসংখ্যান তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান
চৌধুরী নওফেল। এ সময় তার সঙ্গে থাকবেন ৯টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা
বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা ১২ মে ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সম্মতি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর
সহকারী একান্ত সচিব-১ ইসমাত মাহমুদা এ সংক্রান্ত চিঠিতে সই করেছেন।
আর এর পরপরেই সকাল ১১টায় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশ
করা হবে।
নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি ও সময়সূচি নিতে প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ে চিঠি দিয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেন, সেদিন ফল প্রকাশে প্রস্তুতি
নেওয়া হয়।
পরীক্ষার ফলাফল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট wwwdhakaeducationboard.gov.bd-G
Result-এ ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক
রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া www.education boardresults.gov.bdbd ওয়েবসাইটে
ক্লিক করে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম, বছর ও শিক্ষা বোর্ড সিলেক্ট
করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে ফল জানা যাবে।
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে
স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস
দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়।
এবারের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী
২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। সারাদেশে ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা
৩ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়।
মন্তব্য করুন


তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের
সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত বিষয়টি ঝুলে থাকার কারণে এতে কোনো দেশেরই
লাভ হচ্ছে না বলে জানান তিনি। (খবর এনডিটিভির)
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম পিটিআইকে দেয়া
এক সাক্ষাতকারে এ কথা বলেন ড. ইউনূস। ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎকার দেন তিনি।
ড. ইউনূস বলেন, আমি যদি জানি, আমি কতটুকু পানি পাব, সেটা ভালো হতো। এমনকি পানির পরিমাণ
নিয়ে যদি আমি খুশি নাও হই, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। এই বিষয়টি সমাধান হতেই হবে। কারণ
পানি বণ্টনের বিষয়টি নিয়ে বসে থাকার ফলে এতে কোনো কাজ হচ্ছে না।
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে অন্তর্বর্তী
সরকার ভারতকে চাপ দেবে কিনা- পিটিআইয়ের এমন প্রশ্নে ড. ইউনূস বলেন, চাপ শব্দটি অনেক
বড়। আমি এই কথা বলছি না। আমরা আলোচনা করব। তবে আমাদের একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করতে
হবে।
২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী
মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর অনেকটা চূড়ান্ত হয়ে
গিয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই চুক্তিকে অনুমোদন দিতে অস্বীকৃতি জানানোর
ফলে চুক্তি আর হয়নি। তখন মমতা দাবি করেছিলেন, তার রাজ্যেই পানির সংকট রয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা আরও বলেন, তিস্তার পানি বণ্টন নতুন কোনো ইস্যু নয়, এটি অনেক পুরাতন ইস্যু।
বিষয়টি নিয়ে আমরা একাধিকবার কথা বলেছি। এমনকি পাকিস্তান পিরিয়ডেও কথা হয়েছে। আমরা সবাই
চেয়েছি এটির সমাধান করতে, এমনকি ভারত সরকারও এর জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের
সরকার এর জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমরা চাই এর সমাধান করতে। ভাটির দেশ হিসেবে আমাদের
পানি পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার
কুয়ালালামপুরের অদূরে কেলাং এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় ও ডিংকেল এবং সারওয়াক রাজ্যে
পৃথক দুর্ঘটনায় জমির শেখ, জাফর আলম ও ফজলুর রহমান নামে তিন প্রবাসী বাংলাদেশী নিহত
হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে জমির শেখের দেশের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরে এবং জাফর আলমের
বাড়ি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার হাজীরপাড়া ইউনিয়নের টাইংগাকাটা এলাকায়।
জানা
গেছে, জাফর আলম দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার কর্মরত
অবস্থায় ডিংকেল এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গুরুতর
আহত হন তিনি। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে সহকর্মীরা জানান।
এদিকে,
শুক্রবার বিকেলে কেলাং মহাসড়কে একটি লরি যান্ত্রিক সমস্যার কারণে সড়কের মাঝখানে হঠাৎ
থেমে যায়। এরপর সেটিকে সহায়তা করতে আরও একটি লরি এবং একটি পিকআপ ভ্যান থেমে দাঁড়ায়।
ঠিক সেই সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা আরেকটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা
দেয় দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনগুলোকে। মুহূর্তেই সৃষ্টি হয় ভয়াবহ সংঘর্ষ।
এই
দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে একজন বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিক।
তিনি মালয়েশিয়ায় কষ্ট করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন বলে জানা গেছে। আরেকজন নিহত ব্যক্তি
ছিলেন স্থানীয় নাগরিক। এছাড়া আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
পুলিশ
ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করে এবং প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতির কারণেই
এই ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে থাকতে পারে। নিহত প্রবাসী জমির শেখের দেশের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার
মহেশপুরে। এদিকে, সারাওয়াক প্রদেশের বিনতাংর এলাকার মেরাদং-এ লরির ধাক্কায় সেতু নির্মাণ
শ্রমিক মো. ফজলুর রহমান (৪০) নামে এক বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
মেরাডং
জেলা পুলিশ প্রধান, ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট তানস্লী মেরিং নিশ্চিত করেছেন যে, নিহত
মো. ফজলুর রহমান (৪০) মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে ঘটনাস্থলেই মারা যান। প্রাথমিক তদন্তে
জানা গেছে যে, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে ঘটা এই দুর্ঘটনাটি ঘটে যখন লরিটি ঘটনাস্থলের
দিকে আসার সময় নিহত ব্যক্তি হঠাৎ রাস্তার বাম পাশ থেকে পার হচ্ছিলেন বলে ধারণা করা
হচ্ছে।
তিনি
বলেন, সেমপ থেকে সিবুর দিকে আসা লরির চালক দূরত্ব খুব কম থাকায় দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য
যথেষ্ট সময় পাননি। নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সারিকাই হাসপাতালে পাঠানো
হয়েছে এবং বাংলাদেশ দূতাবাসকে ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন